হে প্রিয় ভাই/বোন আপনি কি নিয়মিত দাওয়াতি কাজ করেন?
Anonymous Poll
45%
হ্যা
19%
না
35%
মাঝেমধ্যে করি
2%
দাওয়াতি কাজ সম্পর্কে আগে জানতাম না
আলহামদুলিল্লাহ! ঐতিহ্যবাহী জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর ২০২৪ সেশনের বাকি সময়ের জন্য সেট-আপ সম্পন্ন হয়েছে। পরিচালক জাহিদুল ইসলাম এবং সহকারী পরিচালক হাফেজ নিয়ামুল হোসাইন ।
আল্লাহ তা'য়ালা প্রিয় ভাইদের মেধা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি করে দিন এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
#SaimumShilpigosthi
#Saimum
#saimumnew
আল্লাহ তা'য়ালা প্রিয় ভাইদের মেধা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি করে দিন এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
#SaimumShilpigosthi
#Saimum
#saimumnew
❤23👍4
কোকাকোলা ইসরাঈলী পণ্য আজ পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞাপনে কোক তা অস্বীকার করেনি! সুতরাং আর যত যুক্তিই দাঁড় করাক না কেন, কোকসহ ইসরাঈলী পণ্য বর্জন চলবেই।
-মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত
#BoycottCocacola
#BoycottIsraelProducts
-মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত
#BoycottCocacola
#BoycottIsraelProducts
❤29👍2
রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,
কোমলতা কোনো জিনিসে থাকলে তা তাকে শুধু সুশোভিতই করে এবং কোনো জিনিস থেকে কোমলতা উঠিয়ে নেওয়া হলে তা তাকে শুধু ক্রুটিযুক্তই করে।
( সহিহ মুসলিম :২৫৯৪)
#collected
কোমলতা কোনো জিনিসে থাকলে তা তাকে শুধু সুশোভিতই করে এবং কোনো জিনিস থেকে কোমলতা উঠিয়ে নেওয়া হলে তা তাকে শুধু ক্রুটিযুক্তই করে।
( সহিহ মুসলিম :২৫৯৪)
#collected
❤18
১৯৯৬ সালের খ্রিষ্টান মিশনারিদের কিছু তথ্য তুলে ধরছি :
-খ্রিষ্টান সংস্থাগুলোর সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ছিল ১৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
-মিশনারি সংস্থার সংখ্যা ২৩৩০০ টি অপারেটিং সংস্থায় পৌছেছে।
-যেসব মিশনারি সংস্থা মিশনারিদের বাইরে প্রেরন করে, তার সংখ্যা ছিল ৪৫০০ টি।
-নিজ দেশের ভিতরে যেসব খ্রিষ্টান কাজ করে, তাদের সংখ্যা হলো ৪৬৩৫৫০০ জন। আর যারা দেশের বাইরে কাজ করে তাদের সংখ্যা হলো ৩৯৮০০০ জন।
-আর শুধু এই বছরে ইনজিলের যে কপি বিতরণ করা হয়েছিল, তার সংখ্যা হলো ১৭৮৩১৭০০০ টি।
-খ্রিষ্টান ম্যাগাজিন ও সাময়িকীর সংখ্যা ছিল ৩০১০০ টি। তাদের কাছে ৩২০০টি রেডিও এবং টেলিভিশন স্টেশন রয়েছে যা ধর্মান্তরিতকরণে নিযুক্ত।
- খ্রিষ্টান মিশনারী সংস্থাগুলোতে কম্পিউটার ডিভাইসের সংখ্যা হলো ৬০৬৯৬১০০ টি।
হে প্রিয় ভাই,
নিশ্চয়ই দাওয়াতি উপায় এবং তার পদ্ধতির সহজতা এবং তার আধিক্য ও বৈচিত্র্যর দাবি হলো মহান এই কাজে অলসতা না করে ময়দানে ছোটা।
-খ্রিষ্টান সংস্থাগুলোর সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ছিল ১৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
-মিশনারি সংস্থার সংখ্যা ২৩৩০০ টি অপারেটিং সংস্থায় পৌছেছে।
-যেসব মিশনারি সংস্থা মিশনারিদের বাইরে প্রেরন করে, তার সংখ্যা ছিল ৪৫০০ টি।
-নিজ দেশের ভিতরে যেসব খ্রিষ্টান কাজ করে, তাদের সংখ্যা হলো ৪৬৩৫৫০০ জন। আর যারা দেশের বাইরে কাজ করে তাদের সংখ্যা হলো ৩৯৮০০০ জন।
-আর শুধু এই বছরে ইনজিলের যে কপি বিতরণ করা হয়েছিল, তার সংখ্যা হলো ১৭৮৩১৭০০০ টি।
-খ্রিষ্টান ম্যাগাজিন ও সাময়িকীর সংখ্যা ছিল ৩০১০০ টি। তাদের কাছে ৩২০০টি রেডিও এবং টেলিভিশন স্টেশন রয়েছে যা ধর্মান্তরিতকরণে নিযুক্ত।
- খ্রিষ্টান মিশনারী সংস্থাগুলোতে কম্পিউটার ডিভাইসের সংখ্যা হলো ৬০৬৯৬১০০ টি।
হে প্রিয় ভাই,
নিশ্চয়ই দাওয়াতি উপায় এবং তার পদ্ধতির সহজতা এবং তার আধিক্য ও বৈচিত্র্যর দাবি হলো মহান এই কাজে অলসতা না করে ময়দানে ছোটা।
বই: আপনিও হতে পারেন একজন দায়ি
😢9❤3👍1
‘ভূমিতে যা প্রবেশ করে, ভূমি থেকে যা বের হয়, আকাশ থেকে যা নেমে আসে আর আকাশে যা উঠে যায়, তিনি সবকিছুই জানেন। তিনিই পরম দয়ালু, ক্ষমাশীল।
[ সুরা সাবা, ৩৪ : ২ ]
[ সুরা সাবা, ৩৪ : ২ ]
❤15
মনে হচ্ছে হযরতে বেলাল যেন নবীজির মসজিদে এসে দাঁড়িয়েছে। আজান দিচ্ছে আর আজানের ফাঁকে ফাঁকে মেহরাবের দিকে তাকিয়ে পেয়ারা নবীকে খুঁজছে...😥😥😥❤️🥰❤️
❤21
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পবিত্র কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় অন্য হজযাত্রীদের তাকবিরে নেতৃত্ব দিচ্ছে ছোট্ট এক শিশু!
ইয়া দয়াময় আল্লাহ, তোমার ঘরে উপস্থিত সকলের হজ কবুল করো এবং যারা যেতে পারেনি তাদেরও যাওয়ার তৌফিক দান করুন।
ইয়া দয়াময় আল্লাহ, তোমার ঘরে উপস্থিত সকলের হজ কবুল করো এবং যারা যেতে পারেনি তাদেরও যাওয়ার তৌফিক দান করুন।
❤27
রাজ্যপ্রধান যখন রাষ্ট্রের সবচেয়ে গরিবদের তালিকায়.
বেনজিরদের জন্য শ্রেষ্ঠ নজির.
হিমসের গভর্ণর সাঈদ ইবনে আমির আল জুমাহি (রা.).
হিমস থেকে কিছু বিশ্বস্ত লোক মদিনায় আসলেন। আমীরুল মুমিনীন উমার (রা.) তাদেরকে বললেন, 'তোমাদের গরীব-মিসকীনদের একটা তালিকা তোমরা আমাকে দাও। আমি তাদেরকে কিছু সাহায্য করবো। তারা একটি তালিকা প্রস্তুত করে 'উমারকে (রা) দিল। তাতে অন্যান্যের সংগে সা'ঈদ ইবন 'আমিরের নামটিও ছিল। খলীফা জিজ্ঞেস করলেন, 'এ সা'ঈদ ইবন 'আমির কে?' তারা বললো, 'আমাদের আমীর।' তিনি জিজ্ঞেস করলেন, 'তোমাদের আমীরও কি এতো গরীব?'
তারা বললোঃ হ্যাঁ। আল্লাহর কসম! একাধারে কয়েকদিন যাবত তাঁর বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি চড়ে না।'
একথা শুনে খলীফা 'উমার এত কাঁদলেন যে, চোখের পানিতে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তারপর এক হাজার দিনার একটি থলিতে ভরে বললেন, 'আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে: আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণের জন্য আমীরুল মু'মিনীন এ অর্থ পাঠিয়েছেন।
কিন্তু সেই অর্থও মুহুর্তের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী মিলে গরীবদের বিতরণ করে দেন।
আল্লাহু আকবার।
-সিদ্দিক আহমেদ
বেনজিরদের জন্য শ্রেষ্ঠ নজির.
হিমসের গভর্ণর সাঈদ ইবনে আমির আল জুমাহি (রা.).
হিমস থেকে কিছু বিশ্বস্ত লোক মদিনায় আসলেন। আমীরুল মুমিনীন উমার (রা.) তাদেরকে বললেন, 'তোমাদের গরীব-মিসকীনদের একটা তালিকা তোমরা আমাকে দাও। আমি তাদেরকে কিছু সাহায্য করবো। তারা একটি তালিকা প্রস্তুত করে 'উমারকে (রা) দিল। তাতে অন্যান্যের সংগে সা'ঈদ ইবন 'আমিরের নামটিও ছিল। খলীফা জিজ্ঞেস করলেন, 'এ সা'ঈদ ইবন 'আমির কে?' তারা বললো, 'আমাদের আমীর।' তিনি জিজ্ঞেস করলেন, 'তোমাদের আমীরও কি এতো গরীব?'
তারা বললোঃ হ্যাঁ। আল্লাহর কসম! একাধারে কয়েকদিন যাবত তাঁর বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি চড়ে না।'
একথা শুনে খলীফা 'উমার এত কাঁদলেন যে, চোখের পানিতে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তারপর এক হাজার দিনার একটি থলিতে ভরে বললেন, 'আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে: আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণের জন্য আমীরুল মু'মিনীন এ অর্থ পাঠিয়েছেন।
কিন্তু সেই অর্থও মুহুর্তের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী মিলে গরীবদের বিতরণ করে দেন।
আল্লাহু আকবার।
-সিদ্দিক আহমেদ
🥰9
কোরবানীর আগে আগে ওদের বিজ্ঞাপনটা অনেকটা পাগলকে সাঁকো না নাড়ানোর অনুরোধের মতোই হয়েছে। পণ্য বয়*কটের মুভমেন্ট খানিকটা ঝিমিয়ে পড়েছিল। এবার নতুন করে আরো চাঙ্গা হবে।
যেকোন আগ্রা*সনের বিপক্ষে অবস্থান নিন। যার যতটুকু সম্ভব ইসলাম বি*দ্বেষী ও জা*লিমদের পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকুন। ধীরে ধীরে এটা অভ্যাসে পরিণত করুন। পণ্য ব*র্জন কতোটা শক্তিশালী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মালয়েশিয়াতে তা স্বচক্ষে অবলোকন করছি। এখানে ম্যাকডোনাল্ড এবং স্টারবাকস অনেকটা আই*সিউতে।
ব*র্জন এবং জনসচেতনতা চলবে একইসাথে। শুধু পণ্যই নয়, ইস*লাম বি*দ্বেষী সবকিছুকেই ব*র্জন করতে হবে। এবারের ঈদ হোক ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত, হোক চিহ্নিত সকল ইস*লাম বি*দ্বেষী পণ্যমুক্ত।
- মিজানুর রহমান আজহারী
যেকোন আগ্রা*সনের বিপক্ষে অবস্থান নিন। যার যতটুকু সম্ভব ইসলাম বি*দ্বেষী ও জা*লিমদের পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকুন। ধীরে ধীরে এটা অভ্যাসে পরিণত করুন। পণ্য ব*র্জন কতোটা শক্তিশালী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মালয়েশিয়াতে তা স্বচক্ষে অবলোকন করছি। এখানে ম্যাকডোনাল্ড এবং স্টারবাকস অনেকটা আই*সিউতে।
ব*র্জন এবং জনসচেতনতা চলবে একইসাথে। শুধু পণ্যই নয়, ইস*লাম বি*দ্বেষী সবকিছুকেই ব*র্জন করতে হবে। এবারের ঈদ হোক ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত, হোক চিহ্নিত সকল ইস*লাম বি*দ্বেষী পণ্যমুক্ত।
- মিজানুর রহমান আজহারী
❤5
ঘুম নিয়ে সচেতন হই...
ইদানিং স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগের কথা বেশ শুনতে পাচ্ছি। এটি এমন একটি রোগ যখন ঘুমন্ত ব্যক্তির কাছে মনে হয় যে, তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। এই বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে বেশ কিছু জরুরি তথ্য পেলাম, যা আমাদের সবার জন্যই জানা প্রয়োজনীয়।
এটি খুবই মারাত্মক একটি সমস্যা। ক্লাসিক যুগের ইসলামিক স্কলারেরা এই রোগটিকে জাছুম হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইবনে আল মানজুর এ রোগটিকে কাবুসের সাথে তুলনা করেছেন। কাবুস হলো এক ধরনের অনিষ্টকর স্বত্ত্বা, যা ঘুমের ভেতর মানুষের ওপর এসে ভর করে।
ইবনে সিনা তার আল কানুন গ্রন্থে বলেছেন, ঘুমুনোর পর কিছু মানুষ অনুভব করে যে কেউ তার ওপর চেপে আছে, যে তাকে পিষ্ট করে ফেলতে চাইছে; ফলে সে দম নিতে পারে না। এ অবস্থায় সে নড়াচড়া করতে পারেনা, কথা বলতে পারে না। যখন এই ভর করা বিষয়টি চলে যায়, সাথে সাথে ঘুমন্ত মানুষটির ঘুম ভেঙে যায়। এরকম পরিণতি ফ্যাটি লিভারসহ শারীরিক নানা কারণে হতে পারে আবার ভিন্ন কারণেও হতে পারে।”
আধুনিক সময়ের চিকিৎসাবীদদের ব্যাখ্যা একটু অন্যরকম। ড. হাসান শামসি বাশা এই কাবুসকে দুটোভাগে ভাগ করেছেন। একটি হলো সাময়িক কাবুস- যা শারীরিক কারণে হয়। অন্যটি হলো পুনরাবৃত্তি হয় এমন কাবুস। তার মতে, এটি হয় মূলত জ্বীনের প্রভাবে।
তিনি তার স্লিপ, ইনসোমনিয়া এন্ড ড্রিমস গ্রন্থে বলেছেন, “কিছু মানুষ আছেন যারা ঘুমুনোর পর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাষ্প তাদের মস্তিষ্কে উঠে যায়, তাই আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন যে তিনি নড়াচড়া করতে বা কথা বলতে পারেন না। এতে করে তিনি এক ধরনের আতঙ্ক বোধ করেন। অনেকের ক্ষেত্রে মৃগি রোগীদের মতো খিঁচুনি দেখা দেয়। কোনো ব্যক্তি যখন প্রচন্ড মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মধ্যে থাকে তখন তার সাথে এমনটি হতে পারে। আর যাদের নিয়মিতভাবেই এমনটা হয় তাদের ক্ষেত্রে এটি হয় খারাপ জ্বীন বা অনিষ্টকর কোনো স্বত্ত্বার প্রভাবে।
ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ঘুম ভালো হওয়ার বেশ কিছু উপায় পাওয়া যায়। ঘুমুনোর পর যেন অশুভ কোনো স্বত্ত্বার আসা যাওয়া না হয়, তা নিশ্চিতে নবিজি সা. কিছু আমলও বাতলে দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, ঘুমকে খুব সাদামাটা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের রুহটা উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই ঘুম এক ধরনের মৃত্যুর মতোন। আল্লাহ পাক বলেন,
“
এক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে
আল্লাহ আমাদের এই আমলগুলো করার তাওফিক দিন। সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
- আলি আহমদ মাবরুর
"রাতের আমল"
ইদানিং স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগের কথা বেশ শুনতে পাচ্ছি। এটি এমন একটি রোগ যখন ঘুমন্ত ব্যক্তির কাছে মনে হয় যে, তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। এই বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে বেশ কিছু জরুরি তথ্য পেলাম, যা আমাদের সবার জন্যই জানা প্রয়োজনীয়।
এটি খুবই মারাত্মক একটি সমস্যা। ক্লাসিক যুগের ইসলামিক স্কলারেরা এই রোগটিকে জাছুম হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইবনে আল মানজুর এ রোগটিকে কাবুসের সাথে তুলনা করেছেন। কাবুস হলো এক ধরনের অনিষ্টকর স্বত্ত্বা, যা ঘুমের ভেতর মানুষের ওপর এসে ভর করে।
ইবনে সিনা তার আল কানুন গ্রন্থে বলেছেন, ঘুমুনোর পর কিছু মানুষ অনুভব করে যে কেউ তার ওপর চেপে আছে, যে তাকে পিষ্ট করে ফেলতে চাইছে; ফলে সে দম নিতে পারে না। এ অবস্থায় সে নড়াচড়া করতে পারেনা, কথা বলতে পারে না। যখন এই ভর করা বিষয়টি চলে যায়, সাথে সাথে ঘুমন্ত মানুষটির ঘুম ভেঙে যায়। এরকম পরিণতি ফ্যাটি লিভারসহ শারীরিক নানা কারণে হতে পারে আবার ভিন্ন কারণেও হতে পারে।”
আধুনিক সময়ের চিকিৎসাবীদদের ব্যাখ্যা একটু অন্যরকম। ড. হাসান শামসি বাশা এই কাবুসকে দুটোভাগে ভাগ করেছেন। একটি হলো সাময়িক কাবুস- যা শারীরিক কারণে হয়। অন্যটি হলো পুনরাবৃত্তি হয় এমন কাবুস। তার মতে, এটি হয় মূলত জ্বীনের প্রভাবে।
তিনি তার স্লিপ, ইনসোমনিয়া এন্ড ড্রিমস গ্রন্থে বলেছেন, “কিছু মানুষ আছেন যারা ঘুমুনোর পর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাষ্প তাদের মস্তিষ্কে উঠে যায়, তাই আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন যে তিনি নড়াচড়া করতে বা কথা বলতে পারেন না। এতে করে তিনি এক ধরনের আতঙ্ক বোধ করেন। অনেকের ক্ষেত্রে মৃগি রোগীদের মতো খিঁচুনি দেখা দেয়। কোনো ব্যক্তি যখন প্রচন্ড মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মধ্যে থাকে তখন তার সাথে এমনটি হতে পারে। আর যাদের নিয়মিতভাবেই এমনটা হয় তাদের ক্ষেত্রে এটি হয় খারাপ জ্বীন বা অনিষ্টকর কোনো স্বত্ত্বার প্রভাবে।
ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ঘুম ভালো হওয়ার বেশ কিছু উপায় পাওয়া যায়। ঘুমুনোর পর যেন অশুভ কোনো স্বত্ত্বার আসা যাওয়া না হয়, তা নিশ্চিতে নবিজি সা. কিছু আমলও বাতলে দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, ঘুমকে খুব সাদামাটা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের রুহটা উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই ঘুম এক ধরনের মৃত্যুর মতোন। আল্লাহ পাক বলেন,
“
আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার ক্ষেত্রে প্রাণ হরণ হয় তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রাণ আর ফিরিয়ে দেন না আর যাদের হায়াত আছে তাদের প্রাণ ফিরিয়ে দেন তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।” (সুরা যুমার: ৪২)
এক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে
প্রথম করনীয় হলো, ঘুমানোর আগে বিছানা ও নিজের পোশাক ভালোভাবে ঝেড়ে নেয়া। রাসূল সা. বলেছেন, “যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি শয্যা গ্রহণ করতে যায়, তখন সে যেন তার লুঙ্গির ভেতর দিক দিয়ে নিজ বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ, সে জানে না যে, বিছানার উপর তার অনুপস্থিতিতে পীড়াদায়ক কোন কিছু আছে কিনা।” (বুখারি: ৬৩২০)দ্বিতীয় সমাধান হলো, ঘুমানোর আগে জিকির, দোয়া পাঠ করা। জিকির করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লে সর্বোত্তম। ঘুমের দোয়ার পাশাপাশি, আয়াতুল কুরসি, সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত, তাসবীহ, তাহমিদ ও তাকবীর পাঠ, সুরা কাফিরুন ও সুরা নাসসহ চার কুল তেলাওয়াত করা ইত্যাদি।
আল্লাহ আমাদের এই আমলগুলো করার তাওফিক দিন। সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
- আলি আহমদ মাবরুর
"রাতের আমল"
👍6❤5
কোকাকোলার সেল ২৩% ফল করেছে (আল জাজিরা)। এই ঈদে লেটস মেক ইট ৫০% ইনশাআল্লাহ ।
১.
দোকানে দোকানে উৎসাহিত করুন। তাদের স্মরণ করিয়ে দিন রিজিকের মালিক একমাত্র।আর-রাজ্জাক।
২.
জুমআর খুতবায় ইমাম সাহেবদেরকে দিয়ে বলানোর চেষ্টা করুন।
৩.
রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধুরা দলবল মিলে যান। প্রচুর খাবার অর্ডার করতে গিয়ে ক্যানসেল করুন। বলুন: কোক বেচেন তাই খেলাম না।
৪.
কোক-পেপসি জাতীয় যা আছে সব বাদ দিয়ে এই ঈদে দেশী পণ্যগুলো খান। এগুলো একটা সিজন ফ্রিজে দোকানে পড়ে থাক।
৫.
ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে অনলাইন সয়লাব করুন। প্রফেশনাল হতে হবে না। এমনি বন্ধুবান্ধবরা মিলে এন্টি-কোক ভিডিও দশটা বানিয়ে ছেড়ে দিন।
৬.
কোক কাউকে সামনে খেতে দেখলে এমনভাবে তার দিকে তাকান যেন সে কেবল পাগলাগারদ থেকে ছাড়া পাইছে।
৭.
লিফলেট দিন যেকোনো জমায়েতে।
৮.
ঈদের নামাযের আগে বাংলা আলোচনায় এবং দুআতে ইমাম সাহেব যেন অবশ্যই ফিলিস্তিন এবং প্রাসঙ্গিকভাবে ঐ দেশের পণ্য ( স্পেসিফিক্যালি কোক) বয়কটের কথা বলেন, সেটা নিশ্চিত করা।
১.
দোকানে দোকানে উৎসাহিত করুন। তাদের স্মরণ করিয়ে দিন রিজিকের মালিক একমাত্র।আর-রাজ্জাক।
২.
জুমআর খুতবায় ইমাম সাহেবদেরকে দিয়ে বলানোর চেষ্টা করুন।
৩.
রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধুরা দলবল মিলে যান। প্রচুর খাবার অর্ডার করতে গিয়ে ক্যানসেল করুন। বলুন: কোক বেচেন তাই খেলাম না।
৪.
কোক-পেপসি জাতীয় যা আছে সব বাদ দিয়ে এই ঈদে দেশী পণ্যগুলো খান। এগুলো একটা সিজন ফ্রিজে দোকানে পড়ে থাক।
৫.
ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে অনলাইন সয়লাব করুন। প্রফেশনাল হতে হবে না। এমনি বন্ধুবান্ধবরা মিলে এন্টি-কোক ভিডিও দশটা বানিয়ে ছেড়ে দিন।
৬.
কোক কাউকে সামনে খেতে দেখলে এমনভাবে তার দিকে তাকান যেন সে কেবল পাগলাগারদ থেকে ছাড়া পাইছে।
৭.
লিফলেট দিন যেকোনো জমায়েতে।
৮.
ঈদের নামাযের আগে বাংলা আলোচনায় এবং দুআতে ইমাম সাহেব যেন অবশ্যই ফিলিস্তিন এবং প্রাসঙ্গিকভাবে ঐ দেশের পণ্য ( স্পেসিফিক্যালি কোক) বয়কটের কথা বলেন, সেটা নিশ্চিত করা।
❤14👍1