🚫Phishing Message Alart🚫
এই ম্যাসেজটি আপনার কাছেও আসতে পারে আপনার পরিচিতজনদের কাছ থেকেও।
এই লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।
ক্লিক করা মাত্র আপনার টেলিগ্রামের এক্সেস হ্যাকারের কাছে চলে যাবে। একইসাথে এই ম্যাসেজটি অটোমেটিক সবার কাছে ফরোয়ার্ড হয়ে যাবে।
আপনি যদি একান্তই এই ভুল করে ফেলেন তাহলে করণীয়:
১. Settings > privacy and security > devices থেকে অজ্ঞাত ডিভাইসটি দেখতে পেলে সেটি লগ আউট করে দিন।
২. আপনার একাউন্ট থেকে যাদের একাউন্টে ম্যাসেজ ফরোয়ার্ড হয়ে গেছে তাদের কেউ ম্যাসেজ সিন করে থাকলে তাকে এই ম্যাসেজটি ফরোয়ার্ড করুন। যদি সিন না করে তাহলে ম্যাসেজটি delete for everyone করে ডিলিট করে দিন।
এই ম্যাসেজটি আপনার কাছেও আসতে পারে আপনার পরিচিতজনদের কাছ থেকেও।
এই লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।
ক্লিক করা মাত্র আপনার টেলিগ্রামের এক্সেস হ্যাকারের কাছে চলে যাবে। একইসাথে এই ম্যাসেজটি অটোমেটিক সবার কাছে ফরোয়ার্ড হয়ে যাবে।
আপনি যদি একান্তই এই ভুল করে ফেলেন তাহলে করণীয়:
১. Settings > privacy and security > devices থেকে অজ্ঞাত ডিভাইসটি দেখতে পেলে সেটি লগ আউট করে দিন।
২. আপনার একাউন্ট থেকে যাদের একাউন্টে ম্যাসেজ ফরোয়ার্ড হয়ে গেছে তাদের কেউ ম্যাসেজ সিন করে থাকলে তাকে এই ম্যাসেজটি ফরোয়ার্ড করুন। যদি সিন না করে তাহলে ম্যাসেজটি delete for everyone করে ডিলিট করে দিন।
😢14👍2
কুরআনের সৌন্দর্য
১. কুরআন স্রেফ আমাদের তিলাওয়াত করা পঠিত কিছু বাক্য নয়। এ হলো হৃদয় ও বিবেক আলোড়ন করা রিসালাত। মানুষের অস্তিত্বকে নাড়া দিয়ে তার সৃষ্টির কেন্দ্রীয়তা ও জিন্দেগির মাকসাদের দিকে তার দৃষ্টি ফেরায়।
২. কুরআনকে সবটুকু দেয়া ছাড়া কুরআন কাউকেই তার সবটুকু দেয় না। যে পাঠক দুনিয়া থেকে তার সমস্ত মনোযোগ ছাড়িয়ে নিজের আত্মাকে কুরআনে নিবিষ্ট করবে সেই কুরআনের সেই অত্যাশ্চর্য মুজিযা দেখতে পাবে যেটা দুনিয়ার চাকচিক্যে মত্ত থাকা ব্যক্তির জন্য অসম্ভব।
৩. আপনি যখন আযাবের আয়াতগুলো পড়বেন তখন সেগুলোকে গাফিলের মত পড়লে এগুলো আপনার কাছে অলীক গল্প কিংবা স্বাভাবিক শাস্তির মতন লাগবে। এগুলো পড়বেন সেই ঘুম থেকে হঠাৎ জেগে উঠা ব্যক্তির মত যে কি না ভয়ে কুকড়ে যায়।
৪. যে হৃদয় কুরআন ধারণ করে সে হৃদয়ে যে আলো আসে তা তাকে যুলুমের সামনে শান্ত থাকতে দেয় না। পার্থিবতার সামনে ঝুকতে দেয় না।©️
১. কুরআন স্রেফ আমাদের তিলাওয়াত করা পঠিত কিছু বাক্য নয়। এ হলো হৃদয় ও বিবেক আলোড়ন করা রিসালাত। মানুষের অস্তিত্বকে নাড়া দিয়ে তার সৃষ্টির কেন্দ্রীয়তা ও জিন্দেগির মাকসাদের দিকে তার দৃষ্টি ফেরায়।
২. কুরআনকে সবটুকু দেয়া ছাড়া কুরআন কাউকেই তার সবটুকু দেয় না। যে পাঠক দুনিয়া থেকে তার সমস্ত মনোযোগ ছাড়িয়ে নিজের আত্মাকে কুরআনে নিবিষ্ট করবে সেই কুরআনের সেই অত্যাশ্চর্য মুজিযা দেখতে পাবে যেটা দুনিয়ার চাকচিক্যে মত্ত থাকা ব্যক্তির জন্য অসম্ভব।
৩. আপনি যখন আযাবের আয়াতগুলো পড়বেন তখন সেগুলোকে গাফিলের মত পড়লে এগুলো আপনার কাছে অলীক গল্প কিংবা স্বাভাবিক শাস্তির মতন লাগবে। এগুলো পড়বেন সেই ঘুম থেকে হঠাৎ জেগে উঠা ব্যক্তির মত যে কি না ভয়ে কুকড়ে যায়।
৪. যে হৃদয় কুরআন ধারণ করে সে হৃদয়ে যে আলো আসে তা তাকে যুলুমের সামনে শান্ত থাকতে দেয় না। পার্থিবতার সামনে ঝুকতে দেয় না।©️
❤27
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভা'রতে হোলির আগে মুসলিম দের ১০ টির ও বেশি মসজিদে এভাবে ঢাকা হলো!!
😢33
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভা'রতে হোলির আগে মুসলিম দের ১০ টির ও বেশি মসজিদে এভাবে ঢাকা হলো!!
😢30
ইউনুস করলোটা কি দেখেন! কোন জায়গায় কোন প্ল্যাকার্ড দেখাতে হবে, সেটাই বাস্তবায়ন করে দিলো ইউনুস সরকার।
এইরকম একটা প্ল্যানিং ইউনুসের দ্বারাই সম্ভব।
এইরকম একটা প্ল্যানিং ইউনুসের দ্বারাই সম্ভব।
❤🔥38❤2
Forwarded from আলোর পথ
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
রোজাদারের ২টি আনন্দ
❤26
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সকল অবিবাহিত যুবক-যুবতীরা আমিন বলুন!©️
❤43🔥2😁1
সংক্ষিপ্ত রিমাইন্ডার
১৫ দিন তো চলে গেল প্রায়..
- জ্বী ভাই.. চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই সময় গুলো চলে গেল।
ইমানের হালত কি ভাই?
- আলহামদুলিল্লাহ ভালোই।
শেষ কবে রবের সামনে দাড়িয়ে চোখের পানি পড়েছে?
- ( ..... )©️
১৫ দিন তো চলে গেল প্রায়..
- জ্বী ভাই.. চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই সময় গুলো চলে গেল।
ইমানের হালত কি ভাই?
- আলহামদুলিল্লাহ ভালোই।
শেষ কবে রবের সামনে দাড়িয়ে চোখের পানি পড়েছে?
- ( ..... )©️
😢47
এক বৃদ্ধা মহিলাকে দেখলাম আজানের কিছুক্ষণ আগেই ওজু করছেন। জিজ্ঞেস করলাম, আজান দিয়েছে? বৃদ্ধা বললেন,
- আমাকে ডাকার আগেই রবের কাছে হাজির হয়ে যাচ্ছি।
বৃদ্ধার কথা শুনে বুঝতে পারলাম, আমি এখনো ভালো বান্দা হয়ে উঠতে পারিনি।
- আল্লামা ইবনুল জাওযী (রহ.)
- আমাকে ডাকার আগেই রবের কাছে হাজির হয়ে যাচ্ছি।
বৃদ্ধার কথা শুনে বুঝতে পারলাম, আমি এখনো ভালো বান্দা হয়ে উঠতে পারিনি।
- আল্লামা ইবনুল জাওযী (রহ.)
😢42❤8
আলোর পথ
Photo
ছাত্ররা যখন ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, মেসগুলোতে নিয়মিত তল্লাশিতে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, আন্দোলনের স্থবির অবস্থা। ঠিক তখনই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির মঞ্জুরুল ইসলাম ভাইয়ের নির্দেশনায় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ভাই সারাদেশের আন্দোলন বেগবান রাখার জন্য সারাদেশকে কয়েক ভাগে ভাগ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রুপের নাম দেওয়া হয় "Business Club"। আমরা যারা বিভাগভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হলাম তাদের নাম দেওয়া হলো ডিভিশনাল ইনচার্জ।
👉ঢাকা বিভাগ: সিবগাতুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক), আজিজুর রহমান আজাদ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক), সাদেক আব্দুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক)
👉কুমিল্লা জোন: শাফিউল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রাজশাহী বিভাগ: আব্দুর রহিম (কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক)
👉চট্টগ্রাম বিভাগ: সাইদুল ইসলাম ভাই (কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক)
👉খুলনা বিভাগ: মিকদাদ হুসাইন-সুহাইল ভাই (কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক)
👉ময়মনসিংহ বিভাগ: আব্দুস সালাম ভাই (কেন্দ্রীয় শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক)
👉সিলেট বিভাগ: সিদ্দিক আহমেদ ভাই (কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রংপুর বিভাগ: মিসবাহুল করিম ভাই(কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক)
👉বরিশাল বিভাগ: আব্দুর রহিম ভাই (গালিব আব্দুল্লাহ)।(কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক)
👉আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু যেহেতু ঢাকা, আবার ঢাকায় প্লেসও বেশি, সেজন্য কেন্দ্রের অন্য সেক্রেটারিয়েট ভাইদের পাশাপাশি ডিভিশনাল ইনচার্জদেরও বিভিন্ন স্থানেও প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে ছাত্র,জামায়াত কর্মী, সাধারণ জনগনের সমন্বয়ে নির্ধারিত স্পটের সকলের নিরাপত্তা, খাবার, আন্দোলনের সরঞ্জাম সরবরাহ সহ সামগ্রিক দেখভাল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ডিভিশনাল ইনচার্জ হিসাবে জাহিদুল ইসলাম ভাই আমাদের প্রথম কাজ দিলেন জেলা ইনচার্জ, সহকারী নির্ধারণ করা। তাদের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যন্ত আন্দোলন বিস্তৃত করার জন্য সমন্বয়ক টিম গঠন করা।
পরিবেশ এতটাই কঠিন! জেলা শহরগুলো ছোট হওয়ায় আন্দোলনে যখন কেউ দাঁড়াতে পারছে না, সেখানে সমন্বয় করা মানে তাকে নিশ্চিত বিপদে ফেলে দেওয়া। তখন বারবার বসে আমাদের সংশ্লিষ্ট শাখা দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রশিবিরের নন-ফেস জনশক্তিদের সমন্বয়ে সমন্বয়ক প্যানেল গঠন করা হয়।
আন্দোলন যেন প্রশ্নবিদ্ধ নাহয় সেজন্য দায়িত্বশীলদের মধ্যে আমরা যারা ছাত্রশিবির হিসাবে চিহ্নিত ছিলাম, তারা অধিকাংশ সময় মাস্ক পরিহিত অবস্থায় আন্দোলনে থেকেছি।
আব্দুর রহিম
Md Abdur Rahim
সাবেক, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক ও রাজশাহী ডিভিশনাল ইনচার্জ।
Md. Abdur Rahim
👉ঢাকা বিভাগ: সিবগাতুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক), আজিজুর রহমান আজাদ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক), সাদেক আব্দুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক)
👉কুমিল্লা জোন: শাফিউল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রাজশাহী বিভাগ: আব্দুর রহিম (কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক)
👉চট্টগ্রাম বিভাগ: সাইদুল ইসলাম ভাই (কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক)
👉খুলনা বিভাগ: মিকদাদ হুসাইন-সুহাইল ভাই (কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক)
👉ময়মনসিংহ বিভাগ: আব্দুস সালাম ভাই (কেন্দ্রীয় শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক)
👉সিলেট বিভাগ: সিদ্দিক আহমেদ ভাই (কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রংপুর বিভাগ: মিসবাহুল করিম ভাই(কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক)
👉বরিশাল বিভাগ: আব্দুর রহিম ভাই (গালিব আব্দুল্লাহ)।(কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক)
👉আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু যেহেতু ঢাকা, আবার ঢাকায় প্লেসও বেশি, সেজন্য কেন্দ্রের অন্য সেক্রেটারিয়েট ভাইদের পাশাপাশি ডিভিশনাল ইনচার্জদেরও বিভিন্ন স্থানেও প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে ছাত্র,জামায়াত কর্মী, সাধারণ জনগনের সমন্বয়ে নির্ধারিত স্পটের সকলের নিরাপত্তা, খাবার, আন্দোলনের সরঞ্জাম সরবরাহ সহ সামগ্রিক দেখভাল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ডিভিশনাল ইনচার্জ হিসাবে জাহিদুল ইসলাম ভাই আমাদের প্রথম কাজ দিলেন জেলা ইনচার্জ, সহকারী নির্ধারণ করা। তাদের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যন্ত আন্দোলন বিস্তৃত করার জন্য সমন্বয়ক টিম গঠন করা।
পরিবেশ এতটাই কঠিন! জেলা শহরগুলো ছোট হওয়ায় আন্দোলনে যখন কেউ দাঁড়াতে পারছে না, সেখানে সমন্বয় করা মানে তাকে নিশ্চিত বিপদে ফেলে দেওয়া। তখন বারবার বসে আমাদের সংশ্লিষ্ট শাখা দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রশিবিরের নন-ফেস জনশক্তিদের সমন্বয়ে সমন্বয়ক প্যানেল গঠন করা হয়।
আন্দোলন যেন প্রশ্নবিদ্ধ নাহয় সেজন্য দায়িত্বশীলদের মধ্যে আমরা যারা ছাত্রশিবির হিসাবে চিহ্নিত ছিলাম, তারা অধিকাংশ সময় মাস্ক পরিহিত অবস্থায় আন্দোলনে থেকেছি।
আব্দুর রহিম
Md Abdur Rahim
সাবেক, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক ও রাজশাহী ডিভিশনাল ইনচার্জ।
Md. Abdur Rahim
❤12👍4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জুলাই বিপ্লবের অন্যতম নায়ক সালমান ওরফে সাদিক কায়েমের সাক্ষাৎকার-
ভাবছি আরো বৃহৎ পরিসরে গল্পগুলো নিতে হবে।
জাস্টিস ফর জুলাই ইউকে-র জন্য একটি ডকুমেন্টারী করতে গিয়ে এ সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম।
ভিডিও : ধানশালিক স্টুডিও
ভাবছি আরো বৃহৎ পরিসরে গল্পগুলো নিতে হবে।
জাস্টিস ফর জুলাই ইউকে-র জন্য একটি ডকুমেন্টারী করতে গিয়ে এ সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম।
ভিডিও : ধানশালিক স্টুডিও
❤26👍1