আলোর পথ
কালো নয়, লালের দিন আজ!!
কালো নয়, লালের দিন আজ!!
ডাকাত এসে বললো। এ বাসার মাস্টার বেডরুম, ডাইনিং রুম, ড্রইং রুমসহ সব রুম ছেড়ে দাও। এখানে আমরা থাকবো। তোমরা এখানে অচ্ছুৎ। এখান থেকে যেকোন সময় বের করে দেবো! আপাতত 'রাজাকার' তকমা দিলাম। এটা নিয়ে বাইরের ঐ কর্ণারের রুমে কোন রকমে থাকো। তাও সবসময় থ্রেটের মধ্যে রাখবো।
এভাবে করে করে আশেপাশের প্রায় সকল বাড়িতেই তারা দখল নিতে থাকলো, বিভিন্ন কথা বলে, বিভিন্ন অযুহাতে। পুরো গ্রামে তাদের এই কর্মযজ্ঞ চলতে থাকলো। ডাকাত বড় চতুর! একসাথে সব বাড়িতে হামলা করেনি। ধীরে ধীরে দখল করেছে।
একসময় বিভিন্ন বাড়ির মানুষেরা খেয়াল করলো, তার মত অন্য প্রায় সকলেরই এই অবস্থা। তখন প্রতিবাদ করতে গেলো। গেলেই এবার ডাকাত তাদের সবাইকে 'রাজাকার' বলে গালী দিলো। ভাবলো, এতে সবাই চুপ করে যাবে। কিন্তু, হলো হীতে বিপরীত।
সবাই আবিষ্কার করলো, এই 'রাজাকার' হলো, ডাকাতের ডাকাতী কাজের হাতিয়ার। এটা বাড়ির মালিকদেরকে চুপ করিয়ে রাখার একটা ইঞ্জেকশন। সবাই বুঝে গেলো। তখন সবাই রাজাকার শব্দের অর্থ বুঝে নিলো, 'নিপীড়িত'। তাই, এখন এই 'রাজাকার' শব্দটিই তাদেরকে একসূত্রে গেঁথে দিলো।
এখন সকল 'রাজাকার' একত্রিত হয়ে ডাকাতকে রুখে দিতে একতাবদ্ধ। এখন আর কেউই ডাকাতের কথা মানছে না। ডাকাত যত নাটকই করুক, সবাই তা বুঝে ফেলছে।
এখন ডাকাত কাঁদলে সবার গ্লিসারিনের কথা মনে পড়ে যায়! ডাকাত হাসলে, লাফিং গ্যাসের (নাইট্রাস অক্সাইড N2O) কথা মনে পড়ে! ডাকাত ধমক দিলে, সবাই মিটিমিটি হাসে। ডাকাত শোক ঘোষণা করলে, সবার রক্তের রঙ চোখে ভেসে ওঠে।
ডাকাত ভেবে কূল পায় না-
তারা ভাবে,
প্ল্যান করেছিলাম,
সবাইকে মেরে শোকের সাগরে ভাসাবো।
আর ওরা কালো রঙ মেখে
বসে থাকবে!
কিন্তু, একী!
এরা তো দেখি,
শোকে মুহ্যমান না হয়ে,
লাল রক্তের আভায়
টকটকে রঙিন হয়ে,
আজ বিপ্লবী সেজে
ঠাঁয় দাঁড়িয়ে গেছে!
ডাকাত এসে বললো। এ বাসার মাস্টার বেডরুম, ডাইনিং রুম, ড্রইং রুমসহ সব রুম ছেড়ে দাও। এখানে আমরা থাকবো। তোমরা এখানে অচ্ছুৎ। এখান থেকে যেকোন সময় বের করে দেবো! আপাতত 'রাজাকার' তকমা দিলাম। এটা নিয়ে বাইরের ঐ কর্ণারের রুমে কোন রকমে থাকো। তাও সবসময় থ্রেটের মধ্যে রাখবো।
এভাবে করে করে আশেপাশের প্রায় সকল বাড়িতেই তারা দখল নিতে থাকলো, বিভিন্ন কথা বলে, বিভিন্ন অযুহাতে। পুরো গ্রামে তাদের এই কর্মযজ্ঞ চলতে থাকলো। ডাকাত বড় চতুর! একসাথে সব বাড়িতে হামলা করেনি। ধীরে ধীরে দখল করেছে।
একসময় বিভিন্ন বাড়ির মানুষেরা খেয়াল করলো, তার মত অন্য প্রায় সকলেরই এই অবস্থা। তখন প্রতিবাদ করতে গেলো। গেলেই এবার ডাকাত তাদের সবাইকে 'রাজাকার' বলে গালী দিলো। ভাবলো, এতে সবাই চুপ করে যাবে। কিন্তু, হলো হীতে বিপরীত।
সবাই আবিষ্কার করলো, এই 'রাজাকার' হলো, ডাকাতের ডাকাতী কাজের হাতিয়ার। এটা বাড়ির মালিকদেরকে চুপ করিয়ে রাখার একটা ইঞ্জেকশন। সবাই বুঝে গেলো। তখন সবাই রাজাকার শব্দের অর্থ বুঝে নিলো, 'নিপীড়িত'। তাই, এখন এই 'রাজাকার' শব্দটিই তাদেরকে একসূত্রে গেঁথে দিলো।
এখন সকল 'রাজাকার' একত্রিত হয়ে ডাকাতকে রুখে দিতে একতাবদ্ধ। এখন আর কেউই ডাকাতের কথা মানছে না। ডাকাত যত নাটকই করুক, সবাই তা বুঝে ফেলছে।
এখন ডাকাত কাঁদলে সবার গ্লিসারিনের কথা মনে পড়ে যায়! ডাকাত হাসলে, লাফিং গ্যাসের (নাইট্রাস অক্সাইড N2O) কথা মনে পড়ে! ডাকাত ধমক দিলে, সবাই মিটিমিটি হাসে। ডাকাত শোক ঘোষণা করলে, সবার রক্তের রঙ চোখে ভেসে ওঠে।
ডাকাত ভেবে কূল পায় না-
তারা ভাবে,
প্ল্যান করেছিলাম,
সবাইকে মেরে শোকের সাগরে ভাসাবো।
আর ওরা কালো রঙ মেখে
বসে থাকবে!
কিন্তু, একী!
এরা তো দেখি,
শোকে মুহ্যমান না হয়ে,
লাল রক্তের আভায়
টকটকে রঙিন হয়ে,
আজ বিপ্লবী সেজে
ঠাঁয় দাঁড়িয়ে গেছে!
❤13👍1
ছাত্র-জনতার বক্তব্য স্পষ্ট।
জনতার কাঠগড়ার দাবি, এই আওয়ামী লীগককেই নিষিদ্ধ করতে হবে।
#BanAwamiLeague
#StepDownHasina
জনতার কাঠগড়ার দাবি, এই আওয়ামী লীগককেই নিষিদ্ধ করতে হবে।
#BanAwamiLeague
#StepDownHasina
🔥12👍1
আগামী ৩ দিনে আওয়ামিলীগ আন্দোলন কে থামিয়ে দেওয়ার জন্য যে কাজগুলো করবে তা পয়েন্ট আকারে দিয়ে দিচ্ছি। যারা সরাসরি মাঠে আছেন তাদের জন্য, আপনি যদি আওয়ামী এই ফাদে পা দেন তাহলে আপনার আগামী দিন হবে ভয়াবহ এবং যদি শেখ হাসিনা আপনাকে তাকে মা ডাকার সুযোগ করে দেয় তাহলে সর্ব্বোচ্চ হয়তো ভিপি নুরের মতো কেউ হবেন। কিন্তু যদি আপনারা আওয়ামী ফাদে পা না দেন তাহলে আপনার দ্বারাই নতুন বাংলাদেশের জন্ম হবে, সিদ্ধান্ত আপনার।
১. এই মূহুর্তে আওয়ামীরেজিম মাঠে তার বি টিম কে এক্টিভ করবে। সোহেল তাজ, রেল রনি এরা অলরেডি সামনে চলে এসেছে। বাকিরাও আসবে পর্যায়ক্রমে যেমন - মাশরাফি, সাকিব, তামিম থেকে শুরু করে সুলায়মান সুখন। এরা চেষ্টা করবে আপনাকে তার কথার দ্বারা প্রভাবিত করে আন্দোলন কে স্লো করে দেওয়ার।
২. জামায়াত নিষিদ্ধের সেই পুরোনো ট্রাম্প কার্ড খেলবে অথচ জামায়াত নিজেদের ব্যানারে ইলেকশন করতে পারেনি অলরেডি। বি টিম দিয়ে মাঠের আন্দোলনকে শুরুতে দুইভাগ করে একভাগ ছাত্রজনতার নামে রেখে অন্যভাগের শিবির নাম দিয়ে গণগ্রেফতার এবং নির্যাতন চালাবে। দুনিয়াকে দেখাবে এরা জামায়াত তাই এদেরকে থামাচ্ছি। অলরেডি হাসিনা নিজেই বলা শুরু করে দিয়েছে।
৩. আওয়ামীলীগ ছাত্রজনতার যে গ্রুপকে তাদের বি টিমের সাথে নিতে পারবে তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হবে বিএনপি আন্দোলনের ক্রেডিট চুরি করতে চাচ্ছে তাই খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা যাবেনা। সো আওয়ামিলীগ যা বিএনপিও তাই সো আওয়ামিলীগ থাকুক ক্ষমতায় উন্নয়ন তো হচ্ছে। অথচ খালেদা জিয়া বা বিএনপি একবারের জন্যও বলেনি তারা সরকারে যেতে চায়। বরং আন্দোলনের পক্ষে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছে। ছাত্রদলের অনেকেই শহীদ হয়েছে ইতিমধ্যেই।
৪. ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে। কয়েকজন হিন্দু ভাই মারা গেছেন তাদের ফ্যামিলিকে বোঝাবে এদেরকে জামায়াত শিবির মেরেছে। হেফাজতের সাথে মিটিং করেছে তাই নিজেরাই একটা শাপলা চত্তর বানানোর চেষ্টা করবে এবং সাধারণ মানুষকে শাপলা চত্তরে ইনভলভ করার চেষ্টা করবে।
৫. যেসব শিক্ষক বা পেশাজীবি মানুষ আন্দোলনের পক্ষে কথা বলছেন তাদেরকে রাতের বেলা গ্রেফতার করা হবে যা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সো আন্দোলনের পক্ষে মানুষ কথা বলা যাতে কমিয়ে দেয়।
৬. নিজেরা আগে যেভাবে গান পাউডার ব্যবহার করেছে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য ঠিক সেরকম একটা ঘটনা ঘটাবে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের নামে মামলা দেওয়ার।
©collected
১. এই মূহুর্তে আওয়ামীরেজিম মাঠে তার বি টিম কে এক্টিভ করবে। সোহেল তাজ, রেল রনি এরা অলরেডি সামনে চলে এসেছে। বাকিরাও আসবে পর্যায়ক্রমে যেমন - মাশরাফি, সাকিব, তামিম থেকে শুরু করে সুলায়মান সুখন। এরা চেষ্টা করবে আপনাকে তার কথার দ্বারা প্রভাবিত করে আন্দোলন কে স্লো করে দেওয়ার।
২. জামায়াত নিষিদ্ধের সেই পুরোনো ট্রাম্প কার্ড খেলবে অথচ জামায়াত নিজেদের ব্যানারে ইলেকশন করতে পারেনি অলরেডি। বি টিম দিয়ে মাঠের আন্দোলনকে শুরুতে দুইভাগ করে একভাগ ছাত্রজনতার নামে রেখে অন্যভাগের শিবির নাম দিয়ে গণগ্রেফতার এবং নির্যাতন চালাবে। দুনিয়াকে দেখাবে এরা জামায়াত তাই এদেরকে থামাচ্ছি। অলরেডি হাসিনা নিজেই বলা শুরু করে দিয়েছে।
৩. আওয়ামীলীগ ছাত্রজনতার যে গ্রুপকে তাদের বি টিমের সাথে নিতে পারবে তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হবে বিএনপি আন্দোলনের ক্রেডিট চুরি করতে চাচ্ছে তাই খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা যাবেনা। সো আওয়ামিলীগ যা বিএনপিও তাই সো আওয়ামিলীগ থাকুক ক্ষমতায় উন্নয়ন তো হচ্ছে। অথচ খালেদা জিয়া বা বিএনপি একবারের জন্যও বলেনি তারা সরকারে যেতে চায়। বরং আন্দোলনের পক্ষে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছে। ছাত্রদলের অনেকেই শহীদ হয়েছে ইতিমধ্যেই।
৪. ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে। কয়েকজন হিন্দু ভাই মারা গেছেন তাদের ফ্যামিলিকে বোঝাবে এদেরকে জামায়াত শিবির মেরেছে। হেফাজতের সাথে মিটিং করেছে তাই নিজেরাই একটা শাপলা চত্তর বানানোর চেষ্টা করবে এবং সাধারণ মানুষকে শাপলা চত্তরে ইনভলভ করার চেষ্টা করবে।
৫. যেসব শিক্ষক বা পেশাজীবি মানুষ আন্দোলনের পক্ষে কথা বলছেন তাদেরকে রাতের বেলা গ্রেফতার করা হবে যা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সো আন্দোলনের পক্ষে মানুষ কথা বলা যাতে কমিয়ে দেয়।
৬. নিজেরা আগে যেভাবে গান পাউডার ব্যবহার করেছে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য ঠিক সেরকম একটা ঘটনা ঘটাবে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের নামে মামলা দেওয়ার।
©collected
❤10👍2
হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া একটা এইট পাশ পুলিশ কনস্টেবল ঢাবির একজন নারী শিক্ষিকাকে এভাবে শারিরীক লাঞ্চনা করার পরেও বাকি ঢাবি শিক্ষার্থীরা এখনো কিভাবে ঘুমিয়ে আছে?
ঢাবি শিক্ষার্থীরাই কিন্তু এই বিপ্লবের সূচনা করেছিল। জাতি আশা করে এমন লাঞ্চনার যথাযথ প্রতিশোধ গ্রহণ করে তারাই এই বিপ্লবের শেষ করবে।
ঢাবি শিক্ষার্থীরাই কিন্তু এই বিপ্লবের সূচনা করেছিল। জাতি আশা করে এমন লাঞ্চনার যথাযথ প্রতিশোধ গ্রহণ করে তারাই এই বিপ্লবের শেষ করবে।
😢13