ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষিকা শেহরিন আমিন মোনামি (Shehreen Amin Monami) ম্যাম পুলিশের আক্রমণে আহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই!
ম্যাম তার নিরপরাধ ছাত্রকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন, তাই তার গায়ে হাত তুলেছে পুলিশ। দোয়েল চত্বর ও হাইকোর্টের মাঝামাঝি যায়গায় এক ছাত্রকে পুলিশ অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় নুসরাত ম্যাম ও মোনামী ম্যাম তার প্রতিবাদ করে। পুলিশ তখন জোরপূর্বক শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে এবং ম্যামের হাত মোচড় দিয়ে ছেলেটিকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে এবং ম্যামকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ম্যাম হাতে হাটুতে এবং পায়ে আঘাত পেয়েছেন। ধস্তাধস্তি করে পুলিশ ছেলেটিকে ধরে নিয়ে যায়। ওরা আমাদের শিক্ষকদের গায়েও হাত দিতে ছাড়লোনা!
- প্রত্যক্ষদর্শী আন্দোলনরত এক ঢাবি শিক্ষার্থী
#StepDownHasina
ম্যাম তার নিরপরাধ ছাত্রকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন, তাই তার গায়ে হাত তুলেছে পুলিশ। দোয়েল চত্বর ও হাইকোর্টের মাঝামাঝি যায়গায় এক ছাত্রকে পুলিশ অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় নুসরাত ম্যাম ও মোনামী ম্যাম তার প্রতিবাদ করে। পুলিশ তখন জোরপূর্বক শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে এবং ম্যামের হাত মোচড় দিয়ে ছেলেটিকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে এবং ম্যামকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ম্যাম হাতে হাটুতে এবং পায়ে আঘাত পেয়েছেন। ধস্তাধস্তি করে পুলিশ ছেলেটিকে ধরে নিয়ে যায়। ওরা আমাদের শিক্ষকদের গায়েও হাত দিতে ছাড়লোনা!
- প্রত্যক্ষদর্শী আন্দোলনরত এক ঢাবি শিক্ষার্থী
#StepDownHasina
😢9
আন্দোলনকারীরা একজন ড্রাইভারকে ডাক দিলো- "ভাই, গাড়ি ঘুরান। আমাদের বন্ধু আহত হয়েছে। ঢাকা মেডিকেলে নিতে হবে।"
আহতকে গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
গাড়িতে থাকাবস্থায়ই সে ইন্তেকাল করে।
গাড়ি থেকে নামানোর সময় ড্রাইভারও তাকে গাড়ি থেকে নামাতে সাহায্য করে।
গাড়ি থেকে নামানোর পর ড্রাইভার লক্ষ্য করে- এ তো তার ছেলে আমিন!
- শহীদ আমিনের বাবার স্মৃতিচারণা
আহতকে গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
গাড়িতে থাকাবস্থায়ই সে ইন্তেকাল করে।
গাড়ি থেকে নামানোর সময় ড্রাইভারও তাকে গাড়ি থেকে নামাতে সাহায্য করে।
গাড়ি থেকে নামানোর পর ড্রাইভার লক্ষ্য করে- এ তো তার ছেলে আমিন!
- শহীদ আমিনের বাবার স্মৃতিচারণা
😢14
পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামী করা হলো অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কলেজ শিক্ষার্থীকে!
চলমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মূল আসামি গ্রেফতার না করে বরাবরের মত নিরপরাধ মানুষদের ফাঁসানো হচ্ছে। এই মামলায় গ্রেপ্তার কৃত আলফি শাহরিয়ার মহিম (১৬) এর বোনের ফেসবুকের পোস্ট হুবহু তুলে দেয়া হল।
আমার ছোট ভাই, (আবু সাঈদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার)
মো: আলফি শাহরিয়ার মাহিম
বয়স:১৬বছর ১০মাস
শ্রেণি: একাদশ (এইচএসসি ২৫)
কলেজ আইডি: 17660
বিদ্যালয়: পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুর।
সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। আমার ভাই অত্যন্ত মেধাবী, শান্ত ভদ্র একটা ছেলে। ১৮ তারিখ সে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হলে জানতে পারে পরীক্ষা স্থগিত, তখন বন্ধুদের সাথে মিছেলের মাঝে জড়িয়ে পরে, এবং পুলিশের টিয়ারসেলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা ১৮ তারিখ আনুমানিক ৪ টায় ওর বন্ধুদের থেকে জানতে পারি তার পায়ে রাবার বু*লেট লেগেছে, সেখানের লোকাল মানুষজন কোনো হসপিটালে এডমিট করিয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত সব হসপিটাল ক্লিনিক খুঁজেও যখন পাচ্ছিলাম না। বাবার কাছে একটা কল আসে, তারা জানায় আপনার ছেলে আমাদের হেফাজতে আছে জানাজানি করিয়েন না তাতে ছেলের ক্ষতি হবে, তাকে আগামীকাল সকালে ছেড়ে দেয়া হবে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু পরের দিন ১৯-৭-২৪ সকালে আমরা খোঁজ নিলে তারা অস্বীকার করে বলে তাদের কাছে এই নামে কেউ নেই। এরপর আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টায় কোর্ট থেকে কল আসে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা কোর্ট থেকে নথিপত্র নিয়ে জানলাম তাকে আবু সাইদ ভাই এর হত্যা মামলা দেয়া হয়েছে। সেদিন থেকে বার বার কারাগারের দরজা থেকে ফিরে এসেছি একটা বার দেখা তো দূর তার কন্ঠও শুনতে দেয়নি কেউ। মেট্রো কোর্ট তার মামলা কিছুতেই শিশু কোর্টে দিতে চায়নি অনেক চেষ্টা করে গত ৩০জুলাই শিশু কোর্টে নেয়া হলে ডেট দেয় আগামী ৪ই আগস্ট। ৪ তারিখ কি রায় দিবে আমার জানা নেই, তবে আমি আমার ভাইকে ফিরে চাই, বেকসুর খালাস দেওয়া হোক এটা চাই।
যে ছেলেটা লিগাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু, তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল, আইডি ছিল, সে পুলিশদের ইনস্টিটিউট এরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারো কিছুই করার নাই? আমার ভাই কে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না!
এই বিচারপতিলীগদের বিবেকবোধ অনেক আগেই মরে গেছে!
চলমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মূল আসামি গ্রেফতার না করে বরাবরের মত নিরপরাধ মানুষদের ফাঁসানো হচ্ছে। এই মামলায় গ্রেপ্তার কৃত আলফি শাহরিয়ার মহিম (১৬) এর বোনের ফেসবুকের পোস্ট হুবহু তুলে দেয়া হল।
আমার ছোট ভাই, (আবু সাঈদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার)
মো: আলফি শাহরিয়ার মাহিম
বয়স:১৬বছর ১০মাস
শ্রেণি: একাদশ (এইচএসসি ২৫)
কলেজ আইডি: 17660
বিদ্যালয়: পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুর।
সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। আমার ভাই অত্যন্ত মেধাবী, শান্ত ভদ্র একটা ছেলে। ১৮ তারিখ সে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হলে জানতে পারে পরীক্ষা স্থগিত, তখন বন্ধুদের সাথে মিছেলের মাঝে জড়িয়ে পরে, এবং পুলিশের টিয়ারসেলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা ১৮ তারিখ আনুমানিক ৪ টায় ওর বন্ধুদের থেকে জানতে পারি তার পায়ে রাবার বু*লেট লেগেছে, সেখানের লোকাল মানুষজন কোনো হসপিটালে এডমিট করিয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত সব হসপিটাল ক্লিনিক খুঁজেও যখন পাচ্ছিলাম না। বাবার কাছে একটা কল আসে, তারা জানায় আপনার ছেলে আমাদের হেফাজতে আছে জানাজানি করিয়েন না তাতে ছেলের ক্ষতি হবে, তাকে আগামীকাল সকালে ছেড়ে দেয়া হবে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু পরের দিন ১৯-৭-২৪ সকালে আমরা খোঁজ নিলে তারা অস্বীকার করে বলে তাদের কাছে এই নামে কেউ নেই। এরপর আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টায় কোর্ট থেকে কল আসে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা কোর্ট থেকে নথিপত্র নিয়ে জানলাম তাকে আবু সাইদ ভাই এর হত্যা মামলা দেয়া হয়েছে। সেদিন থেকে বার বার কারাগারের দরজা থেকে ফিরে এসেছি একটা বার দেখা তো দূর তার কন্ঠও শুনতে দেয়নি কেউ। মেট্রো কোর্ট তার মামলা কিছুতেই শিশু কোর্টে দিতে চায়নি অনেক চেষ্টা করে গত ৩০জুলাই শিশু কোর্টে নেয়া হলে ডেট দেয় আগামী ৪ই আগস্ট। ৪ তারিখ কি রায় দিবে আমার জানা নেই, তবে আমি আমার ভাইকে ফিরে চাই, বেকসুর খালাস দেওয়া হোক এটা চাই।
যে ছেলেটা লিগাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু, তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল, আইডি ছিল, সে পুলিশদের ইনস্টিটিউট এরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারো কিছুই করার নাই? আমার ভাই কে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না!
এই বিচারপতিলীগদের বিবেকবোধ অনেক আগেই মরে গেছে!
😢10👍2❤1
Forwarded from আলোর পথ
ইসকন কি? ইসকনের উদ্দেশ্য কি?
ইসকন এর কথা আসলে মনে করা হয়। ইসকন সনাতনদের ধর্মীয় সংগঠন। কিন্তু ইসকন কি সনাতন ধর্মীয় সংগঠন নাকি সনাতনের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়? তাহলে চলেন ইসকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।
ইসকনের সৃষ্টি কিন্তু ভারতে নয় আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’। অবাক হওয়ার মত বিষয়, এ ব্যক্তি ভারতে কোন হিন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি, লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে। পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী। যার পড়াশোনা টা হয় খ্রিস্টান চার্চে, সে ব্যক্তি কিভাবে সনাতন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে। স্বামী প্রভুপাদ যখন সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে। তখন মূলধারার হিন্দুরা এতে বাধা দেয়। কারণ মূলধারার হিন্দুরা বুঝতে পেরেছিলো। তাদের নাম বিক্রি করে, খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ইসকন কি করতে যাচ্ছে। বাধা দেওয়ার পরই এই ইসকন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তার কারণ হলো ইসকন কে বাস্তবায়ন করার জন্য। কিছু খ্রিস্টান এজেন্ডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হিন্দুদের ভাবনা যেমন ছিলো ঠিক তেমন কাজ করে যাচ্ছে ইসকন।
যেমন হিন্দুদের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ইসকন মন্দির। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে ইসকনপন্থি ও সনাতন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় ইসকন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে একজন সনাতন নিহত হয়। তাহলে কিভাবে হলো ইসকন সনাতন ধর্মীয় সংগঠন? আসলে ইসকন হলো একটা উ/গ্র জ/ঙ্গি সংগঠন। যারা খ্রিষ্টান এজেন্ডার হয়ে কাজ করে।
তারপর ওহ কেন ইসকনের সাথে হিন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল এত সম্পর্ক। এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে ইসকন সদস্য । তার কারন এক টাই ধর্মের নাম করে উ/গ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে, মুসলিম হ/ত্য| করতে। যার কারনে হিন্দুদের এত মিল ইসকনের সাথে। বাংলা একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে খালাতো ভাই।
নিষিদ্ধ করা হোক ইসকন কে।
বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। তার জন্য উ/গ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক। কারন ইসকনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো। এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত। চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে- “নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”। যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো। ইসকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে । তা নিচে তুলে ধরা হলো।
১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইসকন ।
২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসকনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।
৩) ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।
৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।
৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফাহাদ হ/ত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইসকন এর সদস্য ছিলো।
এরুকুম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখে আড়ালে উ/গ্র সংগঠন ইসকন। বর্তমানে সব চেয়ে বেশি আলোচিত
বাংলাদেশে লাভ জিহাদ প্রতিরোধ এর নামে, যে নোংরামি করতাছে হিন্দুরা। এসব করার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উ/গ্র সংগঠন ইসকনের। ইসকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।
বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইসু নিয়ে মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টি করার জন্য । হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে ইসকন। তারা একতা বদ্ধ হয়ে মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। আর তার জন্যেই বলচি চোরে চোরে খালাতো ভাই
https://t.me/alolpath
ইসকন এর কথা আসলে মনে করা হয়। ইসকন সনাতনদের ধর্মীয় সংগঠন। কিন্তু ইসকন কি সনাতন ধর্মীয় সংগঠন নাকি সনাতনের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়? তাহলে চলেন ইসকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।
ইসকনের সৃষ্টি কিন্তু ভারতে নয় আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’। অবাক হওয়ার মত বিষয়, এ ব্যক্তি ভারতে কোন হিন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি, লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে। পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী। যার পড়াশোনা টা হয় খ্রিস্টান চার্চে, সে ব্যক্তি কিভাবে সনাতন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে। স্বামী প্রভুপাদ যখন সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে। তখন মূলধারার হিন্দুরা এতে বাধা দেয়। কারণ মূলধারার হিন্দুরা বুঝতে পেরেছিলো। তাদের নাম বিক্রি করে, খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ইসকন কি করতে যাচ্ছে। বাধা দেওয়ার পরই এই ইসকন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তার কারণ হলো ইসকন কে বাস্তবায়ন করার জন্য। কিছু খ্রিস্টান এজেন্ডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হিন্দুদের ভাবনা যেমন ছিলো ঠিক তেমন কাজ করে যাচ্ছে ইসকন।
যেমন হিন্দুদের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ইসকন মন্দির। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে ইসকনপন্থি ও সনাতন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় ইসকন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে একজন সনাতন নিহত হয়। তাহলে কিভাবে হলো ইসকন সনাতন ধর্মীয় সংগঠন? আসলে ইসকন হলো একটা উ/গ্র জ/ঙ্গি সংগঠন। যারা খ্রিষ্টান এজেন্ডার হয়ে কাজ করে।
তারপর ওহ কেন ইসকনের সাথে হিন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল এত সম্পর্ক। এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে ইসকন সদস্য । তার কারন এক টাই ধর্মের নাম করে উ/গ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে, মুসলিম হ/ত্য| করতে। যার কারনে হিন্দুদের এত মিল ইসকনের সাথে। বাংলা একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে খালাতো ভাই।
নিষিদ্ধ করা হোক ইসকন কে।
বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। তার জন্য উ/গ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক। কারন ইসকনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো। এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত। চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে- “নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”। যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো। ইসকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে । তা নিচে তুলে ধরা হলো।
১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইসকন ।
২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসকনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।
৩) ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।
৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।
৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফাহাদ হ/ত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইসকন এর সদস্য ছিলো।
এরুকুম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখে আড়ালে উ/গ্র সংগঠন ইসকন। বর্তমানে সব চেয়ে বেশি আলোচিত
বাংলাদেশে লাভ জিহাদ প্রতিরোধ এর নামে, যে নোংরামি করতাছে হিন্দুরা। এসব করার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উ/গ্র সংগঠন ইসকনের। ইসকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।
বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইসু নিয়ে মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টি করার জন্য । হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে ইসকন। তারা একতা বদ্ধ হয়ে মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। আর তার জন্যেই বলচি চোরে চোরে খালাতো ভাই
https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
👍10❤1🤬1
আন্দোলনে গিয়ে খুলনাতে যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা নিম্নোক্ত নম্বরে কল দিবেন। বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ থেকে লড়াই সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উনারা।
খুলনা জেলা ও মহানগরের এ্যাডভোকেট গণের নামের তালিকা
এ্যাডঃ মনিরুল ইসলাম পান্না
01711061445
এ্যাড আলমগীর
01916108999
এ্যাড, সোহেল রানা মোল্লা
01712917951
এ্যাড আশফাক পারভেজ
01711065451
এ্যাডঃ মোহাম্মাদ মঈনুল ইসলাম (জীবন)
01717011819
এ্যাড মশিউর রহমান
01712837854
এ্যাড আশিক
01717614932
এ্যাডঃ রেজওয়ান খান
01714700795
খুলনা জেলা ও মহানগরের এ্যাডভোকেট গণের নামের তালিকা
এ্যাডঃ মনিরুল ইসলাম পান্না
01711061445
এ্যাড আলমগীর
01916108999
এ্যাড, সোহেল রানা মোল্লা
01712917951
এ্যাড আশফাক পারভেজ
01711065451
এ্যাডঃ মোহাম্মাদ মঈনুল ইসলাম (জীবন)
01717011819
এ্যাড মশিউর রহমান
01712837854
এ্যাড আশিক
01717614932
এ্যাডঃ রেজওয়ান খান
01714700795
❤18👍2
নেক্সট স্লোগান-✊
পুলিশ দেখলে ভয় নাই,
মাইরের উপর ঔষধ নাই, যেখানে দেখিবে পুলিশ, সেখানে হইবে পালিশ,
"পুলিশ হটাও, দেশ বাঁচাও"
পুলিশ দেখলে ভয় নাই,
মাইরের উপর ঔষধ নাই, যেখানে দেখিবে পুলিশ, সেখানে হইবে পালিশ,
"পুলিশ হটাও, দেশ বাঁচাও"
🔥17
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুলিশও জানেনা কেন তারা গণহত্যার পর এখন সারাদেশে গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। সীমাহীন গ্রেপ্তারবাণিজ্যে তাদের অবস্থা রমরমা।
সবকিছুই হচ্ছে ঐ উপরের নির্দেশে...
সবকিছুই হচ্ছে ঐ উপরের নির্দেশে...
😢12🤬1
আপনারা যারা ঘরে বসে ভাবছেন- আমরা তো কিছুই করতে পারছি না। তাদের কে বলছি আপনারা সোস্যাল মিডিয়াতে লিখুন,পোস্ট করুন, শেয়ার করুন।
মনে রাইখেন কাজী নজরুল ইসলামের কলমের জোরে বৃটিশরা জলেপুড়ে ছারখার হয়ে যায়।
তাই নিজেকে ছোট মনে করবেন না। প্রত্যকটা অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাইখেন কাজী নজরুল ইসলামের কলমের জোরে বৃটিশরা জলেপুড়ে ছারখার হয়ে যায়।
তাই নিজেকে ছোট মনে করবেন না। প্রত্যকটা অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
🔥20
জরুরী ঘোষণা-
সংগ্রামী সহযোদ্ধাগণ,
বৈরী আবহাওয়ার কারণে আজকে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে "Remembering the Heroes" এর আওতাভুক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
সামগ্রিক দিক বিবেচনায়, সমন্বয়কবৃন্দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রামে আজকের অফলাইন কর্মসূচী স্থগিত ঘোষণা করছি। তবে আমাদের অনলাইন কর্মসূচী চলবে।
এই ঘোষণাটি শুধু চট্টগ্রামের জন্য প্রযোজ্য।
সমন্বয়বৃন্দ
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,চট্টগ্রাম।
সংগ্রামী সহযোদ্ধাগণ,
বৈরী আবহাওয়ার কারণে আজকে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে "Remembering the Heroes" এর আওতাভুক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
সামগ্রিক দিক বিবেচনায়, সমন্বয়কবৃন্দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রামে আজকের অফলাইন কর্মসূচী স্থগিত ঘোষণা করছি। তবে আমাদের অনলাইন কর্মসূচী চলবে।
এই ঘোষণাটি শুধু চট্টগ্রামের জন্য প্রযোজ্য।
সমন্বয়বৃন্দ
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,চট্টগ্রাম।
❤17
অতীতের স্বৈরাচাররাও ছাত্র জনতার ন্যায্য দাবিকে দাবিয়ে রাখার জন্য জেল-জুলুম, হুলিয়া, খুন-গুমের আশ্রয় নিয়েছিলো। কিন্তু সবকিছুই তাদের বিরুদ্ধে বুমেরাং হয়েছে। আজকেও যারা এই অপকর্মে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে নিঃসন্দেহে তা বুমেরাং হবে, ইনশাআল্লাহ।
জনগণ তাদের কাছ থেকে এ গণহত্যার হিসাব অবশ্যই চুকে নিবে। খুনের নির্দেশদাতারা যতই মায়াকান্না করুক, জনগণ তাদেরকে মোটেই বিশ্বাস করেনা।
-ডা. শফিকুর রহমান
আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
জনগণ তাদের কাছ থেকে এ গণহত্যার হিসাব অবশ্যই চুকে নিবে। খুনের নির্দেশদাতারা যতই মায়াকান্না করুক, জনগণ তাদেরকে মোটেই বিশ্বাস করেনা।
-ডা. শফিকুর রহমান
আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
❤17