Forwarded from প্রিয় বাংলাদেশ
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নির্বাচনের আগে মুঠোফোন নজরদারি বাড়াতে যাচ্ছে সরকার
🤬1
"দ্বীন পুরোটাই চরিত্র।
যে চরিত্রে আপনার থেকে এগিয়ে, সে দ্বীনদারিতায়ও আপনার থেকে এগিয়ে।"
- ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ
যে চরিত্রে আপনার থেকে এগিয়ে, সে দ্বীনদারিতায়ও আপনার থেকে এগিয়ে।"
- ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ
❤2
“তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি না মানলে রাজপথ উত্তপ্ত হবে”
-ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের
#Dhaka #Bangladesh #JIPowerShow #Jamaat #RestoreCaretakerGovernment
-ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের
#Dhaka #Bangladesh #JIPowerShow #Jamaat #RestoreCaretakerGovernment
❤6
রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্ঠান আর দলীয় প্রতিষ্ঠান কে একাকার করে ফেলেছে এই ফ্যাসিস্ট হাসিনা, তাদের কারণে আজ বিপ্লব কুমারের মতো পুলিশরা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দলীয় গুণ্ডাদের নেই বক্তব্য দেয়ার সাহস পায়।
সব কিছুর হিসাব নেওয়া হবে, আওয়ামী লীগ মুক্ত স্বাধীন বাংলার মাটিতে।
ইনশাআল্লাহ
সব কিছুর হিসাব নেওয়া হবে, আওয়ামী লীগ মুক্ত স্বাধীন বাংলার মাটিতে।
ইনশাআল্লাহ
❤9
জীবনের একটা সময় দেখবেন প্রচুর ব্যস্ততা আর দায়িত্ব কাঁধে ভর করে। ঝামেলার কারণে আস্তে আস্তে এক একটা বিষয় থেকে আমরা বিচ্যুত হতে থাকি। ছাত্র অবস্থায় যে কাজগুলো করা খুব সহজ এবং নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল, সময়ের সাথে সাথে সেগুলো ধরে রাখা খালি দুরূহই না, অসম্ভবপর হয়ে ওঠে। আস্তে আস্তে আমরা ডুবে যাই খালি নিজেদের মধ্যে। নিজের সংসার, নিজের সন্তান, নিজের চাকরি ইত্যাদি।
এ কথা সত্যি, একজন পুরুষের জন্য পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা, কিংবা একজন নারীর জন্য স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকা পালন করা ওয়াজিব। এবং এই কাজগুলোর জন্য আমরা সওয়াবের ভাগিদারও হব ইনশাআল্লাহ। তবে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দ্বীনি ইলম অন্বেষণ এবং কিছু খেদমতের সাথে জড়িত থাকাও ঈমানী দায়িত্ব। এটুকু না থাকলে অন্তর মরে যায়। ঈমানে ঘুণ ধরে।
একজন দায়িত্ববান কাফের ব্যক্তিও নিজের পরিবারের জন্য রোজগার করে, কিংবা সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব পালন করে।
মুসলিম হিসেবে তাহলে তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য কোথায় থাকল?
একজন সচেতন মুসলিমের কাজ হবে অল্প করে হলেও যেকোনো উপায়ে দ্বীনের কাফেলার সাথে যুক্ত থাকা। এর অর্থ এই না যে, সব বিষয়েই আপনাকে নাক ডুবাতে হবে। আপনি একই সাথে বিশটা কোর্স করবেন, সাথে হিফজও করতে চাইবেন, সাথে হালাক্বাও করবেন - এতকিছু হয়তোবা বাস্তবে আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। কিছুদিন পর আপনি হাপিয়ে উঠবেন এবং সবকিছু থেকেই ইস্তফা দিয়ে দেবেন। তারচাইতে উত্তম হলো, অন্তত একটা-দুটো বিষয়ে গুরুত্ব ও আন্তরিকার সাথে জড়িত হওয়া। এমনভাবে লেগে থাকা যেন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও সেটা কখনোই ছুটে না যায়।
আজকাল অনেক ভাইবোনকে দেখবেন, তারা কোর্স পেলেই ছুটে যাচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইন কোর্স ও রেকর্ডেড ক্লাস থাকার সুবাদে সবাই ভাবে - এত সুযোগ-সুবিধা তাহলে ক্লাসটাতে ঢুকেই যাই! কিন্তু শেষপর্যন্ত তারা এ ক্লাসগুলোর কোনোটাই ঠিকভাবে করে না। রেকর্ডিং তো আছেই, এই আশায় লাইভ ক্লাসে জয়েন করে না। এরপর নানান ব্যস্ততা, অজুহাত আর শয়তানের ধোঁকায় রেকর্ডিংও শোনা হয় না। ক্লাস কিনে ফেলে রাখা হয় খালি। ফলে সত্যিকার অর্থে কিছুই তারা শিখতে পারে না। হয়ত বড়জোর একটা সার্টিফিকেট পায়। আল্লাহ আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে হেফাজত করুক। উস্তাদের দারসে না বসলে আপনি নিজে নিজে কীভাবে শিখবেন?
এরচেয়ে উত্তম হলো - নিজের অবস্থান, সামর্থ্য ও পারিপার্শ্বিকতা বুঝে কমিটমেন্ট করা। অতি উৎসাহে আকাশকুসুম কল্পনা করে লাফিয়ে পড়ে সবকিছু করতে চাওয়া বোকামিরই শামিল। বরং বুঝেশুনে একটা বিষয়ে কমিটেড হওয়া এবং ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা উত্তম।
এই শিক্ষা আমরা হাদীস থেকেও পেয়ে থাকি -
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন, যে আমল নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। তিনি আরো বলেন, তোমরা সাধ্যের অতীত কাজ নিজেদের ওপর চাপিয়ে নিও না।
(সহিহ বুখারী)
এবার বলি, ব্যস্ততার ব্যাপারে। এটা সত্যি জীবনের কিছু পর্যায়ে আমরা সত্যিই ব্যস্ত হয়ে পড়ি৷ দায়দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে খাবি খেতে হয়। তবে এই বিশ্বাস রাখা চাই, আল্লাহ তা'আলার দিকে পা বাড়ালে তিনি দ্বীন এবং দুনিয়া সবকিছুই সহজ করে দেন। এমন অনেক সময় হয়েছে যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় কোনো কাজ করার নিয়ত করেছি, এরপর দেখা গেল, সেদিন বাচ্চারাও সহজে খেয়ে নিচ্ছে, নিজেরা নিজেরা খেলে ঘুমিয়ে পড়ছে, বা অন্য কোনো উপায়ে কাজটা করার একটা সুযোগ হয়ে গেছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কঠিনের মধ্যেও এমন একটা অনুকূল পরিস্থিতি আল্লাহ তা'আলা তৈরি করে দিলেন যে তাঁর জন্য করতে চাওয়া কাজটা আঞ্জাম দেয়া সহজ হয়ে গেল। অন্যান্য দিন হয়তো এতটা সময় বের করার কথা চিন্তাও করা যেতো না। আপনি যখন মন থেকে আল্লাহর জন্য কাজ করার নিয়ত করবেন এবং প্রকৃতপক্ষেই সেই কাজের জন্য চেষ্টা জারি রাখবেন, তখন তিনিই আপনার জন্য পথ খুলে দেবেন। আল্লাহ তা'আলা এভাবেই তাঁর সৈনিকদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাহ দেন। যারা তাঁর দ্বীনের জন্য খাটবে, খেদমত করবে, তাদের জীবনে নানান অকল্পনীয় নিয়ামত, বারাকাহ ও সমৃদ্ধির দেখা দিবে।
যখন আমরা ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে দ্বীনের কাজ থেকে পিছিয়ে পড়ি, তখন দেখা যায় আমরা অনেকেই অন্য কোনোভাবে ফিতনায় জড়িয়ে পড়ছি। হয়তো নিজের অজান্তেই সময় নষ্ট করছি, মোবাইল বেশি ঘাটছি, অযথা ব্যাপারে নাক গলাচ্ছি ইত্যাদি। অথচ একটা লক্ষ্য স্থির করে ভালো কাজ করার নিয়ত করলে এইসব ফালতু বিষয়ে সময় ও মন দেয়ার অবস্থাই থাকতো না। বরং ভালো আমলের প্রভাবে আমরা অনেক গুনাহ ও অপ্রয়োজনীয় বস্তু থেকে বেঁচে থাকতে পারতাম।
উপরে যা আলোচনা করলাম, আমাদেরকে এই দুই ধোঁকা থেকেই দূরে থাকতে হবে।
১) আমলের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি: অতি আবেগে সবকিছুতে জড়িয়ে কদিন পরে হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং প্র্যাকটিকালি চিন্তাভাবনা করে নিজের সাধ্য অনুযায়ী কমিটমেন্টে যেতে হবে এবং তা নিয়ে সিরিয়াস থাকতে হবে। তা নাহলে কোনো ফল আশা করা যায় না।
২য় অংশ👇
এ কথা সত্যি, একজন পুরুষের জন্য পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা, কিংবা একজন নারীর জন্য স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকা পালন করা ওয়াজিব। এবং এই কাজগুলোর জন্য আমরা সওয়াবের ভাগিদারও হব ইনশাআল্লাহ। তবে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দ্বীনি ইলম অন্বেষণ এবং কিছু খেদমতের সাথে জড়িত থাকাও ঈমানী দায়িত্ব। এটুকু না থাকলে অন্তর মরে যায়। ঈমানে ঘুণ ধরে।
একজন দায়িত্ববান কাফের ব্যক্তিও নিজের পরিবারের জন্য রোজগার করে, কিংবা সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব পালন করে।
মুসলিম হিসেবে তাহলে তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য কোথায় থাকল?
একজন সচেতন মুসলিমের কাজ হবে অল্প করে হলেও যেকোনো উপায়ে দ্বীনের কাফেলার সাথে যুক্ত থাকা। এর অর্থ এই না যে, সব বিষয়েই আপনাকে নাক ডুবাতে হবে। আপনি একই সাথে বিশটা কোর্স করবেন, সাথে হিফজও করতে চাইবেন, সাথে হালাক্বাও করবেন - এতকিছু হয়তোবা বাস্তবে আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। কিছুদিন পর আপনি হাপিয়ে উঠবেন এবং সবকিছু থেকেই ইস্তফা দিয়ে দেবেন। তারচাইতে উত্তম হলো, অন্তত একটা-দুটো বিষয়ে গুরুত্ব ও আন্তরিকার সাথে জড়িত হওয়া। এমনভাবে লেগে থাকা যেন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও সেটা কখনোই ছুটে না যায়।
আজকাল অনেক ভাইবোনকে দেখবেন, তারা কোর্স পেলেই ছুটে যাচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইন কোর্স ও রেকর্ডেড ক্লাস থাকার সুবাদে সবাই ভাবে - এত সুযোগ-সুবিধা তাহলে ক্লাসটাতে ঢুকেই যাই! কিন্তু শেষপর্যন্ত তারা এ ক্লাসগুলোর কোনোটাই ঠিকভাবে করে না। রেকর্ডিং তো আছেই, এই আশায় লাইভ ক্লাসে জয়েন করে না। এরপর নানান ব্যস্ততা, অজুহাত আর শয়তানের ধোঁকায় রেকর্ডিংও শোনা হয় না। ক্লাস কিনে ফেলে রাখা হয় খালি। ফলে সত্যিকার অর্থে কিছুই তারা শিখতে পারে না। হয়ত বড়জোর একটা সার্টিফিকেট পায়। আল্লাহ আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে হেফাজত করুক। উস্তাদের দারসে না বসলে আপনি নিজে নিজে কীভাবে শিখবেন?
এরচেয়ে উত্তম হলো - নিজের অবস্থান, সামর্থ্য ও পারিপার্শ্বিকতা বুঝে কমিটমেন্ট করা। অতি উৎসাহে আকাশকুসুম কল্পনা করে লাফিয়ে পড়ে সবকিছু করতে চাওয়া বোকামিরই শামিল। বরং বুঝেশুনে একটা বিষয়ে কমিটেড হওয়া এবং ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা উত্তম।
এই শিক্ষা আমরা হাদীস থেকেও পেয়ে থাকি -
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন, যে আমল নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। তিনি আরো বলেন, তোমরা সাধ্যের অতীত কাজ নিজেদের ওপর চাপিয়ে নিও না।
(সহিহ বুখারী)
এবার বলি, ব্যস্ততার ব্যাপারে। এটা সত্যি জীবনের কিছু পর্যায়ে আমরা সত্যিই ব্যস্ত হয়ে পড়ি৷ দায়দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে খাবি খেতে হয়। তবে এই বিশ্বাস রাখা চাই, আল্লাহ তা'আলার দিকে পা বাড়ালে তিনি দ্বীন এবং দুনিয়া সবকিছুই সহজ করে দেন। এমন অনেক সময় হয়েছে যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় কোনো কাজ করার নিয়ত করেছি, এরপর দেখা গেল, সেদিন বাচ্চারাও সহজে খেয়ে নিচ্ছে, নিজেরা নিজেরা খেলে ঘুমিয়ে পড়ছে, বা অন্য কোনো উপায়ে কাজটা করার একটা সুযোগ হয়ে গেছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কঠিনের মধ্যেও এমন একটা অনুকূল পরিস্থিতি আল্লাহ তা'আলা তৈরি করে দিলেন যে তাঁর জন্য করতে চাওয়া কাজটা আঞ্জাম দেয়া সহজ হয়ে গেল। অন্যান্য দিন হয়তো এতটা সময় বের করার কথা চিন্তাও করা যেতো না। আপনি যখন মন থেকে আল্লাহর জন্য কাজ করার নিয়ত করবেন এবং প্রকৃতপক্ষেই সেই কাজের জন্য চেষ্টা জারি রাখবেন, তখন তিনিই আপনার জন্য পথ খুলে দেবেন। আল্লাহ তা'আলা এভাবেই তাঁর সৈনিকদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাহ দেন। যারা তাঁর দ্বীনের জন্য খাটবে, খেদমত করবে, তাদের জীবনে নানান অকল্পনীয় নিয়ামত, বারাকাহ ও সমৃদ্ধির দেখা দিবে।
যখন আমরা ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে দ্বীনের কাজ থেকে পিছিয়ে পড়ি, তখন দেখা যায় আমরা অনেকেই অন্য কোনোভাবে ফিতনায় জড়িয়ে পড়ছি। হয়তো নিজের অজান্তেই সময় নষ্ট করছি, মোবাইল বেশি ঘাটছি, অযথা ব্যাপারে নাক গলাচ্ছি ইত্যাদি। অথচ একটা লক্ষ্য স্থির করে ভালো কাজ করার নিয়ত করলে এইসব ফালতু বিষয়ে সময় ও মন দেয়ার অবস্থাই থাকতো না। বরং ভালো আমলের প্রভাবে আমরা অনেক গুনাহ ও অপ্রয়োজনীয় বস্তু থেকে বেঁচে থাকতে পারতাম।
উপরে যা আলোচনা করলাম, আমাদেরকে এই দুই ধোঁকা থেকেই দূরে থাকতে হবে।
১) আমলের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি: অতি আবেগে সবকিছুতে জড়িয়ে কদিন পরে হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং প্র্যাকটিকালি চিন্তাভাবনা করে নিজের সাধ্য অনুযায়ী কমিটমেন্টে যেতে হবে এবং তা নিয়ে সিরিয়াস থাকতে হবে। তা নাহলে কোনো ফল আশা করা যায় না।
২য় অংশ👇
২) নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া: অতিরিক্ত ব্যস্ততা-ঝামেলার অজুহাতে দ্বীনের কাজ থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে রাখা যাবে না। মনে রাখবেন, দুনিয়ার জীবন একটাই। আর দুনিয়াতে ব্যস্ততা বাড়বে বৈ কমবে না। এর মধ্যেই আল্লাহর বান্দারা যা কাজ করার করে নেবে।
তাই আসুন আমরা ছোট হলেও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিছু সময় ব্যয় করার নিয়ত করি। হতে পারে সেটা অল্প কিছু, হতে পারে সামান্য কিছুই, কিন্তু নিয়মিত হতে হবে। দ্বীন ও ঈমানের চর্চায় লেগে থাকবে হবে। এরপর আল্লাহ তা'আলাই আমাদের বাকি কাজগুলো সহজ করে দেবেন।
#আমলের_ক্ষেত্রে_মধ্যমপন্থা
#দ্বীনের_কাফেলায়_যুক্ত_থাকা
তাই আসুন আমরা ছোট হলেও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিছু সময় ব্যয় করার নিয়ত করি। হতে পারে সেটা অল্প কিছু, হতে পারে সামান্য কিছুই, কিন্তু নিয়মিত হতে হবে। দ্বীন ও ঈমানের চর্চায় লেগে থাকবে হবে। এরপর আল্লাহ তা'আলাই আমাদের বাকি কাজগুলো সহজ করে দেবেন।
#আমলের_ক্ষেত্রে_মধ্যমপন্থা
#দ্বীনের_কাফেলায়_যুক্ত_থাকা
“২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কেএম হাসানকে বিএনপির লোক আখ্যা দিয়ে তার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলে তিনি আন্দোলন শুরু করেছিলেন- যাতে তিনি তত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে না পারেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করে দেশে এক ভয়াবহ অরাজকতাও তৈরি করা হয়েছিল। জাতির প্রশ্ন- দলীয় লোক বিবেচনায় বিচারপতি কেএম হাসানের অধীনে যদি সুষ্ঠূ নির্বাচন সম্ভব না হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?”
- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
ভারপ্রাপ্ত আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
ভারপ্রাপ্ত আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
❤5
গাজা, ফিলিস্তিন
যে ভূখন্ড এখন একটি মৃত্যুপুরী। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বোমা হামলায় নিহত হচ্ছেন অজস্র মানুষ। আহতদের কেউ কেউ পেয়েছেন পঙ্গুত্ব বা আজীবন বিকলাঙ্গের বোঝা।
পশ্চিমা মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলের এই বিভীষিকাকে হিরোশিমার ভয়াবহতার সঙ্গে তুলনা করেছেন পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক সেমুর হার্শ। তার মতে, চলমান এ হামলায় গাজায় ১২ হাজার টন বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল যা জাপানের হিরোশিমায় ফেলা বোমার সমান।
আগ্রাসন শুরুর পর থেকে গাজা উপত্যকায় প্রতি বর্গ কিলোমিটারে গড়ে ৩৩ টন বিস্ফোরক ছোড়া হয়েছে। ইসরাইলের ক্রমাগত আক্রমণে প্রতি ১০০ জন নাগরিকের মধ্যে একজন নিহত বা আহত হয়েছেন। মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১.৪ মিলিয়নে পৌঁছেছে, যা উপত্যকার জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ। চলমান হামলায় আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ সাদা ফসফরাস ব্যবহার করা হয়েছে যা আহতদের দেহের পোড়া এবং চামড়া গলে যাওয়া থেকে স্পষ্ট।
#GazaGenocide
#IsraeliCrimes
#SaveGaza
যে ভূখন্ড এখন একটি মৃত্যুপুরী। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বোমা হামলায় নিহত হচ্ছেন অজস্র মানুষ। আহতদের কেউ কেউ পেয়েছেন পঙ্গুত্ব বা আজীবন বিকলাঙ্গের বোঝা।
পশ্চিমা মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলের এই বিভীষিকাকে হিরোশিমার ভয়াবহতার সঙ্গে তুলনা করেছেন পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক সেমুর হার্শ। তার মতে, চলমান এ হামলায় গাজায় ১২ হাজার টন বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল যা জাপানের হিরোশিমায় ফেলা বোমার সমান।
আগ্রাসন শুরুর পর থেকে গাজা উপত্যকায় প্রতি বর্গ কিলোমিটারে গড়ে ৩৩ টন বিস্ফোরক ছোড়া হয়েছে। ইসরাইলের ক্রমাগত আক্রমণে প্রতি ১০০ জন নাগরিকের মধ্যে একজন নিহত বা আহত হয়েছেন। মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১.৪ মিলিয়নে পৌঁছেছে, যা উপত্যকার জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ। চলমান হামলায় আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ সাদা ফসফরাস ব্যবহার করা হয়েছে যা আহতদের দেহের পোড়া এবং চামড়া গলে যাওয়া থেকে স্পষ্ট।
#GazaGenocide
#IsraeliCrimes
#SaveGaza
🤬4
১০জুন সমাবেশ করার জন্য অনুমতি পাওয়া জামায়াত ইসলামী এখন কিভাবে অবৈধ হয়ে গেলো? কিভাবে যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী হয়ে গেলো?
তাহলে দেশোদ্রহীতার অপরাধে এখন বিপ্লব কুমারদের শাস্তি হওয়া উচিৎ-
হয়ত একটি স্বাধীনতা বিরোধী দলকে ১০জুন সমাবেশের অনুমতি দেয়ার কারনে,
নয়ত দেশের সংবিধান ও আইনের ভুল ব্যাখ্যা করার কারনে।
তাহলে দেশোদ্রহীতার অপরাধে এখন বিপ্লব কুমারদের শাস্তি হওয়া উচিৎ-
হয়ত একটি স্বাধীনতা বিরোধী দলকে ১০জুন সমাবেশের অনুমতি দেয়ার কারনে,
নয়ত দেশের সংবিধান ও আইনের ভুল ব্যাখ্যা করার কারনে।
🔥6
আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপি-জামায়াতের মহাসমাবেশের দুদিন আগে সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর ও আমিনবাজার এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে জোর তল্লাশি শুরু করছে পুলিশ।
#28October2023
#StepDownHasina
#Dhaka
#28October2023
#StepDownHasina
#Dhaka
🤬6
আপনার এলাকায় ইন্টারনেট এর গতি কেমন? (এখানে কমেন্ট করে জানান।)
দেশের অধিকাংশ IIG এর অপারেশনাল ডাটা সেন্টার রাজধানীর মহাখালীর যে বিল্ডিং এ সেখানে আগুন লাগার কিংবা লাগানোর ঘটনা ঘটেছে।
২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ কে ঘিরে স্বৈরাচার সরকারের এই ধরণের অপতৎপরতা বলে মনে করছেন কি? আমরা অতীতেও এমন চিত্র দেখে এসেছি যে, বড় কোন বিক্ষোভের আভাস পেলেই ইন্টারনেট শাট ডাউন করে দেয় স্বৈরাচার হাসিনার অবৈধ সরকার।
#StepDownHasina
#28October2023
#SaveBangladesh
দেশের অধিকাংশ IIG এর অপারেশনাল ডাটা সেন্টার রাজধানীর মহাখালীর যে বিল্ডিং এ সেখানে আগুন লাগার কিংবা লাগানোর ঘটনা ঘটেছে।
২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ কে ঘিরে স্বৈরাচার সরকারের এই ধরণের অপতৎপরতা বলে মনে করছেন কি? আমরা অতীতেও এমন চিত্র দেখে এসেছি যে, বড় কোন বিক্ষোভের আভাস পেলেই ইন্টারনেট শাট ডাউন করে দেয় স্বৈরাচার হাসিনার অবৈধ সরকার।
#StepDownHasina
#28October2023
#SaveBangladesh
🤬4
Forwarded from প্রিয় বাংলাদেশ
২৮ তারিখে ঢাকায় বড় আন্দোলনকে সামনে রেখে মহাখালীর মোবাইল ডাটা প্রোভাইডার বিল্ডিং এ আগুন লাগাকে সরকারি ষড়যন্ত্র মনে করেন কি??
আমি হ্যাঁ। আপনি
আমি হ্যাঁ। আপনি
Anonymous Poll
90%
হ্যাঁ
5%
না
5%
স্বাভাবিক
👍1