"শাহাদাত আরাধ্য আমার আতীব্র তৃষ্ণার পানি
পেছনে ফেরার জন্য আমি কোনো দরজা রাখিনি"
পেছনে ফেরার জন্য আমি কোনো দরজা রাখিনি"
~কবি মোশাররফ হোসাইন খান
❤7👍1
"ইতিহাসের পাতায় ১১ মে কুরআন দিবস"
১১ মে ঐতিহাসিক কুরআন দিবস। সেই দিন কী ঘটেছিল চলুন ইতিহাসের পাতা থেকে তা জেনে নিই। ১৯৮৫ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঈদগাহ ময়দানে সংঘটিত হয় এক পৈশাচিক, নারকীয় হ*ত্যাকাণ্ড।
ঘটনার শুরু যেভাবে : ১৯৮৫ সালের ১০ এপ্রিল ভারতের দুইজন উ*গ্র সাম্প্র*দায়িকতাবাদী নাগরিক পদ্মপল চোপরা ও শীতল সিং কুরআনের সকল আরবি কপি ও অনুবাদ বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি রীট করে। তারা মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সূরা বাকারার ১৯১ নম্বর আয়াত ও সূরা তাওবার ৩১ নম্বর আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে মামলা দায়ের করেছিল।
তাদের বক্তব্য ছিল, কুরআন যেহেতু কাফের মুশরিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ও তাদের হ*ত্যা করার কথা বলেছে, সেহেতু কুরআন একটি সাম্প্র*দায়িক উসকা*নিদাতা গ্রন্থ। তাই একে বাজেয়াপ্ত করার দাবি তুলে মামলা দায়ের করে এই দুই পা*পিষ্ঠ। ভারতীয় সংবিধানের ২২৩ নং ধারা সিআরপিসি ১১৫ (ক) ও ২৯৯ (ক) উদ্ধৃতি দিয়ে তারা কুরআনকে ভারতীয় সংবিধান বিরোধী বলে উল্লেখ করে বলে, এই গ্রন্থ সাম্প্রদায়িক দা*ঙ্গার জন্ম দিতে পারে। বিচারপতি পদ্ম খাস্তগীর কোনো প্রকার বিচার বিশ্লেষণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা গ্রহণ করেন। তিনি ১২ এপ্রিল এ বিষয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে এফিডেভিট প্রদানের জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দেন।
কুরআনকে বাজেয়াপ্ত করার মামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কলকাতাসহ সারাবিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। আমাদের দেশেও এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কুরআনপ্রেমী জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ১০ মে জুম্মার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে হাজার হাজার ইসলামী ছাত্র-জনতার মিছিল ও সমাবেশ মিলিত হলে লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।
সারাদেশের মত পরের দিন ১১ মে চাঁপাইনবাবঞ্জের ঈদগাহ ময়দানে আয়োজন করা হয় এক প্রতিবাদ সমাবেশের। বেলা ১১ টায় সমাবেশের আহবায়ক চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমদকে এসপি অফিসে ডেকে সমাবেশ বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু ইসলামী জনতা দলে দলে আসতে থাকে ঈদগাহ ময়দানের দিকে। উপায় না দেখে ঈদগাহ ময়দানে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
“শুধুমাত্র দোয়া করে জনতাকে শান্ত করে চলে যাবো”- নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সেই আবেদনও শুনেনি ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা। এসময় ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা সেই সুযোগ না দিয়ে অকথ্য ভাষায় আগত কুরআনপ্রেমীদের গা*লি দিতে থাকে। এ সময় ইসলামী জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়লে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লার নির্দেশে কুরআনপ্রেমী জনগণের ওপরে গুলিবর্ষণ শুরু করে পুলিশ।
পুলিশের গুলিতে প্রথমেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্র, ইসলামী ছাত্রশিবির কর্মী আব্দুল মতিন এবং হাসপাতালে নেবার পথে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে। এ
পরের দিন ১২ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী সকল বাধা উপেক্ষা করে কারফিউ ভেঙে জুম্মার নামাজের পর নৃশংস সেই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রাজপথে নেমে আসে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এমন ঘটনা সারা বিশ্বব্যাপী আালোড়ন সৃষ্টি করে। ১৩ মে প্রশাসনের সকল বাধা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কুরআনপ্রেমী মানুষ। মুসলমানরা বিশ্বব্যাপী এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণের প্রতিবাদে ফেটে পড়লে ভারত সরকার বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের রায়টি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলে ১৩ মে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি বিসি বাসকের আদালতে স্থানান্তরিত করে এটি খারিজ করে দেওয়া হয়।
কুরআন অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যেখানে সকল মুসলমানের কর্তব্য সেখানে ইসলামী জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় রচনা করেছিল বাংলাদেশের কিছু মুসলমান নামধারী পুলিশ।
এ দিনটিকে স্মরণ করতে বাংলাদেশের তৌহীদী জনতার প্রিয় ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতি বছর এই দিনে "কুরআন দিবস" হিসেবে পালন করে। আসুন আমরা সেই দিনের শহীদদের জন্য দোয়া করি, যেন মহান রাব্বুল আলামীন তাদের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।
আমিন।
#11May
#QuranDay
#Bangladesh
১১ মে ঐতিহাসিক কুরআন দিবস। সেই দিন কী ঘটেছিল চলুন ইতিহাসের পাতা থেকে তা জেনে নিই। ১৯৮৫ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঈদগাহ ময়দানে সংঘটিত হয় এক পৈশাচিক, নারকীয় হ*ত্যাকাণ্ড।
ঘটনার শুরু যেভাবে : ১৯৮৫ সালের ১০ এপ্রিল ভারতের দুইজন উ*গ্র সাম্প্র*দায়িকতাবাদী নাগরিক পদ্মপল চোপরা ও শীতল সিং কুরআনের সকল আরবি কপি ও অনুবাদ বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি রীট করে। তারা মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সূরা বাকারার ১৯১ নম্বর আয়াত ও সূরা তাওবার ৩১ নম্বর আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে মামলা দায়ের করেছিল।
তাদের বক্তব্য ছিল, কুরআন যেহেতু কাফের মুশরিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ও তাদের হ*ত্যা করার কথা বলেছে, সেহেতু কুরআন একটি সাম্প্র*দায়িক উসকা*নিদাতা গ্রন্থ। তাই একে বাজেয়াপ্ত করার দাবি তুলে মামলা দায়ের করে এই দুই পা*পিষ্ঠ। ভারতীয় সংবিধানের ২২৩ নং ধারা সিআরপিসি ১১৫ (ক) ও ২৯৯ (ক) উদ্ধৃতি দিয়ে তারা কুরআনকে ভারতীয় সংবিধান বিরোধী বলে উল্লেখ করে বলে, এই গ্রন্থ সাম্প্রদায়িক দা*ঙ্গার জন্ম দিতে পারে। বিচারপতি পদ্ম খাস্তগীর কোনো প্রকার বিচার বিশ্লেষণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা গ্রহণ করেন। তিনি ১২ এপ্রিল এ বিষয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে এফিডেভিট প্রদানের জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দেন।
কুরআনকে বাজেয়াপ্ত করার মামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কলকাতাসহ সারাবিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। আমাদের দেশেও এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কুরআনপ্রেমী জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ১০ মে জুম্মার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে হাজার হাজার ইসলামী ছাত্র-জনতার মিছিল ও সমাবেশ মিলিত হলে লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।
সারাদেশের মত পরের দিন ১১ মে চাঁপাইনবাবঞ্জের ঈদগাহ ময়দানে আয়োজন করা হয় এক প্রতিবাদ সমাবেশের। বেলা ১১ টায় সমাবেশের আহবায়ক চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমদকে এসপি অফিসে ডেকে সমাবেশ বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু ইসলামী জনতা দলে দলে আসতে থাকে ঈদগাহ ময়দানের দিকে। উপায় না দেখে ঈদগাহ ময়দানে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
“শুধুমাত্র দোয়া করে জনতাকে শান্ত করে চলে যাবো”- নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সেই আবেদনও শুনেনি ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা। এসময় ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা সেই সুযোগ না দিয়ে অকথ্য ভাষায় আগত কুরআনপ্রেমীদের গা*লি দিতে থাকে। এ সময় ইসলামী জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়লে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লার নির্দেশে কুরআনপ্রেমী জনগণের ওপরে গুলিবর্ষণ শুরু করে পুলিশ।
পুলিশের গুলিতে প্রথমেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্র, ইসলামী ছাত্রশিবির কর্মী আব্দুল মতিন এবং হাসপাতালে নেবার পথে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে। এ
ঘটনায় শীষ মোহাম্মদ, রশিদুল হক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র সেলিম, সাহাবুদ্দীন, কৃষক আলতাফুর রহমান সবুর, রিকশাচালক মোক্তার হোসেন ও রেলশ্রমিক নজরুল ইসলাম শাহাদাতবরণ করেন। সর্বমোট ৮ জন শাহাদাতবরণ করেন আর আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ।
পরের দিন ১২ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী সকল বাধা উপেক্ষা করে কারফিউ ভেঙে জুম্মার নামাজের পর নৃশংস সেই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রাজপথে নেমে আসে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এমন ঘটনা সারা বিশ্বব্যাপী আালোড়ন সৃষ্টি করে। ১৩ মে প্রশাসনের সকল বাধা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কুরআনপ্রেমী মানুষ। মুসলমানরা বিশ্বব্যাপী এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণের প্রতিবাদে ফেটে পড়লে ভারত সরকার বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের রায়টি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলে ১৩ মে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি বিসি বাসকের আদালতে স্থানান্তরিত করে এটি খারিজ করে দেওয়া হয়।
কুরআন অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যেখানে সকল মুসলমানের কর্তব্য সেখানে ইসলামী জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় রচনা করেছিল বাংলাদেশের কিছু মুসলমান নামধারী পুলিশ।
৩৮ বছর পার হলেও আজও এ ঘটনার কোনো বিচার হয়নি।
এ দিনটিকে স্মরণ করতে বাংলাদেশের তৌহীদী জনতার প্রিয় ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতি বছর এই দিনে "কুরআন দিবস" হিসেবে পালন করে। আসুন আমরা সেই দিনের শহীদদের জন্য দোয়া করি, যেন মহান রাব্বুল আলামীন তাদের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।
আমিন।
#11May
#QuranDay
#Bangladesh
👍9❤5🥰1
আগামীকাল এসএসসি/দাখিল'২৪ পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হবে।
সকলের জন্য রইল অবিরাম অন্তহীন ভালোবাসা ও দোয়া। যেন সকলেই তাদের বাবা-মা এবং সমাজের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।
পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে নিম্নোক্ত লিঙ্ক এ ঢুকুন: "Education Board Bangladesh" http://www.educationboardresults.gov.bd/result.php
সকলের জন্য রইল অবিরাম অন্তহীন ভালোবাসা ও দোয়া। যেন সকলেই তাদের বাবা-মা এবং সমাজের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।
পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে নিম্নোক্ত লিঙ্ক এ ঢুকুন: "Education Board Bangladesh" http://www.educationboardresults.gov.bd/result.php
❤11👍1
দুনিয়া বিমুখতা যে জাতিকে দিয়েছিল দুনিয়ার রাজত্ব, ধীরে ধীরে রাজত্ব উপভোগের মাধ্যমে দুনিয়ামুখী হয়ে রাজত্ব হারালো সেই জাতি।
আজ রাজত্ব ফেরানোর জন্য প্রয়োজন এমন একদল মুজাহিদ- যারা দুনিয়ার সকল স্বার্থকে দূরে ঠেলে দিয়ে পরকালমুখী হয়ে ইসলামী আন্দোলনের কাজকে আঞ্জাম দিবে।
আমি কিংবা আপনিও সেই দলেরই একজন হতে চাই। হতে পারছি কি? আসুন, নিজেকে প্রশ্ন করি।
আজ রাজত্ব ফেরানোর জন্য প্রয়োজন এমন একদল মুজাহিদ- যারা দুনিয়ার সকল স্বার্থকে দূরে ঠেলে দিয়ে পরকালমুখী হয়ে ইসলামী আন্দোলনের কাজকে আঞ্জাম দিবে।
আমি কিংবা আপনিও সেই দলেরই একজন হতে চাই। হতে পারছি কি? আসুন, নিজেকে প্রশ্ন করি।
❤16😢7
১৯৬৯ সালে লাহোরে কোনো এক মতবিনিময় সভায় অবিভক্ত পাকিস্তানের ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান তিন দায়িত্বশীল।❣️
ছবিতে যথাক্রমে অবিভক্ত পাকিস্তান ইসলামী জমিয়তে তালাবার সেন্ট্রাল এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল জাফর জামাল বালুচ এবং মোতমিদে আ'ম(সেক্রেটারী জেনারেল) তাসনীম আলম মানজার এর সাথে নাজিমে আ'লা(কেন্দ্রীয় সভাপতি) শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী(রহঃ)
#WeAreNizami
#8th_Shahadat_Anniversary
ছবিতে যথাক্রমে অবিভক্ত পাকিস্তান ইসলামী জমিয়তে তালাবার সেন্ট্রাল এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল জাফর জামাল বালুচ এবং মোতমিদে আ'ম(সেক্রেটারী জেনারেল) তাসনীম আলম মানজার এর সাথে নাজিমে আ'লা(কেন্দ্রীয় সভাপতি) শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী(রহঃ)
#WeAreNizami
#8th_Shahadat_Anniversary
❤12👍2
আলোর পথ
এসএসসি দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য সকল পরীক্ষার্থীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা 🌹🌹🌹
এখানে যারা এসএসসি/দাখিল'২৪ পরীক্ষার্থী আছেন সকলেই তাদের রেজাল্ট আমাদের গ্রুপে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
গ্রুপ: সহযোগী
গ্রুপ: সহযোগী
Telegram
সহযোগী
আপনার মতামত জানান এখানে মন খুলে
আমাদের চ্যানেল লিঙ্ক :https://t.me/alolpath
আমাদের চ্যানেল লিঙ্ক :https://t.me/alolpath
❤5👍1
২০২৪ সালে যারা এসএসসি/দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় এ+ সহ উত্তীর্ণ হয়েছো তাদেরকে আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আজ তোমরা দুনিয়ার জীবনের প্রথম ক্যারিয়ারে উত্তীর্ণ হয়েছো। এটাই শেষ নয়, জীবনে আরো অনেক বড় পথ পাড়ি দিতে হবে। দুনিয়ার এই ক্যারিয়ারের পাশাপাশি নিজেকে ধর্মীয় ও নৈতিক মানদণ্ডে উন্নীত করে দেশ ও জাতির কল্যাণে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে হবে। তোমাদের চলার পথ আরো সুন্দর ও মসৃণ হোক এই প্রত্যাশাই করি। মহান রবের কাছে দো'য়া করি, তোমরা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যাতে এভাবে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হতে পারো। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
❤11
বান্দা যখন গুনাহের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে দূরত্ব তৈরি করে ফেলে তখন সর্বপ্রথম ৩টা বিষয় ঘটে-
১. আল্লাহর রহমত বর্ষণ থেকে সে মাহরূম হয়।
২. তার সময়ের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।
৩. শয়তান তার কাছে আসার পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।
১. আল্লাহর রহমত বর্ষণ থেকে সে মাহরূম হয়।
২. তার সময়ের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।
৩. শয়তান তার কাছে আসার পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।
😢22