সুফিয়ান আস-সাওরী (রহি’মাহুল্লাহ) দুনিয়ায় লাভবান হওয়ার ৫টি উপায় সম্পর্কে বলেন যা দ্বারা দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জায়গায় কল্যাণ লাভ করা যায় :
১) লোক চক্ষুর আড়ালে তুমি তোমার জীবনকে সুন্দর করো, তাহলে আল্লাহ তোমার প্রকাশ্য জীবনকে সুন্দর করে দেবেন।
২) তুমি তোমার এবং আল্লাহর মধ্যকার সম্পর্কের ব্যাপারে যত্নবান হও, তাহলে আল্লাহ তোমার এবং লোকদের সাথে সম্পর্ককে ঠিক করে দেবেন।
৩) পরকালের জন্য আমল করো তাহলে আল্লাহ তোমার দুনিয়াবী চাহিদা পূরণ করবেন।
৪) আখেরাতের বিনিময়ে তুমি তোমার দুনিয়াকে বিক্রি করো, তাহলে উভয় জগতে তুমি লাভবান হবে।
৫) দুনিয়ার বিনিময়ে তুমি আখেরাতকে বিক্রি করোনা, তাহলে উভয় জগতে তুমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
[হিলইয়াতুল আওলিয়া, ৭/৩৫]
.
সংগৃহীত
১) লোক চক্ষুর আড়ালে তুমি তোমার জীবনকে সুন্দর করো, তাহলে আল্লাহ তোমার প্রকাশ্য জীবনকে সুন্দর করে দেবেন।
২) তুমি তোমার এবং আল্লাহর মধ্যকার সম্পর্কের ব্যাপারে যত্নবান হও, তাহলে আল্লাহ তোমার এবং লোকদের সাথে সম্পর্ককে ঠিক করে দেবেন।
৩) পরকালের জন্য আমল করো তাহলে আল্লাহ তোমার দুনিয়াবী চাহিদা পূরণ করবেন।
৪) আখেরাতের বিনিময়ে তুমি তোমার দুনিয়াকে বিক্রি করো, তাহলে উভয় জগতে তুমি লাভবান হবে।
৫) দুনিয়ার বিনিময়ে তুমি আখেরাতকে বিক্রি করোনা, তাহলে উভয় জগতে তুমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
[হিলইয়াতুল আওলিয়া, ৭/৩৫]
.
সংগৃহীত
❤18🥰1
আজকের হাদিসঃ
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দৈনিক বারো রাক’আত নাফ্ল সলাত আদায় করবে এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একখানা ঘর নির্মান করা হবে।
সুনানে আবু দাউদ, ১২৫০
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দৈনিক বারো রাক’আত নাফ্ল সলাত আদায় করবে এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একখানা ঘর নির্মান করা হবে।
সুনানে আবু দাউদ, ১২৫০
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
❤17
জীবনের একটা সময় দেখবেন প্রচুর ব্যস্ততা আর দায়িত্ব কাঁধে ভর করে। ঝামেলার কারণে আস্তে আস্তে এক একটা বিষয় থেকে আমরা বিচ্যুত হতে থাকি। ছাত্র অবস্থায় যে কাজগুলো করা খুব সহজ এবং নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল, সময়ের সাথে সাথে সেগুলো ধরে রাখা খালি দুরূহই না, অসম্ভবপর হয়ে ওঠে। আস্তে আস্তে আমরা ডুবে যাই খালি নিজেদের মধ্যে। নিজের সংসার, নিজের সন্তান, নিজের চাকরি ইত্যাদি।
এ কথা সত্যি, একজন পুরুষের জন্য পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা, কিংবা একজন নারীর জন্য স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকা পালন করা ওয়াজিব। এবং এই কাজগুলোর জন্য আমরা সওয়াবের ভাগিদারও হব ইনশাআল্লাহ। তবে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দ্বীনি ইলম অন্বেষণ এবং কিছু খেদমতের সাথে জড়িত থাকাও ঈমানী দায়িত্ব। এটুকু না থাকলে অন্তর মরে যায়। ঈমানে ঘুণ ধরে।
একজন দায়িত্ববান কাফের ব্যক্তিও নিজের পরিবারের জন্য রোজগার করে, কিংবা সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব পালন করে।
মুসলিম হিসেবে তাহলে তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য কোথায় থাকল?
একজন সচেতন মুসলিমের কাজ হবে অল্প করে হলেও যেকোনো উপায়ে দ্বীনের কাফেলার সাথে যুক্ত থাকা। এর অর্থ এই না যে, সব বিষয়েই আপনাকে নাক ডুবাতে হবে। আপনি একই সাথে বিশটা কোর্স করবেন, সাথে হিফজও করতে চাইবেন, সাথে হালাক্বাও করবেন - এতকিছু হয়তোবা বাস্তবে আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। কিছুদিন পর আপনি হাপিয়ে উঠবেন এবং সবকিছু থেকেই ইস্তফা দিয়ে দেবেন। তারচাইতে উত্তম হলো, অন্তত একটা-দুটো বিষয়ে গুরুত্ব ও আন্তরিকার সাথে জড়িত হওয়া। এমনভাবে লেগে থাকা যেন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও সেটা কখনোই ছুটে না যায়।
আজকাল অনেক ভাইবোনকে দেখবেন, তারা কোর্স পেলেই ছুটে যাচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইন কোর্স ও রেকর্ডেড ক্লাস থাকার সুবাদে সবাই ভাবে - এত সুযোগ-সুবিধা তাহলে ক্লাসটাতে ঢুকেই যাই! কিন্তু শেষপর্যন্ত তারা এ ক্লাসগুলোর কোনোটাই ঠিকভাবে করে না। রেকর্ডিং তো আছেই, এই আশায় লাইভ ক্লাসে জয়েন করে না। এরপর নানান ব্যস্ততা, অজুহাত আর শয়তানের ধোঁকায় রেকর্ডিংও শোনা হয় না। ক্লাস কিনে ফেলে রাখা হয় খালি। ফলে সত্যিকার অর্থে কিছুই তারা শিখতে পারে না। হয়ত বড়জোর একটা সার্টিফিকেট পায়। আল্লাহ আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে হেফাজত করুক। উস্তাদের দারসে না বসলে আপনি নিজে নিজে কীভাবে শিখবেন?
এরচেয়ে উত্তম হলো - নিজের অবস্থান, সামর্থ্য ও পারিপার্শ্বিকতা বুঝে কমিটমেন্ট করা। অতি উৎসাহে আকাশকুসুম কল্পনা করে লাফিয়ে পড়ে সবকিছু করতে চাওয়া বোকামিরই শামিল। বরং বুঝেশুনে একটা বিষয়ে কমিটেড হওয়া এবং ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা উত্তম।
এই শিক্ষা আমরা হাদীস থেকেও পেয়ে থাকি -
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন, যে আমল নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। তিনি আরো বলেন, তোমরা সাধ্যের অতীত কাজ নিজেদের ওপর চাপিয়ে নিও না।
(সহিহ বুখারী)
এবার বলি, ব্যস্ততার ব্যাপারে। এটা সত্যি জীবনের কিছু পর্যায়ে আমরা সত্যিই ব্যস্ত হয়ে পড়ি৷ দায়দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে খাবি খেতে হয়। তবে এই বিশ্বাস রাখা চাই, আল্লাহ তা'আলার দিকে পা বাড়ালে তিনি দ্বীন এবং দুনিয়া সবকিছুই সহজ করে দেন। এমন অনেক সময় হয়েছে যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় কোনো কাজ করার নিয়ত করেছি, এরপর দেখা গেল, সেদিন বাচ্চারাও সহজে খেয়ে নিচ্ছে, নিজেরা নিজেরা খেলে ঘুমিয়ে পড়ছে, বা অন্য কোনো উপায়ে কাজটা করার একটা সুযোগ হয়ে গেছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কঠিনের মধ্যেও এমন একটা অনুকূল পরিস্থিতি আল্লাহ তা'আলা তৈরি করে দিলেন যে তাঁর জন্য করতে চাওয়া কাজটা আঞ্জাম দেয়া সহজ হয়ে গেল। অন্যান্য দিন হয়তো এতটা সময় বের করার কথা চিন্তাও করা যেতো না। আপনি যখন মন থেকে আল্লাহর জন্য কাজ করার নিয়ত করবেন এবং প্রকৃতপক্ষেই সেই কাজের জন্য চেষ্টা জারি রাখবেন, তখন তিনিই আপনার জন্য পথ খুলে দেবেন। আল্লাহ তা'আলা এভাবেই তাঁর সৈনিকদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাহ দেন। যারা তাঁর দ্বীনের জন্য খাটবে, খেদমত করবে, তাদের জীবনে নানান অকল্পনীয় নিয়ামত, বারাকাহ ও সমৃদ্ধির দেখা দিবে।
যখন আমরা ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে দ্বীনের কাজ থেকে পিছিয়ে পড়ি, তখন দেখা যায় আমরা অনেকেই অন্য কোনোভাবে ফিতনায় জড়িয়ে পড়ছি। হয়তো নিজের অজান্তেই সময় নষ্ট করছি, মোবাইল বেশি ঘাটছি, অযথা ব্যাপারে নাক গলাচ্ছি ইত্যাদি। অথচ একটা লক্ষ্য স্থির করে ভালো কাজ করার নিয়ত করলে এইসব ফালতু বিষয়ে সময় ও মন দেয়ার অবস্থাই থাকতো না। বরং ভালো আমলের প্রভাবে আমরা অনেক গুনাহ ও অপ্রয়োজনীয় বস্তু থেকে বেঁচে থাকতে পারতাম।
উপরে যা আলোচনা করলাম, আমাদেরকে এই দুই ধোঁকা থেকেই দূরে থাকতে হবে।
১) আমলের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি: অতি আবেগে সবকিছুতে জড়িয়ে কদিন পরে হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং প্র্যাকটিকালি চিন্তাভাবনা করে নিজের সাধ্য অনুযায়ী কমিটমেন্টে যেতে হবে এবং তা নিয়ে সিরিয়াস থাকতে হবে। তা নাহলে কোনো ফল আশা করা যায় না।
২য় অংশ👇
এ কথা সত্যি, একজন পুরুষের জন্য পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা, কিংবা একজন নারীর জন্য স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকা পালন করা ওয়াজিব। এবং এই কাজগুলোর জন্য আমরা সওয়াবের ভাগিদারও হব ইনশাআল্লাহ। তবে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দ্বীনি ইলম অন্বেষণ এবং কিছু খেদমতের সাথে জড়িত থাকাও ঈমানী দায়িত্ব। এটুকু না থাকলে অন্তর মরে যায়। ঈমানে ঘুণ ধরে।
একজন দায়িত্ববান কাফের ব্যক্তিও নিজের পরিবারের জন্য রোজগার করে, কিংবা সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব পালন করে।
মুসলিম হিসেবে তাহলে তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য কোথায় থাকল?
একজন সচেতন মুসলিমের কাজ হবে অল্প করে হলেও যেকোনো উপায়ে দ্বীনের কাফেলার সাথে যুক্ত থাকা। এর অর্থ এই না যে, সব বিষয়েই আপনাকে নাক ডুবাতে হবে। আপনি একই সাথে বিশটা কোর্স করবেন, সাথে হিফজও করতে চাইবেন, সাথে হালাক্বাও করবেন - এতকিছু হয়তোবা বাস্তবে আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। কিছুদিন পর আপনি হাপিয়ে উঠবেন এবং সবকিছু থেকেই ইস্তফা দিয়ে দেবেন। তারচাইতে উত্তম হলো, অন্তত একটা-দুটো বিষয়ে গুরুত্ব ও আন্তরিকার সাথে জড়িত হওয়া। এমনভাবে লেগে থাকা যেন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও সেটা কখনোই ছুটে না যায়।
আজকাল অনেক ভাইবোনকে দেখবেন, তারা কোর্স পেলেই ছুটে যাচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইন কোর্স ও রেকর্ডেড ক্লাস থাকার সুবাদে সবাই ভাবে - এত সুযোগ-সুবিধা তাহলে ক্লাসটাতে ঢুকেই যাই! কিন্তু শেষপর্যন্ত তারা এ ক্লাসগুলোর কোনোটাই ঠিকভাবে করে না। রেকর্ডিং তো আছেই, এই আশায় লাইভ ক্লাসে জয়েন করে না। এরপর নানান ব্যস্ততা, অজুহাত আর শয়তানের ধোঁকায় রেকর্ডিংও শোনা হয় না। ক্লাস কিনে ফেলে রাখা হয় খালি। ফলে সত্যিকার অর্থে কিছুই তারা শিখতে পারে না। হয়ত বড়জোর একটা সার্টিফিকেট পায়। আল্লাহ আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে হেফাজত করুক। উস্তাদের দারসে না বসলে আপনি নিজে নিজে কীভাবে শিখবেন?
এরচেয়ে উত্তম হলো - নিজের অবস্থান, সামর্থ্য ও পারিপার্শ্বিকতা বুঝে কমিটমেন্ট করা। অতি উৎসাহে আকাশকুসুম কল্পনা করে লাফিয়ে পড়ে সবকিছু করতে চাওয়া বোকামিরই শামিল। বরং বুঝেশুনে একটা বিষয়ে কমিটেড হওয়া এবং ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা উত্তম।
এই শিক্ষা আমরা হাদীস থেকেও পেয়ে থাকি -
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন, যে আমল নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। তিনি আরো বলেন, তোমরা সাধ্যের অতীত কাজ নিজেদের ওপর চাপিয়ে নিও না।
(সহিহ বুখারী)
এবার বলি, ব্যস্ততার ব্যাপারে। এটা সত্যি জীবনের কিছু পর্যায়ে আমরা সত্যিই ব্যস্ত হয়ে পড়ি৷ দায়দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে খাবি খেতে হয়। তবে এই বিশ্বাস রাখা চাই, আল্লাহ তা'আলার দিকে পা বাড়ালে তিনি দ্বীন এবং দুনিয়া সবকিছুই সহজ করে দেন। এমন অনেক সময় হয়েছে যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় কোনো কাজ করার নিয়ত করেছি, এরপর দেখা গেল, সেদিন বাচ্চারাও সহজে খেয়ে নিচ্ছে, নিজেরা নিজেরা খেলে ঘুমিয়ে পড়ছে, বা অন্য কোনো উপায়ে কাজটা করার একটা সুযোগ হয়ে গেছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কঠিনের মধ্যেও এমন একটা অনুকূল পরিস্থিতি আল্লাহ তা'আলা তৈরি করে দিলেন যে তাঁর জন্য করতে চাওয়া কাজটা আঞ্জাম দেয়া সহজ হয়ে গেল। অন্যান্য দিন হয়তো এতটা সময় বের করার কথা চিন্তাও করা যেতো না। আপনি যখন মন থেকে আল্লাহর জন্য কাজ করার নিয়ত করবেন এবং প্রকৃতপক্ষেই সেই কাজের জন্য চেষ্টা জারি রাখবেন, তখন তিনিই আপনার জন্য পথ খুলে দেবেন। আল্লাহ তা'আলা এভাবেই তাঁর সৈনিকদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাহ দেন। যারা তাঁর দ্বীনের জন্য খাটবে, খেদমত করবে, তাদের জীবনে নানান অকল্পনীয় নিয়ামত, বারাকাহ ও সমৃদ্ধির দেখা দিবে।
যখন আমরা ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে দ্বীনের কাজ থেকে পিছিয়ে পড়ি, তখন দেখা যায় আমরা অনেকেই অন্য কোনোভাবে ফিতনায় জড়িয়ে পড়ছি। হয়তো নিজের অজান্তেই সময় নষ্ট করছি, মোবাইল বেশি ঘাটছি, অযথা ব্যাপারে নাক গলাচ্ছি ইত্যাদি। অথচ একটা লক্ষ্য স্থির করে ভালো কাজ করার নিয়ত করলে এইসব ফালতু বিষয়ে সময় ও মন দেয়ার অবস্থাই থাকতো না। বরং ভালো আমলের প্রভাবে আমরা অনেক গুনাহ ও অপ্রয়োজনীয় বস্তু থেকে বেঁচে থাকতে পারতাম।
উপরে যা আলোচনা করলাম, আমাদেরকে এই দুই ধোঁকা থেকেই দূরে থাকতে হবে।
১) আমলের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি: অতি আবেগে সবকিছুতে জড়িয়ে কদিন পরে হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং প্র্যাকটিকালি চিন্তাভাবনা করে নিজের সাধ্য অনুযায়ী কমিটমেন্টে যেতে হবে এবং তা নিয়ে সিরিয়াস থাকতে হবে। তা নাহলে কোনো ফল আশা করা যায় না।
২য় অংশ👇
👍13
২) নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া: অতিরিক্ত ব্যস্ততা-ঝামেলার অজুহাতে দ্বীনের কাজ থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে রাখা যাবে না। মনে রাখবেন, দুনিয়ার জীবন একটাই। আর দুনিয়াতে ব্যস্ততা বাড়বে বৈ কমবে না। এর মধ্যেই আল্লাহর বান্দারা যা কাজ করার করে নেবে।
তাই আসুন আমরা ছোট হলেও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিছু সময় ব্যয় করার নিয়ত করি। হতে পারে সেটা অল্প কিছু, হতে পারে সামান্য কিছুই, কিন্তু নিয়মিত হতে হবে। দ্বীন ও ঈমানের চর্চায় লেগে থাকবে হবে। এরপর আল্লাহ তা'আলাই আমাদের বাকি কাজগুলো সহজ করে দেবেন।
#আমলের_ক্ষেত্রে_মধ্যমপন্থা
#দ্বীনের_কাফেলায়_যুক্ত_থাকা
তাই আসুন আমরা ছোট হলেও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিছু সময় ব্যয় করার নিয়ত করি। হতে পারে সেটা অল্প কিছু, হতে পারে সামান্য কিছুই, কিন্তু নিয়মিত হতে হবে। দ্বীন ও ঈমানের চর্চায় লেগে থাকবে হবে। এরপর আল্লাহ তা'আলাই আমাদের বাকি কাজগুলো সহজ করে দেবেন।
#আমলের_ক্ষেত্রে_মধ্যমপন্থা
#দ্বীনের_কাফেলায়_যুক্ত_থাকা
❤20
Forwarded from আলোর পথ
আজকে কত ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করছেন?
Anonymous Poll
47%
৫
20%
৪
10%
৩
5%
২
5%
১
13%
এক ওয়াক্ত পরিনি😭😭
👍2
কারো ব্যাপারে যদি আপনার মনে নেতিবাচক মানসিকতা/দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়ে যায় তাহলে ৩টা জিনিস অবশ্যই ঘটবে-
১. তার ভালো গুণ এড়িয়ে মন্দ গুণই কেবল চোখে পড়বে।
২. তার পছন্দনীয় বিষয়গুলো ভুলে গিয়ে অপছন্দনীয় বিষয়গুলো মনে গেঁথে থাকবে।
৩. তার যেসব কাজকে ভালো বা মন্দ দুইভাবেই ধরে নেবার সুযোগ আছে, সেসব ক্ষেত্রে (সুধারণাবশত ভাল হিসেবে না ধরে) মন্দ হিসেবে ধরাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
১. তার ভালো গুণ এড়িয়ে মন্দ গুণই কেবল চোখে পড়বে।
২. তার পছন্দনীয় বিষয়গুলো ভুলে গিয়ে অপছন্দনীয় বিষয়গুলো মনে গেঁথে থাকবে।
৩. তার যেসব কাজকে ভালো বা মন্দ দুইভাবেই ধরে নেবার সুযোগ আছে, সেসব ক্ষেত্রে (সুধারণাবশত ভাল হিসেবে না ধরে) মন্দ হিসেবে ধরাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
❤9
'জান্নাতীদের কেউ কেউ জাহান্নামীদের দেখে বিস্ময় প্রকাশ করবে। বলবে, আরেহ, আপনারা জাহান্নামে গেলেন কী করে? অথচ আমরা আপনাদের কাছ থেকেই আদব কায়দা শিখেছিলাম, দ্বীনের জ্ঞান পেয়েছিলাম। এগুলোর বরকতেই তো আমরা জান্নাত পেয়েছি। কিন্তু আপনাদের এই অবস্থা কেন?'' তখন উত্তরে তারা বলবে, '
.
— ইমাম শাবী (রহ.)
[মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবাহ, ১৩/৪
আমরা আমলের কথা বলতাম ঠিকই, কিন্তু নিজেরা করতাম না।'
.
— ইমাম শাবী (রহ.)
[মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবাহ, ১৩/৪
😢11
যে শহর আজ মৃ*ত্যুপুরী!
বেইলি রোডে পুড়ে মা*রা যাওয়া ৪৪+ এর মধ্যে আমিও থাকতে পারতাম। আমার আপনার মতো অনেকেই হয়তো সেখানে গিয়েছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তারা অনন্তকালের আখিরাতের পথের যাত্রী হয়ে গেছে!
অনেকেই গতকাল অনেক পোস্ট করেছিল। ৪ বছর পর কি হবে? কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে ৪ বছর অনেক পরের কথা, ৪ সেকেন্ড এর কোনো নিশ্চয়তা নেই! তাই সময় থাকতে ফিরে আসুন, হতে পারে মুয়াজ্জিন এর এই ডাক আপনার জীবনের শেষ ডাক!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সকল মৃতদেরকে ক্ষমা করুন, শহীদ হিসেবে কবুল করুন ও জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।
বেইলি রোডে পুড়ে মা*রা যাওয়া ৪৪+ এর মধ্যে আমিও থাকতে পারতাম। আমার আপনার মতো অনেকেই হয়তো সেখানে গিয়েছিল ২৯ ফেব্রুয়ারি দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তারা অনন্তকালের আখিরাতের পথের যাত্রী হয়ে গেছে!
অনেকেই গতকাল অনেক পোস্ট করেছিল। ৪ বছর পর কি হবে? কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে ৪ বছর অনেক পরের কথা, ৪ সেকেন্ড এর কোনো নিশ্চয়তা নেই! তাই সময় থাকতে ফিরে আসুন, হতে পারে মুয়াজ্জিন এর এই ডাক আপনার জীবনের শেষ ডাক!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সকল মৃতদেরকে ক্ষমা করুন, শহীদ হিসেবে কবুল করুন ও জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।
❤15👍1