যে শহর আজ মৃ*ত্যুপুরী!
বেইলি রোডে পুড়ে মা*রা যাওয়া ৪৪+ এর মধ্যে আমিও থাকতে পারতাম। আমার আপনার মতো অনেকেই হয়তো সেখানে গিয়েছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তারা অনন্তকালের আখিরাতের পথের যাত্রী হয়ে গেছে!
অনেকেই গতকাল অনেক পোস্ট করেছিল। ৪ বছর পর কি হবে? কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে ৪ বছর অনেক পরের কথা, ৪ সেকেন্ড এর কোনো নিশ্চয়তা নেই! তাই সময় থাকতে ফিরে আসুন, হতে পারে মুয়াজ্জিন এর এই ডাক আপনার জীবনের শেষ ডাক!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সকল মৃতদেরকে ক্ষমা করুন, শহীদ হিসেবে কবুল করুন ও জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।
বেইলি রোডে পুড়ে মা*রা যাওয়া ৪৪+ এর মধ্যে আমিও থাকতে পারতাম। আমার আপনার মতো অনেকেই হয়তো সেখানে গিয়েছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তারা অনন্তকালের আখিরাতের পথের যাত্রী হয়ে গেছে!
অনেকেই গতকাল অনেক পোস্ট করেছিল। ৪ বছর পর কি হবে? কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে ৪ বছর অনেক পরের কথা, ৪ সেকেন্ড এর কোনো নিশ্চয়তা নেই! তাই সময় থাকতে ফিরে আসুন, হতে পারে মুয়াজ্জিন এর এই ডাক আপনার জীবনের শেষ ডাক!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সকল মৃতদেরকে ক্ষমা করুন, শহীদ হিসেবে কবুল করুন ও জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।
❤15👍1
সালাম প্রদান!
-
সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দেয়ার সহজতম পন্থা কী? এক কথায় সালামের প্রসার ঘটানো। নবীসি সা. বলেছেন:
-তোমরা মুমিন হওয়া ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করবে না। পরস্পর ভালোবাসাবাসি ছাড়া মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে বলবো, কী করলে তোমার পরস্পরকে ভালোবাসতে পারবে? সালামের প্রসার ঘটাও!
(মুসলিম। আবু হুরাইরা র.)।
-
সালাম দেয়ার জন্যে চিনতে হয় না। চেনা-অচেনা ‘এলোপাথারি’ মারতে হবে। দেদারসে। মুক্তহস্তে। সামনে কোনও কিছুকে পেলেই হলো। সালাম।
.
ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইসলামে শ্রেষ্ঠ আমল কোনটা?
-আহার দান করা। চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেয়া।
.
সালাম দেয়ার সময় শব্দ যত বাড়াবো, সওয়াবও বাড়তে থাকবে:
= আসসালামু আলাইকুম: দশনেকি।
= আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ: বিশ নেকি।
= আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু: ত্রিশ নেকি।
.
ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দিবো। কর্মক্ষেত্রে গিয়ে সালাম দিবো। বাসে উঠার সময় চালককে সালাম দিবো। রিকশায় উঠতে সালাম দিবো। ভাড়া চুকিয়ে দেয়ার পর সালাম দিবো। সিএনজিতে উঠতে-নামতে সালাম দিবো। দোকানে প্রবেশ করে সালাম দিবো। বের হয়ে আসার সময় সালাম দিবো। মোবাইল ধরে সালাম দিবো। রাখার আগে সালা ম দিবো। ইনশাআল্লাহ।
.
©Atik Ullah
-
সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দেয়ার সহজতম পন্থা কী? এক কথায় সালামের প্রসার ঘটানো। নবীসি সা. বলেছেন:
-তোমরা মুমিন হওয়া ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করবে না। পরস্পর ভালোবাসাবাসি ছাড়া মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে বলবো, কী করলে তোমার পরস্পরকে ভালোবাসতে পারবে? সালামের প্রসার ঘটাও!
(মুসলিম। আবু হুরাইরা র.)।
-
সালাম দেয়ার জন্যে চিনতে হয় না। চেনা-অচেনা ‘এলোপাথারি’ মারতে হবে। দেদারসে। মুক্তহস্তে। সামনে কোনও কিছুকে পেলেই হলো। সালাম।
.
ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইসলামে শ্রেষ্ঠ আমল কোনটা?
-আহার দান করা। চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেয়া।
.
সালাম দেয়ার সময় শব্দ যত বাড়াবো, সওয়াবও বাড়তে থাকবে:
= আসসালামু আলাইকুম: দশনেকি।
= আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ: বিশ নেকি।
= আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু: ত্রিশ নেকি।
.
ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দিবো। কর্মক্ষেত্রে গিয়ে সালাম দিবো। বাসে উঠার সময় চালককে সালাম দিবো। রিকশায় উঠতে সালাম দিবো। ভাড়া চুকিয়ে দেয়ার পর সালাম দিবো। সিএনজিতে উঠতে-নামতে সালাম দিবো। দোকানে প্রবেশ করে সালাম দিবো। বের হয়ে আসার সময় সালাম দিবো। মোবাইল ধরে সালাম দিবো। রাখার আগে সালা ম দিবো। ইনশাআল্লাহ।
.
©Atik Ullah
❤13
হাজার হাজার মানুষের উপস্থতিতে আল্লামা লুৎফর রহমান রাহিমাহুল্লাহর জানাযা সম্পন্ন।
❤16
আলোর পথ
খিলাফত বিলুপ্তির ১০০ বছর
আজ ৩ মার্চ। আজ থেকে ঠিক ১০০ বছর আগে ১৯২৪ সালের এইদিনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব থেকে ইসলামী খেলাফত বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। ১৯২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলাফত বিলুপ্ত করা হলেও এর প্রেক্ষাপট তৈরী হচ্ছিলো অনেক আগে থেকেই। বহিঃশক্তির ষড়যন্ত্র এবং আভ্যন্তরীণ দুর্বলতা তৈরী হচ্ছিল প্রায় অর্ধশতকেরও বেশি সময় ধরে।
এরই ফলশ্রুতিতে মুসলমানদের হারানো সম্পদ খিলাফত পুনরুদ্ধারের জন্য বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের কাজ শুরু হয়। মুসলিম সমাজের আভ্যন্তরীণ দুর্বলতা দূর করার জন্য শুরু হয় তাজদীদি আন্দোলন। সে সময়কার মুসলিম সমাজের জড়তা, স্থবিরতা, ইজতিহাদের রুদ্ধ দ্বারকে গতিশীল এবং উন্মুক্ত করার ব্রত নিয়ে এই ইসলামী আন্দোলনগুলোর সূচনা হয়।
চলার পথে উপনিবেশিক শক্তির নিপীড়নকে মোকাবেলা করে, উপনিবেশিক শক্তির উত্তরাধিকার সেক্যুলার স্ট্যাবলিশমেন্ট, সমাজতন্ত্রের নাস্তিক্যবাদী স্রোত এবং পুঁজিবাদের ভোগবাদী জীবনব্যবস্থার বিপরীতে ইসলামকে একটি সামগ্রিক, সার্বজনীন এবং যুগোপযোগী জীবনাদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মহান ব্রত নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে এই আন্দোলনসমূহের সূচনা।
মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপিত এই আন্দোলন আন্দোলনের ত্যাগ, তিতিক্ষা, রক্ত, ঘাম এবং শ্রমের ফলে আজ এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। তাই আজ আবারও সেই উপনিবেশিক শক্তিসমূহের উত্তরাধিকার, বস্তুবাদী, ভোগবাদী সভ্যতার প্রতিনিধিরা নাস্তিক্যবাদী এবং প্রবৃত্তিপূজারী শক্তির সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই মহীরুহের মূলোৎপাটন করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োজিত করেছে। কিন্তু, আমরা মানবতার মুক্তি দূত হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ভবিষ্যত বাণীর উপর ভরসা করে দৃপ্ত কন্ঠে বলতে চাই, সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আবার কায়েম হবে প্রতিশ্রুত সেই খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুবুয়্যত।
‘হযরত নু’মান বিন বশীর হুযায়ফা (রা.) হতে বর্ণিত, ‘মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে নবুয়্যত ততদিন পর্যন্ত বর্তমান থাকবে যতদিন তা আল্লাহ্ তা'আলা চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর নবুয়্যতের পদ্ধতিতে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তা ততদিন বিদ্যমান থাকবে যতদিন আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর উৎপীড়নের রাজতান্ত্রিক শাসন কায়েম হবে। এটি ততদিন থাকবে যতদিন আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর জরবদস্তিমূলক যুলুমের সাম্রাজ্য কায়েম হবে এবং এটি ততদিন থাকবে যতদিন আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর নবুয়্যতের পদ্ধতিতে পুনরায় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে। এরপর তিনি (সা.) নীরব হয়ে যান।’
(আহমদ-বাইহাকী, মিশকাত, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা : ৪৬১)
এরই ফলশ্রুতিতে মুসলমানদের হারানো সম্পদ খিলাফত পুনরুদ্ধারের জন্য বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের কাজ শুরু হয়। মুসলিম সমাজের আভ্যন্তরীণ দুর্বলতা দূর করার জন্য শুরু হয় তাজদীদি আন্দোলন। সে সময়কার মুসলিম সমাজের জড়তা, স্থবিরতা, ইজতিহাদের রুদ্ধ দ্বারকে গতিশীল এবং উন্মুক্ত করার ব্রত নিয়ে এই ইসলামী আন্দোলনগুলোর সূচনা হয়।
চলার পথে উপনিবেশিক শক্তির নিপীড়নকে মোকাবেলা করে, উপনিবেশিক শক্তির উত্তরাধিকার সেক্যুলার স্ট্যাবলিশমেন্ট, সমাজতন্ত্রের নাস্তিক্যবাদী স্রোত এবং পুঁজিবাদের ভোগবাদী জীবনব্যবস্থার বিপরীতে ইসলামকে একটি সামগ্রিক, সার্বজনীন এবং যুগোপযোগী জীবনাদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মহান ব্রত নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে এই আন্দোলনসমূহের সূচনা।
মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপিত এই আন্দোলন আন্দোলনের ত্যাগ, তিতিক্ষা, রক্ত, ঘাম এবং শ্রমের ফলে আজ এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। তাই আজ আবারও সেই উপনিবেশিক শক্তিসমূহের উত্তরাধিকার, বস্তুবাদী, ভোগবাদী সভ্যতার প্রতিনিধিরা নাস্তিক্যবাদী এবং প্রবৃত্তিপূজারী শক্তির সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই মহীরুহের মূলোৎপাটন করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োজিত করেছে। কিন্তু, আমরা মানবতার মুক্তি দূত হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ভবিষ্যত বাণীর উপর ভরসা করে দৃপ্ত কন্ঠে বলতে চাই, সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আবার কায়েম হবে প্রতিশ্রুত সেই খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুবুয়্যত।
‘হযরত নু’মান বিন বশীর হুযায়ফা (রা.) হতে বর্ণিত, ‘মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে নবুয়্যত ততদিন পর্যন্ত বর্তমান থাকবে যতদিন তা আল্লাহ্ তা'আলা চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর নবুয়্যতের পদ্ধতিতে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তা ততদিন বিদ্যমান থাকবে যতদিন আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর উৎপীড়নের রাজতান্ত্রিক শাসন কায়েম হবে। এটি ততদিন থাকবে যতদিন আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর জরবদস্তিমূলক যুলুমের সাম্রাজ্য কায়েম হবে এবং এটি ততদিন থাকবে যতদিন আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর নবুয়্যতের পদ্ধতিতে পুনরায় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে। এরপর তিনি (সা.) নীরব হয়ে যান।’
(আহমদ-বাইহাকী, মিশকাত, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা : ৪৬১)
👍7
হযরত মাওলানা লুৎফর রহমান সাহেব ছিলেন ওয়াজের ময়দানে রুচিশীলতা, সিগ্ধতা ও সুন্দর ব্যক্তিত্বের প্রতীক।
মাওলানার শব্দচয়নে মুগ্ধ হয়েছি সবসময়। কোনোদিন তিনি অরুচিকর শব্দ ব্যাবহার করছেন, এমনটা শুনিনি।
নারীদের প্রসঙ্গ এত সম্মান ও মর্যাদার সাথে উত্থাপন করতেন, যা ছিল ওয়াজের ময়দানে ব্যতিক্রম।
হৈ-হাঙ্গামা, তর্জন-গর্জন এড়িয়েও যে জোরালো প্রতিবাদ করা যায়, তা তাঁর আলোচনায় দেখেছি।
অশ্লীল উদাহরণ, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার নোংরা প্রতিযোগিতা, অপ্রাসঙ্গিক উচ্চবাচ্য তিনি করতেন না।
প্রশান্ত ও দরাজ কণ্ঠে কুরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি টেনে সহজভাবে মানুষকে দ্বীন বোঝানোর বিরল যোগ্যতা ছিল তাঁর।
আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ক্ষমা করুন। সম্মানিত ও পুরস্কৃত করুন। তাঁর প্রতি আমাদের মহব্বতকেও কবুল করুন।
মাওলানার শব্দচয়নে মুগ্ধ হয়েছি সবসময়। কোনোদিন তিনি অরুচিকর শব্দ ব্যাবহার করছেন, এমনটা শুনিনি।
নারীদের প্রসঙ্গ এত সম্মান ও মর্যাদার সাথে উত্থাপন করতেন, যা ছিল ওয়াজের ময়দানে ব্যতিক্রম।
হৈ-হাঙ্গামা, তর্জন-গর্জন এড়িয়েও যে জোরালো প্রতিবাদ করা যায়, তা তাঁর আলোচনায় দেখেছি।
অশ্লীল উদাহরণ, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার নোংরা প্রতিযোগিতা, অপ্রাসঙ্গিক উচ্চবাচ্য তিনি করতেন না।
প্রশান্ত ও দরাজ কণ্ঠে কুরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি টেনে সহজভাবে মানুষকে দ্বীন বোঝানোর বিরল যোগ্যতা ছিল তাঁর।
আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ক্ষমা করুন। সম্মানিত ও পুরস্কৃত করুন। তাঁর প্রতি আমাদের মহব্বতকেও কবুল করুন।
❤22
‘আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তা আমি জানি। ঘাড়ের শিরার চেয়েও আমি তার কাছে রয়েছি।’
[ সুরা কাফ, ৫০ : ১৬ ]
[ সুরা কাফ, ৫০ : ১৬ ]
❤18
নিজেকে সবসময় অনর্থক কাজে ব্যস্ত দেখতে পেলে নিজেকে নিয়ে একটুখানি চিন্তা করি !
হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ. বলেন,
“বান্দা থেকে আল্লাহর মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আলামত হচ্ছে, বান্দাকে অনর্থক কোন কাজে ব্যস্ত করে রাখা। এমনটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য অপমানস্বরূপ।”
[জামিউল উলুম আল হিকাম;১৩৯]
হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ. বলেন,
“বান্দা থেকে আল্লাহর মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আলামত হচ্ছে, বান্দাকে অনর্থক কোন কাজে ব্যস্ত করে রাখা। এমনটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য অপমানস্বরূপ।”
[জামিউল উলুম আল হিকাম;১৩৯]
❤13😢3👍1
রামাদান রুটিনঃ
২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:২৫ > তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামাজ (বোনরা বিতিরের নামাজ এই সময় পড়বেন এবং ফাঁকে ফাঁকে সাহরীর জন্য খাবার গরম করে ফেলবেন)
৩:২৫-৩:৩৫ > দুয়া-মুনাজাত।
৩:৩৫-৩:৫০ > সাহরী করা।
৩:৫০- ফজরের আযান পর্যন্ত কোরআন পড়া, ইস্তিগফার করা।
ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন। আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।
৯:১৫-১:০০- যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০- বাসায় ফেরা, দ্বীনি ইলম অর্জন, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ - দুপুরের ঘুম।
৪:৪৫-৫:১০ -আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৫০- মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:৫০-৬:২৫- ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৬:২৫-৬:৩০- দুয়া
৬:৩০-৭:০০- ইফতার, মাগরীবের সালাত।
৭:০০-৮:০০- বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ এশার সালাত, তারাবীহ্।
১১:০০-১১:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
১১:১৫-১১:৩০- ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০- ঘুম।
এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কোরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা, মার্কেটে ঘুরা এসব কমিয়ে আনা উচিত।
.
আল্লাহ্ তা'অালা আমাদেরকে রমাদানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দিন।
- দাওয়াহ
#Ramadan
@alolpath
২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:২৫ > তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামাজ (বোনরা বিতিরের নামাজ এই সময় পড়বেন এবং ফাঁকে ফাঁকে সাহরীর জন্য খাবার গরম করে ফেলবেন)
৩:২৫-৩:৩৫ > দুয়া-মুনাজাত।
৩:৩৫-৩:৫০ > সাহরী করা।
৩:৫০- ফজরের আযান পর্যন্ত কোরআন পড়া, ইস্তিগফার করা।
ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন। আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।
৯:১৫-১:০০- যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০- বাসায় ফেরা, দ্বীনি ইলম অর্জন, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ - দুপুরের ঘুম।
৪:৪৫-৫:১০ -আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৫০- মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:৫০-৬:২৫- ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৬:২৫-৬:৩০- দুয়া
৬:৩০-৭:০০- ইফতার, মাগরীবের সালাত।
৭:০০-৮:০০- বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ এশার সালাত, তারাবীহ্।
১১:০০-১১:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
১১:১৫-১১:৩০- ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০- ঘুম।
এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কোরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা, মার্কেটে ঘুরা এসব কমিয়ে আনা উচিত।
.
আল্লাহ্ তা'অালা আমাদেরকে রমাদানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দিন।
- দাওয়াহ
#Ramadan
@alolpath
❤13👍3
"নন্দলাল তৈরির শিক্ষাব্যবস্থা"
অনেক অনেকদিন আগে নন্দলাল নামক এক ব্যক্তি ছিল। একদা সে ভীষণ একটা পণ করল যে, তাকে দেশের জন্য কিছু করতে হবে। আর এজন্য তাকে বেঁচে থাকতে হবে। তার একটি বড় দুশ্চিন্তা এই যে, কোন কারণে সে যদি মারা যায়, তাহলে দেশকে উদ্ধার করার মত আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। বড্ড বিরল চিন্তার অধিকারী নন্দকে সবাই বাহবা দিতে লাগলো।
ওদিকে নন্দের ভাইয়ের হঠাৎ কলেরা ধরা পড়লো। কিছু মানুষ তাকে ভাইয়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে বলায় সে ক্ষেপে গিয়ে বললো, ভাইয়ের জন্য জীবন দিতে তার আপত্তি নেই, কিন্তু অভাগা দেশের হাল কে ধরবে? উপরন্তু শরীরকে সুস্থ রাখতে সে ব্যাপক খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত, ব্যস্ত দেশের সেবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে।
নন্দ বাড়ির বাইরে বের হতনা। বের হলে কত মুসিবত রয়েছে রাস্তা-ঘাটে তা তার ভালোই জানা ছিল। উঠানে কুকুর, গলিতে সাপ, রাস্তায় গাড়ি- যেকোন জায়গাতে দুর্ঘটনার শিকার হলে দেশ চলে যাবে হুমকির মুখে। গাড়িতে চড়াও মুশকিল- কখন উল্টিয়ে যায়, নৌকায় চড়াও দায়- কখন ডুবে যায়, রেলেও ভরসা নাই- কখন লাইনচ্যুত হয়। বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং প্রফেসরগণ তাকে সম্মাননা দিল দেশপ্রেমের জন্য।
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা পরিণত হয়েছে এমনই নন্দলাল তৈরির কারখানায়। কারখানাকে সচল রাখতে তৈরি হয়েছে নন্দলাল তৈরির শিক্ষানীতি-২০১০, প্রণীত হয়েছে শিক্ষাক্রম-২০২০, পাঠ্যক্রম-২০২৩, পাঠ্যপুস্তক-২০২৪। এর মাধ্যমে এমন একটি শ্রেণি তৈরি হবে, যারা নন্দলালের মতই হবে উদরপূর্তিতে ব্যস্ত। মুখে দেশপ্রেমের খই ফোটানো লোকের অভাব হবেনা। কিন্তু দেশের জন্য জীবন দেওয়ার মানুষ পাওয়া যাবেনা। সবাই দেশের জন্য নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে উদগ্রীব।
শুধু ভবিষ্যৎ নয়, বর্তমানেও আমরা নন্দলালের মতই হয়ে গেছি। মুখে সার্বভৌমত্বের কথা বলি, অথচ সেই সার্বভৌমত্বের জন্য যারা হুমকি তাদের বিরূদ্ধে টু শব্দ নেই। আফসোস, নন্দলালদের জন্য।
[উল্লিখিত উগান্ডার গল্পটির থিম দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি কবিতা নেওয়া। আমাদের সময়ে কোন এক ক্লাসের বাংলা বইয়ে কবিতাটি ছিল।]
অনেক অনেকদিন আগে নন্দলাল নামক এক ব্যক্তি ছিল। একদা সে ভীষণ একটা পণ করল যে, তাকে দেশের জন্য কিছু করতে হবে। আর এজন্য তাকে বেঁচে থাকতে হবে। তার একটি বড় দুশ্চিন্তা এই যে, কোন কারণে সে যদি মারা যায়, তাহলে দেশকে উদ্ধার করার মত আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। বড্ড বিরল চিন্তার অধিকারী নন্দকে সবাই বাহবা দিতে লাগলো।
ওদিকে নন্দের ভাইয়ের হঠাৎ কলেরা ধরা পড়লো। কিছু মানুষ তাকে ভাইয়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে বলায় সে ক্ষেপে গিয়ে বললো, ভাইয়ের জন্য জীবন দিতে তার আপত্তি নেই, কিন্তু অভাগা দেশের হাল কে ধরবে? উপরন্তু শরীরকে সুস্থ রাখতে সে ব্যাপক খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত, ব্যস্ত দেশের সেবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে।
নন্দ বাড়ির বাইরে বের হতনা। বের হলে কত মুসিবত রয়েছে রাস্তা-ঘাটে তা তার ভালোই জানা ছিল। উঠানে কুকুর, গলিতে সাপ, রাস্তায় গাড়ি- যেকোন জায়গাতে দুর্ঘটনার শিকার হলে দেশ চলে যাবে হুমকির মুখে। গাড়িতে চড়াও মুশকিল- কখন উল্টিয়ে যায়, নৌকায় চড়াও দায়- কখন ডুবে যায়, রেলেও ভরসা নাই- কখন লাইনচ্যুত হয়। বরেণ্য রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং প্রফেসরগণ তাকে সম্মাননা দিল দেশপ্রেমের জন্য।
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা পরিণত হয়েছে এমনই নন্দলাল তৈরির কারখানায়। কারখানাকে সচল রাখতে তৈরি হয়েছে নন্দলাল তৈরির শিক্ষানীতি-২০১০, প্রণীত হয়েছে শিক্ষাক্রম-২০২০, পাঠ্যক্রম-২০২৩, পাঠ্যপুস্তক-২০২৪। এর মাধ্যমে এমন একটি শ্রেণি তৈরি হবে, যারা নন্দলালের মতই হবে উদরপূর্তিতে ব্যস্ত। মুখে দেশপ্রেমের খই ফোটানো লোকের অভাব হবেনা। কিন্তু দেশের জন্য জীবন দেওয়ার মানুষ পাওয়া যাবেনা। সবাই দেশের জন্য নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে উদগ্রীব।
শুধু ভবিষ্যৎ নয়, বর্তমানেও আমরা নন্দলালের মতই হয়ে গেছি। মুখে সার্বভৌমত্বের কথা বলি, অথচ সেই সার্বভৌমত্বের জন্য যারা হুমকি তাদের বিরূদ্ধে টু শব্দ নেই। আফসোস, নন্দলালদের জন্য।
[উল্লিখিত উগান্ডার গল্পটির থিম দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি কবিতা নেওয়া। আমাদের সময়ে কোন এক ক্লাসের বাংলা বইয়ে কবিতাটি ছিল।]
❤6