This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায় তবে মনে পড়ে।
❤23
আমরা কি ধীরে ধীরে সালাম দিতে ভুলে যাচ্ছি?
মুসলমানদের প্রতি তাদের প্রধান নেতা, প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশনা হচ্ছে আগে সালাম। এরপর কথা। বাক্যের শুরু হবে, সম্বোধনের আবির্ভাব ঘটবে সালামের মাধ্যমে। আসসালামু কবলাল কালাম। আগে সালাম। পরে কালাম।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে এই পথ থেকে ক্রমশই দূরে সরে যাচ্ছে মুসলমানগণ। তারা এখন আর সালাম দিয়ে কথা শুরু করে না। এটা প্রধানত দুই কারণে হয়।
প্রথম কারণ: হীনমন্যতা।
দ্বিতীয় কারণ: অহংকার।
এই অহংকার দূর করার জন্যই আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে নির্দেশ দিয়েছেন বেশি বেশি সালাম প্রদানের। এবং তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আগে সালাম করে সে অহংকার মুক্ত।
সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি আদব আছে, তারমধ্যে অন্যতম একটি আদব হলো আগে সালাম দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা।
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে আগে আগে সালাম দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করতে উদ্ধুদ্ধ করেছেন। অন্য একজন এসে আমাকে সালাম দেবে, আর আমি আমি ভীষণ ভাব নিয়ে ইশারায় সেটার জবাব দেবো- আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হিসেবে আমাদের তো এই মনোভাব পরিত্যাগ করা উচিৎ। কেউ আমাকে এসে সালাম দেবে, এই আশা করা তো একটা জাহিলিয়াত। বরং প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ হচ্ছে সবাইকে মিষ্টি হেসে নিজ থেকেই আগে আগে সালাম প্রদান করা। রাসুল সা. বলেছেন, যিনি প্রথমে সালাম দেন তিনি আল্লাহর কাছে উত্তম ব্যক্তি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো আমরা অনেকেই সালাম পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করি অথবা অহংকার করে নিজেকে সালাম পাওয়ার অধিকারী বলে মনে করে বসে থাকি।
আমরা কেন যেনো এখন ভাবতেই পারিনা যে- অফিসের বস তার কোনো অধঃস্থন কর্মচারীকে, ছাত্র তার শিক্ষককে, নেতা তার কর্মীকে, ধনী ব্যক্তি গরীবকে সালাম দেবে!
সালামের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদরাসার আলিমদের চেয়েও বড়ো এক বিপ্লব এনেছে তাবলীগ জামায়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট ভাইয়েরা এবং ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু বর্তমানে কেন যেনো এই দুই অঙ্গনেও কিছুটা হলেও এটার ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে! তবে হ্যাঁ, অন্যান্যদের তুলনায় এখনো তাদের মধ্যে এই চর্চাটা ভালো এবং বেশি আছে।
এর পাশাপাশি এখন কেউ একজন সালাম দিলে সেই সালামের উত্তর না দেওয়াটাও একটা ভাব, স্মার্টনেস, কুলনেস, এটিটুউড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অথচ এটাও ক্ষেত্র বিশেষ অহংকারের পর্যায়ে পড়ে (যদিও উত্তর না দেওয়াটা সব সময় অহংকারের কারণে হয় না। কিছু বাস্তবতা ও ব্যস্ততা থাকে)।
যাই হোক, সালামের ক্ষেত্রে এ ধরনের অহংবোধ একজন মুসলমানের কখনোই কাম্য হতে পারে না। আর আল্লাহ রব্বুল আলামিন কুরআনুল কারিমে সূরা লোকমানের ১৮ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন, তিনি কোনো দাম্ভিক তথা অহংকারী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না।
সালামের বিষয়টা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ একটা আমল যে, একবার আল্লাহর রাসুলকে জিগ্যেস করা হয়েছে ইসলামের উত্তম কাজ কোনটি? জবাবে তিনি বলেছেন, ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো, পরিচিত-অপরিচিত সকলকেই সালাম প্রদান করা।
আপনি একটুখানি উক্ত হাদিসের দিকে খেয়াল করুন, আল্লাহর রাসুল সা. কী বলেছেন? তিনি বলেছেন পরিচিত হোক বা অপরিচিত; সকলকেই সালাম প্রদান করতে। কিন্তু এখনও যারা টুকটাক সালামের বিষয়ে অভ্যস্ত, তারাও এখন আর অপরিচিত ব্যক্তিদের সালাম দেয় না। অথচ রাসুলের নির্দেশ অনুযায়ী সালামের আদব হলো স্বদেশী বিদেশি, সাদা-কালো, ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলকেই সালাম করা।
এই যে আল্লাহর রাসুলের এই নির্দেশটা, তাবলীগ জামায়াতের ভাইয়েরা এটা করার কারণে দেখেছি অনেক মানুষ তাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করতে। এমনকী শিবিরকে নিয়েও কথিত আধুনিক ছেলেপেলেকে দেখেছি এই বলে ঠাট্টা করতে যে, এরা রিক্সাওয়ালা, দারোয়ান, বাচ্চাকাচ্চা সবাইকেই দৌড়ে গিয়ে সালাম করে!
মানে কথিত ওই স্মার্ট ব্যক্তিদের কাছে স্কুল কিংবা বাড়ির দারোয়ান, রিক্সাওয়ালা দিনমজুর, ওনারা হচ্ছে সালাম পাওয়ার অযোগ্য। ওনাদের সালাম দিলে জাতে উঠা যায় না, কিংবা জাত থাকে না!
যাই হোক ইসলামি ব্যক্তিত্ব আর ভ্রাতৃত্বের দাবি হচ্ছে বেশি বেশি সালাম করা। সালামের সংস্কৃতিকে আরো বেশি জনপ্রিয় করে তোলা। আমাদের প্রাণপ্রিয় সম্মানিত নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটি গাছের আড়াল হয়ে পুনরায় দেখা হলেও উক্ত ব্যক্তিকে আবারও সালাম দিতে। চলুন, আমরা সালামের সেই সংস্কৃতিকে চালু ও শক্তিশালী করি।
السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وبركاته
(আসসালামু আলাইকুম ওরহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু )
~আবির
#OurCulture
#OurMovement
#OurMission
#OurVision
মুসলমানদের প্রতি তাদের প্রধান নেতা, প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশনা হচ্ছে আগে সালাম। এরপর কথা। বাক্যের শুরু হবে, সম্বোধনের আবির্ভাব ঘটবে সালামের মাধ্যমে। আসসালামু কবলাল কালাম। আগে সালাম। পরে কালাম।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে এই পথ থেকে ক্রমশই দূরে সরে যাচ্ছে মুসলমানগণ। তারা এখন আর সালাম দিয়ে কথা শুরু করে না। এটা প্রধানত দুই কারণে হয়।
প্রথম কারণ: হীনমন্যতা।
দ্বিতীয় কারণ: অহংকার।
এই অহংকার দূর করার জন্যই আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে নির্দেশ দিয়েছেন বেশি বেশি সালাম প্রদানের। এবং তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আগে সালাম করে সে অহংকার মুক্ত।
সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি আদব আছে, তারমধ্যে অন্যতম একটি আদব হলো আগে সালাম দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা।
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে আগে আগে সালাম দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করতে উদ্ধুদ্ধ করেছেন। অন্য একজন এসে আমাকে সালাম দেবে, আর আমি আমি ভীষণ ভাব নিয়ে ইশারায় সেটার জবাব দেবো- আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হিসেবে আমাদের তো এই মনোভাব পরিত্যাগ করা উচিৎ। কেউ আমাকে এসে সালাম দেবে, এই আশা করা তো একটা জাহিলিয়াত। বরং প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ হচ্ছে সবাইকে মিষ্টি হেসে নিজ থেকেই আগে আগে সালাম প্রদান করা। রাসুল সা. বলেছেন, যিনি প্রথমে সালাম দেন তিনি আল্লাহর কাছে উত্তম ব্যক্তি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো আমরা অনেকেই সালাম পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করি অথবা অহংকার করে নিজেকে সালাম পাওয়ার অধিকারী বলে মনে করে বসে থাকি।
আমরা কেন যেনো এখন ভাবতেই পারিনা যে- অফিসের বস তার কোনো অধঃস্থন কর্মচারীকে, ছাত্র তার শিক্ষককে, নেতা তার কর্মীকে, ধনী ব্যক্তি গরীবকে সালাম দেবে!
সালামের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদরাসার আলিমদের চেয়েও বড়ো এক বিপ্লব এনেছে তাবলীগ জামায়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট ভাইয়েরা এবং ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু বর্তমানে কেন যেনো এই দুই অঙ্গনেও কিছুটা হলেও এটার ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে! তবে হ্যাঁ, অন্যান্যদের তুলনায় এখনো তাদের মধ্যে এই চর্চাটা ভালো এবং বেশি আছে।
এর পাশাপাশি এখন কেউ একজন সালাম দিলে সেই সালামের উত্তর না দেওয়াটাও একটা ভাব, স্মার্টনেস, কুলনেস, এটিটুউড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অথচ এটাও ক্ষেত্র বিশেষ অহংকারের পর্যায়ে পড়ে (যদিও উত্তর না দেওয়াটা সব সময় অহংকারের কারণে হয় না। কিছু বাস্তবতা ও ব্যস্ততা থাকে)।
যাই হোক, সালামের ক্ষেত্রে এ ধরনের অহংবোধ একজন মুসলমানের কখনোই কাম্য হতে পারে না। আর আল্লাহ রব্বুল আলামিন কুরআনুল কারিমে সূরা লোকমানের ১৮ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন, তিনি কোনো দাম্ভিক তথা অহংকারী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না।
সালামের বিষয়টা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ একটা আমল যে, একবার আল্লাহর রাসুলকে জিগ্যেস করা হয়েছে ইসলামের উত্তম কাজ কোনটি? জবাবে তিনি বলেছেন, ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো, পরিচিত-অপরিচিত সকলকেই সালাম প্রদান করা।
আপনি একটুখানি উক্ত হাদিসের দিকে খেয়াল করুন, আল্লাহর রাসুল সা. কী বলেছেন? তিনি বলেছেন পরিচিত হোক বা অপরিচিত; সকলকেই সালাম প্রদান করতে। কিন্তু এখনও যারা টুকটাক সালামের বিষয়ে অভ্যস্ত, তারাও এখন আর অপরিচিত ব্যক্তিদের সালাম দেয় না। অথচ রাসুলের নির্দেশ অনুযায়ী সালামের আদব হলো স্বদেশী বিদেশি, সাদা-কালো, ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলকেই সালাম করা।
এই যে আল্লাহর রাসুলের এই নির্দেশটা, তাবলীগ জামায়াতের ভাইয়েরা এটা করার কারণে দেখেছি অনেক মানুষ তাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করতে। এমনকী শিবিরকে নিয়েও কথিত আধুনিক ছেলেপেলেকে দেখেছি এই বলে ঠাট্টা করতে যে, এরা রিক্সাওয়ালা, দারোয়ান, বাচ্চাকাচ্চা সবাইকেই দৌড়ে গিয়ে সালাম করে!
মানে কথিত ওই স্মার্ট ব্যক্তিদের কাছে স্কুল কিংবা বাড়ির দারোয়ান, রিক্সাওয়ালা দিনমজুর, ওনারা হচ্ছে সালাম পাওয়ার অযোগ্য। ওনাদের সালাম দিলে জাতে উঠা যায় না, কিংবা জাত থাকে না!
যাই হোক ইসলামি ব্যক্তিত্ব আর ভ্রাতৃত্বের দাবি হচ্ছে বেশি বেশি সালাম করা। সালামের সংস্কৃতিকে আরো বেশি জনপ্রিয় করে তোলা। আমাদের প্রাণপ্রিয় সম্মানিত নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটি গাছের আড়াল হয়ে পুনরায় দেখা হলেও উক্ত ব্যক্তিকে আবারও সালাম দিতে। চলুন, আমরা সালামের সেই সংস্কৃতিকে চালু ও শক্তিশালী করি।
السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وبركاته
(আসসালামু আলাইকুম ওরহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু )
~আবির
#OurCulture
#OurMovement
#OurMission
#OurVision
❤14👍1
যাকাতের মাসারিফ বা খাত ৮টি। যথাঃ
১. অভাবগ্রস্থ বা ফকির
২. মিসকিন বা সম্বলহীন
৩. যাকাতের জন্য নিয়োজিত কর্মচারীবৃন্দ
৪. নওমুসলিমদের মন জয় করার উদ্দেশ্যে
৫. মুক্তিকামী দাস
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
৭. আল্লাহর রাস্তায়
৮. মুসাফির বা অসহায় পথিক
আর যাকাত দিলে অবশ্যই একজন মুমিনকেই দিবেন। এই ৮ শ্রেণীর মুসলিমকে যাকাত দেওয়ার কথাই আল্লাহ উল্লেখ করেছেন সূরা তাওবাহয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন, “যাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্থ বা তৎসংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের জন্য, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয় তাদের জন্য, দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্থদের, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরদের জন্য, ইহাই আল্লাহর বিধান।”
[সূরা তাওবাহ, আয়াত - ৬০]
১. অভাবগ্রস্থ বা ফকির
২. মিসকিন বা সম্বলহীন
৩. যাকাতের জন্য নিয়োজিত কর্মচারীবৃন্দ
৪. নওমুসলিমদের মন জয় করার উদ্দেশ্যে
৫. মুক্তিকামী দাস
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
৭. আল্লাহর রাস্তায়
৮. মুসাফির বা অসহায় পথিক
আর যাকাত দিলে অবশ্যই একজন মুমিনকেই দিবেন। এই ৮ শ্রেণীর মুসলিমকে যাকাত দেওয়ার কথাই আল্লাহ উল্লেখ করেছেন সূরা তাওবাহয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন, “যাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্থ বা তৎসংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের জন্য, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয় তাদের জন্য, দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্থদের, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরদের জন্য, ইহাই আল্লাহর বিধান।”
[সূরা তাওবাহ, আয়াত - ৬০]
❤17👍2
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ স্বতন্ত্র থেকে যে ষড়যন্ত্র
সম্পূর্ন আলাদা কিছু বৈশিষ্ট নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। মুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান আরম্ভ হয়। মসজিদ কেন্দ্রীক ডিজাইন করা হয় পুরো ক্যাম্পাসের স্থাপনা। যেখানে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয় কেন্দ্রিয় মসজিদটিকে। ইবি নিয়ে কিছু ষড়যন্ত্র শেষে তুলে ধরছি।
ইবিতে শুরুর দিকে শুধু মুসলিম ছেলেরাই ভর্তি হতে পারতো। যেটা তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। প্রগতিশীলতার ধ্বজ্বাধরী কিছু বিপ্লবী অতি আবেগে আন্দোলন শুরু করেন ছেলেদের পাশাপাশি মেয়ে ভর্তি করানোর জন্য। পরে তা বাস্তবায়ন হয়। তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন ঢাকার প্রাণ কেন্দ্রে ঢাকা কলেজ কেন এখনো স্বতন্ত্র? সেখানে আপনারা কেন ছাত্রী ভর্তি করান না?
এরপর আরও একধাপ এগিয়ে অতি উৎসাহী কিছু বুদ্ধিজীবি যুদ্ধ শুরু করেন অমুসলিমদের ভর্তি নিয়ে। সেটাও পাশ হয়। দেশে এত এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়কে তার লক্ষ্য থেকে টেনে হিচড়ে সরিয়ে দেয়া হলো। যা একটি মাস্টার মাইন্ড থট। কোথা থেকে এবং কারা এসব করে, হাল জামানায় এসব কারোই অজানা নয়।
এবার আসি মসজিদের বিষয়ে। ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদটা পুরো ক্যাম্পাসের মাঝ বরাবর। প্রতিটি অনুষদ এবং হল থেকে এর সংযোগ হবার কথা ছিল, যা মসজিদ ভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট। মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করেই যেন মসজিদ দেখা যায়, তাই সেই বরাবর গেট বানানো হয়। গেট হয়েছে মসজিদও হয়েছে, কিন্তু মাঝের ডায়না চত্বরে দাড়িয়ে গেছে আকাশচুম্বি কিছু গাছ। যেন কেন্দ্রিয় মসজিদ নজরে না আসে। অনেকে আমার লেখা পড়ে হাসতে পারেন, কিন্তু এটাই বাস্তব। এমন একটি প্রাচীর এখানে তুলে দেয়া হয়েছে, যা কেউ চিন্তাও করেনি। কেন করা হলো? যুগ যুগ পার হয়ে গেলেও এখনো সম্পূর্ণ মসজিদের ডিজাইন বাস্তবে রূপ লাভ করতে পারেনি। বহু স্থাপনা হলেও মসজিদের কাজে গতি স্থবির।
চলমান যে মুক্তমঞ্চ তৈরীর কাজ হাতে নিয়েছেন প্রশাসন, তা আরেকটু বিবেচনা করুন। ৫০ গজ দূরে বংলা মঞ্চ রয়েছে। সেখানে ঠিক মসজিদের সামনে আরেকটি মঞ্চ গড়ে সেই একই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এটা অপ্রয়োজনীয়। একান্তই যদি করতে হয়, তবে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধের মত এক পাশে করা যেতে পারে। এতে একাডেমিক কাজে ব্যাঘাৎ ঘটবে না। আর মসজিদকে আড়াল করার দুরভিসন্ধিও বাস্তবায়ন হবে না। আমার বিশ্বাস, প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিদের অগচরে একটি মহল এই কাজ করিয়ে নিচ্ছে। ভিসি স্যার চাইলে এর কারণ উদঘাটন করে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন বন্ধ করতে পারেন। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক শিক্ষার্থী ইবিকে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হতে দৃঢ় প্রচেষ্টা চালাবেন।
সম্পূর্ন আলাদা কিছু বৈশিষ্ট নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। মুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান আরম্ভ হয়। মসজিদ কেন্দ্রীক ডিজাইন করা হয় পুরো ক্যাম্পাসের স্থাপনা। যেখানে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয় কেন্দ্রিয় মসজিদটিকে। ইবি নিয়ে কিছু ষড়যন্ত্র শেষে তুলে ধরছি।
ইবিতে শুরুর দিকে শুধু মুসলিম ছেলেরাই ভর্তি হতে পারতো। যেটা তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। প্রগতিশীলতার ধ্বজ্বাধরী কিছু বিপ্লবী অতি আবেগে আন্দোলন শুরু করেন ছেলেদের পাশাপাশি মেয়ে ভর্তি করানোর জন্য। পরে তা বাস্তবায়ন হয়। তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন ঢাকার প্রাণ কেন্দ্রে ঢাকা কলেজ কেন এখনো স্বতন্ত্র? সেখানে আপনারা কেন ছাত্রী ভর্তি করান না?
এরপর আরও একধাপ এগিয়ে অতি উৎসাহী কিছু বুদ্ধিজীবি যুদ্ধ শুরু করেন অমুসলিমদের ভর্তি নিয়ে। সেটাও পাশ হয়। দেশে এত এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়কে তার লক্ষ্য থেকে টেনে হিচড়ে সরিয়ে দেয়া হলো। যা একটি মাস্টার মাইন্ড থট। কোথা থেকে এবং কারা এসব করে, হাল জামানায় এসব কারোই অজানা নয়।
এবার আসি মসজিদের বিষয়ে। ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদটা পুরো ক্যাম্পাসের মাঝ বরাবর। প্রতিটি অনুষদ এবং হল থেকে এর সংযোগ হবার কথা ছিল, যা মসজিদ ভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট। মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করেই যেন মসজিদ দেখা যায়, তাই সেই বরাবর গেট বানানো হয়। গেট হয়েছে মসজিদও হয়েছে, কিন্তু মাঝের ডায়না চত্বরে দাড়িয়ে গেছে আকাশচুম্বি কিছু গাছ। যেন কেন্দ্রিয় মসজিদ নজরে না আসে। অনেকে আমার লেখা পড়ে হাসতে পারেন, কিন্তু এটাই বাস্তব। এমন একটি প্রাচীর এখানে তুলে দেয়া হয়েছে, যা কেউ চিন্তাও করেনি। কেন করা হলো? যুগ যুগ পার হয়ে গেলেও এখনো সম্পূর্ণ মসজিদের ডিজাইন বাস্তবে রূপ লাভ করতে পারেনি। বহু স্থাপনা হলেও মসজিদের কাজে গতি স্থবির।
চলমান যে মুক্তমঞ্চ তৈরীর কাজ হাতে নিয়েছেন প্রশাসন, তা আরেকটু বিবেচনা করুন। ৫০ গজ দূরে বংলা মঞ্চ রয়েছে। সেখানে ঠিক মসজিদের সামনে আরেকটি মঞ্চ গড়ে সেই একই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এটা অপ্রয়োজনীয়। একান্তই যদি করতে হয়, তবে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধের মত এক পাশে করা যেতে পারে। এতে একাডেমিক কাজে ব্যাঘাৎ ঘটবে না। আর মসজিদকে আড়াল করার দুরভিসন্ধিও বাস্তবায়ন হবে না। আমার বিশ্বাস, প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিদের অগচরে একটি মহল এই কাজ করিয়ে নিচ্ছে। ভিসি স্যার চাইলে এর কারণ উদঘাটন করে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন বন্ধ করতে পারেন। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক শিক্ষার্থী ইবিকে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হতে দৃঢ় প্রচেষ্টা চালাবেন।
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়,
কিন্তু আঁধার তাড়াতে আঁধার নয়।
আঁধার তাড়াতে জ্বালতে হবে আলো।
কিন্তু আঁধার তাড়াতে আঁধার নয়।
আঁধার তাড়াতে জ্বালতে হবে আলো।
🥰23👍4❤3
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
আশা করি সকলেই ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ।
যেকোনো তথ্য + পরামর্শ পাঠাতে আমাদের এই গ্রুপে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
https://t.me/+VNLt8TLsonQxOWU1
"এডমিন"
আশা করি সকলেই ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ।
যেকোনো তথ্য + পরামর্শ পাঠাতে আমাদের এই গ্রুপে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
https://t.me/+VNLt8TLsonQxOWU1
"এডমিন"
Telegram
সাপ্তাহিক কুইজ প্রতিযোগিতা (ইসলামিক)
সৎকর্মের প্রচেষ্টায় ( এটা পুরুষ চালিত গ্রুপ)
@admin
@admin
মদীনার একগুচ্ছ ছবি। গ্যালারিজুড়ে থাকা মদীনার ছবির একাংশ বলা যায়। সবার জন্যই উন্মুক্ত।
❤24❤🔥1
❤15
ক্ষমা প্রার্থনার ছোট্ট কিন্ত গভীর আবেদনের একটি দুয়া হচ্ছে-
يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَاتِ اِغْفِرلِىْ
উচ্চারণ: 'ইয়া ওয়াসিআল মাগফিরাতি ইগফিরলি।
অর্থ : হে মহান ক্ষমাকারী! আমাকে ক্ষমা করুন।
يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَاتِ اِغْفِرلِىْ
উচ্চারণ: 'ইয়া ওয়াসিআল মাগফিরাতি ইগফিরলি।
অর্থ : হে মহান ক্ষমাকারী! আমাকে ক্ষমা করুন।
❤16😁1