রাজ্যপ্রধান যখন রাষ্ট্রের সবচেয়ে গরিবদের তালিকায়.
বেনজিরদের জন্য শ্রেষ্ঠ নজির.
হিমসের গভর্ণর সাঈদ ইবনে আমির আল জুমাহি (রা.).
হিমস থেকে কিছু বিশ্বস্ত লোক মদিনায় আসলেন। আমীরুল মুমিনীন উমার (রা.) তাদেরকে বললেন, 'তোমাদের গরীব-মিসকীনদের একটা তালিকা তোমরা আমাকে দাও। আমি তাদেরকে কিছু সাহায্য করবো। তারা একটি তালিকা প্রস্তুত করে 'উমারকে (রা) দিল। তাতে অন্যান্যের সংগে সা'ঈদ ইবন 'আমিরের নামটিও ছিল। খলীফা জিজ্ঞেস করলেন, 'এ সা'ঈদ ইবন 'আমির কে?' তারা বললো, 'আমাদের আমীর।' তিনি জিজ্ঞেস করলেন, 'তোমাদের আমীরও কি এতো গরীব?'
তারা বললোঃ হ্যাঁ। আল্লাহর কসম! একাধারে কয়েকদিন যাবত তাঁর বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি চড়ে না।'
একথা শুনে খলীফা 'উমার এত কাঁদলেন যে, চোখের পানিতে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তারপর এক হাজার দিনার একটি থলিতে ভরে বললেন, 'আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে: আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণের জন্য আমীরুল মু'মিনীন এ অর্থ পাঠিয়েছেন।
কিন্তু সেই অর্থও মুহুর্তের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী মিলে গরীবদের বিতরণ করে দেন।
আল্লাহু আকবার।
-সিদ্দিক আহমেদ
বেনজিরদের জন্য শ্রেষ্ঠ নজির.
হিমসের গভর্ণর সাঈদ ইবনে আমির আল জুমাহি (রা.).
হিমস থেকে কিছু বিশ্বস্ত লোক মদিনায় আসলেন। আমীরুল মুমিনীন উমার (রা.) তাদেরকে বললেন, 'তোমাদের গরীব-মিসকীনদের একটা তালিকা তোমরা আমাকে দাও। আমি তাদেরকে কিছু সাহায্য করবো। তারা একটি তালিকা প্রস্তুত করে 'উমারকে (রা) দিল। তাতে অন্যান্যের সংগে সা'ঈদ ইবন 'আমিরের নামটিও ছিল। খলীফা জিজ্ঞেস করলেন, 'এ সা'ঈদ ইবন 'আমির কে?' তারা বললো, 'আমাদের আমীর।' তিনি জিজ্ঞেস করলেন, 'তোমাদের আমীরও কি এতো গরীব?'
তারা বললোঃ হ্যাঁ। আল্লাহর কসম! একাধারে কয়েকদিন যাবত তাঁর বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি চড়ে না।'
একথা শুনে খলীফা 'উমার এত কাঁদলেন যে, চোখের পানিতে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তারপর এক হাজার দিনার একটি থলিতে ভরে বললেন, 'আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে: আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণের জন্য আমীরুল মু'মিনীন এ অর্থ পাঠিয়েছেন।
কিন্তু সেই অর্থও মুহুর্তের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী মিলে গরীবদের বিতরণ করে দেন।
আল্লাহু আকবার।
-সিদ্দিক আহমেদ
🥰9
কোরবানীর আগে আগে ওদের বিজ্ঞাপনটা অনেকটা পাগলকে সাঁকো না নাড়ানোর অনুরোধের মতোই হয়েছে। পণ্য বয়*কটের মুভমেন্ট খানিকটা ঝিমিয়ে পড়েছিল। এবার নতুন করে আরো চাঙ্গা হবে।
যেকোন আগ্রা*সনের বিপক্ষে অবস্থান নিন। যার যতটুকু সম্ভব ইসলাম বি*দ্বেষী ও জা*লিমদের পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকুন। ধীরে ধীরে এটা অভ্যাসে পরিণত করুন। পণ্য ব*র্জন কতোটা শক্তিশালী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মালয়েশিয়াতে তা স্বচক্ষে অবলোকন করছি। এখানে ম্যাকডোনাল্ড এবং স্টারবাকস অনেকটা আই*সিউতে।
ব*র্জন এবং জনসচেতনতা চলবে একইসাথে। শুধু পণ্যই নয়, ইস*লাম বি*দ্বেষী সবকিছুকেই ব*র্জন করতে হবে। এবারের ঈদ হোক ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত, হোক চিহ্নিত সকল ইস*লাম বি*দ্বেষী পণ্যমুক্ত।
- মিজানুর রহমান আজহারী
যেকোন আগ্রা*সনের বিপক্ষে অবস্থান নিন। যার যতটুকু সম্ভব ইসলাম বি*দ্বেষী ও জা*লিমদের পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকুন। ধীরে ধীরে এটা অভ্যাসে পরিণত করুন। পণ্য ব*র্জন কতোটা শক্তিশালী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মালয়েশিয়াতে তা স্বচক্ষে অবলোকন করছি। এখানে ম্যাকডোনাল্ড এবং স্টারবাকস অনেকটা আই*সিউতে।
ব*র্জন এবং জনসচেতনতা চলবে একইসাথে। শুধু পণ্যই নয়, ইস*লাম বি*দ্বেষী সবকিছুকেই ব*র্জন করতে হবে। এবারের ঈদ হোক ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত, হোক চিহ্নিত সকল ইস*লাম বি*দ্বেষী পণ্যমুক্ত।
- মিজানুর রহমান আজহারী
❤5
ঘুম নিয়ে সচেতন হই...
ইদানিং স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগের কথা বেশ শুনতে পাচ্ছি। এটি এমন একটি রোগ যখন ঘুমন্ত ব্যক্তির কাছে মনে হয় যে, তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। এই বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে বেশ কিছু জরুরি তথ্য পেলাম, যা আমাদের সবার জন্যই জানা প্রয়োজনীয়।
এটি খুবই মারাত্মক একটি সমস্যা। ক্লাসিক যুগের ইসলামিক স্কলারেরা এই রোগটিকে জাছুম হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইবনে আল মানজুর এ রোগটিকে কাবুসের সাথে তুলনা করেছেন। কাবুস হলো এক ধরনের অনিষ্টকর স্বত্ত্বা, যা ঘুমের ভেতর মানুষের ওপর এসে ভর করে।
ইবনে সিনা তার আল কানুন গ্রন্থে বলেছেন, ঘুমুনোর পর কিছু মানুষ অনুভব করে যে কেউ তার ওপর চেপে আছে, যে তাকে পিষ্ট করে ফেলতে চাইছে; ফলে সে দম নিতে পারে না। এ অবস্থায় সে নড়াচড়া করতে পারেনা, কথা বলতে পারে না। যখন এই ভর করা বিষয়টি চলে যায়, সাথে সাথে ঘুমন্ত মানুষটির ঘুম ভেঙে যায়। এরকম পরিণতি ফ্যাটি লিভারসহ শারীরিক নানা কারণে হতে পারে আবার ভিন্ন কারণেও হতে পারে।”
আধুনিক সময়ের চিকিৎসাবীদদের ব্যাখ্যা একটু অন্যরকম। ড. হাসান শামসি বাশা এই কাবুসকে দুটোভাগে ভাগ করেছেন। একটি হলো সাময়িক কাবুস- যা শারীরিক কারণে হয়। অন্যটি হলো পুনরাবৃত্তি হয় এমন কাবুস। তার মতে, এটি হয় মূলত জ্বীনের প্রভাবে।
তিনি তার স্লিপ, ইনসোমনিয়া এন্ড ড্রিমস গ্রন্থে বলেছেন, “কিছু মানুষ আছেন যারা ঘুমুনোর পর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাষ্প তাদের মস্তিষ্কে উঠে যায়, তাই আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন যে তিনি নড়াচড়া করতে বা কথা বলতে পারেন না। এতে করে তিনি এক ধরনের আতঙ্ক বোধ করেন। অনেকের ক্ষেত্রে মৃগি রোগীদের মতো খিঁচুনি দেখা দেয়। কোনো ব্যক্তি যখন প্রচন্ড মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মধ্যে থাকে তখন তার সাথে এমনটি হতে পারে। আর যাদের নিয়মিতভাবেই এমনটা হয় তাদের ক্ষেত্রে এটি হয় খারাপ জ্বীন বা অনিষ্টকর কোনো স্বত্ত্বার প্রভাবে।
ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ঘুম ভালো হওয়ার বেশ কিছু উপায় পাওয়া যায়। ঘুমুনোর পর যেন অশুভ কোনো স্বত্ত্বার আসা যাওয়া না হয়, তা নিশ্চিতে নবিজি সা. কিছু আমলও বাতলে দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, ঘুমকে খুব সাদামাটা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের রুহটা উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই ঘুম এক ধরনের মৃত্যুর মতোন। আল্লাহ পাক বলেন,
“
এক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে
আল্লাহ আমাদের এই আমলগুলো করার তাওফিক দিন। সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
- আলি আহমদ মাবরুর
"রাতের আমল"
ইদানিং স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগের কথা বেশ শুনতে পাচ্ছি। এটি এমন একটি রোগ যখন ঘুমন্ত ব্যক্তির কাছে মনে হয় যে, তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। এই বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে বেশ কিছু জরুরি তথ্য পেলাম, যা আমাদের সবার জন্যই জানা প্রয়োজনীয়।
এটি খুবই মারাত্মক একটি সমস্যা। ক্লাসিক যুগের ইসলামিক স্কলারেরা এই রোগটিকে জাছুম হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইবনে আল মানজুর এ রোগটিকে কাবুসের সাথে তুলনা করেছেন। কাবুস হলো এক ধরনের অনিষ্টকর স্বত্ত্বা, যা ঘুমের ভেতর মানুষের ওপর এসে ভর করে।
ইবনে সিনা তার আল কানুন গ্রন্থে বলেছেন, ঘুমুনোর পর কিছু মানুষ অনুভব করে যে কেউ তার ওপর চেপে আছে, যে তাকে পিষ্ট করে ফেলতে চাইছে; ফলে সে দম নিতে পারে না। এ অবস্থায় সে নড়াচড়া করতে পারেনা, কথা বলতে পারে না। যখন এই ভর করা বিষয়টি চলে যায়, সাথে সাথে ঘুমন্ত মানুষটির ঘুম ভেঙে যায়। এরকম পরিণতি ফ্যাটি লিভারসহ শারীরিক নানা কারণে হতে পারে আবার ভিন্ন কারণেও হতে পারে।”
আধুনিক সময়ের চিকিৎসাবীদদের ব্যাখ্যা একটু অন্যরকম। ড. হাসান শামসি বাশা এই কাবুসকে দুটোভাগে ভাগ করেছেন। একটি হলো সাময়িক কাবুস- যা শারীরিক কারণে হয়। অন্যটি হলো পুনরাবৃত্তি হয় এমন কাবুস। তার মতে, এটি হয় মূলত জ্বীনের প্রভাবে।
তিনি তার স্লিপ, ইনসোমনিয়া এন্ড ড্রিমস গ্রন্থে বলেছেন, “কিছু মানুষ আছেন যারা ঘুমুনোর পর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাষ্প তাদের মস্তিষ্কে উঠে যায়, তাই আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন যে তিনি নড়াচড়া করতে বা কথা বলতে পারেন না। এতে করে তিনি এক ধরনের আতঙ্ক বোধ করেন। অনেকের ক্ষেত্রে মৃগি রোগীদের মতো খিঁচুনি দেখা দেয়। কোনো ব্যক্তি যখন প্রচন্ড মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মধ্যে থাকে তখন তার সাথে এমনটি হতে পারে। আর যাদের নিয়মিতভাবেই এমনটা হয় তাদের ক্ষেত্রে এটি হয় খারাপ জ্বীন বা অনিষ্টকর কোনো স্বত্ত্বার প্রভাবে।
ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ঘুম ভালো হওয়ার বেশ কিছু উপায় পাওয়া যায়। ঘুমুনোর পর যেন অশুভ কোনো স্বত্ত্বার আসা যাওয়া না হয়, তা নিশ্চিতে নবিজি সা. কিছু আমলও বাতলে দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, ঘুমকে খুব সাদামাটা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের রুহটা উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই ঘুম এক ধরনের মৃত্যুর মতোন। আল্লাহ পাক বলেন,
“
আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার ক্ষেত্রে প্রাণ হরণ হয় তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রাণ আর ফিরিয়ে দেন না আর যাদের হায়াত আছে তাদের প্রাণ ফিরিয়ে দেন তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।” (সুরা যুমার: ৪২)
এক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে
প্রথম করনীয় হলো, ঘুমানোর আগে বিছানা ও নিজের পোশাক ভালোভাবে ঝেড়ে নেয়া। রাসূল সা. বলেছেন, “যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি শয্যা গ্রহণ করতে যায়, তখন সে যেন তার লুঙ্গির ভেতর দিক দিয়ে নিজ বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ, সে জানে না যে, বিছানার উপর তার অনুপস্থিতিতে পীড়াদায়ক কোন কিছু আছে কিনা।” (বুখারি: ৬৩২০)দ্বিতীয় সমাধান হলো, ঘুমানোর আগে জিকির, দোয়া পাঠ করা। জিকির করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লে সর্বোত্তম। ঘুমের দোয়ার পাশাপাশি, আয়াতুল কুরসি, সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত, তাসবীহ, তাহমিদ ও তাকবীর পাঠ, সুরা কাফিরুন ও সুরা নাসসহ চার কুল তেলাওয়াত করা ইত্যাদি।
আল্লাহ আমাদের এই আমলগুলো করার তাওফিক দিন। সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
- আলি আহমদ মাবরুর
"রাতের আমল"
👍6❤5
কোকাকোলার সেল ২৩% ফল করেছে (আল জাজিরা)। এই ঈদে লেটস মেক ইট ৫০% ইনশাআল্লাহ ।
১.
দোকানে দোকানে উৎসাহিত করুন। তাদের স্মরণ করিয়ে দিন রিজিকের মালিক একমাত্র।আর-রাজ্জাক।
২.
জুমআর খুতবায় ইমাম সাহেবদেরকে দিয়ে বলানোর চেষ্টা করুন।
৩.
রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধুরা দলবল মিলে যান। প্রচুর খাবার অর্ডার করতে গিয়ে ক্যানসেল করুন। বলুন: কোক বেচেন তাই খেলাম না।
৪.
কোক-পেপসি জাতীয় যা আছে সব বাদ দিয়ে এই ঈদে দেশী পণ্যগুলো খান। এগুলো একটা সিজন ফ্রিজে দোকানে পড়ে থাক।
৫.
ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে অনলাইন সয়লাব করুন। প্রফেশনাল হতে হবে না। এমনি বন্ধুবান্ধবরা মিলে এন্টি-কোক ভিডিও দশটা বানিয়ে ছেড়ে দিন।
৬.
কোক কাউকে সামনে খেতে দেখলে এমনভাবে তার দিকে তাকান যেন সে কেবল পাগলাগারদ থেকে ছাড়া পাইছে।
৭.
লিফলেট দিন যেকোনো জমায়েতে।
৮.
ঈদের নামাযের আগে বাংলা আলোচনায় এবং দুআতে ইমাম সাহেব যেন অবশ্যই ফিলিস্তিন এবং প্রাসঙ্গিকভাবে ঐ দেশের পণ্য ( স্পেসিফিক্যালি কোক) বয়কটের কথা বলেন, সেটা নিশ্চিত করা।
১.
দোকানে দোকানে উৎসাহিত করুন। তাদের স্মরণ করিয়ে দিন রিজিকের মালিক একমাত্র।আর-রাজ্জাক।
২.
জুমআর খুতবায় ইমাম সাহেবদেরকে দিয়ে বলানোর চেষ্টা করুন।
৩.
রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধুরা দলবল মিলে যান। প্রচুর খাবার অর্ডার করতে গিয়ে ক্যানসেল করুন। বলুন: কোক বেচেন তাই খেলাম না।
৪.
কোক-পেপসি জাতীয় যা আছে সব বাদ দিয়ে এই ঈদে দেশী পণ্যগুলো খান। এগুলো একটা সিজন ফ্রিজে দোকানে পড়ে থাক।
৫.
ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে অনলাইন সয়লাব করুন। প্রফেশনাল হতে হবে না। এমনি বন্ধুবান্ধবরা মিলে এন্টি-কোক ভিডিও দশটা বানিয়ে ছেড়ে দিন।
৬.
কোক কাউকে সামনে খেতে দেখলে এমনভাবে তার দিকে তাকান যেন সে কেবল পাগলাগারদ থেকে ছাড়া পাইছে।
৭.
লিফলেট দিন যেকোনো জমায়েতে।
৮.
ঈদের নামাযের আগে বাংলা আলোচনায় এবং দুআতে ইমাম সাহেব যেন অবশ্যই ফিলিস্তিন এবং প্রাসঙ্গিকভাবে ঐ দেশের পণ্য ( স্পেসিফিক্যালি কোক) বয়কটের কথা বলেন, সেটা নিশ্চিত করা।
❤14👍1
সুরা আনআম তিলাওয়াত করতে গিয়ে ১২৩ নং আয়াতের শেষাংশে আসতেই কোকাকোলার বিজ্ঞাপনটার কথা মনে পড়লো। আয়াতটা হলো-
وَ مَا یَمۡكُرُوۡنَ اِلَّا بِاَنۡفُسِهِمۡ وَ مَا یَشۡعُرُوۡنَ
"প্রকৃতপক্ষে তাদের চক্রান্তের ফল তাদের নিজেদের বিরুদ্ধেই যায়। কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করতে পারে না।"
"আব্দুল্লাহ আল-মামুন"
وَ مَا یَمۡكُرُوۡنَ اِلَّا بِاَنۡفُسِهِمۡ وَ مَا یَشۡعُرُوۡنَ
"প্রকৃতপক্ষে তাদের চক্রান্তের ফল তাদের নিজেদের বিরুদ্ধেই যায়। কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করতে পারে না।"
"আব্দুল্লাহ আল-মামুন"
❤16
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফ্যাসিবাদরা তাকিয়ে দেখো ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করা যায়নি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
👉আলোর পথ
প্রিয় ভাই রাজিবুর রহমান
সাবেক সি.পি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
👉আলোর পথ
❤16👍3
মৃত্যুর পূর্বে একজন পিতা তার সন্তানকে কাছে ডেকে বললেন, "এই নাও! এই ঘড়িটা আজ আমি তোমাকে দিলাম। আমাকে দিয়েছিলো তোমার দাদা। ঘড়িটা দুশো বছর আগের। তবে, ঘড়িটা নেওয়ার আগে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে"।
ছেলেটা বললো, 'কি কাজ বাবা?'
- 'ঘড়িটা নিয়ে রাস্তার পাশের ঘড়ির দোকানে যাবে। তাদের বলবে যে এই ঘড়ি তুমি বিক্রি করতে চাও'। কত দেবে শুনে এসো।
ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা রাস্তার পাশের একটা ঘড়ির দোকানে বিক্রি করতে নিয়ে গেলো। সে ফিরে এলে তার বাবা বললো, 'ঘড়ির দোকানদার কতো টাকা দিতে চাইলো ঘড়িটার বিনিময়ে?'
ছেলেটা বললো, 'একশো টাকা মাত্র। ঘড়িটা নাকি অনেক পুরাতন, তাই'।
বাবা বললেন, 'এবার পাশের কফি শপে যাও। তাদেরকে বলো যে তুমি এই ঘড়ি বিক্রি করতে চাও'।
ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা নিয়ে পাশের এক কফি শপে গেলো৷ ফিরে এলে তার বাবা জানতে চাইলো, 'কি বললো ওরা?'
- 'ওরা তো এটা নিতেই চাইলো না। বললো, এতো পুরোনো, নোংরা ঘড়ি দিয়ে আমাদের কি হবে?'
বাবা হাসলেন। বললেন, 'এবার তুমি এই ঘড়ি নিয়ে জাদুঘরে যাও। তাদের বলো যে এই ঘড়িটা আজ থেকে দুই'শতো বছর আগের'।
ছেলেটা এবারও তা-ই করলো। সে ঘড়িটা নিয়ে জাদুঘরে গেলো। ফিরে এলে তার বাবা বললো, 'কি বললো ওরা?'
- 'ওরা তো ঘড়িটা দেখে চমকে উঠেছে প্রায়! তারা এই ঘড়ির দাম বাবদ এক লক্ষ টাকা দিতে চাইলো আমাকে'।
ছেলের কথা শুনে বাবা হাসলেন। বললেন, " আমি তোমাকে এটাই শিখাতে চাচ্ছিলাম যে, যারা তোমার মূল্য বুঝবে, তারা ঠিকই তোমাকে মূল্যায়ন করবে। আর যারা তোমার মূল্য বুঝবেনা, তারা কোনোদিনও তোমাকে মূল্যায়ন করবে না। তাই, যারা তোমাকে মূল্যায়ন করবে না তাদের দেখে হতাশ হয়ে পড়ো না। তারা তোমার মূল্য বুঝতে অক্ষম। তুমি তাদের নিয়েই চলো যারা তোমার মুল্য বুঝতে পারে এবং মূল্যায়ন করে।
[সংগ্রহীত]
ছেলেটা বললো, 'কি কাজ বাবা?'
- 'ঘড়িটা নিয়ে রাস্তার পাশের ঘড়ির দোকানে যাবে। তাদের বলবে যে এই ঘড়ি তুমি বিক্রি করতে চাও'। কত দেবে শুনে এসো।
ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা রাস্তার পাশের একটা ঘড়ির দোকানে বিক্রি করতে নিয়ে গেলো। সে ফিরে এলে তার বাবা বললো, 'ঘড়ির দোকানদার কতো টাকা দিতে চাইলো ঘড়িটার বিনিময়ে?'
ছেলেটা বললো, 'একশো টাকা মাত্র। ঘড়িটা নাকি অনেক পুরাতন, তাই'।
বাবা বললেন, 'এবার পাশের কফি শপে যাও। তাদেরকে বলো যে তুমি এই ঘড়ি বিক্রি করতে চাও'।
ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা নিয়ে পাশের এক কফি শপে গেলো৷ ফিরে এলে তার বাবা জানতে চাইলো, 'কি বললো ওরা?'
- 'ওরা তো এটা নিতেই চাইলো না। বললো, এতো পুরোনো, নোংরা ঘড়ি দিয়ে আমাদের কি হবে?'
বাবা হাসলেন। বললেন, 'এবার তুমি এই ঘড়ি নিয়ে জাদুঘরে যাও। তাদের বলো যে এই ঘড়িটা আজ থেকে দুই'শতো বছর আগের'।
ছেলেটা এবারও তা-ই করলো। সে ঘড়িটা নিয়ে জাদুঘরে গেলো। ফিরে এলে তার বাবা বললো, 'কি বললো ওরা?'
- 'ওরা তো ঘড়িটা দেখে চমকে উঠেছে প্রায়! তারা এই ঘড়ির দাম বাবদ এক লক্ষ টাকা দিতে চাইলো আমাকে'।
ছেলের কথা শুনে বাবা হাসলেন। বললেন, " আমি তোমাকে এটাই শিখাতে চাচ্ছিলাম যে, যারা তোমার মূল্য বুঝবে, তারা ঠিকই তোমাকে মূল্যায়ন করবে। আর যারা তোমার মূল্য বুঝবেনা, তারা কোনোদিনও তোমাকে মূল্যায়ন করবে না। তাই, যারা তোমাকে মূল্যায়ন করবে না তাদের দেখে হতাশ হয়ে পড়ো না। তারা তোমার মূল্য বুঝতে অক্ষম। তুমি তাদের নিয়েই চলো যারা তোমার মুল্য বুঝতে পারে এবং মূল্যায়ন করে।
[সংগ্রহীত]
❤13👍3
তুমি আছো ক্রিকেট আর ফুটবলের রং তামাশা নিয়ে!
এদিকে শত্রু বাহিনী তোমার ভূমি নিচ্ছে কেড়ে!
কথা: সংগৃহীত
এদিকে শত্রু বাহিনী তোমার ভূমি নিচ্ছে কেড়ে!
হায়রে সেন্টমার্টিন!
কথা: সংগৃহীত
😢10👍3
“আরাফার ময়দান- রহমত ও বরকতের দীপাধার”
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সূর্য যখন ঢলে যাচ্ছিল তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বেলাল (রাঃ) কে বললেন, হে বেলাল লোকদেরকে চুপ থাকতে বলো।
বেলাল (রাঃ) দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন, হে লোক সকল আপনারা চুপ থাকুন। রাসূলুল্লাহ ﷺ দাঁড়িয়ে বললেন, “হে সম্মানিত উপস্থিতি! একটু আগে জিবরাঈল (আঃ) আমার কাছে এসে রবের পক্ষ থেকে সালাম জানিয়ে বললেন আল্লাহ তাআলা আপনার, আরাফার ময়দানে অবস্থানকারীদের এবং হজে অংশগ্রহণকারীদের মাফ করে দিয়েছেন।”
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে রাসূলুল্লাহ ﷺ এই ক্ষমা কি বিশেষভাবে আমাদের জন্য?’ নবীজি বললেন, ‘না! এই ক্ষমা তোমাদের জন্য এবং কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের পরবর্তী লোকদের জন্য।’ তখন উমর (রাঃ) দোয়া করলেন, আল্লাহ তায়ালার রহমত ও বরকত অনন্ত ও অসীম হোক।
.
ইবনে মুবারক রহিমাহুল্লাহ সুফিয়ান সাওরীকে রহিমাহুল্লাকে আরাফার দিনে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আজকের এই সমাবেশে সবচেয়ে দুর্ভাগা কে?’ তিনি বললেন, ‘যে এই ধারণা করে যে আল্লাহ তায়ালা তাকে মাফ করেননি।’
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সূর্য যখন ঢলে যাচ্ছিল তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বেলাল (রাঃ) কে বললেন, হে বেলাল লোকদেরকে চুপ থাকতে বলো।
বেলাল (রাঃ) দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন, হে লোক সকল আপনারা চুপ থাকুন। রাসূলুল্লাহ ﷺ দাঁড়িয়ে বললেন, “হে সম্মানিত উপস্থিতি! একটু আগে জিবরাঈল (আঃ) আমার কাছে এসে রবের পক্ষ থেকে সালাম জানিয়ে বললেন আল্লাহ তাআলা আপনার, আরাফার ময়দানে অবস্থানকারীদের এবং হজে অংশগ্রহণকারীদের মাফ করে দিয়েছেন।”
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে রাসূলুল্লাহ ﷺ এই ক্ষমা কি বিশেষভাবে আমাদের জন্য?’ নবীজি বললেন, ‘না! এই ক্ষমা তোমাদের জন্য এবং কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের পরবর্তী লোকদের জন্য।’ তখন উমর (রাঃ) দোয়া করলেন, আল্লাহ তায়ালার রহমত ও বরকত অনন্ত ও অসীম হোক।
.
ইবনে মুবারক রহিমাহুল্লাহ সুফিয়ান সাওরীকে রহিমাহুল্লাকে আরাফার দিনে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আজকের এই সমাবেশে সবচেয়ে দুর্ভাগা কে?’ তিনি বললেন, ‘যে এই ধারণা করে যে আল্লাহ তায়ালা তাকে মাফ করেননি।’
❤7
বর্তমানে এই ফিতনার যুগে একজন দ্বীনদার পরহেজগার বন্ধু পাওয়া বড়ই দুষ্কর। প্রায় অধিকাংশ যুবক দুনিয়ার মোহে গ্রাস হয়ে গিয়েছে। এমন কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহন করা প্রয়োজন—যে ব্যক্তি আমাকে রবের পথে অটল রাখবেন সহজেই ছিটকে যেতে দিবেন না।
(আমিন)
বন্ধু সিলেকশন
চায়ের চুমুক, ইলম অর্জন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উপস্থিত, একসাথেই কোরআন তেলওয়াত, একসাথেই দ্বীনের দাওয়াতে প্রসার ঘটানো-এমন বন্ধু আমাদের জন্য নসীব হোক।
(আমিন)
বন্ধু সিলেকশন
❤17😁1