ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
নতুন বাংলাদেশকে কেমন দেখতে চান?
নতুন বাংলাদেশকে কেমন দেখতে চান?
মন্তব্যের ঘরে লিখুন..
এই দেশের স্বাধীনতার সূচনা হয় শহীদ আবরার ফাহাদের মাধ্যমে। ইসলাম পালন করত বলে, তোরা বলেছিলি শিবির।
আর হাসিনা পতনের বিপ্লবের সূচনা যেই মহানায়কের মাধ্যমে হয়েছে - সেই আবু সাঈদের ইসলাম পালনের জন্যেও তোরা শিবির বলেছিলি।
বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে আবরার ফাহাদ আর আবু সাঈদরা। কোনো গাঞ্জাখোর শাহবাগী করেনাই।
এখন আসছিস স্বাধীন দেশের কর্তৃত্ব দখল করতে। উড়ে এসে জুড়ে বসবি? আমাদের স্বাধীনতা হাইজ্যাক করবি?
বাংলার আপামর জনতা এটা মেনে নেবে না।
- খিজির হায়াত
আর হাসিনা পতনের বিপ্লবের সূচনা যেই মহানায়কের মাধ্যমে হয়েছে - সেই আবু সাঈদের ইসলাম পালনের জন্যেও তোরা শিবির বলেছিলি।
বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে আবরার ফাহাদ আর আবু সাঈদরা। কোনো গাঞ্জাখোর শাহবাগী করেনাই।
এখন আসছিস স্বাধীন দেশের কর্তৃত্ব দখল করতে। উড়ে এসে জুড়ে বসবি? আমাদের স্বাধীনতা হাইজ্যাক করবি?
বাংলার আপামর জনতা এটা মেনে নেবে না।
- খিজির হায়াত
❤21👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভাষা হারিয়ে ফেলেছি 🥲
কতবার যে কান্না করছি।
কতবার যে কান্না করছি।
😢28👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যে কারণে একই টিশার্ট
বাসা বনশ্রী। হল বিজয় একাত্তর হল। আন্দোলন শুরু হলে এই টি শার্ট পড়েই আন্দোলন এ নামেন। আন্দোলনে তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। তাই সে শপথ করেছিল যত দিন এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন না হবে ততদিন এই টি-শার্ট খুলবে না।
রাজপথে আন্দোলন থেকে শুরু সংবাদ ব্রিফিং, আজকে শপথ অনুষ্ঠানেও একই জার্সি পরে ছিলো হাসনাত।
বাসা বনশ্রী। হল বিজয় একাত্তর হল। আন্দোলন শুরু হলে এই টি শার্ট পড়েই আন্দোলন এ নামেন। আন্দোলনে তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। তাই সে শপথ করেছিল যত দিন এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন না হবে ততদিন এই টি-শার্ট খুলবে না।
রাজপথে আন্দোলন থেকে শুরু সংবাদ ব্রিফিং, আজকে শপথ অনুষ্ঠানেও একই জার্সি পরে ছিলো হাসনাত।
🔥31
#উপদেষ্টাদের_পরিচয়
এ এফ হাসান আরিফ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এ এফ হাসান আরিফ। এ ছাড়া বাংলাদেশের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি, এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। হাসান আরিফ অক্টোবর ২০০১ সাল থেকে ২৮ এপ্রিল ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার আইনজীবী ছিলেন। তিনি ১৯৭০ এর দশকে এ এফ হাসান আরিফ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন উপদেষ্টা ছিলেন।
এ এফ হাসান আরিফ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এ এফ হাসান আরিফ। এ ছাড়া বাংলাদেশের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি, এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। হাসান আরিফ অক্টোবর ২০০১ সাল থেকে ২৮ এপ্রিল ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার আইনজীবী ছিলেন। তিনি ১৯৭০ এর দশকে এ এফ হাসান আরিফ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন উপদেষ্টা ছিলেন।
❤30👍4
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক নাহিদ ও আসিফের অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আপনার মতামত কী?
@alolpath
@alolpath
Anonymous Poll
82%
সঠিক হয়েছে
7%
সঠিক হয়নি
11%
এখনই মতামত নেই
আলোর পথ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক নাহিদ ও আসিফের অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আপনার মতামত কী?
@alolpath
@alolpath
দয়া করে এটা সকলেই আপনার চ্যানেল, গ্রুপ অথবা আপনার পরিচিত জনের কাছে শেয়ার দিয়ে। তাদের মতামত জানার সুযোগ করে দিন।
এডমিন
এডমিন
👍1
"মক্কা বিজয়ে রাসূল (সা.)-এর মানবিকতার মহান দৃষ্টান্ত"
মক্কা বিজয়ের উদ্দেশ্যে ৮ম হিজরির ১০ রমজান প্রায় ১০ হাজার সাহাবী নিয়ে রাসূল (সা.) মদিনা ত্যাগ করেন। পথিমধ্যে তিনি শিবির স্থাপন করলেন। আবু সুফিয়ান ছদ্মবেশে শিবিরের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য এলে ধরা পড়ে যান। তাকে মহানবী (সা.)-এর কাছে নিয়ে আসা হলো। করুণার মূর্ত প্রতীক রাসূল (সা.) তাকে ক্ষমা করে দেন। আবু সুফিয়ান মহানবী (সা.)-এর মহানুভবতায় এবং ইসলামের মহান উদার নীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরদিন মহানবী (সা.) শান্তিপূর্ণভাবে মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং যে কোনো প্রকার রক্তপা ত থেকে বিরত থাকতে সকলকে নির্দেশ দিলেন।
মক্কা বিজয়ের দিন সমস্ত অপরাধীরা যখন রাসূল (সা.)-এর সামনে নতজানু হয়ে উপস্থিত হলেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেন- “তোমরা আমার নিকট কীরূপ আচরণ প্রত্যাশা করো?” তারা সম্মিলিত কণ্ঠে জবাব দিলো- “হে সত্যবাদী, হে বিশ্বস্ত! আপনি আমাদের সম্ভ্রান্ত ভাই, সম্ভ্রান্ত ভ্রাতুষ্পুত্র। আমরা সর্বদাই আপনাকে দয়ালুরূপে পেয়েছি।” রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন- “এখন আমি তোমাদের তা-ই বলব, যা হযরত ইউসুফ (আ.) তাঁর ভাইদের বলেছিলেন। “আজ তোমাদের থেকে কোনো প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে না; আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন। তিনি সবচেয়ে অধিক মেহেরবান।” (সূরা ইউসূফ-৯২) (সীরাত ইবনে হিশাম)।
অতঃপর এক ভাষণে মহানবী (সা.) মক্কাবাসীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন। এভাবেই প্রিয়নবী তাঁর শত্রুদের প্রতি এক দৃষ্টান্তমূলক ক্ষমা প্রদর্শনের স্বাক্ষর রাখলেন। কোনো বিজয়ী তাঁর শত্রুদের এভাবে ভালোবাসা ও দয়া প্রদর্শন করতে পারে- ইতিহাসে তেমন নজির খুঁজে পাওয়া যায় না। কবি নজরুলের ভাষায়-“দেখিতে দেখিতে তরুণ নবীর সাধনা-সেবায়, শত্রু-মিত্র সকলে গলিল অজানা মায়ায়।”
মক্কা বিজয়ের পর ১০ জন লোক এমন ছিল- যাদের অপরাধের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, তারা ছিল ক্ষমার অযোগ্য। তাই এই ১০ জনকে হত্যার নির্দেশনা জারি করা হলো। তাদের মধ্যে একজন ছিলো হাব্বার ইবনে আসওয়াদ। তিনি বলেন- “পালিয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে কোনো রকমে আত্মগোপন করে নবীজির দরবারে উপস্থিত হলাম এবং আরজ করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! জানি, আমি পাপী। আমি ক্ষমার অযোগ্য, কিন্তু এখন আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং ইসলাম কবুল করলাম। এখন আমার জন্য হুকুম কী?” রাসূল সাঃ বললেন- “তোমাকে ক্ষমা করে দেওয়া হলো।” (আস সিরাহ আন নাবাবিয়্যাহ)
রাসূল (স.) এর ক্ষমা প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক এডওয়ার্ড গিবন বলেন- “In the long history of the world there is no instance of magnanimity and forgiveness which can approach those of Muhammad (Sm.) when all his enemies lay at his feet and he forgave them one and all.”
তাই আসুন, প্রিয় নবীজির অনুসারী হিসেবে ক্ষমা ও মানবিকতার চর্চা করি। যা আপনাকে ছোট করবে না, বরং সম্মান বৃদ্ধি করবে। যে রক্তের ওপর আজ কিছুটা বিজয় পেয়েছেন, তা যেন অল্পতে হাতিয়ে না যায়। দীর্ঘ মেয়াদী ও স্থায়ী শান্তিময় সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমীন।
মক্কা বিজয়ের উদ্দেশ্যে ৮ম হিজরির ১০ রমজান প্রায় ১০ হাজার সাহাবী নিয়ে রাসূল (সা.) মদিনা ত্যাগ করেন। পথিমধ্যে তিনি শিবির স্থাপন করলেন। আবু সুফিয়ান ছদ্মবেশে শিবিরের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য এলে ধরা পড়ে যান। তাকে মহানবী (সা.)-এর কাছে নিয়ে আসা হলো। করুণার মূর্ত প্রতীক রাসূল (সা.) তাকে ক্ষমা করে দেন। আবু সুফিয়ান মহানবী (সা.)-এর মহানুভবতায় এবং ইসলামের মহান উদার নীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরদিন মহানবী (সা.) শান্তিপূর্ণভাবে মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং যে কোনো প্রকার রক্তপা ত থেকে বিরত থাকতে সকলকে নির্দেশ দিলেন।
মক্কা বিজয়ের দিন সমস্ত অপরাধীরা যখন রাসূল (সা.)-এর সামনে নতজানু হয়ে উপস্থিত হলেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেন- “তোমরা আমার নিকট কীরূপ আচরণ প্রত্যাশা করো?” তারা সম্মিলিত কণ্ঠে জবাব দিলো- “হে সত্যবাদী, হে বিশ্বস্ত! আপনি আমাদের সম্ভ্রান্ত ভাই, সম্ভ্রান্ত ভ্রাতুষ্পুত্র। আমরা সর্বদাই আপনাকে দয়ালুরূপে পেয়েছি।” রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন- “এখন আমি তোমাদের তা-ই বলব, যা হযরত ইউসুফ (আ.) তাঁর ভাইদের বলেছিলেন। “আজ তোমাদের থেকে কোনো প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে না; আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন। তিনি সবচেয়ে অধিক মেহেরবান।” (সূরা ইউসূফ-৯২) (সীরাত ইবনে হিশাম)।
অতঃপর এক ভাষণে মহানবী (সা.) মক্কাবাসীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন। এভাবেই প্রিয়নবী তাঁর শত্রুদের প্রতি এক দৃষ্টান্তমূলক ক্ষমা প্রদর্শনের স্বাক্ষর রাখলেন। কোনো বিজয়ী তাঁর শত্রুদের এভাবে ভালোবাসা ও দয়া প্রদর্শন করতে পারে- ইতিহাসে তেমন নজির খুঁজে পাওয়া যায় না। কবি নজরুলের ভাষায়-“দেখিতে দেখিতে তরুণ নবীর সাধনা-সেবায়, শত্রু-মিত্র সকলে গলিল অজানা মায়ায়।”
মক্কা বিজয়ের পর ১০ জন লোক এমন ছিল- যাদের অপরাধের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, তারা ছিল ক্ষমার অযোগ্য। তাই এই ১০ জনকে হত্যার নির্দেশনা জারি করা হলো। তাদের মধ্যে একজন ছিলো হাব্বার ইবনে আসওয়াদ। তিনি বলেন- “পালিয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে কোনো রকমে আত্মগোপন করে নবীজির দরবারে উপস্থিত হলাম এবং আরজ করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! জানি, আমি পাপী। আমি ক্ষমার অযোগ্য, কিন্তু এখন আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং ইসলাম কবুল করলাম। এখন আমার জন্য হুকুম কী?” রাসূল সাঃ বললেন- “তোমাকে ক্ষমা করে দেওয়া হলো।” (আস সিরাহ আন নাবাবিয়্যাহ)
রাসূল (স.) এর ক্ষমা প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক এডওয়ার্ড গিবন বলেন- “In the long history of the world there is no instance of magnanimity and forgiveness which can approach those of Muhammad (Sm.) when all his enemies lay at his feet and he forgave them one and all.”
তাই আসুন, প্রিয় নবীজির অনুসারী হিসেবে ক্ষমা ও মানবিকতার চর্চা করি। যা আপনাকে ছোট করবে না, বরং সম্মান বৃদ্ধি করবে। যে রক্তের ওপর আজ কিছুটা বিজয় পেয়েছেন, তা যেন অল্পতে হাতিয়ে না যায়। দীর্ঘ মেয়াদী ও স্থায়ী শান্তিময় সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমীন।
❤14