আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
অ্যাড: আজিজুল ইসলামের মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগের বক্তব্য
😢211
বিনা সংগ্রামে মুক্তি আসে না। এ জাতিকে মুক্তির জন্য আরেকটিবার বুক সটান করে দাঁড়াতে হবে।
-ডা. শফিকুর রহমান
37
দেখতে দেখতে রমাদানের শেষ দশকে চলে আসলাম।
চোখের পলকে ২ দশক কিভাবে চলে গেল। নিজেকে প্রশ্ন করি- রমাদানের মূল লক্ষ্য রাব্বে কারীমের থেকে ক্ষমা পাওয়ার মত এখনো কি কিছু করতে পেরেছি? নিজের সাধ্য অনুযায়ী আমল, গুনাহ থেকে বাচঁতে পেরেছি?

আমার প্রিয় ভাই-বোন... উত্তর হা / না যাই হোক রমাদানের এই শেষ ১০ টা দিন নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দুআ' করে কান্নাকাটি করি নিজের গুনাহ মাফের জন্য, নিজের পরিবার-পরিজন, কবরবাসী খাস করে এই উম্মাহর মাজলুমদের জন্য — যাদের রোজা আছে ইফতার নেই, সাহরী থেকে নিয়ে ইফতার পর্যন্ত জীবত থাকবে কিনা এর নিশ্চিয়তা নেই। ফিলিস্তিনের মাজলুমদের কে না ভুলি। তাদের জন্য আমরা তেমন কিছুই করতে পারছি না তা ঠিক কারণ আমরা অপারগ তবে দুআ তেও যদি কার্পন্য করি তাহলে হাশরের ময়দানে অবশ্যই অবশ্যই কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে ক্ষমা করার এত বৃহৎ আয়োজন দুআ গুলো কবুল করার এত বৃহৎ আয়োজন দেখেও যদি ফায়দা হাসিল না করতে পারি তাহলে আমার থেকে হতভাগা আর কে আছে!

اللّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّى
😢8
সালাতুতু তাসবিহ নামাজের ফজিলতের মধ্যে অন্যতম হলো- বিগত জীবনের গোনাহ মাফ এবং অনেক সাওয়াব লাভ হয়। রমজানে এ নামাজের ফজিলত সবচেয়ে বেশি। এ নামাজের ব্যাপারে হাদিসের একটি বর্ণনা পাওয়া যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমার পিতা) হজরত আব্বাসকে বললেন, ‘হে আব্বাস! হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সঙ্গে ১০টি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ ১০টি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না) যখন আপনি তা (আমল) করবেন-

>> তখন আল্লাহ আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সবধরনের গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> সগিরা ও কবিরা গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহ মাফ করে দেবেন।(হে চাচা!) আপনি ৪ রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন। (অর্থাৎ প্রত্যেক রাকাআতে এ তাসবিহটি ৭৫ বার করে আদায় করতে হবে।)

সালাতুত তাসবিহ পড়ার নিয়মসুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলানোর পাশাপাশি প্রত্যেক রাকাআতে (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) অর্থাৎ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার-এ তাসবিহটি ৭৫ বার পড়তে হবে। তবে একই নিয়মে ৪ রাকাআতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়ার মাধ্যমে তা আদায় করতে হয়।

>> নামাজে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা পড়ার আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১৫ বার।
>> সুরা ফাতেহা ও অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুর আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।

>> রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْعَظِيْم) পড়ার পর এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।

>> রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় এ সাতবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) ১০ বার।

>> সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।

>> দুই সেজদার মাঝে বসাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।

>> দ্বিতীয় সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর আবার সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।

এভাবে দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাআতে মতো এ নামাজ আদায় করা। দুই রাকাআতের পর বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ে সালাম না ফিরিয়ে উপরের নিয়মে বাকি ২ রাকাআত আদায় করে নেয়া।

মনে রাখতে হবে তাসবিহ পড়ার সময় যদি কোনো স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম তাসবিহ পড়া হয় তবে, পরবর্তী যে রোকনে তা স্মরণ হবে সেখানেই তা পড়ে নিলেই হবে।

আর কোনো কারণে যদি এ নামাজে সাহু সেজদার প্রয়োজন হয় তবে এ সেজদায় কিংবা সেজদার মাঝখানে বসাবস্থায় এ তাসবিহ পড়তে হবে না।

তাসবিহ পড়ার ক্ষেত্রে স্মরণ রাখার জন্য আঙুলের কর গণনা করা যাবে না তবে আঙুল চেপে তাসবিহ এর সংখ্যা স্মরণ রাখা যাবে।

(অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে চাচা!) এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে।

তাও যদি না পারেন, তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসে সর্বাধিক তাসবিহ সম্বলিত নামাজ পড়ে উল্লেখিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আমরা আর যাই করিনা কেনো মজলুমদের জন্য এটুকু করতে যেনো ভুলে না যাই৷ দোয়ায় যেনো স্মরণ রাখি ইন শা আল্লাহ
12👍2
প্রকৃত সফল বান্দা।
👍17
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম
18👍6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রতিটি হৃদয়ের রক্তখরণ জালিমদের ধ্বংসের কারণ হবে ইনশাআল্লাহ 🥲
😢46🤬18
নগ্নতার এই শহরে চোখ তুলে তাকালেই দৃষ্টির খেয়ানত!
😢28
হৃদয় উঠোনে যত জমে আছে কালি..
বোশেখের কালো মেঘ ধুলো আর বালি
ক্বদরের এই রাতে হে আমার রব
সাইমুম ঝড় দিয়ে মুছে দিও সব।
15👍1
❝প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভূলিয়ে রেখেছে❞
~ সূরা আত তাকাসুর, আয়াতঃ ০১
😢17👍1
এই লেখাটি যারা পড়ছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জীবনের শেষ রমাদান কাটিয়ে ফেলেছেন।
রমাদান আবারও পৃথিবীতে ফিরে আসবে, কিন্তু তারা পৃথিবীতে থাকবে না।
😢31
জান্নাতে একটি দরজা আছে যার নাম রাইয়ান। শুধুমাত্র রোজাদাররাই এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। সর্বশেষ রোজাদার ব্যক্তি এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করার পরই দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। (বুখারি : ১৭৭৫ মুসলিম : ২৫৮১)
13
16
ছোটকালে চাইতাম রোজা ২৯টা হোক। ঈদ দ্রুত আসুক। আর এখন চাই রোজা ৩০টা হোক। রমজানটা আরেকটু প্রলম্বিত হোক। বয়সের ব্যবধান এভাবেই অনেক চাওয়াকে উলট-পালট করে দেয়।
38
🕋
হজ্জ নাসীবে জোটার দোয়া-
১)
اللهمَّ ارْزُقْنَا حَجَّ بَيْتِكَ الْحَرَام

আল্লাহুম্মার্ যুকনা হাজ্জা বাইতিকাল হার'''ম।
(হে আল্লাহ তোমার সম্মানিত ঘরের হজ্জ নসিব করো)

২)
اللّٰهمَّ ارْزُقْنِي جِىَارَتِا الّحَرَمَينِ الشَّرِيفَيْن.

"আল্লাহুম্মারযুকনী যিয়া-রতাল হারমাইনিশ শারিফাইন"

(হে আল্লাহ তোমার সম্মানিত হারাম শরীফ জিয়ারত করার তাওফীক দান করো।)

🕌 আলোর পথ
👍32
‘হে আমার রব, তুমি ক্ষমা কর আমাকে, আমার পিতামাতাকে যারা আমার গৃহে মুমিন হয়ে প্রবেশ করে তাদেরকে আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে; আর জালিমদের জন্য ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করো না।’

[ সুরা নূহ, ৭১ : ২৮ ]
7
রাফায় স্থল হামলার তারিখ চূড়ান্ত নেতানিয়াহুর:

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজা উপত্যকার রাফায় স্থল হামলার শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেছেন তিনি। তবে তারিখটি তিনি প্রকাশ করেননি। যুক্তরাষ্ট্রও জানিয়েছে, তাদেরকে দিনক্ষণে কোনো বার্তা আসেনি। উল্লেখ্য, রাফায় ১০ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।
নেতানিয়াহু বার বার বলে আসছেন যে ইসরাইলকে অবশ্যই রাফায় স্থল বাহিনী পাঠাতে হবে। তিনি একে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের শেষ দুর্গ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখানে হামলার বিরোধিতা করে আসছে। তারা বলছে, রাফায় সামরিক হামলা চালানো হলে ১৪ লাখের বেশ লোক বিপদে পড়বে।
কিন্তু নেতানিয়াহু ওইসব উদ্বেগ বাতিল করে দিয়ে এক ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, বিজয়ের জন্য রাফা অভিযান অত্যাবশ্যক।
তিনি বিস্তারিত না বলে কেবল এটুকু উল্লেখ করেন, 'হামলা হবে। তারিখ নির্ধারণ হয়ে গেছে।'
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাদের রাফা হামলার ব্যাপারে ইসরাইল কোনো তথ্য জানায়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ওয়াশিংটন রাফায় পূর্ণ মাত্রার সামরিক হামলা চায় না।
তিনি বলেন, আমরা ইসরাইলকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি, রাফায় পূর্ণ মাত্রার সামরিক অভিযান ওইসব বেসমরিক নাগরিকদের ওপর ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। আর তা শেষ পর্যন্ত ইসরাইলের নিরাপত্তার ক্ষতি করবে।
সূত্র : আল জাজিরা
😢7🤬3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কারো কারো জীবনে এটিই হবে শেষ রমাদান
ড. রেজাউল করিম
#islamic #Shibir #BICS #Ramadan
17
সম্প্রতি কুকি চিন স'ন্ত্রা|সী গোষ্ঠী আলোচনায় আসার জন্য আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের বম (Bawm) জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের ব্যাপারেও জানতে পারছি। যদিও তারা সংখ্যায় খুব বেশি না, ১৫ হাজারেরও কম হবে। কিন্তু তাদের ভাষায় বাইবেল অনুবাদ হয়ে গেছে। সেই বাইবেল অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়, গুগল প্লেস্টোরে বম (Bawm) ভাষায় ফ্রি বাইবেলের অ্যাপও পাওয়া যায়। বম জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা মূলত খ্রিষ্ট ধর্মালম্বী। আমাদের বাংলাদেশ খুব বড় দেশ না হলেও এই দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ভাষার মানুষ বাস করে। চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতালসহ আরো বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এদের মাঝে অন্যতম। তাদের অধিকাংশই এখন খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত। তাদের প্রত্যেকের ভাষাতেই এখন বাইবেল অনুবাদ আছে এবং সেগুলোর হার্ডকপির সাথে সাথে ফ্রি অ্যাপও রয়েছে। যদিও ৩০-৪০ বছর আগেও হয়তো চিত্র এমন ছিল না, তাদের অন্য ধর্মবিশ্বাস ছিল। এটা ভেবে কি অবাক লাগে না যে এত অল্প সময়ের মধ্যে তারা খ্রিষ্ট ধর্মে দীক্ষিত হয়ে গেল আর তাদের ভাষাতে বাইবেলের মতো বিশাল গ্রন্থ অনুবাদ হয়ে গেল আর এত সহজলভ্য হয়ে গেল?
.
পশ্চিমা দেশগুলোর বিশেষ করে আমেরিকান খ্রিষ্টান মিশনারীরা বিশ্বময় তাদের ধর্ম প্রচারের জন্য ব্যাপক আত্মনিয়োগ করছে। পৃথিবীর হেন অঞ্চল নেই যেখানে তাদের পদচারণা নেই। পৃথিবীর নানা দুর্গম অঞ্চলেও তারা তাদের ধর্ম প্রচার করে, হাজার হাজার ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করে তারা মানুষের জন্য সহজলভ্য করে দিয়েছে। বাংলাদেশ আর ভারতের এত ভাষাতে তারা বাইবেল অনুবাদ করেছে ও অনলাইনে ফ্রিতে উন্মুক্ত করে দিয়েছে যা রীতিমত অবিশ্বাস্য। এই অঞ্চলে এত ভাষা আছে সেটাই হয়তো অনেক মুসলিম জানে না, অথচ খ্রিষ্টান প্রচারকরা সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে এসে এসব ভাষা শিখেছে, এরপর সেই ভাষায় নিজেদের ধর্মগ্রন্থ অনুবাদ করেছে।
.
আমরা মুসলিমরা হাজার বছর ধরে এই অঞ্চলে আছি, অথচ বাংলা ভাষাতেই খুব ভালো মানের সাবলীল কুরআনের অনুবাদ খুব বেশি নেই। এই দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর ভাষায় কুরআন বা কোনো হাদিসের গ্রন্থ অনুবাদ করার কথা তো আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি, আল্লাহর কালামকে আমরা এসব মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার কথা চিন্তাও করিনি। ওদিকে ইউরোপ-আমেরিকার খ্রিষ্টান প্রচারকরা দূর দেশ থেকে এসে এদেরকে নিজ ধর্মে দীক্ষিত করে ফেলেছে। আমরা আমাদের দ্বীনকে এসব মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারিনি, কেননা আমরা অনেক 'জরুরী' কাজে ব্যাস্ত। তারাবী ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত, হাত নাভির উপরে নাকি নিচে বাঁধব - এসব নিয়ে যুদ্ধ না করলে কি উম্মাহ উদ্ধার হবে নাকি? আমাদের ওয়াজ-মাহফিলে অনেক মানুষের ভিড় হয়, এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। সেখান থেকে ভিন্ন মাসলাকের ভাইকে কিছু কটূ কথা বললে বা কিছু ভাইরাল ডায়লগ দিলে তো আরো ভালো। পাহাড়ী মানুষদের কাছে দ্বীন পৌঁছানোর আর কী দরকার।
.
পাহাড়ী গরিব মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, শিক্ষার ব্যবস্থা নেই, ঐদিকে আমরা দৃষ্টি দেইনি; খ্রিষ্টান মিশনারীরা ঠিকই তাদের খাবার দিয়েছে, চিকিৎসা দিয়েছে, তাদের জন্য স্কুল করেছে। এদিকে আমরা মিলাদ পড়িয়ে আর মানুষের থেকে 'হাদিয়া' নিয়ে সন্তুষ্ট থেকেছি। খ্রিষ্টান মিশনারীরা ওদের হাতে পৌঁছে দিয়েছে বাইবেল, তাদের জন্য ঐ অঞ্চলে চালু করেছে খ্রিষ্টীয় এফএম রেডিও। এদিকে আমরাও "বিশাল" কাজ করে চলছি, "Yahooদি-নাসারার চক্রান্ত" বলে কিছু হুঙ্কার দিচ্ছি। আমাদের হুঙ্কারে কিছু শ্রোতা উদ্বেলিত হচ্ছে। ওদিকে পার্বত্য অঞ্চলে, উত্তরাঞ্চলে, সীমান্ত অঞ্চলে এমনকি শহরাঞ্চলেও দলে দলে মানুষের কাছে যিশুর বাণী পৌঁছে দিয়ে ব্যাপ্টাইজ করছে খ্রিষ্টান মিশনারীরা। এদিকে আমরা এমন কার্যকলাপ করছি তা দেখে যারা দ্বীনের মধ্যে আছে তারাও দ্বীন ছেড়ে দেবার উপক্রম। এসব নিয়ে ভেবে আর কী হবে, কিছুদিন পরে হয়তো ঈদের নামাজে কয় তাকবির, লোকাল নাকি গ্লোবাল, খাদ্য নাকি টাকা - এইসব নিয়ে কিঞ্চিত মহাযুদ্ধ চালিয়ে দ্বীনের শান-মান বৃদ্ধিতে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।
.
আমাদের উচিত নিজেদের কর্মপন্থা নিয়ে আরেকবার ভাবা। আমরা কি আসলেই রহমাতাল্লিল আলামিন মুহাম্মাদ(ﷺ) এর আনিত দ্বীন অনুসরণ করছি, নাকি এর নাম করে অন্ধ মাসলাকবাজি, স্বার্থপরতা, দুনিয়াপ্রীতি আর হিংসা-বিদ্বেষের চর্চা করছি - এই জিনিসটা একবার চিন্তা করা দরকার। খ্রিষ্টান মিশনারীরা তাদের বিকৃত হয়ে যাওয়া কিতাব ও ধর্মের জন্য যা করছে আমরা কি আল্লাহর সত্য দ্বীনের জন্য এর সিকিভাগও করছি? এই পোস্টটায় আমি খ্রিষ্টানদের প্রশংসা করলাম এবং মুসলিমদের সমালোচনা অর্থাৎ আত্মসমালোচনা করলাম। নিজেদের অবস্থার সংশোধণের জন্য আত্মসমালোচনার দরকার আছে।

~মুহাম্মদ মাশফিকুর রহমান মিনার
😢10
আসসালামু আলাইকুম

আজকে ৩০ই রমাদান



বিদায় নিচ্ছে মাহে রমাদান।সামনের বছর পেতেও পারি নাও পারি।

আল্লাহ আমাদের মাফ করুক

সমস্ত গুনাহ মাফ করুক

সেহরি,ইফতার,তারাবি,সিয়ামকে কবুল করুক

সমস্ত মানুষের দুঃখ ঘুচিয়ে নিক

আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন
16
ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ৪নং বড়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদে ঈদ উপলক্ষে চাউল বিতরনে মুসলমানের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না, হি+ন্দুর নামের ভিড়ে । আহারে বাংলা.....
😢13😁1