কেন কোন দেশের ভিসা করেছে :-P
ছাত্রলীগ = ইন্ডিয়া।
ছাত্রদল =পাকিস্তান।
শিবির =আফগানিস্তান।
বাম=ফ্রান্স
বৈষম্যবিরোধী= ব্রাহ্মণবাড়িয়া
;-)
ছাত্রলীগ = ইন্ডিয়া।
ছাত্রদল =পাকিস্তান।
শিবির =আফগানিস্তান।
বাম=ফ্রান্স
বৈষম্যবিরোধী= ব্রাহ্মণবাড়িয়া
;-)
😁32
BUET= বগুড়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
CUET=চুয়াডাঙ্গা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
RUET= রাঙামাটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
KUET= কুষ্টিয়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
নতুন নাম করার জোর দাবি জানচ্ছি
CUET=চুয়াডাঙ্গা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
RUET= রাঙামাটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
KUET= কুষ্টিয়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
নতুন নাম করার জোর দাবি জানচ্ছি
😁46👎1🔥1
রাতে যখন ঘুমাতে যাবেন তখন আল্লাহর সাথে কিছু কথা বলে নিবেন।
হে আল্লাহ। আজকের দিনটা চলে গেলো, আজ আমি এতটি গুণাহ থেকে নিরাপদ ছিলাম আর এ-কয়টি গুণাহ করে ফেলেছি। আমি হেরে গেছি! নেক কাজও এ-কয়টি করেছি আর এ-কয়টি করতে পারিনি।
হে আল্লাহ। আমি আপনার পথে চলতে চাই। কিন্তু নফস,শয়তান ও পরিবেশ এ চলার পথে বড় বাঁধা।
হে আল্লাহ। আপনি আমাকে এদের উপর জয়ী করুন, দুনিয়াবি সকল ব্যস্ততা থেকে দূরে রাখুন, আমিন! ❤️
হে আল্লাহ। আজকের দিনটা চলে গেলো, আজ আমি এতটি গুণাহ থেকে নিরাপদ ছিলাম আর এ-কয়টি গুণাহ করে ফেলেছি। আমি হেরে গেছি! নেক কাজও এ-কয়টি করেছি আর এ-কয়টি করতে পারিনি।
হে আল্লাহ। আমি আপনার পথে চলতে চাই। কিন্তু নফস,শয়তান ও পরিবেশ এ চলার পথে বড় বাঁধা।
হে আল্লাহ। আপনি আমাকে এদের উপর জয়ী করুন, দুনিয়াবি সকল ব্যস্ততা থেকে দূরে রাখুন, আমিন! ❤️
❤32👍3❤🔥2
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আহত দুই শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের একজন মিজানুর রহমান রিয়াদ ও অন্যজন জাহিদুল ইসলাম হৃদয়। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।
ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, হৃদয়ের হাত কিছুটা ফুলে গিয়েছিল, তবে এক্স-রেতে কোনো ভাঙা ধরা পড়েনি। আর রিয়াদ সামান্য আহত হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর সে আমাদের না জানিয়েই হাসপাতাল থেকে চলে গেছে।
তিনি আরও বলেন, পায়ের রগ কাটার মতো কোনো চিহ্ন আমার চিকিৎসকরা পাননি। রগ কাটার মত বড় ইস্যু নিয়ে কোনো বক্তব্যও আমাদের চিকিৎসকরা দেননি। হৃদয়ের যে পায়ে আঘাত লেগেছে, সেটির যথাযথ চিকিৎসা করা হয়েছে। যদিও সেটি খুব গুরুতর নয়। তবে সে চিকিৎসা শেষ না করেই চলে গেছে।
-দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস
ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, হৃদয়ের হাত কিছুটা ফুলে গিয়েছিল, তবে এক্স-রেতে কোনো ভাঙা ধরা পড়েনি। আর রিয়াদ সামান্য আহত হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর সে আমাদের না জানিয়েই হাসপাতাল থেকে চলে গেছে।
তিনি আরও বলেন, পায়ের রগ কাটার মতো কোনো চিহ্ন আমার চিকিৎসকরা পাননি। রগ কাটার মত বড় ইস্যু নিয়ে কোনো বক্তব্যও আমাদের চিকিৎসকরা দেননি। হৃদয়ের যে পায়ে আঘাত লেগেছে, সেটির যথাযথ চিকিৎসা করা হয়েছে। যদিও সেটি খুব গুরুতর নয়। তবে সে চিকিৎসা শেষ না করেই চলে গেছে।
-দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস
😁6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আর তার নির্দেশনাবলীর মধ্যে রয়েছে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য।
(সূরা রুম:২২)
১৭৫৭, ১৯০৫, ১৯১১, ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪ পেরিয়ে যেকোনো সংকটে একুশ স্বমহিমায় বারবার ফিরে আসুক ইতিহাসের রক্তিম পাটাতনে!
#21stFebruary
#InternationalMotherLanguageDay
❤12
জুলকারনাইন সায়ের আজ যা লিখেছেন, ঐটা সত্যি হলে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস পাল্টে যাবে।
এন্ড বৈষম্য বিরোধী নেতাদের অনেক অনেক মিথ্যা কথাও সামনে চলে আসবে।
সবচে মজার ব্যাপার হলো, জুলকারনাইন সায়ের ভাই এবারের পার্সন অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করেছিলেন সাদিক কায়েমকে।
বাট কেন করেছিলেন, জানতাম না।
আজ জানা হলো। জানা হলো এই সাদিক কায়েমই সালমান নাম নিয়ে জুলকারনাইন সায়ের এবং আরেকজনের সাথে সমস্ত যোগাযোগ রক্ষা করেছিলেন।
এবং সমন্বয়কদের জন্য সেইফ হাউজের ব্যবস্থা করতে যা যা যোগাযোগ করা, ঐটা সাদিক কায়েমের করা।
এক দফা ঘোষণা দেওয়ার আগে কিছু সমন্বয়ক দাবি করে বসে তাদের ফ্যামিলিকে এম্বেসীতে আশ্রয় না দিলে তারা এক দফার ঘোষণা দিবেন না।
এইখানে একজন রহস্যময় নারী চরিত্র আছে। যিনিই মূলত সাদিক কায়েমকে ইনস্ট্রাকশন দিয়েছেন আন্দোলনের ব্যাপারে। এবং উনিই মূলত সেইফ হাউজের ব্যবস্থাটা করেছিলেন।
তো এই রহস্যময় নারী বারবার সমন্বয়কদের উপর বিরক্ত হয়ে কুইট করতে চাইছিলেন আন্দোলন। বাট সাদিক কায়েম বারবার অনুরোধ করে বলেছিলেন যে এখানে অনেক স্টেক হোল্ডার আছে। কাজ করা খুবই পেইন হয়ে যাচ্ছে। বাট আমি এই আন্দোলনের জন্য আমার জীবন দিয়ে দিতেও প্রস্তুত।
এইখানে এসে বুঝেছি কেন সাদিক কায়েমই পার্সন অব দ্য ইয়ার।
কারণ, যখন এখনকার স্টার নেতারা সেইফ হাউজে বসে এম্বেসিতে পরিবার না নিলে খেলবো না বলে জেদ ধরেছিলেন, তখন সাদিক জেদ ধরেছিলেন যে আন্দোলন করতেই হবে। অন্যরা নিজের পরিবারের চিন্তা করেছে, সাদিক চিন্তা করেছে আন্দোলনটা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
থ্যাংকিউ, জুলাই বিপ্লবের আনসাং হিরো, সালমান তথা সাদিক কায়েম।
গত ২ সপ্তাহে আমাদের মধ্যে যেসব প্রশ্ন উঠেছিলো, আমরা আজ তার জবাব পেয়েছি।
এতো কিছু করেও আজ পর্যন্ত এই বিপ্লবে নিজের স্টেক নিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেন নাই, সরকারে যান নাই, নিজেকে কিছু দাবিও করেন নাই।
অথচ আমরা আজ আবিষ্কার করলাম, সবার সেইফ থাকার ব্যবস্থা করে টরে আপনি ফাঁসির দড়িটা আপনার গলাতেই টেনে রেখেছিলেন। দুনিয়ার সব কম্যুনিকেশন করেছেন নিজের নাম্বার থেকে। যেই নাম্বার খুঁজে বের করে আপনাকে ফাঁসি দিতে হাসিনার সময় লাগতো ১০ মিনিট।
কার কার ফাঁসি হতো, ঐটা নিয়েও এখন প্রচুর কথাই শুনি। কে কে অলরেডি শহীদ, ঐ তুলুতুলুতে তো ফেসবুকে ঢোকাই দায় হয়ে যায়।
অথচ আজ জানলাম, ফাঁসির দড়ির মধ্যে মাথাটা আসলে কার ছিলো।
এতো কিছু জানতেন বলেই জুলকারনাইন সায়েরের পক্ষে ২০২৪ এর পার্সন অব দ্য ইয়ার বাছাই করা সহজ হয়েছিলো।
আজ সবাই জানলো।
আজকের পর থেকে ২০২৪ এর পার্সন অব দ্য ইয়ার নিয়ে সায়ের ভাইয়ের সাথে সাথে আমাদেরও আর কোন সন্দেহ থাকলো না।
আপনার এই সাহস, আপনার এই সততা আর আপনার এই নির্লিপ্ততা, সবকিছুই যেন আল্লাহ তাআলা কবুল করে নেয়।
এন্ড বৈষম্য বিরোধী নেতাদের অনেক অনেক মিথ্যা কথাও সামনে চলে আসবে।
সবচে মজার ব্যাপার হলো, জুলকারনাইন সায়ের ভাই এবারের পার্সন অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করেছিলেন সাদিক কায়েমকে।
বাট কেন করেছিলেন, জানতাম না।
আজ জানা হলো। জানা হলো এই সাদিক কায়েমই সালমান নাম নিয়ে জুলকারনাইন সায়ের এবং আরেকজনের সাথে সমস্ত যোগাযোগ রক্ষা করেছিলেন।
এবং সমন্বয়কদের জন্য সেইফ হাউজের ব্যবস্থা করতে যা যা যোগাযোগ করা, ঐটা সাদিক কায়েমের করা।
এক দফা ঘোষণা দেওয়ার আগে কিছু সমন্বয়ক দাবি করে বসে তাদের ফ্যামিলিকে এম্বেসীতে আশ্রয় না দিলে তারা এক দফার ঘোষণা দিবেন না।
এইখানে একজন রহস্যময় নারী চরিত্র আছে। যিনিই মূলত সাদিক কায়েমকে ইনস্ট্রাকশন দিয়েছেন আন্দোলনের ব্যাপারে। এবং উনিই মূলত সেইফ হাউজের ব্যবস্থাটা করেছিলেন।
তো এই রহস্যময় নারী বারবার সমন্বয়কদের উপর বিরক্ত হয়ে কুইট করতে চাইছিলেন আন্দোলন। বাট সাদিক কায়েম বারবার অনুরোধ করে বলেছিলেন যে এখানে অনেক স্টেক হোল্ডার আছে। কাজ করা খুবই পেইন হয়ে যাচ্ছে। বাট আমি এই আন্দোলনের জন্য আমার জীবন দিয়ে দিতেও প্রস্তুত।
এইখানে এসে বুঝেছি কেন সাদিক কায়েমই পার্সন অব দ্য ইয়ার।
কারণ, যখন এখনকার স্টার নেতারা সেইফ হাউজে বসে এম্বেসিতে পরিবার না নিলে খেলবো না বলে জেদ ধরেছিলেন, তখন সাদিক জেদ ধরেছিলেন যে আন্দোলন করতেই হবে। অন্যরা নিজের পরিবারের চিন্তা করেছে, সাদিক চিন্তা করেছে আন্দোলনটা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
থ্যাংকিউ, জুলাই বিপ্লবের আনসাং হিরো, সালমান তথা সাদিক কায়েম।
গত ২ সপ্তাহে আমাদের মধ্যে যেসব প্রশ্ন উঠেছিলো, আমরা আজ তার জবাব পেয়েছি।
এতো কিছু করেও আজ পর্যন্ত এই বিপ্লবে নিজের স্টেক নিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেন নাই, সরকারে যান নাই, নিজেকে কিছু দাবিও করেন নাই।
অথচ আমরা আজ আবিষ্কার করলাম, সবার সেইফ থাকার ব্যবস্থা করে টরে আপনি ফাঁসির দড়িটা আপনার গলাতেই টেনে রেখেছিলেন। দুনিয়ার সব কম্যুনিকেশন করেছেন নিজের নাম্বার থেকে। যেই নাম্বার খুঁজে বের করে আপনাকে ফাঁসি দিতে হাসিনার সময় লাগতো ১০ মিনিট।
কার কার ফাঁসি হতো, ঐটা নিয়েও এখন প্রচুর কথাই শুনি। কে কে অলরেডি শহীদ, ঐ তুলুতুলুতে তো ফেসবুকে ঢোকাই দায় হয়ে যায়।
অথচ আজ জানলাম, ফাঁসির দড়ির মধ্যে মাথাটা আসলে কার ছিলো।
এতো কিছু জানতেন বলেই জুলকারনাইন সায়েরের পক্ষে ২০২৪ এর পার্সন অব দ্য ইয়ার বাছাই করা সহজ হয়েছিলো।
আজ সবাই জানলো।
আজকের পর থেকে ২০২৪ এর পার্সন অব দ্য ইয়ার নিয়ে সায়ের ভাইয়ের সাথে সাথে আমাদেরও আর কোন সন্দেহ থাকলো না।
আপনার এই সাহস, আপনার এই সততা আর আপনার এই নির্লিপ্ততা, সবকিছুই যেন আল্লাহ তাআলা কবুল করে নেয়।
❤21👍6