বান্দা যখন গুনাহের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে দূরত্ব তৈরি করে ফেলে তখন সর্বপ্রথম ৩টা বিষয় ঘটে-
১. আল্লাহর রহমত বর্ষণ থেকে সে মাহরূম হয়।
২. তার সময়ের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।
৩. শয়তান তার কাছে আসার পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।
১. আল্লাহর রহমত বর্ষণ থেকে সে মাহরূম হয়।
২. তার সময়ের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।
৩. শয়তান তার কাছে আসার পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।
😢22
'অপরাধী অবস্থায় যে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হবে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবেও না, বাঁচবেও না।'
.
সুরা তহা, আয়াত ৭৪
.
সুরা তহা, আয়াত ৭৪
😢25
সহজে ঘুম না-ভাঙার রোগ বোধহয় অনেকেরই আছে। আমার অবশ্য পাতলা ঘুম, হালকা আওয়াজেই লাফ দিয়ে উঠে বসে পড়ি। তবে অনেকেই আছেন, ওপর দিয়ে গাড়ি চলে গেলেও ঘুম ভাঙবে না অবস্থা।
এই সমস্যার কারণে অনেকের নামাজ কাযা হয়ে যায়। যতই অ্যালার্ম বাজুক, ঘুম আর ভাঙে না। কেউ কেউ তাহাজ্জুদে উঠতে চাইলেও উঠতে পারেন না। তাদের জন্য সহজে নির্দিষ্ট টাইমে ঘুম ভাঙার একটি পরীক্ষিত আমল বলে দিচ্ছি। হেফজখানায় পড়া অবস্থায় হুজুর শিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই এটা আমল করি আলহামদুলিল্লাহ।
আমলটি হলো, ঘুমানোর সময় সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে আপনি যখন উঠতে চান ঠিক সে সময়টা মনে মনে ভাববেন, এরপর চুপচাপ ঘুমিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আবারও বলছি, ইনশাআল্লাহ আপনার ঘুম ভাঙবেই ভাঙবে।
এমনকি আপনি যদি মনে মনে ভাবেন, ঠিক তিনটা ছয় মিনিটে ঘুম থেকে উঠবেন, ঠিক তখনই আপনার ঘুম ভেঙে যাবে ইনশাআল্লাহ। এখন আপনি যদি আলস্যের আধার হন তাহলে তো ঘুম ভাঙলেও উঠতে পারবেন না। এর জন্য প্রবল আগ্রহ লাগবে। এই আমলের কিছু দলিলপ্রমাণ আব্দুল্লাহ বিন বশীর ভাই বের করেছেন :
১.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের রা.-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল— মনে মনে সর্বদাই ইরাদা থাকে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ব, কিন্তু ঘুমের প্রবলতার কারণে পারি না। তার কথা শুনে ইবনে আব্বাস রা. বললেন— যখন তুমি ঘুমাতে যাবে, সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে শোবে।এতে তুমি যখনই ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছে করবে আল্লাহ তখনই তোমায় জাগিয়ে দিবেন।
(তাফসিরে সালাবির সূত্রে তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন ৫/৬৬৪, আনওয়ার বুক ডিপু দেওবন্দ)
২.
বিশিষ্ট তাবেয়ি যির ইবনু হুবাইশ রহ. বলেন— যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে ঘুমাবে, সে যে সময় ওঠার নিয়ত করবে সে সময়ে জাগ্রত হয়ে যাবে।
(সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৭)
৩.
হযরত আবদাহ রহ. বলেন— আমি এই আমলটি পরীক্ষা করেছি এবং উনি যেভাবে বলেছেন ঠিক সেরকমই পেয়েছি৷
( সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৮)
৪.
বিশিষ্ট মুহাদ্দিস হযরত জিকরুল্লাহ খাঁন সাহেব দা.বা. কিছুদিন পূর্বে যাত্রাবাড়ী জামিয়াতুল মাআরিফ মাদরাসার উদ্বোধনী দরসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বয়ানে বলেন— সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াতের এই আমলটি এতটাই পরীক্ষিত যে, আজ পর্যন্ত কেউ এটা করে ভিন্ন কোনো ফলাফল পায়নি৷ এমনকি তোরা যদি মনে কর তিনটা পঞ্চাশ মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডে উঠতে চাস, দেখবে কোনো অজানা কারণে ওই সময় তোর চোখ খুলে গেছে। তখন আশপাশে ঘড়ি থাকলে মিলিয়ে নিবি।
#cp
এই সমস্যার কারণে অনেকের নামাজ কাযা হয়ে যায়। যতই অ্যালার্ম বাজুক, ঘুম আর ভাঙে না। কেউ কেউ তাহাজ্জুদে উঠতে চাইলেও উঠতে পারেন না। তাদের জন্য সহজে নির্দিষ্ট টাইমে ঘুম ভাঙার একটি পরীক্ষিত আমল বলে দিচ্ছি। হেফজখানায় পড়া অবস্থায় হুজুর শিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই এটা আমল করি আলহামদুলিল্লাহ।
আমলটি হলো, ঘুমানোর সময় সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে আপনি যখন উঠতে চান ঠিক সে সময়টা মনে মনে ভাববেন, এরপর চুপচাপ ঘুমিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আবারও বলছি, ইনশাআল্লাহ আপনার ঘুম ভাঙবেই ভাঙবে।
এমনকি আপনি যদি মনে মনে ভাবেন, ঠিক তিনটা ছয় মিনিটে ঘুম থেকে উঠবেন, ঠিক তখনই আপনার ঘুম ভেঙে যাবে ইনশাআল্লাহ। এখন আপনি যদি আলস্যের আধার হন তাহলে তো ঘুম ভাঙলেও উঠতে পারবেন না। এর জন্য প্রবল আগ্রহ লাগবে। এই আমলের কিছু দলিলপ্রমাণ আব্দুল্লাহ বিন বশীর ভাই বের করেছেন :
১.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের রা.-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল— মনে মনে সর্বদাই ইরাদা থাকে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ব, কিন্তু ঘুমের প্রবলতার কারণে পারি না। তার কথা শুনে ইবনে আব্বাস রা. বললেন— যখন তুমি ঘুমাতে যাবে, সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে শোবে।এতে তুমি যখনই ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছে করবে আল্লাহ তখনই তোমায় জাগিয়ে দিবেন।
(তাফসিরে সালাবির সূত্রে তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন ৫/৬৬৪, আনওয়ার বুক ডিপু দেওবন্দ)
২.
বিশিষ্ট তাবেয়ি যির ইবনু হুবাইশ রহ. বলেন— যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে ঘুমাবে, সে যে সময় ওঠার নিয়ত করবে সে সময়ে জাগ্রত হয়ে যাবে।
(সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৭)
৩.
হযরত আবদাহ রহ. বলেন— আমি এই আমলটি পরীক্ষা করেছি এবং উনি যেভাবে বলেছেন ঠিক সেরকমই পেয়েছি৷
( সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৮)
৪.
বিশিষ্ট মুহাদ্দিস হযরত জিকরুল্লাহ খাঁন সাহেব দা.বা. কিছুদিন পূর্বে যাত্রাবাড়ী জামিয়াতুল মাআরিফ মাদরাসার উদ্বোধনী দরসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বয়ানে বলেন— সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াতের এই আমলটি এতটাই পরীক্ষিত যে, আজ পর্যন্ত কেউ এটা করে ভিন্ন কোনো ফলাফল পায়নি৷ এমনকি তোরা যদি মনে কর তিনটা পঞ্চাশ মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডে উঠতে চাস, দেখবে কোনো অজানা কারণে ওই সময় তোর চোখ খুলে গেছে। তখন আশপাশে ঘড়ি থাকলে মিলিয়ে নিবি।
#cp
❤23👍3🥰2
Forwarded from আলোর পথ
ঘুমানোর আগে কিছু আমল:
১. অযু করা
২.আয়াতুল কুরসি পড়া(সূরা বাকারাহ:২৫৫ নং আয়াত)
৩. সূরা বাকারাহ শেষ দুই আয়াত পড়া( ২৮৫-২৮৬ নং আয়াত)
৪. সূরা মূলক পড়া (৬৭ নম্বর সূরা)
৫.চার কূল পড়া ৩বার করে(সূরা ইখলাস, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব,সূরা কাফিরুন)
৬. সুবহানাল্লাহ(৩৩বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩বার), আল্লাহু আকবার (৩৪বার) পড়া
৭.ঘুমানোর দোয়া পড়া
৮. ডান কাধ হয়ে ঘুমানো
৯. তওবা ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সর্বপ্রথম আমাকে ও আপনাকে এইসকল আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন
যুক্ত হন : আলোর পথ
১. অযু করা
২.আয়াতুল কুরসি পড়া(সূরা বাকারাহ:২৫৫ নং আয়াত)
৩. সূরা বাকারাহ শেষ দুই আয়াত পড়া( ২৮৫-২৮৬ নং আয়াত)
৪. সূরা মূলক পড়া (৬৭ নম্বর সূরা)
৫.চার কূল পড়া ৩বার করে(সূরা ইখলাস, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব,সূরা কাফিরুন)
৬. সুবহানাল্লাহ(৩৩বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩বার), আল্লাহু আকবার (৩৪বার) পড়া
৭.ঘুমানোর দোয়া পড়া
৮. ডান কাধ হয়ে ঘুমানো
৯. তওবা ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সর্বপ্রথম আমাকে ও আপনাকে এইসকল আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন
যুক্ত হন : আলোর পথ
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤21👍2
ভুল করলে ক্ষমা চাইতে শিখুন...
ভুল মানুষই করে, সেটা হতেই পারে। কিন্তু ভুল করে অনুতপ্ত না হওয়া বা অহংকার ধরে বসে থেকে ক্ষমা না চাওয়া শয়তানের কাজ। এই অহংকার শুধু ধ্বংস এনে দেয়।
ভুল মানুষই করে, সেটা হতেই পারে। কিন্তু ভুল করে অনুতপ্ত না হওয়া বা অহংকার ধরে বসে থেকে ক্ষমা না চাওয়া শয়তানের কাজ। এই অহংকার শুধু ধ্বংস এনে দেয়।
❤22
‘হে ইমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তিরই (ভেবে) দেখা উচিত, আগামী কালের জন্য সে কি পাঠালো। আর আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কিছু করো, আল্লাহ তার খবর রাখেন।’
[ সুরা আল-হাশর, ৫৯ : ১৮ ]
[ সুরা আল-হাশর, ৫৯ : ১৮ ]
❤18
'যখন ফিতনা সংঘটিত হয়, তখন তাকে তাকওয়ার মাধ্যমে নির্বাপিত করো।' বলা হলো, 'তাকওয়া কি?' তিনি বললেন, '
[কিতাব আয-যুহদ, ইবনুল মুবারক: ১৩৪৩]
আল্লাহর আলোয় আলোকপ্রাপ্ত হয়ে তার আনুগত্যে আমল করা, আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তির আশা রাখা। আল্লাহর রঙে রঙিন হয়ে তার অবাধ্যতা পরিহার করা, তার শাস্তির ভয় করা।'
[কিতাব আয-যুহদ, ইবনুল মুবারক: ১৩৪৩]
❤16
'তবে কি তোমরা ক্ষমতা পেলে পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে?'
.
সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২২
.
সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২২
🔥12
খুব চমৎকার একটা দুয়া:
শিদাদ ইবনে আওস থেকে বর্ণিত, উমার ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লহু আনহু আল্লাহর নিকট দুয়া করতেন এভাবে,
اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِنِي وَإِنِّي شَدِيدٌ فَلَيْنِي وَإِنِّي بَخِيلٌ
فَسَجِّنِي
হে আল্লাহ আমি দুর্বল, অতএব আমাকে শক্তিশালী করুন। আমি রূঢ়, আমাকে নম্রতা দান করুন। আমি কৃপণ, অতএব আমাকে উদারতা দান করুন।
মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ- ৫১৭৯
@alolpath
শিদাদ ইবনে আওস থেকে বর্ণিত, উমার ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লহু আনহু আল্লাহর নিকট দুয়া করতেন এভাবে,
اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِنِي وَإِنِّي شَدِيدٌ فَلَيْنِي وَإِنِّي بَخِيلٌ
فَسَجِّنِي
হে আল্লাহ আমি দুর্বল, অতএব আমাকে শক্তিশালী করুন। আমি রূঢ়, আমাকে নম্রতা দান করুন। আমি কৃপণ, অতএব আমাকে উদারতা দান করুন।
মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ- ৫১৭৯
@alolpath
❤16👍3
ভাল খবর। নেদারল্যান্ডস এম্বেসী আমাদের ফিডব্যাকের চাপে সেই গর্বিত পতাকার পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছে। This is a collective victory for our society. আলহামদুলিল্লাহ।
❤11