রামাদান রুটিনঃ
২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:২৫ > তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামাজ (বোনরা বিতিরের নামাজ এই সময় পড়বেন এবং ফাঁকে ফাঁকে সাহরীর জন্য খাবার গরম করে ফেলবেন)
৩:২৫-৩:৩৫ > দুয়া-মুনাজাত।
৩:৩৫-৩:৫০ > সাহরী করা।
৩:৫০- ফজরের আযান পর্যন্ত কোরআন পড়া, ইস্তিগফার করা।
ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন। আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।
৯:১৫-১:০০- যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০- বাসায় ফেরা, দ্বীনি ইলম অর্জন, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ - দুপুরের ঘুম।
৪:৪৫-৫:১০ -আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৫০- মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:৫০-৬:২৫- ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৬:২৫-৬:৩০- দুয়া
৬:৩০-৭:০০- ইফতার, মাগরীবের সালাত।
৭:০০-৮:০০- বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ এশার সালাত, তারাবীহ্।
১১:০০-১১:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
১১:১৫-১১:৩০- ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০- ঘুম।
এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কোরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা, মার্কেটে ঘুরা এসব কমিয়ে আনা উচিত।
.
আল্লাহ্ তা'অালা আমাদেরকে রমাদানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দিন।
- দাওয়াহ
#Ramadan
@alolpath
২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:২৫ > তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামাজ (বোনরা বিতিরের নামাজ এই সময় পড়বেন এবং ফাঁকে ফাঁকে সাহরীর জন্য খাবার গরম করে ফেলবেন)
৩:২৫-৩:৩৫ > দুয়া-মুনাজাত।
৩:৩৫-৩:৫০ > সাহরী করা।
৩:৫০- ফজরের আযান পর্যন্ত কোরআন পড়া, ইস্তিগফার করা।
ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন। আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।
৯:১৫-১:০০- যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০- বাসায় ফেরা, দ্বীনি ইলম অর্জন, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ - দুপুরের ঘুম।
৪:৪৫-৫:১০ -আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৫০- মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:৫০-৬:২৫- ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৬:২৫-৬:৩০- দুয়া
৬:৩০-৭:০০- ইফতার, মাগরীবের সালাত।
৭:০০-৮:০০- বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ এশার সালাত, তারাবীহ্।
১১:০০-১১:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
১১:১৫-১১:৩০- ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০- ঘুম।
এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কোরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা, মার্কেটে ঘুরা এসব কমিয়ে আনা উচিত।
.
আল্লাহ্ তা'অালা আমাদেরকে রমাদানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দিন।
- দাওয়াহ
#Ramadan
@alolpath
❤13👍3
"নন্দলাল তৈরির শিক্ষাব্যবস্থা"
অনেক অনেকদিন আগে নন্দলাল নামক এক ব্যক্তি ছিল। একদা সে ভীষণ একটা পণ করল যে, তাকে দেশের জন্য কিছু করতে হবে। আর এজন্য তাকে বেঁচে থাকতে হবে। তার একটি বড় দুশ্চিন্তা এই যে, কোন কারণে সে যদি মারা যায়, তাহলে দেশকে উদ্ধার করার মত আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। বড্ড বিরল চিন্তার অধিকারী নন্দকে সবাই বাহবা দিতে লাগলো।
ওদিকে নন্দের ভাইয়ের হঠাৎ কলেরা ধরা পড়লো। কিছু মানুষ তাকে ভাইয়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে বলায় সে ক্ষেপে গিয়ে বললো, ভাইয়ের জন্য জীবন দিতে তার আপত্তি নেই, কিন্তু অভাগা দেশের হাল কে ধরবে? উপরন্তু শরীরকে সুস্থ রাখতে সে ব্যাপক খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত, ব্যস্ত দেশের সেবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে।
নন্দ বাড়ির বাইরে বের হতনা। বের হলে কত মুসিবত রয়েছে রাস্তা-ঘাটে তা তার ভালোই জানা ছিল। উঠানে কুকুর, গলিতে সাপ, রাস্তায় গাড়ি- যেকোন জায়গাতে দুর্ঘটনার শিকার হলে দেশ চলে যাবে হুমকির মুখে। গাড়িতে চড়াও মুশকিল- কখন উল্টিয়ে যায়, নৌকায় চড়াও দায়- কখন ডুবে যায়, রেলেও ভরসা নাই- কখন লাইনচ্যুত হয়। বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং প্রফেসরগণ তাকে সম্মাননা দিল দেশপ্রেমের জন্য।
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা পরিণত হয়েছে এমনই নন্দলাল তৈরির কারখানায়। কারখানাকে সচল রাখতে তৈরি হয়েছে নন্দলাল তৈরির শিক্ষানীতি-২০১০, প্রণীত হয়েছে শিক্ষাক্রম-২০২০, পাঠ্যক্রম-২০২৩, পাঠ্যপুস্তক-২০২৪। এর মাধ্যমে এমন একটি শ্রেণি তৈরি হবে, যারা নন্দলালের মতই হবে উদরপূর্তিতে ব্যস্ত। মুখে দেশপ্রেমের খই ফোটানো লোকের অভাব হবেনা। কিন্তু দেশের জন্য জীবন দেওয়ার মানুষ পাওয়া যাবেনা। সবাই দেশের জন্য নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে উদগ্রীব।
শুধু ভবিষ্যৎ নয়, বর্তমানেও আমরা নন্দলালের মতই হয়ে গেছি। মুখে সার্বভৌমত্বের কথা বলি, অথচ সেই সার্বভৌমত্বের জন্য যারা হুমকি তাদের বিরূদ্ধে টু শব্দ নেই। আফসোস, নন্দলালদের জন্য।
[উল্লিখিত উগান্ডার গল্পটির থিম দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি কবিতা নেওয়া। আমাদের সময়ে কোন এক ক্লাসের বাংলা বইয়ে কবিতাটি ছিল।]
অনেক অনেকদিন আগে নন্দলাল নামক এক ব্যক্তি ছিল। একদা সে ভীষণ একটা পণ করল যে, তাকে দেশের জন্য কিছু করতে হবে। আর এজন্য তাকে বেঁচে থাকতে হবে। তার একটি বড় দুশ্চিন্তা এই যে, কোন কারণে সে যদি মারা যায়, তাহলে দেশকে উদ্ধার করার মত আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। বড্ড বিরল চিন্তার অধিকারী নন্দকে সবাই বাহবা দিতে লাগলো।
ওদিকে নন্দের ভাইয়ের হঠাৎ কলেরা ধরা পড়লো। কিছু মানুষ তাকে ভাইয়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে বলায় সে ক্ষেপে গিয়ে বললো, ভাইয়ের জন্য জীবন দিতে তার আপত্তি নেই, কিন্তু অভাগা দেশের হাল কে ধরবে? উপরন্তু শরীরকে সুস্থ রাখতে সে ব্যাপক খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত, ব্যস্ত দেশের সেবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে।
নন্দ বাড়ির বাইরে বের হতনা। বের হলে কত মুসিবত রয়েছে রাস্তা-ঘাটে তা তার ভালোই জানা ছিল। উঠানে কুকুর, গলিতে সাপ, রাস্তায় গাড়ি- যেকোন জায়গাতে দুর্ঘটনার শিকার হলে দেশ চলে যাবে হুমকির মুখে। গাড়িতে চড়াও মুশকিল- কখন উল্টিয়ে যায়, নৌকায় চড়াও দায়- কখন ডুবে যায়, রেলেও ভরসা নাই- কখন লাইনচ্যুত হয়। বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং প্রফেসরগণ তাকে সম্মাননা দিল দেশপ্রেমের জন্য।
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা পরিণত হয়েছে এমনই নন্দলাল তৈরির কারখানায়। কারখানাকে সচল রাখতে তৈরি হয়েছে নন্দলাল তৈরির শিক্ষানীতি-২০১০, প্রণীত হয়েছে শিক্ষাক্রম-২০২০, পাঠ্যক্রম-২০২৩, পাঠ্যপুস্তক-২০২৪। এর মাধ্যমে এমন একটি শ্রেণি তৈরি হবে, যারা নন্দলালের মতই হবে উদরপূর্তিতে ব্যস্ত। মুখে দেশপ্রেমের খই ফোটানো লোকের অভাব হবেনা। কিন্তু দেশের জন্য জীবন দেওয়ার মানুষ পাওয়া যাবেনা। সবাই দেশের জন্য নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে উদগ্রীব।
শুধু ভবিষ্যৎ নয়, বর্তমানেও আমরা নন্দলালের মতই হয়ে গেছি। মুখে সার্বভৌমত্বের কথা বলি, অথচ সেই সার্বভৌমত্বের জন্য যারা হুমকি তাদের বিরূদ্ধে টু শব্দ নেই। আফসোস, নন্দলালদের জন্য।
[উল্লিখিত উগান্ডার গল্পটির থিম দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি কবিতা নেওয়া। আমাদের সময়ে কোন এক ক্লাসের বাংলা বইয়ে কবিতাটি ছিল।]
❤6
রাতের আমল:
ফারওয়া বিন নাওফেল আল-আশআরী (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেনঃ
'হে আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ)! যখন আমি বিছানায় ঘুমাতে যাব তখন কী বলব তা আমাকে শিক্ষা দিন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
[আবু দাউদ; হাদীসঃ ৫০৫৫]
Join: @alolpath
ফারওয়া বিন নাওফেল আল-আশআরী (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেনঃ
'হে আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ)! যখন আমি বিছানায় ঘুমাতে যাব তখন কী বলব তা আমাকে শিক্ষা দিন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
তুমি সূরা কাফিরূন পড় এবং এর সমাপ্তির উপরেই ঘুমাও, কেননা তা শিরক থেকে সম্পর্ক ছিন্নকারী।'
[আবু দাউদ; হাদীসঃ ৫০৫৫]
Join: @alolpath
❤9🥰1
সর্তকতা :
ফেসবুকের সার্ভার ডাউন। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। হ্যাক হয়নি আইডি বা পেজ।
ফেসবুকের সার্ভার ডাউন। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। হ্যাক হয়নি আইডি বা পেজ।
❤15
কিয়ামতের আগে কোনো একদিন এভাবেই মানুষ কোরআন লগইন করতে চাইবে, কিন্তু লগইন করতে পারবে না! মানুষ নিজের বুকশেলফ থেকে কোরআন হাতে তুলে দেখবে পৃষ্ঠা গুলো সাদা! একে ওকে কল দিবে, দৌড়ে ইমাম সাহেবদের কাছে যাবে সবারই একই অবস্থা হবে। আল্লাহ সকল কিতাব থেকে, হাফেজদের মেমোরি থেকে, সর্বপরি দুনিয়া থেকে কোরআনকে আসমানে তুলে নিবেন!
হে আমার ভাই ও বোন, সময় থাকতে এখুনি কোরআনমুখী হোন। আসন্ন রমাদানে কোরআন শিখুন, কোরআন পড়ুন, জানুন, অনুধাবন করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই তাওফিক দিন।
[পোস্টটি মূলত সাময়িক সময়ের জন্য ফেইসবুক ডাউন থাকার বিষয়ে! এই ফেইসবুকের বিষয়ে মানুষের ভয় নিয়ে!]
— Junaid Talks
হে আমার ভাই ও বোন, সময় থাকতে এখুনি কোরআনমুখী হোন। আসন্ন রমাদানে কোরআন শিখুন, কোরআন পড়ুন, জানুন, অনুধাবন করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই তাওফিক দিন।
[পোস্টটি মূলত সাময়িক সময়ের জন্য ফেইসবুক ডাউন থাকার বিষয়ে! এই ফেইসবুকের বিষয়ে মানুষের ভয় নিয়ে!]
— Junaid Talks
😢18
চার জন মানুষের প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই:
১) যে আমাকে আগে সালাম দিয়েছে,
২) যে আমার জন্য মজলিসে জায়গা করে দিয়েছে,
৩) আমার প্রয়োজন পূরণ করার জন্য হাঁটতে গিয়ে যার পা ধূলোমলিন হয়েছে,
আর চতুর্থ ব্যক্তির প্রতিদান আমার পক্ষ থেকে কেবল আল্লাহই দিবেন:
৪) যে ব্যক্তির মনে রাতের বেলা একটা প্রয়োজনের কথা স্মরণে আসার পর সে রাত জেগে ভেবেছে কার কাছে যাওয়া যায়, তারপর তার কাছে মনে হয়েছে আমি তার প্রয়োজন পূরণ করার উপযুক্ত ব্যক্তি, তাই সে আমার কাছে এসেছে।
.
[ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান: ৩/৬৩৬]
সংগৃহীত
১) যে আমাকে আগে সালাম দিয়েছে,
২) যে আমার জন্য মজলিসে জায়গা করে দিয়েছে,
৩) আমার প্রয়োজন পূরণ করার জন্য হাঁটতে গিয়ে যার পা ধূলোমলিন হয়েছে,
আর চতুর্থ ব্যক্তির প্রতিদান আমার পক্ষ থেকে কেবল আল্লাহই দিবেন:
৪) যে ব্যক্তির মনে রাতের বেলা একটা প্রয়োজনের কথা স্মরণে আসার পর সে রাত জেগে ভেবেছে কার কাছে যাওয়া যায়, তারপর তার কাছে মনে হয়েছে আমি তার প্রয়োজন পূরণ করার উপযুক্ত ব্যক্তি, তাই সে আমার কাছে এসেছে।
.
[ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান: ৩/৬৩৬]
সংগৃহীত
❤21
রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানাবেন কিভাবে?
শায়খ মুহাম্মাদ আমীন শানক্বীতীকে প্রশ্ন করা হল,
রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানানোর বিষয়ে আমাকে কিছু নসীহত করুন।
.
তিনি বললেন,
নেককর্মের মওসূমকে স্বাগতম জানাতে হয় ‘বেশী বেশী ইস্তেগফার’ দ্বারা।
কেননা গুনাহের কারণেই বান্দা ইবাদতের তাওফীক থেকে বঞ্চিত হয়।
যে ব্যক্তির অন্তর ‘ইস্তেগফার’কে আঁকড়ে থাকবে,তার অন্তর পরিশুদ্ধ হবে।
সে যদি দুর্বল হয় শক্তিশালী হবে, অসুস্থ হলে আরোগ্য লাভ করবে, বিপদগ্রস্থ হলে নিরাপত্তা লাভ করবে, দিশেহারা থাকলে হেদায়াত লাভ করবে,
সংকীর্ণ অবস্থায় থাকলে প্রশস্থতা লাভ করবে।
.
কেননা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর তিরোধানের পর ‘ইস্তেগফার’ হচ্ছে আমাদের নিরাপত্তা লাভের গ্যরান্টি।
.
ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন,
যে ব্যক্তি ‘সর্বদা ইস্তেগফার’ দ্বারা নিজেকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করতে পারবে, আল্লাহ তার রিযিক সহজ করে দিবেন,
তার সকল কাজকে সাবলিল করে দিবেন,
তার সকল বিষয়কে সংরক্ষণ করবেন।
.
ওমার বিন খাত্তাব (রা.) বলেন,
আকাশ থেকে যদি বজ্রপাতও হয়,
তবু ইস্তেগফারপাঠকারী আক্রান্ত হবেনা।
.
আসুন সবাই পাঠ করি,
.
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲَّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
.
'আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।'
.
অর্থাৎ - আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি নিখিল সৃষ্টির পরিচালক। আমি তার কাছেই ফিরে যাব।
.
বিশিষ্ট সাহাবি জায়েদ (রা.) বর্ণনা করেন,
নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন,
যে ব্যক্তি এ দোয়াটি পাঠ করবে,
তার ( জীবনের ) সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে।
[ সুনান আবু দাউদঃ ১৫১৯,জামে আত তিরমিযীঃ ৩৫৭৭ ]
.
- সংগৃহীত
#Ramadan
শায়খ মুহাম্মাদ আমীন শানক্বীতীকে প্রশ্ন করা হল,
রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানানোর বিষয়ে আমাকে কিছু নসীহত করুন।
.
তিনি বললেন,
নেককর্মের মওসূমকে স্বাগতম জানাতে হয় ‘বেশী বেশী ইস্তেগফার’ দ্বারা।
কেননা গুনাহের কারণেই বান্দা ইবাদতের তাওফীক থেকে বঞ্চিত হয়।
যে ব্যক্তির অন্তর ‘ইস্তেগফার’কে আঁকড়ে থাকবে,তার অন্তর পরিশুদ্ধ হবে।
সে যদি দুর্বল হয় শক্তিশালী হবে, অসুস্থ হলে আরোগ্য লাভ করবে, বিপদগ্রস্থ হলে নিরাপত্তা লাভ করবে, দিশেহারা থাকলে হেদায়াত লাভ করবে,
সংকীর্ণ অবস্থায় থাকলে প্রশস্থতা লাভ করবে।
.
কেননা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর তিরোধানের পর ‘ইস্তেগফার’ হচ্ছে আমাদের নিরাপত্তা লাভের গ্যরান্টি।
.
ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন,
যে ব্যক্তি ‘সর্বদা ইস্তেগফার’ দ্বারা নিজেকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করতে পারবে, আল্লাহ তার রিযিক সহজ করে দিবেন,
তার সকল কাজকে সাবলিল করে দিবেন,
তার সকল বিষয়কে সংরক্ষণ করবেন।
.
ওমার বিন খাত্তাব (রা.) বলেন,
আকাশ থেকে যদি বজ্রপাতও হয়,
তবু ইস্তেগফারপাঠকারী আক্রান্ত হবেনা।
.
আসুন সবাই পাঠ করি,
.
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲَّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
.
'আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।'
.
অর্থাৎ - আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি নিখিল সৃষ্টির পরিচালক। আমি তার কাছেই ফিরে যাব।
.
বিশিষ্ট সাহাবি জায়েদ (রা.) বর্ণনা করেন,
নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন,
যে ব্যক্তি এ দোয়াটি পাঠ করবে,
তার ( জীবনের ) সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে।
[ সুনান আবু দাউদঃ ১৫১৯,জামে আত তিরমিযীঃ ৩৫৭৭ ]
.
- সংগৃহীত
#Ramadan
❤12👍3
এটি কোন প্রধানমন্ত্রীর হাতে পাওয়া পুরস্কার নয়। নয় কোন রাষ্ট্রপতি পদক। কিংবা কোন বিশ্বকাপ ট্রফি।
এই পুরস্কার গোটা বিশ্বজাহানের মহান মুনিব আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছ থেকেই সরাসরি প্রাপ্ত পুরস্কার। এটিই হল সিয়ামের প্রতিদান।
আসুন, আজ থেকেই প্রস্তুতি নিই নিকটবর্তী রমাদানের জন্য। পুরস্কারপ্রাপ্তের কাতারে নিজেকে শামিল করতে কাজে লাগাই এই রমাদানকে।
এই পুরস্কার গোটা বিশ্বজাহানের মহান মুনিব আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছ থেকেই সরাসরি প্রাপ্ত পুরস্কার। এটিই হল সিয়ামের প্রতিদান।
আসুন, আজ থেকেই প্রস্তুতি নিই নিকটবর্তী রমাদানের জন্য। পুরস্কারপ্রাপ্তের কাতারে নিজেকে শামিল করতে কাজে লাগাই এই রমাদানকে।
❤19
সাহাবীদের মেয়ারে হক্ব নিয়ে সংগ্রাম পক্ষে-বিপক্ষে যায় করেন।
সাহাবীদের জীবনি গভীরভাবে অধ্যয়ন করে এতটুকু অন্ততপক্ষে বুঝতে পেরেছি। আমরা সাহাবী চরিত্রের মানুষ নই। সাহাবীরাও গরিব ছিলো,পরাজিত অবস্থায়ও ছিলো দীর্ঘকাল কিন্তু দুনিয়ার সর্বোচ্চ
উন্নত মানসিকতা, ব্যক্তিত্ববোধ, আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন।
তাঁদের কমিউনিকেশন, নেগোসিয়েশন, মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা প্রতিটি শব্দ ছিলো নান্দনিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও যথাযথ।
তাঁদের প্রতিবাদের ভাষাও ছিলো অনেক উঁচু মাত্রার ও সর্বোচ্চ ব্যক্তিত্ব বোধ,ভদ্র-সভ্যর প্রতিফলিত রুপ।
সে যুগের সর্বোচ্চ সিভিলাইজড ব্যক্তিত্ব ছিলেন সাহাবীরা। যাদের দেখে রোম সম্রাটরাও হীনমন্যতায় পড়েগেছে।
আর আমরা?
কিতাবি মুখস্থ পাহাড় সমান জ্ঞান মস্তিষ্কে জমিয়ে রাখলেই দুনিয়ার নেতা হওয়া যায় না।
সাহাবীদের জীবনি গভীরভাবে অধ্যয়ন করে এতটুকু অন্ততপক্ষে বুঝতে পেরেছি। আমরা সাহাবী চরিত্রের মানুষ নই। সাহাবীরাও গরিব ছিলো,পরাজিত অবস্থায়ও ছিলো দীর্ঘকাল কিন্তু দুনিয়ার সর্বোচ্চ
উন্নত মানসিকতা, ব্যক্তিত্ববোধ, আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন।
তাঁদের কমিউনিকেশন, নেগোসিয়েশন, মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা প্রতিটি শব্দ ছিলো নান্দনিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও যথাযথ।
তাঁদের প্রতিবাদের ভাষাও ছিলো অনেক উঁচু মাত্রার ও সর্বোচ্চ ব্যক্তিত্ব বোধ,ভদ্র-সভ্যর প্রতিফলিত রুপ।
সে যুগের সর্বোচ্চ সিভিলাইজড ব্যক্তিত্ব ছিলেন সাহাবীরা। যাদের দেখে রোম সম্রাটরাও হীনমন্যতায় পড়েগেছে।
আর আমরা?
কিতাবি মুখস্থ পাহাড় সমান জ্ঞান মস্তিষ্কে জমিয়ে রাখলেই দুনিয়ার নেতা হওয়া যায় না।
❤13
শয়তানের ওয়াসওয়াসা থাকলে ঈমান আছে এটা বোঝা সহজ হয়।
আর শয়তানের বড় ৩টি ওয়াসওয়াসার বাস্তব চিত্র হলো—
১. নামাজে দূর্বলতা।
২. ঘুম নিয়ন্ত্রণে না থাকা।
৩. মন মতো ইসলাম প্রাকটিস করা। (From Experience)
~ হাফেজ রাশেদুল ইসলাম
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
#Tazkiyah
#Our_Movement
#Our_Mission
#Our_Vision
আর শয়তানের বড় ৩টি ওয়াসওয়াসার বাস্তব চিত্র হলো—
১. নামাজে দূর্বলতা।
২. ঘুম নিয়ন্ত্রণে না থাকা।
৩. মন মতো ইসলাম প্রাকটিস করা। (From Experience)
~ হাফেজ রাশেদুল ইসলাম
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
#Tazkiyah
#Our_Movement
#Our_Mission
#Our_Vision
❤12