This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
-সারজিস আলম
সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
🥰39👍6
অভিনন্দন.....
🚨বিগ ব্রেকিং নিউজ---
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান: ড. মোহাম্মদ ইউনুস
বাকি সদস্যরা হলেন-
১. ড. সলিমুল্লাহ খান
২. ড. আসিফ নজরুল
৩. বিচারপতি (অব.) মোঃ আব্দুল ওয়াহাব মিঞা
৪. জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া
৫. মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন
৬. ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
৭. মতিউর রহমান চৌধুরী
৮. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন
৯. ড. হোসেন জিল্লুর রহমান
১০. বিচারপতি (অব.) এম এ মতিন।
🚨বিগ ব্রেকিং নিউজ---
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান: ড. মোহাম্মদ ইউনুস
বাকি সদস্যরা হলেন-
১. ড. সলিমুল্লাহ খান
২. ড. আসিফ নজরুল
৩. বিচারপতি (অব.) মোঃ আব্দুল ওয়াহাব মিঞা
৪. জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া
৫. মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন
৬. ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
৭. মতিউর রহমান চৌধুরী
৮. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন
৯. ড. হোসেন জিল্লুর রহমান
১০. বিচারপতি (অব.) এম এ মতিন।
❤54🔥4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইনশাআল্লাহ আপনার হ'ত্যাকা'রীদের খুব শীঘ্রই বিচার হবে, ওপারে ভালো থাকবেন প্রিয় আল্লামা!
❤27🥰1
*অভ্যুত্থানের চেষ্টা, সেনাবাহিনীর শীর্ষ ৫ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের অপেক্ষা*
06 Aug, 2024
সেনাবাহিনীর শীর্ষ পাঁচজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা শেখ হাসিনার পদত্যাগের সাম্প্রতিক ঘটনায় সেনাপ্রধানকে সহযোগিতা করেননি এবং সেনাপ্রধানকে চাপ দিয়ে সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা করেন এবং শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করেন। তাদেরকে এখন সামরিক আদালত বা কোর্ট-মার্শালের আওতায় গ্রেপ্তারের অপেক্ষায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট সূত্র ঢাকা টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সামরিক আদালত বা কোর্ট-মার্শাল হলো সেনাবাহিনীতে সৈনিক ও কর্মকর্তাদের চাকরির শৃংখলাভঙ্গজনিত অপরাধের বিচার করার জন্য সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একটি আদালত।
ঢাকাটাইমস
06 Aug, 2024
সেনাবাহিনীর শীর্ষ পাঁচজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা শেখ হাসিনার পদত্যাগের সাম্প্রতিক ঘটনায় সেনাপ্রধানকে সহযোগিতা করেননি এবং সেনাপ্রধানকে চাপ দিয়ে সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা করেন এবং শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করেন। তাদেরকে এখন সামরিক আদালত বা কোর্ট-মার্শালের আওতায় গ্রেপ্তারের অপেক্ষায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট সূত্র ঢাকা টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিব, মেজর জেনারেল জিয়া (এনটিএমসি মহাপরিচালক), এনএসআই মহাপরিচালক, সেনাসদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) এবং এসএসএফ মহাপরিচালক।
সামরিক আদালত বা কোর্ট-মার্শাল হলো সেনাবাহিনীতে সৈনিক ও কর্মকর্তাদের চাকরির শৃংখলাভঙ্গজনিত অপরাধের বিচার করার জন্য সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একটি আদালত।
ঢাকাটাইমস
❤10👍1
জুলুমের আতিশয্যে মজলুমও জালিম হয়ে যেতে পারে। রাসূল স. বলেন, "তোমার ভাইকে সাহায্য করো, জালিম বা মজলুম উভয়কেই (বুখারী: ২৪৪৪)"। ক্ষমতার অভাবে মজলুম, কিন্তু ক্ষমতা পেতেই যেন কেউ জালিম না হয়ে যাই। জালিম যে-ই হোক, দুনিয়া-আখিরাতে পতন অবশ্যম্ভাবী।
© ডা. মাওলানা মাসীহ উল্লাহ (হাফিঃ)
© ডা. মাওলানা মাসীহ উল্লাহ (হাফিঃ)
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এটা দিয়ে কাউকে ছোট করতে চাইনি।
বুঝার জন্য দিলাম
বুঝার জন্য দিলাম
❤19👍2
..........এইমাত্র পাওয়া
ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বঙ্গভবনে আজ রাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কসহ সংশ্লিষ্টদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নাম চূড়ান্ত হবে।
ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বঙ্গভবনে আজ রাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কসহ সংশ্লিষ্টদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নাম চূড়ান্ত হবে।
❤22👍6
২৪ ঘন্টার মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সাথে কথা বলে অন্তবর্তীকালীন সরকারে কারা আসছেন তাদের নাম জানা যাবে। আর ইউনুস আগামীকাল রাতে কিংবা আগামী পরশুদিন সকাল নাগাদ দেশে এসে পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ।
❤14
অসংখ্য খুন, গুমের মাস্টার মাইন্ড জেনারেল জিয়া এখন ঢাকা বিমানবন্দরে অবস্থান করছে। বিমানবন্দরে যারা আছেন, ওরে আটক করুন। সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিন।
বহু মায়ের বুক খালি করেছে এই জেনারেল জিয়া।
ওর সাথে ১০ লাখ টাকার ডিল করেছে বেশ কয়েকজন ইমিগ্রেশন অফিসার। সে যদি পালায়, ইমিগ্রেশন অফিসারদের ধরবে ছাত্র জনতা।
বহু মায়ের বুক খালি করেছে এই জেনারেল জিয়া।
ওর সাথে ১০ লাখ টাকার ডিল করেছে বেশ কয়েকজন ইমিগ্রেশন অফিসার। সে যদি পালায়, ইমিগ্রেশন অফিসারদের ধরবে ছাত্র জনতা।
❤27
শেষ সময়েও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং আরও রক্তপাতের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা।
দেশ ছাড়ার আগে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের চাপ দিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিস্থিতি যে একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটা তিনি কিছুতেই মানতে চাচ্ছিলেন না।
পরে পরিবারের সদস্যরাসহ বোঝানোর পর পদত্যাগে রাজি হন। এরপর দ্রুততম সময়ে পদত্যাগ করে সামরিক হেলিকপ্টারে করে গোপনে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের কাছ থেকে শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার শেষ চার ঘণ্টার একটা বিবরণ পাওয়া গেছে।
দলীয় অস্ত্রধারী কর্মীদের নামিয়ে গত রোববার দিনভর সারা দেশে ব্যাপক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটানোর পরও ছাত্র-জনতার আন্দোলন সামাল দিতে পারেননি শেখ হাসিনা।
যদিও পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে রোববার রাতেই শেখ হাসিনাকে তাঁর একজন উপদেষ্টাসহ কয়েকজন নেতা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
তবে তিনি তা মানতে চাননি; বরং সোমবার (গতকাল) থেকে কারফিউ আরও কড়াকড়ি করতে বলেন। ভোর থেকে কারফিউ কড়াকড়ি করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সকাল ৯টার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভেঙে নামতে শুরু করেন। ১০টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে জমায়েত বড় হতে থাকে।
বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়।
নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না, সেটার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আন্দোলনকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁজোয়া যানে উঠে লাল রং দিয়ে দিচ্ছেন, সামরিক যানে পর্যন্ত উঠে পড়ছেন—এর পরও কেন তারা কঠোর হচ্ছে না, সেটা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া বিশ্বাস করে এই কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে বসিয়েছেন—সেটাও তিনি উল্লেখ করেন।
একপর্যায়ে শেখ হাসিনা আইজিপিকে দেখিয়ে বলেন, তারা (পুলিশ) তো ভালো করছে। তখন আইজিপি জানান, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে, তাতে পুলিশের পক্ষেও আর বেশি সময় এ রকম কঠোর অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয়।
ওই সময়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।
কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আরেক কক্ষে আলোচনা করেন। তাঁকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন।
শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
এরপর জয় তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর শেখ হাসিনা পদত্যাগে রাজি হন।
সূত্র: প্রথম আলো
দেশ ছাড়ার আগে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের চাপ দিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিস্থিতি যে একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটা তিনি কিছুতেই মানতে চাচ্ছিলেন না।
পরে পরিবারের সদস্যরাসহ বোঝানোর পর পদত্যাগে রাজি হন। এরপর দ্রুততম সময়ে পদত্যাগ করে সামরিক হেলিকপ্টারে করে গোপনে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের কাছ থেকে শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার শেষ চার ঘণ্টার একটা বিবরণ পাওয়া গেছে।
দলীয় অস্ত্রধারী কর্মীদের নামিয়ে গত রোববার দিনভর সারা দেশে ব্যাপক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটানোর পরও ছাত্র-জনতার আন্দোলন সামাল দিতে পারেননি শেখ হাসিনা।
যদিও পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে রোববার রাতেই শেখ হাসিনাকে তাঁর একজন উপদেষ্টাসহ কয়েকজন নেতা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
তবে তিনি তা মানতে চাননি; বরং সোমবার (গতকাল) থেকে কারফিউ আরও কড়াকড়ি করতে বলেন। ভোর থেকে কারফিউ কড়াকড়ি করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সকাল ৯টার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভেঙে নামতে শুরু করেন। ১০টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে জমায়েত বড় হতে থাকে।
বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়।
নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না, সেটার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আন্দোলনকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁজোয়া যানে উঠে লাল রং দিয়ে দিচ্ছেন, সামরিক যানে পর্যন্ত উঠে পড়ছেন—এর পরও কেন তারা কঠোর হচ্ছে না, সেটা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া বিশ্বাস করে এই কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে বসিয়েছেন—সেটাও তিনি উল্লেখ করেন।
একপর্যায়ে শেখ হাসিনা আইজিপিকে দেখিয়ে বলেন, তারা (পুলিশ) তো ভালো করছে। তখন আইজিপি জানান, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে, তাতে পুলিশের পক্ষেও আর বেশি সময় এ রকম কঠোর অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয়।
ওই সময়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।
কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আরেক কক্ষে আলোচনা করেন। তাঁকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন।
শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
এরপর জয় তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর শেখ হাসিনা পদত্যাগে রাজি হন।
সূত্র: প্রথম আলো
😢6👍5❤3😁2
প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই-বোনদেরকে উষ্ণ মোবারকবাদ
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অবস্থানরত আপামর ছাত্রজনতা এবং জনগণ যেভাবে জান বাজি রেখে লড়াই করেছেন, সমানতালে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী সবকিছু ঢেলে দিয়ে এ লড়াই এবং সংগ্রামে তারাও ছিলেন একাকার। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে এবং স্বৈরাচারকে সহযোগিতা না করার জন্য যেভাবে রেমিটেন্স পাঠানো বয়কট করেছিলেন তা স্বৈরাচারের অর্থনৈতিক ভীতকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলো।
মোবারকবাদ হে যোদ্ধারা! গ্রহণ করুন উষ্ণ অভিনন্দন ও বুক ভরা ভালোবাসা।
সম্মিলিত প্রয়াসে ইনশাআল্লাহ দ্বিতীয় স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে কাঙ্খিত লক্ষের দিকে।
ডা. শফিকুর রহমান
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অবস্থানরত আপামর ছাত্রজনতা এবং জনগণ যেভাবে জান বাজি রেখে লড়াই করেছেন, সমানতালে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী সবকিছু ঢেলে দিয়ে এ লড়াই এবং সংগ্রামে তারাও ছিলেন একাকার। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে এবং স্বৈরাচারকে সহযোগিতা না করার জন্য যেভাবে রেমিটেন্স পাঠানো বয়কট করেছিলেন তা স্বৈরাচারের অর্থনৈতিক ভীতকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলো।
মোবারকবাদ হে যোদ্ধারা! গ্রহণ করুন উষ্ণ অভিনন্দন ও বুক ভরা ভালোবাসা।
সম্মিলিত প্রয়াসে ইনশাআল্লাহ দ্বিতীয় স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে কাঙ্খিত লক্ষের দিকে।
ডা. শফিকুর রহমান
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
❤24👍3