আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড.মো.ফরহাদ হোসেন পদত্যাগ করলেন।
17
জরুরী লাল সতর্ক (Emergency Red Alert: বার্তা...

শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার (After 24 hours of Resignation of PM)  মধ্যে দেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটানো হবে যেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকারীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এজন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে কাজ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়োগ দিয়ে হাসিনার তৈরি করা একটি গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানমন্ত্রীর (হাসিনার) অধীনস্ত থাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (পিমও) প্রায় ৫০০ সদস্য। তাদের পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

Task 1. হাসিনার পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কিছু বিভৎস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সেখানে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে ভিডিও করে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা। Goal: মূলত এই আন্দোলন জামাত-শিবির করেছে সেটা বিশ্বের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে করা হবে।

Task 2. সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক হামলা-হত্যা-লুটপাট করা হবে। সেগুলো ভিডিও ও ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করা হবে। Goal: হাসিনা ছাড়া কারো কাছে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় প্রমাণ করা এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি করা।

Task 3. বিদ্যুৎকেন্দ্র, বড় সেতু, কারখানা বা এমন অনেক স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়া। Goal: মেরামত করতে পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সরকার যেন দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়।

- দ্রুত দেশবাসীর কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়া দরকার। আজ রাতে যেন সংখ্যালঘুদের পাহারা দেয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা দরকার। আন্দোলনের সমন্বয়কদের এই ২৪ ঘণ্টা সরকার গঠনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত রাখা হবে। এর মধ্যে সব ঘটনা ঘটিয়ে ফেলা হবে।
9👍1
যেখানে ভাঙচুর লুটতরাজ হচ্ছে সবখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা কঠিন। জানমালের ক্ষয়ক্ষতি যাতে না হয় সেই দায়িত্ব ছাত্র-জনতার
8
আমার এইভাবে ঘুম আসে না
😁16
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হাসিনা দেশেই আছে,,, ভারত তাকে গ্রহণ করে নাই
🔥11
উত্তরা ও বাড্ডার অবস্থা ভয়াবহ

বাকি থাকা ইন্ডিয়ান সেনারা, র' এর সদস্য এবং আওয়ামী লীগের বাকি সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে যাচ্ছে।

বহু মানুষ নিহত হওয়ার তথ্য শোনা যাচ্ছে।

সকলেই সাবধান।

কেউ রাতে বাহিরে বের হবেন না।
😢27
আচ্ছা হাসিনা যে পদত্যাগ করেছে এটার কোন কি প্রমাণ আছে?
😢15
কিছু একটা চলছে ভিতরে ভিতরে। জনগণ সবাই চোখ-কান খোলা রাখেন। দাবার গুটি যেন উল্টে না যায়।
👍10
গৃহযুদ্ধের পথে বাংলাদেশ।

ইয়া রব! প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করো💔💔
❤‍🔥17
বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির জরুরি বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রিন্সিপাল সচিব পিকে মিশ্র, ‘র’-এর প্রধান রবি সিনহা এবং গোয়েন্দা বিভাগের (আইবি) পরিচালক তপন ডেকা। বৈঠকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি বিষয়ে মোদিকে অবহিত করা হয়।
🤬21👍1
রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ৪০ জনের মরদেহ ঢামেকে।
😢17
সারাদেশে স্ব-উদ্যোগে ওয়ার্ডভিত্তিক "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা কমিটি" গঠনের জন্য ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের সকল অংশগ্রহনকারী ও আপামর জনতার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। দ্রুত বাস্তবায়নে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। দেশ গঠনে সচেষ্ট হোন।

রিফাত রশিদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
🔥9👍1
😁181👍1
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন।


আমাদের আরেকটা ছোটো ভাই 'আলিফ'। গতকালও রাজপথে ছিল সে। আজও বের হইছিল। কিন্তু সকালে বের হবার পরে আজকে যাত্রাবাড়িতে পুলিশ লীগের গুণ্ডাদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেছে।

এই রোডে আজকেও অজস্র মানুষ শাহাদাত বরণ করেছে। যাত্রাবাড়ীর আজকের অনেক শহীদের মাঝে আলিফ একজন। আল্লাহ্‌ আলিফকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুক।


নাম: সৈয়দ মুনতাসীর রহমান আলিফ
তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা।
শ্রেণি: আলিম ১ম বর্ষ।

আমাদেরকে আজও শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আওয়ামী পুলিশ লীগের গুলি মোকাবিলা করতে হয়েছে!
😢24👍1
সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। রাষ্ট্রীয় কোনো সম্পদের ক্ষতি করা যাবে না।
18
চোখ-কান খোলা রাখুন, ভারতীয় ষড়যন্ত্র রুখে দিন।
কোন ফাঁদে পা দেওয়া যাবেনা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা।
15
সম্পূর্ন দেশকে পুরো অস্থিতিশীল করে অর্থনৈতিক ভাবে ধস নামিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু করার প্ল্যান করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে খুনি হাসিনা।
ভারতে বসে মোদির সাহায্যে দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান 'র' এজেন্ট ও তার পালিত পুলিশ বাহিনী, লীগের নেতাকর্মী দ্বারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরি করে সেনাবাহিনীকে ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরেও 'র' এজেন্ট বিদ্যমান। গত ১৫ বছরে হাসিনা নিজের লোকদের ই বসিয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা রক্ষায় সকল সাধারন ছাত্র-জনতাকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হোক।
অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও বাস্তবায়ন করে দেশের সীমানায় ভারতীয় বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঠেকানো এখন জরুরী।

দেশে আপাতত কারফিউ না তুলে প্রত্যেক জেলা, উপজেলায় সেনা মোতায়েন করে পরিস্থিতি শান্ত করা উচিৎ বলে আমরা মনে করি।

- Systemadminbd Official
😢131
উত্তরা আর বড্ডা থানার আশেপাশে কেউ আছেন?
1
যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি...

খিলগাঁও থানায় আক্রমণ করে লুটপাট, ভাংচুর করে তছনছ করে গেছে একদল বহিরাগত লোকজন।
পুলিশ গুলি করে কয়েকজনকে হত্যা করেছে।
রাত ১১টার দিকে থানার অস্ত্রাগারের পাশের রূমে দাউদাউ করে আগুন জলে ওঠে। থানার গা ঘেঁষে কয়েকটি বিল্ডিং। আগুন ছড়িয়ে গেলে কি ভয়ংকর অবস্থা হবে চিন্তা করলে এখনো গা কাটা দিয়ে উঠছে। এলাকার যুবক ভাইয়েরা প্রায় সবাই ভয়ংকর ঝুঁকি নিয়ে কয়েক ঘন্টার প্রাণপণ চেষ্টায় আগুন কিছুটা নেভাতে সক্ষম হয়। শেষে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন পূরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো, থানার অস্ত্রাগার থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়েছে। আমরা এলাকাবাসী যতটুকু পেরেছি অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে হেফাজতে রেখেছি এবং রাজারবাগ থানায় বিষয়টি অবগত করেছি। তারা পরিস্থিতি শান্ত হলে এসে নিয়ে যাবে বলেছেন। একদম উশৃংখল, নেশাখোর সন্ত্রাসী বেপরোয়াভাবে লুটপাট এবং ধ্বংসযোগ্যতা চালাচ্ছে। তাদের কারো কারো হাতে আগ্নেয়াস্ত্র চলে গেছে ।

স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। এখন প্রত্যেক এলাকাবাসীকে নিজ নিজ এলাকায় সতর্কতার সাথে এই স্বাধীনতাকে রক্ষার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন ।
😢14👍2
Forwarded from আলোর পথ
‘র’ যেভাবে শেখ হাসিনার ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টে’ এগিয়ে এলো
উত্তম গুহ দিল্লী থেকে



‘র’ যেভাবে শেখ হাসিনার ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টে’ এগিয়ে এলো
ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ বিদেশী মিশনগুলোর মধ্যে এখন সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বাংলাদেশ মিশন। ভারতের ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের উপর নিয়ন্ত্রন রাখা খুবই জরুরি। তাই বাংলাদেশের উপর নিয়ন্ত্রন হারানো ভারতের জন্য উদ্বেগ ও শংকার বিষয়। গত প্রায় দেড় দশকে ‘র’ এর বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বিডিআর বিদ্রোহ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনে যেভাবেই হোক আওয়ামী লীগ নিয়ে জিতিয়ে নিয়ে আসা। এই চ্যালেঞ্জ ‘র’ ভালোভাবেই উতরে গেছে। ২০২৪ সালেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে তারা সফল হয়েছে।

দিল্লীর কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ২০২৩ সালের মে মাসে মার্কিন ভিসা নীতি ঘোষণার পর শেখ হাসিনার মালদ্বীপ সফরে ‘র’ এর তৎকালীন চিফ ও বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা দু’জন সাবেক হাই কমিশনারের সঙ্গে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দীর্ঘ বৈঠক করেন
মূলত ওই বৈঠকেই যুক্তরাষ্ট্রকে বশে করার পরিকল্পনা ঠিক করা হয়।

এই পরিকল্পনাতেও ‘র’ সফল হয়েছে। তাই ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা ও ‘র’ উভয়েই নির্ভার ছিল।

সম্প্রতি শেখ হাসিনা দিল্লী সফরে গিয়ে ‘র’ এর সাহায্যের প্রতিদান স্বরুপ
ভারতের সঙ্গে তিনটি চুক্তি করেছেন।

বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বলছে এসব চুক্তিতে ভারতকে সুবিধা দেয়া হয়েছে একতরফা ভাবে। মংলা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ভারতকে দেয়া হয়েছে। বাকী দুটো হচ্ছে বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে আসাম ও ত্রিপুরায় রেল চলাচলের করিডোর ও তিস্তা নদী প্রকল্প। মংলা ও রেল করিডোর চুক্তি শেষ পর্যন্ত হলেও তিস্তা প্রকল্প থেমে যায় বাংলাদেশের কিছু আামলার উদ্দেশ্য প্রনোদিত কালক্ষেপনের কারণে। চুক্তির খসড়া প্রস্তুত হয়নি বলে কৌশলে চুক্তির বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।

বাংলাদেশের আমলাদের একটি সূত্র বলছে, রেল করিডোর চুক্তি সংক্রান্ত ফাইলটি দিল্লির বাংলাদেশী হাইকমিশন বা রেল মন্ত্রনালয়ে নেই। এই ফাইলটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আছে। কারণ চুক্তির একটি ধারায় বলা হয়েছে, ‘
চলন্ত রেলে ভারত কি পরিবহন করবে তা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ দেখতে ও জানতে পারবে না।

তবে ভারতীয় রেল বাংলাদেশ ভূখন্ডে কোন নিরাপত্তাজনিত সংকটে পড়লে বাংলাদেশ নিরাপত্তা বাহিনীকে সহযোগিতা করবে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।’ মানে বাংলাদেশে ভারতের সৈন্য প্রবেশ করতে পারবে তাদের রেলকে নিরাপত্তা দেয়ার কথা বলে। অনেকেই মনে করছেন এই চুক্তি করে ভারত মূলত বাংলাদেশে সৈন্য পাঠানোর এক ধরনের বন্দোবস্তু করে রাখলো।

এই তিনটি চুক্তির বিষয় ফাঁস হওয়ার পর চীন শেখ হাসিনার উপর নাখোশ হয়। চীনের ধারণা বাংলাদেশের রেল কড়িডোর দিয়েই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চীনকে ঠেকাতে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করা হবে। এ কারণেই শেখ হাসিনা চীন সফর গিয়ে প্রত্যাশিত সফলতা পাননি। চীনের পক্ষ থেকে এরকম শীতল আচরণই করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার চীন সফর নিয়ে যখন দিল্লিতে ‘র’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে তখনই ঢাকায় ছাত্ররা কোটা আন্দোলন নিয়ে রাজপথে নেমে আসে। এই আন্দোলনের গতিবিধির উপর নজর রাখার বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এক নবীন বাঙালি ‘র’ কর্মকর্তাকে।

ওই বাঙালি কর্মকর্তার ১৭ জুলাই পাঠানো তথ্য পেয়ে বিচলিত হয়ে পড়েন ‘র’ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দিল্লীতে ‘র’এর কাছে তথ্য আসে ঢাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর গুলির নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের হাইকমান্ড। শুরুতে এটা পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজির আহমেদের অনুসারীদের কাজ হিসাবে ভাবলেও পরে তারা জানতে পারে সরকারের উচ্চমহল বেশ ঘৃণাসূচক শব্দ উচ্চারণ করেই গুলির নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ গুলি করে দমানোর চেষ্টা করলেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ১৮ জুলাই উভয় দেশের সরকার বিচলিত হয়ে পড়ে। দিল্লিতে শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বেশ কয়েকজন ভারতীয় কূটনীতিকের সাথে আলোচনা করে জানায় পরিস্থিতি ‘বিডিআর বিদ্রোহের চেয়ে ভয়াবহ’। তিনি বলেন Our student has rebelled।

এরপর শেখ হাসিনার সঙ্গে ‘র’ প্রধানের সরাসরি ফোনালাপ হয়। ওই আলাপে কারফিউ জারির বিষয়টি উঠে আসে এবং শুক্রবার জুমার নামাজের পর আন্দোলনে জামাত শিবির প্রবেশ বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে বার্তা দেওয়া হয়।

টেলফোন আলোচনায় ‘র’ এর পক্ষ থেকে কারফিউ জারির পরামর্শ দেওয়াও পাশাপাশি দ্রুত একটি দল পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনা কারফিউ জারি করতে রাজি হলেও ডিজিএফআইয়ের কাছ থেকে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে জানতে চান। কিন্তু ডিজিএফআইয়ের আগেই ‘র’ হাসিনাকে সেনাবাহিনীর বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। উল্লেখ্য ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের পর ডিজিএফআইয়েরই একটি অংশ ‘র’ এর বাংলাদেশ সেলে পরিনত হয়েছে। এরাই
6