থাকার কথা ছিলো- মীর মুগ্ধ, আবু সাইদ সহ সকল শহীদ এবং আহতদের দোয়ারে।
কিন্তু আপনারা পল্টনে কেন?
কিন্তু আপনারা পল্টনে কেন?
😢12
একজন লন্ডন যাইতেছে আর
একজন লন্ডন থেকে আসতেছে,
যিনি আসতেছে তিনি যে জন্য গিয়েছিলেন, যিনি যাচ্ছেন তিনিও সেই একই কারনে যাচ্ছেন 😂🤪
একজন লন্ডন থেকে আসতেছে,
যিনি আসতেছে তিনি যে জন্য গিয়েছিলেন, যিনি যাচ্ছেন তিনিও সেই একই কারনে যাচ্ছেন 😂🤪
😁26👍1
ইসলাম আমাদের শেখায় ক্ষমা, প্রতিশোধ নয়।ক্ষমা করতে পারাটাই সবথেকে বড় বীরত্বের কাজ।সবাই তো প্রতিশোধ নিতে চাইবে, কিন্তু শিবির ক্ষমা করে দিয়ে বীরত্ব অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ।
ক্যাম্পাসের শিবিরের ভাইয়েরা ছাত্রলীগের ভাইদের সাহস দিন, বলুন তুমি ক্যাম্পাসে আসো, পড়াশোনা করো, ছাত্রজীবন শেষ করো,তোমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের।খারাপ মানুষ গুলোকে সুযোগ দেয়া দরকার।আপনার ভালোবাসা পেলে সেও তো ভালো হয়ে যেতে পারে।
বরং আপনি ঘোষণা দিন,আমি সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম।যারা আমাকে ,আমার পরিবারকে কষ্ট দিয়েছে আজ থেকে তোমাদেরও নিরাপত্তার দায়িত্ব আমি নিলাম।
এটাই হবে বিপ্লবী ঘোষণা।
ক্যাম্পাসের শিবিরের ভাইয়েরা ছাত্রলীগের ভাইদের সাহস দিন, বলুন তুমি ক্যাম্পাসে আসো, পড়াশোনা করো, ছাত্রজীবন শেষ করো,তোমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের।খারাপ মানুষ গুলোকে সুযোগ দেয়া দরকার।আপনার ভালোবাসা পেলে সেও তো ভালো হয়ে যেতে পারে।
বরং আপনি ঘোষণা দিন,আমি সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম।যারা আমাকে ,আমার পরিবারকে কষ্ট দিয়েছে আজ থেকে তোমাদেরও নিরাপত্তার দায়িত্ব আমি নিলাম।
এটাই হবে বিপ্লবী ঘোষণা।
🔥12❤2👍1
ইলিয়াস আলী বেঁচে নেই!
অনেক আগেই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে নিয়ে মুখে পলিথিন পেঁচিয়ে মা-/রা হয়! এর সাথে ছু-/রি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কা-/টা হয় (পেটের মাংশ)। এরপর ভারী পাথরের সাথে বেঁ-/ধে সমুদ্রের তলদেশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
এখনও চাই — আল্লাহ এটাকে মি-থ্যা করে দিন।
পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ রানার বয়ানের সামারি —
অনেক আগেই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে নিয়ে মুখে পলিথিন পেঁচিয়ে মা-/রা হয়! এর সাথে ছু-/রি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কা-/টা হয় (পেটের মাংশ)। এরপর ভারী পাথরের সাথে বেঁ-/ধে সমুদ্রের তলদেশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
এখনও চাই — আল্লাহ এটাকে মি-থ্যা করে দিন।
😢24
সময়ের গতির সাথে মস্তিষ্কের সৃজনশীলতা-ও দ্রুততর হতে থাকে । একের পর এক নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে উদিত হয়, বরাবরের মতোই মনের তীব্র বাসনা ছিল পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে বিশাল জায়গাজুড়ে কাজ করার।
আলহামদুলিল্লাহ সেই বাসনা আজ পূর্ণ হলো।
প্রিয় চট্টলার সৌন্দর্য বর্ধনে টীমের সাথে রং তুলিতে আমাদের স্বাধীনতার নতুন গল্প।
আলহামদুলিল্লাহ আজ আমি স্বাধীন, আমার তুলি-ও স্বাধীন।
আলহামদুলিল্লাহ সেই বাসনা আজ পূর্ণ হলো।
প্রিয় চট্টলার সৌন্দর্য বর্ধনে টীমের সাথে রং তুলিতে আমাদের স্বাধীনতার নতুন গল্প।
আলহামদুলিল্লাহ আজ আমি স্বাধীন, আমার তুলি-ও স্বাধীন।
👍9🥰6
আগামীকাল প্রফেসর ইউনুসের নিরাপত্তার দায়িত্ব সেনাবাহিনী নিক, এস এস এফ না। এস এস এফ এর অফিসারদের অনেকেরই হাসিনার প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্য আছে। আমি সেনাপ্রধানকে রিকুয়েষ্ট করবো, আপনি সম্ভবত কাল উনাকে রিসিভ করতে যাবেন। আপনার নিজস্ব নিরাপত্তা প্রটোকলেই উনাকে নিরাপত্তা দিতে পারেন।
বিষয়টা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়টা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
❤20👍3
আসসালামু আলাইকুম, একটি নির্দেশনা এখন
থেকে সরকারি কোন কাজে আলাদা ফি দিবেন না.!
বোর্ড অফিস বা উপজেলায় যে আয়ডি কার্ড, জন্মসনদ, ইত্যাদি
ডকুমেন্টস সামগ্রী নিতে সরকারি ফি ছাড়া কোন ফি দিবেন না আলাদা ভাবে,
যদি কেউ নিতে চাই যোগাযোগ করবেন, অথবা কানের নিচে লাগায় দিবেন একটা, এটা আপনার দায়িত্ব, এদেশ সুন্দর মত সাজাব ইনশাআল্লাহ 🖤
মির্জা ভাই
সমন্বয়ক,চট্টগ্রাম কলেজ, ও সাতকানিয়া - লোহাগাড়া।
বৈষম্যবিরোধী - ছাত্র আন্দোলন,
থেকে সরকারি কোন কাজে আলাদা ফি দিবেন না.!
বোর্ড অফিস বা উপজেলায় যে আয়ডি কার্ড, জন্মসনদ, ইত্যাদি
ডকুমেন্টস সামগ্রী নিতে সরকারি ফি ছাড়া কোন ফি দিবেন না আলাদা ভাবে,
যদি কেউ নিতে চাই যোগাযোগ করবেন, অথবা কানের নিচে লাগায় দিবেন একটা, এটা আপনার দায়িত্ব, এদেশ সুন্দর মত সাজাব ইনশাআল্লাহ 🖤
মির্জা ভাই
সমন্বয়ক,চট্টগ্রাম কলেজ, ও সাতকানিয়া - লোহাগাড়া।
বৈষম্যবিরোধী - ছাত্র আন্দোলন,
❤32
মনে রাখবেন ফুল ফুটবেই, কিন্তু সেটা একরাতে না। দিনের পর দিন আপনাকে পানি দিয়েই যেতে হবে। অবশেষে এই ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন যে, আপনার দু’আর উত্তর আল্লাহ্র তৈরি প্রাকৃতিক নিয়মের কাঠামোর ভেতর থেকেই আসবে।এই কাঠামোর ভেতর যা ঘটে আল্লাহ্ সেটা নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই কাঠামোর মাধ্যমেই তিনি আপনার দু’আর উত্তর দেন। আবারো বলছি, অবশ্যই আলৌকিক ঘটনা, কারামাহ ঘটে, কিন্তু সেগুলো হলো নিয়মের ব্যতিক্রম।
.
একজন কুমারী নারী, যিনি সন্তানের জন্য দু’আ করছেন তিনি অলৌকিকভাবে মারিয়াম (আ) – এর মতো কুমারী অবস্থাতেই গর্ভবতী হয়ে পড়বেন, তার সম্ভাবনা খুবই কম! আবার একজন শতবর্ষী নারী, ইব্রাহীম [আঃ] – এর স্ত্রী সারাহ – এর মতো একশো বছর বয়সে গর্ভবতী হবেন সে সম্ভাবনাও কম। বরং দু’আ করার সময়ই আপনি জানেন, আপনি যখন সন্তান চেয়ে আল্লাহ-র কাছে দু’আ করছেন তখন সন্তান জন্মের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আপনার দু’আর উত্তর আসবে। বিয়ে – স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক – গর্ভধারণ এবং তারপরেই সন্তানপ্রসব। শেষ পর্যন্ত আপনার দু’আর উত্তর এসেছে, কিন্তু তা এসেছে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই। এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেটা শুধু আল্লাহ্ নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একমাত্র তিনিই আপনার দু’আর উত্তর দিয়েছেন এবং দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
ইউসুফ (আ) তাঁর শৈশবে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে আল্লাহ্ অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি ইউসুফ (আ) কে মিশরের উপর ক্ষমতাসীন করবেন এবং আল্লাহ্ তাঁর অঙ্গীকার পূর্ণ করেছিলেন। কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট ঘটনাবলী ও ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমেই “ক” বিন্দু থেকে “খ” বিন্দু তে যাওয়া সম্ভব হয়েছিলো।
.
প্রথমে ইউসুফের (আ) ভাইয়েরা তাদের সাথে তাঁকে নিয়ে গেলো – তাঁকে কুয়ায় নিক্ষেপ করা হলো – তাকে দাস হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হলো – তিনি অন্যান্য বন্দীদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করলেন – বাদশা তাঁর ব্যাখ্যা শুনে চমৎকৃত হলেন – এবং অতঃপর ইউসুফ (আ) মিশরের অর্থমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। শৈশবে তাঁর কাছে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করা হলো, কিন্তু সেটা হলো আপাতদৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। মিশরের আরেকটি গল্প দিয়ে শেষ করছি।
.
ষাটের দশকের শেষ দিকে যখন সাইদ কুতুব (রঃ) কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, সেই একই সময় তাঁর ভাই মুহাম্মাদ ও বোন হামিদা কুতুবও একই জেলে বন্দী ছিলেন। কিন্তু একই কারাগারে থাকা সত্ত্বেও তাঁদের একে অপরের সাথে দেখা করার কোনো উপায় ছিলো না। কারণ কারাকর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী এটা ছিল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শারাওয়ী জুমা আরেকটি আইন করেছিলেন যে, কোনো ইসলামপন্থী কয়েদীকে তাঁদের দর্শনার্থীর কাছ থেকে কোনো ফল বা খাবার নিতে দেওয়া হবে না। বেশ কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর মুহাম্মাদ কুতুব তাঁর বোনের সাথে দেখা করার সু্যোগ চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন।
শারাওয়ী জুমা উত্তর পাঠালো: “জীবিত বা মৃত কোনো অবস্থাতেই তুমি তোমার বোনকে দেখতে পাবে না”।
.
এক বছরের মতো পার হবার পর নতুন এক সরকার ক্ষমতায় এলো এবং ক্ষমতাসীন হওয়া মাত্র তাঁরা পূর্ববর্তী সরকারের সব সদস্যকে জেলে ছুঁড়ে দিলো। হঠাৎ করেই মুহাম্মাদ এবং হামিদা কুতুব আবিষ্কার করলেন তারা এখন মুক্ত। আর শারাওয়ী জুমা নিজেকে আবিষ্কার করলো চার দেওয়ালের মাঝে বন্দী। সেই একই কারাগারে।
.
এরই মাঝে একদিন তাঁর স্ত্রী এক ঝুড়ি ফল নিয়ে তাকে দেখতে আসলো। কারারক্ষী নিয়ম মতো তাঁর তল্লাশী করলো এবং ঝুড়ি ভর্তি ফলও দেখতে পেলো। কারারক্ষী জিজ্ঞেস করলো এই ফল কার জন্য? জবাবে মহিলা বললেন: “ আমার স্বামী শারাওয়ী জুমার জন্য”। মুচকি হেসে প্রহরী জবাব দিলো: “দুঃখিত, আমি নিয়ম মানতে বাধ্য। ফল হাতে প্রবেশ নিষেধ!”
এভাবে দু’আ কাজ করে। দু’আ কোন প্যানিক বাটন না যা মুহূর্তের মধ্যে অলৌকিক সমাধানের গ্যারান্টি দেবে। বরং এর জন্য প্রয়োজন সময় ও গভীরতা। এর জন্য দরকার অবিচলতা, অধ্যবসায়, ধৈর্য, পুনরাবৃত্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি।
.
সর্বোপরি এটি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার কেন্দ্রে আছে এই সত্যটিই যে, প্রতি দিনের প্রতিটি মুহূর্তে এই দুনিয়া এবং এর মাঝে সবকিছু ও সবার উপর আল্লাহ্-র আছে একচ্ছত্র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ।
.
👍12
❝আমি কতদিন আলো-বাতাস দেখি না, আল্লাহর দুনিয়া দেখি না, ওরা আমাকে আযান শুনতে দেয় নাই। আমার এই গামছাটা তে আমি যেই পরিমাণ চোখের পানি মুছেছি, ওই পানি জমাইলে একটা দিঘি বানানো যেতো!❞
~ 'আয়না ঘর' থেকে ফেরার পর সাবেক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আযমী (হাফি.)
৫ বছর আগে তাঁর মা ইন্তেকাল করেছেন, তাও তিনি জানতেন না। কতটা নির্মম ছিলো এই স্বৈরা-চারী জা-লি-ম-রা!
সংগৃহীত
~ 'আয়না ঘর' থেকে ফেরার পর সাবেক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আযমী (হাফি.)
৫ বছর আগে তাঁর মা ইন্তেকাল করেছেন, তাও তিনি জানতেন না। কতটা নির্মম ছিলো এই স্বৈরা-চারী জা-লি-ম-রা!
সংগৃহীত
😢52👍3