ভুল করলে ক্ষমা চাইতে শিখুন...
ভুল মানুষই করে, সেটা হতেই পারে। কিন্তু ভুল করে অনুতপ্ত না হওয়া বা অহংকার ধরে বসে থেকে ক্ষমা না চাওয়া শয়তানের কাজ। এই অহংকার শুধু ধ্বংস এনে দেয়।
ভুল মানুষই করে, সেটা হতেই পারে। কিন্তু ভুল করে অনুতপ্ত না হওয়া বা অহংকার ধরে বসে থেকে ক্ষমা না চাওয়া শয়তানের কাজ। এই অহংকার শুধু ধ্বংস এনে দেয়।
❤22
‘হে ইমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তিরই (ভেবে) দেখা উচিত, আগামী কালের জন্য সে কি পাঠালো। আর আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কিছু করো, আল্লাহ তার খবর রাখেন।’
[ সুরা আল-হাশর, ৫৯ : ১৮ ]
[ সুরা আল-হাশর, ৫৯ : ১৮ ]
❤18
'যখন ফিতনা সংঘটিত হয়, তখন তাকে তাকওয়ার মাধ্যমে নির্বাপিত করো।' বলা হলো, 'তাকওয়া কি?' তিনি বললেন, '
[কিতাব আয-যুহদ, ইবনুল মুবারক: ১৩৪৩]
আল্লাহর আলোয় আলোকপ্রাপ্ত হয়ে তার আনুগত্যে আমল করা, আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তির আশা রাখা। আল্লাহর রঙে রঙিন হয়ে তার অবাধ্যতা পরিহার করা, তার শাস্তির ভয় করা।'
[কিতাব আয-যুহদ, ইবনুল মুবারক: ১৩৪৩]
❤16
'তবে কি তোমরা ক্ষমতা পেলে পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে?'
.
সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২২
.
সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২২
🔥12
খুব চমৎকার একটা দুয়া:
শিদাদ ইবনে আওস থেকে বর্ণিত, উমার ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লহু আনহু আল্লাহর নিকট দুয়া করতেন এভাবে,
اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِنِي وَإِنِّي شَدِيدٌ فَلَيْنِي وَإِنِّي بَخِيلٌ
فَسَجِّنِي
হে আল্লাহ আমি দুর্বল, অতএব আমাকে শক্তিশালী করুন। আমি রূঢ়, আমাকে নম্রতা দান করুন। আমি কৃপণ, অতএব আমাকে উদারতা দান করুন।
মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ- ৫১৭৯
@alolpath
শিদাদ ইবনে আওস থেকে বর্ণিত, উমার ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লহু আনহু আল্লাহর নিকট দুয়া করতেন এভাবে,
اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِنِي وَإِنِّي شَدِيدٌ فَلَيْنِي وَإِنِّي بَخِيلٌ
فَسَجِّنِي
হে আল্লাহ আমি দুর্বল, অতএব আমাকে শক্তিশালী করুন। আমি রূঢ়, আমাকে নম্রতা দান করুন। আমি কৃপণ, অতএব আমাকে উদারতা দান করুন।
মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ- ৫১৭৯
@alolpath
❤16👍3
ভাল খবর। নেদারল্যান্ডস এম্বেসী আমাদের ফিডব্যাকের চাপে সেই গর্বিত পতাকার পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছে। This is a collective victory for our society. আলহামদুলিল্লাহ।
❤11
খিরগিজস্থানে মিশরীয় ছাত্রদের সাথে স্থানীয়দের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। সেই দ্বন্দ্বে মিশরীয় ছাত্রদের সাথে স্থানীয়দের মারামারি হয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভাবে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে পাকিস্তানি ছাত্ররা স্থানীয় লোকদেরকে হত্যা করেছে এবং মেয়েদের ধর্ষণ করেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে রাজধানী বিশকেকে থাকা পাকিস্তানি ছাত্র হোস্টেল গুলোতে আক্রমণ চালায় স্থানীয় লোকজন। এক পর্যায়ে এতে বাংলাদেশী ছাত্রদের উপরেও হামলা করে তারা।
ধারণা করা হয় কোন একটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে বিশেষ করে পাকিস্তানি বাংলাদেশী ছাত্রদের উপরে দোষ চাপিয়ে দিয়ে বড় ধরনের একটা দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
সারোয়ার আলম
#SaveBangladeshiStudents #Kyrgyzstan
ধারণা করা হয় কোন একটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এই ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে বিশেষ করে পাকিস্তানি বাংলাদেশী ছাত্রদের উপরে দোষ চাপিয়ে দিয়ে বড় ধরনের একটা দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
সারোয়ার আলম
#SaveBangladeshiStudents #Kyrgyzstan
😢11👍1
তখন ভার্সিটির মাত্র সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বুয়েটের ছাত্র বিধায় টিউশনির বাজারে ভালোই চাহিদা ছিল।
মিরপুর-০১ এর একটি অভিজাত হাউজিং এলাকায় এক ছাত্রকে পড়াতাম। হল থেকে বেশ দূরে বিধায় সপ্তাহে মাত্র দুইদিন যেতাম পড়াতে। ছাত্রের বাবা আমাকে খুব পছন্দ করতেন। লোকটাকে বেশ ভালোই মনে হত। কিন্তু ছাত্রটা বেশি একটা সুবিধার ছিল না। মাত্র নাইনে পড়ে, কিন্তু বখাটে হয়ে গিয়েছিল। নেশা করত, পড়াশুনা করত না একেবারেই।
আমি খুব চেষ্টা করতাম, বুঝিয়ে-শুনিয়ে যদি কিছুটা পড়ানো যায়! কিন্তু না! ছেলেটাকে একেবারেই লাইনে আনতে পারছিলাম না। মাস গেলেই দশ হাজার টাকা সম্মানী নিতে নিজের কাছে ভালো লাগত না। তাই অনেক চেষ্টা করতাম, ছেলেটাকে যদি একটু চেইঞ্জ করতে পারি!
ছেলেটা তার আব্বু, আম্মু কাউকেই মানত না।
একদিন ছেলেটা আমাকে তার নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প শুনালো!
ছেলেটার মা প্রখ্যাত এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তাও আবার যেন তেন সাংবাদিক না। প্রাইম মিনিস্টারের সংবাদ সংগ্রহ করেন। অনেকেই তাকে চিনেন। ছেলেটা আমাকে জানালো, তার মায়ের সাথে অন্য এক সাংবাদিকের পর*কীয়া সম্পর্ক রয়েছে। ও আমাকে স্ক্রিন শর্ট দেখালো যেখানে তার মায়ের চ্যাটিং হিস্ট্রি ছিল। ও এও জানালো যে, কিছুদিন আগে তারা দেশের বাহিরে গিয়েছিল প্রফেশনাল কাজে। তখন নাকি কিবা কিবা হয়েছে তাদের মাঝে!
আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম! তবে এটাও বুঝতে পারছিলাম যে, ছেলেটাও খুব ধূর্ত। কেননা সে তার মাকে প্রায় ব্ল্যাক মেইলের মতই করত! মায়ের পর*কীয়ার সুযোগ নিয়ে নিজের অবাধ্য রাজ্যের রসদ যোগাঢ় করতে ব্যস্ত ছিল। আমি দেখলাম এখানে কন্টিনিউ করা আর সম্ভব না। ছেলের আব্বু আমাকে রিকুয়েষ্ট করেছিল যে, আমি যাতে অন্তত শুক্রবার ওকে গিয়ে পড়িয়ে আসি।
কিন্তু যাইনি।
সত্য বলতে কি, ঢাকা শহরের হাজারো ফ্যামিলির চিত্র এমন। অনেক ছেলে-মেয়ে নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প এটি। যদিও এই ধরণের বিষয় কোন ছেলে মেয়ে নষ্ট হওয়াকে যৌক্তিকতা দেয় না। কিন্তু দু:খজনক এই বিষয়টা অনেক ছেলে মেয়ের জীবনকে বিষিয়ে দিয়েছে, দিচ্ছে!
তাই, নিজের সন্তান নষ্ট হওয়ার পেছনে কারণটা খুঁজতে গিয়ে প্রথমে নিজের প্রতি, এরপর নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের দিকেও নজর দেওয়া উচিত।
সন্তানদের সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।
- মেহেদি হাসান
মিরপুর-০১ এর একটি অভিজাত হাউজিং এলাকায় এক ছাত্রকে পড়াতাম। হল থেকে বেশ দূরে বিধায় সপ্তাহে মাত্র দুইদিন যেতাম পড়াতে। ছাত্রের বাবা আমাকে খুব পছন্দ করতেন। লোকটাকে বেশ ভালোই মনে হত। কিন্তু ছাত্রটা বেশি একটা সুবিধার ছিল না। মাত্র নাইনে পড়ে, কিন্তু বখাটে হয়ে গিয়েছিল। নেশা করত, পড়াশুনা করত না একেবারেই।
আমি খুব চেষ্টা করতাম, বুঝিয়ে-শুনিয়ে যদি কিছুটা পড়ানো যায়! কিন্তু না! ছেলেটাকে একেবারেই লাইনে আনতে পারছিলাম না। মাস গেলেই দশ হাজার টাকা সম্মানী নিতে নিজের কাছে ভালো লাগত না। তাই অনেক চেষ্টা করতাম, ছেলেটাকে যদি একটু চেইঞ্জ করতে পারি!
ছেলেটা তার আব্বু, আম্মু কাউকেই মানত না।
একদিন ছেলেটা আমাকে তার নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প শুনালো!
ছেলেটার মা প্রখ্যাত এক টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তাও আবার যেন তেন সাংবাদিক না। প্রাইম মিনিস্টারের সংবাদ সংগ্রহ করেন। অনেকেই তাকে চিনেন। ছেলেটা আমাকে জানালো, তার মায়ের সাথে অন্য এক সাংবাদিকের পর*কীয়া সম্পর্ক রয়েছে। ও আমাকে স্ক্রিন শর্ট দেখালো যেখানে তার মায়ের চ্যাটিং হিস্ট্রি ছিল। ও এও জানালো যে, কিছুদিন আগে তারা দেশের বাহিরে গিয়েছিল প্রফেশনাল কাজে। তখন নাকি কিবা কিবা হয়েছে তাদের মাঝে!
আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম! তবে এটাও বুঝতে পারছিলাম যে, ছেলেটাও খুব ধূর্ত। কেননা সে তার মাকে প্রায় ব্ল্যাক মেইলের মতই করত! মায়ের পর*কীয়ার সুযোগ নিয়ে নিজের অবাধ্য রাজ্যের রসদ যোগাঢ় করতে ব্যস্ত ছিল। আমি দেখলাম এখানে কন্টিনিউ করা আর সম্ভব না। ছেলের আব্বু আমাকে রিকুয়েষ্ট করেছিল যে, আমি যাতে অন্তত শুক্রবার ওকে গিয়ে পড়িয়ে আসি।
কিন্তু যাইনি।
সত্য বলতে কি, ঢাকা শহরের হাজারো ফ্যামিলির চিত্র এমন। অনেক ছেলে-মেয়ে নষ্ট হওয়ার পেছনের গল্প এটি। যদিও এই ধরণের বিষয় কোন ছেলে মেয়ে নষ্ট হওয়াকে যৌক্তিকতা দেয় না। কিন্তু দু:খজনক এই বিষয়টা অনেক ছেলে মেয়ের জীবনকে বিষিয়ে দিয়েছে, দিচ্ছে!
তাই, নিজের সন্তান নষ্ট হওয়ার পেছনে কারণটা খুঁজতে গিয়ে প্রথমে নিজের প্রতি, এরপর নিজের পরিবারের অন্য সদস্যদের দিকেও নজর দেওয়া উচিত।
সন্তানদের সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।
- মেহেদি হাসান
❤12👍3
আপনি হয়তো ভীষন পেরেশানিতে আছেন। ডুবে আছেন খুব বিষণ্ণতায়। যা কিছু চেয়েছেন সব থেকে গিয়েছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।দুনিয়াবি যা কিছু আঁকড়ে ধরে উঠে দাঁড়াতে চেয়েছেন,তা-ই আপনাকে ফেলেছে আরো বেশি হাতাশায়। ফিকে হয়ে গিয়েছে রঙিন আলো। আক্ষেপ বাড়ছে। আর আপনি চলে যাচ্ছেন রবের থেকে অনেক অনেক দূরে।
তখনও জেনে রাখুনঃ مَا وَدَّعَکَ رَبُّکَ وَ مَا قَلٰی
আপনার রব আপনাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি।
[ আদ - দূ হা-আয়াত-৩]
হঠাৎ দূরে দেখা আলোর দিকে পতঙ্গ যেভাবে ছুটে যায়,ঠিক সেভাবে আপনি আপনার রবের দিকে ফিরে আসুন।
এখনই ওযু করে দু'রকাআত নামায পড়ে, চোখের পানি ছেড়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ুন। রবকে কিছুই বলার দরকার নেই। আপনি ভাষাহীন থাকুন। নিজের নফসের প্রতি জুলুমের কথাগুলো মনে করুন। আপনার চোখের পানি গাল বেয়ে জায়নামাজে গড়িয়ে পড়ুক। চোখের পানি আপনার হয়ে কথা বলুক।
দেখবেন- আমৃত্যু আরাধ্য কিছু প্রাপ্তির পরমানন্দে আপনার মন উচ্ছ্বসিত হবে।
দিল খুলে যাবে। প্রশান্তি মিলে যাবে।
#Hasan
তখনও জেনে রাখুনঃ مَا وَدَّعَکَ رَبُّکَ وَ مَا قَلٰی
আপনার রব আপনাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি।
[ আদ - দূ হা-আয়াত-৩]
হঠাৎ দূরে দেখা আলোর দিকে পতঙ্গ যেভাবে ছুটে যায়,ঠিক সেভাবে আপনি আপনার রবের দিকে ফিরে আসুন।
এখনই ওযু করে দু'রকাআত নামায পড়ে, চোখের পানি ছেড়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ুন। রবকে কিছুই বলার দরকার নেই। আপনি ভাষাহীন থাকুন। নিজের নফসের প্রতি জুলুমের কথাগুলো মনে করুন। আপনার চোখের পানি গাল বেয়ে জায়নামাজে গড়িয়ে পড়ুক। চোখের পানি আপনার হয়ে কথা বলুক।
দেখবেন- আমৃত্যু আরাধ্য কিছু প্রাপ্তির পরমানন্দে আপনার মন উচ্ছ্বসিত হবে।
দিল খুলে যাবে। প্রশান্তি মিলে যাবে।
#Hasan
❤17👍1