প্রেম অনেক সময় হারামের গণ্ডি পেরিয়ে আরো ভয়ঙ্কর পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ ব্যাপারে ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন,
‘প্রেম কখনো এমনও হয় যে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়... ওই ব্যক্তির মত যে তার প্রেমাস্পদকে আল্লাহর প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলে, আল্লাহকে যেভাবে ভালোবাসে, তাকে সেভাবেই ভালোবাসে।’
.
অতিরঞ্জন মনে হচ্ছে? মুঝে তুঝমে রাব দিখতা হ্যায়...বান গ্যায়ে হো তুম মেরে খুদা...এ ধরনের গান কিন্তু একেবারে কম না!
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এ ধরনের প্রেমের কিছু লক্ষণ বলে দিয়েছেন। সেগুলো দেখলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হবে। তার মতে, এ ধরনের প্রেমের লক্ষণ হলো:
‘প্রেমিক তার প্রেমাস্পদের সন্তুষ্টিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর প্রাধান্য দেবে। যদি কখনো আল্লাহর হক আর প্রেমাস্পদের হকের মাঝে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তখন আল্লাহর হকের ওপর প্রেমাস্পদের হককে প্রাধান্য দেবে।’ [1]
.
একটু ভালো করে ভেবে বলো তো, প্রেমের সম্পর্কে এমন ব্যাপার ঘটে কি না? উত্তরটা কাউকে বলতে হবে না, শুধু নিজের কাছে স্বীকার করলেই হবে। তোমাদের মনে করিয়ে দেই, ইসলামের খুব বেসিক একটা কনসেপ্ট হলো- আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) -কে ভালোবাসতে হবে দুনিয়ার সবার চাইতে, সবকিছুর চাইতে বেশি। তাঁরা হবেন আমাদের জীবনের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। তাঁরা আসবেন সবার প্রথমে। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) প্রকৃত বিশ্বাসী হবার এই শর্ত আমাদের জানিয়েছেন।
.
আল্লাহ সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা বলছেন,
‘কিন্তু যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহকে অন্য যে কোনো কিছুর চাইতে বেশি ভালোবাসে’। [2]
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
‘কোনো ব্যক্তি ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ আমি তার কাছে তার পিতামাতা, সন্তানাদি ও দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় না হবো।’ [3]
.
কাজেই যেটাকে তুমি সফল প্রেম মনে করছো, সেটা আসলে চরম ব্যর্থতা। ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। একজন মানুষ স্বেচ্ছায় নিজেকে মহান আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। হৃদয়ে ঈমানের স্বাদকে নষ্ট করে ফেলছে নিজের হাতেই। একের পর এক গুনাহে জড়াচ্ছে, পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবাধ্য গভীর থেকে আরো গভীরে। কেন? একজন মানুষের জন্য। একজন নশ্বর মানুষের জন্য। যার জন্ম হয়েছিল এক ফোঁটা বীর্য থেকে আর মৃত্যুর পর যার ঠাঁই হবে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। একজন মানুষ, যে তার শরীরের ভেতরে আবর্জনা বয়ে বেড়ায়। দিন দিন যার বয়স বাড়ে, যার চোখের আলো স্তিমিত হয়ে আসে, চামড়া ঝুলে পড়ে, সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায়। একজন মানুষ, মৃত্যুর পর যার শরীর পচে যায়। মাটির সাথে মিশে যায়।
.
এর জন্য জান্নাতকে পায়ে ঠেলা? আল্লাহর অবাধ্য হওয়া? জাহান্নামের দিকে নিজেকে ছুড়ে দেওয়া?
.
আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা কি জানো? মহান আল্লাহ তোমাকে একা থাকতে বলছেন না। তিনি তোমাকে বলছেন না, সব মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, শুধু কষ্টে কষ্টে জীবনটা পার করে দিতে। তুমি পৃথিবীতে ভালোবাসতে পারবে, আনন্দিত হতে পারবে, সুখী হতে পারবে, যৌনতার স্বাদ নিতে পারবে। কোনো কিছুতেই আল্লাহ তোমাকে বাধা দিচ্ছেন না। তোমাকে শুধু কাজগুলো করতে হবে মহান আল্লাহর ঠিক করে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ব্যস! আর তাহলে তুমি আখিরাতের শাস্তি থেকে বাঁচবে, দুনিয়ার জীবনে বারাকাহ পাবে এবং সমাজ, পরিবার ও সভ্যতা সমৃদ্ধ হবে।
তারপরও মানুষ অবাধ্য হচ্ছে। অসীমকে উপেক্ষা করে সীমিতর পেছনে এ কেমন ছুটে চলা? একে উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু কি বলা যায়?
.
প্রবন্ধ: হাতের মুঠোয় মরীচিকা (শেষ)
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
.
রেফারেন্সঃ
[১] আদ-দা’ ওয়াদ-দাওয়া’, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), দারু ইবন হাযম প্রকাশনী, ২০১৯ ঈ. পৃ: ৪৮৮
[২] সূরা বাকারাহ, ২:১৬৫
[৩] বুখারি: ১৫, মুসলিম: ১৬ (ইফা.)
(লস্ট মডেস্টি থেকে)
❕আজ কতটা রামাদান শেষ হলো? দেখতে দেখতে অর্ধেক শেষ। হিসেবের খাতায় কি যোগ হলো ভেবে দেখব ইন শা আল্লাহ।
‘প্রেম কখনো এমনও হয় যে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়... ওই ব্যক্তির মত যে তার প্রেমাস্পদকে আল্লাহর প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলে, আল্লাহকে যেভাবে ভালোবাসে, তাকে সেভাবেই ভালোবাসে।’
.
অতিরঞ্জন মনে হচ্ছে? মুঝে তুঝমে রাব দিখতা হ্যায়...বান গ্যায়ে হো তুম মেরে খুদা...এ ধরনের গান কিন্তু একেবারে কম না!
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এ ধরনের প্রেমের কিছু লক্ষণ বলে দিয়েছেন। সেগুলো দেখলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হবে। তার মতে, এ ধরনের প্রেমের লক্ষণ হলো:
‘প্রেমিক তার প্রেমাস্পদের সন্তুষ্টিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর প্রাধান্য দেবে। যদি কখনো আল্লাহর হক আর প্রেমাস্পদের হকের মাঝে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তখন আল্লাহর হকের ওপর প্রেমাস্পদের হককে প্রাধান্য দেবে।’ [1]
.
একটু ভালো করে ভেবে বলো তো, প্রেমের সম্পর্কে এমন ব্যাপার ঘটে কি না? উত্তরটা কাউকে বলতে হবে না, শুধু নিজের কাছে স্বীকার করলেই হবে। তোমাদের মনে করিয়ে দেই, ইসলামের খুব বেসিক একটা কনসেপ্ট হলো- আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) -কে ভালোবাসতে হবে দুনিয়ার সবার চাইতে, সবকিছুর চাইতে বেশি। তাঁরা হবেন আমাদের জীবনের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। তাঁরা আসবেন সবার প্রথমে। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) প্রকৃত বিশ্বাসী হবার এই শর্ত আমাদের জানিয়েছেন।
.
আল্লাহ সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা বলছেন,
‘কিন্তু যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহকে অন্য যে কোনো কিছুর চাইতে বেশি ভালোবাসে’। [2]
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
‘কোনো ব্যক্তি ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ আমি তার কাছে তার পিতামাতা, সন্তানাদি ও দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় না হবো।’ [3]
.
কাজেই যেটাকে তুমি সফল প্রেম মনে করছো, সেটা আসলে চরম ব্যর্থতা। ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। একজন মানুষ স্বেচ্ছায় নিজেকে মহান আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। হৃদয়ে ঈমানের স্বাদকে নষ্ট করে ফেলছে নিজের হাতেই। একের পর এক গুনাহে জড়াচ্ছে, পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবাধ্য গভীর থেকে আরো গভীরে। কেন? একজন মানুষের জন্য। একজন নশ্বর মানুষের জন্য। যার জন্ম হয়েছিল এক ফোঁটা বীর্য থেকে আর মৃত্যুর পর যার ঠাঁই হবে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। একজন মানুষ, যে তার শরীরের ভেতরে আবর্জনা বয়ে বেড়ায়। দিন দিন যার বয়স বাড়ে, যার চোখের আলো স্তিমিত হয়ে আসে, চামড়া ঝুলে পড়ে, সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায়। একজন মানুষ, মৃত্যুর পর যার শরীর পচে যায়। মাটির সাথে মিশে যায়।
.
এর জন্য জান্নাতকে পায়ে ঠেলা? আল্লাহর অবাধ্য হওয়া? জাহান্নামের দিকে নিজেকে ছুড়ে দেওয়া?
.
আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা কি জানো? মহান আল্লাহ তোমাকে একা থাকতে বলছেন না। তিনি তোমাকে বলছেন না, সব মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, শুধু কষ্টে কষ্টে জীবনটা পার করে দিতে। তুমি পৃথিবীতে ভালোবাসতে পারবে, আনন্দিত হতে পারবে, সুখী হতে পারবে, যৌনতার স্বাদ নিতে পারবে। কোনো কিছুতেই আল্লাহ তোমাকে বাধা দিচ্ছেন না। তোমাকে শুধু কাজগুলো করতে হবে মহান আল্লাহর ঠিক করে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ব্যস! আর তাহলে তুমি আখিরাতের শাস্তি থেকে বাঁচবে, দুনিয়ার জীবনে বারাকাহ পাবে এবং সমাজ, পরিবার ও সভ্যতা সমৃদ্ধ হবে।
তারপরও মানুষ অবাধ্য হচ্ছে। অসীমকে উপেক্ষা করে সীমিতর পেছনে এ কেমন ছুটে চলা? একে উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু কি বলা যায়?
.
প্রবন্ধ: হাতের মুঠোয় মরীচিকা (শেষ)
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
.
রেফারেন্সঃ
[১] আদ-দা’ ওয়াদ-দাওয়া’, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), দারু ইবন হাযম প্রকাশনী, ২০১৯ ঈ. পৃ: ৪৮৮
[২] সূরা বাকারাহ, ২:১৬৫
[৩] বুখারি: ১৫, মুসলিম: ১৬ (ইফা.)
(লস্ট মডেস্টি থেকে)
❕আজ কতটা রামাদান শেষ হলো? দেখতে দেখতে অর্ধেক শেষ। হিসেবের খাতায় কি যোগ হলো ভেবে দেখব ইন শা আল্লাহ।
❤7👍2😢2
‘তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মাঝে উত্তম এক আদর্শ রয়েছে, তার জন্য যে আল্লাহ ও শেষ দিনের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’
[ সুরা আল-আহযাব, ৩৩ : ২১ ]
[ সুরা আল-আহযাব, ৩৩ : ২১ ]
❤13
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বদর আমাদের চেতনার, বদর আমাদের প্রেরণার।⚔️🇸🇦⚔️
ড. রেজাউল করিম 🤍🤎
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির🇧🇩🤍⚔️
ড. রেজাউল করিম 🤍🤎
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির🇧🇩🤍⚔️
❤21
বদরের যু*দ্ধ!
এটি শুধু একটি যু*দ্ধই নয়, বরং এটি হচ্ছে মুসলিমদের এক যুগান্তকারী ইতিহাস! যে যু*দ্ধে মহান আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং নিজেই তার কুদরত দ্বারা মুসলিমদের বিজয় এনে দিয়েছিলেন!
বদরের যু*দ্ধ ছিল মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে প্রথম সামরিক যু*দ্ধ। এ যু*দ্ধ রাসূলুল্লাহ সা: নিজে পরিচালনা করেন। এ যু*দ্ধের ফলে ইসলামে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসে। পবিত্র আল-কুরআনের সূরা আল ইমরান ও সূরা আনফালেও বদর যু*দ্ধের বর্ণনা এসেছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘স্মরণ করো! যখন আল্লাহ তোমাকে স্বপ্নে দেখিয়েছিলেন, তারা সংখ্যায় অল্প। যদি তিনি তাদের সংখ্যায় বেশি দেখাতেন তবে তোমরা সাহস হারাতে এবং যু*দ্ধের ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি করতে। কিন্তু আল্লাহ রক্ষা করেছেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের খবর জানেন।’
(সূরা আনফাল : ৪৩)
❤34🥰3
দ্বীনে ফেরার পরেও, আমি প্র্যাক্টিসিং হয়েও যে সমস্যা গুলো রয়ে যায়ঃ
১. খেলাধুলা দেখা, স্কোর, আপডেট এসব থেকে পুরোপুরি বের হতে না পারা
২. এডাল্ট কথা বার্তা প্রকাশ্যে ত্যাগ করতে না পারা। এখন দ্বীনি ভাইয়েরাও বিয়ের নামে আকারে ইংগিতে এসব বলতে পিছিয়ে থাকে না
৩. মিউজিকে যারা অভ্যস্ত সম্পূর্ণ ছাড়তে না পারা।
৪. গালি গালাজ এবং অশ্লীল ভাষার ব্যবহার। ভিন্নমতের খন্ডন করতে গেলে মাঝে মধ্যে আমাদের ভাষার অবস্থা দেখা যায়।
রমজান মাস এসব সংশোধন করার মোক্ষম সুযোগ। চেষ্টা করি সম্পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশ করতে।
[সংগৃহীত]
১. খেলাধুলা দেখা, স্কোর, আপডেট এসব থেকে পুরোপুরি বের হতে না পারা
২. এডাল্ট কথা বার্তা প্রকাশ্যে ত্যাগ করতে না পারা। এখন দ্বীনি ভাইয়েরাও বিয়ের নামে আকারে ইংগিতে এসব বলতে পিছিয়ে থাকে না
৩. মিউজিকে যারা অভ্যস্ত সম্পূর্ণ ছাড়তে না পারা।
৪. গালি গালাজ এবং অশ্লীল ভাষার ব্যবহার। ভিন্নমতের খন্ডন করতে গেলে মাঝে মধ্যে আমাদের ভাষার অবস্থা দেখা যায়।
রমজান মাস এসব সংশোধন করার মোক্ষম সুযোগ। চেষ্টা করি সম্পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশ করতে।
[সংগৃহীত]
❤13
ইয়া আল্লাহ আজ থেকে দেড় হাজার বছর পূর্বে ১৭ রামাদানে বদরের প্রান্তে মুহাম্মদ ﷺ এর সেই ৩১৩ জন অবলা বাহিনী কে কুফফারদের উপর আপনি বিজয় দান করেছিলেন।
ইয়া আল্লাহ আপনি তো সে রব এখনো আছেন, আপনি এই রামাদানে অভিশপ্ত ইয়াহুদিদের উপর নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কে বিজয় দান করেন আমিন।
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আলোর পথ
ইয়া আল্লাহ আপনি তো সে রব এখনো আছেন, আপনি এই রামাদানে অভিশপ্ত ইয়াহুদিদের উপর নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কে বিজয় দান করেন আমিন।
আলহামদুলিল্লাহ 🌹🌹
আলোর পথ
❤23
আপনি কি মনে করেন যে বিলাল, আবু বকর, খালিদ, উমার, হাফসা আর সুমাইয়াহ যে জান্নাতে প্রবেশ করবেন, আপনিও সেই জান্নাতে প্রবেশ করবেন? অথচ তাঁরা যে কাজ করেছেন তা না করেই?
আপনি কি মনে করেন যে, শুধু শাহাদাহ পাঠ করেছেন, মুসলিম হয়ে জন্মেছেন বলে আপনার হাতে জান্নাতের টিকেট ধরিয়ে দেওয়া হবে? যেখানে আপনি নিদ্রাহীন ইবাদাতের একটি রাতও কাটাননি?
সালাফদের ব্যাপারে আমরা বিস্ময়কর কিছু জিনিস দেখি। তাঁদের মাঝে এমন অনেকে ছিল, যদি তাঁদের বলা হতো আগামীকাল আপনি মৃত্যুবরণ করবেন—তারপরেও তাঁদের বিশেষভাবে অতিরিক্ত ইবাদাত করার মতো সময় পাওয়া যেত না। কারণ তারা জীবনের প্রতিটি দিনই অনেক বেশি ইবাদাত করতেন।
বইঃ ধূলিমলিন উপহার রমাদান, পৃষ্ঠা: ৫৫।
আপনি কি মনে করেন যে, শুধু শাহাদাহ পাঠ করেছেন, মুসলিম হয়ে জন্মেছেন বলে আপনার হাতে জান্নাতের টিকেট ধরিয়ে দেওয়া হবে? যেখানে আপনি নিদ্রাহীন ইবাদাতের একটি রাতও কাটাননি?
সালাফদের ব্যাপারে আমরা বিস্ময়কর কিছু জিনিস দেখি। তাঁদের মাঝে এমন অনেকে ছিল, যদি তাঁদের বলা হতো আগামীকাল আপনি মৃত্যুবরণ করবেন—তারপরেও তাঁদের বিশেষভাবে অতিরিক্ত ইবাদাত করার মতো সময় পাওয়া যেত না। কারণ তারা জীবনের প্রতিটি দিনই অনেক বেশি ইবাদাত করতেন।
বইঃ ধূলিমলিন উপহার রমাদান, পৃষ্ঠা: ৫৫।
😢19
পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য অ্যাডঃ আজিজুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
😢17👍1