সম্প্রতি কুকি চিন স'ন্ত্রা|সী গোষ্ঠী আলোচনায় আসার জন্য আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের বম (Bawm) জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের ব্যাপারেও জানতে পারছি। যদিও তারা সংখ্যায় খুব বেশি না, ১৫ হাজারেরও কম হবে। কিন্তু তাদের ভাষায় বাইবেল অনুবাদ হয়ে গেছে। সেই বাইবেল অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়, গুগল প্লেস্টোরে বম (Bawm) ভাষায় ফ্রি বাইবেলের অ্যাপও পাওয়া যায়। বম জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা মূলত খ্রিষ্ট ধর্মালম্বী। আমাদের বাংলাদেশ খুব বড় দেশ না হলেও এই দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ভাষার মানুষ বাস করে। চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতালসহ আরো বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এদের মাঝে অন্যতম। তাদের অধিকাংশই এখন খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত। তাদের প্রত্যেকের ভাষাতেই এখন বাইবেল অনুবাদ আছে এবং সেগুলোর হার্ডকপির সাথে সাথে ফ্রি অ্যাপও রয়েছে। যদিও ৩০-৪০ বছর আগেও হয়তো চিত্র এমন ছিল না, তাদের অন্য ধর্মবিশ্বাস ছিল। এটা ভেবে কি অবাক লাগে না যে এত অল্প সময়ের মধ্যে তারা খ্রিষ্ট ধর্মে দীক্ষিত হয়ে গেল আর তাদের ভাষাতে বাইবেলের মতো বিশাল গ্রন্থ অনুবাদ হয়ে গেল আর এত সহজলভ্য হয়ে গেল?
.
পশ্চিমা দেশগুলোর বিশেষ করে আমেরিকান খ্রিষ্টান মিশনারীরা বিশ্বময় তাদের ধর্ম প্রচারের জন্য ব্যাপক আত্মনিয়োগ করছে। পৃথিবীর হেন অঞ্চল নেই যেখানে তাদের পদচারণা নেই। পৃথিবীর নানা দুর্গম অঞ্চলেও তারা তাদের ধর্ম প্রচার করে, হাজার হাজার ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করে তারা মানুষের জন্য সহজলভ্য করে দিয়েছে। বাংলাদেশ আর ভারতের এত ভাষাতে তারা বাইবেল অনুবাদ করেছে ও অনলাইনে ফ্রিতে উন্মুক্ত করে দিয়েছে যা রীতিমত অবিশ্বাস্য। এই অঞ্চলে এত ভাষা আছে সেটাই হয়তো অনেক মুসলিম জানে না, অথচ খ্রিষ্টান প্রচারকরা সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে এসে এসব ভাষা শিখেছে, এরপর সেই ভাষায় নিজেদের ধর্মগ্রন্থ অনুবাদ করেছে।
.
আমরা মুসলিমরা হাজার বছর ধরে এই অঞ্চলে আছি, অথচ বাংলা ভাষাতেই খুব ভালো মানের সাবলীল কুরআনের অনুবাদ খুব বেশি নেই। এই দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর ভাষায় কুরআন বা কোনো হাদিসের গ্রন্থ অনুবাদ করার কথা তো আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি, আল্লাহর কালামকে আমরা এসব মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার কথা চিন্তাও করিনি। ওদিকে ইউরোপ-আমেরিকার খ্রিষ্টান প্রচারকরা দূর দেশ থেকে এসে এদেরকে নিজ ধর্মে দীক্ষিত করে ফেলেছে। আমরা আমাদের দ্বীনকে এসব মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারিনি, কেননা আমরা অনেক 'জরুরী' কাজে ব্যাস্ত। তারাবী ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত, হাত নাভির উপরে নাকি নিচে বাঁধব - এসব নিয়ে যুদ্ধ না করলে কি উম্মাহ উদ্ধার হবে নাকি? আমাদের ওয়াজ-মাহফিলে অনেক মানুষের ভিড় হয়, এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। সেখান থেকে ভিন্ন মাসলাকের ভাইকে কিছু কটূ কথা বললে বা কিছু ভাইরাল ডায়লগ দিলে তো আরো ভালো। পাহাড়ী মানুষদের কাছে দ্বীন পৌঁছানোর আর কী দরকার।
.
পাহাড়ী গরিব মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, শিক্ষার ব্যবস্থা নেই, ঐদিকে আমরা দৃষ্টি দেইনি; খ্রিষ্টান মিশনারীরা ঠিকই তাদের খাবার দিয়েছে, চিকিৎসা দিয়েছে, তাদের জন্য স্কুল করেছে। এদিকে আমরা মিলাদ পড়িয়ে আর মানুষের থেকে 'হাদিয়া' নিয়ে সন্তুষ্ট থেকেছি। খ্রিষ্টান মিশনারীরা ওদের হাতে পৌঁছে দিয়েছে বাইবেল, তাদের জন্য ঐ অঞ্চলে চালু করেছে খ্রিষ্টীয় এফএম রেডিও। এদিকে আমরাও "বিশাল" কাজ করে চলছি, "Yahooদি-নাসারার চক্রান্ত" বলে কিছু হুঙ্কার দিচ্ছি। আমাদের হুঙ্কারে কিছু শ্রোতা উদ্বেলিত হচ্ছে। ওদিকে পার্বত্য অঞ্চলে, উত্তরাঞ্চলে, সীমান্ত অঞ্চলে এমনকি শহরাঞ্চলেও দলে দলে মানুষের কাছে যিশুর বাণী পৌঁছে দিয়ে ব্যাপ্টাইজ করছে খ্রিষ্টান মিশনারীরা। এদিকে আমরা এমন কার্যকলাপ করছি তা দেখে যারা দ্বীনের মধ্যে আছে তারাও দ্বীন ছেড়ে দেবার উপক্রম। এসব নিয়ে ভেবে আর কী হবে, কিছুদিন পরে হয়তো ঈদের নামাজে কয় তাকবির, লোকাল নাকি গ্লোবাল, খাদ্য নাকি টাকা - এইসব নিয়ে কিঞ্চিত মহাযুদ্ধ চালিয়ে দ্বীনের শান-মান বৃদ্ধিতে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।
.
আমাদের উচিত নিজেদের কর্মপন্থা নিয়ে আরেকবার ভাবা। আমরা কি আসলেই রহমাতাল্লিল আলামিন মুহাম্মাদ(ﷺ) এর আনিত দ্বীন অনুসরণ করছি, নাকি এর নাম করে অন্ধ মাসলাকবাজি, স্বার্থপরতা, দুনিয়াপ্রীতি আর হিংসা-বিদ্বেষের চর্চা করছি - এই জিনিসটা একবার চিন্তা করা দরকার। খ্রিষ্টান মিশনারীরা তাদের বিকৃত হয়ে যাওয়া কিতাব ও ধর্মের জন্য যা করছে আমরা কি আল্লাহর সত্য দ্বীনের জন্য এর সিকিভাগও করছি? এই পোস্টটায় আমি খ্রিষ্টানদের প্রশংসা করলাম এবং মুসলিমদের সমালোচনা অর্থাৎ আত্মসমালোচনা করলাম। নিজেদের অবস্থার সংশোধণের জন্য আত্মসমালোচনার দরকার আছে।
~মুহাম্মদ মাশফিকুর রহমান মিনার
.
পশ্চিমা দেশগুলোর বিশেষ করে আমেরিকান খ্রিষ্টান মিশনারীরা বিশ্বময় তাদের ধর্ম প্রচারের জন্য ব্যাপক আত্মনিয়োগ করছে। পৃথিবীর হেন অঞ্চল নেই যেখানে তাদের পদচারণা নেই। পৃথিবীর নানা দুর্গম অঞ্চলেও তারা তাদের ধর্ম প্রচার করে, হাজার হাজার ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করে তারা মানুষের জন্য সহজলভ্য করে দিয়েছে। বাংলাদেশ আর ভারতের এত ভাষাতে তারা বাইবেল অনুবাদ করেছে ও অনলাইনে ফ্রিতে উন্মুক্ত করে দিয়েছে যা রীতিমত অবিশ্বাস্য। এই অঞ্চলে এত ভাষা আছে সেটাই হয়তো অনেক মুসলিম জানে না, অথচ খ্রিষ্টান প্রচারকরা সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে এসে এসব ভাষা শিখেছে, এরপর সেই ভাষায় নিজেদের ধর্মগ্রন্থ অনুবাদ করেছে।
.
আমরা মুসলিমরা হাজার বছর ধরে এই অঞ্চলে আছি, অথচ বাংলা ভাষাতেই খুব ভালো মানের সাবলীল কুরআনের অনুবাদ খুব বেশি নেই। এই দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর ভাষায় কুরআন বা কোনো হাদিসের গ্রন্থ অনুবাদ করার কথা তো আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি, আল্লাহর কালামকে আমরা এসব মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার কথা চিন্তাও করিনি। ওদিকে ইউরোপ-আমেরিকার খ্রিষ্টান প্রচারকরা দূর দেশ থেকে এসে এদেরকে নিজ ধর্মে দীক্ষিত করে ফেলেছে। আমরা আমাদের দ্বীনকে এসব মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারিনি, কেননা আমরা অনেক 'জরুরী' কাজে ব্যাস্ত। তারাবী ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত, হাত নাভির উপরে নাকি নিচে বাঁধব - এসব নিয়ে যুদ্ধ না করলে কি উম্মাহ উদ্ধার হবে নাকি? আমাদের ওয়াজ-মাহফিলে অনেক মানুষের ভিড় হয়, এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। সেখান থেকে ভিন্ন মাসলাকের ভাইকে কিছু কটূ কথা বললে বা কিছু ভাইরাল ডায়লগ দিলে তো আরো ভালো। পাহাড়ী মানুষদের কাছে দ্বীন পৌঁছানোর আর কী দরকার।
.
পাহাড়ী গরিব মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, শিক্ষার ব্যবস্থা নেই, ঐদিকে আমরা দৃষ্টি দেইনি; খ্রিষ্টান মিশনারীরা ঠিকই তাদের খাবার দিয়েছে, চিকিৎসা দিয়েছে, তাদের জন্য স্কুল করেছে। এদিকে আমরা মিলাদ পড়িয়ে আর মানুষের থেকে 'হাদিয়া' নিয়ে সন্তুষ্ট থেকেছি। খ্রিষ্টান মিশনারীরা ওদের হাতে পৌঁছে দিয়েছে বাইবেল, তাদের জন্য ঐ অঞ্চলে চালু করেছে খ্রিষ্টীয় এফএম রেডিও। এদিকে আমরাও "বিশাল" কাজ করে চলছি, "Yahooদি-নাসারার চক্রান্ত" বলে কিছু হুঙ্কার দিচ্ছি। আমাদের হুঙ্কারে কিছু শ্রোতা উদ্বেলিত হচ্ছে। ওদিকে পার্বত্য অঞ্চলে, উত্তরাঞ্চলে, সীমান্ত অঞ্চলে এমনকি শহরাঞ্চলেও দলে দলে মানুষের কাছে যিশুর বাণী পৌঁছে দিয়ে ব্যাপ্টাইজ করছে খ্রিষ্টান মিশনারীরা। এদিকে আমরা এমন কার্যকলাপ করছি তা দেখে যারা দ্বীনের মধ্যে আছে তারাও দ্বীন ছেড়ে দেবার উপক্রম। এসব নিয়ে ভেবে আর কী হবে, কিছুদিন পরে হয়তো ঈদের নামাজে কয় তাকবির, লোকাল নাকি গ্লোবাল, খাদ্য নাকি টাকা - এইসব নিয়ে কিঞ্চিত মহাযুদ্ধ চালিয়ে দ্বীনের শান-মান বৃদ্ধিতে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।
.
আমাদের উচিত নিজেদের কর্মপন্থা নিয়ে আরেকবার ভাবা। আমরা কি আসলেই রহমাতাল্লিল আলামিন মুহাম্মাদ(ﷺ) এর আনিত দ্বীন অনুসরণ করছি, নাকি এর নাম করে অন্ধ মাসলাকবাজি, স্বার্থপরতা, দুনিয়াপ্রীতি আর হিংসা-বিদ্বেষের চর্চা করছি - এই জিনিসটা একবার চিন্তা করা দরকার। খ্রিষ্টান মিশনারীরা তাদের বিকৃত হয়ে যাওয়া কিতাব ও ধর্মের জন্য যা করছে আমরা কি আল্লাহর সত্য দ্বীনের জন্য এর সিকিভাগও করছি? এই পোস্টটায় আমি খ্রিষ্টানদের প্রশংসা করলাম এবং মুসলিমদের সমালোচনা অর্থাৎ আত্মসমালোচনা করলাম। নিজেদের অবস্থার সংশোধণের জন্য আত্মসমালোচনার দরকার আছে।
~মুহাম্মদ মাশফিকুর রহমান মিনার
😢10
আসসালামু আলাইকুম
বিদায় নিচ্ছে মাহে রমাদান।সামনের বছর পেতেও পারি নাও পারি।
আল্লাহ আমাদের মাফ করুক
সমস্ত গুনাহ মাফ করুক
সেহরি,ইফতার,তারাবি,সিয়ামকে কবুল করুক
সমস্ত মানুষের দুঃখ ঘুচিয়ে নিক
আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন
আজকে ৩০ই রমাদান
বিদায় নিচ্ছে মাহে রমাদান।সামনের বছর পেতেও পারি নাও পারি।
আল্লাহ আমাদের মাফ করুক
সমস্ত গুনাহ মাফ করুক
সেহরি,ইফতার,তারাবি,সিয়ামকে কবুল করুক
সমস্ত মানুষের দুঃখ ঘুচিয়ে নিক
আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন
❤16
ফিরে দেখা ২০১৯ :
বাংলাদেশের ঈদ নিয়ে
যে যা-ই বলুক,
রাত ১২ টার আগ পর্যন্ত
নিশ্চিত হতে পারছি না!
আমাদের ডিসকাশন গ্রুপ 👉
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
বাংলাদেশের ঈদ নিয়ে
যে যা-ই বলুক,
রাত ১২ টার আগ পর্যন্ত
নিশ্চিত হতে পারছি না!
আমাদের ডিসকাশন গ্রুপ 👉
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
😁7
কোন্ মুসলিম দেশ কোন্ তারিখে ঈদ উদযাপন করছে?
ঈদ উদযাপন বাংলাদেশের সাথে কোন মুসলিম দেশ আছে কি?
ইন্দোনেশিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
মালয়েশিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
পাকিস্তান: ১০ এপ্রিল, বুধবার,, রোজা ২৯টি
আফগানিস্তান: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
আরব আমিরাত: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০ টি
কাতার: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
সৌদি আরব: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
ইয়েমেন: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
ফিলিস্তিন: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
ওমান: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯ টি
জর্দান: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
মিশর: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
তিউনিসিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
আলজেরিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
মরক্কো: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
এবং
বাংলাদেশ: ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, রোজা ৩০টি।
কোন মুসলিম দেশে বাংলাদেশের সাথে বৃহস্পতিবার ঈদ উদযাপিত হচ্ছে, এমন তথ্য জানা থাকলে আমাকে জানাবেন।
আমাদের ডিসকাশন গ্রুপ👉 আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
ঈদ উদযাপন বাংলাদেশের সাথে কোন মুসলিম দেশ আছে কি?
ইন্দোনেশিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
মালয়েশিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
পাকিস্তান: ১০ এপ্রিল, বুধবার,, রোজা ২৯টি
আফগানিস্তান: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
আরব আমিরাত: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০ টি
কাতার: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
সৌদি আরব: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
ইয়েমেন: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
ফিলিস্তিন: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
ওমান: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯ টি
জর্দান: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
মিশর: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
তিউনিসিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
আলজেরিয়া: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ৩০টি
মরক্কো: ১০ এপ্রিল, বুধবার, রোজা ২৯টি
এবং
বাংলাদেশ: ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, রোজা ৩০টি।
কোন মুসলিম দেশে বাংলাদেশের সাথে বৃহস্পতিবার ঈদ উদযাপিত হচ্ছে, এমন তথ্য জানা থাকলে আমাকে জানাবেন।
আমাদের ডিসকাশন গ্রুপ👉 আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
👍1
মালেশিয়া বাংলাদেশের পূর্বে। সৌদি আছে পশ্চিমে। পূর্বেও চাঁদ দেখা গেল, পশ্চিমেও চাঁদ দেখা গেল। মাঝখানে বাংলাদেশ কীভাবে চাঁদ মিস করল... এটার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি?
আমাদের ডিসকাশন গ্রুপ 👉
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আমাদের ডিসকাশন গ্রুপ 👉
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
👍4
সতর্কীকরণ পোষ্ট
============
যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা।
সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে 'স্কোপোলামিন'। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন।
এটা থেকে বাঁচতে নীচের কিছু বিষয়ের কথা বলছি, এগুলো মাথায় রাখবেন:
১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না, সে যত ভালই মনে হোক না কেন।
২. সব সময় মাস্ক পরবেন।
৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না, হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।
৪. যেন-তেন লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।
৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।
৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।
৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।
৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।
৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।
১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ড অব অনার দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।
১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।
১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন।
১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন, এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারণ স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।
©️স্পেশাল ব্রাঞ্চ
বাংলাদেশ পুলিশ।
(সংগৃহীত)
🕌 আলোর পথ
============
যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা।
সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে 'স্কোপোলামিন'। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন।
এটা থেকে বাঁচতে নীচের কিছু বিষয়ের কথা বলছি, এগুলো মাথায় রাখবেন:
১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না, সে যত ভালই মনে হোক না কেন।
২. সব সময় মাস্ক পরবেন।
৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না, হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।
৪. যেন-তেন লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।
৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।
৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।
৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।
৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।
৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।
১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ড অব অনার দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।
১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।
১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন।
১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন, এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারণ স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।
©️স্পেশাল ব্রাঞ্চ
বাংলাদেশ পুলিশ।
(সংগৃহীত)
🕌 আলোর পথ
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
😢7❤3👍2
শাইখ হাফিযাহুল্লাহ বলেনঃ
যদি রমাদ্বান শেষে ঈদের খুশির উৎসব না থাকতো তবে মুমিন বান্দারা রমাদ্বানের শোকেই দিশেহারা হয়ে উঠতো, রমাদ্বানের অপূরণীয় বিয়োগব্যথায় প্রতিটা অন্তর শোকাগ্রস্থ থাকতো। রাব্বে কারীম কতটা মেহেরবান! সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি! আল্লাহই আমাদের অন্তরের সুকূনের জন্যে ঈদ দিয়েছেন।
মুমিন বান্দা মাত্রই তো রমাদ্বানের বিয়োগব্যথায় আফসোস করবে এবং একইসাথে ঈদের জন্যে প্রফুল্ল হবে। এখানে বাড়াবাড়ি-ছাড়াছাড়ির অবকাশ নেই।
শেষ সময়টা কেউ হেলায় ফেলায় না কাটিয়ে দিই। মাগরিবের আযান মাত্রই রমাদ্বানের বিদায়। তাই শেষ সময়টা ভালো করে সাজাই...
যদি রমাদ্বান শেষে ঈদের খুশির উৎসব না থাকতো তবে মুমিন বান্দারা রমাদ্বানের শোকেই দিশেহারা হয়ে উঠতো, রমাদ্বানের অপূরণীয় বিয়োগব্যথায় প্রতিটা অন্তর শোকাগ্রস্থ থাকতো। রাব্বে কারীম কতটা মেহেরবান! সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি! আল্লাহই আমাদের অন্তরের সুকূনের জন্যে ঈদ দিয়েছেন।
মুমিন বান্দা মাত্রই তো রমাদ্বানের বিয়োগব্যথায় আফসোস করবে এবং একইসাথে ঈদের জন্যে প্রফুল্ল হবে। এখানে বাড়াবাড়ি-ছাড়াছাড়ির অবকাশ নেই।
শেষ সময়টা কেউ হেলায় ফেলায় না কাটিয়ে দিই। মাগরিবের আযান মাত্রই রমাদ্বানের বিদায়। তাই শেষ সময়টা ভালো করে সাজাই...
👍10❤3😢2
🌃
রোযার পরে ঈদ, জেগে উঠেছে প্রাণ হর্ষে,
এই পবিত্রতা সজীব থাকুক সারাটি বর্ষে।
🕌 ঈদ মুবারক🕍
🤲"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"
🕌🕌🕌🕌
সকলকে আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে
🌹🌹🌹ঈদ-উল-ফিতর মোবারক
🌹🌹🌹
🕌🕌🕌
রোযার পরে ঈদ, জেগে উঠেছে প্রাণ হর্ষে,
এই পবিত্রতা সজীব থাকুক সারাটি বর্ষে।
🕌 ঈদ মুবারক🕍
🤲"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"
🕌🕌🕌🕌
সকলকে আলোর পথ পরিবারের পক্ষ থেকে
🌹🌹🌹ঈদ-উল-ফিতর মোবারক
🌹🌹🌹
🕌🕌🕌
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
ঈদুল ফিতরের রাত পুরস্কারের রাত। পবিত্র মাহে রমজান শেষে যে রাত আগমন করে যাকে সহজে বুঝি আমরা চাঁদ রাত হিসেবে। এই রাতটি অত্যন্ত বরকতময় একটি রাত।
মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রাপ্তির রাত। এজন্য হাদিসে এই রাতকে পুরস্কারের রাত হিসেবে ব্যক্ত করা হয়েছে।
ঈদের রাতে কৃত দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এ পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭
ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর কিয়ামতের দিন মরবে না। হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব প্রাপ্তির নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৮২)
কাজেই এত বিশাল ফজিলত হাত ছাড়া না করি। পুরো রাত টা ইবাদতে কাটাই।
মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রাপ্তির রাত। এজন্য হাদিসে এই রাতকে পুরস্কারের রাত হিসেবে ব্যক্ত করা হয়েছে।
ঈদের রাতে কৃত দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এ পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭
ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর কিয়ামতের দিন মরবে না। হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব প্রাপ্তির নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৮২)
কাজেই এত বিশাল ফজিলত হাত ছাড়া না করি। পুরো রাত টা ইবাদতে কাটাই।
❤13🥰2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
২০২২ সালের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ পথশিশু রয়েছে। তাদের ঈদ কিভাবে কাটে তা খানিকটা হলেও ফুটে উঠেছে বিবিসি বাংলার আজকের এই প্রতিবেদনে।তাই যার যার অবস্থান থেকে এদেরকে সাহায্য করুন.
😢15
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
এবারের রমাদান মাস কেমন কাটল?
এবারের রমাদান মাস কেমন কাটল?
Anonymous Poll
83%
আলহামদুলিল্লাহ
4%
ভালো না
13%
আগামীতে ইন শা আল্লাহ
😢4
কোনো গুনাহ করবেন না। গুনাহ হবেই, হলেই তওবা! নিজেকে হেফাজত করবেন। আর হ্যাঁ নজরের হিফাজত করবেন। অনলাইনে তো করবেনই! আর অফলাইনে মাথা নিচে করে হাটলেই তো হয়। কারো দিকে ভুলে চোখ পড়ে গেলে সাথে নামিয়ে দিবেন। ২য় বার আর দিবেন না। হয়ে গেলো হেফাজত। আপনার বন্ধুরা মেয়েদের ভিডিও দিলে দেখবেন না ওসব, এভাবে হয়ে যাবে। আর দুয়া করবেন।
প্রবাদ আছে না?
দৃষ্টি যে হেফাজতকারী,
কালো রংও তখন চক্ষুশীতল কারী।
.
#cc
প্রবাদ আছে না?
দৃষ্টি যে হেফাজতকারী,
কালো রংও তখন চক্ষুশীতল কারী।
.
#cc
❤16
রামাদান আমাদের অনেককিছু শিখিয়ে যায়৷
চেষ্টা করলেই সালাতগুলো যে জামা’আতে আদায় করা যায়, একটু চেষ্টা করলেই নিয়মিত তিলাওয়াত করা যায় কুরআন, চাইলেই আমরা ছাড়তে পারি মিথ্যা, পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা।
রামাদান শিখিয়ে যায়— রাতের সময়গুলোতে চেষ্টা করলে সালাতে দাঁড়ানো যায়, প্রাণভরে করা যায় দুআ, দিলভরে চাওয়া যায় রবের কাছে।
রামাদান শেখায়— সিনেমা, গান আর নাটক ছাড়াও আমরা বাঁচতে পারি। অশ্লীলতার নাগপাশে না ঘেঁষেও দিব্যি কাটানো যায় সময়।
জগত থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন না করেও যে আখিরাতের পথে দৌঁড়ানো যায়— মাস-ব্যাপী সেই শিক্ষা রামাদান আমাদের দেয়।
জীবনের সত্যিকার স্বরূপ রামাদান সামনে নিয়ে আসে, কিন্তু সেই স্বরূপ আমরা ধরে রাখছি নাকি পাপাচারে ডুবে গিয়ে আবার তা ঢেকে দিচ্ছি সেটাই হলো রামাদান-পরবর্তী সময়ের পরীক্ষা৷
~আরিফ আজাদ
চেষ্টা করলেই সালাতগুলো যে জামা’আতে আদায় করা যায়, একটু চেষ্টা করলেই নিয়মিত তিলাওয়াত করা যায় কুরআন, চাইলেই আমরা ছাড়তে পারি মিথ্যা, পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা।
রামাদান শিখিয়ে যায়— রাতের সময়গুলোতে চেষ্টা করলে সালাতে দাঁড়ানো যায়, প্রাণভরে করা যায় দুআ, দিলভরে চাওয়া যায় রবের কাছে।
রামাদান শেখায়— সিনেমা, গান আর নাটক ছাড়াও আমরা বাঁচতে পারি। অশ্লীলতার নাগপাশে না ঘেঁষেও দিব্যি কাটানো যায় সময়।
জগত থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন না করেও যে আখিরাতের পথে দৌঁড়ানো যায়— মাস-ব্যাপী সেই শিক্ষা রামাদান আমাদের দেয়।
জীবনের সত্যিকার স্বরূপ রামাদান সামনে নিয়ে আসে, কিন্তু সেই স্বরূপ আমরা ধরে রাখছি নাকি পাপাচারে ডুবে গিয়ে আবার তা ঢেকে দিচ্ছি সেটাই হলো রামাদান-পরবর্তী সময়ের পরীক্ষা৷
~আরিফ আজাদ
❤18
"মুসলমানরা যদি বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিত! তাহলে দুনিয়ার সঙ্গে এমন আচরণ করত, যেন তাকে চিরকাল দুনিয়াতেই থাকতে হবে। আর আখিরাতের সঙ্গে এমন আচরণ করত, যেন আগামীকালই তার মৃত্যু হবে।"
— আল্লামা ইউসুফ কারজাভী (রহ.)
— আল্লামা ইউসুফ কারজাভী (রহ.)
❤20
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পড়ুয়া জাতি রুশ জাতি। ❤️
..ধরুন আপনি ট্রেনে উঠেছেন, মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ যাবেন। গোটা ৪ ঘণ্টার ভ্রমণে দেখবেন মানুষ বইয়ের দিকে কেমন বুঁদ হয়ে আছে। যেন বই পড়ার প্রতিযোগিতা চলছে তাঁদের মধ্যে। হয়তো কেউ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে আছে বহুক্ষণ ধরে, কাছে গিয়ে দেখবেন পিডিএফে বই পড়ছেন ভদ্রলোক।
..অনেকে সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন অথচ হাতে ঠিকই বই মেলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। ছোটো ছোটো বাচ্চা মায়ের পাশে বসে বই পড়ছে, মাও বইয়ের দিকে তাকিয়ে যেন মারা গেছে এমন অবস্থা।
..কেবল ট্রেনে কিংবা বাসে না। পার্কেও একই অবস্থা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই পড়ে অবসর কাটিয়ে দিচ্ছেন বৃদ্ধরা। অফিস শেষে আড্ডা জমেছে, সেখানেও গতকাল কোন্ বই কেমন লেগেছে তার আলোচনা। একই অবস্থা কফি শপ থেকে চায়ের দোকানে, রেস্টুরেন্ট, ব্যাংকেও। সামনে লম্বা সিরিয়াল তো দাঁড়িয়ে কিংবা বসে বই পড়ছে রাশিয়ানরা।
..রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪০ ভাগই মাসে অন্তত ৫টি করে বই কিনেন। ৭০ ভাগ পরিবারেই ব্যক্তিগত লাইব্রেরি আছে।❤️
কালেক্টেড💗
..ধরুন আপনি ট্রেনে উঠেছেন, মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ যাবেন। গোটা ৪ ঘণ্টার ভ্রমণে দেখবেন মানুষ বইয়ের দিকে কেমন বুঁদ হয়ে আছে। যেন বই পড়ার প্রতিযোগিতা চলছে তাঁদের মধ্যে। হয়তো কেউ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে আছে বহুক্ষণ ধরে, কাছে গিয়ে দেখবেন পিডিএফে বই পড়ছেন ভদ্রলোক।
..অনেকে সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন অথচ হাতে ঠিকই বই মেলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। ছোটো ছোটো বাচ্চা মায়ের পাশে বসে বই পড়ছে, মাও বইয়ের দিকে তাকিয়ে যেন মারা গেছে এমন অবস্থা।
..কেবল ট্রেনে কিংবা বাসে না। পার্কেও একই অবস্থা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই পড়ে অবসর কাটিয়ে দিচ্ছেন বৃদ্ধরা। অফিস শেষে আড্ডা জমেছে, সেখানেও গতকাল কোন্ বই কেমন লেগেছে তার আলোচনা। একই অবস্থা কফি শপ থেকে চায়ের দোকানে, রেস্টুরেন্ট, ব্যাংকেও। সামনে লম্বা সিরিয়াল তো দাঁড়িয়ে কিংবা বসে বই পড়ছে রাশিয়ানরা।
..রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪০ ভাগই মাসে অন্তত ৫টি করে বই কিনেন। ৭০ ভাগ পরিবারেই ব্যক্তিগত লাইব্রেরি আছে।❤️
কালেক্টেড💗
❤14
জ্ঞানী হওয়া আর বিতার্কিক হওয়া তো এক জিনিস না। ব্রাদার রাহুল দীর্ঘদিন ধরে ডিবেইট করে আসছে।
অন্যদিকে বিপরীত পক্ষকে তর্কযুদ্ধে ধরাশায়ী করার সব রাস্তা ও ফাঁকফোকর সবই তার জানা।
আর ওসামা ভাই দীর্ঘদিন ধরে কেবল চিল্লাচিল্লিই করে আসছে। আলী ওসামা ভাই তো বিতার্কিক না। যার কারণে তার চেহারায় প্রায় তীব্র নার্ভাসনেস লক্ষ্য করা গেছে।
হ্যাঁ, এটা ঠিক সে মেধাবী তরুণ। তার যত্ন নেওয়া উচিৎ। এমনকি সে ইলমি কাজেই মনোনিবেশ করা উচিৎ।
কথা হলো সে এবার কারাগার থেকে বের হয়ে সারাক্ষণ কেবল খোঁচাখুচি আর বহসবাজীই করে যাচ্ছে। বহস করতে হলে বহসেই সময় দেওয়া দরকার। আর সত্যিকারের ইলমি কাজ করতে চাইলে সেদিকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে সময় দেওয়া দরকার।
উল্লেখ্য, আমি বহস-ডিবেইটকে সব সময় ক্ষতিকর মনে করি না। সত্যের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য, জ্ঞানের দিগন্তকে প্রসারিত করার জন্য কখনো কখনো এটা সীমিত পরিসরে ফায়দা দেয় বৈকি।
তবে বহসের নামে আত্মপ্রচার, নিজের ক্রেডিট জাহির করার অতিরিক্ত বদচিন্তা, অন্যকে হেয় করার নোংরা মানসিকতা তো মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে ক্ষতিকরই।
এখন হয়তো এই নীরিহ লেখাটার জন্যও ওসামা ভাইয়ের মুরিদানরা হয়তো গালাগালাজ করবে। অন্যদিকে সিস্টার ব্রাদারদের মুরিদানরাও গালাগালি করতে পারে।
মূলত সবার মুকাল্লিদদেরকেই দেখলাম তীব্ররকম গালিবাজ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাঁর রহমত দিয়ে এসব চামচিকা থেকে আমাদেরকে যেন হেফাজত করেন। আমীন।
অন্যদিকে বিপরীত পক্ষকে তর্কযুদ্ধে ধরাশায়ী করার সব রাস্তা ও ফাঁকফোকর সবই তার জানা।
আর ওসামা ভাই দীর্ঘদিন ধরে কেবল চিল্লাচিল্লিই করে আসছে। আলী ওসামা ভাই তো বিতার্কিক না। যার কারণে তার চেহারায় প্রায় তীব্র নার্ভাসনেস লক্ষ্য করা গেছে।
হ্যাঁ, এটা ঠিক সে মেধাবী তরুণ। তার যত্ন নেওয়া উচিৎ। এমনকি সে ইলমি কাজেই মনোনিবেশ করা উচিৎ।
কথা হলো সে এবার কারাগার থেকে বের হয়ে সারাক্ষণ কেবল খোঁচাখুচি আর বহসবাজীই করে যাচ্ছে। বহস করতে হলে বহসেই সময় দেওয়া দরকার। আর সত্যিকারের ইলমি কাজ করতে চাইলে সেদিকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে সময় দেওয়া দরকার।
উল্লেখ্য, আমি বহস-ডিবেইটকে সব সময় ক্ষতিকর মনে করি না। সত্যের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য, জ্ঞানের দিগন্তকে প্রসারিত করার জন্য কখনো কখনো এটা সীমিত পরিসরে ফায়দা দেয় বৈকি।
তবে বহসের নামে আত্মপ্রচার, নিজের ক্রেডিট জাহির করার অতিরিক্ত বদচিন্তা, অন্যকে হেয় করার নোংরা মানসিকতা তো মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে ক্ষতিকরই।
এখন হয়তো এই নীরিহ লেখাটার জন্যও ওসামা ভাইয়ের মুরিদানরা হয়তো গালাগালাজ করবে। অন্যদিকে সিস্টার ব্রাদারদের মুরিদানরাও গালাগালি করতে পারে।
মূলত সবার মুকাল্লিদদেরকেই দেখলাম তীব্ররকম গালিবাজ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাঁর রহমত দিয়ে এসব চামচিকা থেকে আমাদেরকে যেন হেফাজত করেন। আমীন।
👍6❤3
আমি মুসলমান মঙ্গল শোভাযাত্রা নামক প্রকৃতি পূজায় অংশগ্রহণ করি না।
আমি বিবেকবান, সচেতন মানুষ মঙ্গল শোভাযাত্রার মত অথর্ব,অবৈজ্ঞানিক,অন্ধকারাচ্ছন্ন,সাম্প্রদায়িক, আধিপত্যবাদী সংস্কৃতি অনুসরণ করি না।
আমি বিবেকবান, সচেতন মানুষ মঙ্গল শোভাযাত্রার মত অথর্ব,অবৈজ্ঞানিক,অন্ধকারাচ্ছন্ন,সাম্প্রদায়িক, আধিপত্যবাদী সংস্কৃতি অনুসরণ করি না।
❤17