আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
একটা তরমুজের দাম ৮০০ টাকা!!

বছরের ১১ মাস যদি তরমুজ না খেয়ে থাকতে পারি তাহলে এই মাসেও তরমুজ না খেয়ে থাকা যাবে। তরমুজ কেনা বন্ধ করুন, নেক্সট ১৫ দিন কোন তরমুজ কিনবেন না। সব পঁচে যাবে।

অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙন। এটাই হোক আমাদের নিরব প্রতিবাদ।
18👍3
৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি!
.
প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ভাঙ্গেননি।
.
কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকতো, আর আপনি জানতে পারলেন আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়!
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!” [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯০]
.
তারা কারা? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” [সহিহ বুখারী: ১৯০৩]
.
অর্থাৎ, রমাদান মাস শুধুমাত্র উপোষ থাকার মাস না। কেবল না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে না। রোজার সওয়াব পেতে হলে আপনাকে চরিত্রবান হতে হবে। মিথ্যা বলা ত্যাগ করতে হবে, আমানত রক্ষা করতে হবে, কাউকে গালি দেয়া যাবে না, গীবত করা যাবে না।
অথচ আমরা অহরহই এমন করি।
.
বাইরে কাজকর্ম করে বাসায় এসে কোনো কিছু এলোমেলো দেখলে স্বামী রাগারাগি করে, স্ত্রীকে বকা দেয়, গালি দেয়। রিক্সা ভাড়া ঠিক না করে রিক্সায় চড়ে নামার সময় ঝগড়া করে। সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের সাথে বসে বসে গীবত করে। রোজা রেখে মিথ্যা বলে, ঘুষ খায়।
.
আপনি হয়তো ভাবছেন রোজা রাখছেন। কিন্তু, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলছেন- এগুলো রোজা না, এমন রোজার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এমন রোজা কবুল করেন না। তাহলে কীভাবে পরিপূর্ণভাবে রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে? নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। সচ্চরিত্রবান হওয়া।
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।” [সুনানে আবু দাউদ: ৪৮০০] -
22👍3
😢30
আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় মিডিয়া। ভারতের নৌবাহিনীর রণতরী ও টহল বিমান অভিযান চালিয়ে এমভি আব্দুল্লাহকে উদ্ধার করেছে জানিয়ে ভারতীয় প্রথম সারির বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তবে এমভি আব্দুল্লাহকে উদ্ধারের বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবির সত্যতা নিশ্চিত হতে পারেনি বাংলাদেশের কোন গণমাধ্যম। এমনকি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের শিরোনামে এমভি আব্দুল্লাহকে ভারতীয় নৌবাহিনী উদ্ধার করেছে বলে জানানো হলেও প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত কোনও তথ্যই দেওয়া হয়নি।

ভারতের কয়েকটি প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ‌‌‘‘ছিনতাইকৃত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহকে উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এসব সংবাদমাধ্যমের তালিকায় আছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ইন্ডিয়া টুডে, দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ভারতীয় বার্তা সংস্থা ইন্দো এশিয়া নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস), ফার্স্ট পোস্ট, নিউজ ১৮-সহ দেশটির আরও কিছু সংবাদমাধ্যম।

#BoycottIndia ক্যাম্পেইন থেকে বাংলাদেশের জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার জন্য এই উদ্ধার নাটক নয়তো? পৃথিবীতে যদি বাংলাদেশের কোন চির শত্রু দেশ থাকে তবে সেটি হলো ভারত। তারা কখনো আমাদের জন্য এমন কিছু করবে সেটা বিশ্বাস করাটা মুশকিল। তারউপর তাদের যুদ্ধজাহাজ আর হেলিকপ্টারকে বিপদের মুখে ফেলে এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করাটা একটা অবিশ্বাস্য বিষয়!
😁10👍2
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ❝তোমরা তোমাদের দেহগুলোকে পবিত্র রাখবে, আল্লাহ তোমাদের পবিত্র করুন। যদি কোনো বান্দা অজু অবস্থায় ঘুমায় তাহলে তার পোশাকের মধ্যে একজন ফেরেশতা শুয়ে থাকেন। রাতে যখনই এ ব্যক্তি নড়াচড়া করে তখনই এ ফেরেশতা বলেন, হে আল্লাহ আপনি এ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিন, কারণ সে অজু অবস্থায় ঘুমিয়েছে।❞
[সহিহ ইবনে হিব্বান: ৩/৩২৮; আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১/৩১৭]

🍀রামাদানের আমল কেমন হচ্ছে? আমলে কিছুটা গতি এসেছে? এটলিস্ট গুনাহ কমাব ইন শা আল্লাহ। ছোট সহজ যিকির করব প্রতিদিন কিছু। কুরআন ত অবশ্যই ইন শা আল্লাহ। আর রাতে সূরা মূলক এর আমল করা হয়? রামাদানে এ অভ্যাসটা করতে পারি। এর ফজিলত নিয়ে কাল কথা হবে ইন শা আল্লাহ...

মনে থাকবে তো??
👍143
এই গৌরবময় বিশ্ববাসীরা লড়াই করে তাদের বিরুদ্ধে যারা মানুষকে জোর পূর্বক ইসলাম থেকে শরীয়ে দিতে চায়।
-Mesut Ozil
Ex-German Assist
🔥9
গত পনের বছরে বাংলাদেশের মিলিটারি এবং সিভিল বুরোক্রেসি থেকে সিস্টেমেটিকালি মুসলমানদের বের করে দেওয়া হয়েছে। একটা লেখা দেখেছিলাম উপসচিবের পর শতকরা ৪২ ভাগ আমলা হিন্দু। পিলখানা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে তো আগেই জয় বাঙলা করা হয়েছিল।

ডয়েচে ভেলে বাংলায় অনুষ্ঠানে ড. আসিফ নজরুল খালেদ মুহিউদ্দিনকে অনুরোধ করেছিলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ শহরের থানাগুলোর ওসি কতজন হিন্দু এবং কতজন মুসলমান এটা নিয়ে রিপোর্ট করতে। ডয়েচে ভেলে সেই রিপোর্ট করতে সাহস দেখায়নি। সেই রিপোর্ট বের হলে নাকি শ্লীলতাই থাকবে না।

সিনেট ভবনে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধ করা, কুরআন পাঠ করায় আরবি বিভাগের চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা বাংলাদেশের পাবলিক ডিসকোর্স থেকে মুসলমান নির্মূল করার পরের ধাপ।

কেউ যদি মুসলমান নির্মূল করার ব্যাপারকে এবসার্ট চিন্তা মনে করেন আপনাদের খেদমতে একটি তথ্য আরজ করছি,

❝ ১৯৪৭ সালের আগেও দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ ছিল মুসলমান তবে ৯৮ ভাগ উচ্চপদ দখল করে ছিল হিন্দুরা। ❞

এসবের লক্ষ্য সেই ১৯৪৭ সালের আগের জমিদারি কায়েম করা। মুসলমান প্রজা থাকবে তবে মাথার উপর বিরাজ করবে দাদাবাবুরা।
😢13
কিয়ামুল লাইল আদায়ের উদ্দেশ্যে ইশা থেকে ফজর পর্যন্ত পূর্ণরাত্রি জাগরণ করা সুন্নাহর বিপরীত। তবে রমাদানের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। রমাদান মাসের সুন্নাহ হলো, সামর্থ্য থাকলে কিয়ামুল লাইলের জন্য পূর্ণরাত্রি জাগরণ করা। যে এই আমল করতে সামর্থ,তার জন্য উত্তম হলো রাতে না ঘুমিয়ে দিনের বেলা ঘুমানো।

- শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ
. #Ramadan
15
‘তিনিই মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেছেন, যাতে তাদের ইমানের সাথে আরো ইমান বাড়ে। আসমান ও জমিনের বাহিনীগুলো আল্লাহরই। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, অসীম প্রজ্ঞাবান।’

[ সুরা আল-ফাতহ, ৪৮ : ৪ ]
8👍1
দাজ্জালি ফিতনায় আক্রান্ত উত্তরবঙ্গ !
প্রতিমাসে ২০০ টাকা পাবার জন্যও উত্তরবঙ্গে অনেকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে ঈসায়ী মুসলিম জামাত অর্থাৎ খ্রিষ্টান হচ্ছে। শেষ জামানায় ইসলাম ধর্ম কি তবে মাত্র ২০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে ? মুসলিমদের যদি এই বিষয় না ভাবায় তবে কেয়ামতের আগে পর্যন্ত আর কি নিয়ে ভাববে ?
🤬16😢4👍1
12
আলোর পথ
Photo
শিশুদের রোজা রাখতে উৎসাহ দিন

অনেকেই আছেন পরীক্ষা, স্কুল খোলা, কষ্ট হবে, বাচ্চা মানুষ, ইত্যাদি বলে বাচ্চাদের রোজা রাখতে দেন না।
ফলে বাচ্চারা রোজা রাখায় অনভ্যস্ত হয়ে যায়।
এমনকি বড় বাচ্চারাও আজকাল রোজা রাখে না।
আমার মনে আছে, আমরা যখন খুব ছোট ছিলাম, তখন দিনে দুটো রোজা রাখতাম। সকাল থেকে দুপুর, আবার দুপুর থেকে ইফতার পর্যন্ত। রোজা না থাকলেও ইফতারের আগে কোনো কিছু মুখে দেওয়া একদম নিষেধ ছিল। ইফতারে একসাথে সবার সাথে বসে খেতে হবে। তার আগে যতই ক্ষুধা লাগুক, খাওয়া যেতো না।

আব্বুকে দেখতাম ইফতার শুরু হওয়ার ১৫/২০ মিনিট আগে খাবার সামনে নিয়ে দু'আ করতো। আমরাও বসে দু'আ করতাম।

🔸হুট করে কোনো বাচ্চাই সবগুলো রোজা রাখতে পারবে না। তাই একদম প্রথম রোজা, শুক্রবারের রোজা, ২৭ রমজানের রোজা আর শেষ রোজাটা রাখার জন্য তাদের উৎসাহ দিন। এরপরের বছর গুলোতে রোজার সংখ্যা বাড়াতে থাকুন। এভাবেই রোজা রাখা অভ্যাস হয়ে যাবে।

🔸যেদিন বাচ্চারা রোজা রাখবে, সেদিন তাদের প্রিয় খাবারগুলো ইফতারের মেন্যুতে রাখার চেষ্টা করুন।

🔸রোজা রাখার বিনিময়ে আল্লাহ তাদের কি দিবেন, সে ব্যাপারে আলোকপাত করুন।
আর মাস শেষে আপনি নিজেও তার জন্য একটা সারপ্রাইজ গিফট রাখুন অথবা স্পেশাল ট্রিট দিন। রোজার শুরুতেই সারপ্রাইজ গিফট বা ট্রিটের কথা জানিয়ে রাখুন।

🔸সেদিন দেখলাম কয়েকজন মিলে বাচ্চাদের নিয়ে রোজা আসা উপলক্ষে একটা পার্টি করেছে। সেখানে বিভিন্ন ক্রাফট ওয়ার্কের মাধ্যমে বাচ্চাদের রোজা সম্পর্কে ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। বাচ্চারা হৈ হুল্লোর করে, খাওয়া দাওয়া করে, খেলতে খেলতে রোজার গুরুত্ব জেনে গিয়েছে। ইবাদত যে এনজয় করার ব্যাপার, এই ব্যাপারটা তারা নিজের অজান্তেই শিখে গিয়েছে।

🔸রোজার মাসে ছোট যে কোনো একটি সূরা আপনি নিজেও মুখস্থ করুন, সন্তানকেও মুখস্থ করান। কে আগে মুখস্থ করতে পারে, তার প্রতিযোগিতা করুন। যে কোনো ছোট দু'আও মুখস্থ করতে পারেন। মুখস্থ করে ফেলার জন্য আলাদা গিফট দিন। বাচ্চাকে বুঝাতে হবে যে, গিফট দেওয়াটা লোভ দেখানোর জন্য না, এটা আসলেই তার পাওনা, কারণ সে কষ্ট করে মুখস্থ করেছে, আর আসল গিফট পরকালে আল্লাহর কাছ থেকে পাবে।

🔸তারাবির নামাজ পড়ার সময় সন্তানকেও সাথে নিয়ে বসুন।

🔸রোজায় দান সাদাকা বেশী বেশী করুন, বাচ্চাদের সাথে নিয়ে করুন, এ ব্যাপারে বাচ্চাদের সাথে আলাপ আলোচনা করুন। ফলে তারা সেটা আপনার কাছ থেকে দেখে শিখবে।

🔸আগে রোজার সময় খাবার দোকানগুলো বন্ধ থাকতো। আর যেসব খোলা থাকতো সেগুলো ঢেকে ঢুকে খাবার বিক্রি করতো। অনেকের নানা সমস্যা থাকতেই পারে, তাই মানুষজন নিজেকে আড়াল করেই খেতো। কিন্তু ইদানীং রোজা না রেখে অনেকেই সবার সামনেই খাওয়াদাওয়া করে। ফলে রোজার যে ভাবগাম্ভীর্য ব্যাপারটা আছে, সেটা থাকে না। রোজার মাসে আপনার বাচ্চাকে মার্কেটে নিয়ে গিয়ে, খুব প্রয়োজন না থাকলে সবার সামনে খাওয়াবেন না। এটাও যে এক ধরনের শিষ্টাচার সেটা শিখাবেন। তার লজ্জা ভেঙে দিবেন না।

🔸ইফতারের কিছু আগে খাবার সামনে নিয়ে বাচ্চাদের সাথে নিয়ে বসে দূ'আ করুন। দু'আ কবুলের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়কে কাজে লাগান, বাচ্চাদেরকেও কাজে লাগানো শেখান। রোজা রাখুক বা না রাখুক, ইফতারের আগে যেনো কেউ খাবার না খায়, সেটা শেখান।

🔸রোজার আগেই ঈদের কেনাকাটা শেষ করার চেষ্টা করুন। বাচ্চাদের সাথে নিয়ে কাজটা করুন। ফলে রমজান মাসে ইবাদতের সময় বেশী পাবেন। এই ব্যাপারটা বাচ্চাদের বুঝিয়ে দিন। আশা করা যায়, বড় হতে হতে এটাও তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।
ছোট বলে ভাববেন না যে তারা বুঝবে না। তারা অনেক কিছুই বুঝে। নিজেকে দিয়ে বিচার করুন। আপনি যখন ছোট ছিলেন, তখন কি অনেক কিছু বুঝেননি?

🔸 কেউ দেখুক বা না দেখুক, আল্লাহ যে সব দেখছেন, আল্লাহর কাছে যে কিছুই লুকানো যায় না, এই ব্যাপারটা সবচেয়ে সহজে রোজার সময়েই শেখানো যায়। তাই এই সময়ের সদ্ব্যবহার করুন।
রামাদান এসেছে।

সবার জন্য দু'আ রইলো, যেন আমরা সবাই সুন্দর করে এই মাসের ইবাদতগুলো পালন করতে পারি এবং আল্লাহ যেনো সেসব কবুল করে নেন।
আমীন

[সংগৃহীত]
13👍1
ইমামের সাথে বিতরের সালাত না পড়া পর্যন্ত মসজিদ থেকে বের হবেন না। বিতর সালাত না পড়ে বের হয়ে গেলে ফেরেশতারা আপনার কিয়ামুল লাইল লিপিবদ্ধ করবেন না। তবে পরবর্তীতে নিজে একাকী বিতর সহ পূর্ণ আদায় করলে লিপিবদ্ধ করা হবে।

উল্লেখ্য, রমাযান মাসে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে দুটি পৃথক ইবাদতের জন্য দুই দুইবার ক্ষমা করেন।
১. রমাযানের সিয়ামের জন্য একবার ক্ষমা করেন।
২. রমাযানের রাতে কিয়ামুল লাইল আদায় করার জন্য পুনরায় আরেকবার ক্ষমা করেন।
👍8
🥰81
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায় তবে মনে পড়ে।
23
নির্যাতিত মুসলিম ভাই-বোনদের জন্য দু'আ করতে ভুলবেন না,,!
20😢8👍1
আমরা কি ধীরে ধীরে সালাম দিতে ভুলে যাচ্ছি?

মুসলমানদের প্রতি তাদের প্রধান নেতা, প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশনা হচ্ছে আগে সালাম। এরপর কথা। বাক্যের শুরু হবে, সম্বোধনের আবির্ভাব ঘটবে সালামের মাধ্যমে। আসসালামু কবলাল কালাম। আগে সালাম। পরে কালাম।

কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে এই পথ থেকে ক্রমশই দূরে সরে যাচ্ছে মুসলমানগণ। তারা এখন আর সালাম দিয়ে কথা শুরু করে না। এটা প্রধানত দুই কারণে হয়।

প্রথম কারণ: হীনমন্যতা।

দ্বিতীয় কারণ: অহংকার।

এই অহংকার দূর করার জন্যই আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে নির্দেশ দিয়েছেন বেশি বেশি সালাম প্রদানের। এবং তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আগে সালাম করে সে অহংকার মুক্ত।

সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি আদব আছে, তারমধ্যে অন্যতম একটি আদব হলো আগে সালাম দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা।

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে আগে আগে সালাম দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করতে উদ্ধুদ্ধ করেছেন। অন্য একজন এসে আমাকে সালাম দেবে, আর আমি আমি ভীষণ ভাব নিয়ে ইশারায় সেটার জবাব দেবো- আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হিসেবে আমাদের তো এই মনোভাব পরিত্যাগ করা উচিৎ। কেউ আমাকে এসে সালাম দেবে, এই আশা করা তো একটা জাহিলিয়াত। বরং প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ হচ্ছে সবাইকে মিষ্টি হেসে নিজ থেকেই আগে আগে সালাম প্রদান করা। রাসুল সা. বলেছেন, যিনি প্রথমে সালাম দেন তিনি আল্লাহর কাছে উত্তম ব্যক্তি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো আমরা অনেকেই সালাম পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করি অথবা অহংকার করে নিজেকে সালাম পাওয়ার অধিকারী বলে মনে করে বসে থাকি।

আমরা কেন যেনো এখন ভাবতেই পারিনা যে- অফিসের বস তার কোনো অধঃস্থন কর্মচারীকে, ছাত্র তার শিক্ষককে, নেতা তার কর্মীকে, ধনী ব্যক্তি গরীবকে সালাম দেবে!

সালামের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদরাসার আলিমদের চেয়েও বড়ো এক বিপ্লব এনেছে তাবলীগ জামায়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট ভাইয়েরা এবং ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু বর্তমানে কেন যেনো এই দুই অঙ্গনেও কিছুটা হলেও এটার ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে! তবে হ্যাঁ, অন্যান্যদের তুলনায় এখনো তাদের মধ্যে এই চর্চাটা ভালো এবং বেশি আছে।

এর পাশাপাশি এখন কেউ একজন সালাম দিলে সেই সালামের উত্তর না দেওয়াটাও একটা ভাব, স্মার্টনেস, কুলনেস, এটিটুউড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অথচ এটাও ক্ষেত্র বিশেষ অহংকারের পর্যায়ে পড়ে (যদিও উত্তর না দেওয়াটা সব সময় অহংকারের কারণে হয় না। কিছু বাস্তবতা ও ব্যস্ততা থাকে)।

যাই হোক, সালামের ক্ষেত্রে এ ধরনের অহংবোধ একজন মুসলমানের কখনোই কাম্য হতে পারে না। আর আল্লাহ রব্বুল আলামিন কুরআনুল কারিমে সূরা লোকমানের ১৮ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন, তিনি কোনো  দাম্ভিক তথা অহংকারী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না।

সালামের বিষয়টা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ একটা আমল যে, একবার আল্লাহর রাসুলকে জিগ্যেস করা হয়েছে ইসলামের উত্তম কাজ কোনটি? জবাবে তিনি বলেছেন, ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো, পরিচিত-অপরিচিত সকলকেই সালাম প্রদান করা।

আপনি একটুখানি উক্ত হাদিসের দিকে খেয়াল করুন, আল্লাহর রাসুল সা. কী বলেছেন? তিনি বলেছেন পরিচিত হোক বা অপরিচিত; সকলকেই সালাম প্রদান করতে। কিন্তু এখনও যারা টুকটাক সালামের বিষয়ে অভ্যস্ত, তারাও এখন আর অপরিচিত ব্যক্তিদের সালাম দেয় না। অথচ রাসুলের নির্দেশ অনুযায়ী সালামের আদব হলো স্বদেশী বিদেশি, সাদা-কালো, ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলকেই সালাম করা।

এই যে আল্লাহর রাসুলের এই নির্দেশটা, তাবলীগ জামায়াতের ভাইয়েরা এটা করার কারণে দেখেছি অনেক মানুষ তাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করতে। এমনকী শিবিরকে নিয়েও কথিত আধুনিক ছেলেপেলেকে দেখেছি এই বলে ঠাট্টা করতে যে, এরা রিক্সাওয়ালা, দারোয়ান, বাচ্চাকাচ্চা সবাইকেই দৌড়ে গিয়ে সালাম করে!

মানে কথিত ওই স্মার্ট ব্যক্তিদের কাছে স্কুল কিংবা বাড়ির দারোয়ান, রিক্সাওয়ালা দিনমজুর, ওনারা হচ্ছে সালাম পাওয়ার অযোগ্য। ওনাদের সালাম দিলে জাতে উঠা যায় না, কিংবা জাত থাকে না!

যাই হোক ইসলামি ব্যক্তিত্ব আর ভ্রাতৃত্বের দাবি হচ্ছে বেশি বেশি সালাম করা। সালামের সংস্কৃতিকে আরো বেশি জনপ্রিয় করে তোলা। আমাদের প্রাণপ্রিয় সম্মানিত নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটি গাছের আড়াল হয়ে পুনরায় দেখা হলেও উক্ত ব্যক্তিকে আবারও সালাম দিতে। চলুন, আমরা সালামের সেই সংস্কৃতিকে চালু ও শক্তিশালী করি।

السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وبركاته

(আসসালামু আলাইকুম ওরহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু )

~আবির

#OurCulture
#OurMovement
#OurMission
#OurVision
14👍1