>>>এইমাত্র পাওয়া<<<
ফরিদপুরের মধুখালীর পঞ্চপল্লীতে দুই ভাইকে পি*টিয়ে হ*ত্যার প্রতিবাদে তৌহিদী জনতার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ : পুলিশের গুলিতে হতাহত অনেকে। বিস্তারিত আসছে....
ফরিদপুরের মধুখালীর পঞ্চপল্লীতে দুই ভাইকে পি*টিয়ে হ*ত্যার প্রতিবাদে তৌহিদী জনতার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ : পুলিশের গুলিতে হতাহত অনেকে। বিস্তারিত আসছে....
আলোর পথ
>>>এইমাত্র পাওয়া<<< ফরিদপুরের মধুখালীর পঞ্চপল্লীতে দুই ভাইকে পি*টিয়ে হ*ত্যার প্রতিবাদে তৌহিদী জনতার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ : পুলিশের গুলিতে হতাহত অনেকে। বিস্তারিত আসছে....
ফরিদপুরের মধুখালীর পঞ্চপল্লীতে দুই ভাইকে পিটিয়ে হ*ত্যার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে।
তৌহিদী জনতার এ অবরোধে পুলিশ টিয়ার শেল ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এতে প্রায় ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
#collected
তৌহিদী জনতার এ অবরোধে পুলিশ টিয়ার শেল ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে। এতে প্রায় ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
#collected
😢15
আলোর পথ
উমর_রাঃ_নিয়ত_সংক্রান্ত_হাদিস.pdf
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
আগামী শুক্রবার (২৬-০৪-২০২৪)
পরীক্ষা হবে ইন শা আল্লাহ।
* আপনি ও আপনার বন্ধুদের হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হইল।
পরীক্ষার আপডেট জানতে যুক্ত থাকুন আমাদের গ্রুপে:
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আগামী শুক্রবার (২৬-০৪-২০২৪)
পরীক্ষা হবে ইন শা আল্লাহ।
* আপনি ও আপনার বন্ধুদের হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হইল।
পরীক্ষার আপডেট জানতে যুক্ত থাকুন আমাদের গ্রুপে:
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
❤5
ফরিদপুরের মধুখালীর পঞ্চপল্লীতে দুই মুসলিম সহোদরকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল বিক্ষুব্ধ জনতা। পরবর্তীতে তাদের উপর আওয়ামী হিন্দুত্ববাদী পুলিশ নির্বিচারে টিয়ারশেল ও গুলি বর্ষণ করে। বেশ কয়েকজন মুসলিম প্রতিবাদকারী এই পুলিশি হামলায় আহত হয়।
😢21👍3
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ম'ন্দি'রের দেয়ালের পিছনে চলছে মু'স'লিম হ'ত্যা'র প্রস্তুতি
আমাদের খালি হাত ভরে দাও রব,আমাদের কালোগুলো, ভালো করে দাও অসীম ক্ষমায়। আমাদের খালি হাত ভরে দাও রব , আমরা তো ব্যর্থ হারিয়েছি সব। আমাদের কালোগুলো ভালো করে দাও, ভূল থেকে আমাদের পথে তুলে নাও।
আসুন বৃষ্টির জন্য দোয়া পড়ি~
আল্লা-হুম্মাসক্বিনা গইচান মুগীচান মারী’য়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গইরা দ্বররান ‘আ-জিলান গইরা আ-জিলিন.
হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।
(আবু দাউদ ১১৬৯)
আসুন বৃষ্টির জন্য দোয়া পড়ি~
আল্লা-হুম্মাসক্বিনা গইচান মুগীচান মারী’য়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গইরা দ্বররান ‘আ-জিলান গইরা আ-জিলিন.
হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।
(আবু দাউদ ১১৬৯)
❤12👍1
যাকাত আদায়ে সক্রিয় হই এবং বৃষ্টির জন্য দোয়া পড়ি~
اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا مَرِيعاً نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ
আল্লা-হুম্মাসক্বিনা গইচান মুগীচান মারী’য়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গইরা দ্বররান ‘আ-জিলান গইরা আ-জিলিন (আরবি বাংলা সঠিক উচ্চারণ সম্ভব নয়)
হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।
(আবু দাউদ ১১৬৯)
اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا مَرِيعاً نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ
আল্লা-হুম্মাসক্বিনা গইচান মুগীচান মারী’য়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গইরা দ্বররান ‘আ-জিলান গইরা আ-জিলিন (আরবি বাংলা সঠিক উচ্চারণ সম্ভব নয়)
হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।
(আবু দাউদ ১১৬৯)
❤14
প্রখ্যাত তাবিয়ি হাসান বাসরি রহ. একদিন তাঁর মজলিসে বসে আছেন। এক লোক এসে নিজের অভাব অনটনের কথা বলল তাঁর কাছে। হাসান বাসরি বললেন, 'বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।'
.
কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি এসে বলল, আমার ফসলী জমি শুকিয়ে যাচ্ছে বৃষ্টির অভাবে। আমাকে একটা আমল বাতলে দিন। তাকেও তিনি বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।
.
কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে বলল, অনেক চেষ্টা করেও আমার সন্তান হচ্ছে না। কী করা যায় হুজুর? তাকেও বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।
.
এরপর চতুর্থবার, এক লোক এসে বলল, দেশ দুর্ভিক্ষের কবলে। এখন আমরা কী করতে পারি? হাসান বাসরি রহ. বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।
.
পাশেই ছিল হাসান বাসরির এক শিষ্য। এতক্ষণ সে চারজনকে দেওয়া উস্তাদের সমাধান শুনেছিল। প্রত্যেককে একই সমাধান দিতে দেখে সে অবাক। জিজ্ঞেস করল, 'শাইখ, আপনি ভিন্ন ভিন্ন চারটি সমস্যার একটি মাত্র সমাধান দিলেন যে? এর রহস্য কী?'
.
হাসান বাসরি রহ. বললেন: 'এই সমাধান তো আমি দিই নি। খোদ আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন।' এরপর তিনি এ আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেন:
اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًا
يُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهٰرًا
"তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল।
তাহলে তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন।
তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তানাদি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদীনালা প্রবাহিত করবেন।"
.
তাফসীরে কুরতুবি; সূরা নূহ: ১০-১২ এর আলোকে
.
কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি এসে বলল, আমার ফসলী জমি শুকিয়ে যাচ্ছে বৃষ্টির অভাবে। আমাকে একটা আমল বাতলে দিন। তাকেও তিনি বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।
.
কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে বলল, অনেক চেষ্টা করেও আমার সন্তান হচ্ছে না। কী করা যায় হুজুর? তাকেও বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।
.
এরপর চতুর্থবার, এক লোক এসে বলল, দেশ দুর্ভিক্ষের কবলে। এখন আমরা কী করতে পারি? হাসান বাসরি রহ. বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।
.
পাশেই ছিল হাসান বাসরির এক শিষ্য। এতক্ষণ সে চারজনকে দেওয়া উস্তাদের সমাধান শুনেছিল। প্রত্যেককে একই সমাধান দিতে দেখে সে অবাক। জিজ্ঞেস করল, 'শাইখ, আপনি ভিন্ন ভিন্ন চারটি সমস্যার একটি মাত্র সমাধান দিলেন যে? এর রহস্য কী?'
.
হাসান বাসরি রহ. বললেন: 'এই সমাধান তো আমি দিই নি। খোদ আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন।' এরপর তিনি এ আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেন:
اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًا
يُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهٰرًا
"তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল।
তাহলে তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন।
তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তানাদি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদীনালা প্রবাহিত করবেন।"
.
তাফসীরে কুরতুবি; সূরা নূহ: ১০-১২ এর আলোকে
❤20👍1
বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী যতো দুর্বল হবে, ক্যাম্পাসগুলোয় শিবির যত দুর্বল এবং অপ্রাসঙ্গিক হবে (যদিও ক্যাম্পাসগুলোতে আজকে ৭/৮/১০/১২ বছর ধরেই দুর্বল) বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব, বাংলাদেশের জাতীয় মর্যদা, বাংলাদেশের মানুষের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, ততোই দুর্বল হবে। ততোই পতনের দিকে ধাবিত হবে। ইতোমধ্যে হয়েছেও।
আজকে যদি জামায়াতে ইসলামী শক্তিশালী থাকতো, প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বেগম খালেদার আদর্শের বিএনপি শক্তিশালী থাকতো, তাহলে সম্ভবত ফরিদপুরের এই দৃশ্য আমাদের দেখা লাগতো না।
এমনকী জিয়া যদি আরো ৮/১০-টা বছর জীবিত থাকতো, তাহলে আজকে নাথান বম কিংবা সন্তু লারমারাও এতোটা উৎপাদিত হতো না।
আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার অস্ত্রগুলোকে আমরা সংরক্ষণ করতে পারিনি।
আমাদের আরো একটি মজবুত অস্ত্র ছিল এদেশের কওমি মাদরাসাগুলো এবং এই নির্ভর প্রচলিত অর্থে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। আমাদের এই অস্ত্রটাকেও ভোতা, ধারহীন এবং অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ আরো ৫/১০ বছর থাকলে সম্ভবত এই দেশটা সত্যি সত্যিই ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে যাবে।
এই দেশের প্রতিটি জনপদে জনপদে, মানুষের অন্তরে অন্তরে ইসলামের ভালোবাসা তৈরি করতে হলে, একেবারে গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধকে ছড়িয়ে দিতে এবং শক্তিশালী করতে হলে, আমাদেরকে এখানের কওমি মাদরাসাগুলোকে বাপকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। একেবারে ব্যাপকভাবে।
আর এই জনপদকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে এবং মুক্ত রাখতে হলে, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবির শক্তিশালী হবার কোনো বিকল্প নেই।
আমরা যতোই বিকল্প তালাশ করি, রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা-সংস্কৃতি ইত্যাদিতে জামায়াতের যেই অবস্থান ছিল, সেই অবস্থানে অন্য কেউ পৌঁছাতে হলে তাদেরকে আরো অন্তত ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ বছর গতিশীলভাবে, নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যেতে হবে।
সুতরাং অজস্র সমালোচনা, অগণিত ভুল, হাজারো সমস্যা থাকার পরও এই অঞ্চলের মুসলমানদেরকে জামায়াতের ওপরই ভরসা রাখতে হবে এবং করতে হবে।
তার মানে এটা না যে, জামায়াতকে গঠনমূলক এবং কার্যকরী সমালোচনা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। বরং জামায়াতকে জামায়াত রাখতে হলে এবং বানাতে হলে তাদের সমালোচনা করতেই হবে, তাদের সমালোচনা থাকতেই হবে।
এই ভূখণ্ডের মুসলমানদের মূল শত্রু পৌত্তলিকরা। আর তাদের ফুট সোলজার হিসেবে কাজ করা বামপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা।
এদের আধিপত্যবাদ মোকাবিলাও জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অসম্ভব। অন্তত বর্তমান প্রেক্ষাপট আমাদেরকে সেটাই বলছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন আমাদের এই ভূখণ্ডকে হেফাজত করেন।
~রেদওয়ান রাওয়াহা
আজকে যদি জামায়াতে ইসলামী শক্তিশালী থাকতো, প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বেগম খালেদার আদর্শের বিএনপি শক্তিশালী থাকতো, তাহলে সম্ভবত ফরিদপুরের এই দৃশ্য আমাদের দেখা লাগতো না।
এমনকী জিয়া যদি আরো ৮/১০-টা বছর জীবিত থাকতো, তাহলে আজকে নাথান বম কিংবা সন্তু লারমারাও এতোটা উৎপাদিত হতো না।
আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার অস্ত্রগুলোকে আমরা সংরক্ষণ করতে পারিনি।
আমাদের আরো একটি মজবুত অস্ত্র ছিল এদেশের কওমি মাদরাসাগুলো এবং এই নির্ভর প্রচলিত অর্থে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। আমাদের এই অস্ত্রটাকেও ভোতা, ধারহীন এবং অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ আরো ৫/১০ বছর থাকলে সম্ভবত এই দেশটা সত্যি সত্যিই ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে যাবে।
এই দেশের প্রতিটি জনপদে জনপদে, মানুষের অন্তরে অন্তরে ইসলামের ভালোবাসা তৈরি করতে হলে, একেবারে গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধকে ছড়িয়ে দিতে এবং শক্তিশালী করতে হলে, আমাদেরকে এখানের কওমি মাদরাসাগুলোকে বাপকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। একেবারে ব্যাপকভাবে।
আর এই জনপদকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে এবং মুক্ত রাখতে হলে, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবির শক্তিশালী হবার কোনো বিকল্প নেই।
আমরা যতোই বিকল্প তালাশ করি, রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা-সংস্কৃতি ইত্যাদিতে জামায়াতের যেই অবস্থান ছিল, সেই অবস্থানে অন্য কেউ পৌঁছাতে হলে তাদেরকে আরো অন্তত ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ বছর গতিশীলভাবে, নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যেতে হবে।
সুতরাং অজস্র সমালোচনা, অগণিত ভুল, হাজারো সমস্যা থাকার পরও এই অঞ্চলের মুসলমানদেরকে জামায়াতের ওপরই ভরসা রাখতে হবে এবং করতে হবে।
তার মানে এটা না যে, জামায়াতকে গঠনমূলক এবং কার্যকরী সমালোচনা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। বরং জামায়াতকে জামায়াত রাখতে হলে এবং বানাতে হলে তাদের সমালোচনা করতেই হবে, তাদের সমালোচনা থাকতেই হবে।
এই ভূখণ্ডের মুসলমানদের মূল শত্রু পৌত্তলিকরা। আর তাদের ফুট সোলজার হিসেবে কাজ করা বামপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা।
এদের আধিপত্যবাদ মোকাবিলাও জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অসম্ভব। অন্তত বর্তমান প্রেক্ষাপট আমাদেরকে সেটাই বলছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন আমাদের এই ভূখণ্ডকে হেফাজত করেন।
~রেদওয়ান রাওয়াহা
❤21👍1