১. আবু জাহেল মরার আগে কাবার গিলাফ আঁকড়ে ধরে বলেছিল ''হে আল্লাহ আজ হকের বিজয় দিও আর বাতিলকে ধ্বংস করো।'' কিন্তু সে কি আর জানতো যে, সে নিজের মুখেই নিজের ধ্বংসের দুয়া করছিল। জালেমদের পরিণতি কতইনা নিকৃষ্ট।
- উস্তাদ মামুনুর রশীদ -
২. মূসা তো কওম নিয়ে চলেই যাচ্ছিলো সাগর পার হয়ে। ফিরআউনের উচিত ছিলো সেখানেই ক্ষান্ত দেওয়া।
কিন্তু সে সাগরে পর্যন্ত নামছে।
.
কোথায় থেমে যাওয়া উচিত এটা আসলে জালিমরা বুঝেনা। পরে আল্লাহ্ বুঝায়।
- মাহদী ফয়সাল -
- উস্তাদ মামুনুর রশীদ -
২. মূসা তো কওম নিয়ে চলেই যাচ্ছিলো সাগর পার হয়ে। ফিরআউনের উচিত ছিলো সেখানেই ক্ষান্ত দেওয়া।
কিন্তু সে সাগরে পর্যন্ত নামছে।
.
কোথায় থেমে যাওয়া উচিত এটা আসলে জালিমরা বুঝেনা। পরে আল্লাহ্ বুঝায়।
- মাহদী ফয়সাল -
❤17👍2
জাতীয় অহংবোধের প্রতীক সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে স্বৈ*রাচার শেখ হাসিনা সরকার।
#StepDownHasina
#StepDownHasina
❤28👍6😁1
যাঁরা জালিম তাদের জন্য সঠিক পথ নেই, নেই আল্লাহর ভালোবাসা । তারা আশ্রয়হীন অভিভাবকহীন।
ঈমানদারদের রক্ষক মহান আল্লাহ্। তাদের শক্তিহীন, নিরাশ ও হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। তাদের জন্য রয়েছে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ।
ঈমানদারদের রক্ষক মহান আল্লাহ্। তাদের শক্তিহীন, নিরাশ ও হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। তাদের জন্য রয়েছে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ।
❤10
গনহত্যাকারী সন্ত্রাসীদের সংগঠন আ.লীগ জানে অতিশীঘ্রই তারা এদেশের জনগণ দ্বারা নিষিদ্ধ হবে। তাই তারা এখন এদেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় সংগঠন ও তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার নতুন নাটক সাজিয়েছে।
এইসব এখন এদেশের জনগণ খায়না। আর কিছুদিন পর এই গণহত্যাকারীদের এদেশের মানুষই নিষিদ্ধ করে দিবে। তখন কেউ আ.লীগ পরিচয় দিলেই তাকে দেশছাড়া করবে জনতা।
এইসব এখন এদেশের জনগণ খায়না। আর কিছুদিন পর এই গণহত্যাকারীদের এদেশের মানুষই নিষিদ্ধ করে দিবে। তখন কেউ আ.লীগ পরিচয় দিলেই তাকে দেশছাড়া করবে জনতা।
❤8
কান্ডারী! তব সম্মুখে ঐ পলাশীর প্রান্তর,
বাঙালীর খুনে লাল হল যেথা ক্লাইভের খঞ্জর!
ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায়, ভারতের দিবাকর!
উদিবে সে রবি আমাদেরি খুনে রাঙিয়া পূনর্বার।
ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন্ বলিদান
আজি পরীক্ষা, জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার!
বাঙালীর খুনে লাল হল যেথা ক্লাইভের খঞ্জর!
ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায়, ভারতের দিবাকর!
উদিবে সে রবি আমাদেরি খুনে রাঙিয়া পূনর্বার।
ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন্ বলিদান
আজি পরীক্ষা, জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার!
❤17👍1
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
*প্রেস বিজ্ঞপ্তি*
তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৪
*নতুন কর্মসূচি ঘোষণা*
প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্রসমাজ,
আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, নোয়াখালী, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, ঠাকুরগাঁও সহ সারাদেশব্যপী আজকের কর্মসূচি বিক্ষোভ ও ছাত্রসমাবেশ সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবিসমূহের সাথে সংহতি প্রকাশ করার জন্য শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবি, শ্রমজীবী ও গণমানুষের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।
প্রিয় সুধী,
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশজুড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবীকে কেন্দ্র করে নির্বিচারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শত শত শিক্ষার্থীর মৃত্যু ও হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত হয়ে যখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তখনও শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নিয়ে একাত্তরের হানাদার বাহিনীর মতো মধ্য রাতে বাসা বাড়িতে রেইড ব্লকের মাধ্যমে নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে রিমান্ডের নামে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
এমতাবস্থায় বর্তমান সরকারের কর্তাব্যক্তিরা সংকট নিরসনে শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নিয়ে প্রতিদিনই নির্মমভাবে শিক্ষার্থীদের দমন নিপীড়ন ও মানুষের জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় সম্পদকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং মিডিয়ার সামনে দেওয়া সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মায়া কান্না প্রচার করছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিচার না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রতিদিন যে নির্মম উপহাস করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ,স্কুল,মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আপনারা আগামীকালের কর্মসূচি সফলে সহযোগিতা করুন।
*
আমরা সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ছাত্রসমাজের বুকে গুলি চালিয়ে বাংলার ইতিহাসে কোনো আন্দোলন দমন করা যায়নি। অবিলম্বে ছাত্রসমাজের নয় দফা দাবি মেনে নিয়ে দেশকে স্থিতিশীল করুন।
দাবি সমূহ-
১। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাত্র-নাগরিক হত্যার দায় নিয়ে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
২। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার এবং সন্ত্রাসী কর্তৃক ছাত্র-নাগরিক হত্যার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। ইন্টারনেট শাটডাউন করে দেশে ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে পদত্যাগ করতে হবে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শহীদ শিক্ষার্থী এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদেরকে ড্রাগ এডিক্ট বলে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে এবং আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতকে পদত্যাগ করতে হবে।
৩। ঢাকাসহ যত জায়গায় ছাত্র-নাগরিক শহীদ হয়েছে সেখানকার ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে।
৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে ক্যাম্পাসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা হয়েছে, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং প্রক্টরদেরকে পদত্যাগ করতে হবে।
৫। যে পুলিশ-বিজিবি-র্যাব ও সেনা সদস্যরা শিক্ষার্থীদের উপর গুলি করেছে, ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ যে সকল সন্ত্রাসীরা শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা পরিচালনা করেছে এবং যেসকল নির্বাহী মেজিস্ট্রেট পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদেরকে নিরস্ত্র ছাত্র-নাগরিকদের উপর গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে তাদেরকে আটক করে হত্যা মামলা দায়ের করতে হবে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে।
৬। দেশব্যাপী যেসকল ছাত্র-নাগরিক শহীদ এবং আহত হয়েছে তাদের পরিবারকে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৭। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনসহ সকল দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে দ্রুততম সময়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ছাত্র সংসদ কার্যকর করতে হবে
*প্রেস বিজ্ঞপ্তি*
তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৪
*নতুন কর্মসূচি ঘোষণা*
প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্রসমাজ,
আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, নোয়াখালী, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, ঠাকুরগাঁও সহ সারাদেশব্যপী আজকের কর্মসূচি বিক্ষোভ ও ছাত্রসমাবেশ সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবিসমূহের সাথে সংহতি প্রকাশ করার জন্য শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবি, শ্রমজীবী ও গণমানুষের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।
প্রিয় সুধী,
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশজুড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবীকে কেন্দ্র করে নির্বিচারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শত শত শিক্ষার্থীর মৃত্যু ও হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত হয়ে যখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তখনও শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নিয়ে একাত্তরের হানাদার বাহিনীর মতো মধ্য রাতে বাসা বাড়িতে রেইড ব্লকের মাধ্যমে নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে রিমান্ডের নামে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
এমতাবস্থায় বর্তমান সরকারের কর্তাব্যক্তিরা সংকট নিরসনে শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নিয়ে প্রতিদিনই নির্মমভাবে শিক্ষার্থীদের দমন নিপীড়ন ও মানুষের জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় সম্পদকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং মিডিয়ার সামনে দেওয়া সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মায়া কান্না প্রচার করছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিচার না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রতিদিন যে নির্মম উপহাস করা হচ্ছে।
তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে
রাষ্ট্রীয় শোককে প্রত্যাখান করে আগামীকাল লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তুলা এবং অনলাইনে ব্যাপক প্রচার কর্মসূচি করার জন্য অনুরোধ করছি।
বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ,স্কুল,মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আপনারা আগামীকালের কর্মসূচি সফলে সহযোগিতা করুন।
*
কর্মসূচি: সকলেই একক বা ঐক্যবদ্ধভাবে লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তোলা এবং অনলাইনে প্রচার কর্মসূচি পালন করুন।*
আমরা সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ছাত্রসমাজের বুকে গুলি চালিয়ে বাংলার ইতিহাসে কোনো আন্দোলন দমন করা যায়নি। অবিলম্বে ছাত্রসমাজের নয় দফা দাবি মেনে নিয়ে দেশকে স্থিতিশীল করুন।
দাবি সমূহ-
১। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাত্র-নাগরিক হত্যার দায় নিয়ে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
২। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার এবং সন্ত্রাসী কর্তৃক ছাত্র-নাগরিক হত্যার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। ইন্টারনেট শাটডাউন করে দেশে ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে পদত্যাগ করতে হবে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শহীদ শিক্ষার্থী এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদেরকে ড্রাগ এডিক্ট বলে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে এবং আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতকে পদত্যাগ করতে হবে।
৩। ঢাকাসহ যত জায়গায় ছাত্র-নাগরিক শহীদ হয়েছে সেখানকার ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে।
৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে ক্যাম্পাসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা হয়েছে, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং প্রক্টরদেরকে পদত্যাগ করতে হবে।
৫। যে পুলিশ-বিজিবি-র্যাব ও সেনা সদস্যরা শিক্ষার্থীদের উপর গুলি করেছে, ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ যে সকল সন্ত্রাসীরা শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা পরিচালনা করেছে এবং যেসকল নির্বাহী মেজিস্ট্রেট পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদেরকে নিরস্ত্র ছাত্র-নাগরিকদের উপর গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে তাদেরকে আটক করে হত্যা মামলা দায়ের করতে হবে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে।
৬। দেশব্যাপী যেসকল ছাত্র-নাগরিক শহীদ এবং আহত হয়েছে তাদের পরিবারকে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৭। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনসহ সকল দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে দ্রুততম সময়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ছাত্র সংসদ কার্যকর করতে হবে
❤6
৮। অবিলম্বে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হলগুলো খুলে দিতে হবে। কারফিউ তুলে নিয়ে সারাদেশের সমস্ত ক্যাম্পাসে মোতায়েনকৃত পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সোয়াট এবং আর্মি তুলে নিতে হবে।
৯। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না এই মর্মে অঙ্গীকার করতে হবে। ইতিমধ্যে গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির শিকার সমন্বয়কবৃন্দ ও ছাত্র-নাগরিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে ও সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
আমরা সারাদেশের শিক্ষক, পেশাজীবি, শ্রমজীবী ও সকল নাগরিককে আমাদের কর্মসূচি পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও আমাদের দাবী আদায়ের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
বার্তা প্রেরক
মো: মাহিন সরকার
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
৯। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না এই মর্মে অঙ্গীকার করতে হবে। ইতিমধ্যে গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির শিকার সমন্বয়কবৃন্দ ও ছাত্র-নাগরিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে ও সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
আমরা সারাদেশের শিক্ষক, পেশাজীবি, শ্রমজীবী ও সকল নাগরিককে আমাদের কর্মসূচি পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও আমাদের দাবী আদায়ের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
বার্তা প্রেরক
মো: মাহিন সরকার
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤10
প্রেস বিজ্ঞপ্তির সারসংক্ষেপ
নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিচার না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রতিদিন যে নির্মম উপহাস করা হচ্ছে। তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে
বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ,স্কুল,মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আপনারা আগামীকালের কর্মসূচি সফলে সহযোগিতা করুন।
নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিচার না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রতিদিন যে নির্মম উপহাস করা হচ্ছে। তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে
রাষ্ট্রীয় শোককে প্রত্যাখান করে আগামীকাল লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তুলা এবং অনলাইনে ব্যাপক প্রচার কর্মসূচি করার জন্য অনুরোধ করছি।
বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ,স্কুল,মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আপনারা আগামীকালের কর্মসূচি সফলে সহযোগিতা করুন।
কর্মসূচি: সকলেই একক বা ঐক্যবদ্ধভাবে লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তোলা এবং অনলাইনে প্রচার কর্মসূচি পালন করুন।
❤7❤🔥1
আমাদের পর্দাশীন নারীদের উপর এই হিন্দুত্ববাদী পুলিশলীগের সন্ত্রাসীদের এত ক্ষোভ কেন?
ভারত অধিকৃত বাংলাদেশকে এইবার যদি এই সন্ত্রাসীদের কবল থেকে উদ্ধার করা না যায় তবে আমাদের দেশে এরা "
" পরিচয়ও দিতে দিবেনা।
ভারত অধিকৃত বাংলাদেশকে এইবার যদি এই সন্ত্রাসীদের কবল থেকে উদ্ধার করা না যায় তবে আমাদের দেশে এরা "
মুসলিম
" পরিচয়ও দিতে দিবেনা।
😢6
একাধিক ইন্টারনেট প্রোভাইডার অফ দি রেকর্ড জানিয়েছে যে বিটিআরসি থেকে ইন্টারনেট স্পিড ক্যাপ বা লিমিট করে দেয়ার নির্দেশ আছে - যতদিন আন্দোলন চলবে।
😢4
আজকের আন্দোলন মোটেই ব্যর্থ হয় নাই।
আজকে মিডল ক্লাস রাস্তায় নেমেছিল। যেসব ছাত্র এরেস্টেড হয়েছে বলে আমরা ফেসবুকে জানতে পারছি এদের মেজরিটি মিডল ক্লাস। এইটার বিশাল ইম্প্যাক্ট আছে লং রানে।
এমনিতেই আন্দোলনটা লম্বা। তাহরির স্কয়ারে কয়েক মাস লেগেছিল। একাত্তরে লেগেছিল নয় মাস। লং রানে হিসাব করলে প্রায় দেড় দশক। সাতচল্লিশ শুরু হয়েছিল ত্রিশের দশকে। সবসময় খুব হ্যাপেনিং ডে যাবে না। আবার কিছু হ্যাপেনিং ডেতে গেইনের চেয়ে লস বেশি থাকবে। এইটাই নিয়ম।
এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবী জোড়ালো উচিত। এইটা খুবই যৌক্তিক দাবী। না মানাটাও ডিফিকাল্ট। একবার ক্লাস শুরু হলে আন্দোলন এমনিতেই জমে যাবে। এমনকি এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও আন্দোলন দমানো কঠিন হয়ে যাবে। ক্লাস খোলা থাকলে ক্লাস করে বা ক্লাস বাদ দিয়ে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরুর আগে বা পরে আন্দোলনে শামিল হওয়ার সুযোগ আপসাপ তৈরী হয়ে যাবে।
এই দাবীটা আন্দোলন সচল রাখবে। আর আন্দোলন সচল থাকলে অন্যান্য দাবীগুলি তখন আসবে।
-সংগৃহীত
আজকে মিডল ক্লাস রাস্তায় নেমেছিল। যেসব ছাত্র এরেস্টেড হয়েছে বলে আমরা ফেসবুকে জানতে পারছি এদের মেজরিটি মিডল ক্লাস। এইটার বিশাল ইম্প্যাক্ট আছে লং রানে।
এমনিতেই আন্দোলনটা লম্বা। তাহরির স্কয়ারে কয়েক মাস লেগেছিল। একাত্তরে লেগেছিল নয় মাস। লং রানে হিসাব করলে প্রায় দেড় দশক। সাতচল্লিশ শুরু হয়েছিল ত্রিশের দশকে। সবসময় খুব হ্যাপেনিং ডে যাবে না। আবার কিছু হ্যাপেনিং ডেতে গেইনের চেয়ে লস বেশি থাকবে। এইটাই নিয়ম।
এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবী জোড়ালো উচিত। এইটা খুবই যৌক্তিক দাবী। না মানাটাও ডিফিকাল্ট। একবার ক্লাস শুরু হলে আন্দোলন এমনিতেই জমে যাবে। এমনকি এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও আন্দোলন দমানো কঠিন হয়ে যাবে। ক্লাস খোলা থাকলে ক্লাস করে বা ক্লাস বাদ দিয়ে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরুর আগে বা পরে আন্দোলনে শামিল হওয়ার সুযোগ আপসাপ তৈরী হয়ে যাবে।
এই দাবীটা আন্দোলন সচল রাখবে। আর আন্দোলন সচল থাকলে অন্যান্য দাবীগুলি তখন আসবে।
-সংগৃহীত
❤8
এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী, আজ বিকেল ৪টায় সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।
(এই মুহূর্তে তাদের ঘর থেকে বের হওয়ার পরিস্থিতিও নেই )
( সেদিন কারফিউ না দিলে গণভবনে হামলা হতো - কাদের)
ওদের পায়ের নিচে মাটি নেই, দেশের পরিস্থিতি আরও বাজে হবে সামনে তাই আপনাদের বলব নিজেকে ঠকায়েন না, যতটুকু পারেন পড়েন, বই শেষ হলে নতুন কিছু পড়েন কিন্তু দূরত্ব বাড়ায়েন না, সময় অবশ্যই বদলাবে তখন তৈরি থাকতে হবে।
(এই মুহূর্তে তাদের ঘর থেকে বের হওয়ার পরিস্থিতিও নেই )
( সেদিন কারফিউ না দিলে গণভবনে হামলা হতো - কাদের)
ওদের পায়ের নিচে মাটি নেই, দেশের পরিস্থিতি আরও বাজে হবে সামনে তাই আপনাদের বলব নিজেকে ঠকায়েন না, যতটুকু পারেন পড়েন, বই শেষ হলে নতুন কিছু পড়েন কিন্তু দূরত্ব বাড়ায়েন না, সময় অবশ্যই বদলাবে তখন তৈরি থাকতে হবে।
❤15