Forwarded from সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক) (Admin)
জাজাকাল্লাহ খাইরান আমাদের পরীক্ষা নেওয়া সম্পন্ন হলো
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
❤10
বান্দা তার রবকে কখন চিনে..?
-বান্দা যখন বিপদে পড়ে যায়।
বান্দা তার রবকে কখন ভুলে যায়..?
-বান্দা যখন বিপদ থেকে মুক্তি পেয়ে যায়।
-বান্দা যখন বিপদে পড়ে যায়।
বান্দা তার রবকে কখন ভুলে যায়..?
-বান্দা যখন বিপদ থেকে মুক্তি পেয়ে যায়।
😢23
"আল্লাহর কসম! আমিতো নিজের ব্যাপারেই নিশ্চিত নই, (তাহলে) অন্যকে খারাপ বলবো কীভাবে? মানুষের অবস্থা তো এমন — সে অন্যের পাপের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করে; কিন্তু নিজেকে পাপের শাস্তি থেকে নিরাপদ মনে করে।"
ইমাম রাবী ইবনে খুসাইম (রাহি.)
[আত-তাবাকাতুল কুবরা: ৬/১৮৬]।
😢14👍1
দ্বীনহীন মানুষেরা নীড়হীন পাখির মতো—উদভ্রান্ত।
আপনার জীবনে ‘আল্লাহ’ আছেন মানে, আপনার জীবনে সবকিছুই আছে।
আপনার জীবনে ‘আল্লাহ’ আছেন মানে, আপনার জীবনে সবকিছুই আছে।
❤13
📍আইডি রেস্ট্রিকশন থেকে বাঁচার উপায়📍
দ্বীনি কমিউনিটিতে এক আতঙ্ক হলো আইডি রেস্ট্রিকশন! হাজার হাজার আইডি গায়েব হয়ে যায় চোখের পলকেই। আবার অনেকে কয়েকদিন যাবত পোস্ট, লাইক বা কমেন্ট কিছুই করতে পারে না। আর ফেসবুক মুসলিমদের হাতে না থাকায় এর সমাধানও সম্ভব নয়। তাই এর একটি প্রতিকার বের করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তাই এর একটি কার্যকর প্রতিষেধক পেয়েছিলাম। আজ সেই ট্রিকটি আপনাদের সাথেও শেয়ার করব যাতে আপনাদের আইডিও এ রেস্ট্রিকশন থেকে বাঁচতে পারে।
ধাপসমূহঃ
১) ফেসবুক যখন আপনার আইডি ৩দিন/ ৭দিন/ ৩০ দিনের জন্য রেস্ট্রিক্ট করে তখন আপনাদের কাছে একটি নোটিফিকেশন আসে। তাহলেই আপনি বুঝতে পারেন আইডির হায়াত ফুরিয়ে এসেছে। যাইহোক সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করার পর যে ফর্মটা আসে সেখানে কোথাও ভুলেও ক্লিক করবেন না (নাহয় এই ট্রিকটা আর কাজে আসবে না)।
২) ফেসবুক থেকে বের হয়ে যাবেন এবং রিসেন্ট ট্যাব থেকেও ফেসবুক ক্লিয়ার করে দিবেন।
৩) এরপর যেকোনো একটা ভিপিএন ডাউনলোড করবেন (Touch Vpn ও ব্যবহার করতে পারেন)।
৪) ভিপিএন এ USA কান্ট্রি (যদি পোস্ট বাংলায় লিখা থাকে) সিলেক্ট করে ভিপিএন অন করেবেন।
৫) এরপর ফেসবুকে ঢুকবেন এবং সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করবেন (অথবা ফেসবুক অন করলেই সেটি চলে আসবে)।
৬) সেখানে লিখা "Disagree with Decision" অপশনে ক্লিক করবেন।
৭) সেখানে ৩টি অপশন দেখতে পাবেন তার মধ্যে "Facebook misunderatood mu content" অপশনটিতে ক্লিক করে "Submit" করে দিবেন।
৮) কাজ এইটুকুই। কয়েক মিনিট পর ফেসবুক ক্ষমা চেয়ে রেস্ট্রিকশন তুলে নিবে 🌸
৯) তবে যদি agree অপশনে ক্লিক করেন তাহলে কিছুই করার থাকবে না 💔।
➤ রেস্ট্রিকশন এড়াতে করণীয়ঃ
কিছু শব্দ আছে যার কারণে রোস্ট্রিকশন আসে যেমন "kaফির", "মু/র*তাদ" ইত্যাদি শব্দগুলো এভাবে ব্যবহার করবেন যাতে আপনার কন্টেন্ট কি আছে তা তাদের এ্যালগরিদম বুঝতে না পারে। কমেন্টেও এ সতর্কতা মেনে চলবেন।
(পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন)
@admin
দ্বীনি কমিউনিটিতে এক আতঙ্ক হলো আইডি রেস্ট্রিকশন! হাজার হাজার আইডি গায়েব হয়ে যায় চোখের পলকেই। আবার অনেকে কয়েকদিন যাবত পোস্ট, লাইক বা কমেন্ট কিছুই করতে পারে না। আর ফেসবুক মুসলিমদের হাতে না থাকায় এর সমাধানও সম্ভব নয়। তাই এর একটি প্রতিকার বের করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তাই এর একটি কার্যকর প্রতিষেধক পেয়েছিলাম। আজ সেই ট্রিকটি আপনাদের সাথেও শেয়ার করব যাতে আপনাদের আইডিও এ রেস্ট্রিকশন থেকে বাঁচতে পারে।
ধাপসমূহঃ
১) ফেসবুক যখন আপনার আইডি ৩দিন/ ৭দিন/ ৩০ দিনের জন্য রেস্ট্রিক্ট করে তখন আপনাদের কাছে একটি নোটিফিকেশন আসে। তাহলেই আপনি বুঝতে পারেন আইডির হায়াত ফুরিয়ে এসেছে। যাইহোক সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করার পর যে ফর্মটা আসে সেখানে কোথাও ভুলেও ক্লিক করবেন না (নাহয় এই ট্রিকটা আর কাজে আসবে না)।
২) ফেসবুক থেকে বের হয়ে যাবেন এবং রিসেন্ট ট্যাব থেকেও ফেসবুক ক্লিয়ার করে দিবেন।
৩) এরপর যেকোনো একটা ভিপিএন ডাউনলোড করবেন (Touch Vpn ও ব্যবহার করতে পারেন)।
৪) ভিপিএন এ USA কান্ট্রি (যদি পোস্ট বাংলায় লিখা থাকে) সিলেক্ট করে ভিপিএন অন করেবেন।
৫) এরপর ফেসবুকে ঢুকবেন এবং সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করবেন (অথবা ফেসবুক অন করলেই সেটি চলে আসবে)।
৬) সেখানে লিখা "Disagree with Decision" অপশনে ক্লিক করবেন।
৭) সেখানে ৩টি অপশন দেখতে পাবেন তার মধ্যে "Facebook misunderatood mu content" অপশনটিতে ক্লিক করে "Submit" করে দিবেন।
৮) কাজ এইটুকুই। কয়েক মিনিট পর ফেসবুক ক্ষমা চেয়ে রেস্ট্রিকশন তুলে নিবে 🌸
৯) তবে যদি agree অপশনে ক্লিক করেন তাহলে কিছুই করার থাকবে না 💔।
➤ রেস্ট্রিকশন এড়াতে করণীয়ঃ
কিছু শব্দ আছে যার কারণে রোস্ট্রিকশন আসে যেমন "kaফির", "মু/র*তাদ" ইত্যাদি শব্দগুলো এভাবে ব্যবহার করবেন যাতে আপনার কন্টেন্ট কি আছে তা তাদের এ্যালগরিদম বুঝতে না পারে। কমেন্টেও এ সতর্কতা মেনে চলবেন।
(পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন)
@admin
❤15
আলোর পথ
সর্বপ্রথম আমরা দুঃখিত আমাদের সমস্যা থাকায় যথা সময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরীক্ষা হবে (২৬-০৪-২০২৪) রাত :৯.৩০-৯.৪০। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১ মিনিট পূর্বে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। পরীক্ষার লিঙ্ক : আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আলহামদুলিল্লাহ হাদীস পরীক্ষার প্রথম তিনজন।
বাকি পরীক্ষার্থীরা রেজাল্ট দেখতে আমাদের গ্রুপে নক দেন :
https://t.me/+VNLt8TLsonQxOWU1
সকলেই বিজয়ীদের 🥰 এই রিয়েক্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানাই ইন শা আল্লাহ
বাকি পরীক্ষার্থীরা রেজাল্ট দেখতে আমাদের গ্রুপে নক দেন :
https://t.me/+VNLt8TLsonQxOWU1
👍9🥰9❤2
তাবুকের যুদ্ধের প্রস্তুতিকালে আল্লাহর রাসূল (সা.) সাহাবায়ে কেরামের সামনে সাদাকার ফজিলত বর্ণনা করছিলেন। এমন সময় উলবা ইবনে জায়েদ (রা.) দাঁড়িয়ে বললেন−
‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একজন দরিদ্র মানুষ। সাদাকা করার মতো আমার কোনো সম্পদ নেই। তাই আমি তোমাকে সাক্ষী রেখে আমার ইজ্জতের সাদাকা করতে চাই−যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।’
নবিজি (সা.) তখন তাঁর কথায় তেমন একটা গুরুত্ব দেননি। কিন্তু পরদিন সকালবেলা তিনি জিজ্ঞেস করলেন−‘গতকাল ইজ্জতের সাদাকা করেছিল কে?’ উলবা ইবনে জায়েদ দাঁড়িয়ে বললেন−‘ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি।’
নবিজি বললেন−‘তোমার সাদাকা আল্লাহর কাছে কবুল হয়েছে।’
সুবাহানাল্লাহ!
তাই ক্ষমা করতে শেখো। ভাই-বোনের মাঝে ঝগড়া বেঁধে গেলে যদি দেখো তুমি হকের ওপর আছ, তাহলে কালক্ষেপণ না করে ক্ষমা করে দাও। কারণ, বিরোধিতা ও বিদ্বেষ মানুষের অন্তরকে পাষাণ বানিয়ে দেয়। যে প্রভু উলবা (রা.)-এর সাদাকা কবুল করে নিয়েছেন, তিনি তোমার সাদাকাও কবুল করে নেবেন।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে কিছু লোক অনেক কষ্ট দিয়েছিল। তারা একসময় অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইতে এলে তিনি মুচকি হেসে তাদের বললেন−
‘এতদিন পর এসেছেন আমার কাছে ক্ষমা চাইতে। অথচ যখন আমার গলায় রশি লাগিয়ে রাস্তায় হ্যাঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, আমি তো তখনই আপনাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।’
ক্ষমার মাঝেই রয়েছে প্রকৃত মর্যাদা। এজন্যই নবি (সা.) বলেছেন−‘আল্লাহ তায়ালা ক্ষমার কারণে বান্দার ইজ্জত-সম্মান বাড়িয়ে দেন।’
কুরআনের চিঠি বইয়ের সূরা নূরের ২২ নম্বর আয়াতের তাফসীর থেকে। যে আয়াতে বলা হয়েছে-
وَلْيَعْفُوْا وَلْيَصْفَحُوْاۗ اَلَا تُحِبُّوْنَ اَنْ يَّغْفِرَ اللّٰهُ لَكُمْ وَاللّٰهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘তারা যেন ক্ষমা করে এবং দোষত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি কামনা করো না, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের দোষত্রুটি ক্ষমা করেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম করুণাময়।’
‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একজন দরিদ্র মানুষ। সাদাকা করার মতো আমার কোনো সম্পদ নেই। তাই আমি তোমাকে সাক্ষী রেখে আমার ইজ্জতের সাদাকা করতে চাই−যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।’
নবিজি (সা.) তখন তাঁর কথায় তেমন একটা গুরুত্ব দেননি। কিন্তু পরদিন সকালবেলা তিনি জিজ্ঞেস করলেন−‘গতকাল ইজ্জতের সাদাকা করেছিল কে?’ উলবা ইবনে জায়েদ দাঁড়িয়ে বললেন−‘ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি।’
নবিজি বললেন−‘তোমার সাদাকা আল্লাহর কাছে কবুল হয়েছে।’
সুবাহানাল্লাহ!
তাই ক্ষমা করতে শেখো। ভাই-বোনের মাঝে ঝগড়া বেঁধে গেলে যদি দেখো তুমি হকের ওপর আছ, তাহলে কালক্ষেপণ না করে ক্ষমা করে দাও। কারণ, বিরোধিতা ও বিদ্বেষ মানুষের অন্তরকে পাষাণ বানিয়ে দেয়। যে প্রভু উলবা (রা.)-এর সাদাকা কবুল করে নিয়েছেন, তিনি তোমার সাদাকাও কবুল করে নেবেন।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে কিছু লোক অনেক কষ্ট দিয়েছিল। তারা একসময় অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইতে এলে তিনি মুচকি হেসে তাদের বললেন−
‘এতদিন পর এসেছেন আমার কাছে ক্ষমা চাইতে। অথচ যখন আমার গলায় রশি লাগিয়ে রাস্তায় হ্যাঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, আমি তো তখনই আপনাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।’
ক্ষমার মাঝেই রয়েছে প্রকৃত মর্যাদা। এজন্যই নবি (সা.) বলেছেন−‘আল্লাহ তায়ালা ক্ষমার কারণে বান্দার ইজ্জত-সম্মান বাড়িয়ে দেন।’
কুরআনের চিঠি বইয়ের সূরা নূরের ২২ নম্বর আয়াতের তাফসীর থেকে। যে আয়াতে বলা হয়েছে-
وَلْيَعْفُوْا وَلْيَصْفَحُوْاۗ اَلَا تُحِبُّوْنَ اَنْ يَّغْفِرَ اللّٰهُ لَكُمْ وَاللّٰهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘তারা যেন ক্ষমা করে এবং দোষত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি কামনা করো না, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের দোষত্রুটি ক্ষমা করেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম করুণাময়।’
❤13👍2
