আজ কি এমন কোনো আমল হয়েছে যা আপনি আর আল্লাহ ব্যাতিত কেউ জানে না?
আজ কি এমন কোনো সাদাকা হয়েছে যা শুধু আল্লাহই দেখেছেন?
আজ কি এমন কোনো অসহায় ব্যাক্তির বিপদ দূর করা হয়েছে যে ছিলো চূড়ান্ত দূঃখ কষ্টে পতিত?
আজ কি কোনো অসুস্থ ব্যাক্তি বা আত্নীয়ের খোজ নেয়া হয়েছে, যার অন্তরে সামান্য ভালো কথাও বিশাল আশা জাগিয়েছে?
আজ এমন কোনো দ্বীনের মেহনত করা হয়েছে যার বিনিময় নেয়ার সুযোগ থাকলেও মনে মনে বলেছেন, আল্লাহ আমি আখিরাতে বিনিময় নিব, আমাকে আপনি হিদায়াতের পথে অবিচল রাখুন...হয়েছে?
দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায়, যায় বছরও। আমলের খাতাটা খালিই থেকে যায়। দুনিয়াকে বিশেষ করতে কতই না যত্ন নেয়া হয়, আর আখিরাতকে বিশেষ করার কোনো ফিকির কি করি আমরা?
আজ কি এমন কোনো সাদাকা হয়েছে যা শুধু আল্লাহই দেখেছেন?
আজ কি এমন কোনো অসহায় ব্যাক্তির বিপদ দূর করা হয়েছে যে ছিলো চূড়ান্ত দূঃখ কষ্টে পতিত?
আজ কি কোনো অসুস্থ ব্যাক্তি বা আত্নীয়ের খোজ নেয়া হয়েছে, যার অন্তরে সামান্য ভালো কথাও বিশাল আশা জাগিয়েছে?
আজ এমন কোনো দ্বীনের মেহনত করা হয়েছে যার বিনিময় নেয়ার সুযোগ থাকলেও মনে মনে বলেছেন, আল্লাহ আমি আখিরাতে বিনিময় নিব, আমাকে আপনি হিদায়াতের পথে অবিচল রাখুন...হয়েছে?
দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায়, যায় বছরও। আমলের খাতাটা খালিই থেকে যায়। দুনিয়াকে বিশেষ করতে কতই না যত্ন নেয়া হয়, আর আখিরাতকে বিশেষ করার কোনো ফিকির কি করি আমরা?
❤9👍2
বিয়ের ৫ টি পর্যায় আছে। বিয়ের আগে আপনাকে সেগুলো জানতে হবে।
১. ভালোবাসা
বিয়ে পরবর্তী সবকিছুই ভালো লাগবে। আপনার স্ত্রী হাসলে ভালো লাগবে, সে যখন তার পরিবারকে মিস করে কান্না করবে, সেটা ভালো লাগবে, সে যখন রাগ করবে, অভিমান করবে, সেটাও ভালো লাগবে।
ঘরে ঢুকলে সে যখন এগিয়ে আসবে, ভালো লাগবে। তাকে একা রেখে বাইরে যেতে মন চাইবে না।
প্রথম কয়েকদিন সবকিছুই ভালো লাগবে।
২. হানিমুন
এবার সবকিছু বেশি ভালো লাগবে। একসাথে ঘুরতে যাবেন, হাত ধরে হাঁটবেন, তাকে আগলে রাখাবেন, রাস্তা পার হবার সময় নিজের জন্য খেয়াল না রেখে স্ত্রীর দিকে খেয়াল রাখবেন। এই পর্যায়ে সবকিছু অতিরিক্ত ভালো লাগবে।
৩. ঝগড়া
এই পর্যায়ে শুরু হবে ঝগড়া। সেটা বিয়ের ১ সপ্তাহ পর হতে পারে, ১ মাস পর হতে পারে, ৬ মাস পর হতে পারে। তবে, ঝগড়া যে হবে এটা নিশ্চিত।
আপনি হয়তো আফসোস করবেন- কী বিয়ে করলাম? এর সাথে সারাজীবন কাটাতে হবে?
দুজন দুজনের অপছন্দের জিনিস লিস্ট করবেন। 'তোমার এটা আমার ভালো লাগে না' বলার পর সেও একটা লিস্ট বলে দিবে!
তুমি আমাকে কেয়ার করো না!
বাজারের লিস্ট দিলে সবকিছু আনো না।
আমি কিছু চাইলে ঠিকমতো দাও না।
এই তো শুরু হবে ঝগড়া!
৪. Pull up
এই পর্যায়ে পারস্পরিক ঝগড়া, দ্বন্দ্ব, কথা না বলে থাকা, রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যাবা এগুলো হবে। এই পর্যায়টাও খুব স্বাভাবিক। তবে, খেয়াল রাখতে হবে এই সময় কেউ যেন কাউকে শারিরীক আঘাত না করেন, মানসিক আঘাত না দেন, গালাগালি এবং কটু কথা না বলেন।
৫. অটো-পাইলট
এই মুহূর্তে যাই হোক না কেনো দুজন দুজনকে বুঝতে পারবেন। দাদা-দাদীর মধ্যে দেখবেন ঝগড়া হয় না। ঝগড়া হলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। কিছুক্ষণ পর দুজন হাসিমুখে কথা বলে।
বিয়ের এই পর্যায়ে উভয়ই উভয়ের আবেগ, অনুভূতি বুঝতে পারবেন।
১. ভালোবাসা
বিয়ে পরবর্তী সবকিছুই ভালো লাগবে। আপনার স্ত্রী হাসলে ভালো লাগবে, সে যখন তার পরিবারকে মিস করে কান্না করবে, সেটা ভালো লাগবে, সে যখন রাগ করবে, অভিমান করবে, সেটাও ভালো লাগবে।
ঘরে ঢুকলে সে যখন এগিয়ে আসবে, ভালো লাগবে। তাকে একা রেখে বাইরে যেতে মন চাইবে না।
প্রথম কয়েকদিন সবকিছুই ভালো লাগবে।
২. হানিমুন
এবার সবকিছু বেশি ভালো লাগবে। একসাথে ঘুরতে যাবেন, হাত ধরে হাঁটবেন, তাকে আগলে রাখাবেন, রাস্তা পার হবার সময় নিজের জন্য খেয়াল না রেখে স্ত্রীর দিকে খেয়াল রাখবেন। এই পর্যায়ে সবকিছু অতিরিক্ত ভালো লাগবে।
৩. ঝগড়া
এই পর্যায়ে শুরু হবে ঝগড়া। সেটা বিয়ের ১ সপ্তাহ পর হতে পারে, ১ মাস পর হতে পারে, ৬ মাস পর হতে পারে। তবে, ঝগড়া যে হবে এটা নিশ্চিত।
আপনি হয়তো আফসোস করবেন- কী বিয়ে করলাম? এর সাথে সারাজীবন কাটাতে হবে?
দুজন দুজনের অপছন্দের জিনিস লিস্ট করবেন। 'তোমার এটা আমার ভালো লাগে না' বলার পর সেও একটা লিস্ট বলে দিবে!
তুমি আমাকে কেয়ার করো না!
বাজারের লিস্ট দিলে সবকিছু আনো না।
আমি কিছু চাইলে ঠিকমতো দাও না।
এই তো শুরু হবে ঝগড়া!
৪. Pull up
এই পর্যায়ে পারস্পরিক ঝগড়া, দ্বন্দ্ব, কথা না বলে থাকা, রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যাবা এগুলো হবে। এই পর্যায়টাও খুব স্বাভাবিক। তবে, খেয়াল রাখতে হবে এই সময় কেউ যেন কাউকে শারিরীক আঘাত না করেন, মানসিক আঘাত না দেন, গালাগালি এবং কটু কথা না বলেন।
৫. অটো-পাইলট
এই মুহূর্তে যাই হোক না কেনো দুজন দুজনকে বুঝতে পারবেন। দাদা-দাদীর মধ্যে দেখবেন ঝগড়া হয় না। ঝগড়া হলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। কিছুক্ষণ পর দুজন হাসিমুখে কথা বলে।
বিয়ের এই পর্যায়ে উভয়ই উভয়ের আবেগ, অনুভূতি বুঝতে পারবেন।
❤24👍4
ঘুমানোর আগে কিছু আমল:
১. অযু করা
২.আয়াতুল কুরসি পড়া(সূরা বাকারাহ:২৫৫ নং আয়াত)
৩. সূরা বাকারাহ শেষ দুই আয়াত পড়া( ২৮৫-২৮৬ নং আয়াত)
৪. সূরা মূলক পড়া (৬৭ নম্বর সূরা)
৫.চার কূল পড়া ৩বার করে(সূরা ইখলাস, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব,সূরা কাফিরুন)
৬. সুবহানাল্লাহ(৩৩বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩বার), আল্লাহু আকবার (৩৪বার) পড়া
৭.ঘুমানোর দোয়া পড়া
৮. ডান কাধ হয়ে ঘুমানো
৯. তওবা ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সর্বপ্রথম আমাকে ও আপনাকে এইসকল আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন
যুক্ত হন : আলোর পথ
১. অযু করা
২.আয়াতুল কুরসি পড়া(সূরা বাকারাহ:২৫৫ নং আয়াত)
৩. সূরা বাকারাহ শেষ দুই আয়াত পড়া( ২৮৫-২৮৬ নং আয়াত)
৪. সূরা মূলক পড়া (৬৭ নম্বর সূরা)
৫.চার কূল পড়া ৩বার করে(সূরা ইখলাস, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব,সূরা কাফিরুন)
৬. সুবহানাল্লাহ(৩৩বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩বার), আল্লাহু আকবার (৩৪বার) পড়া
৭.ঘুমানোর দোয়া পড়া
৮. ডান কাধ হয়ে ঘুমানো
৯. তওবা ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সর্বপ্রথম আমাকে ও আপনাকে এইসকল আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন
যুক্ত হন : আলোর পথ
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤16👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সংসদে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনা বলেন
এইটা তার নমুনা☝️
"গায়ে রঙ মেখে হেফাজত নেতাকর্মীরা শুয়েছিল"
এইটা তার নমুনা☝️
😢22
#Urgent
৫ই মে ২০১৩
ভয়াল এ রাতের প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা কাছ থেকে এ রাতের নৃশংসতা দেখেছেন―তাদের কাছে অনুরোধ,
আপনি আমাদের লিখে জানান, কেমন ছিল আপনার দেখা সে রাতের দৃশ্য!
কমেন্ট করুন আমাদের গ্রুপে:
https://t.me/associateap
৫ই মে ২০১৩
ভয়াল এ রাতের প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা কাছ থেকে এ রাতের নৃশংসতা দেখেছেন―তাদের কাছে অনুরোধ,
আপনি আমাদের লিখে জানান, কেমন ছিল আপনার দেখা সে রাতের দৃশ্য!
কমেন্ট করুন আমাদের গ্রুপে:
https://t.me/associateap
আত্ননিয়ন্ত্রণ যতই শক্তিশালী হবে হারামের প্রতি আসক্তি,কামনা -বাসনা ও নিকষকালো ফিতনার বিরুদ্ধে একজন মুসলিম তত বেশি অটল - অবিচল হবে। অনেকে ইবাদাতের ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ করে।কিন্তু পাপ কাজের মুকাবেলায় তার সে ধৈর্যধারণ থাকে না।আবার এমন অনেক মানুষ আছে,যাদের প্রথমটিতে সবর নেই, দ্বিতীয়টিতে ও নেই। এ ক্ষেত্রে সর্বোত্তম মানুষ হলো সে,যে উভয় প্রকারেই ধৈর্্যধারণ করে চলে। উদাহরণত বলা যায়,অনেক মানুষ কি শীত, কি গরম —উভয় সময়েই কষ্ট হলেও কিয়ামুল লাইল আদায় করে,উভয় সময়েই কষ্ট করে সাওম পালন করে। কিন্তু কোন হারাম থেকে দৃষ্টি সংযত করে না।আবার অনেক মানুষকে দেখা যায়,দৃষ্টি সংযত রাখার ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ করে।কিন্তু সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ এবং মুনাফিক ও কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার ক্ষেত্রে কষ্ট স্বীকার ও ধৈর্যধারণ করে না।
_
_
ইমাম ইবনুল কাইয়িম
[বই : আত্মনিয়ন্ত্রণ, পৃষ্ঠা নং : ১০]
😢11👍2
প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে উদার, নিরহংকারী, অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও উপকারী হতে শিখায়। কিন্তু যখনই এর বৈপরীত্য দেখা দিবে, সেক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে আমার জ্ঞানের সুত্র কিংবা প্রক্রিয়া ত্রুটি মুক্ত নয়।
রাসূল (স.) নিয়মিত উপকারী জ্ঞানের জন্য এভাবে দোয়া করতেন,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً-
‘হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুল হওয়ার আমলের জন্য প্রার্থনা করছি।’ (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ)
পাশাপাশি ক্ষতিকর জ্ঞান থেকে আল্লাহর কাছে মুক্তি চাইতেন,
‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান প্রার্থনা করছি এবং যে জ্ঞান কোনো উপকারে আসে না, সে জ্ঞান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।’ (ইবনে মাজাহ )
- জাহিদুল ইসলাম
সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
রাসূল (স.) নিয়মিত উপকারী জ্ঞানের জন্য এভাবে দোয়া করতেন,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً-
‘হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুল হওয়ার আমলের জন্য প্রার্থনা করছি।’ (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ)
পাশাপাশি ক্ষতিকর জ্ঞান থেকে আল্লাহর কাছে মুক্তি চাইতেন,
‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান প্রার্থনা করছি এবং যে জ্ঞান কোনো উপকারে আসে না, সে জ্ঞান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।’ (ইবনে মাজাহ )
- জাহিদুল ইসলাম
সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
❤12👍2😢1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
বেনজির আহমেদ এবং আজিজ আহমেদের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামের নিরীহ নেতা-কর্মীদের গণহত্যার সেই ৫মে 😢 বেনজির আহমেদ এবং আজিজ আহমেদের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামের নিরীহ নেতা-কর্মীদের গণহত্যার সেই ৫মে 😢
group:https://t.me/associateap
group:https://t.me/associateap
😢19👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
“সারা বাংলাদেশে মেসেজ দিচ্ছি, এখন থেকে আমরা আর ভারচুয়াল কোন সাংগঠনিক প্রোগ্রাম করব না। এখন থেকে সব প্রোগ্রাম হবে সরাসরি উপস্থিতিতে।”
🎙ডাঃ শফিকুর রহমান, জামায়াত আমীর
👍24
৫ মে। শাপলা।
কেবল এই বিষয়টার জন্যই ওলামায়ে দেওবন্দের প্রতি তামাম বাংলার মুসলিমদের শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতাবোধ ও ভালোবাসা অনাগতকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। থাকতে হবে। না থাকলে বা না রাখলে সে অকৃজ্ঞ। ছোটোলোক।
বাংলাদেশে এই আলিমরা ও এই মাদরাসাগুলো না থাকলে এই দেশের মুসলমানদের ঈমান-আমল ও চারিত্রিক অবস্থা আরো ভয়াবহ হতো। আরো খারাপ হতো।
আমি সব সময় সবাইকেই বলি- সৌদি আরবের শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওহহাব নজদি রহ. এর সালাফি আন্দোলন না থাকলে আজকে যেরকম সৌদি আমরা দেখতে পাচ্ছি, এমনটা না কখনোই থাকার সম্ভাবনা ছিল না। থাকতো না।
সৌদির আশেপাশের আরব দেশগুলোর দিকে নজর দিলেই এর বাস্তবতা হাড়েহাড়ে টের পাওয়া যায়। (সৌদিতে মূলধারার সালাফিদের প্রাধান্য কমে গিয়ে আজকে মাদখালীদের প্রভাব বাড়ার পরের সৌদির দিকে খেয়াল করুন, আরো স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবেন আশা করি)।
তদ্রূপ এই উপমহাদেশেও যদি দেওবন্দি আন্দোলন ও পাড়ায় পাড়ায়, গ্রামে গ্রামে কওমি মাদরাসাগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে না থাকতো, তাহলে পৌত্তলিকদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসানে এই উপমহাদেশের মুসলমানরা নিঃশেষ হয়ে যেত। আমাদের মুসলমানিত্বের পরিচয় আরো তলানিতে গিয়ে ঠেকতো।
এই অঞ্চলের মুসলমানদের এবং তাদের অজস্র সীমাবদ্ধতা থাকলেও ইসলামের বাহ্যিক অবয়ব, পোশাক-আশাক, ইবাদাত-মুয়ামালার, আমল-আখলাকের যেটুকু সৌন্দর্য দৃশ্যমান, এটুকুর সবচেয়ে বড়ো অবদান এই আলিমদের। এই মাদরাসাগুলো না থাকলে আওল্লাহি, এটুকুনও থাকতো না। হি ন্দু ত্ববাদ ও পাশ্চাত্যবাদ, দুয়ের মিশেলে যাচ্ছেতাই অবস্থা হয়ে যেত।
এই অঞ্চলের মুসলমানদের অন্তরে এখন যেমন দীন-ঈমান, আল্লাহ-রাসূলের প্রতি আবেগ রয়েছে, এইটুকু আমরা হয়তো না পাবারই সম্ভাবনা ছিল।
আমাদের ওলামায়ে কেরাম আমাদের সম্পদ। আমাদের মাদরাসাগুলো আমাদের সম্পদ। আমাদের শহীদেরা আমাদের সম্পদ।
শাপলার সকল শহীদের সর্বোচ্চ মাকাম কামনা করছি। সেসময়কার শাহবাগের সকল অভিশপ্তের জা হান্না মের উত্তপ্ত লেলিহান কামনা করছি।
কেবল এই বিষয়টার জন্যই ওলামায়ে দেওবন্দের প্রতি তামাম বাংলার মুসলিমদের শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতাবোধ ও ভালোবাসা অনাগতকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। থাকতে হবে। না থাকলে বা না রাখলে সে অকৃজ্ঞ। ছোটোলোক।
বাংলাদেশে এই আলিমরা ও এই মাদরাসাগুলো না থাকলে এই দেশের মুসলমানদের ঈমান-আমল ও চারিত্রিক অবস্থা আরো ভয়াবহ হতো। আরো খারাপ হতো।
আমি সব সময় সবাইকেই বলি- সৌদি আরবের শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওহহাব নজদি রহ. এর সালাফি আন্দোলন না থাকলে আজকে যেরকম সৌদি আমরা দেখতে পাচ্ছি, এমনটা না কখনোই থাকার সম্ভাবনা ছিল না। থাকতো না।
সৌদির আশেপাশের আরব দেশগুলোর দিকে নজর দিলেই এর বাস্তবতা হাড়েহাড়ে টের পাওয়া যায়। (সৌদিতে মূলধারার সালাফিদের প্রাধান্য কমে গিয়ে আজকে মাদখালীদের প্রভাব বাড়ার পরের সৌদির দিকে খেয়াল করুন, আরো স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবেন আশা করি)।
তদ্রূপ এই উপমহাদেশেও যদি দেওবন্দি আন্দোলন ও পাড়ায় পাড়ায়, গ্রামে গ্রামে কওমি মাদরাসাগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে না থাকতো, তাহলে পৌত্তলিকদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসানে এই উপমহাদেশের মুসলমানরা নিঃশেষ হয়ে যেত। আমাদের মুসলমানিত্বের পরিচয় আরো তলানিতে গিয়ে ঠেকতো।
এই অঞ্চলের মুসলমানদের এবং তাদের অজস্র সীমাবদ্ধতা থাকলেও ইসলামের বাহ্যিক অবয়ব, পোশাক-আশাক, ইবাদাত-মুয়ামালার, আমল-আখলাকের যেটুকু সৌন্দর্য দৃশ্যমান, এটুকুর সবচেয়ে বড়ো অবদান এই আলিমদের। এই মাদরাসাগুলো না থাকলে আওল্লাহি, এটুকুনও থাকতো না। হি ন্দু ত্ববাদ ও পাশ্চাত্যবাদ, দুয়ের মিশেলে যাচ্ছেতাই অবস্থা হয়ে যেত।
এই অঞ্চলের মুসলমানদের অন্তরে এখন যেমন দীন-ঈমান, আল্লাহ-রাসূলের প্রতি আবেগ রয়েছে, এইটুকু আমরা হয়তো না পাবারই সম্ভাবনা ছিল।
আমাদের ওলামায়ে কেরাম আমাদের সম্পদ। আমাদের মাদরাসাগুলো আমাদের সম্পদ। আমাদের শহীদেরা আমাদের সম্পদ।
শাপলার সকল শহীদের সর্বোচ্চ মাকাম কামনা করছি। সেসময়কার শাহবাগের সকল অভিশপ্তের জা হান্না মের উত্তপ্ত লেলিহান কামনা করছি।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা মুমিনদের ক্ষমা করুন। দীনের বিজয়কে আরো তরান্বিত করুন। সাথে সাথে গোষ্ঠীগত সকল সংকীর্ণতায় আক্রান্ত সকল ব্যক্তিকেও আল্লাহ হৃদয়ে উদারতার অনাবিল আলো দান করুন। আ-মী-ন।
🥰6👍2
ঘুমিয়ে পড়ুন...
আপনার কষ্ট গুলো আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে গুরত্ব রাখে না। তাড়াতাড়ি শুয়ে তাহাজ্জুদ এ উঠে আল্লাহকে সব বলুন ইন শা আল্লাহ।
আপনার কষ্ট গুলো আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে গুরত্ব রাখে না। তাড়াতাড়ি শুয়ে তাহাজ্জুদ এ উঠে আল্লাহকে সব বলুন ইন শা আল্লাহ।
❤18