একজন পুরুষের বীর্যে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে।
বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ
কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক
করেন; তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের
ডিএনএ জমা হয়;যা বিপজ্জনক ভাইরাসের
রূপ নেয় ও মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ
হয়।সাইন্স গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম
মাসিকের পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২থেকে ৩৫% এবং দ্বিতীয় মাসিকের পর ৬৭
থেকে ৭২% ও তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯%
পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়;যা আলকুরআনের নির্দেশের সাথে হুবহু মিলে যায়।আল্লাহ তায়ালা ২য় বিয়ে করতে তালাক প্রাক্ত নারীকে তিন
মাস ও বিধবা নারীকে চার মাস দশ দিন
গ্যাপ রাখতে বলেছন।এ সত্যতা স্বীকার করে ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ রবার্ট, ইসলাম গ্রহণ করেন।
অথচ নেড়িবাদি বুদ্ধিজীবী ও তসলিমা নাসরিন এখানে নীরব।
বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ
কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক
করেন; তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের
ডিএনএ জমা হয়;যা বিপজ্জনক ভাইরাসের
রূপ নেয় ও মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ
হয়।সাইন্স গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম
মাসিকের পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২থেকে ৩৫% এবং দ্বিতীয় মাসিকের পর ৬৭
থেকে ৭২% ও তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯%
পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়;যা আলকুরআনের নির্দেশের সাথে হুবহু মিলে যায়।আল্লাহ তায়ালা ২য় বিয়ে করতে তালাক প্রাক্ত নারীকে তিন
মাস ও বিধবা নারীকে চার মাস দশ দিন
গ্যাপ রাখতে বলেছন।এ সত্যতা স্বীকার করে ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ রবার্ট, ইসলাম গ্রহণ করেন।
অথচ নেড়িবাদি বুদ্ধিজীবী ও তসলিমা নাসরিন এখানে নীরব।
❤25👍6
আসুন শপথ করি, এই রমাদান মাসে এক সেকেন্ড সময়ও অপচয় করব না ইংশা-আল্লাহ।
হতে পারে এটাই আমার জীবনের শেষ রমাদান।
হতে পারে এটাই আমার জীবনের শেষ রমাদান।
❤17
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০১
খেজুর দিয়ে ইফতার করা নবী করিম সা. এর সুন্নত। আধুনিক গবেষণা অনুসারে, খেজুরে ভিটামিন এ, বি, সি এবং ডির পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, স্টিল, ফসফরাস এবং আরও অনেক দরকারী খনিজ রয়েছে, যা কেবল হৃদ, মস্তিষ্ক, লিভার, পেট এবং স্নায়ুকেই মজবুত করে না , বরং শরীরে প্রচুর পরিমানে শক্তিও সঞ্চার করে।
খেজুর দিয়ে ইফতার করা নবী করিম সা. এর সুন্নত। আধুনিক গবেষণা অনুসারে, খেজুরে ভিটামিন এ, বি, সি এবং ডির পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, স্টিল, ফসফরাস এবং আরও অনেক দরকারী খনিজ রয়েছে, যা কেবল হৃদ, মস্তিষ্ক, লিভার, পেট এবং স্নায়ুকেই মজবুত করে না , বরং শরীরে প্রচুর পরিমানে শক্তিও সঞ্চার করে।
❤19👍3
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০২
রোজা পরিপাকতন্ত্রে খাবারের বর্জ্যগুলো জমতে দেয় না। বরং এগুলোর নিষ্কাশনে সহায়তা করে। যদি এ বর্জ্যগুলো শরীরে লম্বা সময় টিকে থাকে, তাহলে তা ক্ষতিকর টক্সিনে পরিণত হতে পারে। রোজা হলো একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে শরীরের ভেতর জমে থাকা ক্ষতিকারক টক্সিনগুলো বেরিয়ে যেতে পারে।
রোজা পরিপাকতন্ত্রে খাবারের বর্জ্যগুলো জমতে দেয় না। বরং এগুলোর নিষ্কাশনে সহায়তা করে। যদি এ বর্জ্যগুলো শরীরে লম্বা সময় টিকে থাকে, তাহলে তা ক্ষতিকর টক্সিনে পরিণত হতে পারে। রোজা হলো একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে শরীরের ভেতর জমে থাকা ক্ষতিকারক টক্সিনগুলো বেরিয়ে যেতে পারে।
🔥8❤4👍1
রোজার শারীরিক উপকারিতা :০৩
রোজার মধ্য দিয়ে মূত্রনালী ও মলমূত্রের ব্যবস্থাপনা সুনিয়ন্ত্রিত হয় এবং এসব অঙ্গের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। শরীরের অভ্যন্তরের এসব কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে রক্ত ও গায়ে জমে থাকা ফ্লুইড পরিশোধিত হয় এবং রক্ত ও ফ্লুইডের কার্যক্রম সচল থাকে। রোজা তথা উপবাসের এ উপকারিতা আছে বলেই রক্তের লিপিড প্রোফাইলসহ অন্যান্য অনেক টেস্ট খালি পেটেই করার প্রচলন রয়েছে। রক্তে কোন উপাদান কতটুকু পরিমাণে আছে এবং কতটুকুই বা কার্যকর আছে তা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে চাইলে খালি পেটে রক্ত পরীক্ষা করার কোন বিকল্প নেই।
রোজার মধ্য দিয়ে মূত্রনালী ও মলমূত্রের ব্যবস্থাপনা সুনিয়ন্ত্রিত হয় এবং এসব অঙ্গের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। শরীরের অভ্যন্তরের এসব কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে রক্ত ও গায়ে জমে থাকা ফ্লুইড পরিশোধিত হয় এবং রক্ত ও ফ্লুইডের কার্যক্রম সচল থাকে। রোজা তথা উপবাসের এ উপকারিতা আছে বলেই রক্তের লিপিড প্রোফাইলসহ অন্যান্য অনেক টেস্ট খালি পেটেই করার প্রচলন রয়েছে। রক্তে কোন উপাদান কতটুকু পরিমাণে আছে এবং কতটুকুই বা কার্যকর আছে তা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে চাইলে খালি পেটে রক্ত পরীক্ষা করার কোন বিকল্প নেই।
❤8👍2
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০৪
রোজা শরীরের কোষ ও টিস্যুগুলোকে সজীব করতে সাহায্য করে। রোজা শরীরের শক্তিগুলোকে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এর বন্টন ও ব্যবহার নিশ্চিত করে। রোজার মধ্য দিয়ে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় । ওজনেও ভারসাম্য আসে। ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। না খেয়ে থাকাসহ বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহন করেন অনেকে। সে ক্ষেত্রে রোজাই উত্তম পন্থা। শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করতে রোজার বিকল্প নেই।
রোজা শরীরের কোষ ও টিস্যুগুলোকে সজীব করতে সাহায্য করে। রোজা শরীরের শক্তিগুলোকে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এর বন্টন ও ব্যবহার নিশ্চিত করে। রোজার মধ্য দিয়ে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় । ওজনেও ভারসাম্য আসে। ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। না খেয়ে থাকাসহ বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহন করেন অনেকে। সে ক্ষেত্রে রোজাই উত্তম পন্থা। শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করতে রোজার বিকল্প নেই।
❤13
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০৫
রোজার মাধ্যমে রোজাদারের শ্বাস - প্রশ্বাস নেযার শক্তি বেড়ে যায়। দম বৃদ্ধি পায়। রোজার সময় ধূমপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন বন্ধ থাকে বিধায় ক্যান্সার, হার্ট ফেইলিওর, স্ট্রোকের মতো জটিল রোগগুলোর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। রোজার বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন: স্টোন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি থেকে নিরাপদ রাখে। ভিন্ন এক গবেষণায় দেখা গেছে ঝুকিপূর্ণ মাত্রায় ' আইজিএফ-১' হরমোন আছে এমন একজন ব্যাক্তিকে মাত্র তিনদিন উপবাস রেখে সেই ' আইজিএফ-১' হরমোনের মাত্রা কমিয়ে ফেলা হয়েছে, যে ব্যক্তির কিনা প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি খুবই প্রবল ছিল।
রোজার মাধ্যমে রোজাদারের শ্বাস - প্রশ্বাস নেযার শক্তি বেড়ে যায়। দম বৃদ্ধি পায়। রোজার সময় ধূমপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন বন্ধ থাকে বিধায় ক্যান্সার, হার্ট ফেইলিওর, স্ট্রোকের মতো জটিল রোগগুলোর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। রোজার বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন: স্টোন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি থেকে নিরাপদ রাখে। ভিন্ন এক গবেষণায় দেখা গেছে ঝুকিপূর্ণ মাত্রায় ' আইজিএফ-১' হরমোন আছে এমন একজন ব্যাক্তিকে মাত্র তিনদিন উপবাস রেখে সেই ' আইজিএফ-১' হরমোনের মাত্রা কমিয়ে ফেলা হয়েছে, যে ব্যক্তির কিনা প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি খুবই প্রবল ছিল।
👍5
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০৬
রোজা রাখার ফলে আগের চেয়ে আরো দক্ষভাবে কাজ করতে শুরু করে পাকস্থলী। সবল হয় হজমযন্ত্র। ইফতারে পুষ্টিকর উপাদানগুলোকে খুব সহজেই গ্রহন করে শরীর। অ্যাডিপোনেকটিন নামের হরমোন বৃদ্ধি পায়, যা মাংসপেশিগুলোকে খাবার থেকে আরো বেশি পুষ্টিকর উপাদান শোষণে সক্ষম করে তোলে। একজন সুস্থ ও সুনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের রোগীর রোজা পালন করতে কোন বাধা নেই। রমাদান মাসে পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের ধরন ও ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিনের পরিবর্তিত মাত্রা ও সময় সঠিকভাবে জেনে নিয়ে একজন ডায়াবেটিস রোগী রোজা পালন করতে পারেন।
রোজা রাখার ফলে আগের চেয়ে আরো দক্ষভাবে কাজ করতে শুরু করে পাকস্থলী। সবল হয় হজমযন্ত্র। ইফতারে পুষ্টিকর উপাদানগুলোকে খুব সহজেই গ্রহন করে শরীর। অ্যাডিপোনেকটিন নামের হরমোন বৃদ্ধি পায়, যা মাংসপেশিগুলোকে খাবার থেকে আরো বেশি পুষ্টিকর উপাদান শোষণে সক্ষম করে তোলে। একজন সুস্থ ও সুনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের রোগীর রোজা পালন করতে কোন বাধা নেই। রমাদান মাসে পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের ধরন ও ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিনের পরিবর্তিত মাত্রা ও সময় সঠিকভাবে জেনে নিয়ে একজন ডায়াবেটিস রোগী রোজা পালন করতে পারেন।
👍7
"দাওয়াতের ময়দানে প্রথম শহীদ"
আজ ১১ মার্চ। ১৯৮২ সালের এই দিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দাওয়াতি প্রোগ্রাম আয়োজনে বাধা দেয় আবু জেহেলের উত্তরসূরীরা। তাদের হামলায় আহত হয়ে শহীদ হন সাব্বির আহমদ ভাই। তার সাথে আহত হয়ে পরবর্তীতে শহীদ হন আবদুল হামিদ, আইয়ুব আলী ও আবদুল জব্বার ভাই। এটা ছাত্রশিবিরের ইতিহাসে প্রথম শাহাদাতের ঘটনা, সেটি ঘটেছিল দাওয়াতের ময়দানে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত ছাত্রদের নিয়ে ১১ মার্চ নবীনবরণ প্রোগ্রাম আয়োজনের উদ্যোগ নেয় ছাত্রশিবির। তার আগের দিন প্রচার-প্রচারণা করতে বাধা দেয় তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা হেলালের নেতৃত্বাধীন বাম সন্ত্রাসীরা। তারা ছাত্রশিবিরের কর্মীদের হেনস্তা করে এবং লিফলেট ও প্রচার-পত্র কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলে।
পরেরদিন নবীনবরণ প্রোগ্রাম শুরু হলে ছাত্রইউনিয়ন, ছাত্রমৈত্রী, জাসদ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন উগ্রপন্থী ছাত্রসংগঠনের সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালায় শিবির নেতা-কর্মীদের উপর। তারা ইটের উপর মাথা রেখে আরেকটি ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেয় আবদুল হামিদ ভাইয়ের। আহত হন আরো অসংখ্য ভাই। সকাল ১১টার পরপরই শাহাদাতের খাতায় নাম লেখান সাব্বির আহমদ ভাই। পরদিন একই খাতায় নাম ওঠে আবদুল হামিদ ও আইয়ুব আলী ভাইয়ের। দীর্ঘ যন্ত্রণায় থাকার পর শাহাদাতের সুধা পান করে আবদুল জব্বার ভাই।
যে ময়দানে প্রথম শাহাদাতের ঘটনা ঘটলো, সেটি হল দাওয়াতি ময়দান, হক ও বাতিলের দ্বন্দ্বের ময়দান। অথচ সেই ময়দান থেকে আজ আমরা দূরে সরে যাচ্ছি। হীনমন্যতা, জড়তা, ভীরুতা আমাদের মাঝে যেন জেঁকে বসেছে। খোলস থেকে বের হয়ে এই ময়দানে উদ্ভাসিত হতে হবে আমাদের। শুধু সরকারের মন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দোষ না দিয়ে, শুধু হায় হায় বা গেলো গেলো না করে ছাত্রদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসতে ছড়িয়ে পড়তে হবে কুয়েট ও জাবির ময়দানে, এনএসইউ বা ব্র্যাকের ময়দানে, ঢাবি কিংবা বুয়েটের ময়দানে।
দাওয়াতের ময়দানে ভাইদের এই আত্মত্যাগই ছাত্রশিবিরকে দাওয়াতের ময়দানে সাহস জোগায়, শক্তি সঞ্চার করে। আসুন এই ময়দানে সক্রিয় থাকি, বিপ্লবী হয়ে বিপ্লবের পথে ফেরাই ঘুণেধরা ছাত্রসমাজকে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাহবারদেরকে।
#Shibir
#ShaheedDay
#11March
আজ ১১ মার্চ। ১৯৮২ সালের এই দিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দাওয়াতি প্রোগ্রাম আয়োজনে বাধা দেয় আবু জেহেলের উত্তরসূরীরা। তাদের হামলায় আহত হয়ে শহীদ হন সাব্বির আহমদ ভাই। তার সাথে আহত হয়ে পরবর্তীতে শহীদ হন আবদুল হামিদ, আইয়ুব আলী ও আবদুল জব্বার ভাই। এটা ছাত্রশিবিরের ইতিহাসে প্রথম শাহাদাতের ঘটনা, সেটি ঘটেছিল দাওয়াতের ময়দানে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত ছাত্রদের নিয়ে ১১ মার্চ নবীনবরণ প্রোগ্রাম আয়োজনের উদ্যোগ নেয় ছাত্রশিবির। তার আগের দিন প্রচার-প্রচারণা করতে বাধা দেয় তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা হেলালের নেতৃত্বাধীন বাম সন্ত্রাসীরা। তারা ছাত্রশিবিরের কর্মীদের হেনস্তা করে এবং লিফলেট ও প্রচার-পত্র কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলে।
পরেরদিন নবীনবরণ প্রোগ্রাম শুরু হলে ছাত্রইউনিয়ন, ছাত্রমৈত্রী, জাসদ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন উগ্রপন্থী ছাত্রসংগঠনের সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালায় শিবির নেতা-কর্মীদের উপর। তারা ইটের উপর মাথা রেখে আরেকটি ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেয় আবদুল হামিদ ভাইয়ের। আহত হন আরো অসংখ্য ভাই। সকাল ১১টার পরপরই শাহাদাতের খাতায় নাম লেখান সাব্বির আহমদ ভাই। পরদিন একই খাতায় নাম ওঠে আবদুল হামিদ ও আইয়ুব আলী ভাইয়ের। দীর্ঘ যন্ত্রণায় থাকার পর শাহাদাতের সুধা পান করে আবদুল জব্বার ভাই।
যে ময়দানে প্রথম শাহাদাতের ঘটনা ঘটলো, সেটি হল দাওয়াতি ময়দান, হক ও বাতিলের দ্বন্দ্বের ময়দান। অথচ সেই ময়দান থেকে আজ আমরা দূরে সরে যাচ্ছি। হীনমন্যতা, জড়তা, ভীরুতা আমাদের মাঝে যেন জেঁকে বসেছে। খোলস থেকে বের হয়ে এই ময়দানে উদ্ভাসিত হতে হবে আমাদের। শুধু সরকারের মন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দোষ না দিয়ে, শুধু হায় হায় বা গেলো গেলো না করে ছাত্রদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসতে ছড়িয়ে পড়তে হবে কুয়েট ও জাবির ময়দানে, এনএসইউ বা ব্র্যাকের ময়দানে, ঢাবি কিংবা বুয়েটের ময়দানে।
দাওয়াতের ময়দানে ভাইদের এই আত্মত্যাগই ছাত্রশিবিরকে দাওয়াতের ময়দানে সাহস জোগায়, শক্তি সঞ্চার করে। আসুন এই ময়দানে সক্রিয় থাকি, বিপ্লবী হয়ে বিপ্লবের পথে ফেরাই ঘুণেধরা ছাত্রসমাজকে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাহবারদেরকে।
#Shibir
#ShaheedDay
#11March
❤11👍1
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০৭
১৬-১৭ ঘন্টা ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত থাকার ফলে শরীরের অঙ্গগুলো স্বাভাবিক হতে থাকে এবং পাচনতন্ত্রের উন্নতি হয় এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ যেমন- গ্যাস, বদহজম, লিভারের রোগ, জয়েন্টে ব্যাথার ঝুঁকি ইত্যাদি কমে যায়। কিডনির মাধ্যমে শরীরে প্রতি মিনিটে এক থেকে তিন লিটার রক্ত সঞ্চালিত হয়। কিডনির কাজ হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থগুলো প্রস্রাব আকারে মূত্রথলিতে প্রেরণ করা। রোজা অবস্থায় কিডনি বিশ্রাম পায়। ফলে এ সময় কিডনি বেশ সক্রিয় হয়ে উঠে।
১৬-১৭ ঘন্টা ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত থাকার ফলে শরীরের অঙ্গগুলো স্বাভাবিক হতে থাকে এবং পাচনতন্ত্রের উন্নতি হয় এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ যেমন- গ্যাস, বদহজম, লিভারের রোগ, জয়েন্টে ব্যাথার ঝুঁকি ইত্যাদি কমে যায়। কিডনির মাধ্যমে শরীরে প্রতি মিনিটে এক থেকে তিন লিটার রক্ত সঞ্চালিত হয়। কিডনির কাজ হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থগুলো প্রস্রাব আকারে মূত্রথলিতে প্রেরণ করা। রোজা অবস্থায় কিডনি বিশ্রাম পায়। ফলে এ সময় কিডনি বেশ সক্রিয় হয়ে উঠে।
❤4
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০৮
অনেক হার্টের রোগী ও রোজায় বেশ উপকার পান। কেননা, মানুষের শরীরের ১০ শতাংশ রক্ত গোটা শরীরের মধ্যে দিয়ে যায় এবং হজমে সহায়তা করে। রোজায় খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ায় রক্তের এ প্রায়োগিক বিষয়টাও কমে যায়। ফলে হার্টকে কম চাপ নিতে হয় এবং হৃদপিণ্ডের মাংসপেশিগুলোও বিশ্রাম পায়। রোজা মস্তিষ্কের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিক খাদ্য গ্রহনে শরীরের ওপর যেমন চাপ বৃদ্ধি পায়, তেমনই এই চাপ মস্তিষ্কের ওপরও পড়ে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখছেন, রোাজার মাধ্যমে যে মানসিক পরিবর্তন আসে, তাতে মস্তিষ্ক থেকে একধরণের নিউরোট্রিফিক ফ্যাক্টর নিসৃত হয়, যা অধিক নিউরন তৈরিতে সাহায্য করে।
অনেক হার্টের রোগী ও রোজায় বেশ উপকার পান। কেননা, মানুষের শরীরের ১০ শতাংশ রক্ত গোটা শরীরের মধ্যে দিয়ে যায় এবং হজমে সহায়তা করে। রোজায় খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ায় রক্তের এ প্রায়োগিক বিষয়টাও কমে যায়। ফলে হার্টকে কম চাপ নিতে হয় এবং হৃদপিণ্ডের মাংসপেশিগুলোও বিশ্রাম পায়। রোজা মস্তিষ্কের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিক খাদ্য গ্রহনে শরীরের ওপর যেমন চাপ বৃদ্ধি পায়, তেমনই এই চাপ মস্তিষ্কের ওপরও পড়ে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখছেন, রোাজার মাধ্যমে যে মানসিক পরিবর্তন আসে, তাতে মস্তিষ্ক থেকে একধরণের নিউরোট্রিফিক ফ্যাক্টর নিসৃত হয়, যা অধিক নিউরন তৈরিতে সাহায্য করে।
রোজার শারীরিক উপকারিতা : ০৯
রোজার সময় সাহরিতে যে খাবার গ্রহন করা হয়, তা থেকে ও লিভারে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন থেকে সারা দিনের উপোসের সময় রক্তে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান সঞ্চালিত হয়৷ লিভারের গ্লাইকোজেন স্টোরেজ শেষ হয়ে গেলে লিভার ও অ্যাডিপোজ টিস্যুতে জমা চর্বি বিপাকের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ হয়। ফলে রমাদানে একজন রোজাদারের জন্য লিভারের ফ্যাট ও শরীরের বাড়তি ওজন হ্রাসের সুযোগ তৈরি হয়। যাদের লিভারের ফ্যাট জমা হয়র, তাদের জন্য রোজা রাখাই উত্তম। রোজা একজন মানুষের মনকে সতেজ রাখে এবং শক্তি জোগায়। প্রবাদ আছে, জিহবা সংযত থাকলে চাহিদাও কমে যায় । ৩০ দিনে রোজা রাখার মধ্যদিয়ে না খাওয়ার একটি অভ্যাস হয় যা পেটুকভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এনে দেয়।
রোজার সময় সাহরিতে যে খাবার গ্রহন করা হয়, তা থেকে ও লিভারে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন থেকে সারা দিনের উপোসের সময় রক্তে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান সঞ্চালিত হয়৷ লিভারের গ্লাইকোজেন স্টোরেজ শেষ হয়ে গেলে লিভার ও অ্যাডিপোজ টিস্যুতে জমা চর্বি বিপাকের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ হয়। ফলে রমাদানে একজন রোজাদারের জন্য লিভারের ফ্যাট ও শরীরের বাড়তি ওজন হ্রাসের সুযোগ তৈরি হয়। যাদের লিভারের ফ্যাট জমা হয়র, তাদের জন্য রোজা রাখাই উত্তম। রোজা একজন মানুষের মনকে সতেজ রাখে এবং শক্তি জোগায়। প্রবাদ আছে, জিহবা সংযত থাকলে চাহিদাও কমে যায় । ৩০ দিনে রোজা রাখার মধ্যদিয়ে না খাওয়ার একটি অভ্যাস হয় যা পেটুকভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এনে দেয়।
👍3
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। আজ সোমবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সোমবার থেকেই রোজা শুরু হয়েছে। সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ হয়ে থাকে।
আলোর পথ সকল ফ্যান, ফলোয়ার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। আহলান সাহলান মাহে রমজান!
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সোমবার থেকেই রোজা শুরু হয়েছে। সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ হয়ে থাকে।
আলোর পথ সকল ফ্যান, ফলোয়ার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। আহলান সাহলান মাহে রমজান!
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤7
ক্যাম্পাসগুলো থেকে শিবির নিধনের ফলাফল এক যুগ পরে পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। শাবিপ্রবির ঘটনা এর প্রাথমিক প্রমাণ মাত্র।
বাংলাদেশের অন্যান্য ইসলামি সংগঠনগুলো জন্মগতভাবেই ক্যাম্পাসের জন্য আনফিট। ফলে আর কোন অপশন নাই।
~ নাঈম আহমেদ
বাংলাদেশের অন্যান্য ইসলামি সংগঠনগুলো জন্মগতভাবেই ক্যাম্পাসের জন্য আনফিট। ফলে আর কোন অপশন নাই।
~ নাঈম আহমেদ
😢14👍4
নতুন চাঁদ দেখার দো‘আ :
اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ
উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহূ ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমা-নি, ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীক্বি লিমা তুহিববু ওয়া তারযা; রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লা-হ ।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপরে চাঁদকে উদিত করুন শান্তি ও ঈমানের সাথে, নিরাপত্তা ও ইসলামের সাথে এবং আমাদেরকে ঐ সকল কাজের ক্ষমতা দানের সাথে, যা আপনি ভালবাসেন ও যাতে আপনি খুশী হন। (হে চন্দ্র!) আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ’।
اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ
উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহূ ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমা-নি, ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীক্বি লিমা তুহিববু ওয়া তারযা; রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লা-হ ।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপরে চাঁদকে উদিত করুন শান্তি ও ঈমানের সাথে, নিরাপত্তা ও ইসলামের সাথে এবং আমাদেরকে ঐ সকল কাজের ক্ষমতা দানের সাথে, যা আপনি ভালবাসেন ও যাতে আপনি খুশী হন। (হে চন্দ্র!) আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ’।
❤13👍1
♥️♥️♥️ আল্লাহ রব্বুল আলামীনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে এই রমাদানে এমন কিছু গোপন আমলের অভ্যাস করুন যা ইতোপূর্বে কখনো করেননি ♥️♥️♥️
❤14👍1