আগামী ৩ দিনে আওয়ামিলীগ আন্দোলন কে থামিয়ে দেওয়ার জন্য যে কাজগুলো করবে তা পয়েন্ট আকারে দিয়ে দিচ্ছি। যারা সরাসরি মাঠে আছেন তাদের জন্য, আপনি যদি আওয়ামী এই ফাদে পা দেন তাহলে আপনার আগামী দিন হবে ভয়াবহ এবং যদি শেখ হাসিনা আপনাকে তাকে মা ডাকার সুযোগ করে দেয় তাহলে সর্ব্বোচ্চ হয়তো ভিপি নুরের মতো কেউ হবেন। কিন্তু যদি আপনারা আওয়ামী ফাদে পা না দেন তাহলে আপনার দ্বারাই নতুন বাংলাদেশের জন্ম হবে, সিদ্ধান্ত আপনার।
১. এই মূহুর্তে আওয়ামীরেজিম মাঠে তার বি টিম কে এক্টিভ করবে। সোহেল তাজ, রেল রনি এরা অলরেডি সামনে চলে এসেছে। বাকিরাও আসবে পর্যায়ক্রমে যেমন - মাশরাফি, সাকিব, তামিম থেকে শুরু করে সুলায়মান সুখন। এরা চেষ্টা করবে আপনাকে তার কথার দ্বারা প্রভাবিত করে আন্দোলন কে স্লো করে দেওয়ার।
২. জামায়াত নিষিদ্ধের সেই পুরোনো ট্রাম্প কার্ড খেলবে অথচ জামায়াত নিজেদের ব্যানারে ইলেকশন করতে পারেনি অলরেডি। বি টিম দিয়ে মাঠের আন্দোলনকে শুরুতে দুইভাগ করে একভাগ ছাত্রজনতার নামে রেখে অন্যভাগের শিবির নাম দিয়ে গণগ্রেফতার এবং নির্যাতন চালাবে। দুনিয়াকে দেখাবে এরা জামায়াত তাই এদেরকে থামাচ্ছি। অলরেডি হাসিনা নিজেই বলা শুরু করে দিয়েছে।
৩. আওয়ামীলীগ ছাত্রজনতার যে গ্রুপকে তাদের বি টিমের সাথে নিতে পারবে তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হবে বিএনপি আন্দোলনের ক্রেডিট চুরি করতে চাচ্ছে তাই খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা যাবেনা। সো আওয়ামিলীগ যা বিএনপিও তাই সো আওয়ামিলীগ থাকুক ক্ষমতায় উন্নয়ন তো হচ্ছে। অথচ খালেদা জিয়া বা বিএনপি একবারের জন্যও বলেনি তারা সরকারে যেতে চায়। বরং আন্দোলনের পক্ষে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছে। ছাত্রদলের অনেকেই শহীদ হয়েছে ইতিমধ্যেই।
৪. ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে। কয়েকজন হিন্দু ভাই মারা গেছেন তাদের ফ্যামিলিকে বোঝাবে এদেরকে জামায়াত শিবির মেরেছে। হেফাজতের সাথে মিটিং করেছে তাই নিজেরাই একটা শাপলা চত্তর বানানোর চেষ্টা করবে এবং সাধারণ মানুষকে শাপলা চত্তরে ইনভলভ করার চেষ্টা করবে।
৫. যেসব শিক্ষক বা পেশাজীবি মানুষ আন্দোলনের পক্ষে কথা বলছেন তাদেরকে রাতের বেলা গ্রেফতার করা হবে যা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সো আন্দোলনের পক্ষে মানুষ কথা বলা যাতে কমিয়ে দেয়।
৬. নিজেরা আগে যেভাবে গান পাউডার ব্যবহার করেছে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য ঠিক সেরকম একটা ঘটনা ঘটাবে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের নামে মামলা দেওয়ার।
©collected
১. এই মূহুর্তে আওয়ামীরেজিম মাঠে তার বি টিম কে এক্টিভ করবে। সোহেল তাজ, রেল রনি এরা অলরেডি সামনে চলে এসেছে। বাকিরাও আসবে পর্যায়ক্রমে যেমন - মাশরাফি, সাকিব, তামিম থেকে শুরু করে সুলায়মান সুখন। এরা চেষ্টা করবে আপনাকে তার কথার দ্বারা প্রভাবিত করে আন্দোলন কে স্লো করে দেওয়ার।
২. জামায়াত নিষিদ্ধের সেই পুরোনো ট্রাম্প কার্ড খেলবে অথচ জামায়াত নিজেদের ব্যানারে ইলেকশন করতে পারেনি অলরেডি। বি টিম দিয়ে মাঠের আন্দোলনকে শুরুতে দুইভাগ করে একভাগ ছাত্রজনতার নামে রেখে অন্যভাগের শিবির নাম দিয়ে গণগ্রেফতার এবং নির্যাতন চালাবে। দুনিয়াকে দেখাবে এরা জামায়াত তাই এদেরকে থামাচ্ছি। অলরেডি হাসিনা নিজেই বলা শুরু করে দিয়েছে।
৩. আওয়ামীলীগ ছাত্রজনতার যে গ্রুপকে তাদের বি টিমের সাথে নিতে পারবে তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হবে বিএনপি আন্দোলনের ক্রেডিট চুরি করতে চাচ্ছে তাই খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা যাবেনা। সো আওয়ামিলীগ যা বিএনপিও তাই সো আওয়ামিলীগ থাকুক ক্ষমতায় উন্নয়ন তো হচ্ছে। অথচ খালেদা জিয়া বা বিএনপি একবারের জন্যও বলেনি তারা সরকারে যেতে চায়। বরং আন্দোলনের পক্ষে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছে। ছাত্রদলের অনেকেই শহীদ হয়েছে ইতিমধ্যেই।
৪. ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে। কয়েকজন হিন্দু ভাই মারা গেছেন তাদের ফ্যামিলিকে বোঝাবে এদেরকে জামায়াত শিবির মেরেছে। হেফাজতের সাথে মিটিং করেছে তাই নিজেরাই একটা শাপলা চত্তর বানানোর চেষ্টা করবে এবং সাধারণ মানুষকে শাপলা চত্তরে ইনভলভ করার চেষ্টা করবে।
৫. যেসব শিক্ষক বা পেশাজীবি মানুষ আন্দোলনের পক্ষে কথা বলছেন তাদেরকে রাতের বেলা গ্রেফতার করা হবে যা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সো আন্দোলনের পক্ষে মানুষ কথা বলা যাতে কমিয়ে দেয়।
৬. নিজেরা আগে যেভাবে গান পাউডার ব্যবহার করেছে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য ঠিক সেরকম একটা ঘটনা ঘটাবে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের নামে মামলা দেওয়ার।
©collected
❤10👍2
হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া একটা এইট পাশ পুলিশ কনস্টেবল ঢাবির একজন নারী শিক্ষিকাকে এভাবে শারিরীক লাঞ্চনা করার পরেও বাকি ঢাবি শিক্ষার্থীরা এখনো কিভাবে ঘুমিয়ে আছে?
ঢাবি শিক্ষার্থীরাই কিন্তু এই বিপ্লবের সূচনা করেছিল। জাতি আশা করে এমন লাঞ্চনার যথাযথ প্রতিশোধ গ্রহণ করে তারাই এই বিপ্লবের শেষ করবে।
ঢাবি শিক্ষার্থীরাই কিন্তু এই বিপ্লবের সূচনা করেছিল। জাতি আশা করে এমন লাঞ্চনার যথাযথ প্রতিশোধ গ্রহণ করে তারাই এই বিপ্লবের শেষ করবে।
😢13
ঠাকুরগাঁও এ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর বিনা উস্কানিতে পুলিশের সন্ত্রাসী হামলা।
#BDPoliceBrutaity
#BDPoliceBrutaity
😢9
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষিকা শেহরিন আমিন মোনামি (Shehreen Amin Monami) ম্যাম পুলিশের আক্রমণে আহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই!
ম্যাম তার নিরপরাধ ছাত্রকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন, তাই তার গায়ে হাত তুলেছে পুলিশ। দোয়েল চত্বর ও হাইকোর্টের মাঝামাঝি যায়গায় এক ছাত্রকে পুলিশ অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় নুসরাত ম্যাম ও মোনামী ম্যাম তার প্রতিবাদ করে। পুলিশ তখন জোরপূর্বক শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে এবং ম্যামের হাত মোচড় দিয়ে ছেলেটিকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে এবং ম্যামকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ম্যাম হাতে হাটুতে এবং পায়ে আঘাত পেয়েছেন। ধস্তাধস্তি করে পুলিশ ছেলেটিকে ধরে নিয়ে যায়। ওরা আমাদের শিক্ষকদের গায়েও হাত দিতে ছাড়লোনা!
- প্রত্যক্ষদর্শী আন্দোলনরত এক ঢাবি শিক্ষার্থী
#StepDownHasina
ম্যাম তার নিরপরাধ ছাত্রকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন, তাই তার গায়ে হাত তুলেছে পুলিশ। দোয়েল চত্বর ও হাইকোর্টের মাঝামাঝি যায়গায় এক ছাত্রকে পুলিশ অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় নুসরাত ম্যাম ও মোনামী ম্যাম তার প্রতিবাদ করে। পুলিশ তখন জোরপূর্বক শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে এবং ম্যামের হাত মোচড় দিয়ে ছেলেটিকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে এবং ম্যামকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ম্যাম হাতে হাটুতে এবং পায়ে আঘাত পেয়েছেন। ধস্তাধস্তি করে পুলিশ ছেলেটিকে ধরে নিয়ে যায়। ওরা আমাদের শিক্ষকদের গায়েও হাত দিতে ছাড়লোনা!
- প্রত্যক্ষদর্শী আন্দোলনরত এক ঢাবি শিক্ষার্থী
#StepDownHasina
😢9
আন্দোলনকারীরা একজন ড্রাইভারকে ডাক দিলো- "ভাই, গাড়ি ঘুরান। আমাদের বন্ধু আহত হয়েছে। ঢাকা মেডিকেলে নিতে হবে।"
আহতকে গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
গাড়িতে থাকাবস্থায়ই সে ইন্তেকাল করে।
গাড়ি থেকে নামানোর সময় ড্রাইভারও তাকে গাড়ি থেকে নামাতে সাহায্য করে।
গাড়ি থেকে নামানোর পর ড্রাইভার লক্ষ্য করে- এ তো তার ছেলে আমিন!
- শহীদ আমিনের বাবার স্মৃতিচারণা
আহতকে গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
গাড়িতে থাকাবস্থায়ই সে ইন্তেকাল করে।
গাড়ি থেকে নামানোর সময় ড্রাইভারও তাকে গাড়ি থেকে নামাতে সাহায্য করে।
গাড়ি থেকে নামানোর পর ড্রাইভার লক্ষ্য করে- এ তো তার ছেলে আমিন!
- শহীদ আমিনের বাবার স্মৃতিচারণা
😢14
পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামী করা হলো অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কলেজ শিক্ষার্থীকে!
চলমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মূল আসামি গ্রেফতার না করে বরাবরের মত নিরপরাধ মানুষদের ফাঁসানো হচ্ছে। এই মামলায় গ্রেপ্তার কৃত আলফি শাহরিয়ার মহিম (১৬) এর বোনের ফেসবুকের পোস্ট হুবহু তুলে দেয়া হল।
আমার ছোট ভাই, (আবু সাঈদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার)
মো: আলফি শাহরিয়ার মাহিম
বয়স:১৬বছর ১০মাস
শ্রেণি: একাদশ (এইচএসসি ২৫)
কলেজ আইডি: 17660
বিদ্যালয়: পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুর।
সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। আমার ভাই অত্যন্ত মেধাবী, শান্ত ভদ্র একটা ছেলে। ১৮ তারিখ সে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হলে জানতে পারে পরীক্ষা স্থগিত, তখন বন্ধুদের সাথে মিছেলের মাঝে জড়িয়ে পরে, এবং পুলিশের টিয়ারসেলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা ১৮ তারিখ আনুমানিক ৪ টায় ওর বন্ধুদের থেকে জানতে পারি তার পায়ে রাবার বু*লেট লেগেছে, সেখানের লোকাল মানুষজন কোনো হসপিটালে এডমিট করিয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত সব হসপিটাল ক্লিনিক খুঁজেও যখন পাচ্ছিলাম না। বাবার কাছে একটা কল আসে, তারা জানায় আপনার ছেলে আমাদের হেফাজতে আছে জানাজানি করিয়েন না তাতে ছেলের ক্ষতি হবে, তাকে আগামীকাল সকালে ছেড়ে দেয়া হবে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু পরের দিন ১৯-৭-২৪ সকালে আমরা খোঁজ নিলে তারা অস্বীকার করে বলে তাদের কাছে এই নামে কেউ নেই। এরপর আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টায় কোর্ট থেকে কল আসে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা কোর্ট থেকে নথিপত্র নিয়ে জানলাম তাকে আবু সাইদ ভাই এর হত্যা মামলা দেয়া হয়েছে। সেদিন থেকে বার বার কারাগারের দরজা থেকে ফিরে এসেছি একটা বার দেখা তো দূর তার কন্ঠও শুনতে দেয়নি কেউ। মেট্রো কোর্ট তার মামলা কিছুতেই শিশু কোর্টে দিতে চায়নি অনেক চেষ্টা করে গত ৩০জুলাই শিশু কোর্টে নেয়া হলে ডেট দেয় আগামী ৪ই আগস্ট। ৪ তারিখ কি রায় দিবে আমার জানা নেই, তবে আমি আমার ভাইকে ফিরে চাই, বেকসুর খালাস দেওয়া হোক এটা চাই।
যে ছেলেটা লিগাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু, তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল, আইডি ছিল, সে পুলিশদের ইনস্টিটিউট এরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারো কিছুই করার নাই? আমার ভাই কে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না!
এই বিচারপতিলীগদের বিবেকবোধ অনেক আগেই মরে গেছে!
চলমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মূল আসামি গ্রেফতার না করে বরাবরের মত নিরপরাধ মানুষদের ফাঁসানো হচ্ছে। এই মামলায় গ্রেপ্তার কৃত আলফি শাহরিয়ার মহিম (১৬) এর বোনের ফেসবুকের পোস্ট হুবহু তুলে দেয়া হল।
আমার ছোট ভাই, (আবু সাঈদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার)
মো: আলফি শাহরিয়ার মাহিম
বয়স:১৬বছর ১০মাস
শ্রেণি: একাদশ (এইচএসসি ২৫)
কলেজ আইডি: 17660
বিদ্যালয়: পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুর।
সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। আমার ভাই অত্যন্ত মেধাবী, শান্ত ভদ্র একটা ছেলে। ১৮ তারিখ সে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হলে জানতে পারে পরীক্ষা স্থগিত, তখন বন্ধুদের সাথে মিছেলের মাঝে জড়িয়ে পরে, এবং পুলিশের টিয়ারসেলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা ১৮ তারিখ আনুমানিক ৪ টায় ওর বন্ধুদের থেকে জানতে পারি তার পায়ে রাবার বু*লেট লেগেছে, সেখানের লোকাল মানুষজন কোনো হসপিটালে এডমিট করিয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত সব হসপিটাল ক্লিনিক খুঁজেও যখন পাচ্ছিলাম না। বাবার কাছে একটা কল আসে, তারা জানায় আপনার ছেলে আমাদের হেফাজতে আছে জানাজানি করিয়েন না তাতে ছেলের ক্ষতি হবে, তাকে আগামীকাল সকালে ছেড়ে দেয়া হবে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু পরের দিন ১৯-৭-২৪ সকালে আমরা খোঁজ নিলে তারা অস্বীকার করে বলে তাদের কাছে এই নামে কেউ নেই। এরপর আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টায় কোর্ট থেকে কল আসে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা কোর্ট থেকে নথিপত্র নিয়ে জানলাম তাকে আবু সাইদ ভাই এর হত্যা মামলা দেয়া হয়েছে। সেদিন থেকে বার বার কারাগারের দরজা থেকে ফিরে এসেছি একটা বার দেখা তো দূর তার কন্ঠও শুনতে দেয়নি কেউ। মেট্রো কোর্ট তার মামলা কিছুতেই শিশু কোর্টে দিতে চায়নি অনেক চেষ্টা করে গত ৩০জুলাই শিশু কোর্টে নেয়া হলে ডেট দেয় আগামী ৪ই আগস্ট। ৪ তারিখ কি রায় দিবে আমার জানা নেই, তবে আমি আমার ভাইকে ফিরে চাই, বেকসুর খালাস দেওয়া হোক এটা চাই।
যে ছেলেটা লিগাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু, তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল, আইডি ছিল, সে পুলিশদের ইনস্টিটিউট এরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারো কিছুই করার নাই? আমার ভাই কে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না!
এই বিচারপতিলীগদের বিবেকবোধ অনেক আগেই মরে গেছে!
😢10👍2❤1