ঘাবড়াবেন না
মুরতাদ-কুফফারদের বৈষয়িক শক্তি অনেক সময় আমাদের অন্তর কে প্রভাবিত করে।চোখ কে বিস্ফোরিত করে। আমাদের কে ঘাবড়ে দেয়।আমরা ভাবতে থাকি এত শক্তি ওদের! তবে আমাদের স্মরণ থাকা দরকার, আল্লাহ তায়ালা এ সকল শক্তির স্রষ্টা।
ওদের শক্তি-সামর্থ্য আমাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে।তবে ভুলে গেলে চলবে না,
والله احق ان تخشاه
ভয় করার ক্ষেত্রে আল্লাহই বেশি উপযুক্ত।
অর্থাৎ সত্যিকার অর্থে যদি কাউকে ভয় করতে হয় তাহলে সেটা হলেন আমাদের মহান প্রভু একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।
আমরা তাদের যেসব জিনিস কে ভয় করি যেমন তাদের অস্ত্র,টেকনোলজি,মেধা, অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি। আচ্ছা তাদেরকে এগুলো কে দিয়েছে? বা তাদেরকেই কে সৃষ্টি করেছে? ওরাও এটা অস্বীকার করবে না যে,ওদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ওদের শক্তি-সামর্থ্য কোন একজন দিয়েছেন। আর তিনি হলেন আমাদের একমাত্র সত্য ইলাহ, আল্লাহ তায়ালা।
এখন ভাবার বিষয়, ওদের সমস্ত কিছু যদি আল্লাহ পাকেরই দেয়া হয়ে থাকে আর আমরা যদি সেই একই আল্লাহর সৈনিক হয়ে থাকি তাহলে তাদের সেই সামান্য শক্তি-সামর্থ্য কে ভয় করা কি আমাদের জন্য শোভা পায়? তাদের কোন টেকনোলজি বা অন্য কোন শক্তি কি আমাদের কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে? অবশ্যই না।
তাই আমরা ঘাবড়াবো না কুফফারদের শক্তি-সামর্থ্য আর শৌর্যবীর্য দেখে।কারণ এগুলো মাকঁড়সার জালের চেয়ে বেশি কিছু নয়।আর শেষ হাসি বিইযনিল্লাহ মুমিনরাই হাসবে।
তবে মুমিনরা আল্লাহ পাকের বিধানের প্রতি সদা সজাগ।তাই কুফফারদের শক্তির কোন ভীতি তার মধ্যে না থাকলেও সে থাকে সদা তৎপর ও সতর্ক।কারণ এ বিষয়ে সে আদিষ্ট। যেন তার অগোচরে কোন অপশক্তি তার কোন ক্ষতি না করে বসে।আল্লাহ পাক মুমিনদেরকে ভালোবাসেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
মুরতাদ-কুফফারদের বৈষয়িক শক্তি অনেক সময় আমাদের অন্তর কে প্রভাবিত করে।চোখ কে বিস্ফোরিত করে। আমাদের কে ঘাবড়ে দেয়।আমরা ভাবতে থাকি এত শক্তি ওদের! তবে আমাদের স্মরণ থাকা দরকার, আল্লাহ তায়ালা এ সকল শক্তির স্রষ্টা।
ওদের শক্তি-সামর্থ্য আমাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে।তবে ভুলে গেলে চলবে না,
والله احق ان تخشاه
ভয় করার ক্ষেত্রে আল্লাহই বেশি উপযুক্ত।
অর্থাৎ সত্যিকার অর্থে যদি কাউকে ভয় করতে হয় তাহলে সেটা হলেন আমাদের মহান প্রভু একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।
আমরা তাদের যেসব জিনিস কে ভয় করি যেমন তাদের অস্ত্র,টেকনোলজি,মেধা, অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি। আচ্ছা তাদেরকে এগুলো কে দিয়েছে? বা তাদেরকেই কে সৃষ্টি করেছে? ওরাও এটা অস্বীকার করবে না যে,ওদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ওদের শক্তি-সামর্থ্য কোন একজন দিয়েছেন। আর তিনি হলেন আমাদের একমাত্র সত্য ইলাহ, আল্লাহ তায়ালা।
এখন ভাবার বিষয়, ওদের সমস্ত কিছু যদি আল্লাহ পাকেরই দেয়া হয়ে থাকে আর আমরা যদি সেই একই আল্লাহর সৈনিক হয়ে থাকি তাহলে তাদের সেই সামান্য শক্তি-সামর্থ্য কে ভয় করা কি আমাদের জন্য শোভা পায়? তাদের কোন টেকনোলজি বা অন্য কোন শক্তি কি আমাদের কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে? অবশ্যই না।
তাই আমরা ঘাবড়াবো না কুফফারদের শক্তি-সামর্থ্য আর শৌর্যবীর্য দেখে।কারণ এগুলো মাকঁড়সার জালের চেয়ে বেশি কিছু নয়।আর শেষ হাসি বিইযনিল্লাহ মুমিনরাই হাসবে।
তবে মুমিনরা আল্লাহ পাকের বিধানের প্রতি সদা সজাগ।তাই কুফফারদের শক্তির কোন ভীতি তার মধ্যে না থাকলেও সে থাকে সদা তৎপর ও সতর্ক।কারণ এ বিষয়ে সে আদিষ্ট। যেন তার অগোচরে কোন অপশক্তি তার কোন ক্ষতি না করে বসে।আল্লাহ পাক মুমিনদেরকে ভালোবাসেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
❤9👍1
ঘুম পেয়েছে জাদুর চোখে, হট্টগোলের নেই সময়,
ছোট্ট ছানা যায় চলে যায়, এই পৃথিবীর অনেক ভয়।
রাক্ষসেরা নেয় কেড়ে সব রঙ-ফড়িংয়ের খেলনা,
অবুঝ ছানার রক্তে সাজে দোল দুলুনির দোলনা।
পুতুল জামা, পুতুল জুতো রইলো পড়ে কার্নিশে,
ছোট্টখানি পেটের ক্ষুধা, তাও মেটেনি কার দোষে!
ঘুম পেয়েছে সোনার চোখে, ফুলচাদরে মুড়িয়ে নাও,
শীতলপাটি হারিয়ে গেছে, মাটির আদর জড়িয়ে দাও।
পুতুল শোকে মায়ের কন্ঠে বিড়বিড় ওঠে আনমনে,
জাদুর পাখি, সবুজ পাখি, উড়ছো নাকি আসমানে?
কার আসে যায়? বিশ্বজুড়ে বাজছে ঠিকই আনন্দ!
পুতুল সোনা হাসবে যেদিন, উল্টে যাবে বসন্ত।
ঘুম ভুলেছে মায়ের দু'চোখ, ভাল্লাগে না সূর্যোদয়,
অবোধ ছানা যায় বলে যায়, এই পৃথিবী আমার নয়।
_
এই পৃথিবী আমার নয়
ছোট্ট ছানা যায় চলে যায়, এই পৃথিবীর অনেক ভয়।
রাক্ষসেরা নেয় কেড়ে সব রঙ-ফড়িংয়ের খেলনা,
অবুঝ ছানার রক্তে সাজে দোল দুলুনির দোলনা।
পুতুল জামা, পুতুল জুতো রইলো পড়ে কার্নিশে,
ছোট্টখানি পেটের ক্ষুধা, তাও মেটেনি কার দোষে!
ঘুম পেয়েছে সোনার চোখে, ফুলচাদরে মুড়িয়ে নাও,
শীতলপাটি হারিয়ে গেছে, মাটির আদর জড়িয়ে দাও।
পুতুল শোকে মায়ের কন্ঠে বিড়বিড় ওঠে আনমনে,
জাদুর পাখি, সবুজ পাখি, উড়ছো নাকি আসমানে?
কার আসে যায়? বিশ্বজুড়ে বাজছে ঠিকই আনন্দ!
পুতুল সোনা হাসবে যেদিন, উল্টে যাবে বসন্ত।
ঘুম ভুলেছে মায়ের দু'চোখ, ভাল্লাগে না সূর্যোদয়,
অবোধ ছানা যায় বলে যায়, এই পৃথিবী আমার নয়।
_
এই পৃথিবী আমার নয়
👍9😢5
হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন
না.! :আমি just জানতে চাই
:যদি পারেন উত্তর দিবেন.
:1st- শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে
মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় কেন❓
:
একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়
তার স্ত্রী_দুধ দিয়ে শিবের গোপন_অঙ্গ
ধৌত করে কেন.❓
:
এটা কি কোন সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য.❓
এমন কুরুচি পূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে
পারেন.❗
-
2nd- শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে
চিনতে পারেনি কেন.❓
চিনতে না পারার জন্য ছেলের
গর্দান_কেটে ফেলেছিলেন.!
:
তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে
চিনবেন.?
:
ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার
বৈশিষ্ট্য.❓
_
3rd- দেবদাসীর ও যোগিনীর মত
পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন.❓
:
যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে
থাকেন❓
_
4th- অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ_নারী ,,,
মুখে দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার.!
কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে.❓
উদাহরন-
দূর্গা.❗
_
5th- কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয়। তবে
সে কেন তার মামীর সাথে
অবৈধ_সম্পর্ক রাখলো...❓
:
তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে
এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তারা নিজেরাই আইনের
বর্হিভূত.❓
_
6th- কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে
পারে.❓
কারন,,,
সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম
গেছে,
অনেক বিয়ে করেছে, দৈহিক তারনায়,
রাম
নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে.!
এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম হতে পারে ❓
_
7th- যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন তবে কেন
তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন.❓
:
তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি
আছে.❓
:
_
8th- রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন
অকারনে খুন করলেন.❓
:
যেখানে রামের সাথে তাদের কোন
শত্রুতা ছিল না ❓
:
সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব.❓
_
9th- রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে
লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে.❗
তবে রাম সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো.❓
:
তাও আবার হনুমানের সাহায্যে❗
শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি
করে বেশি হওয়া সম্ভব❓
_
10th- কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কি
ভাবে নারীদের স্নানরত_দৃশ্য উপভোগ করেন.❓
:ও তাদের পোষাক_ লুকিয়ে রেখে
দেন❓
11th- গরু হিন্দুদের মা, গরুর পেট থেকে
তো গরুর_বাচ্চা হয়.!
কিন্তু
মানুষের_বাচ্চা তো হয় না.❓
:
তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়❓
12th- আপনি যাকে বানিয়েছেন সে
বড় নাকি আপনাকে
যে বানিয়েছে সে বড় ❓
উদাহরনঃ
মুর্তি
:
একটু বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন কে সত্য।
©️
না.! :আমি just জানতে চাই
:যদি পারেন উত্তর দিবেন.
:1st- শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে
মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় কেন❓
:
একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়
তার স্ত্রী_দুধ দিয়ে শিবের গোপন_অঙ্গ
ধৌত করে কেন.❓
:
এটা কি কোন সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য.❓
এমন কুরুচি পূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে
পারেন.❗
-
2nd- শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে
চিনতে পারেনি কেন.❓
চিনতে না পারার জন্য ছেলের
গর্দান_কেটে ফেলেছিলেন.!
:
তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে
চিনবেন.?
:
ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার
বৈশিষ্ট্য.❓
_
3rd- দেবদাসীর ও যোগিনীর মত
পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন.❓
:
যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে
থাকেন❓
_
4th- অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ_নারী ,,,
মুখে দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার.!
কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে.❓
উদাহরন-
দূর্গা.❗
_
5th- কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয়। তবে
সে কেন তার মামীর সাথে
অবৈধ_সম্পর্ক রাখলো...❓
:
তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে
এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তারা নিজেরাই আইনের
বর্হিভূত.❓
_
6th- কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে
পারে.❓
কারন,,,
সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম
গেছে,
অনেক বিয়ে করেছে, দৈহিক তারনায়,
রাম
নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে.!
এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম হতে পারে ❓
_
7th- যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন তবে কেন
তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন.❓
:
তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি
আছে.❓
:
_
8th- রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন
অকারনে খুন করলেন.❓
:
যেখানে রামের সাথে তাদের কোন
শত্রুতা ছিল না ❓
:
সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব.❓
_
9th- রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে
লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে.❗
তবে রাম সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো.❓
:
তাও আবার হনুমানের সাহায্যে❗
শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি
করে বেশি হওয়া সম্ভব❓
_
10th- কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কি
ভাবে নারীদের স্নানরত_দৃশ্য উপভোগ করেন.❓
:ও তাদের পোষাক_ লুকিয়ে রেখে
দেন❓
11th- গরু হিন্দুদের মা, গরুর পেট থেকে
তো গরুর_বাচ্চা হয়.!
কিন্তু
মানুষের_বাচ্চা তো হয় না.❓
:
তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়❓
12th- আপনি যাকে বানিয়েছেন সে
বড় নাকি আপনাকে
যে বানিয়েছে সে বড় ❓
উদাহরনঃ
মুর্তি
:
একটু বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন কে সত্য।
©️
👍20😁1
যাকাত আদায়ে সক্রিয় হই এবং বৃষ্টির জন্য দোয়া পড়ি~
اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا مَرِيعاً نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ
আল্লা-হুম্মাসক্বিনা গইচান মুগীচান মারী’য়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গইরা দ্বররান ‘আ-জিলান গইরা আ-জিলিন (আরবি বাংলা সঠিক উচ্চারণ সম্ভব নয়)
হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।
(আবু দাউদ ১১৬৯)
اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا مَرِيعاً نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ
আল্লা-হুম্মাসক্বিনা গইচান মুগীচান মারী’য়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গইরা দ্বররান ‘আ-জিলান গইরা আ-জিলিন (আরবি বাংলা সঠিক উচ্চারণ সম্ভব নয়)
হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।
(আবু দাউদ ১১৬৯)
❤16
৫ টি মন্দ কাজের ভয়াবহ কিছু পরিণতি!
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যখন তোমরা ৫ টি বিষয় দ্বারা পরীক্ষিত হবে (তখন শাস্তিপ্রাপ্ত হবে)। আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই, যাতে তোমরা সেগুলোর নাগাল না পাও।
(১) যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ব্যাপক হবে, তখন সেই জাতির মধ্যে প্লেগ (মহামা*রি) ছড়িয়ে পড়বে এবং এমনসব রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটবে যা তাদের পূর্বপুরুষদের মাঝে কখনও ছিলো না।
(২) যারা মাপ ও ওজনে কম দেবে, তারা দুর্ভিক্ষ, কঠিন খাদ্য-সংকট এবং শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচারের শিকার হবে।
(৩) যারা নিজেদের মাল-সম্পদের যাকাত দেওয়া বন্ধ করবে, তাদের জন্য আকাশ হতে বৃষ্টি বন্ধ করে দেওয়া হবে। যদি অন্যান্য প্রাণীকুল না থাকতো, তাহলে তাদের জন্য আদৌ বৃষ্টি হতো না।
(৪) যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবে, তাদের উপর তাদের বিজাতীয় শত্রুদলকে ক্ষমতাসীন করা হবে, যারা তাদের বহু ধন-সম্পদ গ্রাস করে নেবে।
(৫) আর যে জাতির নেতারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করবে না এবং আল্লাহর বিধানকে গ্রহণ করবে না, তাদেরকে আল্লাহ একে অপরের বিরুদ্ধে (গৃহযুদ্ধে) লাগিয়ে দেবেন।’’
[ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৪০১৯; হাদিসটি সহিহ]
#Tasbeeh
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যখন তোমরা ৫ টি বিষয় দ্বারা পরীক্ষিত হবে (তখন শাস্তিপ্রাপ্ত হবে)। আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই, যাতে তোমরা সেগুলোর নাগাল না পাও।
(১) যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ব্যাপক হবে, তখন সেই জাতির মধ্যে প্লেগ (মহামা*রি) ছড়িয়ে পড়বে এবং এমনসব রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটবে যা তাদের পূর্বপুরুষদের মাঝে কখনও ছিলো না।
(২) যারা মাপ ও ওজনে কম দেবে, তারা দুর্ভিক্ষ, কঠিন খাদ্য-সংকট এবং শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচারের শিকার হবে।
(৩) যারা নিজেদের মাল-সম্পদের যাকাত দেওয়া বন্ধ করবে, তাদের জন্য আকাশ হতে বৃষ্টি বন্ধ করে দেওয়া হবে। যদি অন্যান্য প্রাণীকুল না থাকতো, তাহলে তাদের জন্য আদৌ বৃষ্টি হতো না।
(৪) যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবে, তাদের উপর তাদের বিজাতীয় শত্রুদলকে ক্ষমতাসীন করা হবে, যারা তাদের বহু ধন-সম্পদ গ্রাস করে নেবে।
(৫) আর যে জাতির নেতারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করবে না এবং আল্লাহর বিধানকে গ্রহণ করবে না, তাদেরকে আল্লাহ একে অপরের বিরুদ্ধে (গৃহযুদ্ধে) লাগিয়ে দেবেন।’’
[ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৪০১৯; হাদিসটি সহিহ]
#Tasbeeh
😢19👍4
রাসূল (সঃ) বলেন,
“যে ব্যক্তি রমাদান মাসের সিয়াম পালন করলো, অতঃপর শাওয়াল মাসে ছয়টি সিয়াম আদায় করলো, সে যেন সারা বছর সিয়াম পালন করলো।”
[মুসলিমঃ ১১৬৪, আবূ দাঊদঃ ২৪৩৩]
“যে ব্যক্তি রমাদান মাসের সিয়াম পালন করলো, অতঃপর শাওয়াল মাসে ছয়টি সিয়াম আদায় করলো, সে যেন সারা বছর সিয়াম পালন করলো।”
[মুসলিমঃ ১১৬৪, আবূ দাঊদঃ ২৪৩৩]
❤23👍2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ডা. শফিকুর রহমান
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
❤23
প্রেম অনেক সময় হারামের গণ্ডি পেরিয়ে আরো ভয়ঙ্কর পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ ব্যাপারে ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন,
‘প্রেম কখনো এমনও হয় যে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়... ওই ব্যক্তির মত যে তার প্রেমাস্পদকে আল্লাহর প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলে, আল্লাহকে যেভাবে ভালোবাসে, তাকে সেভাবেই ভালোবাসে।’
.
অতিরঞ্জন মনে হচ্ছে? মুঝে তুঝমে রাব দিখতা হ্যায়...বান গ্যায়ে হো তুম মেরে খুদা...এ ধরনের গান কিন্তু একেবারে কম না!
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এ ধরনের প্রেমের কিছু লক্ষণ বলে দিয়েছেন। সেগুলো দেখলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হবে। তার মতে, এ ধরনের প্রেমের লক্ষণ হলো:
‘প্রেমিক তার প্রেমাস্পদের সন্তুষ্টিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর প্রাধান্য দেবে। যদি কখনো আল্লাহর হক আর প্রেমাস্পদের হকের মাঝে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তখন আল্লাহর হকের ওপর প্রেমাস্পদের হককে প্রাধান্য দেবে।’ [1]
.
একটু ভালো করে ভেবে বলো তো, প্রেমের সম্পর্কে এমন ব্যাপার ঘটে কি না? উত্তরটা কাউকে বলতে হবে না, শুধু নিজের কাছে স্বীকার করলেই হবে। তোমাদের মনে করিয়ে দেই, ইসলামের খুব বেসিক একটা কনসেপ্ট হলো- আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) -কে ভালোবাসতে হবে দুনিয়ার সবার চাইতে, সবকিছুর চাইতে বেশি। তাঁরা হবেন আমাদের জীবনের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। তাঁরা আসবেন সবার প্রথমে। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) প্রকৃত বিশ্বাসী হবার এই শর্ত আমাদের জানিয়েছেন।
.
আল্লাহ সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা বলছেন,
‘কিন্তু যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহকে অন্য যে কোনো কিছুর চাইতে বেশি ভালোবাসে’। [2]
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
‘কোনো ব্যক্তি ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ আমি তার কাছে তার পিতামাতা, সন্তানাদি ও দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় না হবো।’ [3]
.
কাজেই যেটাকে তুমি সফল প্রেম মনে করছো, সেটা আসলে চরম ব্যর্থতা। ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। একজন মানুষ স্বেচ্ছায় নিজেকে মহান আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। হৃদয়ে ঈমানের স্বাদকে নষ্ট করে ফেলছে নিজের হাতেই। একের পর এক গুনাহে জড়াচ্ছে, পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবাধ্য গভীর থেকে আরো গভীরে। কেন? একজন মানুষের জন্য। একজন নশ্বর মানুষের জন্য। যার জন্ম হয়েছিল এক ফোঁটা বীর্য থেকে আর মৃত্যুর পর যার ঠাঁই হবে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। একজন মানুষ, যে তার শরীরের ভেতরে আবর্জনা বয়ে বেড়ায়। দিন দিন যার বয়স বাড়ে, যার চোখের আলো স্তিমিত হয়ে আসে, চামড়া ঝুলে পড়ে, সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায়। একজন মানুষ, মৃত্যুর পর যার শরীর পচে যায়। মাটির সাথে মিশে যায়।
.
এর জন্য জান্নাতকে পায়ে ঠেলা? আল্লাহর অবাধ্য হওয়া? জাহান্নামের দিকে নিজেকে ছুড়ে দেওয়া?
.
আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা কি জানো? মহান আল্লাহ তোমাকে একা থাকতে বলছেন না। তিনি তোমাকে বলছেন না, সব মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, শুধু কষ্টে কষ্টে জীবনটা পার করে দিতে। তুমি পৃথিবীতে ভালোবাসতে পারবে, আনন্দিত হতে পারবে, সুখী হতে পারবে, যৌনতার স্বাদ নিতে পারবে। কোনো কিছুতেই আল্লাহ তোমাকে বাধা দিচ্ছেন না। তোমাকে শুধু কাজগুলো করতে হবে মহান আল্লাহর ঠিক করে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ব্যস! আর তাহলে তুমি আখিরাতের শাস্তি থেকে বাঁচবে, দুনিয়ার জীবনে বারাকাহ পাবে এবং সমাজ, পরিবার ও সভ্যতা সমৃদ্ধ হবে।
তারপরও মানুষ অবাধ্য হচ্ছে। অসীমকে উপেক্ষা করে সীমিতর পেছনে এ কেমন ছুটে চলা? একে উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু কি বলা যায়?
.
প্রবন্ধ: হাতের মুঠোয় মরীচিকা (শেষ)
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
.
রেফারেন্সঃ
[১] আদ-দা’ ওয়াদ-দাওয়া’, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), দারু ইবন হাযম প্রকাশনী, ২০১৯ ঈ. পৃ: ৪৮৮
[২] সূরা বাকারাহ, ২:১৬৫
[৩] বুখারি: ১৫, মুসলিম: ১৬ (ইফা.)
(লস্ট মডেস্টি থেকে)
❕আজ কতটা রামাদান শেষ হলো? দেখতে দেখতে অর্ধেক শেষ। হিসেবের খাতায় কি যোগ হলো ভেবে দেখব ইন শা আল্লাহ।
‘প্রেম কখনো এমনও হয় যে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়... ওই ব্যক্তির মত যে তার প্রেমাস্পদকে আল্লাহর প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলে, আল্লাহকে যেভাবে ভালোবাসে, তাকে সেভাবেই ভালোবাসে।’
.
অতিরঞ্জন মনে হচ্ছে? মুঝে তুঝমে রাব দিখতা হ্যায়...বান গ্যায়ে হো তুম মেরে খুদা...এ ধরনের গান কিন্তু একেবারে কম না!
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম এ ধরনের প্রেমের কিছু লক্ষণ বলে দিয়েছেন। সেগুলো দেখলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হবে। তার মতে, এ ধরনের প্রেমের লক্ষণ হলো:
‘প্রেমিক তার প্রেমাস্পদের সন্তুষ্টিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর প্রাধান্য দেবে। যদি কখনো আল্লাহর হক আর প্রেমাস্পদের হকের মাঝে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তখন আল্লাহর হকের ওপর প্রেমাস্পদের হককে প্রাধান্য দেবে।’ [1]
.
একটু ভালো করে ভেবে বলো তো, প্রেমের সম্পর্কে এমন ব্যাপার ঘটে কি না? উত্তরটা কাউকে বলতে হবে না, শুধু নিজের কাছে স্বীকার করলেই হবে। তোমাদের মনে করিয়ে দেই, ইসলামের খুব বেসিক একটা কনসেপ্ট হলো- আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) -কে ভালোবাসতে হবে দুনিয়ার সবার চাইতে, সবকিছুর চাইতে বেশি। তাঁরা হবেন আমাদের জীবনের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। তাঁরা আসবেন সবার প্রথমে। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) প্রকৃত বিশ্বাসী হবার এই শর্ত আমাদের জানিয়েছেন।
.
আল্লাহ সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা বলছেন,
‘কিন্তু যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহকে অন্য যে কোনো কিছুর চাইতে বেশি ভালোবাসে’। [2]
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
‘কোনো ব্যক্তি ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ আমি তার কাছে তার পিতামাতা, সন্তানাদি ও দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় না হবো।’ [3]
.
কাজেই যেটাকে তুমি সফল প্রেম মনে করছো, সেটা আসলে চরম ব্যর্থতা। ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। একজন মানুষ স্বেচ্ছায় নিজেকে মহান আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। হৃদয়ে ঈমানের স্বাদকে নষ্ট করে ফেলছে নিজের হাতেই। একের পর এক গুনাহে জড়াচ্ছে, পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবাধ্য গভীর থেকে আরো গভীরে। কেন? একজন মানুষের জন্য। একজন নশ্বর মানুষের জন্য। যার জন্ম হয়েছিল এক ফোঁটা বীর্য থেকে আর মৃত্যুর পর যার ঠাঁই হবে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। একজন মানুষ, যে তার শরীরের ভেতরে আবর্জনা বয়ে বেড়ায়। দিন দিন যার বয়স বাড়ে, যার চোখের আলো স্তিমিত হয়ে আসে, চামড়া ঝুলে পড়ে, সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায়। একজন মানুষ, মৃত্যুর পর যার শরীর পচে যায়। মাটির সাথে মিশে যায়।
.
এর জন্য জান্নাতকে পায়ে ঠেলা? আল্লাহর অবাধ্য হওয়া? জাহান্নামের দিকে নিজেকে ছুড়ে দেওয়া?
.
আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা কি জানো? মহান আল্লাহ তোমাকে একা থাকতে বলছেন না। তিনি তোমাকে বলছেন না, সব মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, শুধু কষ্টে কষ্টে জীবনটা পার করে দিতে। তুমি পৃথিবীতে ভালোবাসতে পারবে, আনন্দিত হতে পারবে, সুখী হতে পারবে, যৌনতার স্বাদ নিতে পারবে। কোনো কিছুতেই আল্লাহ তোমাকে বাধা দিচ্ছেন না। তোমাকে শুধু কাজগুলো করতে হবে মহান আল্লাহর ঠিক করে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, ব্যস! আর তাহলে তুমি আখিরাতের শাস্তি থেকে বাঁচবে, দুনিয়ার জীবনে বারাকাহ পাবে এবং সমাজ, পরিবার ও সভ্যতা সমৃদ্ধ হবে।
তারপরও মানুষ অবাধ্য হচ্ছে। অসীমকে উপেক্ষা করে সীমিতর পেছনে এ কেমন ছুটে চলা? একে উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু কি বলা যায়?
.
প্রবন্ধ: হাতের মুঠোয় মরীচিকা (শেষ)
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
.
রেফারেন্সঃ
[১] আদ-দা’ ওয়াদ-দাওয়া’, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), দারু ইবন হাযম প্রকাশনী, ২০১৯ ঈ. পৃ: ৪৮৮
[২] সূরা বাকারাহ, ২:১৬৫
[৩] বুখারি: ১৫, মুসলিম: ১৬ (ইফা.)
(লস্ট মডেস্টি থেকে)
❕আজ কতটা রামাদান শেষ হলো? দেখতে দেখতে অর্ধেক শেষ। হিসেবের খাতায় কি যোগ হলো ভেবে দেখব ইন শা আল্লাহ।
❤7👍2😢2
‘তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মাঝে উত্তম এক আদর্শ রয়েছে, তার জন্য যে আল্লাহ ও শেষ দিনের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’
[ সুরা আল-আহযাব, ৩৩ : ২১ ]
[ সুরা আল-আহযাব, ৩৩ : ২১ ]
❤13
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বদর আমাদের চেতনার, বদর আমাদের প্রেরণার।⚔️🇸🇦⚔️
ড. রেজাউল করিম 🤍🤎
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির🇧🇩🤍⚔️
ড. রেজাউল করিম 🤍🤎
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির🇧🇩🤍⚔️
❤21
বদরের যু*দ্ধ!
এটি শুধু একটি যু*দ্ধই নয়, বরং এটি হচ্ছে মুসলিমদের এক যুগান্তকারী ইতিহাস! যে যু*দ্ধে মহান আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং নিজেই তার কুদরত দ্বারা মুসলিমদের বিজয় এনে দিয়েছিলেন!
বদরের যু*দ্ধ ছিল মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে প্রথম সামরিক যু*দ্ধ। এ যু*দ্ধ রাসূলুল্লাহ সা: নিজে পরিচালনা করেন। এ যু*দ্ধের ফলে ইসলামে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসে। পবিত্র আল-কুরআনের সূরা আল ইমরান ও সূরা আনফালেও বদর যু*দ্ধের বর্ণনা এসেছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘স্মরণ করো! যখন আল্লাহ তোমাকে স্বপ্নে দেখিয়েছিলেন, তারা সংখ্যায় অল্প। যদি তিনি তাদের সংখ্যায় বেশি দেখাতেন তবে তোমরা সাহস হারাতে এবং যু*দ্ধের ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি করতে। কিন্তু আল্লাহ রক্ষা করেছেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের খবর জানেন।’
(সূরা আনফাল : ৪৩)
❤34🥰3