গোপালগঞ্জকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসির কাছে দিয়ে দেন!!🥴
জোরদার দাবি জানাচ্ছি।
😁39👍5❤1
আলোর পথ
গোপালগঞ্জকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসির কাছে দিয়ে দেন!!🥴 জোরদার দাবি জানাচ্ছি।
ওমা আর
ওবা
আসলেই এটা অনেক মজাদায়ক 😎😎
ওবা
আসলেই এটা অনেক মজাদায়ক 😎😎
😁20👍1
আগামীকাল থেকে শাহবাগে অবস্থান নিবো আমরা। ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকার আহবান। আমরা যারা দেশ সংস্কারের জন্য লড়েছি, তাদের বিজয় এখনো আসেনি!
- মুনতাসির মাহমুদ
সদস্য সচিব, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ
- মুনতাসির মাহমুদ
সদস্য সচিব, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ
❤47🔥3
গোপালগঞ্জ বাসীর দাবী মেনে নিয়ে যেকোনো ভাবেই হোক অতি সত্বর শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নতুন সরকারের প্রতি আহবান করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মনির হায়দার।
আপনিও কি মনির হায়দারের সাথে একমত?
আপনিও কি মনির হায়দারের সাথে একমত?
Anonymous Poll
49%
সহমত
36%
দ্বিমত
15%
কোন মতামত নেই
😁61👎10👍4
নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে যোগ না দিলে পু*লি**শদের পলাতক ঘোষণা করা হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
❤36
সেনাবাহিনির যেকোন ধরনের একশনের ভিডিও প্রচার থেকে বিরত থাকুন। আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিত হবে। এমনিতেই বাংলাদেশের পেছনে লেগে আছে কুচক্রী দল।
সারজিস আলম
সারজিস আলম
❤77👍5
সাঈদ,শান্ত,মুগ্ধ, তরুয়া,ওয়াসীম সহ ২৪'র সকল শহীদের মায়ের সন্তান রাফি। কথা দিচ্ছি মা,যেভাবেই হোক আমার ভাইদের খুনীদের বিচার আদায় করবো।
খান তালাত মাহমুদ রাফি
❤28🥰1
ভারতে বাবরি মসজিদ ভেঙে রাম মন্দির বানানোর সময় হাজার হিন্দুকে উল্লাসে ফেটে পড়তে দেখেছি, কিন্তু কোনো মুসলমান হিন্দুদের মন্দির ভাঙাতে উল্লাসিত হতে দেখিনি, বরং মন্দি পাহারা দিয়েছে, প্রতিবাদ করেছে।
❤23
কোটা সংস্কার ও শিক্ষার্থী আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেছেন, "আমি আবারো দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটা কথা বলতে চাই। আমি কখনোই তোমাদেরকে রাজাকার বলে অভিহিত করিনি। আমার মুখের কথাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমি সেদিনের পুরো ভিডিওটা আবারো দেখার অনুরোধ করছি। ষড়যন্ত্রকারীরা সরলমনের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।”
😁34
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
১৫ই February
যখন আমরা শোক দিবস পালন করি।
খুনি শেখ হাসিনা
যখন আমরা শোক দিবস পালন করি।
খুনি শেখ হাসিনা
😁25
ছাত্রলীগের মতো সমন্বয়ক বা সহ-সমন্বয়ক পরিচয়ে কেউ সুযোগ-সুবিধা দাবি করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তাকে গনধোলাই দিবেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ
❤21
হিন্দু ভাই ও বোনেরা,
আপনারা আবার ভুল কইরেন না। পতিত সরকার ও ভার৩ এর রাজনৈতিক গুটি হলে দিনশেষে রাজাকার জুজু'র মত আপনাদের অবস্থা হতে পারে।
ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ভার৩ এর চাপে আপনারা মুসলিমদের চেয়ে স্পেশাল সুযোগ ভোগ করেছেন।
হিন্দু ধর্মের হয়েও আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন। গতবছরও ইসলাম শিক্ষা বিষয় পড়াতেও (মাদ্রাসা) আপনাদের সম্প্রদায়ের লোককে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
ইউনিভার্সিটির শিক্ষক পজিশনেও আপনাদেরকে স্পেশাল সুযোগ দিয়েছে সেই ভার৩ এর এজেন্ডা বাস্তবায়নে।
আমার জামালপুর জেলা শহর সম্ভবত বাংলাদেশের অন্যতম শান্ত শহর। জামালপুরে সাম্প্রাদায়িক সম্প্রতি সবসময়ই ছিল। আমাদের অনেক বন্ধু ছিল, কখনো আমরা ভেদাভেদ করিনি। এটা যে ভেদাভেদের বিষয় এই চেতনাই ছিল না। বাবরী মসজিদ ভাংগার পর শহরে কিছু রিয়াকশন হয়েছিল, পরে তা ঠিকঠাক হয়ে যায়।
সেই জামালপুরের মত শহরে পরাজিত দলের বাড়ী ঘর ভাংচুর করা হয়েছে।
মির্জা আজম ভাই জামালপুরের মানুষের কাছে প্রিয় ছিলেন, তিনি জামালপুরের জন্য অনেক কাজ করেছিলেন। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সেই আজম ভাইয়ের বাড়ীও ভাংচুর করা হয়েছে। তিনি পালিয়ে আছেন।
আপনারা যে ফ্যাসিবাদী সরকারের পক্ষের লোক তা দেশের সবাই জানে। তবে কিছু ব্যতিক্রম আছেন। হিন্দু বলে আপনাদের ঘর বাড়ী ভাঙ্গা হয়নি। এটা স্রেফ রাজনৈতিক কারন।
আপনাদের লিডাররা ভুল পথে হেটেছেন; আপনাদেরকে ধর্মের নামে গুটি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
ধর্মীয় কার্ড সবসময় ব্যবহার করলে আপনাদের এই অস্ত্র মূল্যহীন হয়ে যাবে।
ভার৩ ও আপনাদের পুছবে না। তাদের দেশেই হাজারো সমস্যা। এতই যদি সমৃদ্ধ দেশ হইত তবে কয়েক লক্ষ্য ই ন্ডিয়ান অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাজ করত না।
আমরা একটি পরিবারের মত। পরাজিত সরকার আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় আসার কোন সম্ভাবনা দেখি না। দগদগে ঘা শুকতে সময় লাগে।
দেখবেন, দেশের আলেম-ওলেমা তথা প্র্যাক্টিশিং মুসলামরাই আপনাদের রক্ষা করবে যেমনটি এখন আপনাদের উপাসানালয় পাহাড়া দিচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
আপনারা আবার ভুল কইরেন না। পতিত সরকার ও ভার৩ এর রাজনৈতিক গুটি হলে দিনশেষে রাজাকার জুজু'র মত আপনাদের অবস্থা হতে পারে।
ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ভার৩ এর চাপে আপনারা মুসলিমদের চেয়ে স্পেশাল সুযোগ ভোগ করেছেন।
হিন্দু ধর্মের হয়েও আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন। গতবছরও ইসলাম শিক্ষা বিষয় পড়াতেও (মাদ্রাসা) আপনাদের সম্প্রদায়ের লোককে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
ইউনিভার্সিটির শিক্ষক পজিশনেও আপনাদেরকে স্পেশাল সুযোগ দিয়েছে সেই ভার৩ এর এজেন্ডা বাস্তবায়নে।
আমার জামালপুর জেলা শহর সম্ভবত বাংলাদেশের অন্যতম শান্ত শহর। জামালপুরে সাম্প্রাদায়িক সম্প্রতি সবসময়ই ছিল। আমাদের অনেক বন্ধু ছিল, কখনো আমরা ভেদাভেদ করিনি। এটা যে ভেদাভেদের বিষয় এই চেতনাই ছিল না। বাবরী মসজিদ ভাংগার পর শহরে কিছু রিয়াকশন হয়েছিল, পরে তা ঠিকঠাক হয়ে যায়।
সেই জামালপুরের মত শহরে পরাজিত দলের বাড়ী ঘর ভাংচুর করা হয়েছে।
মির্জা আজম ভাই জামালপুরের মানুষের কাছে প্রিয় ছিলেন, তিনি জামালপুরের জন্য অনেক কাজ করেছিলেন। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সেই আজম ভাইয়ের বাড়ীও ভাংচুর করা হয়েছে। তিনি পালিয়ে আছেন।
আপনারা যে ফ্যাসিবাদী সরকারের পক্ষের লোক তা দেশের সবাই জানে। তবে কিছু ব্যতিক্রম আছেন। হিন্দু বলে আপনাদের ঘর বাড়ী ভাঙ্গা হয়নি। এটা স্রেফ রাজনৈতিক কারন।
আপনাদের লিডাররা ভুল পথে হেটেছেন; আপনাদেরকে ধর্মের নামে গুটি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
ধর্মীয় কার্ড সবসময় ব্যবহার করলে আপনাদের এই অস্ত্র মূল্যহীন হয়ে যাবে।
ভার৩ ও আপনাদের পুছবে না। তাদের দেশেই হাজারো সমস্যা। এতই যদি সমৃদ্ধ দেশ হইত তবে কয়েক লক্ষ্য ই ন্ডিয়ান অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাজ করত না।
আমরা একটি পরিবারের মত। পরাজিত সরকার আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় আসার কোন সম্ভাবনা দেখি না। দগদগে ঘা শুকতে সময় লাগে।
দেখবেন, দেশের আলেম-ওলেমা তথা প্র্যাক্টিশিং মুসলামরাই আপনাদের রক্ষা করবে যেমনটি এখন আপনাদের উপাসানালয় পাহাড়া দিচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
❤6
পুরো আন্দোলনে এ পর্যন্ত দু'জন হিন্দু নিহত হয়েছে, এর মধ্যে একজন পুলিশ। হিন্দুদের জনসংখ্যা বিচারে লিডারের সংখ্যা মুসলিমদের চেয়ে বেশী যারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ করত। মুসলিম আওয়ামী লীগারদের মত হিন্দু আওয়ামী লীগার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাইর খেয়েছে; বাড়ীঘর ভাংচুর হয়েছে।
এটা ধর্মীয় কোন ইস্যু নয়, এটা ফ্যাসিবাদের প্রতিক্রিয়া। ভার৩ এটাকে হিন্দু কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছে।
সাধারন সনাতনী ভাই ও বোনেরা আপনেরা ভার৩ এবং অত্যাচারী আওয়ামী লীগের গুটি হবেন না। দিনশেষে আম ও ছালা-দুটোই যেতে পারে।
এটা ধর্মীয় কোন ইস্যু নয়, এটা ফ্যাসিবাদের প্রতিক্রিয়া। ভার৩ এটাকে হিন্দু কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছে।
সাধারন সনাতনী ভাই ও বোনেরা আপনেরা ভার৩ এবং অত্যাচারী আওয়ামী লীগের গুটি হবেন না। দিনশেষে আম ও ছালা-দুটোই যেতে পারে।
❤6
কথা ছিলো ছাত্রলীগ ভয়ংকর রূপে ফিরে আসবে।
কিন্তু তারা হিন্দু হয়ে ফিরে আসবে তা জীবনেও কল্পনা করিনি।
কথা: সংগৃহীত
কিন্তু তারা হিন্দু হয়ে ফিরে আসবে তা জীবনেও কল্পনা করিনি।
কথা: সংগৃহীত
😁13
হিন্দু-মুসলিম নির্যাতন ও বর্তমান হিন্দুদের আন্দোলন
পুলিশ র্যাবের মধ্যে যারা বিএনপি-জামায়াতকে বেশি নির্যাতন করেছে, তাদের বড়সড় একটা অংশ হিন্দু ধর্মের ছিল। তারাই বিএনপি-জামায়াতকে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করেছে। নির্দয় আচরণ করেছে। তবুও বাংলাদেশের মুসলমানরা এটা বলেনি যে, হিন্দুদের দ্বারা মুসলিমরা নির্যাতিত হচ্ছে।
ডিএমপির বিপ্লব কুমার, চট্টগ্রামের ওসি প্রদীপ কুমার, পিবিআইয়ের বনজ কুমার, কৃষ্ণ পদ রায়, উৎফুল কুমার রায়, সঞ্জিত কুমাররা কী অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও কী ভয়ানক নির্দয়ভাবে বিএনপি-জামায়াত এবং মুসলমানদের ঈমান আকিদা রক্ষার অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামসহ অজস্র মুসলমানদেরকে দমন করেছে, তা কি আমাদের মনে নেই? দেশবাসী কি সেগুলো জানে না?
এসব আওয়ামী লাঠিয়ালদের অপরাধের জন্য যদি কেউ তাদেরকে শায়েস্তা করে, সেটা কি হিন্দু নির্যাতন হবে? যদি হয়, তাহলে তো আগে তাদেরকে মুসলিম নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত করতে হবে। তখন বিষয়টা হবে এমন, হিন্দুরা আক্রমণকারী আর মুসলিমরা প্রতিহতকারী।
আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে, বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতের ওপর যে ক্র্যাকডাউন চালিয়েছে, তখন মুসলমানদের একজন সাধারণ নেতাও কিন্তু বলেনি যে, হিন্দুরা মুসলিমদের নির্যাতন করছে। অথচ আজকে কোনো হিন্দুধর্মের আওয়ামী সন্ত্রাসীকে শায়েস্তা করলে বা হামলা করলে ইন্ডিয়ান মিডিয়াগুলো সেটাকে প্রচার করছে হিন্দু নিপীড়ন হিসেবে!
অথচ আওয়ামী গুণ্ডাদের পতনের পর, হিন্দুদেরকে আওয়ামী গুণ্ডাদলের নির্যাতন থেকে হেফাজত করতে বাংলাদেশের মুসলমানরা তাদের ঘরবাড়ি মন্দির পাহারা দিয়েছে এবং এখনো দিচ্ছে।
এটা শুধু সাধারণ মুসলমানরা না, রক্ষণশীল মুসলিমরাই বেশি দিচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী, চরমোনাই, হেফাজতে ইসলামসহ সবাই। কোথাও কোথাও বিএনপিও পাহারা দিচ্ছে। নিরাপত্তা দিচ্ছে।
তবুও তারা আওয়ামী লীগের ইন্ধনে শাহবাগে সমাবেশ করছে। আওয়ামী গুণ্ডা আর ইন্ডিয়ার উস্কানিতে তারা দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে।
যে সময় তাদের উচিৎ ছিল নিজেদের বাড়িঘর পাহারা দেওয়া, সে সময় তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে বসে বসে মিছিল-সমাবেশ করছে, আর তাদের সেই ঘরবাড়ি পাহারা দিচ্ছে মুসলমানরাই!
এবার অন্যদিকে এলিট শ্রেণীর হিন্দু বংশদ্ভূত, সাবেক কমিউনিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য দাদার দিকে দেখুন, বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মুসলমানরা তো তাকে পারে না যে মাথায় তুলে রাখে। তাকে গুরু মানে। আমি নিশ্চিত, উনি বাংলাদেশে আসলে বাংলাদেশের মুসলমানরা তাকে সুযোগ পেলে দাওয়াত করে খাওয়াবে। সারাদেশের মুসলমানরা তাকে মাথায় তুলে নাচবে। তার হাতে-কপালে লাখো মুসলমানরা চুমু দিয়ে বরণ করতে বেদিশা হয়ে যাবে। আমি সুযোগ পেলে আমিও তার সাথে এক কাপ চা পান করতে চাই।
বিষয়টা হলো বাংলাদেশের মুসলমানরা যদি হিন্দু নিপীড়কই হতো, তাহলে পিনাকী ভট্টাচার্যকেও তো ঘৃণা করতো। হেফাজত, জামায়াতে ইসলামী-ছাত্রশিবির তো হিন্দুদের মন্দির-বাড়িঘর পাহারা দিতো না। বরং এই সুযোগে উল্টো সবকিছুই দখল করে ফেলতো। কিন্তু তারা রাতের ঘুম বিষর্জন দিয়ে হিন্দুদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। বিনিময়ে কিছু কিছু হিন্দু তাদের কী দিচ্ছে? শাহবাগে জমায়েত হয়ে, এই কণ্টকাকীর্ণ সময়ে এতদিন ধরে সমাবেশ করে বরং তারা ইন্ডিয়ান মিডিয়ার গুজবে আরো হাওয়া দিচ্ছে।
আমি জানি না, আমাদের হিন্দু ভাইবোন-বন্ধুরা মূলত কী চায়? তারা কি তাদের নিজেদের কুরবান দিয়ে আওয়ামী দানবদেরই ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে? নাকি একটা দাঙ্গা বাধাতে চাচ্ছে? তারা যদি দাঙ্গা বাজাতে চায়, তাহলে তো তাদের জন্যই বিপদ বেশি হবে। মুসলমানদের পাশাপাশি তাদেরও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।
আমরা হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান, পাহাড়ি-বাঙালি মিলেমিশে এই বাংলাদেশে থাকতে চাই। আমি নিজেও একজন সচেতন মুসলিম এবং ইসলামী আদর্শের কর্মী হিসেবে সবাইকে নিয়ে সুখ-শান্তি ও নিরাপদে থাকতে চাই বাংলাদেশের এই সবুজ জমিনে। যেভাবে থেকে এসেছি এতদিন।
আশা করি হিন্দুধর্মের ভাইবোনেরাও এতে সহযোগিতা করবেন। তারা ইন্ডিয়া এবং আওয়ামী দুস্কৃতকারী গুন্ডাদের পাতা ফাঁদে আর পা দেবেন না বলে বিশ্বাস করি।
~রেদওয়ান রাওয়াহা
পুলিশ র্যাবের মধ্যে যারা বিএনপি-জামায়াতকে বেশি নির্যাতন করেছে, তাদের বড়সড় একটা অংশ হিন্দু ধর্মের ছিল। তারাই বিএনপি-জামায়াতকে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করেছে। নির্দয় আচরণ করেছে। তবুও বাংলাদেশের মুসলমানরা এটা বলেনি যে, হিন্দুদের দ্বারা মুসলিমরা নির্যাতিত হচ্ছে।
ডিএমপির বিপ্লব কুমার, চট্টগ্রামের ওসি প্রদীপ কুমার, পিবিআইয়ের বনজ কুমার, কৃষ্ণ পদ রায়, উৎফুল কুমার রায়, সঞ্জিত কুমাররা কী অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও কী ভয়ানক নির্দয়ভাবে বিএনপি-জামায়াত এবং মুসলমানদের ঈমান আকিদা রক্ষার অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামসহ অজস্র মুসলমানদেরকে দমন করেছে, তা কি আমাদের মনে নেই? দেশবাসী কি সেগুলো জানে না?
এসব আওয়ামী লাঠিয়ালদের অপরাধের জন্য যদি কেউ তাদেরকে শায়েস্তা করে, সেটা কি হিন্দু নির্যাতন হবে? যদি হয়, তাহলে তো আগে তাদেরকে মুসলিম নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত করতে হবে। তখন বিষয়টা হবে এমন, হিন্দুরা আক্রমণকারী আর মুসলিমরা প্রতিহতকারী।
আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে, বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতের ওপর যে ক্র্যাকডাউন চালিয়েছে, তখন মুসলমানদের একজন সাধারণ নেতাও কিন্তু বলেনি যে, হিন্দুরা মুসলিমদের নির্যাতন করছে। অথচ আজকে কোনো হিন্দুধর্মের আওয়ামী সন্ত্রাসীকে শায়েস্তা করলে বা হামলা করলে ইন্ডিয়ান মিডিয়াগুলো সেটাকে প্রচার করছে হিন্দু নিপীড়ন হিসেবে!
অথচ আওয়ামী গুণ্ডাদের পতনের পর, হিন্দুদেরকে আওয়ামী গুণ্ডাদলের নির্যাতন থেকে হেফাজত করতে বাংলাদেশের মুসলমানরা তাদের ঘরবাড়ি মন্দির পাহারা দিয়েছে এবং এখনো দিচ্ছে।
এটা শুধু সাধারণ মুসলমানরা না, রক্ষণশীল মুসলিমরাই বেশি দিচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী, চরমোনাই, হেফাজতে ইসলামসহ সবাই। কোথাও কোথাও বিএনপিও পাহারা দিচ্ছে। নিরাপত্তা দিচ্ছে।
তবুও তারা আওয়ামী লীগের ইন্ধনে শাহবাগে সমাবেশ করছে। আওয়ামী গুণ্ডা আর ইন্ডিয়ার উস্কানিতে তারা দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে।
যে সময় তাদের উচিৎ ছিল নিজেদের বাড়িঘর পাহারা দেওয়া, সে সময় তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে বসে বসে মিছিল-সমাবেশ করছে, আর তাদের সেই ঘরবাড়ি পাহারা দিচ্ছে মুসলমানরাই!
এবার অন্যদিকে এলিট শ্রেণীর হিন্দু বংশদ্ভূত, সাবেক কমিউনিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য দাদার দিকে দেখুন, বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মুসলমানরা তো তাকে পারে না যে মাথায় তুলে রাখে। তাকে গুরু মানে। আমি নিশ্চিত, উনি বাংলাদেশে আসলে বাংলাদেশের মুসলমানরা তাকে সুযোগ পেলে দাওয়াত করে খাওয়াবে। সারাদেশের মুসলমানরা তাকে মাথায় তুলে নাচবে। তার হাতে-কপালে লাখো মুসলমানরা চুমু দিয়ে বরণ করতে বেদিশা হয়ে যাবে। আমি সুযোগ পেলে আমিও তার সাথে এক কাপ চা পান করতে চাই।
বিষয়টা হলো বাংলাদেশের মুসলমানরা যদি হিন্দু নিপীড়কই হতো, তাহলে পিনাকী ভট্টাচার্যকেও তো ঘৃণা করতো। হেফাজত, জামায়াতে ইসলামী-ছাত্রশিবির তো হিন্দুদের মন্দির-বাড়িঘর পাহারা দিতো না। বরং এই সুযোগে উল্টো সবকিছুই দখল করে ফেলতো। কিন্তু তারা রাতের ঘুম বিষর্জন দিয়ে হিন্দুদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। বিনিময়ে কিছু কিছু হিন্দু তাদের কী দিচ্ছে? শাহবাগে জমায়েত হয়ে, এই কণ্টকাকীর্ণ সময়ে এতদিন ধরে সমাবেশ করে বরং তারা ইন্ডিয়ান মিডিয়ার গুজবে আরো হাওয়া দিচ্ছে।
আমি জানি না, আমাদের হিন্দু ভাইবোন-বন্ধুরা মূলত কী চায়? তারা কি তাদের নিজেদের কুরবান দিয়ে আওয়ামী দানবদেরই ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে? নাকি একটা দাঙ্গা বাধাতে চাচ্ছে? তারা যদি দাঙ্গা বাজাতে চায়, তাহলে তো তাদের জন্যই বিপদ বেশি হবে। মুসলমানদের পাশাপাশি তাদেরও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।
আমরা হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান, পাহাড়ি-বাঙালি মিলেমিশে এই বাংলাদেশে থাকতে চাই। আমি নিজেও একজন সচেতন মুসলিম এবং ইসলামী আদর্শের কর্মী হিসেবে সবাইকে নিয়ে সুখ-শান্তি ও নিরাপদে থাকতে চাই বাংলাদেশের এই সবুজ জমিনে। যেভাবে থেকে এসেছি এতদিন।
আশা করি হিন্দুধর্মের ভাইবোনেরাও এতে সহযোগিতা করবেন। তারা ইন্ডিয়া এবং আওয়ামী দুস্কৃতকারী গুন্ডাদের পাতা ফাঁদে আর পা দেবেন না বলে বিশ্বাস করি।
~রেদওয়ান রাওয়াহা
❤4👍1