আলোর পথ
Photo
নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু জননেতা আ আন ম শামসুল ইসলাম ভাইয়ের অসাধারণ কিছু পরামর্শঃ
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যাক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না, ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে, ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যায় জিকির-আজকার করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষ করে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক।(আমিন)
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যাক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না, ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে, ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যায় জিকির-আজকার করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষ করে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক।(আমিন)
❤14
"যারা ঈমান এনেছে তারা লড়াই করে আল্লাহর রাস্তায়, আর যারা কুফরী করেছে তারা লড়াই করে তাগূতের পথে।সুতরাং, তোমরা লড়াই করো শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে।নিশ্চয় শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল।"
[সূরা আন নিসা,আয়াত ৭৬]
[সূরা আন নিসা,আয়াত ৭৬]
❤9
শুয়াইব ইবনুল হাবহাব বলেন, আবুল ‘আলিয়া আমাদের বাড়িতে এলে বলতেন, “আপনারা আমাদের জন্য কষ্ট করতে যাবেন না। ঘরের খাবারই আমাদেরকে খাওয়াবেন।”
.
[আল-মা‘রিফা ওয়াত-তারীখ: ৩/২৪]
.
[আল-মা‘রিফা ওয়াত-তারীখ: ৩/২৪]
শবে বরাত বা মধ্য-শা'বানের রজনীতে যা করা যাবে না-
-মসজিদে মাইক বাজিয়ে বয়ান, দুআ-দুরুদ, যিকির ইত্যাদি
-দলবদ্ধভাবে কবরস্থানে গমন৷ (তবে একা গেলে সমস্যা নেই৷)
-মসজিদ বা স্থাপনায় আলোকসজ্জা
-সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ ব্যতিক্রমী নিয়মে নামায আদায় করা
-এ রাতকে ভাগ্য রজনী মনে করা
-এ রাতকে শবে কদরের সমপর্যায়ের মনে করা
-শিরনি-হালোয়ার আয়োজন
শবে বরাতে যা করবেন-
-আল্লাহ তাআলার কাছে কৃত গোনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন৷
-অপর মুসলিমের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করবেন৷
-একাকী বেশি বেশি নেক আমল (পেছনের জীবনের কাযা নামায, নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির-আযকার) করবেন৷
-আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবেন৷
-দান-সাদাকা করবেন৷
~মুফতি জিয়াউর রহমান হাফিঃ
-মসজিদে মাইক বাজিয়ে বয়ান, দুআ-দুরুদ, যিকির ইত্যাদি
-দলবদ্ধভাবে কবরস্থানে গমন৷ (তবে একা গেলে সমস্যা নেই৷)
-মসজিদ বা স্থাপনায় আলোকসজ্জা
-সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ ব্যতিক্রমী নিয়মে নামায আদায় করা
-এ রাতকে ভাগ্য রজনী মনে করা
-এ রাতকে শবে কদরের সমপর্যায়ের মনে করা
-শিরনি-হালোয়ার আয়োজন
শবে বরাতে যা করবেন-
-আল্লাহ তাআলার কাছে কৃত গোনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন৷
-অপর মুসলিমের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করবেন৷
-একাকী বেশি বেশি নেক আমল (পেছনের জীবনের কাযা নামায, নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির-আযকার) করবেন৷
-আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবেন৷
-দান-সাদাকা করবেন৷
~মুফতি জিয়াউর রহমান হাফিঃ
❤17👍1
সামনে থাকা যেকোন ব্যাক্তি যেন আমাদের কথার দ্বারাই বুঝতে পারে তার সামনে থাকা ব্যাক্তিটি মুসলিম। সকলেই এই কথাগুলো আমলে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ হলে সালাম ও মুসাফাহ করবেন।
• কেমন আছেন?
- আলহামদুলিল্লাহ
• কেউ উপকার করলে বলবেন,
- জাযাকাল্লাহ
• ভালো কাজ করতে চাইলে বলবেন,
- ইন-শা-আল্লাহ
• দুঃখিত বদলে বলবেন,
- আফওয়ান
• বিস্ময়কর কিছু দেখলে বলবেন,
- সুবহানাল্লাহ
• সুন্দর কিছু দেখলে বলবেন,
- মাসাআল্লাহ
• বিদায়ের সময় বলবেন,
- ফি আমানিল্লাহ
সকলেই আমল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ হলে সালাম ও মুসাফাহ করবেন।
• কেমন আছেন?
- আলহামদুলিল্লাহ
• কেউ উপকার করলে বলবেন,
- জাযাকাল্লাহ
• ভালো কাজ করতে চাইলে বলবেন,
- ইন-শা-আল্লাহ
• দুঃখিত বদলে বলবেন,
- আফওয়ান
• বিস্ময়কর কিছু দেখলে বলবেন,
- সুবহানাল্লাহ
• সুন্দর কিছু দেখলে বলবেন,
- মাসাআল্লাহ
• বিদায়ের সময় বলবেন,
- ফি আমানিল্লাহ
সকলেই আমল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
❤18
মসজিদে বিয়ে করা ভালো, কিন্তু এটা আবার সবাইকে জানানোর দরকার কী, যদি একটু পরে ফেসবুকে বউয়ের ছবি ফেসবুকে ঢেলে দেন?
মানে হলো, মসজিদে বিয়ে করছে, এটা বলে মানুষের কাছে ফেরেশতা সাজার চেষ্টা করে।
লুঙ্গি খুলে পাগড়ি বাঁধার মতো আরকি।
মানে হলো, মসজিদে বিয়ে করছে, এটা বলে মানুষের কাছে ফেরেশতা সাজার চেষ্টা করে।
লুঙ্গি খুলে পাগড়ি বাঁধার মতো আরকি।
🔥7
শব অর্থ রাত, বরাত অর্থ মুক্তি।
শাবান মাসের এই বিশেষ দিনে আল্লাহ সৃষ্টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেন। এ রাতে কোনো বিদআত করা যাবেনা। আল্লাহর রাসুল ﷺ বিদআতিদের এবং এদের আশ্রয় কারী কে অভিশাপ দিয়েছেন। রাসুল ﷺ এই রাত উপলক্ষে হালুয়া, রুটি, ওয়াজ, দোয়ার আয়োজন মাসজিদে নববিতে করেননি। আল্লাহ এদিন মুশরিক এবং অন্যের বিষয়ে যার অন্তরে হিংসা আছে, এই দুই শ্রেণি ছাড়া অন্যদের সাধারনভাবে ক্ষমা করে দেন।
আপনি এদিন এশার নামাজের পরে বাসাই চলে যাবেন, ঘরে যতটুকু পারবেন ইবাদত করবেন, এরপরে ঘুমিয়ে যাবেন। তাহাজ্জুদে উঠবেন, তাহাজ্জুদ পড়বেন, ফজর পড়বেন। কিন্তু বিদআত করবেন না।
.
- জনৈক শাইখের লেকচারের সারাংশ
#LSM #Ramadan #PreRamadan
শাবান মাসের এই বিশেষ দিনে আল্লাহ সৃষ্টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেন। এ রাতে কোনো বিদআত করা যাবেনা। আল্লাহর রাসুল ﷺ বিদআতিদের এবং এদের আশ্রয় কারী কে অভিশাপ দিয়েছেন। রাসুল ﷺ এই রাত উপলক্ষে হালুয়া, রুটি, ওয়াজ, দোয়ার আয়োজন মাসজিদে নববিতে করেননি। আল্লাহ এদিন মুশরিক এবং অন্যের বিষয়ে যার অন্তরে হিংসা আছে, এই দুই শ্রেণি ছাড়া অন্যদের সাধারনভাবে ক্ষমা করে দেন।
আপনি এদিন এশার নামাজের পরে বাসাই চলে যাবেন, ঘরে যতটুকু পারবেন ইবাদত করবেন, এরপরে ঘুমিয়ে যাবেন। তাহাজ্জুদে উঠবেন, তাহাজ্জুদ পড়বেন, ফজর পড়বেন। কিন্তু বিদআত করবেন না।
.
- জনৈক শাইখের লেকচারের সারাংশ
#LSM #Ramadan #PreRamadan
চুপ করে আছি বলেই!
ভেবোনা গায়ে শক্তি নেই
গর্জন দিলে তর্জনী তুলে
রুখার কারো সাধ্য নেই!
ভেবোনা গায়ে শক্তি নেই
গর্জন দিলে তর্জনী তুলে
রুখার কারো সাধ্য নেই!
❤13
ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন, আমাদের কাছে পৌঁছেছে যে, পাঁচ রাত্রিতে দোয়া কবুল হয়:
১. জুমার রাত্রি
২. ঈদুল আযহার রাত্রি
৩. ঈদুল ফিতরের রাত্রি
৪. রজব মাসের প্রথম রাত্রি
৫. লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান বা শবে বরাত।
(আল-উম্মু -১/২৬৪)
আজ রাতে সবাই সবাইকে দোয়াতে শরীক রাখি। আর সবার কাছে দুয়াপ্রার্থী।
جزاكم الله خيرا
১. জুমার রাত্রি
২. ঈদুল আযহার রাত্রি
৩. ঈদুল ফিতরের রাত্রি
৪. রজব মাসের প্রথম রাত্রি
৫. লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান বা শবে বরাত।
(আল-উম্মু -১/২৬৪)
আজ রাতে সবাই সবাইকে দোয়াতে শরীক রাখি। আর সবার কাছে দুয়াপ্রার্থী।
جزاكم الله خيرا
❤19👍1
আমরা সত্যকে মূল্যায়ন করতে এবং তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে লজ্জিত না হওয়ার শপথগ্রহণ করেছি - আর তা (সত্য) যেখান থেকেই আসুক ; যদি তা ( সত্য) আমাদের বিপরীত কোন জাতির কাছ থেকেও গ্রহন করার প্রয়োজন হয়।
- আল-কিন্দি
- আল-কিন্দি
❤8👍1
আজকে কত ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করছেন?
Anonymous Poll
47%
৫
20%
৪
10%
৩
5%
২
5%
১
13%
এক ওয়াক্ত পরিনি😭😭
আমরা আমাদের জীবনের যে স্বপ্নগুলো দেখেছি,, সেগুলো হয়তো আমাদের জন্য কল্যাণকর ছিল না,, আল্লাহ আমাদেরকে হেদায়েত দিয়েছেন। আর আল্লাহর রাস্তায় যারা চলে তারা কখনো অসুখী না। কারণ তারা ধন সম্পদের দিক থেকে না হলেও ঈমানের দিকে অনেক ধনী।
লা তাহযান
লা তাহযান
❤27👍1
'রাহমান'-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, 'সালাম'।
[ সুরা আল-ফুরকান, ২৫ : ৬৩ ]
[ সুরা আল-ফুরকান, ২৫ : ৬৩ ]
❤15