যাকাতের মাসারিফ বা খাত ৮টি। যথাঃ
১. অভাবগ্রস্থ বা ফকির
২. মিসকিন বা সম্বলহীন
৩. যাকাতের জন্য নিয়োজিত কর্মচারীবৃন্দ
৪. নওমুসলিমদের মন জয় করার উদ্দেশ্যে
৫. মুক্তিকামী দাস
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
৭. আল্লাহর রাস্তায়
৮. মুসাফির বা অসহায় পথিক
আর যাকাত দিলে অবশ্যই একজন মুমিনকেই দিবেন। এই ৮ শ্রেণীর মুসলিমকে যাকাত দেওয়ার কথাই আল্লাহ উল্লেখ করেছেন সূরা তাওবাহয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন, “যাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্থ বা তৎসংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের জন্য, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয় তাদের জন্য, দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্থদের, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরদের জন্য, ইহাই আল্লাহর বিধান।”
[সূরা তাওবাহ, আয়াত - ৬০]
১. অভাবগ্রস্থ বা ফকির
২. মিসকিন বা সম্বলহীন
৩. যাকাতের জন্য নিয়োজিত কর্মচারীবৃন্দ
৪. নওমুসলিমদের মন জয় করার উদ্দেশ্যে
৫. মুক্তিকামী দাস
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
৭. আল্লাহর রাস্তায়
৮. মুসাফির বা অসহায় পথিক
আর যাকাত দিলে অবশ্যই একজন মুমিনকেই দিবেন। এই ৮ শ্রেণীর মুসলিমকে যাকাত দেওয়ার কথাই আল্লাহ উল্লেখ করেছেন সূরা তাওবাহয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন, “যাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্থ বা তৎসংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের জন্য, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয় তাদের জন্য, দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্থদের, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরদের জন্য, ইহাই আল্লাহর বিধান।”
[সূরা তাওবাহ, আয়াত - ৬০]
❤17👍2
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ স্বতন্ত্র থেকে যে ষড়যন্ত্র
সম্পূর্ন আলাদা কিছু বৈশিষ্ট নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। মুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান আরম্ভ হয়। মসজিদ কেন্দ্রীক ডিজাইন করা হয় পুরো ক্যাম্পাসের স্থাপনা। যেখানে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয় কেন্দ্রিয় মসজিদটিকে। ইবি নিয়ে কিছু ষড়যন্ত্র শেষে তুলে ধরছি।
ইবিতে শুরুর দিকে শুধু মুসলিম ছেলেরাই ভর্তি হতে পারতো। যেটা তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। প্রগতিশীলতার ধ্বজ্বাধরী কিছু বিপ্লবী অতি আবেগে আন্দোলন শুরু করেন ছেলেদের পাশাপাশি মেয়ে ভর্তি করানোর জন্য। পরে তা বাস্তবায়ন হয়। তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন ঢাকার প্রাণ কেন্দ্রে ঢাকা কলেজ কেন এখনো স্বতন্ত্র? সেখানে আপনারা কেন ছাত্রী ভর্তি করান না?
এরপর আরও একধাপ এগিয়ে অতি উৎসাহী কিছু বুদ্ধিজীবি যুদ্ধ শুরু করেন অমুসলিমদের ভর্তি নিয়ে। সেটাও পাশ হয়। দেশে এত এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়কে তার লক্ষ্য থেকে টেনে হিচড়ে সরিয়ে দেয়া হলো। যা একটি মাস্টার মাইন্ড থট। কোথা থেকে এবং কারা এসব করে, হাল জামানায় এসব কারোই অজানা নয়।
এবার আসি মসজিদের বিষয়ে। ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদটা পুরো ক্যাম্পাসের মাঝ বরাবর। প্রতিটি অনুষদ এবং হল থেকে এর সংযোগ হবার কথা ছিল, যা মসজিদ ভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট। মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করেই যেন মসজিদ দেখা যায়, তাই সেই বরাবর গেট বানানো হয়। গেট হয়েছে মসজিদও হয়েছে, কিন্তু মাঝের ডায়না চত্বরে দাড়িয়ে গেছে আকাশচুম্বি কিছু গাছ। যেন কেন্দ্রিয় মসজিদ নজরে না আসে। অনেকে আমার লেখা পড়ে হাসতে পারেন, কিন্তু এটাই বাস্তব। এমন একটি প্রাচীর এখানে তুলে দেয়া হয়েছে, যা কেউ চিন্তাও করেনি। কেন করা হলো? যুগ যুগ পার হয়ে গেলেও এখনো সম্পূর্ণ মসজিদের ডিজাইন বাস্তবে রূপ লাভ করতে পারেনি। বহু স্থাপনা হলেও মসজিদের কাজে গতি স্থবির।
চলমান যে মুক্তমঞ্চ তৈরীর কাজ হাতে নিয়েছেন প্রশাসন, তা আরেকটু বিবেচনা করুন। ৫০ গজ দূরে বংলা মঞ্চ রয়েছে। সেখানে ঠিক মসজিদের সামনে আরেকটি মঞ্চ গড়ে সেই একই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এটা অপ্রয়োজনীয়। একান্তই যদি করতে হয়, তবে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধের মত এক পাশে করা যেতে পারে। এতে একাডেমিক কাজে ব্যাঘাৎ ঘটবে না। আর মসজিদকে আড়াল করার দুরভিসন্ধিও বাস্তবায়ন হবে না। আমার বিশ্বাস, প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিদের অগচরে একটি মহল এই কাজ করিয়ে নিচ্ছে। ভিসি স্যার চাইলে এর কারণ উদঘাটন করে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন বন্ধ করতে পারেন। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক শিক্ষার্থী ইবিকে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হতে দৃঢ় প্রচেষ্টা চালাবেন।
সম্পূর্ন আলাদা কিছু বৈশিষ্ট নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। মুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান আরম্ভ হয়। মসজিদ কেন্দ্রীক ডিজাইন করা হয় পুরো ক্যাম্পাসের স্থাপনা। যেখানে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয় কেন্দ্রিয় মসজিদটিকে। ইবি নিয়ে কিছু ষড়যন্ত্র শেষে তুলে ধরছি।
ইবিতে শুরুর দিকে শুধু মুসলিম ছেলেরাই ভর্তি হতে পারতো। যেটা তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। প্রগতিশীলতার ধ্বজ্বাধরী কিছু বিপ্লবী অতি আবেগে আন্দোলন শুরু করেন ছেলেদের পাশাপাশি মেয়ে ভর্তি করানোর জন্য। পরে তা বাস্তবায়ন হয়। তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন ঢাকার প্রাণ কেন্দ্রে ঢাকা কলেজ কেন এখনো স্বতন্ত্র? সেখানে আপনারা কেন ছাত্রী ভর্তি করান না?
এরপর আরও একধাপ এগিয়ে অতি উৎসাহী কিছু বুদ্ধিজীবি যুদ্ধ শুরু করেন অমুসলিমদের ভর্তি নিয়ে। সেটাও পাশ হয়। দেশে এত এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়কে তার লক্ষ্য থেকে টেনে হিচড়ে সরিয়ে দেয়া হলো। যা একটি মাস্টার মাইন্ড থট। কোথা থেকে এবং কারা এসব করে, হাল জামানায় এসব কারোই অজানা নয়।
এবার আসি মসজিদের বিষয়ে। ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদটা পুরো ক্যাম্পাসের মাঝ বরাবর। প্রতিটি অনুষদ এবং হল থেকে এর সংযোগ হবার কথা ছিল, যা মসজিদ ভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট। মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করেই যেন মসজিদ দেখা যায়, তাই সেই বরাবর গেট বানানো হয়। গেট হয়েছে মসজিদও হয়েছে, কিন্তু মাঝের ডায়না চত্বরে দাড়িয়ে গেছে আকাশচুম্বি কিছু গাছ। যেন কেন্দ্রিয় মসজিদ নজরে না আসে। অনেকে আমার লেখা পড়ে হাসতে পারেন, কিন্তু এটাই বাস্তব। এমন একটি প্রাচীর এখানে তুলে দেয়া হয়েছে, যা কেউ চিন্তাও করেনি। কেন করা হলো? যুগ যুগ পার হয়ে গেলেও এখনো সম্পূর্ণ মসজিদের ডিজাইন বাস্তবে রূপ লাভ করতে পারেনি। বহু স্থাপনা হলেও মসজিদের কাজে গতি স্থবির।
চলমান যে মুক্তমঞ্চ তৈরীর কাজ হাতে নিয়েছেন প্রশাসন, তা আরেকটু বিবেচনা করুন। ৫০ গজ দূরে বংলা মঞ্চ রয়েছে। সেখানে ঠিক মসজিদের সামনে আরেকটি মঞ্চ গড়ে সেই একই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এটা অপ্রয়োজনীয়। একান্তই যদি করতে হয়, তবে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধের মত এক পাশে করা যেতে পারে। এতে একাডেমিক কাজে ব্যাঘাৎ ঘটবে না। আর মসজিদকে আড়াল করার দুরভিসন্ধিও বাস্তবায়ন হবে না। আমার বিশ্বাস, প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিদের অগচরে একটি মহল এই কাজ করিয়ে নিচ্ছে। ভিসি স্যার চাইলে এর কারণ উদঘাটন করে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন বন্ধ করতে পারেন। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক শিক্ষার্থী ইবিকে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হতে দৃঢ় প্রচেষ্টা চালাবেন।
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়,
কিন্তু আঁধার তাড়াতে আঁধার নয়।
আঁধার তাড়াতে জ্বালতে হবে আলো।
কিন্তু আঁধার তাড়াতে আঁধার নয়।
আঁধার তাড়াতে জ্বালতে হবে আলো।
🥰23👍4❤3
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
আশা করি সকলেই ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ।
যেকোনো তথ্য + পরামর্শ পাঠাতে আমাদের এই গ্রুপে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
https://t.me/+VNLt8TLsonQxOWU1
"এডমিন"
আশা করি সকলেই ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ।
যেকোনো তথ্য + পরামর্শ পাঠাতে আমাদের এই গ্রুপে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
https://t.me/+VNLt8TLsonQxOWU1
"এডমিন"
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
মদীনার একগুচ্ছ ছবি। গ্যালারিজুড়ে থাকা মদীনার ছবির একাংশ বলা যায়। সবার জন্যই উন্মুক্ত।
❤24❤🔥1
❤15
ক্ষমা প্রার্থনার ছোট্ট কিন্ত গভীর আবেদনের একটি দুয়া হচ্ছে-
يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَاتِ اِغْفِرلِىْ
উচ্চারণ: 'ইয়া ওয়াসিআল মাগফিরাতি ইগফিরলি।
অর্থ : হে মহান ক্ষমাকারী! আমাকে ক্ষমা করুন।
يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَاتِ اِغْفِرلِىْ
উচ্চারণ: 'ইয়া ওয়াসিআল মাগফিরাতি ইগফিরলি।
অর্থ : হে মহান ক্ষমাকারী! আমাকে ক্ষমা করুন।
❤16😁1
১. আগে আগে গোসল, সর্বোত্তম জামা পোশাকে নামাজে যাওয়া, হেটে যাওয়া
২. বেশি বেশি দুআ, দুরুদ। বিশেষ করে আসর থেকে মাগরিব ইন শা আল্লাহ।
৩. আর বাসার কাজ গুছিয়ে রাখুন যাতে ইফতারের আগে সময় পান দুআর। -
ভাইরা এ বিষয়ে বোনদের কাজ সহজ করে দিন। বাসায় আমলের নিয়তে বোনদের বিষয়গুলো সহজ করে দিলে ইন শা আল্লাহ রামাদানের পরিবেশ সৃষ্টি হবে; আল্লাহ বারাকাহ দিবেন ইন শা আল্লাহ। অনেক ত ইসলামিক পোস্ট করা হয়, এবার না হয় বাস্তবে আমল হোক... ইন শা আল্লাহ।
২. বেশি বেশি দুআ, দুরুদ। বিশেষ করে আসর থেকে মাগরিব ইন শা আল্লাহ।
৩. আর বাসার কাজ গুছিয়ে রাখুন যাতে ইফতারের আগে সময় পান দুআর। -
ভাইরা এ বিষয়ে বোনদের কাজ সহজ করে দিন। বাসায় আমলের নিয়তে বোনদের বিষয়গুলো সহজ করে দিলে ইন শা আল্লাহ রামাদানের পরিবেশ সৃষ্টি হবে; আল্লাহ বারাকাহ দিবেন ইন শা আল্লাহ। অনেক ত ইসলামিক পোস্ট করা হয়, এবার না হয় বাস্তবে আমল হোক... ইন শা আল্লাহ।
❤16👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এই ১০/১২ বছরের জীবনে কী এমন দুঃখ ছিল যে, এই বাচ্চা ছেলেটা আ ত্ম হ ত্যা করলো?😢
ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্র—মুহাম্মাদ মুয়াজ।💔
২১-০৩-২০২৪
ভিডিওটি মাদরাসার সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে ধারণকৃত....!!
ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্র—মুহাম্মাদ মুয়াজ।💔
২১-০৩-২০২৪
ভিডিওটি মাদরাসার সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে ধারণকৃত....!!
😢29