আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
মনে রাখবেন ফুল ফুটবেই, কিন্তু সেটা একরাতে না। দিনের পর দিন আপনাকে পানি দিয়েই যেতে হবে। অবশেষে এই ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন যে, আপনার দু’আর উত্তর আল্লাহ্র তৈরি প্রাকৃতিক নিয়মের কাঠামোর ভেতর থেকেই আসবে।
এই কাঠামোর ভেতর যা ঘটে আল্লাহ্ সেটা নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই কাঠামোর মাধ্যমেই তিনি আপনার দু’আর উত্তর দেন। আবারো বলছি, অবশ্যই আলৌকিক ঘটনা, কারামাহ ঘটে, কিন্তু সেগুলো হলো নিয়মের ব্যতিক্রম।
.
একজন কুমারী নারী, যিনি সন্তানের জন্য দু’আ করছেন তিনি অলৌকিকভাবে মারিয়াম (আ) – এর মতো কুমারী অবস্থাতেই গর্ভবতী হয়ে পড়বেন, তার সম্ভাবনা খুবই কম! আবার একজন শতবর্ষী নারী, ইব্রাহীম [আঃ] – এর স্ত্রী সারাহ – এর মতো একশো বছর বয়সে গর্ভবতী হবেন সে সম্ভাবনাও কম। বরং দু’আ করার সময়ই আপনি জানেন, আপনি যখন সন্তান চেয়ে আল্লাহ-র কাছে দু’আ করছেন তখন সন্তান জন্মের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আপনার দু’আর উত্তর আসবে। বিয়ে – স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক – গর্ভধারণ এবং তারপরেই সন্তানপ্রসব। শেষ পর্যন্ত আপনার দু’আর উত্তর এসেছে, কিন্তু তা এসেছে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই। এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেটা শুধু আল্লাহ্ নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একমাত্র তিনিই আপনার দু’আর উত্তর দিয়েছেন এবং দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
ইউসুফ (আ) তাঁর শৈশবে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে আল্লাহ্ অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি ইউসুফ (আ) কে মিশরের উপর ক্ষমতাসীন করবেন এবং আল্লাহ্ তাঁর অঙ্গীকার পূর্ণ করেছিলেন। কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট ঘটনাবলী ও ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমেই “ক” বিন্দু থেকে “খ” বিন্দু তে যাওয়া সম্ভব হয়েছিলো।
.
প্রথমে ইউসুফের (আ) ভাইয়েরা তাদের সাথে তাঁকে নিয়ে গেলো – তাঁকে কুয়ায় নিক্ষেপ করা হলো – তাকে দাস হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হলো – তিনি অন্যান্য বন্দীদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করলেন – বাদশা তাঁর ব্যাখ্যা শুনে চমৎকৃত হলেন – এবং অতঃপর ইউসুফ (আ) মিশরের অর্থমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। শৈশবে তাঁর কাছে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করা হলো, কিন্তু সেটা হলো আপাতদৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। মিশরের আরেকটি গল্প দিয়ে শেষ করছি।
.
ষাটের দশকের শেষ দিকে যখন সাইদ কুতুব (রঃ) কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, সেই একই সময় তাঁর ভাই মুহাম্মাদ ও বোন হামিদা কুতুবও একই জেলে বন্দী ছিলেন। কিন্তু একই কারাগারে থাকা সত্ত্বেও তাঁদের একে অপরের সাথে দেখা করার কোনো উপায় ছিলো না। কারণ কারাকর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী এটা ছিল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শারাওয়ী জুমা আরেকটি আইন করেছিলেন যে, কোনো ইসলামপন্থী কয়েদীকে তাঁদের দর্শনার্থীর কাছ থেকে কোনো ফল বা খাবার নিতে দেওয়া হবে না। বেশ কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর মুহাম্মাদ কুতুব তাঁর বোনের সাথে দেখা করার সু্যোগ চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন।
শারাওয়ী জুমা উত্তর পাঠালো: “জীবিত বা মৃত কোনো অবস্থাতেই তুমি তোমার বোনকে দেখতে পাবে না”।
.
এক বছরের মতো পার হবার পর নতুন এক সরকার ক্ষমতায় এলো এবং ক্ষমতাসীন হওয়া মাত্র তাঁরা পূর্ববর্তী সরকারের সব সদস্যকে জেলে ছুঁড়ে দিলো। হঠাৎ করেই মুহাম্মাদ এবং হামিদা কুতুব আবিষ্কার করলেন তারা এখন মুক্ত। আর শারাওয়ী জুমা নিজেকে আবিষ্কার করলো চার দেওয়ালের মাঝে বন্দী। সেই একই কারাগারে।
.
এরই মাঝে একদিন তাঁর স্ত্রী এক ঝুড়ি ফল নিয়ে তাকে দেখতে আসলো। কারারক্ষী নিয়ম মতো তাঁর তল্লাশী করলো এবং ঝুড়ি ভর্তি ফলও দেখতে পেলো। কারারক্ষী জিজ্ঞেস করলো এই ফল কার জন্য? জবাবে মহিলা বললেন: “ আমার স্বামী শারাওয়ী জুমার জন্য”। মুচকি হেসে প্রহরী জবাব দিলো: “দুঃখিত, আমি নিয়ম মানতে বাধ্য। ফল হাতে প্রবেশ নিষেধ!”
এভাবে দু’আ কাজ করে। দু’আ কোন প্যানিক বাটন না যা মুহূর্তের মধ্যে অলৌকিক সমাধানের গ্যারান্টি দেবে। বরং এর জন্য প্রয়োজন সময় ও গভীরতা। এর জন্য দরকার অবিচলতা, অধ্যবসায়, ধৈর্য, পুনরাবৃত্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি।
.
সর্বোপরি এটি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার কেন্দ্রে আছে এই সত্যটিই যে, প্রতি দিনের প্রতিটি মুহূর্তে এই দুনিয়া এবং এর মাঝে সবকিছু ও সবার উপর আল্লাহ্-র আছে একচ্ছত্র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ।
.
👍12
❝আমি কতদিন আলো-বাতাস দেখি না, আল্লাহর দুনিয়া দেখি না, ওরা আমাকে আযান শুনতে দেয় নাই। আমার এই গামছাটা তে আমি যেই পরিমাণ চোখের পানি মুছেছি, ওই পানি জমাইলে একটা দিঘি বানানো যেতো!❞

~ 'আয়না ঘর' থেকে ফেরার পর সাবেক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আযমী (হাফি.)

৫ বছর আগে তাঁর মা ইন্তেকাল করেছেন, তাও তিনি জানতেন না। কতটা নির্মম ছিলো এই স্বৈরা-চারী জা-লি-ম-রা!

সংগৃহীত
😢52👍3
20👍3
মেধার ভিত্তিতে হলে সিট বরাদ্দ দেওয়া হোক। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের হল দখল, সিট দখল সাধারণ শিক্ষার্থীরা মেনে নিবে না। তাই আসুন, সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আধিপত্যবাদ ও নিপীড়ন মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলি।

🗣 জাহিদুল ইসলাম
সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
27👍4
দেশে ফিরলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. ইউনুস
15
Hope for the best!
30
😢26🥰1
ক্ষমতা ছাড়ার পূর্বের ঘটনা:
😁36
সারা দুনিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম সরকার পতনের ৩ দিনের প্রতিদিনই দেশের শেয়ারবাজার অবিশ্বাস্য রকম উঠেছে।
🔥30👍3
চট্টগ্রামের ভাইয়েরা বিষয়টি দেখবেন প্লিজ
🤬24
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে শপথ নিবেন যারা—

প্রধান উপদেষ্টা : ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উপদেষ্টা:
১. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
২. ড. আসিফ নজরুল
৩. আদিলুর রহমান খান
৪. হাসান আরিফ
৫. তৌহিদ হোসেন
৬. সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান
৭. মো. নাহিদ ইসলাম
৮. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
৯. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন-
১০. সুপ্রদিপ চাকমা
১১. ফরিদা আখতার
১২. বিধান রঞ্জন রায়
১৩. আ.ফ.ম খালিদ হাসান
১৪. নুরজাহান বেগম
১৫. শারমিন মুরশিদ
১৬. ফারুকী আযম
25👍4
❤‍🔥209👍1😁1
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজ রাতেই রাতে শপথ নিচ্ছে। এর সদস্যসংখ্যা ১৭ জন। এতে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে স্থান পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
🥰32👍2
তারুণ্য যাচ্ছে বঙ্গভবনে...
❤‍🔥54
36
21👍2
চুপ্পু ভাই অনেক কষ্টে আছে😁
😁24