ভাল খবর। নেদারল্যান্ডস এম্বেসী আমাদের ফিডব্যাকের চাপে সেই গর্বিত পতাকার পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছে। This is a collective victory for our society. আলহামদুলিল্লাহ।
❤11
খিরগিজস্থানে মিশরীয় ছাত্রদের সাথে স্থানীয়দের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। সেই দ্বন্দ্বে মিশরীয় ছাত্রদের সাথে স্থানীয়দের মারামারি হয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভাবে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে পাকিস্তানি ছাত্ররা স্থানীয় লোকদেরকে হত্যা করেছে এবং মেয়েদের ধর্ষণ করেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে রাজধানী বিশকেকে থাকা পাকিস্তানি ছাত্র হোস্টেল গুলোতে আক্রমণ চালায় স্থানীয় লোকজন। এক পর্যায়ে এতে বাংলাদেশী ছাত্রদের উপরেও হামলা করে তারা।
ধারণা করা হয় কোন একটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে বিশেষ করে পাকিস্তানি বাংলাদেশী ছাত্রদের উপরে দোষ চাপিয়ে দিয়ে বড় ধরনের একটা দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
সারোয়ার আলম
#SaveBangladeshiStudents #Kyrgyzstan
ধারণা করা হয় কোন একটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে বিশেষ করে পাকিস্তানি বাংলাদেশী ছাত্রদের উপরে দোষ চাপিয়ে দিয়ে বড় ধরনের একটা দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
সারোয়ার আলম
#SaveBangladeshiStudents #Kyrgyzstan
😢11👍1
তখন ভার্সিটির মাত্র সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বুয়েটের ছাত্র বিধায় টিউশনির বাজারে ভালোই চাহিদা ছিল।
মিরপুর-০১ এর একটি অভিজাত হাউজিং এলাকায় এক ছাত্রকে পড়াতাম। হল থেকে বেশ দূরে বিধায় সপ্তাহে মাত্র দুইদিন যেতাম পড়াতে। ছাত্রের বাবা আমাকে খুব পছন্দ করতেন। লোকটাকে বেশ ভালোই মনে হত। কিন্তু ছাত্রটা বেশি একটা সুবিধার ছিল না। মাত্র নাইনে পড়ে, কিন্তু বখাটে হয়ে গিয়েছিল। নেশা করত, পড়াশুনা করত না একেবারেই।
আমি খুব চেষ্টা করতাম, বুঝিয়ে-শুনিয়ে যদি কিছুটা পড়ানো যায়! কিন্তু না! ছেলেটাকে একেবারেই লাইনে আনতে পারছিলাম না। মাস গেলেই দশ হাজার টাকা সম্মানী নিতে নিজের কাছে ভালো লাগত না। তাই অনেক চেষ্টা করতাম, ছেলেটাকে যদি একটু চেইঞ্জ করতে পারি!
ছেলেটা তার আব্বু, আম্মু কাউকেই মানত না।
একদিন ছেলেটা আমাকে তার নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প শুনালো!
ছেলেটার মা প্রখ্যাত এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তাও আবার যেন তেন সাংবাদিক না। প্রাইম মিনিস্টারের সংবাদ সংগ্রহ করেন। অনেকেই তাকে চিনেন। ছেলেটা আমাকে জানালো, তার মায়ের সাথে অন্য এক সাংবাদিকের পর*কীয়া সম্পর্ক রয়েছে। ও আমাকে স্ক্রিন শর্ট দেখালো যেখানে তার মায়ের চ্যাটিং হিস্ট্রি ছিল। ও এও জানালো যে, কিছুদিন আগে তারা দেশের বাহিরে গিয়েছিল প্রফেশনাল কাজে। তখন নাকি কিবা কিবা হয়েছে তাদের মাঝে!
আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম! তবে এটাও বুঝতে পারছিলাম যে, ছেলেটাও খুব ধূর্ত। কেননা সে তার মাকে প্রায় ব্ল্যাক মেইলের মতই করত! মায়ের পর*কীয়ার সুযোগ নিয়ে নিজের অবাধ্য রাজ্যের রসদ যোগাঢ় করতে ব্যস্ত ছিল। আমি দেখলাম এখানে কন্টিনিউ করা আর সম্ভব না। ছেলের আব্বু আমাকে রিকুয়েষ্ট করেছিল যে, আমি যাতে অন্তত শুক্রবার ওকে গিয়ে পড়িয়ে আসি।
কিন্তু যাইনি।
সত্য বলতে কি, ঢাকা শহরের হাজারো ফ্যামিলির চিত্র এমন। অনেক ছেলে-মেয়ে নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প এটি। যদিও এই ধরণের বিষয় কোন ছেলে মেয়ে নষ্ট হওয়াকে যৌক্তিকতা দেয় না। কিন্তু দু:খজনক এই বিষয়টা অনেক ছেলে মেয়ের জীবনকে বিষিয়ে দিয়েছে, দিচ্ছে!
তাই, নিজের সন্তান নষ্ট হওয়ার পেছনে কারণটা খুঁজতে গিয়ে প্রথমে নিজের প্রতি, এরপর নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের দিকেও নজর দেওয়া উচিত।
সন্তানদের সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।
- মেহেদি হাসান
মিরপুর-০১ এর একটি অভিজাত হাউজিং এলাকায় এক ছাত্রকে পড়াতাম। হল থেকে বেশ দূরে বিধায় সপ্তাহে মাত্র দুইদিন যেতাম পড়াতে। ছাত্রের বাবা আমাকে খুব পছন্দ করতেন। লোকটাকে বেশ ভালোই মনে হত। কিন্তু ছাত্রটা বেশি একটা সুবিধার ছিল না। মাত্র নাইনে পড়ে, কিন্তু বখাটে হয়ে গিয়েছিল। নেশা করত, পড়াশুনা করত না একেবারেই।
আমি খুব চেষ্টা করতাম, বুঝিয়ে-শুনিয়ে যদি কিছুটা পড়ানো যায়! কিন্তু না! ছেলেটাকে একেবারেই লাইনে আনতে পারছিলাম না। মাস গেলেই দশ হাজার টাকা সম্মানী নিতে নিজের কাছে ভালো লাগত না। তাই অনেক চেষ্টা করতাম, ছেলেটাকে যদি একটু চেইঞ্জ করতে পারি!
ছেলেটা তার আব্বু, আম্মু কাউকেই মানত না।
একদিন ছেলেটা আমাকে তার নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প শুনালো!
ছেলেটার মা প্রখ্যাত এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তাও আবার যেন তেন সাংবাদিক না। প্রাইম মিনিস্টারের সংবাদ সংগ্রহ করেন। অনেকেই তাকে চিনেন। ছেলেটা আমাকে জানালো, তার মায়ের সাথে অন্য এক সাংবাদিকের পর*কীয়া সম্পর্ক রয়েছে। ও আমাকে স্ক্রিন শর্ট দেখালো যেখানে তার মায়ের চ্যাটিং হিস্ট্রি ছিল। ও এও জানালো যে, কিছুদিন আগে তারা দেশের বাহিরে গিয়েছিল প্রফেশনাল কাজে। তখন নাকি কিবা কিবা হয়েছে তাদের মাঝে!
আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম! তবে এটাও বুঝতে পারছিলাম যে, ছেলেটাও খুব ধূর্ত। কেননা সে তার মাকে প্রায় ব্ল্যাক মেইলের মতই করত! মায়ের পর*কীয়ার সুযোগ নিয়ে নিজের অবাধ্য রাজ্যের রসদ যোগাঢ় করতে ব্যস্ত ছিল। আমি দেখলাম এখানে কন্টিনিউ করা আর সম্ভব না। ছেলের আব্বু আমাকে রিকুয়েষ্ট করেছিল যে, আমি যাতে অন্তত শুক্রবার ওকে গিয়ে পড়িয়ে আসি।
কিন্তু যাইনি।
সত্য বলতে কি, ঢাকা শহরের হাজারো ফ্যামিলির চিত্র এমন। অনেক ছেলে-মেয়ে নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প এটি। যদিও এই ধরণের বিষয় কোন ছেলে মেয়ে নষ্ট হওয়াকে যৌক্তিকতা দেয় না। কিন্তু দু:খজনক এই বিষয়টা অনেক ছেলে মেয়ের জীবনকে বিষিয়ে দিয়েছে, দিচ্ছে!
তাই, নিজের সন্তান নষ্ট হওয়ার পেছনে কারণটা খুঁজতে গিয়ে প্রথমে নিজের প্রতি, এরপর নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের দিকেও নজর দেওয়া উচিত।
সন্তানদের সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।
- মেহেদি হাসান
❤12👍3
আপনি হয়তো ভীষন পেরেশানিতে আছেন। ডুবে আছেন খুব বিষণ্ণতায়। যা কিছু চেয়েছেন সব থেকে গিয়েছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।দুনিয়াবি যা কিছু আঁকড়ে ধরে উঠে দাঁড়াতে চেয়েছেন,তা-ই আপনাকে ফেলেছে আরো বেশি হাতাশায়। ফিকে হয়ে গিয়েছে রঙিন আলো। আক্ষেপ বাড়ছে। আর আপনি চলে যাচ্ছেন রবের থেকে অনেক অনেক দূরে।
তখনও জেনে রাখুনঃ مَا وَدَّعَکَ رَبُّکَ وَ مَا قَلٰی
আপনার রব আপনাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি।
[ আদ - দূ হা-আয়াত-৩]
হঠাৎ দূরে দেখা আলোর দিকে পতঙ্গ যেভাবে ছুটে যায়,ঠিক সেভাবে আপনি আপনার রবের দিকে ফিরে আসুন।
এখনই ওযু করে দু'রকাআত নামায পড়ে, চোখের পানি ছেড়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ুন। রবকে কিছুই বলার দরকার নেই। আপনি ভাষাহীন থাকুন। নিজের নফসের প্রতি জুলুমের কথাগুলো মনে করুন। আপনার চোখের পানি গাল বেয়ে জায়নামাজে গড়িয়ে পড়ুক। চোখের পানি আপনার হয়ে কথা বলুক।
দেখবেন- আমৃত্যু আরাধ্য কিছু প্রাপ্তির পরমানন্দে আপনার মন উচ্ছ্বসিত হবে।
দিল খুলে যাবে। প্রশান্তি মিলে যাবে।
#Hasan
তখনও জেনে রাখুনঃ مَا وَدَّعَکَ رَبُّکَ وَ مَا قَلٰی
আপনার রব আপনাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি।
[ আদ - দূ হা-আয়াত-৩]
হঠাৎ দূরে দেখা আলোর দিকে পতঙ্গ যেভাবে ছুটে যায়,ঠিক সেভাবে আপনি আপনার রবের দিকে ফিরে আসুন।
এখনই ওযু করে দু'রকাআত নামায পড়ে, চোখের পানি ছেড়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ুন। রবকে কিছুই বলার দরকার নেই। আপনি ভাষাহীন থাকুন। নিজের নফসের প্রতি জুলুমের কথাগুলো মনে করুন। আপনার চোখের পানি গাল বেয়ে জায়নামাজে গড়িয়ে পড়ুক। চোখের পানি আপনার হয়ে কথা বলুক।
দেখবেন- আমৃত্যু আরাধ্য কিছু প্রাপ্তির পরমানন্দে আপনার মন উচ্ছ্বসিত হবে।
দিল খুলে যাবে। প্রশান্তি মিলে যাবে।
#Hasan
❤17👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুরো বিশ্ব যখন নিশ্চুপ তখন যার গর্জনে মুসলিমরা দূর্বল ঈমানে আশার আলো দেখেছিল; তার কন্ঠকে চিরতরে বন্ধ করে দিলো দুশমনেরা। সম্প্রতি মুনাফিকদের ভিরে যিনি হয়ে ওঠেছিলেন ফিলিস্তিনের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত সাহায্যকারী তিনি আর নেই।
😢22👍6😁2
ইমাম ইবনুল ক্বাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসায় ক্রমাগত " সুবহানাল্লাহ" জপতে থাকে; তার দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যায়।
একইভাবে যে ব্যক্তি আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপনে ক্রমাগত "আলহামদুলিল্লাহ" জপতে থাকে, রহমতের ফল্গুধারা তার ওপর বর্ষিত হয়
আর যে ক্ষমা হাসিলের আশায় ক্রমাগত "আস্তাগফিরুল্লাহ" জপতে থাকে, বন্ধ থাকা শত সম্ভাবনার দ্বার তার জন্য উন্মোচিত হয়।"
~ আদ-দা'আ ওয়াদ-দাওয়া'আ | পৃঃ ১৮৭-১৮৮
.
সংগৃহীত
"যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসায় ক্রমাগত " সুবহানাল্লাহ" জপতে থাকে; তার দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যায়।
একইভাবে যে ব্যক্তি আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপনে ক্রমাগত "আলহামদুলিল্লাহ" জপতে থাকে, রহমতের ফল্গুধারা তার ওপর বর্ষিত হয়
আর যে ক্ষমা হাসিলের আশায় ক্রমাগত "আস্তাগফিরুল্লাহ" জপতে থাকে, বন্ধ থাকা শত সম্ভাবনার দ্বার তার জন্য উন্মোচিত হয়।"
~ আদ-দা'আ ওয়াদ-দাওয়া'আ | পৃঃ ১৮৭-১৮৮
.
সংগৃহীত
❤16🥰2
"আইয়্যামুল বীয" অর্থ উজ্জ্বল রাতের দিনগুলো।
চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখকে *"আইয়্যামুল বীয"* বলা হয়।
عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: صِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ صِيَامُ الدَّهْرِ، وَأَيَّامُ الْبِيضِ صَبِيحَةَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ، وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ، وَخَمْسَ عَشْرَةَ.
জারীর ইব্ন আব্দুল্লাহ রাযি. থেকে বর্ণিত :
তিনি বলেনঃ
—সুনানু নাসায়ী ২৪২০
চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখকে *"আইয়্যামুল বীয"* বলা হয়।
عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: صِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ صِيَامُ الدَّهْرِ، وَأَيَّامُ الْبِيضِ صَبِيحَةَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ، وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ، وَخَمْسَ عَشْرَةَ.
জারীর ইব্ন আব্দুল্লাহ রাযি. থেকে বর্ণিত :
তিনি বলেনঃ
প্রত্যেক মাসের তিন দিন সওম (রোযা) পালন করা গোটা জীবন সওম পালন করার সমতুল্য।*
আর আইয়্যামুল বীয -তের, চৌদ্দ এবং পনের তারিখ।
—সুনানু নাসায়ী ২৪২০
❤14
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্ঘটনায় মারা গেলো। এতে অসভ্য আমেরিকা বর্বর সন্ত্রাসী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাঈলিদের পাশাপাশি বাংলাদেশের কিছু মুসলিমও খুব খুশি হলো। আনন্দে বগল বাজানো শুরু করলো।
আমাদের দেশের মাদখালী সালাফি থেকে শুরু করে আল-কায়দা ও আইএসপন্থী সালাফিরাও খুব খুশি হলো। আনন্দে পারে না যে তারা ঢোল তবলা নিয়ে নাচানাচি শুরু করে।
কওমি মাদরাসার তালিবুল ইলমরাও একটা অংশ খুশি হলো। মাজারপন্থী কথিত সুন্নিদেরও একই অবস্থা। তো যাইহোক, এদের নিয়ে আমার খুব বেশি বক্তব্য নেই। এদের একটা অংশ হয়তো সিরিয়া ইরাকে মুসলিমদের ওপর ইরানিদের জুলুমের কারণে, আকিদার কিতাবি ইলমের পোক্ত হবার পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় ও অসচেতনতার জন্যই এই অবস্থান গ্রহণ করেছে।
কিন্তু আমার কথা হলো যারা বিশ্বব্যাপী খেলাফত কায়েম করতে চায় (আল-কায়দা, সন্ত্রাসী ও খারেজি আইএসসহ এই ধরনের যারা আছে), তারা তো আকিদার পাশাপাশি পলিটিক্যাল ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার সম্পর্কে অবহিত হওয়ার কথা। কিন্তু না, এই বেকুবদের মধ্যে দেখলাম ন্যুনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচারও নেই।
এরকম ন্যুনতম পলিটিকাল ম্যানার পর্যন্ত যাদের নেই, সে সমস্ত বেকুবরা নাকি বিশ্বব্যাপী খেলাফত কায়েম করবে!
পাশাপাশি আরেকটা চিত্র, ঈমান আকিদার ইলমে একেবারে তীব্রভাবে মিসকিন, আক্ষরিক অর্থেই মিসকিন একটা গ্রুপকে দেখলাম এই শিয়া-রাফেজীদের ব্যাপারে কোনো ধারণাই রাখে না। তারা তাদেরকে শহীদ, জান্নাতের মেহমান বানিয়ে দেওয়া, মুসলমানদের রাহবার ও যুগের সালাহউদ্দিন আইয়ুবী হিসেবে অবহিত করা, সবকিছুই করছে।
তবে আমার কথা হলো, তাদের জন্য 'হে প্রশান্ত আত্মা, জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হয়ে যাও' কিংবা তাদেরকে যুগের রাহবার ও সালাহউদ্দিন আইয়ুবী হিসেবে অবিহিত করার মতো বলদামিরও কোনো দরকার নেই। আবার ন্যুনতম কৃতজ্ঞতাবোধ ও রাজনৈতিক ভদ্রতা পরিহার করা বদমাইশিরও দরকার নেই।
এগুলো হলো স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞান। এগুলো হলো স্বাভাবিক কৃতজ্ঞতাবোধ। তাদের এই বিপদে শোক প্রকাশ করা হচ্ছে রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার।
আমি তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান ও মুসলমানদের রাহবার বানিয়ে দেওয়ার মতো মূর্খতাসূলভ মুনাজাত ও নেতানিয়াহুর স্টাইলে আনন্দে বগল বাজানোর মতো বদমায়েশি; উভয় থেকেই আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।
আমি যেভাবে একজন রাজনৈতিক জীব সেভাবে একজন মুসলিমও বটে। আমি রাজনৈতিক ভদ্রতাও পরিহার করতে পারি না, আবার ইসলামি আকিদাও বিসর্জন দিতে পারি না
রেদওয়ান রাওয়াহা
@alolpath
আমাদের দেশের মাদখালী সালাফি থেকে শুরু করে আল-কায়দা ও আইএসপন্থী সালাফিরাও খুব খুশি হলো। আনন্দে পারে না যে তারা ঢোল তবলা নিয়ে নাচানাচি শুরু করে।
কওমি মাদরাসার তালিবুল ইলমরাও একটা অংশ খুশি হলো। মাজারপন্থী কথিত সুন্নিদেরও একই অবস্থা। তো যাইহোক, এদের নিয়ে আমার খুব বেশি বক্তব্য নেই। এদের একটা অংশ হয়তো সিরিয়া ইরাকে মুসলিমদের ওপর ইরানিদের জুলুমের কারণে, আকিদার কিতাবি ইলমের পোক্ত হবার পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় ও অসচেতনতার জন্যই এই অবস্থান গ্রহণ করেছে।
কিন্তু আমার কথা হলো যারা বিশ্বব্যাপী খেলাফত কায়েম করতে চায় (আল-কায়দা, সন্ত্রাসী ও খারেজি আইএসসহ এই ধরনের যারা আছে), তারা তো আকিদার পাশাপাশি পলিটিক্যাল ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার সম্পর্কে অবহিত হওয়ার কথা। কিন্তু না, এই বেকুবদের মধ্যে দেখলাম ন্যুনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচারও নেই।
এরকম ন্যুনতম পলিটিকাল ম্যানার পর্যন্ত যাদের নেই, সে সমস্ত বেকুবরা নাকি বিশ্বব্যাপী খেলাফত কায়েম করবে!
ইবরাহিম রাঈসি ও হোসাইন আমীর আব্দুল্লাহিয়ানের ইরান সিরিয়ায় তাদের শিয়া স্বৈরাচারী বাশার আল আসাদকে রক্ষায় যেভাবে সুন্নি মুসলমানদের রক্ত ও জীবন ঝরিয়েছে, সেটা যেভাবে দুঃখজনক ও ক্ষমার অযোগ্য, একইভাবে ইবরাহিম রাঈসি ও হোসাইন আমীর আব্দুল্লাহিয়ান যেভাবে ফিলিস্তিনের হামাসসহ ফিলিস্তিনের মুজাহিদ গ্রুপগুলোকে সহযোগিতা করেছে, পবিত্র ভূমির এসব মুজাহিদদের যে পরিমাণ সাপোর্ট দিয়েছেন, সম্ভবত কাতার ছাড়া দ্বিতীয় কেউই তাদের আশেপাশেও যাওয়ার অবস্থা হয়নি। গাজার সমর্থনে তারা বিভিন্ন জায়গা তাদের মিলিশিয়া বাহিনীকে অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাঈলের বিরুদ্ধে যেভাবে নামিয়ে দিয়েছে, সেজন্য তো তারা ধন্যবাদও কৃতজ্ঞতা প্রাপ্ত।
পাশাপাশি আরেকটা চিত্র, ঈমান আকিদার ইলমে একেবারে তীব্রভাবে মিসকিন, আক্ষরিক অর্থেই মিসকিন একটা গ্রুপকে দেখলাম এই শিয়া-রাফেজীদের ব্যাপারে কোনো ধারণাই রাখে না। তারা তাদেরকে শহীদ, জান্নাতের মেহমান বানিয়ে দেওয়া, মুসলমানদের রাহবার ও যুগের সালাহউদ্দিন আইয়ুবী হিসেবে অবহিত করা, সবকিছুই করছে।
তবে আমার কথা হলো, তাদের জন্য 'হে প্রশান্ত আত্মা, জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হয়ে যাও' কিংবা তাদেরকে যুগের রাহবার ও সালাহউদ্দিন আইয়ুবী হিসেবে অবিহিত করার মতো বলদামিরও কোনো দরকার নেই। আবার ন্যুনতম কৃতজ্ঞতাবোধ ও রাজনৈতিক ভদ্রতা পরিহার করা বদমাইশিরও দরকার নেই।
তারা এখন স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ সংকটের মুখোমুখি, একইসাথে রাষ্ট্রের এমন প্রধান ব্যক্তিবর্গ মারা গেলেন, স্বাভাবিকভাবেই তো খারাপ লাগার কথা। এদের নেতৃত্বেই তো কয়দিন আগে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামলা পরিচালনা করা হলো। এদের পৃষ্ঠপোষকতাতেই তো হুতি হিজবুল্লাহসহ ইসরায়েল আমেরিকার ওপর কিছুটা হলেও চাপ তৈরি করা হলো। এখন কী হবে আমার গাজাবাসী ভাইবোনদের? কোনদিকে মোড় নেবে ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের ভাগ্য?
এগুলো হলো স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞান। এগুলো হলো স্বাভাবিক কৃতজ্ঞতাবোধ। তাদের এই বিপদে শোক প্রকাশ করা হচ্ছে রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার।
আমি তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান ও মুসলমানদের রাহবার বানিয়ে দেওয়ার মতো মূর্খতাসূলভ মুনাজাত ও নেতানিয়াহুর স্টাইলে আনন্দে বগল বাজানোর মতো বদমায়েশি; উভয় থেকেই আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।
আমি যেভাবে একজন রাজনৈতিক জীব সেভাবে একজন মুসলিমও বটে। আমি রাজনৈতিক ভদ্রতাও পরিহার করতে পারি না, আবার ইসলামি আকিদাও বিসর্জন দিতে পারি না
রেদওয়ান রাওয়াহা
@alolpath
❤9👍2
জালেমদের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা
মানুষের ওপর জুলুম করা ভয়াবহ গুনাহ ও মারাত্মক শাস্তির কারণ। যার শাস্তি কোনো না কোনো উপায়ে দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে যায়। অহংকার ও গর্বের কারণে জালেম/অত্যাচারীরা মনে করে, কেউ তাদেরকে কখনো পাকড়াও করবে না। অথচ আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে তাদেরকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন এভাবে-
وَ سَیَعۡلَمُ الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡۤا اَیَّ مُنۡقَلَبٍ یَّنۡقَلِبُوۡنَ
‘আর অত্যাচারীরা অচিরেই জানতে পারবে, তাদের গন্তব্যস্থল কোথায়?’ (সূরা আশ-শুআরা : আয়াত- ২২৭)
আয়াতে ‘তাদের গন্তব্যস্থল কোথায়?’ এর মর্মার্থ হলো- জাহান্নাম। এখানে পাপীদের জন্য রয়েছে কঠিন সতর্কবাণী।
মানুষের ওপর জুলুম করা ভয়াবহ গুনাহ ও মারাত্মক শাস্তির কারণ। যার শাস্তি কোনো না কোনো উপায়ে দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে যায়। অহংকার ও গর্বের কারণে জালেম/অত্যাচারীরা মনে করে, কেউ তাদেরকে কখনো পাকড়াও করবে না। অথচ আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে তাদেরকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন এভাবে-
وَ سَیَعۡلَمُ الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡۤا اَیَّ مُنۡقَلَبٍ یَّنۡقَلِبُوۡنَ
‘আর অত্যাচারীরা অচিরেই জানতে পারবে, তাদের গন্তব্যস্থল কোথায়?’ (সূরা আশ-শুআরা : আয়াত- ২২৭)
আয়াতে ‘তাদের গন্তব্যস্থল কোথায়?’ এর মর্মার্থ হলো- জাহান্নাম। এখানে পাপীদের জন্য রয়েছে কঠিন সতর্কবাণী।
😢10❤2
আমাদের গ্রুপ লিঙ্ক।
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সহযোগী
সকলকেই যুক্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
#admin
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সহযোগী
সকলকেই যুক্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
#admin
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
❤6