শাটডাউন বাস্তবায়নের নির্দেশনা:
হাসপাতাল, গণমাধ্যম, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত সরকারি-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
যদি খোলা থাকে এবং এর ফলে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তার জন্য আন্দোলনকারীরা দায়ী থাকবে না। আগামীকাল যারাই আন্দোলনে নামবেন, সাথে তালা রাখবেন। প্রয়োজন হতে পারে।
রেলপথ কমপ্লিট শাটডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। সড়কপথে এ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমের বাহন, জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহন ছাড়া আর কোন গাড়ি চলবে না।
হাসপাতাল, গণমাধ্যম, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত সরকারি-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
যদি খোলা থাকে এবং এর ফলে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তার জন্য আন্দোলনকারীরা দায়ী থাকবে না। আগামীকাল যারাই আন্দোলনে নামবেন, সাথে তালা রাখবেন। প্রয়োজন হতে পারে।
রেলপথ কমপ্লিট শাটডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। সড়কপথে এ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমের বাহন, জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহন ছাড়া আর কোন গাড়ি চলবে না।
❤18
আমি আসিফ মাহমুদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক
গত শুক্রবার ১৯ জুলাই রাত ১১ টায় আমাকে হাতিরঝিলের, মহানগর আবাসিক এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হয়। না মানায় ইনজেকশন দিয়ে সেন্সলেস করে রাখা হয়। এই চার/পাঁচদিনে যতবার জ্ঞান ফিরেছে ততবার ইনজেকশন দিয়ে সেন্সলেস করে রাখা হয়। আজ ২৪ জুলাই, বুধবার সকাল ১১ টায় আবার একই জায়গায় চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে দিয়ে যায়৷
এখন আমি পরিবারের সাথে হাসপাতালে চিকিৎসারত আছি৷ এই কয়দিনে যা ঘটেছে তা জানার চেষ্টা করছি। কিছুটা সুস্থ হলেই সমন্বয়কদের সাথে কথা বলে আন্দোলনের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবো।
গত শুক্রবার ১৯ জুলাই রাত ১১ টায় আমাকে হাতিরঝিলের, মহানগর আবাসিক এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হয়। না মানায় ইনজেকশন দিয়ে সেন্সলেস করে রাখা হয়। এই চার/পাঁচদিনে যতবার জ্ঞান ফিরেছে ততবার ইনজেকশন দিয়ে সেন্সলেস করে রাখা হয়। আজ ২৪ জুলাই, বুধবার সকাল ১১ টায় আবার একই জায়গায় চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে দিয়ে যায়৷
এখন আমি পরিবারের সাথে হাসপাতালে চিকিৎসারত আছি৷ এই কয়দিনে যা ঘটেছে তা জানার চেষ্টা করছি। কিছুটা সুস্থ হলেই সমন্বয়কদের সাথে কথা বলে আন্দোলনের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবো।
😢27👍3❤2
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ৩৭০টি মৃতদেহ!
.
মিটোফোর্ড হাসপাতালে ৪৫০ টি মৃতদেহ!
.
যাত্রাবাড়ী অনাবিল হাসপাতালে ৩৯ টি মৃতদেহ।
.
উত্তরায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে একদিনে ৬০ টি মৃতদেহ!
আর নিউজে দেখলাম (১৫০) আহা জীবন।😭
.
মিটোফোর্ড হাসপাতালে ৪৫০ টি মৃতদেহ!
.
যাত্রাবাড়ী অনাবিল হাসপাতালে ৩৯ টি মৃতদেহ।
.
উত্তরায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে একদিনে ৬০ টি মৃতদেহ!
আর নিউজে দেখলাম (১৫০) আহা জীবন।😭
😢80👍4
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ
আশা করি সকলেই ভালো আছেন
এখন থেকে পোস্ট করা হবে ইন শা আল্লাহ 💔💔
আশা করি সকলেই ভালো আছেন
এখন থেকে পোস্ট করা হবে ইন শা আল্লাহ 💔💔
👍4
খালিদ বিন ওয়ালিদকে পারস্যের সেনাপতি জিজ্ঞেস করলো, “তোমাদের সাথে কেউই যুদ্ধে পারে না কেনো? সবাইকে তোমরা কীভাবে পরাজিত করো?”
উত্তরে খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, “আমরা লড়াই করা মরার জন্য, তোমরা লড়াই করো বাঁচার জন্য। আমরা যুদ্ধে আসি এটা ভেবে, এটাই আমাদের শেষ যুদ্ধ। এখান থেকে আমরা ফিরতে পারবো না। আর তোমরা যুদ্ধে আসো এটা ভেবে, যুদ্ধ শেষে উপভোগ করবে।”
এই উক্তিটা কতোটা বাস্তব, এই উক্তি কতোটা সাহস জোগায় সেটা আবু সাঈদকে দেখে বুঝা যায়।
সে তো কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করছে। আন্দোলন সফল হলে সে পড়তে বসবে, বিসিএসের প্রস্তুতি নিবে, সরকারি চাকরি হবে। তার স্বার্থ হাসিল হবে। এমনটাই তো হবার কথা।
সে বুক চেতিয়ে শাহাদাতবরণ করলো কেনো?
কারণ, সে নিজের স্বার্থের জন্য আসেনি।
সে বেঁচে থাকার জন্য যুদ্ধে নামেনি।
এই স্পিরিট শুধু আবু সাঈদের না, এই মুহূর্তে প্রত্যেক আন্দোলনকারীদের।
এই মুহূর্তে তারা কেউ স্বার্থের জন্য মাঠে নেই।
তারা জীবন বাজি রেখে মাঠে আছে।
এমন স্পিরিট, এমন বীরদের কীভাবে আটকাবে বলো?
হাতে তেমন অস্ত্র নেই। অথচ সশস্ত্র বাহিনীকে তারা তাড়া দিচ্ছে।
কীভাবে সম্ভব?
উত্তরটা খালিদ বিন ওয়ালিদের সেই উত্তর- “আমরা মরতে এসেছি, তোমরা এসেছো বেঁচে থাকতে!”
উত্তরে খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, “আমরা লড়াই করা মরার জন্য, তোমরা লড়াই করো বাঁচার জন্য। আমরা যুদ্ধে আসি এটা ভেবে, এটাই আমাদের শেষ যুদ্ধ। এখান থেকে আমরা ফিরতে পারবো না। আর তোমরা যুদ্ধে আসো এটা ভেবে, যুদ্ধ শেষে উপভোগ করবে।”
এই উক্তিটা কতোটা বাস্তব, এই উক্তি কতোটা সাহস জোগায় সেটা আবু সাঈদকে দেখে বুঝা যায়।
সে তো কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করছে। আন্দোলন সফল হলে সে পড়তে বসবে, বিসিএসের প্রস্তুতি নিবে, সরকারি চাকরি হবে। তার স্বার্থ হাসিল হবে। এমনটাই তো হবার কথা।
সে বুক চেতিয়ে শাহাদাতবরণ করলো কেনো?
কারণ, সে নিজের স্বার্থের জন্য আসেনি।
সে বেঁচে থাকার জন্য যুদ্ধে নামেনি।
এই স্পিরিট শুধু আবু সাঈদের না, এই মুহূর্তে প্রত্যেক আন্দোলনকারীদের।
এই মুহূর্তে তারা কেউ স্বার্থের জন্য মাঠে নেই।
তারা জীবন বাজি রেখে মাঠে আছে।
এমন স্পিরিট, এমন বীরদের কীভাবে আটকাবে বলো?
হাতে তেমন অস্ত্র নেই। অথচ সশস্ত্র বাহিনীকে তারা তাড়া দিচ্ছে।
কীভাবে সম্ভব?
উত্তরটা খালিদ বিন ওয়ালিদের সেই উত্তর- “আমরা মরতে এসেছি, তোমরা এসেছো বেঁচে থাকতে!”
❤21👍2
ভিপিএন ঝুঁকিপূর্ণ, ব্যাবহার করবেন না। এতে ব্যাংক একাউন্ট সহ সব কিছু হ্যাক হতে পারে। -
আমার মতো যারা গরীব তারা নির্দ্বিধায় ভিপিএন ইউজ করেন, আমাদের জীবনের নিরাপত্তা না থাকলেও ব্যাংকে টাকা না থাকার স্বস্তি আছে 🥰🥰
পলক
আমার মতো যারা গরীব তারা নির্দ্বিধায় ভিপিএন ইউজ করেন, আমাদের জীবনের নিরাপত্তা না থাকলেও ব্যাংকে টাকা না থাকার স্বস্তি আছে 🥰🥰
😁17👍2
একে একে আমাদের সব সমন্বয়কদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে; বাকি আছি আমরা তিন-চারজন। যদি আমাদেরকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, নির্দেশনা দেয়ার মতো কেউ না থাকে; আপনারা নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করবেন না। নিজেরা-ই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিবেন, আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। মনে রাখবেন, আমরা-ই এই প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা। আমাদের অনেক দায়বদ্ধতা আছে, সারাদেশের মানুষ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমাদের অনেক ভাই-বোন অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিছে, আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। আমরা তাঁদের সেই ত্যাগকে বৃথা যেতে দিব না, দেশবাসীর নিকট এটাই আমাদের অঙ্গীকার।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ৯ দফা দাবী আদায় না হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলনান থাকবে। এটাই শেষ কথা। মনে রাখবেন, পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে উপনীত হইছে, আপনি রুখে দাঁড়ান কিংবা না দাঁড়ান; আপনার ক্ষতি অবধারিত! একেবারে সমূলে বিনাশ করে দিবে৷ ভয়ে চুপসে গেলে আরো বিপদ; বরং রুখে দাঁড়ালে এই ভয়াবহ অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে৷ অবশ্যই যাবে, বিগত দিনে আমাদের এমন বীরত্বের দৃষ্টান্ত আছে।
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ৯ দফা দাবী আদায় না হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলনান থাকবে। এটাই শেষ কথা। মনে রাখবেন, পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে উপনীত হইছে, আপনি রুখে দাঁড়ান কিংবা না দাঁড়ান; আপনার ক্ষতি অবধারিত! একেবারে সমূলে বিনাশ করে দিবে৷ ভয়ে চুপসে গেলে আরো বিপদ; বরং রুখে দাঁড়ালে এই ভয়াবহ অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে৷ অবশ্যই যাবে, বিগত দিনে আমাদের এমন বীরত্বের দৃষ্টান্ত আছে।
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤12
"গতকালের সংবাদ সম্মেলনের সারমর্ম"
আগামীকালকের মধ্যে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার এবং ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ সকল শিক্ষার্থীদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থী গণহত্যার সাথে জড়িত মন্ত্রী পর্যায় থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত সকল দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে পরশুদিন থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন কঠিন কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে।
পরশুদিন থেকে চলমান কর্মসূচি,
সারা বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা, উপজেলা ও নগরকেন্দ্রিক "হেলথ ফোর্স" গঠন করে আহত-নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি, এবং আহত-নিহত ছাত্র-নাগরিক ও তাদের পরিবারকে মানসিক ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সেইসাথে "লিগ্যাল ফোর্স" গঠন করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ডকুমেন্টেশন এবং যাদের আইনী সাহায্যের প্রয়োজন তাদেরকে সেই সাহায্যের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় ইউনিট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সমন্বয় করবে।
আগামীকালকের কর্মসূচিঃ
সারাদেশের দেয়ালগুলোতে আগামীকাল গ্রাফিতি ও দেয়াললিখন কর্মসূচি করা হবে।
(বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)
আগামীকালকের মধ্যে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার এবং ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ সকল শিক্ষার্থীদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থী গণহত্যার সাথে জড়িত মন্ত্রী পর্যায় থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত সকল দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে পরশুদিন থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন কঠিন কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে।
পরশুদিন থেকে চলমান কর্মসূচি,
সারা বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা, উপজেলা ও নগরকেন্দ্রিক "হেলথ ফোর্স" গঠন করে আহত-নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি, এবং আহত-নিহত ছাত্র-নাগরিক ও তাদের পরিবারকে মানসিক ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সেইসাথে "লিগ্যাল ফোর্স" গঠন করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ডকুমেন্টেশন এবং যাদের আইনী সাহায্যের প্রয়োজন তাদেরকে সেই সাহায্যের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় ইউনিট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সমন্বয় করবে।
আগামীকালকের কর্মসূচিঃ
সারাদেশের দেয়ালগুলোতে আগামীকাল গ্রাফিতি ও দেয়াললিখন কর্মসূচি করা হবে।
(বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুলিশ অথবা পুলিশের পরিবারের কেউ মারা গেলে কি পড়া উচিত আসলে? কেউ এভাবে হত্যা করতে পারে কাউকে?
#BDPoliceBrutality
#BDPoliceBrutality
😢14
এখন পর্যন্ত আমাদের যেসব সমন্বয়কবৃন্দকে সাদা পোশাকে ডিবি তুলে নিয়ে গেছে বলে আমরা খোজ পেয়েছিঃ
১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম
৭. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম
৭. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
😢22