বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। আজ সোমবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সোমবার থেকেই রোজা শুরু হয়েছে। সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ হয়ে থাকে।
আলোর পথ সকল ফ্যান, ফলোয়ার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। আহলান সাহলান মাহে রমজান!
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সোমবার থেকেই রোজা শুরু হয়েছে। সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ হয়ে থাকে।
আলোর পথ সকল ফ্যান, ফলোয়ার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। আহলান সাহলান মাহে রমজান!
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤7
ক্যাম্পাসগুলো থেকে শিবির নিধনের ফলাফল এক যুগ পরে পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। শাবিপ্রবির ঘটনা এর প্রাথমিক প্রমাণ মাত্র।
বাংলাদেশের অন্যান্য ইসলামি সংগঠনগুলো জন্মগতভাবেই ক্যাম্পাসের জন্য আনফিট। ফলে আর কোন অপশন নাই।
~ নাঈম আহমেদ
বাংলাদেশের অন্যান্য ইসলামি সংগঠনগুলো জন্মগতভাবেই ক্যাম্পাসের জন্য আনফিট। ফলে আর কোন অপশন নাই।
~ নাঈম আহমেদ
😢14👍4
নতুন চাঁদ দেখার দো‘আ :
اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ
উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহূ ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমা-নি, ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীক্বি লিমা তুহিববু ওয়া তারযা; রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লা-হ ।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপরে চাঁদকে উদিত করুন শান্তি ও ঈমানের সাথে, নিরাপত্তা ও ইসলামের সাথে এবং আমাদেরকে ঐ সকল কাজের ক্ষমতা দানের সাথে, যা আপনি ভালবাসেন ও যাতে আপনি খুশী হন। (হে চন্দ্র!) আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ’।
اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ
উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহূ ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমা-নি, ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীক্বি লিমা তুহিববু ওয়া তারযা; রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লা-হ ।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপরে চাঁদকে উদিত করুন শান্তি ও ঈমানের সাথে, নিরাপত্তা ও ইসলামের সাথে এবং আমাদেরকে ঐ সকল কাজের ক্ষমতা দানের সাথে, যা আপনি ভালবাসেন ও যাতে আপনি খুশী হন। (হে চন্দ্র!) আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ’।
❤13👍1
♥️♥️♥️ আল্লাহ রব্বুল আলামীনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে এই রমাদানে এমন কিছু গোপন আমলের অভ্যাস করুন যা ইতোপূর্বে কখনো করেননি ♥️♥️♥️
❤14👍1
হাটতে,চলতে,বসতে ছোট ছোট যিকির আর দুআ। বেশি বেশি ইস্তেগফার আর দুরুদ তো অবশ্যই। রামাদানের সময় গুলোতে যেন যিকির মুখের মধ্যে থাকেই ইন শা আল্লাহ।
❤14
ইফতার এর সময় রোযাদারের দো‘আ:
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ العُرُوْقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ
উচ্চারণঃ যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হু
অর্থঃ পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহ্ চান তো সওয়াব সাব্যস্ত হয়েছে।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৭)
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ العُرُوْقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ
উচ্চারণঃ যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হু
অর্থঃ পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহ্ চান তো সওয়াব সাব্যস্ত হয়েছে।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৭)
❤12
ইসলাম নিয়ে ষড়যন্ত্র এদেশের তরুণরা রুখে দিবে। কারো আধিপত্যও মেনে নিবে না, ইনশাআল্লাহ।
❤22
খুব ছোট্ট দুআ গুলো, কিন্তু দুনিয়া ও আখিরাতের সবকিছুই চাওয়া হয়ে যায় দুআ গুলোর মাধ্যমে। দুআ কবুলের সময় সহ অন্যান্য সময় আমরা এ দুআ গুলোকে দুআ লিস্টে রাখতে পারি ইনশাআল্লাহ।
১) ভাল মৃত্যু লাভের দুয়াঃ
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে উত্তম মৃত্যু দান করুন।
২) সবসময় পড়ার দুআঃ
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ الْعَافِيَةَ
অর্থঃ হে আল্লাহ আপনার কাছে আমি নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করছি।
"আফিয়াহ" র মধ্যে যে কোন ধরনের দুঃখ কষ্ট,নিরাপত্তা, রিযিক,সন্তান সন্ততির চিন্তা,অসুস্থতা, শাস্তি থেকে মাফ ইত্যাদি আরো অনেক বিষয় অর্থাৎ দুনিয়া ও আখিরাতের সব কিছুই এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।
৩) জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় পাওয়ার জন্য দুআঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় চাই।’
৪) মা বাবার জন্য দুআঃ
رَّبِّ ارْحَــمْــهُـمَا كَـمَا رَبَّـيَـانِـي صَـغِـيـرًا
অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া করুন, যেমন তারা দয়া, মায়া, মমতা সহকারে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।
৫) শবে কদর এবং সবসময় এই দুআঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
এখানে এই "আফু" শব্দটা দিয়ে এমন ধরনের ক্ষমাকে বুঝানো হয়েছে যে গুনাহ আমাদের আমল নামা থেকে মুছে ফেলা হবে।এমন ভাবে মুছে ফেলা হবে যেন আমরা সে গুনাহ কখনো করি নি।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। [মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত]
৬) দ্বীনের উপর অটল থাকার দুআঃ
اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! হে হৃদয়ের পরিবর্তনকারী! আপনি আমার হৃদয়কে আপনার দ্বীনের ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন।'
[হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশি বেশি এই দোয়া করতেন]
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দুআ করার তৌফিক দিক। আল্লাহুমা আমিন।
১) ভাল মৃত্যু লাভের দুয়াঃ
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে উত্তম মৃত্যু দান করুন।
২) সবসময় পড়ার দুআঃ
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ الْعَافِيَةَ
অর্থঃ হে আল্লাহ আপনার কাছে আমি নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করছি।
"আফিয়াহ" র মধ্যে যে কোন ধরনের দুঃখ কষ্ট,নিরাপত্তা, রিযিক,সন্তান সন্ততির চিন্তা,অসুস্থতা, শাস্তি থেকে মাফ ইত্যাদি আরো অনেক বিষয় অর্থাৎ দুনিয়া ও আখিরাতের সব কিছুই এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।
৩) জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় পাওয়ার জন্য দুআঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় চাই।’
৪) মা বাবার জন্য দুআঃ
رَّبِّ ارْحَــمْــهُـمَا كَـمَا رَبَّـيَـانِـي صَـغِـيـرًا
অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া করুন, যেমন তারা দয়া, মায়া, মমতা সহকারে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।
৫) শবে কদর এবং সবসময় এই দুআঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
এখানে এই "আফু" শব্দটা দিয়ে এমন ধরনের ক্ষমাকে বুঝানো হয়েছে যে গুনাহ আমাদের আমল নামা থেকে মুছে ফেলা হবে।এমন ভাবে মুছে ফেলা হবে যেন আমরা সে গুনাহ কখনো করি নি।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। [মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত]
৬) দ্বীনের উপর অটল থাকার দুআঃ
اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! হে হৃদয়ের পরিবর্তনকারী! আপনি আমার হৃদয়কে আপনার দ্বীনের ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন।'
[হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশি বেশি এই দোয়া করতেন]
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দুআ করার তৌফিক দিক। আল্লাহুমা আমিন।
❤16👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
গাজায় পবিত্র মাহে রমাদানের প্রথম তারাবীর নামাজ।
রমাদানুল মুবারক❤️
রমাদানুল মুবারক❤️
❤18😢1
সাহাবিদের প্রতি মওদূদীর আকিদা
সাহাবায়ে কেরামের নিন্দা ও কুটসারটনাকারী শুধু ফাসিক নয়, তার ঈমানও সন্দেহজনক। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে সাহাবিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, সে আমার প্রতিই বিদ্বেষ পোষণ করে।
বলেছেন বিংশ শতাব্দীর ইসলামি রেনেসাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইমাম, উস্তাদ মওদূদী আলাইহি রহমত।
বই: রাসায়েল ও মাসায়েল, ৪র্থ খণ্ড।
এভাবে সাহাবায়ে কেরাম রা. এর ব্যাপারে মওদূদীর আকিদা জানতে পড়ুন সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা নামক গ্রন্থটি।
সাহাবায়ে কেরামের নিন্দা ও কুটসারটনাকারী শুধু ফাসিক নয়, তার ঈমানও সন্দেহজনক। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে সাহাবিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, সে আমার প্রতিই বিদ্বেষ পোষণ করে।
বলেছেন বিংশ শতাব্দীর ইসলামি রেনেসাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইমাম, উস্তাদ মওদূদী আলাইহি রহমত।
বই: রাসায়েল ও মাসায়েল, ৪র্থ খণ্ড।
এভাবে সাহাবায়ে কেরাম রা. এর ব্যাপারে মওদূদীর আকিদা জানতে পড়ুন সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা নামক গ্রন্থটি।
❤20👍1
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট প্রিয় জন্মভূমির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস সমূহে ইফতার মাহফিলে যারা বাঁধা দেয় তাদের সাথে কেমন আচরণ হওয়া দরকার?
😢15
দুটো দিন শেষ। মোটামুটি আপনি বুঝতে পেরেছেন আপনার ব্যস্ততা কোথায়, কিসে যাচ্ছে।
আপনি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর কারণে, বা চাকরির কারণে বা পারিবারিক ভাবে ব্যস্ত থেকে হয়ত এটা ভাবছেন কিছুদিন পর ব্যস্ততা যাবে আমি আমল করব ইন শা আল্লাহ।
"আমি আমল করব" এটা ভয়ংকর পরিস্থিতি। আপনি ব্যস্ত থাকুন বা যাই করুন নিয়মিত কিছু ইস্তেগফার, দুুরুদ আর কুরআন চাইই চাই। সাথে দুআয় হিদায়াত চাওয়া, জান্নাত জাহান্নাম আর উম্মাহর বিষয়।
এটা অসম্ভব যে ৩০-৫০ মিনিট আলাদা পাচ্ছেন না। তাই পরিস্থিতি যাইই হোক, নিজের পরিবর্তন এখনই করুন। রামাদান কিন্তু চোখের পলকে শেষ হয়ে যাবে। এখন এসব ছোট ছোট আমল শুরু না করলে শেষ দশকে বা শেষেরদিকে গভীর তাহাজ্জুদ আর কুরআনের আমল আদৌ সম্ভব হবে?
আপনি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর কারণে, বা চাকরির কারণে বা পারিবারিক ভাবে ব্যস্ত থেকে হয়ত এটা ভাবছেন কিছুদিন পর ব্যস্ততা যাবে আমি আমল করব ইন শা আল্লাহ।
"আমি আমল করব" এটা ভয়ংকর পরিস্থিতি। আপনি ব্যস্ত থাকুন বা যাই করুন নিয়মিত কিছু ইস্তেগফার, দুুরুদ আর কুরআন চাইই চাই। সাথে দুআয় হিদায়াত চাওয়া, জান্নাত জাহান্নাম আর উম্মাহর বিষয়।
এটা অসম্ভব যে ৩০-৫০ মিনিট আলাদা পাচ্ছেন না। তাই পরিস্থিতি যাইই হোক, নিজের পরিবর্তন এখনই করুন। রামাদান কিন্তু চোখের পলকে শেষ হয়ে যাবে। এখন এসব ছোট ছোট আমল শুরু না করলে শেষ দশকে বা শেষেরদিকে গভীর তাহাজ্জুদ আর কুরআনের আমল আদৌ সম্ভব হবে?
❤24🥰1
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আপনাকে ভালোবাসেন আর ক্ষমা করতে চান। তাই তিনি আপনাকে আরো একটা রামাদান লাভে ধন্য করেছেন।
#RamadanReminders
#RamadanReminders
❤20
একটি নিউজে দেখলাম আনন্দ উল্লাস, আসলেই সেটা কি আদৌ বিজয় নাকি পরাজয়?
আমির আলী হলে মুসলমান ছাত্রদের শুধু রমায্ব-ন মাসে গরুর মাংস খেতে দিবে প্রশাসন। তবে শর্ত হচ্ছে ডেকোরেটর থেকে আলাদা পাত্র ভাড়া করে সেই গরুর মাংস রান্না করতে হবে।
এইটা নাকি আন্দোলনের বিজয়। এইটা বিজয় না এইটা একটা ভয়াবহ পরাজয়।
এইটায় তো আপনারা হিন্দুত্ববাদীদের ছোয়াছুয়ির নীতিকে মেনে নিলেন। কোন হোটেলে কি আলাদা পাত্রে গরুর মাংস রান্না হয়? আলাদা ফ্রিজে কি গরুর মাংস রাখা হয়? কসাই কি গরুর জন্য আলাদা চাকু ব্যবহার করে? আর সবচেয়ে বড় কথা আপনি কেন সারা বছর খেতে পারবেন না? কারণ হিন্দু ছাত্ররা আছে, হিন্দু ছাত্ররাও খায়? এইটা কোন যুক্তি হলো?
হিন্দুরা খাবে না, ছোবে না। ফেয়ার এনাফ। তারা ব্যবস্থা করে নিক। আলাদা করে। আরেক ধর্ম সম্প্রদায়কে তার আচার মানতে বাধ্য করবে কেন? এইটা তো সেই জমিদারি আবদার।
তার মানে হিন্দুরা কীভাবে একসাথে থাকা যায় মুসলমানদের সাথে সেটার চর্চা করতে নারাজ। শুধু মুসলমানদের শিখতে হবে কীভাবে হিন্দু ছাত্রদের সাথে একসাথে থাকতে হবে।
কী ভয়াবহ জায়গায় চলে গেছে বাংলাদেশের হিন্দুত্ববাদ।
আমির আলী হলে মুসলমান ছাত্রদের শুধু রমায্ব-ন মাসে গরুর মাংস খেতে দিবে প্রশাসন। তবে শর্ত হচ্ছে ডেকোরেটর থেকে আলাদা পাত্র ভাড়া করে সেই গরুর মাংস রান্না করতে হবে।
এইটা নাকি আন্দোলনের বিজয়। এইটা বিজয় না এইটা একটা ভয়াবহ পরাজয়।
এইটায় তো আপনারা হিন্দুত্ববাদীদের ছোয়াছুয়ির নীতিকে মেনে নিলেন। কোন হোটেলে কি আলাদা পাত্রে গরুর মাংস রান্না হয়? আলাদা ফ্রিজে কি গরুর মাংস রাখা হয়? কসাই কি গরুর জন্য আলাদা চাকু ব্যবহার করে? আর সবচেয়ে বড় কথা আপনি কেন সারা বছর খেতে পারবেন না? কারণ হিন্দু ছাত্ররা আছে, হিন্দু ছাত্ররাও খায়? এইটা কোন যুক্তি হলো?
হিন্দুরা খাবে না, ছোবে না। ফেয়ার এনাফ। তারা ব্যবস্থা করে নিক। আলাদা করে। আরেক ধর্ম সম্প্রদায়কে তার আচার মানতে বাধ্য করবে কেন? এইটা তো সেই জমিদারি আবদার।
তার মানে হিন্দুরা কীভাবে একসাথে থাকা যায় মুসলমানদের সাথে সেটার চর্চা করতে নারাজ। শুধু মুসলমানদের শিখতে হবে কীভাবে হিন্দু ছাত্রদের সাথে একসাথে থাকতে হবে।
কী ভয়াবহ জায়গায় চলে গেছে বাংলাদেশের হিন্দুত্ববাদ।
👍8