চার জন মানুষের প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই:
১) যে আমাকে আগে সালাম দিয়েছে,
২) যে আমার জন্য মজলিসে জায়গা করে দিয়েছে,
৩) আমার প্রয়োজন পূরণ করার জন্য হাঁটতে গিয়ে যার পা ধূলোমলিন হয়েছে,
আর চতুর্থ ব্যক্তির প্রতিদান আমার পক্ষ থেকে কেবল আল্লাহই দিবেন:
৪) যে ব্যক্তির মনে রাতের বেলা একটা প্রয়োজনের কথা স্মরণে আসার পর সে রাত জেগে ভেবেছে কার কাছে যাওয়া যায়, তারপর তার কাছে মনে হয়েছে আমি তার প্রয়োজন পূরণ করার উপযুক্ত ব্যক্তি, তাই সে আমার কাছে এসেছে।
.
[ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান: ৩/৬৩৬]
সংগৃহীত
১) যে আমাকে আগে সালাম দিয়েছে,
২) যে আমার জন্য মজলিসে জায়গা করে দিয়েছে,
৩) আমার প্রয়োজন পূরণ করার জন্য হাঁটতে গিয়ে যার পা ধূলোমলিন হয়েছে,
আর চতুর্থ ব্যক্তির প্রতিদান আমার পক্ষ থেকে কেবল আল্লাহই দিবেন:
৪) যে ব্যক্তির মনে রাতের বেলা একটা প্রয়োজনের কথা স্মরণে আসার পর সে রাত জেগে ভেবেছে কার কাছে যাওয়া যায়, তারপর তার কাছে মনে হয়েছে আমি তার প্রয়োজন পূরণ করার উপযুক্ত ব্যক্তি, তাই সে আমার কাছে এসেছে।
.
[ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান: ৩/৬৩৬]
সংগৃহীত
❤21
রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানাবেন কিভাবে?
শায়খ মুহাম্মাদ আমীন শানক্বীতীকে প্রশ্ন করা হল,
রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানানোর বিষয়ে আমাকে কিছু নসীহত করুন।
.
তিনি বললেন,
নেককর্মের মওসূমকে স্বাগতম জানাতে হয় ‘বেশী বেশী ইস্তেগফার’ দ্বারা।
কেননা গুনাহের কারণেই বান্দা ইবাদতের তাওফীক থেকে বঞ্চিত হয়।
যে ব্যক্তির অন্তর ‘ইস্তেগফার’কে আঁকড়ে থাকবে,তার অন্তর পরিশুদ্ধ হবে।
সে যদি দুর্বল হয় শক্তিশালী হবে, অসুস্থ হলে আরোগ্য লাভ করবে, বিপদগ্রস্থ হলে নিরাপত্তা লাভ করবে, দিশেহারা থাকলে হেদায়াত লাভ করবে,
সংকীর্ণ অবস্থায় থাকলে প্রশস্থতা লাভ করবে।
.
কেননা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর তিরোধানের পর ‘ইস্তেগফার’ হচ্ছে আমাদের নিরাপত্তা লাভের গ্যরান্টি।
.
ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন,
যে ব্যক্তি ‘সর্বদা ইস্তেগফার’ দ্বারা নিজেকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করতে পারবে, আল্লাহ তার রিযিক সহজ করে দিবেন,
তার সকল কাজকে সাবলিল করে দিবেন,
তার সকল বিষয়কে সংরক্ষণ করবেন।
.
ওমার বিন খাত্তাব (রা.) বলেন,
আকাশ থেকে যদি বজ্রপাতও হয়,
তবু ইস্তেগফারপাঠকারী আক্রান্ত হবেনা।
.
আসুন সবাই পাঠ করি,
.
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲَّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
.
'আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।'
.
অর্থাৎ - আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি নিখিল সৃষ্টির পরিচালক। আমি তার কাছেই ফিরে যাব।
.
বিশিষ্ট সাহাবি জায়েদ (রা.) বর্ণনা করেন,
নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন,
যে ব্যক্তি এ দোয়াটি পাঠ করবে,
তার ( জীবনের ) সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে।
[ সুনান আবু দাউদঃ ১৫১৯,জামে আত তিরমিযীঃ ৩৫৭৭ ]
.
- সংগৃহীত
#Ramadan
শায়খ মুহাম্মাদ আমীন শানক্বীতীকে প্রশ্ন করা হল,
রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানানোর বিষয়ে আমাকে কিছু নসীহত করুন।
.
তিনি বললেন,
নেককর্মের মওসূমকে স্বাগতম জানাতে হয় ‘বেশী বেশী ইস্তেগফার’ দ্বারা।
কেননা গুনাহের কারণেই বান্দা ইবাদতের তাওফীক থেকে বঞ্চিত হয়।
যে ব্যক্তির অন্তর ‘ইস্তেগফার’কে আঁকড়ে থাকবে,তার অন্তর পরিশুদ্ধ হবে।
সে যদি দুর্বল হয় শক্তিশালী হবে, অসুস্থ হলে আরোগ্য লাভ করবে, বিপদগ্রস্থ হলে নিরাপত্তা লাভ করবে, দিশেহারা থাকলে হেদায়াত লাভ করবে,
সংকীর্ণ অবস্থায় থাকলে প্রশস্থতা লাভ করবে।
.
কেননা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর তিরোধানের পর ‘ইস্তেগফার’ হচ্ছে আমাদের নিরাপত্তা লাভের গ্যরান্টি।
.
ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন,
যে ব্যক্তি ‘সর্বদা ইস্তেগফার’ দ্বারা নিজেকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করতে পারবে, আল্লাহ তার রিযিক সহজ করে দিবেন,
তার সকল কাজকে সাবলিল করে দিবেন,
তার সকল বিষয়কে সংরক্ষণ করবেন।
.
ওমার বিন খাত্তাব (রা.) বলেন,
আকাশ থেকে যদি বজ্রপাতও হয়,
তবু ইস্তেগফারপাঠকারী আক্রান্ত হবেনা।
.
আসুন সবাই পাঠ করি,
.
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲَّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
.
'আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।'
.
অর্থাৎ - আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি নিখিল সৃষ্টির পরিচালক। আমি তার কাছেই ফিরে যাব।
.
বিশিষ্ট সাহাবি জায়েদ (রা.) বর্ণনা করেন,
নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন,
যে ব্যক্তি এ দোয়াটি পাঠ করবে,
তার ( জীবনের ) সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে।
[ সুনান আবু দাউদঃ ১৫১৯,জামে আত তিরমিযীঃ ৩৫৭৭ ]
.
- সংগৃহীত
#Ramadan
❤12👍3
এটি কোন প্রধানমন্ত্রীর হাতে পাওয়া পুরস্কার নয়। নয় কোন রাষ্ট্রপতি পদক। কিংবা কোন বিশ্বকাপ ট্রফি।
এই পুরস্কার গোটা বিশ্বজাহানের মহান মুনিব আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছ থেকেই সরাসরি প্রাপ্ত পুরস্কার। এটিই হল সিয়ামের প্রতিদান।
আসুন, আজ থেকেই প্রস্তুতি নিই নিকটবর্তী রমাদানের জন্য। পুরস্কারপ্রাপ্তের কাতারে নিজেকে শামিল করতে কাজে লাগাই এই রমাদানকে।
এই পুরস্কার গোটা বিশ্বজাহানের মহান মুনিব আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছ থেকেই সরাসরি প্রাপ্ত পুরস্কার। এটিই হল সিয়ামের প্রতিদান।
আসুন, আজ থেকেই প্রস্তুতি নিই নিকটবর্তী রমাদানের জন্য। পুরস্কারপ্রাপ্তের কাতারে নিজেকে শামিল করতে কাজে লাগাই এই রমাদানকে।
❤19
সাহাবীদের মেয়ারে হক্ব নিয়ে সংগ্রাম পক্ষে-বিপক্ষে যায় করেন।
সাহাবীদের জীবনি গভীরভাবে অধ্যয়ন করে এতটুকু অন্ততপক্ষে বুঝতে পেরেছি। আমরা সাহাবী চরিত্রের মানুষ নই। সাহাবীরাও গরিব ছিলো,পরাজিত অবস্থায়ও ছিলো দীর্ঘকাল কিন্তু দুনিয়ার সর্বোচ্চ
উন্নত মানসিকতা, ব্যক্তিত্ববোধ, আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন।
তাঁদের কমিউনিকেশন, নেগোসিয়েশন, মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা প্রতিটি শব্দ ছিলো নান্দনিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও যথাযথ।
তাঁদের প্রতিবাদের ভাষাও ছিলো অনেক উঁচু মাত্রার ও সর্বোচ্চ ব্যক্তিত্ব বোধ,ভদ্র-সভ্যর প্রতিফলিত রুপ।
সে যুগের সর্বোচ্চ সিভিলাইজড ব্যক্তিত্ব ছিলেন সাহাবীরা। যাদের দেখে রোম সম্রাটরাও হীনমন্যতায় পড়েগেছে।
আর আমরা?
কিতাবি মুখস্থ পাহাড় সমান জ্ঞান মস্তিষ্কে জমিয়ে রাখলেই দুনিয়ার নেতা হওয়া যায় না।
সাহাবীদের জীবনি গভীরভাবে অধ্যয়ন করে এতটুকু অন্ততপক্ষে বুঝতে পেরেছি। আমরা সাহাবী চরিত্রের মানুষ নই। সাহাবীরাও গরিব ছিলো,পরাজিত অবস্থায়ও ছিলো দীর্ঘকাল কিন্তু দুনিয়ার সর্বোচ্চ
উন্নত মানসিকতা, ব্যক্তিত্ববোধ, আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন।
তাঁদের কমিউনিকেশন, নেগোসিয়েশন, মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা প্রতিটি শব্দ ছিলো নান্দনিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও যথাযথ।
তাঁদের প্রতিবাদের ভাষাও ছিলো অনেক উঁচু মাত্রার ও সর্বোচ্চ ব্যক্তিত্ব বোধ,ভদ্র-সভ্যর প্রতিফলিত রুপ।
সে যুগের সর্বোচ্চ সিভিলাইজড ব্যক্তিত্ব ছিলেন সাহাবীরা। যাদের দেখে রোম সম্রাটরাও হীনমন্যতায় পড়েগেছে।
আর আমরা?
কিতাবি মুখস্থ পাহাড় সমান জ্ঞান মস্তিষ্কে জমিয়ে রাখলেই দুনিয়ার নেতা হওয়া যায় না।
❤13
শয়তানের ওয়াসওয়াসা থাকলে ঈমান আছে এটা বোঝা সহজ হয়।
আর শয়তানের বড় ৩টি ওয়াসওয়াসার বাস্তব চিত্র হলো—
১. নামাজে দূর্বলতা।
২. ঘুম নিয়ন্ত্রণে না থাকা।
৩. মন মতো ইসলাম প্রাকটিস করা। (From Experience)
~ হাফেজ রাশেদুল ইসলাম
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
#Tazkiyah
#Our_Movement
#Our_Mission
#Our_Vision
আর শয়তানের বড় ৩টি ওয়াসওয়াসার বাস্তব চিত্র হলো—
১. নামাজে দূর্বলতা।
২. ঘুম নিয়ন্ত্রণে না থাকা।
৩. মন মতো ইসলাম প্রাকটিস করা। (From Experience)
~ হাফেজ রাশেদুল ইসলাম
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
#Tazkiyah
#Our_Movement
#Our_Mission
#Our_Vision
❤12
ইয়া রব অন্তর টা দগ্ধ! আপনি আমার থেকেও আমার অন্তর সম্পর্কে ভাল অবগত!এক পৃথিবী সমান যন্ত্রণা হৃদয়ে!আমি আমার সকল যন্ত্রণা ব্যথা আপনার কাছে নিবেদন করতেছি।নিশ্চয়ই এই ব্যথা লাঘব করার একমাত্র মালিক আপনি।আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।
আমার প্রতিটি ব্যথা দীর্ঘশ্বাসের বিনিময়ে গুনাহ গুলো মুচন করে দিন। আপনার স্মরণে ক্বলব টা কে জীবিত করে দিন।আপনার সত্য দ্বীনের উপর অটল রাখুন।
জীবনে যা কিছু পেয়েছি আর যা কিছু পাইনি।সকল কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।আমাকে সবর্দা আপনার উপর তাওয়াক্কুলের জন্য অটল রাখুন।আমাকে সবরের জামিল দান করুন।আপনার রহমতের চাদরে আবৃত করুন।
আমীন ইয়া রাব্বাল আলামিন।
Click on
আমার প্রতিটি ব্যথা দীর্ঘশ্বাসের বিনিময়ে গুনাহ গুলো মুচন করে দিন। আপনার স্মরণে ক্বলব টা কে জীবিত করে দিন।আপনার সত্য দ্বীনের উপর অটল রাখুন।
জীবনে যা কিছু পেয়েছি আর যা কিছু পাইনি।সকল কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।আমাকে সবর্দা আপনার উপর তাওয়াক্কুলের জন্য অটল রাখুন।আমাকে সবরের জামিল দান করুন।আপনার রহমতের চাদরে আবৃত করুন।
আমীন ইয়া রাব্বাল আলামিন।
Click on
🥰13❤3
Forwarded from আলোর পথ
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জামানায় এখন তাগুতের স্রোত চলছে,
এ স্রোতকে আমরা পাল্টে দিতে চাই।
ডা. শফিকুল রহমান
আমীরে জামাত
👉https://t.me/alolpath
এ স্রোতকে আমরা পাল্টে দিতে চাই।
ডা. শফিকুল রহমান
আমীরে জামাত
👉https://t.me/alolpath
❤19👍2
রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা আছে কিছুটা আমার। এশিয়ার প্রাচীন ইসলামী রাজনৈতিক সংগঠন ছিলো বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। সে এক লম্বা ইতিহাস। এই সংগঠনের ছাত্র অঙ্গসংগঠন হলো বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র সমাজ। আমি সেন্ট্রাল কমিটির সহকারী মহাসচিব হিসেবে আছি গত সেশন থেকে। এই পরিচয়টা দেয়ার কারণটা বলি এবার...
সম্প্রতি যাত্রাবাড়ী মাদরাসার ছাতকর রেজাউল হত্যার পর থেকে নানা ইস্যুতে ছাত্র সংগঠনগুলো একসাথে হয়ে ভূমিকা নেয়ার জন্য সকল ছাত্র সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যপরিষদ গঠন করে। কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন যেমন ছাত্র জমিয়ত থেকে শুরু করে ছাত্র খেলাফত এবং ইশা ছাত্র আন্দোলনসহ আরো অনেক সংগঠন মিলে এই সর্বদলীয় পরিষদের যাত্রা। তো এই পরিষদের উদ্যোগে আগামী ৯ই মার্চ সকাল দশটায় বিতর্কিত শিক্ষানীতি ও পাঠ্যপুস্তকে ইসলাম ও মানবতাবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনার জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে একটি শিক্ষা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এই সেমিনারে নানা ধরনের শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে এই সেমিনারে উপস্থিত হয়ে আয়োজন সফল করবার দাওয়াত দিচ্ছি...
লেখাঃ আম্মারুল হক হাফিঃ
সম্প্রতি যাত্রাবাড়ী মাদরাসার ছাতকর রেজাউল হত্যার পর থেকে নানা ইস্যুতে ছাত্র সংগঠনগুলো একসাথে হয়ে ভূমিকা নেয়ার জন্য সকল ছাত্র সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যপরিষদ গঠন করে। কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন যেমন ছাত্র জমিয়ত থেকে শুরু করে ছাত্র খেলাফত এবং ইশা ছাত্র আন্দোলনসহ আরো অনেক সংগঠন মিলে এই সর্বদলীয় পরিষদের যাত্রা। তো এই পরিষদের উদ্যোগে আগামী ৯ই মার্চ সকাল দশটায় বিতর্কিত শিক্ষানীতি ও পাঠ্যপুস্তকে ইসলাম ও মানবতাবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনার জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে একটি শিক্ষা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এই সেমিনারে নানা ধরনের শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে এই সেমিনারে উপস্থিত হয়ে আয়োজন সফল করবার দাওয়াত দিচ্ছি...
লেখাঃ আম্মারুল হক হাফিঃ
❤9
বলা হয়ে থাকে, চারটি জিনিস ভালো, কিন্তু চারটি জিনিস আরও ভালো:
.
(১) পুরুষের লজ্জা ভালো, তবে নারীর লজ্জা আরও ভালো।
.
কারণ, পুরুষের চেয়ে নারীর লজ্জাহীনতার মন্দ প্রভাবে সমাজ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন: একজন পতিতা নারীর মাধ্যমে একটি সমাজের শত শত পুরুষের নৈতিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। (ভুল বুঝবেন না। পুরুষের লজ্জাহীনতায় সমাজের ক্ষতিকে অস্বীকার করা হচ্ছে না। এখানে শুধু তুলনা করা হয়েছে)
.
(২) প্রত্যেক ব্যক্তির ইনসাফই ভালো, তবে বিচারক ও শাসকের ইনসাফ বেশি ভালো।
.
কারণ বিচারকের ইনসাফের দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে। তাদের উপর মানুষ আস্থা রাখে। তারাই বেইনসাফি করলে সমাজ আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হয়, ফলে ইনসাফ নামক শব্দটাই হারিয়ে যায় মানবসমাজ থেকে।
.
(৩) বৃদ্ধ ব্যক্তির তাওবাহ ভালো, তবে যুবকের তাওবাহ আরও ভালো।
.
বৃদ্ধ বয়সে মানুষ সাধারণভাবেই অনেক গুনাহের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই, তারা তখন আল্লাহর দিকে ফিরে আসেন। কিন্তু টগবগে যৌবনে মানুষ গুনাহ করার জন্য লালায়িত থাকে। এমন অবস্থায় তাওবাহ করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা অধিক প্রশংসনীয়। একাধিক হাদিসেও এ ধরনের বিভিন্ন ইঙ্গিত আছে।
.
(৪) ধনীর দানশীলতা ভালো, তবে গরিবের দানশীলতা অধিক ভালো।
.
কারণ ধনী তো সহজেই দান করতে পারে, যেহেতু তার আছে প্রচুর। কিন্তু গরিব মানুষ যখন সীমিত সামর্থ্য থাকার পরও দান করে, তখন সেটি আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হয়ে যায়। হাদিসেও এমনটিই এসেছে।
👉@alolpath
.
(১) পুরুষের লজ্জা ভালো, তবে নারীর লজ্জা আরও ভালো।
.
কারণ, পুরুষের চেয়ে নারীর লজ্জাহীনতার মন্দ প্রভাবে সমাজ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন: একজন পতিতা নারীর মাধ্যমে একটি সমাজের শত শত পুরুষের নৈতিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। (ভুল বুঝবেন না। পুরুষের লজ্জাহীনতায় সমাজের ক্ষতিকে অস্বীকার করা হচ্ছে না। এখানে শুধু তুলনা করা হয়েছে)
.
(২) প্রত্যেক ব্যক্তির ইনসাফই ভালো, তবে বিচারক ও শাসকের ইনসাফ বেশি ভালো।
.
কারণ বিচারকের ইনসাফের দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে। তাদের উপর মানুষ আস্থা রাখে। তারাই বেইনসাফি করলে সমাজ আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হয়, ফলে ইনসাফ নামক শব্দটাই হারিয়ে যায় মানবসমাজ থেকে।
.
(৩) বৃদ্ধ ব্যক্তির তাওবাহ ভালো, তবে যুবকের তাওবাহ আরও ভালো।
.
বৃদ্ধ বয়সে মানুষ সাধারণভাবেই অনেক গুনাহের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই, তারা তখন আল্লাহর দিকে ফিরে আসেন। কিন্তু টগবগে যৌবনে মানুষ গুনাহ করার জন্য লালায়িত থাকে। এমন অবস্থায় তাওবাহ করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা অধিক প্রশংসনীয়। একাধিক হাদিসেও এ ধরনের বিভিন্ন ইঙ্গিত আছে।
.
(৪) ধনীর দানশীলতা ভালো, তবে গরিবের দানশীলতা অধিক ভালো।
.
কারণ ধনী তো সহজেই দান করতে পারে, যেহেতু তার আছে প্রচুর। কিন্তু গরিব মানুষ যখন সীমিত সামর্থ্য থাকার পরও দান করে, তখন সেটি আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হয়ে যায়। হাদিসেও এমনটিই এসেছে।
👉@alolpath
👍9❤2
বিজ্ঞান, প্রযুক্তির ধারাবাহিক অগ্রগতি মানুষের জীবনে ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করেছে। সেই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে চলমান ঘটনা প্রবাহ সম্পর্কে ব্যাপক তথ্য প্রদান করছে।মানুষ আজ সহজেই নিজের বক্তব্য ও অবস্হান তুলে ধরতে সক্ষম হচ্ছে।
চলমান পরিস্হিতিতে ইসলামের দাওয়াহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য।পেশাদারিত্বের সাথে স্মার্টলি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে না পারলে নতুন প্রজন্মকে দাওয়াতী তৎপরতায় সম্পৃক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
মানুষকে দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট করার উত্তম উপায় হচ্ছে হৃদয়গ্রাহী ভাষা।বক্তব্য যত সংক্ষিপ্ত ও যুক্তিপূর্ন, তথ্য বহুল হবে তা মানুষের মনোজগতে ততবেশি প্রভাব বিস্তার করবে।একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বললে মানুষ বিরক্ত বোধ করে।এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দায়ীদের আলোচনা রাখতে হবে। কুরআনের অসংখ্য ঘটনা থেকে উদাহারন পেশ করা উত্তম। নিজেকে উদাহারন হিসেবে পেশ করা মোটেই সমিচীন নয়।
চলমান পরিস্হিতিতে ইসলামের দাওয়াহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য।পেশাদারিত্বের সাথে স্মার্টলি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে না পারলে নতুন প্রজন্মকে দাওয়াতী তৎপরতায় সম্পৃক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
মানুষকে দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট করার উত্তম উপায় হচ্ছে হৃদয়গ্রাহী ভাষা।বক্তব্য যত সংক্ষিপ্ত ও যুক্তিপূর্ন, তথ্য বহুল হবে তা মানুষের মনোজগতে ততবেশি প্রভাব বিস্তার করবে।একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বললে মানুষ বিরক্ত বোধ করে।এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দায়ীদের আলোচনা রাখতে হবে। কুরআনের অসংখ্য ঘটনা থেকে উদাহারন পেশ করা উত্তম। নিজেকে উদাহারন হিসেবে পেশ করা মোটেই সমিচীন নয়।
❤7
"আমরা মজলুম, আমরা নির্যাতিত। আমাদের উপর নানা অত্যাচার করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী তার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করছে।"
- মতিউর রহমান আকন্দ
প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
https://t.me/boost/alolpath
- মতিউর রহমান আকন্দ
প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
https://t.me/boost/alolpath
❤21👍1
প্রতিনিয়ত বেগানা নারীদেরকে দেখে দৃষ্টি খিয়ানত করে, মোবাইলের স্ক্রিনে, রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত চোখের জিনা করে দ্বীনদার স্ত্রী খোঁজা হিপোক্রেসি। গুনাহ তো গুনাহই। গোনাহ'র কোনো ওযুহাত হয়না। "আমি অবিবাহিত, আমার তো স্ত্রী নেই তাই চোখ হিফাজত করতে পারি না, পুরুষদের ফিতরাতগতভাবেই আল্লাহ এভাবে বানিয়েছেন"— এসব ওযুহাত ইনভ্যালিড। ফিতরাত তো আল্লাহর নবী ইউসুফ (আ) এর ও ছিল। ফিতরাতের দোহাই দিয়ে তিনি বেগানা নারীর দিকে ছুটেননি বরং মা'য়াযাল্লাহ বলতে বলতে বন্ধ দরজার দিকেই ছুটেছিলেন ফিতনা থেকে বাঁচতে।
ফিতরাত/ নাফস তো আল্লাহর তরফ থেকে পরীক্ষা করার একটা উপকরণ। নাফসের লাগাম টেনে আল্লাহকে ভয় করাতেই আসল বীরত্ব।
যারা চায় আল্লাহ তাদেরকে চক্ষু শীতলকারিনী, মুত্তাকি স্ত্রী দান করুক তাদের উচিৎ আগে নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়া এবং আল্লাহর কাছে দু'আ করা৷ কারণ সমস্ত মুত্তাকী নারীরা তাদের রবের কাছে মুত্তাকী, দৃষ্টি হেফাজতকারী স্বামী চেয়েই কান্না করে, দু'আ করে।
[সংগৃহীত]
ফিতরাত/ নাফস তো আল্লাহর তরফ থেকে পরীক্ষা করার একটা উপকরণ। নাফসের লাগাম টেনে আল্লাহকে ভয় করাতেই আসল বীরত্ব।
যারা চায় আল্লাহ তাদেরকে চক্ষু শীতলকারিনী, মুত্তাকি স্ত্রী দান করুক তাদের উচিৎ আগে নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়া এবং আল্লাহর কাছে দু'আ করা৷ কারণ সমস্ত মুত্তাকী নারীরা তাদের রবের কাছে মুত্তাকী, দৃষ্টি হেফাজতকারী স্বামী চেয়েই কান্না করে, দু'আ করে।
[সংগৃহীত]
❤19👍2
৪০ দিনে জীবন পরিবর্তনের ২০টি চ্যালেঞ্জ-
১. ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করা।
২. ঘুম থেকে উঠার পর দোয়া পড়া, মেসওয়াক করা।
৩. ওযুর করার পড়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা।
৪. রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।
৫. গোসল ফরজ হলে ফযরের আগে গোসল করা।
৬. আযান শোনা ও আযানের উত্তর দেওয়া।
৭.ফযরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করা।
৮. সূর্যোদ্বয়ের আগে কোরআন তিলাওয়াত করা।
৯. সূর্যোদ্বয়ের পরে ইশরাকের নামাজ আদায় করা।
১০. প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নাত নামাজ আদায় করা।
১১. সালাতুল দোহা আদায় করা।
১২. সময়মতো ফযর, যোহর, আছর,
মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করা।
১৩. প্রতি ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল পাঠ করা।
১৪.প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা রাখা।
১৫. প্রতিমাসে আইয়ামে বীজের রোজা রাখা।
১৬. প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা।
১৭. প্রতিদিন সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করা।
১৮. প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সূরা মূলক ও
সূরা বাক্কারার শেষ ২ আয়াত তিলাওয়াত করা।
১৯.প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে আল্লাহর কাছে
ক্ষমা চাওয়া। আর সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া।
২০. দিনে অন্তত ৭০ বার ইস্তেগফার করা।
আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং সবাইকে
বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আ-মীন
১. ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করা।
২. ঘুম থেকে উঠার পর দোয়া পড়া, মেসওয়াক করা।
৩. ওযুর করার পড়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা।
৪. রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।
৫. গোসল ফরজ হলে ফযরের আগে গোসল করা।
৬. আযান শোনা ও আযানের উত্তর দেওয়া।
৭.ফযরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করা।
৮. সূর্যোদ্বয়ের আগে কোরআন তিলাওয়াত করা।
৯. সূর্যোদ্বয়ের পরে ইশরাকের নামাজ আদায় করা।
১০. প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নাত নামাজ আদায় করা।
১১. সালাতুল দোহা আদায় করা।
১২. সময়মতো ফযর, যোহর, আছর,
মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করা।
১৩. প্রতি ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল পাঠ করা।
১৪.প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা রাখা।
১৫. প্রতিমাসে আইয়ামে বীজের রোজা রাখা।
১৬. প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা।
১৭. প্রতিদিন সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করা।
১৮. প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সূরা মূলক ও
সূরা বাক্কারার শেষ ২ আয়াত তিলাওয়াত করা।
১৯.প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে আল্লাহর কাছে
ক্ষমা চাওয়া। আর সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া।
২০. দিনে অন্তত ৭০ বার ইস্তেগফার করা।
আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং সবাইকে
বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আ-মীন
❤20👍2🥰1
অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানে না সন্তরণ
কান্ডারী! আজ দেখিবে তোমার মাতৃমুক্তি পণ
হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।
[ কান্ডারী হুশিয়ার -
কান্ডারী! আজ দেখিবে তোমার মাতৃমুক্তি পণ
হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।
[ কান্ডারী হুশিয়ার -
কাজী নজরুল ইসলাম]
😢12