দ্বীনে ফেরার পরেও, আমি প্র্যাক্টিসিং হয়েও যে সমস্যা গুলো রয়ে যায়ঃ
১. খেলাধুলা দেখা, স্কোর, আপডেট এসব থেকে পুরোপুরি বের হতে না পারা
২. এডাল্ট কথা বার্তা প্রকাশ্যে ত্যাগ করতে না পারা। এখন দ্বীনি ভাইয়েরাও বিয়ের নামে আকারে ইংগিতে এসব বলতে পিছিয়ে থাকে না
৩. মিউজিকে যারা অভ্যস্ত সম্পূর্ণ ছাড়তে না পারা।
৪. গালি গালাজ এবং অশ্লীল ভাষার ব্যবহার। ভিন্নমতের খন্ডন করতে গেলে মাঝে মধ্যে আমাদের ভাষার অবস্থা দেখা যায়।
রমজান মাস এসব সংশোধন করার মোক্ষম সুযোগ। চেষ্টা করি সম্পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশ করতে।
[সংগৃহীত]
১. খেলাধুলা দেখা, স্কোর, আপডেট এসব থেকে পুরোপুরি বের হতে না পারা
২. এডাল্ট কথা বার্তা প্রকাশ্যে ত্যাগ করতে না পারা। এখন দ্বীনি ভাইয়েরাও বিয়ের নামে আকারে ইংগিতে এসব বলতে পিছিয়ে থাকে না
৩. মিউজিকে যারা অভ্যস্ত সম্পূর্ণ ছাড়তে না পারা।
৪. গালি গালাজ এবং অশ্লীল ভাষার ব্যবহার। ভিন্নমতের খন্ডন করতে গেলে মাঝে মধ্যে আমাদের ভাষার অবস্থা দেখা যায়।
রমজান মাস এসব সংশোধন করার মোক্ষম সুযোগ। চেষ্টা করি সম্পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশ করতে।
[সংগৃহীত]
❤13
ইয়া আল্লাহ আজ থেকে দেড় হাজার বছর পূর্বে ১৭ রামাদানে বদরের প্রান্তে মুহাম্মদ ﷺ এর সেই ৩১৩ জন অবলা বাহিনী কে কুফফারদের উপর আপনি বিজয় দান করেছিলেন।
ইয়া আল্লাহ আপনি তো সে রব এখনো আছেন, আপনি এই রামাদানে অভিশপ্ত ইয়াহুদিদের উপর নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কে বিজয় দান করেন আমিন।
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আলোর পথ
ইয়া আল্লাহ আপনি তো সে রব এখনো আছেন, আপনি এই রামাদানে অভিশপ্ত ইয়াহুদিদের উপর নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কে বিজয় দান করেন আমিন।
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আলোর পথ
❤23
আপনি কি মনে করেন যে বিলাল, আবু বকর, খালিদ, উমার, হাফসা আর সুমাইয়াহ যে জান্নাতে প্রবেশ করবেন, আপনিও সেই জান্নাতে প্রবেশ করবেন? অথচ তাঁরা যে কাজ করেছেন তা না করেই?
আপনি কি মনে করেন যে, শুধু শাহাদাহ পাঠ করেছেন, মুসলিম হয়ে জন্মেছেন বলে আপনার হাতে জান্নাতের টিকেট ধরিয়ে দেওয়া হবে? যেখানে আপনি নিদ্রাহীন ইবাদাতের একটি রাতও কাটাননি?
সালাফদের ব্যাপারে আমরা বিস্ময়কর কিছু জিনিস দেখি। তাঁদের মাঝে এমন অনেকে ছিল, যদি তাঁদের বলা হতো আগামীকাল আপনি মৃত্যুবরণ করবেন—তারপরেও তাঁদের বিশেষভাবে অতিরিক্ত ইবাদাত করার মতো সময় পাওয়া যেত না। কারণ তারা জীবনের প্রতিটি দিনই অনেক বেশি ইবাদাত করতেন।
বইঃ ধূলিমলিন উপহার রমাদান, পৃষ্ঠা: ৫৫।
আপনি কি মনে করেন যে, শুধু শাহাদাহ পাঠ করেছেন, মুসলিম হয়ে জন্মেছেন বলে আপনার হাতে জান্নাতের টিকেট ধরিয়ে দেওয়া হবে? যেখানে আপনি নিদ্রাহীন ইবাদাতের একটি রাতও কাটাননি?
সালাফদের ব্যাপারে আমরা বিস্ময়কর কিছু জিনিস দেখি। তাঁদের মাঝে এমন অনেকে ছিল, যদি তাঁদের বলা হতো আগামীকাল আপনি মৃত্যুবরণ করবেন—তারপরেও তাঁদের বিশেষভাবে অতিরিক্ত ইবাদাত করার মতো সময় পাওয়া যেত না। কারণ তারা জীবনের প্রতিটি দিনই অনেক বেশি ইবাদাত করতেন।
বইঃ ধূলিমলিন উপহার রমাদান, পৃষ্ঠা: ৫৫।
😢19
পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য অ্যাডঃ আজিজুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
😢17👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
অ্যাড: আজিজুল ইসলামের মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগের বক্তব্য
😢21❤1
দেখতে দেখতে রমাদানের শেষ দশকে চলে আসলাম।
চোখের পলকে ২ দশক কিভাবে চলে গেল। নিজেকে প্রশ্ন করি- রমাদানের মূল লক্ষ্য রাব্বে কারীমের থেকে ক্ষমা পাওয়ার মত এখনো কি কিছু করতে পেরেছি? নিজের সাধ্য অনুযায়ী আমল, গুনাহ থেকে বাচঁতে পেরেছি?
আমার প্রিয় ভাই-বোন... উত্তর হা / না যাই হোক রমাদানের এই শেষ ১০ টা দিন নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দুআ' করে কান্নাকাটি করি নিজের গুনাহ মাফের জন্য, নিজের পরিবার-পরিজন, কবরবাসী খাস করে এই উম্মাহর মাজলুমদের জন্য — যাদের রোজা আছে ইফতার নেই, সাহরী থেকে নিয়ে ইফতার পর্যন্ত জীবত থাকবে কিনা এর নিশ্চিয়তা নেই। ফিলিস্তিনের মাজলুমদের কে না ভুলি। তাদের জন্য আমরা তেমন কিছুই করতে পারছি না তা ঠিক কারণ আমরা অপারগ তবে দুআ তেও যদি কার্পন্য করি তাহলে হাশরের ময়দানে অবশ্যই অবশ্যই কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে ক্ষমা করার এত বৃহৎ আয়োজন দুআ গুলো কবুল করার এত বৃহৎ আয়োজন দেখেও যদি ফায়দা হাসিল না করতে পারি তাহলে আমার থেকে হতভাগা আর কে আছে!
اللّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّى
চোখের পলকে ২ দশক কিভাবে চলে গেল। নিজেকে প্রশ্ন করি- রমাদানের মূল লক্ষ্য রাব্বে কারীমের থেকে ক্ষমা পাওয়ার মত এখনো কি কিছু করতে পেরেছি? নিজের সাধ্য অনুযায়ী আমল, গুনাহ থেকে বাচঁতে পেরেছি?
আমার প্রিয় ভাই-বোন... উত্তর হা / না যাই হোক রমাদানের এই শেষ ১০ টা দিন নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দুআ' করে কান্নাকাটি করি নিজের গুনাহ মাফের জন্য, নিজের পরিবার-পরিজন, কবরবাসী খাস করে এই উম্মাহর মাজলুমদের জন্য — যাদের রোজা আছে ইফতার নেই, সাহরী থেকে নিয়ে ইফতার পর্যন্ত জীবত থাকবে কিনা এর নিশ্চিয়তা নেই। ফিলিস্তিনের মাজলুমদের কে না ভুলি। তাদের জন্য আমরা তেমন কিছুই করতে পারছি না তা ঠিক কারণ আমরা অপারগ তবে দুআ তেও যদি কার্পন্য করি তাহলে হাশরের ময়দানে অবশ্যই অবশ্যই কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে ক্ষমা করার এত বৃহৎ আয়োজন দুআ গুলো কবুল করার এত বৃহৎ আয়োজন দেখেও যদি ফায়দা হাসিল না করতে পারি তাহলে আমার থেকে হতভাগা আর কে আছে!
اللّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّى
😢8
সালাতুতু তাসবিহ নামাজের ফজিলতের মধ্যে অন্যতম হলো- বিগত জীবনের গোনাহ মাফ এবং অনেক সাওয়াব লাভ হয়। রমজানে এ নামাজের ফজিলত সবচেয়ে বেশি। এ নামাজের ব্যাপারে হাদিসের একটি বর্ণনা পাওয়া যায়।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমার পিতা) হজরত আব্বাসকে বললেন, ‘হে আব্বাস! হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সঙ্গে ১০টি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ ১০টি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না) যখন আপনি তা (আমল) করবেন-
>> তখন আল্লাহ আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সবধরনের গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> সগিরা ও কবিরা গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহ মাফ করে দেবেন।(হে চাচা!) আপনি ৪ রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন। (অর্থাৎ প্রত্যেক রাকাআতে এ তাসবিহটি ৭৫ বার করে আদায় করতে হবে।)
সালাতুত তাসবিহ পড়ার নিয়মসুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলানোর পাশাপাশি প্রত্যেক রাকাআতে (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) অর্থাৎ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার-এ তাসবিহটি ৭৫ বার পড়তে হবে। তবে একই নিয়মে ৪ রাকাআতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়ার মাধ্যমে তা আদায় করতে হয়।
>> নামাজে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা পড়ার আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১৫ বার।
>> সুরা ফাতেহা ও অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুর আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْعَظِيْم) পড়ার পর এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় এ সাতবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) ১০ বার।
>> সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> দুই সেজদার মাঝে বসাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> দ্বিতীয় সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর আবার সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
এভাবে দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাআতে মতো এ নামাজ আদায় করা। দুই রাকাআতের পর বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ে সালাম না ফিরিয়ে উপরের নিয়মে বাকি ২ রাকাআত আদায় করে নেয়া।
মনে রাখতে হবে তাসবিহ পড়ার সময় যদি কোনো স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম তাসবিহ পড়া হয় তবে, পরবর্তী যে রোকনে তা স্মরণ হবে সেখানেই তা পড়ে নিলেই হবে।
আর কোনো কারণে যদি এ নামাজে সাহু সেজদার প্রয়োজন হয় তবে এ সেজদায় কিংবা সেজদার মাঝখানে বসাবস্থায় এ তাসবিহ পড়তে হবে না।
তাসবিহ পড়ার ক্ষেত্রে স্মরণ রাখার জন্য আঙুলের কর গণনা করা যাবে না তবে আঙুল চেপে তাসবিহ এর সংখ্যা স্মরণ রাখা যাবে।
(অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে চাচা!) এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে।
তাও যদি না পারেন, তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসে সর্বাধিক তাসবিহ সম্বলিত নামাজ পড়ে উল্লেখিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমার পিতা) হজরত আব্বাসকে বললেন, ‘হে আব্বাস! হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সঙ্গে ১০টি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ ১০টি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না) যখন আপনি তা (আমল) করবেন-
>> তখন আল্লাহ আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সবধরনের গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> সগিরা ও কবিরা গোনাহ মাফ করে দেবেন।>> গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহ মাফ করে দেবেন।(হে চাচা!) আপনি ৪ রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন। (অর্থাৎ প্রত্যেক রাকাআতে এ তাসবিহটি ৭৫ বার করে আদায় করতে হবে।)
সালাতুত তাসবিহ পড়ার নিয়মসুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলানোর পাশাপাশি প্রত্যেক রাকাআতে (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) অর্থাৎ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার-এ তাসবিহটি ৭৫ বার পড়তে হবে। তবে একই নিয়মে ৪ রাকাআতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়ার মাধ্যমে তা আদায় করতে হয়।
>> নামাজে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা পড়ার আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১৫ বার।
>> সুরা ফাতেহা ও অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুর আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْعَظِيْم) পড়ার পর এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় এ সাতবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) ১০ বার।
>> সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> দুই সেজদার মাঝে বসাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> দ্বিতীয় সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর আবার সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
এভাবে দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাআতে মতো এ নামাজ আদায় করা। দুই রাকাআতের পর বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ে সালাম না ফিরিয়ে উপরের নিয়মে বাকি ২ রাকাআত আদায় করে নেয়া।
মনে রাখতে হবে তাসবিহ পড়ার সময় যদি কোনো স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম তাসবিহ পড়া হয় তবে, পরবর্তী যে রোকনে তা স্মরণ হবে সেখানেই তা পড়ে নিলেই হবে।
আর কোনো কারণে যদি এ নামাজে সাহু সেজদার প্রয়োজন হয় তবে এ সেজদায় কিংবা সেজদার মাঝখানে বসাবস্থায় এ তাসবিহ পড়তে হবে না।
তাসবিহ পড়ার ক্ষেত্রে স্মরণ রাখার জন্য আঙুলের কর গণনা করা যাবে না তবে আঙুল চেপে তাসবিহ এর সংখ্যা স্মরণ রাখা যাবে।
(অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে চাচা!) এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে।
তাও যদি না পারেন, তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসে সর্বাধিক তাসবিহ সম্বলিত নামাজ পড়ে উল্লেখিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।
আমরা আর যাই করিনা কেনো মজলুমদের জন্য এটুকু করতে যেনো ভুলে না যাই৷ দোয়ায় যেনো স্মরণ রাখি ইন শা আল্লাহ
❤12👍2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রতিটি হৃদয়ের রক্তখরণ জালিমদের ধ্বংসের কারণ হবে ইনশাআল্লাহ 🥲
😢46🤬18
এই লেখাটি যারা পড়ছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জীবনের শেষ রমাদান কাটিয়ে ফেলেছেন।
রমাদান আবারও পৃথিবীতে ফিরে আসবে, কিন্তু তারা পৃথিবীতে থাকবে না।
রমাদান আবারও পৃথিবীতে ফিরে আসবে, কিন্তু তারা পৃথিবীতে থাকবে না।
😢31