আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
প্রিয় দেশবাসী,
সরকার দেশব্যাপী গণহত্যা চালিয়ে তারপর ছাত্রদের আন্দোলনকে 'সহিংসতা' হিসেবে উল্লেখ করে নিহতদের স্মরণে শোক দিবস ঘোষণা করে নিহত শহীদদের সাথে তামাশা করেছে। এর প্রতিবাদে আমরা তাদের কালো ব্যাচ ধারণ কর্মসূচিকে বয়কট করেছি। এখনো তাদের হাতে রক্ত লেগে আছে। তাই আমাদের কর্মসূচি লাল কাপড় মুখ ও চোখে বেঁধে অনলাইন ক্যাম্পেইন করা।

ক্যাম্পেইনকে সফল করতে হলে টুইটারে (X) ব্যাপক প্রচার করতে হবে। সবাই পোস্টে হ্যাশট্যাগ ইউজ করবে।

টুইটারে পোস্টিং করে যে হ্যাশট্যাগ ইউজ হয় সেটা ওই দিনের জন্য ট্রেন্ডিং ইস্যু হয়ে থাকে। এতে আন্তর্জাতিক মিডিয়া, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন সংস্থা, বিদেশি রাজনীতিদিবদের  চোখ পড়ে। সো, টুইটার পোস্টিং এবং সঙ্গে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা কর্মসূচি সফলের সবচেয়ে ইফেক্টিভ ওয়ে।

একইসাথে এই ঘটনাকে গণহত্যা বলে উল্লেখ করতে হবে।
তাই এসকল হ্যাশট্যাগ ইউজ করুন: #JulyMassacre #WeWantJustice #StudentsAgainstOppression #BloodOnTheirHands #SaveBangladeshiStudents
#StepDownHasina
😢3👍1
বর্তমান সরকারের কর্তাব্যক্তিরা সংকট নিরসনে শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নিয়ে প্রতিদিনই নির্মমভাবে শিক্ষার্থীদের দমন নিপীড়ন ও মানুষের জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় সম্পদকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং মিডিয়ার সামনে দেওয়া সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মায়া কান্না প্রচার করছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিচার না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রতিদিন যে নির্মম উপহাস করা হচ্ছে। তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা নাটকীয় রাষ্ট্রীয় শোককে প্রত্যাখান করছে এবং পুরো জুলাই মাসকে শোকের মাস হিসেবে ঘোষণা করছে।

সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ
নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
12
মিরসরাইতে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের যেভাবে হুমকি দেয়,
মিরসরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি
🤬9
😢12
কোন ভিপিএন এ স্পিড বেশি।
জানাবেন প্লিজ,,
শিক্ষার্থীদের ইস্যুর মোড় ঘোরানোর জন্যই আওয়ামী হায়েনারা এখন জামায়াত নিষিদ্ধের ইস্যু নিয়ে আসতেছে।

কিন্তু শেষ রক্ষা হবে ?
শিবির তো বুঝলাম, কি করে না করে আমার দরকার কী!

এই শিবিরটার বিচার করা কি সরকারের জন্য কষ্টদায়ক!!!

#BanBAL
#BanBSL
🤬18👍2
📍Khulna. 29.07.2024
21
এই মুহুর্তে টুইটারে #StepDownHasina#SaveBangladeshiStudents ট্রেন্ডে আছে।

আপনারা ক্যাম্পেইনে নিজ পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। তবে যে যত হ্যাশট্যাগই দেন, আপনার টুইটার পোস্টে নিম্নোক্ত ৫টি হ্যাশট্যাগ অবশ্যই দিবেন যার মাধ্যমে সবার পোস্টে কমন ট্যাগ নিশ্চিত হবে:

#JulyMassacre
#SaveBangladeshiStudents
#StudentsAgainstOppression
#FreeBangladeshiStudents
#SaveBangladesh
🔥7👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমি তাকে ঘৃণা করি...আর আপনি...?
5😢1
এই গণহত্যাকারী, খুনীদের সাথে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বাঁধা দিতে সেনা সদস্যদের লজ্জা করেনা?
😢7
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নুর নবীকে প্রক্টরের সামনেই জবির মূল ফটক থেকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর তাকে শাহবাগ থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একদিন ডিবি কার্যালয় ও দুইদিন রিমান্ড শেষে তাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

তার সহপাঠী ও বন্ধুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েও উল্লেখযোগ্য কোনো সাড়া পায়নি।

আমরা পুলিশের এহেন হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং নুর নবীর দ্রুত মুক্তির দাবি করছি।

#FreeNurNobi
😢14👍1
🚨২৪ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও সামরানের খোজ দিচ্ছে না পুলিশ।

আমার বন্ধু Ahmed Samran ও তার বাবা কে  গতকাল(২৮ জুলাই) রাতে উত্তরা নিজ বাসা থেকে  একি সাথে তুলে নিয়ে গেলেও । পুলিশ শুধুমাত্র তার বাবাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

কিন্তু ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এবং ডিবি , সামরানের কোনো খোজ দেই নি।

রাত ১২ টার পর তাকে থানা থেকে বের করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। কিন্তু তারা সামরান কে আটকের বিষয় টি  সম্পূর্ণ অস্বীকার করছে।

আমরা সামরানের জন্য অনেক চিন্তিত এবং ভয়ের মধ্যে আছি। আমরা আশঙ্কা করছি তাকে গুম করা হতে পারে।

🚨তার বন্ধু  ও পরিবারের পক্ষ আপনাদের কাছে সাহায্য প্রার্থী ।  আপনারা সবাই সামরানের জন্য আওয়াজ তুলুন। কথা বলুন। তার সন্ধান এবং মুক্তির দাবি তুলুন।

আমাদের কথা বলা এখন সামরান কে বাচাতে পারে।
#FreeSamran
😢17
অধিকার চাইলে আমাদের সন্তানকে হত্যা করা হবে কেন?

"অভিভাবকদের মৌন অবস্থান"

৩০শে জুলাই, ২০২৪
সকাল ১০টা

স্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে

আয়োজনে: সন্তানের পাশে অভিভাবক
12👍1
সবার ফেসবুক, টেলিগ্রাম, এক্স, টিকটকসহ সকল সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে শহীদদের রক্তের স্মরণে লাল রঙকে প্রোফাইল পিকচার হিসেবে রাখার আহবান জানাচ্ছি।
🔥12
যারা চোখে-মুখে লাল কাপড় বেধে ছবি তুলে দিতে পারবেন না, তারা অবশ্যই লাল রঙ প্রোফাইল পিকচারে দিয়ে রাখবেন। এই লড়াইয়ে যেভাবেই হোক অংশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান, নিজেদের অস্তিত্ব, নিজেদের সাহসিকতার জানান দিতে হবে!
11👍1
এভাবে মিলে গেল?
🔥16👍5
এই মুহুর্তে আপনাদের সাথে আমি খুব গুরুত্বপূর্ন একটা জিনিস শেয়ার করবো। এই পোস্ট এর রিচ বাড়ানোর দায়িত্ব আপনাদের।
পোস্ট টা অবশ্যই শেয়ার করবেন। আর শেয়ার করতে ইচ্ছা না করলে কপি করে নিজের ওয়ালে পোস্ট করবেন। আমি কোন ক্রেডিট চাইছি না।
দেখেন , সব ক্ষমতার ই একটা সীমা আছে। একমাত্র বিধাতা ছাড়া কোন মানুষের ক্ষমতা অসীম না।
১.
সরকার তার সর্বোচ্চ ক্ষমতার ব্যবহার করে ফেলেছে। এর বেশী ক্ষমতা ব্যবহার করা আসলে যায় না।
ওরা নিজেরাও জানে । ইন্টারনেট বন্ধ করে ব্ল্যাক আউট একবার করা গেছে। বারবার করা যাবে না। আর ইন্টারনেট চালু রেখে ওরা গনহ*ত্যাও চালাইতে পারবে না। যার ফলাফল হিসাবে প্রচুর মানুষ রাস্তায় নামবে এবং গদি ছাড়তে তারা বাধ্য হবে।।

এবার আসি পুলিশের গুলি।
পুলিশ যা গুলি চালানোর , চালিয়েছে।
এখন আর ওপেনলি গুলি চালানোর ক্ষমতা ওদের নাই। ইন্টারন্যাশনাল প্রেশার আছে।
ওরা যা করতে পারে তা হলো গ্রেফতার এবং পরবর্তীতে কিছু ক্ষেত্রে গুম।
আন্দোলন বড় হলে এই গ্রেফতারের সম্ভাবনাও কমে যাবে।

গদি নড়ে গেছে , ক্ষমতা হারানোর ভয় প্লাস তীব্র চাপে কোনঠাসা অবস্থা। তাহলে এই পরিস্থিতিতে তারা কি করবে?
উত্তর হলো , আতংক ছড়ানো।
এই যে বাড়ি বাড়ি রেইড দেওয়া।
10👍2🔥1
তুলে নিয়ে যাওয়া , রাস্তা দিয়ে বড় বড় গাড়ি টহল দিয়ে সাইরেন বাজানো। আকাশে সশব্দে হেলিকপ্টার ছোটানো এবং দরজায় দরজায় সাস্পেক্ট লিখে যাওয়া সব ই এই কর্মকান্ডের অংশ। ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে করা।

আপনার অভিভাবকদের ভয় দেখানো যাতে তারা আপনাকে বের হতে না দেয়।
কারন তারা জানে একমাত্র গুজব ছড়িয়ে এবং ভয় দেখিয়েই তারা ছাত্রদের ঘরে রাখতে পারে।
খেয়াল করলে দেখবেন , তাদের যা মারার আন্দোলনের প্রথম দমক এ মেরে ফেলেছে। আর মারার উপায় নাই জন্য এখন ভয় ছড়াচ্ছে। আর ইন্টারনেট বন্ধ করা সম্ভব না জন্য গুজব ছড়িয়ে এরেস্ট করছে।

একবার আতংক ছড়িয়ে দিলে লোকবল কমে যাবে এই মন্ত্রেই তারা আগাচ্ছে। তাদের হাতে এর বাইরে আর কিছুই করার নাই।
আন্দোলনে আমাদের আজকের দিন টা সফল ছিল না। সব ই ছিল গুজব।
তবুও দেখেন এই গুজবের উপর ভিত্তি করে রাস্তায় গাড়িতে বোঝাই সেনাবাহিনী নামায় দিসে।
সেনাবাহিনী কিন্তু গুলি করবে না। তাদের অই ক্ষমতা নাই। তবুও নামাইসে।
উদ্দেশ্য?
আবারো বলছি। ভয় দেখানো। যাতে কেউ বাড়ি থেকে বের না হয়।
ইভেন পুলিশ কিন্তু আজকেও গুলি চালাতে পারতো । চালায় নি।
করেছে শুধু এরেস্ট।
স্বৈরাচার বলেন কিংবা জেনোসাইট।
সব ক্ষমতার সীমা আছে।
জয় এর এত কাছাকাছি এসে থেমে যাওয়া যায় না।
বিশ্বাস করেন , আমাদের সফলতার খুব কাছাকাছি।
সরকার জানে , আর একবার ও যদি আন্দোলন শুরু হয় ভালো ভাবে। তারা সামলাতে পারবে না।
তাই স্কুল কলেজ বন্ধ। তাই বিনা কারনে আকাশ দিয়ে হেলিকপ্টার ওড়ে।
আপনাদের উপর আমার অনুরোধ:
অমুক এলাকায় রেইড , অমুক জায়গায় এই হইসে সেই হইসে , হ্যান ত্যান হাবিজাবি বলে গুজব ছড়াবেন না। সাহস দেন। বোঝান আমরা আমাদের উদ্দেশ্য সফলের কত কাছাকাছি চলে এসেছি।
আমার লাইক শেয়ার কিছু লাগবে না।
আপনারা শুধু এই লেখাটা যতটা পারেন , ছড়িয়ে দেন।
যদি আমি ভুল বলে থাকি তার বিপরীতে গঠন মূলক কারন আপনারা কমেন্ট বক্স এ আমাকে দিতে পারেন।
ইনশাল্লাহ , জয় আমাদের আসবেই।
14
😁25😢2
যেখানেই ফির’আউন থাকবে আল্লাহ সেখানে একজন মূসাকে পাঠাবেন।

জালিমকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আল্লাহর দারুণ এক পদ্ধতি আছে। ফির’আউনের জুলুমের শুরু থেকেই আল্লাহ মূসাকে (’আলাইহিসসালাম ) একজন সতর্ককারী ও শাস্তির মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। একজন জুলুমের জন্য তৈরি হয়, আরেকজন মোকাবেলার জন্য। তারপর একসময় তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

তাই যেখানেই ফির’আউন থাকবে আল্লাহ সেখানে একজন মূসাকে পাঠাবেন। আর এটাই আল্লাহর সুন্নাহ।

.

[ – শায়েখ আব্দুল আজিজ আত-তারিফী ফাঃআঃ
বই: সবুজ পাতার বন ]
16👍1