আমার রব,
হয়ত আমার বাক্যগুলো এলোমেলো। হয়ত নিজের চাওয়াটুকু বোঝাবার মতো যথার্থ শব্দ খুঁজে পেতে আমি ব্যর্থ। হতে পারে আমার চিন্তাগুলোও বিচ্ছিন্ন।
কিন্তু মালিক, আপনি তো অন্তরের ভাষাও বুঝেন। মুখ যা উচ্চারণ করতে ব্যর্থ হয়, হৃদয় যা সাজিয়ে নিতে হিমশিম খায়—এসবের কোনোকিছুই আপনার অজানা নেই।
আমি শব্দের অভাবে, বাক্য-বিন্যাসের অপটুতায়, চিন্তার অসামঞ্জস্যতায় যা বলতে পারছি না তা আপনি ইতোমধ্যেই জানেন। সুতরাং, আমার ব্যর্থতাকে আপনার দয়া দ্বারা পরিবেষ্টন করে, আমার অন্তরের চাওয়াটুকু পূরণ করে দিন।
👉Arif Azad
হয়ত আমার বাক্যগুলো এলোমেলো। হয়ত নিজের চাওয়াটুকু বোঝাবার মতো যথার্থ শব্দ খুঁজে পেতে আমি ব্যর্থ। হতে পারে আমার চিন্তাগুলোও বিচ্ছিন্ন।
কিন্তু মালিক, আপনি তো অন্তরের ভাষাও বুঝেন। মুখ যা উচ্চারণ করতে ব্যর্থ হয়, হৃদয় যা সাজিয়ে নিতে হিমশিম খায়—এসবের কোনোকিছুই আপনার অজানা নেই।
আমি শব্দের অভাবে, বাক্য-বিন্যাসের অপটুতায়, চিন্তার অসামঞ্জস্যতায় যা বলতে পারছি না তা আপনি ইতোমধ্যেই জানেন। সুতরাং, আমার ব্যর্থতাকে আপনার দয়া দ্বারা পরিবেষ্টন করে, আমার অন্তরের চাওয়াটুকু পূরণ করে দিন।
👉Arif Azad
❤40👍1
‘মা-শা আল্লাহ’ কখন ও কেন বলবেন?
বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- ‘মা শা আল্লাহ’। আরবি- مَا شَاءَ الله ‘মা শা আল্লাহ’- শব্দটির অর্থ হলো- ‘আল্লাহ তাআলা যেমন চেয়েছেন’। কিন্তু ব্যাপক প্রচলিত এ কথাটি কখন এবং কেন বলতে হয়। এটি বলার উপকারিতাই বা কী?
প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ কিংবা ভালো যে কোনো কিছু দেখলে বলা-
مَا شَاءَ الله
উচ্চারণ : ‘মা শা আল্লাহ’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা যেমনটি চেয়েছেন’ (মুসলিম)
‘মা শা আল্লাহ’ কখন বলবেন?
সুন্দর কিছু দেখলে- ‘মা শা আল্লাহ’ বলতে হয়।
তবে ইসলামিক স্কলাররা মা শা আল্লাহ বলার তিনটি অবস্থা নির্ধারণ করেছেন। তাহলো-
১. যখন কারও সফলতা দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
২. যখন কাউকে ভালো কিছু করতে দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
৩. যখন কারো কোনো সুন্দর জিনিস দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
‘মা শা আল্লাহ’ কেন বলবেন?
কারো সফলতা, ভালো কাজ ও সুন্দর জিনিস দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলায় কোন বদ নজর লাগে না। বরং মাশা আল্লাহ বলায় রয়েছে বিশেষ উপকার। যে নিজিস বা যে কাজ দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলা হয়; সে জিনিস বা কাজ থেকে শয়তানের প্রভাব চলে যায়। শয়তান তাতে আর প্রভাব ফেলতে পারে না।
বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- ‘মা শা আল্লাহ’। আরবি- مَا شَاءَ الله ‘মা শা আল্লাহ’- শব্দটির অর্থ হলো- ‘আল্লাহ তাআলা যেমন চেয়েছেন’। কিন্তু ব্যাপক প্রচলিত এ কথাটি কখন এবং কেন বলতে হয়। এটি বলার উপকারিতাই বা কী?
প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ কিংবা ভালো যে কোনো কিছু দেখলে বলা-
مَا شَاءَ الله
উচ্চারণ : ‘মা শা আল্লাহ’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা যেমনটি চেয়েছেন’ (মুসলিম)
‘মা শা আল্লাহ’ কখন বলবেন?
সুন্দর কিছু দেখলে- ‘মা শা আল্লাহ’ বলতে হয়।
তবে ইসলামিক স্কলাররা মা শা আল্লাহ বলার তিনটি অবস্থা নির্ধারণ করেছেন। তাহলো-
১. যখন কারও সফলতা দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
২. যখন কাউকে ভালো কিছু করতে দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
৩. যখন কারো কোনো সুন্দর জিনিস দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
‘মা শা আল্লাহ’ কেন বলবেন?
কারো সফলতা, ভালো কাজ ও সুন্দর জিনিস দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলায় কোন বদ নজর লাগে না। বরং মাশা আল্লাহ বলায় রয়েছে বিশেষ উপকার। যে নিজিস বা যে কাজ দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলা হয়; সে জিনিস বা কাজ থেকে শয়তানের প্রভাব চলে যায়। শয়তান তাতে আর প্রভাব ফেলতে পারে না।
❤29👍2🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভাই আপনি আমারে মা'ইরা ফেলেন' আপনারা সবাই আমাকে মা'রলে আমি এখান থেকে যাবো নাহ! যেখানেই গ্যাঞ্জাম,সেখানেই হাজির Hasnat Abdullah
Bravo Man!♥️
Bravo Man!♥️
🔥34👍7
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
ভুলবো তোমায় বলো কি করে।।
দেখি নাই তোমারে কোন দিন
তবু আছ স্মরনে অমলিন
প্রেমের ভূবনে
তোমারি বিরহ ব্যথায়
নিশিথের শেফালীরা ঝরে।।
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
ভুলবো তোমায় বলো কি করে।
তোমায় ভুলে যদি যাইগো কভু
সে হবে আমারি পরাজয়
আমার সকল আশার আলো
অবেলায় হারিয়ে যাবে হায়।।
যতবার তোমারে খুঁজেছি
কোরানের পথ তত বুঝেছি
নিজেকে চিনেছি
হে রাসুল নবীজি তোমার
পাঠানো ঠিকানা পড়ে।
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
ভুলবো তোমায় বলো কি করে।।
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
ভুলবো তোমায় বলো কি করে।।
দেখি নাই তোমারে কোন দিন
তবু আছ স্মরনে অমলিন
প্রেমের ভূবনে
তোমারি বিরহ ব্যথায়
নিশিথের শেফালীরা ঝরে।।
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
ভুলবো তোমায় বলো কি করে।
তোমায় ভুলে যদি যাইগো কভু
সে হবে আমারি পরাজয়
আমার সকল আশার আলো
অবেলায় হারিয়ে যাবে হায়।।
যতবার তোমারে খুঁজেছি
কোরানের পথ তত বুঝেছি
নিজেকে চিনেছি
হে রাসুল নবীজি তোমার
পাঠানো ঠিকানা পড়ে।
তুমি আছো হৃদয়ের গভীরে
ভুলবো তোমায় বলো কি করে।।
🔥32🥰8👍3
একজন শুভাকাঙ্ক্ষী .. 🖤
যাকে চাইলেই পাচ্ছো; তাকে ব্যবহারের পাত্র ভেবো না।
যে তোমার প্রয়োজনে ছুটে আসে, সে তোমার ভালো চায়।
তাকে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী ভাবতে শেখো।
তার প্রতি সবসময় বিনয়ী থাকার চেষ্টা করো; যে তোমার ভালো সময়ের খোঁজ না রাখলেও, খারাপ সময়ে এসে কাঁধে হাত রেখে বলে, 'সব ঠিক হয়ে যাবে।'
নিঃস্বার্থভাবে সবাই ভালোবাসতে জানেনা। তাই যদি কেউ স্বার্থ ছাড়া তোমাকে ভালোবাসে তবে তার মূল্যায়ন করতে শেখো। মনে রেখো, তুমি একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হারালে মানে তুমি একটা বিশ্বস্ত কাঁধ হারালে।
-মাসুদ সাঈদী।
যাকে চাইলেই পাচ্ছো; তাকে ব্যবহারের পাত্র ভেবো না।
যে তোমার প্রয়োজনে ছুটে আসে, সে তোমার ভালো চায়।
তাকে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী ভাবতে শেখো।
তার প্রতি সবসময় বিনয়ী থাকার চেষ্টা করো; যে তোমার ভালো সময়ের খোঁজ না রাখলেও, খারাপ সময়ে এসে কাঁধে হাত রেখে বলে, 'সব ঠিক হয়ে যাবে।'
নিঃস্বার্থভাবে সবাই ভালোবাসতে জানেনা। তাই যদি কেউ স্বার্থ ছাড়া তোমাকে ভালোবাসে তবে তার মূল্যায়ন করতে শেখো। মনে রেখো, তুমি একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হারালে মানে তুমি একটা বিশ্বস্ত কাঁধ হারালে।
-মাসুদ সাঈদী।
❤24🥰4👍1
২০১৩ সালে ২৯ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়া
'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি' নামে কর্মসূচীর ডাক দিয়েছিলেন। গণতন্ত্রের জন্য ঢাকা অভিমুখে যাত্রা ২৯ ডিসেম্বর থেকে দলীয় ও জোট নেতাকর্মী সহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ কে শরীক হতে বলছেন এ ব্যাতিক্রমী কর্মসূচীতে।
গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচিতে শামিল হতে গিয়ে ২৯শে ডিসেম্বর রোববার মালিবাগে জামায়াত-ছাত্রশিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল হাফেজ মনসুর আহমেদ ভাই (২৪) শহীদ হন।
শহীদ মনসুর ভাই আশকোনা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি বনানীর সিটি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
শহীদ মনসুর ভাইয়ের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদরের মুন্সিরহাটে।
ঐদিন একই সময় একই স্থানে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল, যুবদল ও ছাত্রশিবির একসঙ্গে নামার কথা ছিল। কিন্তু ছাত্রশিবিরকর্মীরা সেখানে এসে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ছাত্রদল ও যুবদলের দেখা না পেয়ে নিজেরাই বেলা ১১টার দিকে মালিবাগ পদ্মা সিনেমা হলের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রশিবির দায়িত্বশীল শহীদ মানসুর ভাই ।
অথচ ছাত্রদল সেক্রেটারি এখন প্রতিদিন মিডিয়া,টকশো,বক্তব্য, বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরকে গোপন সংগঠন বলতে বলতে পেরেশান হয়ে যাচ্ছে।
উনি যদি প্রতিদিন আয়নায় নিজেদের মুখটা দেখতেন সেটাই বেশি ভালো হতো।
গত ১৬ বছর ক্যাম্পাসগুলোতে আপনারা কেমন সোচ্চার ছিলেন সেটা প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখেছে।
সুতরাং ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে এই জাতীয় বক্তব্য না দিলেই ভালো হয়।
ছাত্রশিবিরকে গোপন সংগঠন বলে নিজেদের দেউলিয়াত্বের প্রমাণ দিয়েন না!
মুহাম্মদ সায়েম সুমন
কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি' নামে কর্মসূচীর ডাক দিয়েছিলেন। গণতন্ত্রের জন্য ঢাকা অভিমুখে যাত্রা ২৯ ডিসেম্বর থেকে দলীয় ও জোট নেতাকর্মী সহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ কে শরীক হতে বলছেন এ ব্যাতিক্রমী কর্মসূচীতে।
গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচিতে শামিল হতে গিয়ে ২৯শে ডিসেম্বর রোববার মালিবাগে জামায়াত-ছাত্রশিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল হাফেজ মনসুর আহমেদ ভাই (২৪) শহীদ হন।
শহীদ মনসুর ভাই আশকোনা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি বনানীর সিটি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
শহীদ মনসুর ভাইয়ের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদরের মুন্সিরহাটে।
ঐদিন একই সময় একই স্থানে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল, যুবদল ও ছাত্রশিবির একসঙ্গে নামার কথা ছিল। কিন্তু ছাত্রশিবিরকর্মীরা সেখানে এসে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ছাত্রদল ও যুবদলের দেখা না পেয়ে নিজেরাই বেলা ১১টার দিকে মালিবাগ পদ্মা সিনেমা হলের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রশিবির দায়িত্বশীল শহীদ মানসুর ভাই ।
অথচ ছাত্রদল সেক্রেটারি এখন প্রতিদিন মিডিয়া,টকশো,বক্তব্য, বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরকে গোপন সংগঠন বলতে বলতে পেরেশান হয়ে যাচ্ছে।
উনি যদি প্রতিদিন আয়নায় নিজেদের মুখটা দেখতেন সেটাই বেশি ভালো হতো।
গত ১৬ বছর ক্যাম্পাসগুলোতে আপনারা কেমন সোচ্চার ছিলেন সেটা প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখেছে।
সুতরাং ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে এই জাতীয় বক্তব্য না দিলেই ভালো হয়।
ছাত্রশিবিরকে গোপন সংগঠন বলে নিজেদের দেউলিয়াত্বের প্রমাণ দিয়েন না!
মুহাম্মদ সায়েম সুমন
কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
👍13
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আপাকে উদ্দেশ্য করে সাদ্দামের কড়া বার্তা!
😁46
জেনে রাখুন কাজে আসবে!
১.যদি ভাল থাকতে চাও,তবে বেশি করে মায়ের সেবা করো!
২.যদি বিপদমুক্ত থাকতে চাও,যেখানে যাও মাকে বলে যাও।
৩.যদি কোন জিনিসে ভয় পাও তাহলে মাকে খুলে বলো!
৪.যদি মন খারাপ থাকে তাহলে মায়ের কাছে যাও!
৫.যদি অস্থির মনে হয় মায়ের আচলে মুখ মুছে নাও!
১.যদি ভাল থাকতে চাও,তবে বেশি করে মায়ের সেবা করো!
২.যদি বিপদমুক্ত থাকতে চাও,যেখানে যাও মাকে বলে যাও।
৩.যদি কোন জিনিসে ভয় পাও তাহলে মাকে খুলে বলো!
৪.যদি মন খারাপ থাকে তাহলে মায়ের কাছে যাও!
৫.যদি অস্থির মনে হয় মায়ের আচলে মুখ মুছে নাও!
❤34👍1
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বারংবার আওয়ামী সন্ত্রাসের শিকার হয়েছে ছাত্রশিবির। আটাশ অক্টোবর পরবর্তী ক্ষমতায় আরোহন করে ছাত্রশিবির হত্যার বৈধতা উৎপাদনে শাহবাগ কায়েম করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার।
শাহবাগ কায়েমের মধ্য দিয়ে ছাত্রশিবির কর্মীদের মৌলিক মানব অধিকারই কেবল কেঁড়ে নেওয়া হয়নি; বরং শিবিরকর্মীদের বেঁচে থাকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্ট হলেই গুলি করা হতো, ক্রসফায়ার দেওয়া হত, চোখ উপড়ে ফেলা হত। অসংখ্য শিবিরকর্মীকে করা হয়েছে গুম!
শুধু তাই নয়, সাতক্ষীরায় শিবিরনেতাদের বসতভিটা বুল্ডুজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শিবির করার অপরাধে পরিবার স্বজনের উপর অব্দি ক্র্যাকডাউন চালানো হয়েছে। ছাত্রশিবিরের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করলে তার উপরও পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। বাড়িঘর ছেড়ে যখন পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা আমরা করেছি তখন কেউ কোনো শিবিরকর্মীকে আশ্রয় দিলে সেই আশ্রয়দাতার বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হয়ে যেতো।
এভাবেই দিনাতিপাত করতে হয়েছে ছাত্রশিবিরকে বিগত ১৭টি বছর। রাবিতে শিবিরনেতা নোমানীকে মাথা দ্বিখন্ডিত করা হয়েছে। চবিতে মাসুদ বিন হাবিব ও মুজাহিদকে বর্বরভাবে হ ত্যা করা হয়েছে। ঢাবির মহসিন হলে রাকিব ভাইকে পিটিয়ে হাড়গোড় তছনছ করে ফেলা হয়েছে। বুয়েটে ইঞ্জিনিয়ার সিরাজ ভাইকে কুপিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ১৬ বছরের কিশোর মহিউদ্দিন সোহানের চোখ উপড়ে হাত পা ভেঙ্গে লাশ ফেলে যাওয়া হয় শিবির করার অপরাধে। রমজান আলীকে হত্যা করে ফেলে যাওয়া হয় রেললাইনে।
শিবির সভাপতিকে রিমান্ডে রাখা হয় একটানা অর্ধশতাধিক দিন! গুম করে ফেলা শিবিরনেতা ওয়ালিউল্লাহ-মুকাদ্দাসরা আজও নিখোঁজ! ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী নাজমুল বাশার ভাইকে মেরে নিথর দেহ হলগেটে ফেলে যাওয়া হয়েছে।
কত গল্প জানতে চাও, আমাদের বেঁচে থাকার সংগ্রামের? অথচ তোমরা আমাদের বলো, কেন আমরা ছাত্রশিবির পরিচয় দেইনি!
সাদিক কাইয়ুম
শাহবাগ কায়েমের মধ্য দিয়ে ছাত্রশিবির কর্মীদের মৌলিক মানব অধিকারই কেবল কেঁড়ে নেওয়া হয়নি; বরং শিবিরকর্মীদের বেঁচে থাকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্ট হলেই গুলি করা হতো, ক্রসফায়ার দেওয়া হত, চোখ উপড়ে ফেলা হত। অসংখ্য শিবিরকর্মীকে করা হয়েছে গুম!
শুধু তাই নয়, সাতক্ষীরায় শিবিরনেতাদের বসতভিটা বুল্ডুজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শিবির করার অপরাধে পরিবার স্বজনের উপর অব্দি ক্র্যাকডাউন চালানো হয়েছে। ছাত্রশিবিরের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করলে তার উপরও পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। বাড়িঘর ছেড়ে যখন পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা আমরা করেছি তখন কেউ কোনো শিবিরকর্মীকে আশ্রয় দিলে সেই আশ্রয়দাতার বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হয়ে যেতো।
এভাবেই দিনাতিপাত করতে হয়েছে ছাত্রশিবিরকে বিগত ১৭টি বছর। রাবিতে শিবিরনেতা নোমানীকে মাথা দ্বিখন্ডিত করা হয়েছে। চবিতে মাসুদ বিন হাবিব ও মুজাহিদকে বর্বরভাবে হ ত্যা করা হয়েছে। ঢাবির মহসিন হলে রাকিব ভাইকে পিটিয়ে হাড়গোড় তছনছ করে ফেলা হয়েছে। বুয়েটে ইঞ্জিনিয়ার সিরাজ ভাইকে কুপিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ১৬ বছরের কিশোর মহিউদ্দিন সোহানের চোখ উপড়ে হাত পা ভেঙ্গে লাশ ফেলে যাওয়া হয় শিবির করার অপরাধে। রমজান আলীকে হত্যা করে ফেলে যাওয়া হয় রেললাইনে।
শিবির সভাপতিকে রিমান্ডে রাখা হয় একটানা অর্ধশতাধিক দিন! গুম করে ফেলা শিবিরনেতা ওয়ালিউল্লাহ-মুকাদ্দাসরা আজও নিখোঁজ! ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী নাজমুল বাশার ভাইকে মেরে নিথর দেহ হলগেটে ফেলে যাওয়া হয়েছে।
কত গল্প জানতে চাও, আমাদের বেঁচে থাকার সংগ্রামের? অথচ তোমরা আমাদের বলো, কেন আমরা ছাত্রশিবির পরিচয় দেইনি!
সাদিক কাইয়ুম
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
😢16
ফারুকীর বরাতে জানা গেল, অভ্রর মেহেদি হাসান খান একা একা পুরস্কার নিতে রাজি হননি।
চার বন্ধু মিলে অভ্র বানাইছিলেন। একা একা পুরস্কার কেন নিবেন? নিলে বন্ধুদের সাথে নিয়েই নিবেন।
শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার উনার এই জেদের কাছে মাথানত করে চার বন্ধুকেই একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মেহেদি হাসান খানের ঐ তিন বন্ধুকে অভিনন্দন।
একুশে পদক পাওয়ার জন্য না। এমন একজন বন্ধু পাওয়ার জন্য।
পুরস্কার পদক টাকা কাজ করলেই পাওয়া যায়। বাট এমন একজন বন্ধু পাইতে সারাজীবনের আরাধনা লাগে।
এমন বন্ধুর চে বড় উপহার এক জীবনে মানুষের জন্য আর কিছু হয় না। হতে পারেও না।
চার বন্ধু মিলে অভ্র বানাইছিলেন। একা একা পুরস্কার কেন নিবেন? নিলে বন্ধুদের সাথে নিয়েই নিবেন।
শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার উনার এই জেদের কাছে মাথানত করে চার বন্ধুকেই একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মেহেদি হাসান খানের ঐ তিন বন্ধুকে অভিনন্দন।
একুশে পদক পাওয়ার জন্য না। এমন একজন বন্ধু পাওয়ার জন্য।
পুরস্কার পদক টাকা কাজ করলেই পাওয়া যায়। বাট এমন একজন বন্ধু পাইতে সারাজীবনের আরাধনা লাগে।
এমন বন্ধুর চে বড় উপহার এক জীবনে মানুষের জন্য আর কিছু হয় না। হতে পারেও না।
❤🔥26👍2
কোকিল থাকলে ৩৬৫ দিনই বসন্ত কিন্তু যাদের একটা কাউয়াও নাই তাদের সব সময়ই চৈত্র মাস।এটা কোন ধরনের বাক্য?
ক.সরল
খ.জটিল
গ.যৌগিক
ঘ.অসহায় বাক্য।
ক.সরল
খ.জটিল
গ.যৌগিক
ঘ.অসহায় বাক্য।
😁29❤1
Forwarded from আলোর পথ
মানুষ হারাম সম্পর্কে জড়ায় মানসিক শান্তির জন্য। কিন্তু, সম্পর্কে জড়ানোর পর সে শান্তির বদলে মানসিক শাস্তি পাওয়া শুরু করে!
.
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ চমৎকারভাবে তিনটি শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
.
তিনি বলেন,
“যে ভালোবাসা আল্লাহর জন্য হবে না তাতে তিনটি শাস্তি অবশ্যই থাকবে।”
.
১. যতক্ষণ সে তা না পাচ্ছে ততক্ষণ সে কষ্ট পাবে।
২. যখন পাবে তখন কষ্টে থাকবে কয়েক ধরনের- তা হারানোর, তা চলে যাবার, নষ্ট হওয়ার কিংবা তার বিরুদ্ধে যাওয়ার ইত্যাদি।
৩. তারপর যখন তা হাতছাড়া হবে তার কষ্ট বহু গুণ বেড়ে যাবে। এ হচ্ছে দুনিয়ার বুকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুকে ভালোবাসার তিন শাস্তি।
.
যারা হারাম প্রেমে লিপ্ত ছিলো, তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে দেখবেন তারা বলবে, “হ্যাঁ, এই কষ্ট পেয়েছি।”
(বই: আত্মার ওষুধ, ইবনুল কাইয়্যিম)
.
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ চমৎকারভাবে তিনটি শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
.
তিনি বলেন,
“যে ভালোবাসা আল্লাহর জন্য হবে না তাতে তিনটি শাস্তি অবশ্যই থাকবে।”
.
১. যতক্ষণ সে তা না পাচ্ছে ততক্ষণ সে কষ্ট পাবে।
২. যখন পাবে তখন কষ্টে থাকবে কয়েক ধরনের- তা হারানোর, তা চলে যাবার, নষ্ট হওয়ার কিংবা তার বিরুদ্ধে যাওয়ার ইত্যাদি।
৩. তারপর যখন তা হাতছাড়া হবে তার কষ্ট বহু গুণ বেড়ে যাবে। এ হচ্ছে দুনিয়ার বুকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুকে ভালোবাসার তিন শাস্তি।
.
যারা হারাম প্রেমে লিপ্ত ছিলো, তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে দেখবেন তারা বলবে, “হ্যাঁ, এই কষ্ট পেয়েছি।”
(বই: আত্মার ওষুধ, ইবনুল কাইয়্যিম)
👍15❤4😁1
❤36