অসংখ্য খুন, গুমের মাস্টার মাইন্ড জেনারেল জিয়া এখন ঢাকা বিমানবন্দরে অবস্থান করছে। বিমানবন্দরে যারা আছেন, ওরে আটক করুন। সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিন।
বহু মায়ের বুক খালি করেছে এই জেনারেল জিয়া।
ওর সাথে ১০ লাখ টাকার ডিল করেছে বেশ কয়েকজন ইমিগ্রেশন অফিসার। সে যদি পালায়, ইমিগ্রেশন অফিসারদের ধরবে ছাত্র জনতা।
বহু মায়ের বুক খালি করেছে এই জেনারেল জিয়া।
ওর সাথে ১০ লাখ টাকার ডিল করেছে বেশ কয়েকজন ইমিগ্রেশন অফিসার। সে যদি পালায়, ইমিগ্রেশন অফিসারদের ধরবে ছাত্র জনতা।
❤27
শেষ সময়েও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং আরও রক্তপাতের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা।
দেশ ছাড়ার আগে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের চাপ দিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিস্থিতি যে একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটা তিনি কিছুতেই মানতে চাচ্ছিলেন না।
পরে পরিবারের সদস্যরাসহ বোঝানোর পর পদত্যাগে রাজি হন। এরপর দ্রুততম সময়ে পদত্যাগ করে সামরিক হেলিকপ্টারে করে গোপনে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের কাছ থেকে শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার শেষ চার ঘণ্টার একটা বিবরণ পাওয়া গেছে।
দলীয় অস্ত্রধারী কর্মীদের নামিয়ে গত রোববার দিনভর সারা দেশে ব্যাপক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটানোর পরও ছাত্র-জনতার আন্দোলন সামাল দিতে পারেননি শেখ হাসিনা।
যদিও পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে রোববার রাতেই শেখ হাসিনাকে তাঁর একজন উপদেষ্টাসহ কয়েকজন নেতা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
তবে তিনি তা মানতে চাননি; বরং সোমবার (গতকাল) থেকে কারফিউ আরও কড়াকড়ি করতে বলেন। ভোর থেকে কারফিউ কড়াকড়ি করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সকাল ৯টার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভেঙে নামতে শুরু করেন। ১০টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে জমায়েত বড় হতে থাকে।
বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়।
নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না, সেটার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আন্দোলনকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁজোয়া যানে উঠে লাল রং দিয়ে দিচ্ছেন, সামরিক যানে পর্যন্ত উঠে পড়ছেন—এর পরও কেন তারা কঠোর হচ্ছে না, সেটা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া বিশ্বাস করে এই কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে বসিয়েছেন—সেটাও তিনি উল্লেখ করেন।
একপর্যায়ে শেখ হাসিনা আইজিপিকে দেখিয়ে বলেন, তারা (পুলিশ) তো ভালো করছে। তখন আইজিপি জানান, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে, তাতে পুলিশের পক্ষেও আর বেশি সময় এ রকম কঠোর অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয়।
ওই সময়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।
কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আরেক কক্ষে আলোচনা করেন। তাঁকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন।
শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
এরপর জয় তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর শেখ হাসিনা পদত্যাগে রাজি হন।
সূত্র: প্রথম আলো
দেশ ছাড়ার আগে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের চাপ দিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিস্থিতি যে একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটা তিনি কিছুতেই মানতে চাচ্ছিলেন না।
পরে পরিবারের সদস্যরাসহ বোঝানোর পর পদত্যাগে রাজি হন। এরপর দ্রুততম সময়ে পদত্যাগ করে সামরিক হেলিকপ্টারে করে গোপনে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের কাছ থেকে শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার শেষ চার ঘণ্টার একটা বিবরণ পাওয়া গেছে।
দলীয় অস্ত্রধারী কর্মীদের নামিয়ে গত রোববার দিনভর সারা দেশে ব্যাপক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটানোর পরও ছাত্র-জনতার আন্দোলন সামাল দিতে পারেননি শেখ হাসিনা।
যদিও পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে রোববার রাতেই শেখ হাসিনাকে তাঁর একজন উপদেষ্টাসহ কয়েকজন নেতা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
তবে তিনি তা মানতে চাননি; বরং সোমবার (গতকাল) থেকে কারফিউ আরও কড়াকড়ি করতে বলেন। ভোর থেকে কারফিউ কড়াকড়ি করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সকাল ৯টার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভেঙে নামতে শুরু করেন। ১০টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে জমায়েত বড় হতে থাকে।
বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়।
নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না, সেটার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আন্দোলনকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁজোয়া যানে উঠে লাল রং দিয়ে দিচ্ছেন, সামরিক যানে পর্যন্ত উঠে পড়ছেন—এর পরও কেন তারা কঠোর হচ্ছে না, সেটা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া বিশ্বাস করে এই কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে বসিয়েছেন—সেটাও তিনি উল্লেখ করেন।
একপর্যায়ে শেখ হাসিনা আইজিপিকে দেখিয়ে বলেন, তারা (পুলিশ) তো ভালো করছে। তখন আইজিপি জানান, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে, তাতে পুলিশের পক্ষেও আর বেশি সময় এ রকম কঠোর অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয়।
ওই সময়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।
কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আরেক কক্ষে আলোচনা করেন। তাঁকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন।
শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
এরপর জয় তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর শেখ হাসিনা পদত্যাগে রাজি হন।
সূত্র: প্রথম আলো
😢6👍5❤3😁2
প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই-বোনদেরকে উষ্ণ মোবারকবাদ
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অবস্থানরত আপামর ছাত্রজনতা এবং জনগণ যেভাবে জান বাজি রেখে লড়াই করেছেন, সমানতালে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী সবকিছু ঢেলে দিয়ে এ লড়াই এবং সংগ্রামে তারাও ছিলেন একাকার। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে এবং স্বৈরাচারকে সহযোগিতা না করার জন্য যেভাবে রেমিটেন্স পাঠানো বয়কট করেছিলেন তা স্বৈরাচারের অর্থনৈতিক ভীতকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলো।
মোবারকবাদ হে যোদ্ধারা! গ্রহণ করুন উষ্ণ অভিনন্দন ও বুক ভরা ভালোবাসা।
সম্মিলিত প্রয়াসে ইনশাআল্লাহ দ্বিতীয় স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে কাঙ্খিত লক্ষের দিকে।
ডা. শফিকুর রহমান
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অবস্থানরত আপামর ছাত্রজনতা এবং জনগণ যেভাবে জান বাজি রেখে লড়াই করেছেন, সমানতালে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী সবকিছু ঢেলে দিয়ে এ লড়াই এবং সংগ্রামে তারাও ছিলেন একাকার। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে এবং স্বৈরাচারকে সহযোগিতা না করার জন্য যেভাবে রেমিটেন্স পাঠানো বয়কট করেছিলেন তা স্বৈরাচারের অর্থনৈতিক ভীতকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলো।
মোবারকবাদ হে যোদ্ধারা! গ্রহণ করুন উষ্ণ অভিনন্দন ও বুক ভরা ভালোবাসা।
সম্মিলিত প্রয়াসে ইনশাআল্লাহ দ্বিতীয় স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে কাঙ্খিত লক্ষের দিকে।
ডা. শফিকুর রহমান
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
❤24👍3
যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করা কিংবা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করা ছাড়া যে কাউকে হত্যা করল, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করল। আর যে তাকে বাঁচাল, সে যেন সব মানুষকে বাঁচাল। আর অবশ্যই তাদের নিকট আমার রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে এসেছে। তা সত্ত্বেও এরপর যমীনে তাদের অনেকে অবশ্যই সীমালঙ্ঘনকারী।
সূরা মায়েদা
আয়াত - ৩২
সূরা মায়েদা
আয়াত - ৩২
❤15
কেউ গদি পেতে ব্যাস্ত
কেউ দল গোছাতে ব্যাস্ত
অথচ ক্লান্ত ছাত্র ছাত্রীরা দেশ গোছাতে ব্যাস্ত💔
কেউ দল গোছাতে ব্যাস্ত
অথচ ক্লান্ত ছাত্র ছাত্রীরা দেশ গোছাতে ব্যাস্ত💔
😢37
মনে রাখবেন!
স্বৈরাচার সরাইতে ২০ দিন লাগছে। আপনারা এখন শোডাউন দিয়ে বিশৃঙ্খলা করলে আপনাদের সরাইতে ২০ মিনিট লাগবে!
স্বৈরাচার সরাইতে ২০ দিন লাগছে। আপনারা এখন শোডাউন দিয়ে বিশৃঙ্খলা করলে আপনাদের সরাইতে ২০ মিনিট লাগবে!
🔥39❤3
ছাত্র-জনতার এই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে মেরামত করে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ সাধন করার জন্য। গণ-অভ্যুত্থানে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব হবে ছাত্র নাগরিকের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করা। কোন নির্দিষ্ট দল কিংবা গোষ্ঠীর ক্ষমতার আকাংক্ষা চরিতার্থ করার জন্য নয়।
ছাত্র-জনতার প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা ও দাবি অনুযায়ী রাষ্ট্র মেরামত না হওয়া পর্যন্ত ছাত্র-জনতা সতর্ক ও সজাগ আছে এবং থাকবে।
যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি, জনগণের সম্পত্তির ক্ষতি সাধন ও বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংগঠিত আছে ও জনগণের সাথে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধ করেছি আমরা, এখন আবার দায়িত্ব নিয়ে সেই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতিও নিরাময় করছি। ভলান্টারি এক্টিভিটির মাধ্যমে দেশের দায়িত্ব নেওয়া ছাত্র-জনতাকে স্যালুট জানাই।
আসিফ মাহমুদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
ছাত্র-জনতার প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা ও দাবি অনুযায়ী রাষ্ট্র মেরামত না হওয়া পর্যন্ত ছাত্র-জনতা সতর্ক ও সজাগ আছে এবং থাকবে।
যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি, জনগণের সম্পত্তির ক্ষতি সাধন ও বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংগঠিত আছে ও জনগণের সাথে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধ করেছি আমরা, এখন আবার দায়িত্ব নিয়ে সেই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতিও নিরাময় করছি। ভলান্টারি এক্টিভিটির মাধ্যমে দেশের দায়িত্ব নেওয়া ছাত্র-জনতাকে স্যালুট জানাই।
আসিফ মাহমুদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤🔥15👍2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ডিবি কার্যলয়ের গোপন সেলে সেনাবাহিনীর তল্লাশিঃ গা শিউরে ওঠার মত 😢
😢14👍2