"গতকালের সংবাদ সম্মেলনের সারমর্ম"
আগামীকালকের মধ্যে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার এবং ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ সকল শিক্ষার্থীদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থী গণহত্যার সাথে জড়িত মন্ত্রী পর্যায় থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত সকল দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে পরশুদিন থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন কঠিন কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে।
পরশুদিন থেকে চলমান কর্মসূচি,
সারা বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা, উপজেলা ও নগরকেন্দ্রিক "হেলথ ফোর্স" গঠন করে আহত-নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি, এবং আহত-নিহত ছাত্র-নাগরিক ও তাদের পরিবারকে মানসিক ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সেইসাথে "লিগ্যাল ফোর্স" গঠন করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ডকুমেন্টেশন এবং যাদের আইনী সাহায্যের প্রয়োজন তাদেরকে সেই সাহায্যের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় ইউনিট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সমন্বয় করবে।
আগামীকালকের কর্মসূচিঃ
সারাদেশের দেয়ালগুলোতে আগামীকাল গ্রাফিতি ও দেয়াললিখন কর্মসূচি করা হবে।
(বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)
আগামীকালকের মধ্যে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার এবং ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ সকল শিক্ষার্থীদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থী গণহত্যার সাথে জড়িত মন্ত্রী পর্যায় থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত সকল দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে পরশুদিন থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন কঠিন কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে।
পরশুদিন থেকে চলমান কর্মসূচি,
সারা বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা, উপজেলা ও নগরকেন্দ্রিক "হেলথ ফোর্স" গঠন করে আহত-নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি, এবং আহত-নিহত ছাত্র-নাগরিক ও তাদের পরিবারকে মানসিক ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সেইসাথে "লিগ্যাল ফোর্স" গঠন করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ডকুমেন্টেশন এবং যাদের আইনী সাহায্যের প্রয়োজন তাদেরকে সেই সাহায্যের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় ইউনিট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সমন্বয় করবে।
আগামীকালকের কর্মসূচিঃ
সারাদেশের দেয়ালগুলোতে আগামীকাল গ্রাফিতি ও দেয়াললিখন কর্মসূচি করা হবে।
(বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুলিশ অথবা পুলিশের পরিবারের কেউ মারা গেলে কি পড়া উচিত আসলে? কেউ এভাবে হত্যা করতে পারে কাউকে?
#BDPoliceBrutality
#BDPoliceBrutality
😢14
এখন পর্যন্ত আমাদের যেসব সমন্বয়কবৃন্দকে সাদা পোশাকে ডিবি তুলে নিয়ে গেছে বলে আমরা খোজ পেয়েছিঃ
১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম
৭. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম
৭. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
😢22
২৮ জুলাই ২০২৪, পলাশী, ঢাকা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের গ্রাফিতি কর্মসূচী।
আমরা কিছু সমমনা কার্টুনিস্ট এবং চারুকলার স্টুডেন্টরা পলাশীর মোড়ে জড়ো হই এবং বুয়েটের দেয়ালে শান্তিপূর্নভাবে দেয়াল লিখন করতে থাকি একপর্যায়ে পুলিশ এসে আমাদের কর্মসূচিতে বাধা দেয়। হঠাৎ এসেই এক ছোট ভাইকে ঘাড়ে ধরে টেনে হিচড়ে গাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলো পুলিশ। এত লোক, সবাই দাঁড়িয়ে লেখাগুলো পড়লো, দেখলো, জুস সাধলো অথচ প্রয়োজনের সময় প্রত্যক্ষ সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসলো না। এলেন কিছু সম্ভবত বুয়েটের কিছু সিকিউরিটি গার্ড।( তাদের সঠিক পরিচয় আমার জানা নেই।) পুলিশকে বললেন "আমরা সরিয়ে দিচ্ছি ওদের। আপনারা ছেড়ে দেন প্লিজ" তখনও পুলিশ সাকিবকে সর্বোচ্চ শক্তি ধরে টানছে আর আমরা সবাই ওকে টেনে ধরে রেখেছি। তারপর আমাদের সরিয়ে দেয়ার জন্য পেছনে পেছন আসলো ওরা। হাত থেকে টেনে রং ফেলো দিলো রাস্তায়। আজীবনের মামলা দেয়ার হুমকি দিলো। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে যখন বাড়ি ফিরছিলাম সবাই কেবল কিছু লাইন মাথায় ঘুরছিল। "মাগো, ওরা আমার বলার, লেখার অধিকার কাইরা নিতে চায়।" কিন্তু তখন আর কিছুই যায় আসে না। সৃষ্টিকর্তা সহায় ছিলেন নিশ্চয়ই, আমরা তখন একসাথে বিজয়ীর বেশে ফিরে আসছি, কারণ ইতিমধ্যে আমাদের কাজ হয়ে গেছে।
১৮ কোটি মানুষের দেশ কয়জনকে দাবায়ে রাখবা কতদিন দাবায়ে রাখবা?
[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদে এক শিক্ষার্থীর পোস্ট]
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের গ্রাফিতি কর্মসূচী।
আমরা কিছু সমমনা কার্টুনিস্ট এবং চারুকলার স্টুডেন্টরা পলাশীর মোড়ে জড়ো হই এবং বুয়েটের দেয়ালে শান্তিপূর্নভাবে দেয়াল লিখন করতে থাকি একপর্যায়ে পুলিশ এসে আমাদের কর্মসূচিতে বাধা দেয়। হঠাৎ এসেই এক ছোট ভাইকে ঘাড়ে ধরে টেনে হিচড়ে গাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলো পুলিশ। এত লোক, সবাই দাঁড়িয়ে লেখাগুলো পড়লো, দেখলো, জুস সাধলো অথচ প্রয়োজনের সময় প্রত্যক্ষ সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসলো না। এলেন কিছু সম্ভবত বুয়েটের কিছু সিকিউরিটি গার্ড।( তাদের সঠিক পরিচয় আমার জানা নেই।) পুলিশকে বললেন "আমরা সরিয়ে দিচ্ছি ওদের। আপনারা ছেড়ে দেন প্লিজ" তখনও পুলিশ সাকিবকে সর্বোচ্চ শক্তি ধরে টানছে আর আমরা সবাই ওকে টেনে ধরে রেখেছি। তারপর আমাদের সরিয়ে দেয়ার জন্য পেছনে পেছন আসলো ওরা। হাত থেকে টেনে রং ফেলো দিলো রাস্তায়। আজীবনের মামলা দেয়ার হুমকি দিলো। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে যখন বাড়ি ফিরছিলাম সবাই কেবল কিছু লাইন মাথায় ঘুরছিল। "মাগো, ওরা আমার বলার, লেখার অধিকার কাইরা নিতে চায়।" কিন্তু তখন আর কিছুই যায় আসে না। সৃষ্টিকর্তা সহায় ছিলেন নিশ্চয়ই, আমরা তখন একসাথে বিজয়ীর বেশে ফিরে আসছি, কারণ ইতিমধ্যে আমাদের কাজ হয়ে গেছে।
১৮ কোটি মানুষের দেশ কয়জনকে দাবায়ে রাখবা কতদিন দাবায়ে রাখবা?
[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদে এক শিক্ষার্থীর পোস্ট]
👍10
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
• মা"রা যাওয়ার ১৫ মিনিট পুর্বেও তিনি এভাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে যাচ্ছিলেন.!😭
_ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের Mir Mugdho
_ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের Mir Mugdho
😢21