সিলেটে মন্দির হামলা করতে গিয়ে ০৬ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হাতেনাতে ধরতে সক্ষম হয়েছেন স্থানীয় জনগণ। ধারণা করা হচ্ছে ছাত্রদের এই বিজয় উদযাপন কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তাদের এই পরিকল্পনা। (০৯:২০)
- Insta_broadcast_channel
- Insta_broadcast_channel
❤13
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড.মো.ফরহাদ হোসেন পদত্যাগ করলেন।
❤17
জরুরী লাল সতর্ক (Emergency Red Alert: বার্তা...
শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার (After 24 hours of Resignation of PM) মধ্যে দেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটানো হবে যেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকারীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এজন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে কাজ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়োগ দিয়ে হাসিনার তৈরি করা একটি গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানমন্ত্রীর (হাসিনার) অধীনস্ত থাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (পিমও) প্রায় ৫০০ সদস্য। তাদের পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Task 1. হাসিনার পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কিছু বিভৎস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সেখানে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে ভিডিও করে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা। Goal: মূলত এই আন্দোলন জামাত-শিবির করেছে সেটা বিশ্বের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে করা হবে।
Task 2. সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক হামলা-হত্যা-লুটপাট করা হবে। সেগুলো ভিডিও ও ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করা হবে। Goal: হাসিনা ছাড়া কারো কাছে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় প্রমাণ করা এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি করা।
Task 3. বিদ্যুৎকেন্দ্র, বড় সেতু, কারখানা বা এমন অনেক স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়া। Goal: মেরামত করতে পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সরকার যেন দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়।
- দ্রুত দেশবাসীর কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়া দরকার। আজ রাতে যেন সংখ্যালঘুদের পাহারা দেয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা দরকার। আন্দোলনের সমন্বয়কদের এই ২৪ ঘণ্টা সরকার গঠনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত রাখা হবে। এর মধ্যে সব ঘটনা ঘটিয়ে ফেলা হবে।
শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার (After 24 hours of Resignation of PM) মধ্যে দেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটানো হবে যেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকারীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এজন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে কাজ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়োগ দিয়ে হাসিনার তৈরি করা একটি গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানমন্ত্রীর (হাসিনার) অধীনস্ত থাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (পিমও) প্রায় ৫০০ সদস্য। তাদের পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Task 1. হাসিনার পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কিছু বিভৎস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সেখানে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে ভিডিও করে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা। Goal: মূলত এই আন্দোলন জামাত-শিবির করেছে সেটা বিশ্বের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে করা হবে।
Task 2. সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক হামলা-হত্যা-লুটপাট করা হবে। সেগুলো ভিডিও ও ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করা হবে। Goal: হাসিনা ছাড়া কারো কাছে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় প্রমাণ করা এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি করা।
Task 3. বিদ্যুৎকেন্দ্র, বড় সেতু, কারখানা বা এমন অনেক স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়া। Goal: মেরামত করতে পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সরকার যেন দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়।
- দ্রুত দেশবাসীর কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়া দরকার। আজ রাতে যেন সংখ্যালঘুদের পাহারা দেয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা দরকার। আন্দোলনের সমন্বয়কদের এই ২৪ ঘণ্টা সরকার গঠনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত রাখা হবে। এর মধ্যে সব ঘটনা ঘটিয়ে ফেলা হবে।
❤9👍1
যেখানে ভাঙচুর লুটতরাজ হচ্ছে সবখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা কঠিন। জানমালের ক্ষয়ক্ষতি যাতে না হয় সেই দায়িত্ব ছাত্র-জনতার
❤8
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হাসিনা দেশেই আছে,,, ভারত তাকে গ্রহণ করে নাই
🔥11
কিছু একটা চলছে ভিতরে ভিতরে। জনগণ সবাই চোখ-কান খোলা রাখেন। দাবার গুটি যেন উল্টে না যায়।
👍10
বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির জরুরি বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রিন্সিপাল সচিব পিকে মিশ্র, ‘র’-এর প্রধান রবি সিনহা এবং গোয়েন্দা বিভাগের (আইবি) পরিচালক তপন ডেকা। বৈঠকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি বিষয়ে মোদিকে অবহিত করা হয়।
🤬21👍1
সারাদেশে স্ব-উদ্যোগে ওয়ার্ডভিত্তিক "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা কমিটি" গঠনের জন্য ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের সকল অংশগ্রহনকারী ও আপামর জনতার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। দ্রুত বাস্তবায়নে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। দেশ গঠনে সচেষ্ট হোন।
রিফাত রশিদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
রিফাত রশিদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
🔥9👍1
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন।
আমাদের আরেকটা ছোটো ভাই 'আলিফ'। গতকালও রাজপথে ছিল সে। আজও বের হইছিল। কিন্তু সকালে বের হবার পরে আজকে যাত্রাবাড়িতে পুলিশ লীগের গুণ্ডাদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেছে।
এই রোডে আজকেও অজস্র মানুষ শাহাদাত বরণ করেছে। যাত্রাবাড়ীর আজকের অনেক শহীদের মাঝে আলিফ একজন। আল্লাহ্ আলিফকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুক।
নাম: সৈয়দ মুনতাসীর রহমান আলিফ
তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা।
শ্রেণি: আলিম ১ম বর্ষ।
আমাদেরকে আজও শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আওয়ামী পুলিশ লীগের গুলি মোকাবিলা করতে হয়েছে!
আমাদের আরেকটা ছোটো ভাই 'আলিফ'। গতকালও রাজপথে ছিল সে। আজও বের হইছিল। কিন্তু সকালে বের হবার পরে আজকে যাত্রাবাড়িতে পুলিশ লীগের গুণ্ডাদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেছে।
এই রোডে আজকেও অজস্র মানুষ শাহাদাত বরণ করেছে। যাত্রাবাড়ীর আজকের অনেক শহীদের মাঝে আলিফ একজন। আল্লাহ্ আলিফকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুক।
নাম: সৈয়দ মুনতাসীর রহমান আলিফ
তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা।
শ্রেণি: আলিম ১ম বর্ষ।
আমাদেরকে আজও শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আওয়ামী পুলিশ লীগের গুলি মোকাবিলা করতে হয়েছে!
😢24👍1
চোখ-কান খোলা রাখুন, ভারতীয় ষড়যন্ত্র রুখে দিন।
কোন ফাঁদে পা দেওয়া যাবেনা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা।
কোন ফাঁদে পা দেওয়া যাবেনা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা।
❤15
সম্পূর্ন দেশকে পুরো অস্থিতিশীল করে অর্থনৈতিক ভাবে ধস নামিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু করার প্ল্যান করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে খুনি হাসিনা।
ভারতে বসে মোদির সাহায্যে দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান 'র' এজেন্ট ও তার পালিত পুলিশ বাহিনী, লীগের নেতাকর্মী দ্বারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরি করে সেনাবাহিনীকে ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরেও 'র' এজেন্ট বিদ্যমান। গত ১৫ বছরে হাসিনা নিজের লোকদের ই বসিয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা রক্ষায় সকল সাধারন ছাত্র-জনতাকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হোক।
অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও বাস্তবায়ন করে দেশের সীমানায় ভারতীয় বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঠেকানো এখন জরুরী।
দেশে আপাতত কারফিউ না তুলে প্রত্যেক জেলা, উপজেলায় সেনা মোতায়েন করে পরিস্থিতি শান্ত করা উচিৎ বলে আমরা মনে করি।
- Systemadminbd Official
ভারতে বসে মোদির সাহায্যে দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান 'র' এজেন্ট ও তার পালিত পুলিশ বাহিনী, লীগের নেতাকর্মী দ্বারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরি করে সেনাবাহিনীকে ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরেও 'র' এজেন্ট বিদ্যমান। গত ১৫ বছরে হাসিনা নিজের লোকদের ই বসিয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা রক্ষায় সকল সাধারন ছাত্র-জনতাকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হোক।
অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও বাস্তবায়ন করে দেশের সীমানায় ভারতীয় বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঠেকানো এখন জরুরী।
দেশে আপাতত কারফিউ না তুলে প্রত্যেক জেলা, উপজেলায় সেনা মোতায়েন করে পরিস্থিতি শান্ত করা উচিৎ বলে আমরা মনে করি।
- Systemadminbd Official
😢13❤1
যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি...
খিলগাঁও থানায় আক্রমণ করে লুটপাট, ভাংচুর করে তছনছ করে গেছে একদল বহিরাগত লোকজন।
পুলিশ গুলি করে কয়েকজনকে হত্যা করেছে।
রাত ১১টার দিকে থানার অস্ত্রাগারের পাশের রূমে দাউদাউ করে আগুন জলে ওঠে। থানার গা ঘেঁষে কয়েকটি বিল্ডিং। আগুন ছড়িয়ে গেলে কি ভয়ংকর অবস্থা হবে চিন্তা করলে এখনো গা কাটা দিয়ে উঠছে। এলাকার যুবক ভাইয়েরা প্রায় সবাই ভয়ংকর ঝুঁকি নিয়ে কয়েক ঘন্টার প্রাণপণ চেষ্টায় আগুন কিছুটা নেভাতে সক্ষম হয়। শেষে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন পূরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো, থানার অস্ত্রাগার থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়েছে। আমরা এলাকাবাসী যতটুকু পেরেছি অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে হেফাজতে রেখেছি এবং রাজারবাগ থানায় বিষয়টি অবগত করেছি। তারা পরিস্থিতি শান্ত হলে এসে নিয়ে যাবে বলেছেন। একদম উশৃংখল, নেশাখোর সন্ত্রাসী বেপরোয়াভাবে লুটপাট এবং ধ্বংসযোগ্যতা চালাচ্ছে। তাদের কারো কারো হাতে আগ্নেয়াস্ত্র চলে গেছে ।
স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। এখন প্রত্যেক এলাকাবাসীকে নিজ নিজ এলাকায় সতর্কতার সাথে এই স্বাধীনতাকে রক্ষার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন ।
খিলগাঁও থানায় আক্রমণ করে লুটপাট, ভাংচুর করে তছনছ করে গেছে একদল বহিরাগত লোকজন।
পুলিশ গুলি করে কয়েকজনকে হত্যা করেছে।
রাত ১১টার দিকে থানার অস্ত্রাগারের পাশের রূমে দাউদাউ করে আগুন জলে ওঠে। থানার গা ঘেঁষে কয়েকটি বিল্ডিং। আগুন ছড়িয়ে গেলে কি ভয়ংকর অবস্থা হবে চিন্তা করলে এখনো গা কাটা দিয়ে উঠছে। এলাকার যুবক ভাইয়েরা প্রায় সবাই ভয়ংকর ঝুঁকি নিয়ে কয়েক ঘন্টার প্রাণপণ চেষ্টায় আগুন কিছুটা নেভাতে সক্ষম হয়। শেষে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন পূরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো, থানার অস্ত্রাগার থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়েছে। আমরা এলাকাবাসী যতটুকু পেরেছি অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে হেফাজতে রেখেছি এবং রাজারবাগ থানায় বিষয়টি অবগত করেছি। তারা পরিস্থিতি শান্ত হলে এসে নিয়ে যাবে বলেছেন। একদম উশৃংখল, নেশাখোর সন্ত্রাসী বেপরোয়াভাবে লুটপাট এবং ধ্বংসযোগ্যতা চালাচ্ছে। তাদের কারো কারো হাতে আগ্নেয়াস্ত্র চলে গেছে ।
স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। এখন প্রত্যেক এলাকাবাসীকে নিজ নিজ এলাকায় সতর্কতার সাথে এই স্বাধীনতাকে রক্ষার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন ।
😢14👍2