আলোর পথ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সকলেই ভালো আছেন? আগামী (১৯-০৪-২০২৪) রোজ শুক্রবার। আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য বই পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রতিযোগিতায় আপনি ও আপনার বন্ধুদের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।…
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
ইসলামের ইতিহাসে বিয়ের অনুষ্ঠান যেমন মসজিদে হতো, তেমনি যুদ্ধের ময়দানেও বিয়ে হতো!
এমন একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ইসলামের ইতিহাসে বেশ প্রসিদ্ধ।
যুদ্ধের সময় তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। স্বামী চাইলেন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে নিতে৷ স্ত্রী বললেন, "আমরা তো এখনো শত্রুবাহিনীর নাগালের মধ্যে আছি। কিছুদিন পর না হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হোক?"
স্ত্রীর কথা শুনে স্বামী আস্তে করে বললেন, "কিন্তু, এই যুদ্ধে তো আমি শহীদ হয়ে যেতে পারি!"
স্বামীর এমন আবেগমাখা কথা শুনে স্ত্রী আর আপত্তি জানালেন না।
একটি ব্রিজের ওপর ওয়ালিমার অনুষ্ঠান হলো। সৈন্যদের খাওয়াদাওয়া তখনো শেষ হয়নি।
ঠিক সেই মুহূর্তে শত্রুবাহিনী আক্রমণ করলো।
একজন শক্তিশালী রোমান সৈন্য মুসলিম বাহিনীকে আমন্ত্রণ জানালো- "কে আছো আমার সাথে লড়বে?"
তার আহবানে সাড়া দিলেন নববিবাহিত সাহাবী, যার বিয়ের অনুষ্ঠান তখনো শেষ হয়নি।
বিরত্বের সাথে যুদ্ধ করে সত্যি সত্যি শাহাদাতবরণ করলেন!
আর সেই নারী? নববিবাহিতা নারী? বিয়ের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই যিনি বিধবা হলেন, তিনি কী করবেন? স্বামীর শোকে কান্নাকাটি?
না, তিনি বরং নিজের কাপড় মজবুতভাবে কোমরে বেঁধে তাবুর খুটি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লেন।
স্বামীর হত্যাকারীদের ওপর ক্ষিপ্র গতিতে ঝাপিয়ে পড়লেন। এমনকি ৭ জন রোমান সৈন্যকে হত্যা করলেন সেই নারী।
সেই নারী সাহাবির নাম ছিলো উম্মু হাকিম বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহা। তাঁর স্বামী ছিলেন খালিদ ইবনে সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
পরবর্তীতে সেই যোদ্ধা নারীকে বিয়ে করেন উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু।
এমন একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ইসলামের ইতিহাসে বেশ প্রসিদ্ধ।
যুদ্ধের সময় তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। স্বামী চাইলেন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে নিতে৷ স্ত্রী বললেন, "আমরা তো এখনো শত্রুবাহিনীর নাগালের মধ্যে আছি। কিছুদিন পর না হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হোক?"
স্ত্রীর কথা শুনে স্বামী আস্তে করে বললেন, "কিন্তু, এই যুদ্ধে তো আমি শহীদ হয়ে যেতে পারি!"
স্বামীর এমন আবেগমাখা কথা শুনে স্ত্রী আর আপত্তি জানালেন না।
একটি ব্রিজের ওপর ওয়ালিমার অনুষ্ঠান হলো। সৈন্যদের খাওয়াদাওয়া তখনো শেষ হয়নি।
ঠিক সেই মুহূর্তে শত্রুবাহিনী আক্রমণ করলো।
একজন শক্তিশালী রোমান সৈন্য মুসলিম বাহিনীকে আমন্ত্রণ জানালো- "কে আছো আমার সাথে লড়বে?"
তার আহবানে সাড়া দিলেন নববিবাহিত সাহাবী, যার বিয়ের অনুষ্ঠান তখনো শেষ হয়নি।
বিরত্বের সাথে যুদ্ধ করে সত্যি সত্যি শাহাদাতবরণ করলেন!
আর সেই নারী? নববিবাহিতা নারী? বিয়ের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই যিনি বিধবা হলেন, তিনি কী করবেন? স্বামীর শোকে কান্নাকাটি?
না, তিনি বরং নিজের কাপড় মজবুতভাবে কোমরে বেঁধে তাবুর খুটি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লেন।
স্বামীর হত্যাকারীদের ওপর ক্ষিপ্র গতিতে ঝাপিয়ে পড়লেন। এমনকি ৭ জন রোমান সৈন্যকে হত্যা করলেন সেই নারী।
সেই নারী সাহাবির নাম ছিলো উম্মু হাকিম বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহা। তাঁর স্বামী ছিলেন খালিদ ইবনে সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
পরবর্তীতে সেই যোদ্ধা নারীকে বিয়ে করেন উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু।
❤28👍1
তীব্র তাপে জনজীবন শোচনীয়।বিশেষত উত্তরাঞ্চলে তাপের প্রভাব বেশি।এই সময় প্রয়োজন সঠিক স্বাস্থ্য সচেতনতা।
◈তীব্র গরমে স্বাস্থ্য সচেতনতা◈
১.প্রচুর পরিমাণে লিকুইড খাবার গ্রহণ করুন,খাবার স্যালাইনও গ্রহণ করা যেতে পারে।
২.চা-কফি জাতীয় পানীয় খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
৩.ভাজাপোড়া বা তৈলাক্ত খাবার পরিহার করুন।
৪.ডিহাইড্রেশন এড়াতে মৌসুমি পানীয় ফল গ্রহণ করুন।যেমন-তরমুজ,আনারস,আঙুর,আপেল ইত্যাদি।
৫.সরাসরি ঠান্ডা পানি পান থেকেও বিরত থাকুন।এতে টনসিলের সমস্যা হতে পারে।
৬.শুষ্ক বা গরম জায়গা হতে অপেক্ষাকৃত শীতল স্থানে অবস্থান করুন।
৭.মাঝেমধ্যে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছা যেতে পারে।
৮.গরমের কারণে সংগঠিত হিট স্ট্রোক হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।এছাড়া হিট স্ট্রোক এড়াতে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
◈তীব্র গরমে স্বাস্থ্য সচেতনতা◈
১.প্রচুর পরিমাণে লিকুইড খাবার গ্রহণ করুন,খাবার স্যালাইনও গ্রহণ করা যেতে পারে।
২.চা-কফি জাতীয় পানীয় খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
৩.ভাজাপোড়া বা তৈলাক্ত খাবার পরিহার করুন।
৪.ডিহাইড্রেশন এড়াতে মৌসুমি পানীয় ফল গ্রহণ করুন।যেমন-তরমুজ,আনারস,আঙুর,আপেল ইত্যাদি।
৫.সরাসরি ঠান্ডা পানি পান থেকেও বিরত থাকুন।এতে টনসিলের সমস্যা হতে পারে।
৬.শুষ্ক বা গরম জায়গা হতে অপেক্ষাকৃত শীতল স্থানে অবস্থান করুন।
৭.মাঝেমধ্যে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছা যেতে পারে।
৮.গরমের কারণে সংগঠিত হিট স্ট্রোক হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।এছাড়া হিট স্ট্রোক এড়াতে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
❤15
ঘুম ভাঙার পর যে দোয়া পড়লে উদ্দেশ্য পূরণ হয়
===========
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে গেলে যদি কেউ তার বিছানা থেকে ওঠে যায় তবে করণীয় কী? আবার পুনরায় ঘুমাতে গেলেই বা তার জন্য করণীয় কি? এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, কেউ যদি ঘুম ভাঙার পর আল্লাহর কাছে এই বিশেষ পদ্ধতিতে দোয়া করে, আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করেন।
মূলত এ সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ কারণ রয়েছে। তা হচ্ছে, এমন ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করবে এবং তার কাছে প্রার্থনা করবে যার অন্তর সর্বদা আল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়েই আল্লাহকে স্মরণ তার কাছে অনেক পছন্দনীয়। তাই যে ব্যক্তি এ অবস্থায় প্রার্থনা করবে আল্লাহ তার দোয়া কবুল করবেন।
হাদিসে এসেছে, ওবাদাহ ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে জেগে ওঠে (উপরোক্ত) দোয়া পড়ে—
উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদির, ওয়া সুবহা নাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা ক্যুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।’
অর্থ : এক আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক, তার কোনো শরিক নেই। রাজ্য তারই। যাবতীয় প্রশংসা তারই।
তিনিই সব কিছুর ওপর শক্তিমান। যাবতীয় হামদ আল্লাহরই জন্য, আল্লাহ তাআলা পবিত্র, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান, গুনাহ থেকে বাঁচার এবং নেক কাজ করার কোনো শক্তি নেই আল্লাহর তাওফিক ছাড়া। অতঃপর বলে, হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন বা (অন্য কোনো) দোয়া করে, তার দোয়া কবুল হয়। অতঃপর অজু করে (নামাজ আদায় করলে) তার নামাজ কবুল হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৫৪)।
তবে এই দোয়া কবুল হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে ঘুমানোর আগে পবিত্রতা তথা অজুর সঙ্গে ঘুম যাওয়া। যেমনটি অন্য আরেক হাদিসে এসেছে। মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, যে মুসলিম ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ও মহান আল্লাহকে স্মরণ করে রাত কাটায় (ঘুমায়) এবং রাতে জেগে আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভের দোয়া করে, আল্লাহ তাকে তা দান করেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৪২)।
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, বান্দা ঘুমের ঘোরে থেকেও তার সৃষ্টিকর্তাকে ভোলে না। সে সময় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। এটাই আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয় আমল।
===========
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে গেলে যদি কেউ তার বিছানা থেকে ওঠে যায় তবে করণীয় কী? আবার পুনরায় ঘুমাতে গেলেই বা তার জন্য করণীয় কি? এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, কেউ যদি ঘুম ভাঙার পর আল্লাহর কাছে এই বিশেষ পদ্ধতিতে দোয়া করে, আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করেন।
মূলত এ সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ কারণ রয়েছে। তা হচ্ছে, এমন ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করবে এবং তার কাছে প্রার্থনা করবে যার অন্তর সর্বদা আল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়েই আল্লাহকে স্মরণ তার কাছে অনেক পছন্দনীয়। তাই যে ব্যক্তি এ অবস্থায় প্রার্থনা করবে আল্লাহ তার দোয়া কবুল করবেন।
হাদিসে এসেছে, ওবাদাহ ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে জেগে ওঠে (উপরোক্ত) দোয়া পড়ে—
উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদির, ওয়া সুবহা নাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা ক্যুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।’
অর্থ : এক আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক, তার কোনো শরিক নেই। রাজ্য তারই। যাবতীয় প্রশংসা তারই।
তিনিই সব কিছুর ওপর শক্তিমান। যাবতীয় হামদ আল্লাহরই জন্য, আল্লাহ তাআলা পবিত্র, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান, গুনাহ থেকে বাঁচার এবং নেক কাজ করার কোনো শক্তি নেই আল্লাহর তাওফিক ছাড়া। অতঃপর বলে, হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন বা (অন্য কোনো) দোয়া করে, তার দোয়া কবুল হয়। অতঃপর অজু করে (নামাজ আদায় করলে) তার নামাজ কবুল হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৫৪)।
তবে এই দোয়া কবুল হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে ঘুমানোর আগে পবিত্রতা তথা অজুর সঙ্গে ঘুম যাওয়া। যেমনটি অন্য আরেক হাদিসে এসেছে। মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, যে মুসলিম ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ও মহান আল্লাহকে স্মরণ করে রাত কাটায় (ঘুমায়) এবং রাতে জেগে আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভের দোয়া করে, আল্লাহ তাকে তা দান করেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৪২)।
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, বান্দা ঘুমের ঘোরে থেকেও তার সৃষ্টিকর্তাকে ভোলে না। সে সময় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। এটাই আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয় আমল।
❤19👍2
‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর। নিশ্চয়ই কিয়ামাতের কম্পন এক ভয়ানক ব্যাপার।’
[ সুরা আল-হাজ্জ, ২২ : ১ ]
[ সুরা আল-হাজ্জ, ২২ : ১ ]
😢8
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
একজন হিন্দু ভাইয়ের মুখে আমিরে জামায়াতের প্রসংশা
একজন ভুক্তভোগী ভাইয়ের কান্না জরিত কন্ঠে আবেগাপ্লুত বার বার একই দলের নিকট থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ায়।
একজন ভুক্তভোগী ভাইয়ের কান্না জরিত কন্ঠে আবেগাপ্লুত বার বার একই দলের নিকট থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ায়।
❤17
Forwarded from আলোর পথ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আশা করি সকলেই ভালো আছেন?
আগামী (১৯-০৪-২০২৪) রোজ শুক্রবার। আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য বই পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রতিযোগিতায় আপনি ও আপনার বন্ধুদের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
বিষয় : মনটাকে কাজ দিন (অধ্যাপক গোলাম আজম)
সময়: পরে জানানো হবে ইনশাআল্লাহ
অংশগ্রহণ : সকলেই
পুরস্কার : প্রথম তিনজনকে দেওয়া হবে
প্রশ্ন : ১৫ টি (নেগেটিভ কোন মার্ক থাকবে না)
স্থান : আমাদের চ্যানেলই
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের এই প্রথম ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সাহায্য ও কবুল করুক। আমিন
আপনাদের একান্তই
"আলোর পথ"
#পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করুন আমাদের গ্রুপে:
" আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹"
* এই বার্তাটা সকলের কাছে শেয়ার করবেন ইন শা আল্লাহ
আশা করি সকলেই ভালো আছেন?
আগামী (১৯-০৪-২০২৪) রোজ শুক্রবার। আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য বই পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রতিযোগিতায় আপনি ও আপনার বন্ধুদের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
বিষয় : মনটাকে কাজ দিন (অধ্যাপক গোলাম আজম)
সময়: পরে জানানো হবে ইনশাআল্লাহ
অংশগ্রহণ : সকলেই
পুরস্কার : প্রথম তিনজনকে দেওয়া হবে
প্রশ্ন : ১৫ টি (নেগেটিভ কোন মার্ক থাকবে না)
স্থান : আমাদের চ্যানেলই
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের এই প্রথম ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সাহায্য ও কবুল করুক। আমিন
আপনাদের একান্তই
"আলোর পথ"
#পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করুন আমাদের গ্রুপে:
" আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹"
* এই বার্তাটা সকলের কাছে শেয়ার করবেন ইন শা আল্লাহ
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤5
বিয়ে বহির্ভূত সব ধরনের সম্পর্কই আমাদের এই দেশে, এই সমাজেই কয়েক বছর আগেও ছিল নিন্দনীয়। অগ্রহণযোগ্য। অসামাজিক।
যার কারণে কেউ প্রেম করলে সেই প্রেমিক-প্রেমিকার দল প্রেম করতো গোপনে গোপনে। লুকিয়ে লুকিয়ে।
এরপর সাহিত্য সংস্কৃতি নাটক সিনামার মাধ্যমে প্রেমকে মহত্তর কাজ হিসেবে, দারুণ সুন্দর একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
লুকিয়ে লুকিয়ে চিঠিপত্র দেওয়া, এক নজর দেখার জন্য গাছের আড়ালে, পথের পাশে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকাকে অসাধারণ রোমান্টিক এবং স্মার্টনেস হিসেবে দেখানো হলো, বোঝানো হলো। উঠতি বয়সী ছেলেপেলে এতে উদ্ভুদ্ধ ও আকর্ষিত হলো।
মা-বাবা, চাচা-মামা বা এলাকার মুরুব্বিরা এসবে বাধ সাধতো। যার কারণে তাদেরকে টিভি-সিনেমায় ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করানো হলো। ফলে আগে মুরুব্বিদের ভয় পেলেও, কন্ট্রোল মানলেও এখন তারা বয়স্কদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করলো।
সে সময় প্রেম ছিল পবিত্র। চুমু খাওয়া। হাতাহাতি করাটা খুব বেশি ছিল না।
পরের ধাপে প্রেম-ভালোবাসার বিনিময়ে কিস করা থেকে শুরু করে লিটনের ফ্ল্যাটে গিয়ে নিয়মিত সেক্স করা হয়ে গেছে বাস্তবতা। ভালোবাসার সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। স্মার্টনেস।
প্রেম-ভালোবাসা, অবৈধ যৌনতা, সমকামিতা ইত্যাদি সবকিছুই নরমাল করার পরের ধাপে এসে এখন শরিফ থেকে শরিফা হওয়াটাকেও নিতান্তই স্বাভাবিক একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
আমরা অনেকেই অনেক সময় কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের পাতা ফাঁদের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোয় পা দেওয়াকে ছোটোখাটো বিচ্যুতি, সামান্য ভুল হিসেবে এড়িয়ে যাই। অথচ এগুলোর চূড়ান্ত ফলাফল কখনোই সীমিত নয়। চূড়ান্ত গন্তব্য কখনো সীমাবদ্ধ নয়।
তাদের চূড়ান্ত গন্তব্য হচ্ছেই আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের দীন, আমাদের ঈমান, আমাদের ভবিষ্যতের গলায় ছুরি চালিয়ে ধ্বংস করা।
আমরা এসব যতো তাড়াতাড়ি বুঝবো, ততোই আমাদের জন্য মঙ্গল। কিন্তু আমরা তো এসব বুঝতে প্রস্তুত না।
যেসব দূরদর্শী ব্যক্তিবর্গ আমাদেরকে পতনের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোতেই সচেতন করে বা করেছেন, আমরা তাদেরকে যুগ বাস্তবতা বিবর্জিত, সংকীর্ণ, কুয়োর ব্যাঙ, ইত্যাদি বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছি এবং করিও।
ফলাফল: আমাদের অঙ্গন থেকেই (যেসব অঙ্গন ইসলামের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করে। যেমন কওমি, সালাফি, জামায়াতে ইসলামীসহ ইত্যাদি) তৈরি হয়ে যায় মাহফুজ আনাম, তুহিন খান, ফারজানা মাহবুবা, স্বকৃত নোমান, মুফতি মাসুদ থেকে শুরু করে এরকম নাম জানা-অজানা হাজারো মুরতাদ-আধা মুরতাদ কিংবা রাম-বাম ও সেকুলাররা।
যার কারণে কেউ প্রেম করলে সেই প্রেমিক-প্রেমিকার দল প্রেম করতো গোপনে গোপনে। লুকিয়ে লুকিয়ে।
এরপর সাহিত্য সংস্কৃতি নাটক সিনামার মাধ্যমে প্রেমকে মহত্তর কাজ হিসেবে, দারুণ সুন্দর একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
লুকিয়ে লুকিয়ে চিঠিপত্র দেওয়া, এক নজর দেখার জন্য গাছের আড়ালে, পথের পাশে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকাকে অসাধারণ রোমান্টিক এবং স্মার্টনেস হিসেবে দেখানো হলো, বোঝানো হলো। উঠতি বয়সী ছেলেপেলে এতে উদ্ভুদ্ধ ও আকর্ষিত হলো।
মা-বাবা, চাচা-মামা বা এলাকার মুরুব্বিরা এসবে বাধ সাধতো। যার কারণে তাদেরকে টিভি-সিনেমায় ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করানো হলো। ফলে আগে মুরুব্বিদের ভয় পেলেও, কন্ট্রোল মানলেও এখন তারা বয়স্কদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করলো।
সে সময় প্রেম ছিল পবিত্র। চুমু খাওয়া। হাতাহাতি করাটা খুব বেশি ছিল না।
পরের ধাপে প্রেম-ভালোবাসার বিনিময়ে কিস করা থেকে শুরু করে লিটনের ফ্ল্যাটে গিয়ে নিয়মিত সেক্স করা হয়ে গেছে বাস্তবতা। ভালোবাসার সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। স্মার্টনেস।
প্রেম-ভালোবাসা, অবৈধ যৌনতা, সমকামিতা ইত্যাদি সবকিছুই নরমাল করার পরের ধাপে এসে এখন শরিফ থেকে শরিফা হওয়াটাকেও নিতান্তই স্বাভাবিক একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
আমরা অনেকেই অনেক সময় কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের পাতা ফাঁদের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোয় পা দেওয়াকে ছোটোখাটো বিচ্যুতি, সামান্য ভুল হিসেবে এড়িয়ে যাই। অথচ এগুলোর চূড়ান্ত ফলাফল কখনোই সীমিত নয়। চূড়ান্ত গন্তব্য কখনো সীমাবদ্ধ নয়।
তাদের চূড়ান্ত গন্তব্য হচ্ছেই আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের দীন, আমাদের ঈমান, আমাদের ভবিষ্যতের গলায় ছুরি চালিয়ে ধ্বংস করা।
আমরা এসব যতো তাড়াতাড়ি বুঝবো, ততোই আমাদের জন্য মঙ্গল। কিন্তু আমরা তো এসব বুঝতে প্রস্তুত না।
যেসব দূরদর্শী ব্যক্তিবর্গ আমাদেরকে পতনের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোতেই সচেতন করে বা করেছেন, আমরা তাদেরকে যুগ বাস্তবতা বিবর্জিত, সংকীর্ণ, কুয়োর ব্যাঙ, ইত্যাদি বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছি এবং করিও।
ফলাফল: আমাদের অঙ্গন থেকেই (যেসব অঙ্গন ইসলামের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করে। যেমন কওমি, সালাফি, জামায়াতে ইসলামীসহ ইত্যাদি) তৈরি হয়ে যায় মাহফুজ আনাম, তুহিন খান, ফারজানা মাহবুবা, স্বকৃত নোমান, মুফতি মাসুদ থেকে শুরু করে এরকম নাম জানা-অজানা হাজারো মুরতাদ-আধা মুরতাদ কিংবা রাম-বাম ও সেকুলাররা।
😢6
সময় যত গড়াচ্ছে তত ফিতনা প্রকাশ পাচ্ছে। আধমরা দূর্বল ঈমান নিয়ে শঙ্কিত তার ওপর ফিতনা আবার মোকাবেলা! সামনের দিন কত কঠিন। রব আমাদের হিফাজত করুন,সাহায্য করুন। আমীন।
❤12😢6
কালবে সালীম বা নিরোগ আত্মা তখনি হবে যখন কোনো মানুষের অন্তর তিনটি ব্যাধি থেকে মুক্ত হবেঃ
১- শির্ক থেকে মুক্ত হবে। তাওহীদ আঁকড়ে ধরবে। অন্তর শুধু আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত হবে।
২- বিদআত থেকে মুক্ত হবে। শুবুহাত তথা সন্দেহ-সংশয়ে পতিত হওয়া থেকে মুক্ত হয়ে সুন্নাহর উপর অটল থাকবে।
৩- গুনাহ থেকে মুক্ত হবে। শাহওয়াত তথা কু-প্রবৃত্তির চাহিদামুক্ত হয়ে আনুগত্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখবে।
১- শির্ক থেকে মুক্ত হবে। তাওহীদ আঁকড়ে ধরবে। অন্তর শুধু আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত হবে।
২- বিদআত থেকে মুক্ত হবে। শুবুহাত তথা সন্দেহ-সংশয়ে পতিত হওয়া থেকে মুক্ত হয়ে সুন্নাহর উপর অটল থাকবে।
৩- গুনাহ থেকে মুক্ত হবে। শাহওয়াত তথা কু-প্রবৃত্তির চাহিদামুক্ত হয়ে আনুগত্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখবে।
❤10
দুইটি ভয়ংকর গুনাহ--- কুধারণা এবং অপবাদ:
সম্ভবত এই দুই গুনাহের শাস্তি আল্লাহ তা'আলা দুনিয়ায় খুব দ্রুত দিয়ে দেন। নিজের চোখে দেখা বেশ কিছু ঘটনা আছে।
১. একবার তিনদিনের জামাত থেকে ফেরত আসা দুই কিশোর কে দেখলাম আসরের নামাজের পর ইমাম কে বলছে তাবলিগ করা ফরজ, কিন্তু ইমাম সাহেব যেহেতু যান না, তাই তিনি ফরজ তরকের গুনাহ করছেন। ইমাম শুধু তাদের বললেন আরেকটু পড়াশোনা করতে। এক মাস ও মনে হয় যায়নি এরপর তাদের নামাজের ধারেকাছেও দেখিনি।
২. এক বড় ভাই ভিন্ন মানহাজের হওয়ায় ফেসবুক এক সেলিব্রিটি মন্তব্য করেছিল তিনি মসজিদে নামাজ পড়েন না, জুমাও পড়েন না। অথচ জলজ্যান্ত মিথ্যা। আমি নিজেই ওই ভাই এর সাথে মসজিদে আসর মাগরিব পড়েছি। মসজিদের ইমামের পিছনে। যতটা জানি তিনি জুমাও পড়েন। ওই সেলিব্রিটি সম্পর্কে পরে জানা গেল ফ্রড।
৩. জাকির নায়েক হাফিযাহুল্লাহর ভুলত্রুটি নিয়ে অনেকে ইনসাফপূর্ণ আলোচনা করেছেন, কেউ কেউ তাকে ই হু দি দের দালাল বলেছেন। দ্বিতীয় পক্ষের অনেক কে জনসম্মুখে বেইজ্জত হতে দেখেছি। অথচ তারা যোগ্যতা সম্পন্ন আলিমের কাতারে থাকতে পারতেন।
৪. এক ভাই লাগাতার ৫-৬ মাস তাহাজ্জুদ জিকরের আমল করতেন। একজনের সম্পর্কে অহেতুক গীবত করে এখন তার মাঝে মধ্যে ফরজ ওয়াজিব ও ছুটে যেতে দেখি।
৫. আকিদা মানহাজ নিয়ে খুব কড়াকড়ি এক ভাই কে দেখতাম প্রায় ই বিপরীত মত কে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখতে। আল্লাহ তা'আলা তাকেও বাজেভাবে বেইজ্জত করলেন।
এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমার আপনার আমলের ধারাবাহিকতায় হঠাৎ ছেদ পড়লে একটু আত্মসমালোচনার দরকার আমি আসলে এমন কোন গুনাহে লিপ্ত কিনা। আমাদের তাড়াহুড়ার জন্য মুসলিম ভাই এর সাথে ব্যবহার কু ফ ফা র থেকে ও বাজে হয়। এজন্য যে কোন ট্যাগ ব্যবহার করতে দেরি করিনা।
আমি খুব আমলি কেউ না। বেশিরভাগ সময় অনলাইনে কাটে। আমার পক্ষ থেকে কেউ এমন কুধারণা বা অপবাদের স্বীকার হলে ইনবক্সে বলতে পারেন। অবশ্যই ক্ষমা চেয়ে নিব। উপরের কথা গুলো আল্লাহ তা'আলা আমাকে আগে আমলের তৌফিক দান করুন আমিন।
সম্ভবত এই দুই গুনাহের শাস্তি আল্লাহ তা'আলা দুনিয়ায় খুব দ্রুত দিয়ে দেন। নিজের চোখে দেখা বেশ কিছু ঘটনা আছে।
১. একবার তিনদিনের জামাত থেকে ফেরত আসা দুই কিশোর কে দেখলাম আসরের নামাজের পর ইমাম কে বলছে তাবলিগ করা ফরজ, কিন্তু ইমাম সাহেব যেহেতু যান না, তাই তিনি ফরজ তরকের গুনাহ করছেন। ইমাম শুধু তাদের বললেন আরেকটু পড়াশোনা করতে। এক মাস ও মনে হয় যায়নি এরপর তাদের নামাজের ধারেকাছেও দেখিনি।
২. এক বড় ভাই ভিন্ন মানহাজের হওয়ায় ফেসবুক এক সেলিব্রিটি মন্তব্য করেছিল তিনি মসজিদে নামাজ পড়েন না, জুমাও পড়েন না। অথচ জলজ্যান্ত মিথ্যা। আমি নিজেই ওই ভাই এর সাথে মসজিদে আসর মাগরিব পড়েছি। মসজিদের ইমামের পিছনে। যতটা জানি তিনি জুমাও পড়েন। ওই সেলিব্রিটি সম্পর্কে পরে জানা গেল ফ্রড।
৩. জাকির নায়েক হাফিযাহুল্লাহর ভুলত্রুটি নিয়ে অনেকে ইনসাফপূর্ণ আলোচনা করেছেন, কেউ কেউ তাকে ই হু দি দের দালাল বলেছেন। দ্বিতীয় পক্ষের অনেক কে জনসম্মুখে বেইজ্জত হতে দেখেছি। অথচ তারা যোগ্যতা সম্পন্ন আলিমের কাতারে থাকতে পারতেন।
৪. এক ভাই লাগাতার ৫-৬ মাস তাহাজ্জুদ জিকরের আমল করতেন। একজনের সম্পর্কে অহেতুক গীবত করে এখন তার মাঝে মধ্যে ফরজ ওয়াজিব ও ছুটে যেতে দেখি।
৫. আকিদা মানহাজ নিয়ে খুব কড়াকড়ি এক ভাই কে দেখতাম প্রায় ই বিপরীত মত কে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখতে। আল্লাহ তা'আলা তাকেও বাজেভাবে বেইজ্জত করলেন।
এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমার আপনার আমলের ধারাবাহিকতায় হঠাৎ ছেদ পড়লে একটু আত্মসমালোচনার দরকার আমি আসলে এমন কোন গুনাহে লিপ্ত কিনা। আমাদের তাড়াহুড়ার জন্য মুসলিম ভাই এর সাথে ব্যবহার কু ফ ফা র থেকে ও বাজে হয়। এজন্য যে কোন ট্যাগ ব্যবহার করতে দেরি করিনা।
আমি খুব আমলি কেউ না। বেশিরভাগ সময় অনলাইনে কাটে। আমার পক্ষ থেকে কেউ এমন কুধারণা বা অপবাদের স্বীকার হলে ইনবক্সে বলতে পারেন। অবশ্যই ক্ষমা চেয়ে নিব। উপরের কথা গুলো আল্লাহ তা'আলা আমাকে আগে আমলের তৌফিক দান করুন আমিন।
😢7
ভারত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে সাহায্য করছে এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা।
মূলত ১৯৭১ সালে ইস রায়েল থেকে বাংলাদেশের নামে অস্ত্র আর টাকা সাহায্য নিয়ে সেটা নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়েছে।
সোর্স:https://www.hindustantimes.com/india/israel-helped-india-in-1971-war-reveals-book/story-amCGMddJKr7fplQkyPG1UM.html?utm_source=ht_site_copyURL&utm_medium=social&utm_campaign=ht_site
মূলত ১৯৭১ সালে ইস রায়েল থেকে বাংলাদেশের নামে অস্ত্র আর টাকা সাহায্য নিয়ে সেটা নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়েছে।
সোর্স:https://www.hindustantimes.com/india/israel-helped-india-in-1971-war-reveals-book/story-amCGMddJKr7fplQkyPG1UM.html?utm_source=ht_site_copyURL&utm_medium=social&utm_campaign=ht_site
Hindustan Times
Israel helped India in 1971 war, reveals book
India may not have had diplomatic ties with Israel but New Delhi quietly sought and got arms from Tel Aviv as it prepared to go to war with Pakistan in 1971, a book has revealed. Saikat Datta reports.
আলোর পথ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সকলেই ভালো আছেন? আগামী (১৯-০৪-২০২৪) রোজ শুক্রবার। আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য বই পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রতিযোগিতায় আপনি ও আপনার বন্ধুদের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।…
"পরীক্ষার নিয়মাবলী "
প্রশ্ন থাকবে : ১৫ টি
পূর্ণমাণ : ১৫
সময় : ১০ মিনিট
সময় : সন্ধ্যা ৭.১০-৭.২০ (১৯-০৪-২০২৪ এর)
ফলাফল : সম্ভাব্য ২২-০৪-২০২৪
পুরস্কার : ১ম- ৩টি বই* বা সমপরিমাণ টাকা
: ২য়- ২টি বই* বা সমপরিমাণ টাকা
: ৩য়- ১টি বই* বা সমপরিমাণ টাকা
পরীক্ষার স্থান: আমাদের গ্রুপে " আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹"
প্রশ্ন হবে কুইজ ভিত্তিক।
কোন রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে না।
পরীক্ষার সময় করণীয় :
১. আল্লাহকে ভয় করতে হবে
২. বইয়ের সাহায্য নেওয়া যাবে না
৩. দেখাদেখি করা যাবে না
৪. কারোও সাহায্য নেওয়া যাবে না
৫. প্রশ্ন ভূল থাকলে ওই প্রশ্নবাদ দিতে হবে, ভূল উত্তর দিলে মার্ক কাটা হবে ।
৬. সর্বোপরি আলোর পথ পরিবারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গন্য হবে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সাহায্য করুক এবং ভুল-ক্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়ে কবুল করুক। আমাদের এই কাজ শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য।
আপনার অংশগ্রহণ আমাদের একান্তই কাম্য।
অনুরোধক্রমে :
" আলোর পথ সভা বৈঠক "
" * " দ্বারা মনটাকে কাজ দিন
প্রশ্ন থাকবে : ১৫ টি
পূর্ণমাণ : ১৫
সময় : ১০ মিনিট
সময় : সন্ধ্যা ৭.১০-৭.২০ (১৯-০৪-২০২৪ এর)
ফলাফল : সম্ভাব্য ২২-০৪-২০২৪
পুরস্কার : ১ম- ৩টি বই* বা সমপরিমাণ টাকা
: ২য়- ২টি বই* বা সমপরিমাণ টাকা
: ৩য়- ১টি বই* বা সমপরিমাণ টাকা
পরীক্ষার স্থান: আমাদের গ্রুপে " আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹"
প্রশ্ন হবে কুইজ ভিত্তিক।
কোন রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে না।
পরীক্ষার সময় করণীয় :
১. আল্লাহকে ভয় করতে হবে
২. বইয়ের সাহায্য নেওয়া যাবে না
৩. দেখাদেখি করা যাবে না
৪. কারোও সাহায্য নেওয়া যাবে না
৫. প্রশ্ন ভূল থাকলে ওই প্রশ্নবাদ দিতে হবে, ভূল উত্তর দিলে মার্ক কাটা হবে ।
৬. সর্বোপরি আলোর পথ পরিবারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গন্য হবে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সাহায্য করুক এবং ভুল-ক্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়ে কবুল করুক। আমাদের এই কাজ শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য।
আপনার অংশগ্রহণ আমাদের একান্তই কাম্য।
অনুরোধক্রমে :
" আলোর পথ সভা বৈঠক "
" * " দ্বারা মনটাকে কাজ দিন
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
❤9👍1
"আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাকে পরিত্যাগ করার একটি আলামত হলো, সে নিজেকে অহেতুক কাজে ব্যস্ত রাখে।" (অর্থাৎ সে এমন কাজ করে, যেখানে তার পরকালীন কিংবা জাগতিক কোনো উপকার নেই।)
[হিলইয়াতুল আওলিয়া- ১০/১৩৪]
[হিলইয়াতুল আওলিয়া- ১০/১৩৪]
😢9
আলোর পথ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সকলেই ভালো আছেন? আগামী (১৯-০৪-২০২৪) রোজ শুক্রবার। আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য বই পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রতিযোগিতায় আপনি ও আপনার বন্ধুদের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।…
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
পরীক্ষা হবে আমাদের গ্রুপে সকলে যুক্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি :
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
পরীক্ষা হবে আমাদের গ্রুপে সকলে যুক্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি :
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
❤2👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
رَبَّنَآ أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكٰفِرِينَ
হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে ধৈর্য্য দান করুন, আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন এবং আমাদেরকে সাহায্য করুন কাফের জাতির বিরুদ্ধে।
বাকারাহ: ২৫০
হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে ধৈর্য্য দান করুন, আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন এবং আমাদেরকে সাহায্য করুন কাফের জাতির বিরুদ্ধে।
বাকারাহ: ২৫০
❤17