আলোর পথ
9.82K subscribers
2.59K photos
718 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
স্বার্থপরতার ভিড়ে, কেবল আল্লাহর জন্যে যারা পরস্পর পরস্পরকে ভালোবাসে, সেই সম্পর্কগুলোই দিনশেষে টিকে যায়।
9
শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ

🔘 সূরা আল-কাহফ পাঠ করা

🔘 অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ”]

🔘 বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া
[“আস্তাগফিরুল্লাহ”]

🔘 আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

Join - https://t.me/alolpath
7
উসমানী খিলাফাত:

উসমানী খিলাফাত মুসলিম উম্মার ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। বানুল আব্বাস খিলাফাতের পতনের পর এই খিলাফাত প্রতিষ্ঠিত হয়। যেই বছর তাতার সমর নায়ক হালাকু খান বানুল আব্বাস খিলাফাতের রাজধানী বাগদাদ নগরী ধ্বংস করেন, সেই বছরই জন্মগ্রহণ করেন উসমানী খিলাফাতের প্রতিষ্ঠাতা উসমান। ১২৮৮ খৃষ্টাব্দে তিনি মসনদে বসেন। তখন থেকে শুরু করে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন খালীফা ৬৩৬ বছর উসমানী খিলাফাত পরিচালনা করেন।

উসমানী খালীফাগণ হচ্ছেন-

১। উসমান (১২৮৮-১৩২৬)

২। ওরখান (১৩২৬-১৩৫৯)

৩। প্রথম মুরাদ (১৩৫৯-১৩৮৯)

৪। প্রথম বায়েজিদ (১৩৮৯-১৪০৩)

৫। প্রথম মুহাম্মদ (১৪০৩-১৪২১)

৬। দ্বিতীয় মুরাদ (১৪২১-১৪৫১)

৭। দ্বিতীয় মুহাম্মদ (১৪৫১-১৪৮১)

৮। দ্বিতীয় বায়েজিদ (১৪৮১-১৫১২)

৯। প্রথম সলিম (১৫১২-১৫২৪)

১০। প্রথম সুলাইমান (১৫২৪-১৫৬৬)

১১। দ্বিতীয় সলিম (১৫৬৬-১৫৭৪)

১২। তৃতীয় মুরাদ (১৫৭৪-১৫৯৫)

১৩। তৃতীয় মুহাম্মদ (১৫৯৫-১৬০৩)

১৪। প্রথম আহমাদ (১৬০৩-১৬১৭)

১৫। প্রথম মুস্তাফা (১৬১৭-তিনমাস)

১৬। দ্বিতীয় উসমান (১৬১৭-১৬২৩)

১৭। চতুর্থ মুরাদ (১৬২৪-১৬৪০)

১৮। প্রথম ইবরাহীম (১৬৪০-১৬৪৮)

১৯। চতুর্থ ইবরাহীম (১৬৪৮-১৬৮৭)

২০। দ্বিতীয় সুলাইমান (১৬৮৭-১৬৯১)

২১। দ্বিতীয় আহমাদ (১৬৯১-১৬৯৫)

২২। দ্বিতীয় মুস্তাফা (১৬৯৫-১৭০৩)

২৩। তৃতীয় আহমাদ (১৭০৩-১৭৩০)

২৪। প্রথম মাহমুদ (১৭৩০-১৭৫৪)

২৫। তৃতীয় উসমান (১৭৫৪-১৭৫৭)

২৬। তৃতীয় মুস্তাফা (১৭৫৭-১৭৭৩)

২৭। প্রথম আবদুল হামিদ (১৭৭৩-১৭৮৯)

২৮। তৃতীয় সলিম (১৭৮৯-১৮০৭)

২৯। চতুর্থ মুস্তাফা (১৮০৭০১৮০৮)

৩০। দ্বিতীয় মাহমুদ (১৮০৮-১৮৩৯)

৩১। প্রথম আবদুল মজিদ (১৮৩৯-১৮৬১)

৩২। আবদুল আযীয (১৮৬১-১৮৭১)

৩৩। পঞ্চম মুরাদ (১৮৭১-১৮৭৬)

৩৪। দ্বিতীয় আবদুল হামিদ (১৮৭৬-১৯০৯)

৩৫। পঞ্চম মুহাম্মদ (১৯০৯-১৯১৮)

৩৬। ষষ্ঠ মুহাম্মদ (১৯১৮-১৯২২)

৩৭। দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (১৯২২-১৯২৪)
2
সম্পর্ক চারাগাছের মতো— এতে পানি দিতে হয়, সার দিতে হয়, পরিষ্কার করে দিতে হয় চারপাশের আগাছা।

সম্পর্ক টিকে থাকে বিশ্বাসের উপর। তার মানে কিন্তু এই নয় যে— একজন কেবল অন্ধের মতো বিশ্বাস করেই যাবে আর অন্যজন হয়ে উঠবে স্বেচ্ছাচারী। আপনাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করার জন্য প্রতিনিয়ত বিপরীত দিকের মানুষটার সামনে কার্যকারণ হাজির করতে হবে।


বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্কও যত্নের অভাবে ভেঙে যেতে বাধ্য, সেখানে বন্ধুত্ব, ব্যবসায়িক সম্পর্ক তো একেবারে হিশেবের বাইরে।


সম্পর্ক টিকানোর মূলমন্ত্র একটাই— বিপরীতদিকের মানুষটাকে সম্মান করা, তাকে বোঝা এবং তার প্রতি যত্নবান হওয়া৷ সেটা বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা, পারিবারিক বা ব্যবসায়িক— যে বন্ধনই হোক।
12
বিয়ের পর অনেক মহিলা ঈমানের স্বাদ কেন হারিয়ে ফেলে?

এক মহিলা নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, "ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ - রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম। কিন্তু এখন বিয়ের পর আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না!"

নাসিরউদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, "হে আমার মুসলিম বোন তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী?"

মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বলে, "শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছেন!"

শাইখ আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন, "আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ পায়না, আল্লাহর আনুগত্য ও ইবাদতে তৃপ্ততা পায় না। কেননা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্ততা পাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবে না।"

[সহীহ আত তারগীব, ১৯৩৯]
10
বাহির থেকে দ্বীনদার আমি,
ভেতরটা আমলে শূন্য,
অন্যদের করি নসীহা প্রচুর,
নিজেরই নফস পাপে পূর্ণ।
😢15
১) খিজির আ. একটি শিশুকে হত্যা করেছিলেন। মানুষের চোখে শিশুটি নিষ্পাপ ছিল। আল্লাহ আমাদের বলে দিয়েছেন, শিশুটি বড় হলে, নিজের জন্য তো বটেই, তার মাতাপিতার জন্যও ‘কাল’ হয়ে দাঁড়াত। আল্লাহ শিশুটিকে নিজের কাছে উঠিয়ে নিয়েছিলেন। আল্লাহর এই ফয়সালাই শিশুটির জন্য কল্যাণকর ছিল।

২) এজন্য আমাকে দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে, আমার জন্য আল্লাহর প্রতিটি ফয়সালাই কল্যাণকর। নবীজি সা.-এর অমীয় বানীটুকু মাথায় রাখতে পারি,

মুমিনের অবস্থা বিস্ময়কর। সব কাজই তার জন্য কল্যাণকর। মু’মিন ছাড়া অন্য কেউ এ বৈশিষ্ট্য লাভ করতে পারে না। তারা সুখ-শান্তি লাভ করলে শোকর আদায় করে, অস্বচ্ছলতা বা দুঃখ-মুসীবাতে আক্রান্ত হলে সবর করে, প্রত্যেকটাই তার জন্য কল্যাণকর।
(মুসলিম ৭২২৯)।

৩) গোটা দুনিয়া মিলে আমার ক্ষতি করতে চাইলে, আল্লাহর ইচ্ছা না থাকলে, আমার কেশাগ্রও কেউ স্পর্শ করতে পারবে না।
লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

- শাইখ আতিক উল্লাহ
🥰7
দ্বীনি আন্দোলনের কর্মীদের পথ চলা কখনোই মসৃণ ছিল না
😢11
উমার ইবনুল খাত্তাব رضي الله عنه বলেন,

❝ বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছে গেলে তোমাদের ছেলেমেয়েদের বিয়ে দাও,
যাতে তারা পাপকর্মে জড়িয়ে না পড়ে। ❞

[আহকামুন নিসা, পৃঃ ৪০৩, ইবনুল যাওজী (রহ.)]
11
"জীবন একটা লড়াই। কিন্তু এটা অনেক সহজ হয়ে যায় যখন আপনি বুঝতে পারেন যে আল্লাহ আপনার সাথে আছেন।"

- ড. বিলাল ফিলিপস্ (হাফি.)
10
সোনালী ইতিহাস আলহামদুলিল্লাহ
10
বাবার ডেড বডি নিয়ে অপেক্ষা করছে সবাই। একমাত্র রত্ন ছেলে আমেরিকায়। মস্ত ইঞ্জিনিয়ার। যেকোনো মুহূর্তে হয়তো এসে যাবেন।

খালার কাছে ফোন এল, 'কোম্পানি গতকালই আমাকে অনেক উঁচু পদে প্রমোশন দিয়েছে। আসতে অক্ষম। যত টাকা দরকার পাশ বই থেকে মা তুলে নিক। খুব ঘটা করে যেন চল্লিশার ভোজন হয়। পরে আসব। দুঃখিত।'

মা কান্নায় ফেটে পড়েন। বলেন, 'খোকা। তোর কাছে বস-ই সব, বাবা কিচ্ছু না? পাড়াতে ছিঃ ছিঃ পড়ে যাবে। সবাই মুখ লুকিয়ে হাসবে। তোর অন্ধ গোলামী দেখে। যে করে হোক বাবা অন্তত চল্লিশার আগের দিন আয়।'

ছেলে বলে 'কিছু মনে কোরো না মা। দাদু যেদিন মা’রা গেলেন সেদিনও তুমি আমাকে স্কুলে পাঠিয়েছিলে জোর করে। বলেছিলে, অন্যের দিকে, কারোর দিকে না তাকিয়ে নিজের কাজ করো। এটাই উন্নতির চাবিকাঠি। তোমার শিক্ষাই তো.....।
কাঁপতে কাঁপতে মা ফোনটা ছেড়ে দিলেন হঠাৎ।

লেসন --- যা করবেন, তারই ফল পাবো আমরা টুডে অর টুমরো।
(সংগ্রহ করা হইছে)
😢6
যদি আগামীর দিনটাকে পেতে চাও আলোয় ভরা,
যদি পেতে চাও রাশেদার আলোকিত বসুন্ধরা,
তবে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বেলে,
দাঁড়িয়ে তোমার দ্বারে
আহবান করি যে তোমায়।
এসো এই আঙিনায়, মুক্তির মোহনায়।

লক্ষ প্রানের বিনিময়ে পেলাম স্বাধীনতা
তবু কেনো আজ মৃত্যুর ধারে
কাঁদছে মানবতা।
আমার সোনার দেশ গড়তে হবে,
ষড়যন্ত্রের বাধা রুখতে হবে!
সময় এসেছে ফের এগিয়ে যাবার..

শান্তি সুখের সোনালী সেদিন, আসবে আবার ফিরে...
ঐশী আলোয় সাজবে সমাজ স্বপ্ন দু'চোখ জুড়ে।
বাধার প্রাচীর যত ভাঙতে হবে,
সাম্য ন্যায়ের গান গাইতে হবে,
আগামীর দিন শুধু সম্ভাবনার।
7
মানুষের জীবনে অনেক সময়। ভালো কিছু নিয়ে পার না করলে খারাপ এসে সেই স্থান নেয়। অনেক ভালো কাজের ভিড়ে খারাপ কিছু করার সময়ই হয় না- অথবা উল্টোটা। দিন শেষে হয়ত অনেক ভালো, নয়ত অনেক খারাপ জমা হয় খাতায়।

সময় কিসে পার করছি, সেটা নিয়ে সচেতন হওয়াটা তাই অনেক জরুরি!
7
অনেক সময় বাজে চিন্তা এসে পড়ে। আগের কোনো নায়িকা বা পর্নতারকার কোনো দৃশ্য ভেসে ওঠে; এটা শয়তানের পক্ষ থেকে। কোনো বদখেয়াল এলে চিন্তাকে ঘুরিয়ে দিতে হবে। হযরত আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেন,

“বদচিন্তা সমস্যার সমাধান হলো ভ্রুক্ষেপহীনতা। মন্দ চিন্তা যদি আসে তবে আসুক। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করার প্রয়োজন নেই। এ চিন্তাই করবেন না যে, কী চিন্তা আসছে আর কী যাচ্ছে।”

তবে এই চিন্তা ঘুরানোটা প্র্যাকটিসের বিষয়, একদিনে হবে না। প্র্যাকটিস হলো
নামাজ আর আল্লাহর জিকির। জিকিরে-নামাজে ‘ছুটে যাওয়া’ মনকে বারবার ফিরিয়ে আনার অনুশীলন করি আমরা। প্র্যাকটিস করে করে মনের স্টিয়ারিং ঘুরানো সহজ হয়েযাবে; প্রথম প্রথম অন্তরের ওপর ভারী লাগবে, ধীরে ধীরেবিজয়ের আনন্দ হয়ে হয়ে একদম পানিভাত হয়ে যাবে।

📙বই: মুক্তি সম্ভব; ৪৫-৪৬
Fight Against Dehumanization

#অশ্লীলতার_বিরুদ্ধে_যুদ্ধ
6
হাদিস

عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ مَنْ خَلَعَ يَدًا مِنْ طَاعَةٍ لَقِىَ اللهَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَا حُجَّةَ ل وَمَنْ مَاتَ وَلَيْسَ فِىْ عُنُقِهِ بَيْعَةٌ مَاتَ مِيْتَةً جَاهِلِيَّةً ـ (مُسْلِمْ: بَابُ وُجُوْبِ مُلَازَمَةِ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِيْنَ)

১. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর " বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে তার হাতকে খুলে ফেলল, কিয়ামতের দিন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমনভাবে যে তার বলার কিছু থাকবে না, আর যে ব্যক্তি বাইয়াতের বন্ধন ছাড়াই মারা গেল সে জাহেলিয়াতের মৃত্যুবরণ করল। (মুসলিম: বাবু উজুবি মুলাযামাতি জামায়াতিল মুসলিমিন: ৩৪৪১)
😢8
জ্ঞান অর্জনের ছয়টি ধাপ রয়েছে :

১. আদবের সাথে জিজ্ঞেস করা;
২. নীরব থেকে মনোযোগ দিয়ে শোনা;
৩. ভালোভাবে বুঝে নেয়া;
৪. মুখস্থ করে নেয়া;
৫. অন্যদের শেখানো এবং
৬. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী চলা।

- ইমাম ইবনুল কায়্যিম রাহিমাহুল্লাহ
[ মিফতাহ দারুস সাদা'আহ, পৃষ্ঠা: ২৮৫ ]
👍9
তিনটি জিনিস যার মাঝে থাকবে, সে পুণ্য লাভ করবে : ১. দান করা, ২. কষ্টে ধৈর্যধারণ করা, ৩. উত্তম কথা বলা।
__
ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ
[ সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৪/৫৫০ ]
10