আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
15
"বিপ্লব হলো দাবানলের মত। এর পথে যা আসবে সবকিছুকেই এটা পুড়িয়ে দেয়।
বিপ্লবে যুক্ত থাকা মানুষরা সিস্টেমের অংশ হয় না। তারা সিস্টেমকে পরিবর্তন করে, ধ্বংস করে।"
.
- ম্যালকম এক্স (মালিক আল-শাবাজ)
12
এখন থেকে সকলেই বেশি বেশি
*ইন শা আল্লাহ
*আলহামদুলিল্লাহ
*মা শা আল্লাহ ও
*জাযাকাল্লাহ এর ব্যাবহার করুন...
8
নিয়ামত যেভাবে হারিয়ে যায়..

বান্দা কোনো গুনাহ করলে আল্লাহর দেওয়া একটা নিয়ামত তার থেকে সরে যায়। সে তাওবাহ করে ফিরে এলে সেই নিয়ামত বা সে রকমই একটা নিয়ামত আবার ফিরে পায়। আর যদি গুনাহর উপর অটল থাকে, তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে পায় না।

এভাবে গুনাহগুলো একের পর এক নিয়ামত সরাতে থাকে, এক পর্যায়ে সব নিয়ামত তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

সুত্র: ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)
[ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্টা: ২৭১]
👍4
খতনা নি‌য়ে ফেতনা সৃ‌ষ্টির পায়তারা কর‌তে চা‌চ্ছে এক‌টি মহল।
গত ২০‌ফেব্রুয়ারী, মঙ্গলবার রাতে আহনাফ তাহমিদ নামে ১০ বছর বয়সী একটি শিশু খতনা করাতে গিয়ে মারা গেছে। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই ‘ফুল অ্যানেসথেসিয়া’ দেয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। দেড় মাস আগে খতনা করাতে গিয়ে আয়ান আহমেদ নামে আরো একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল এবং তার পরিবারও একই অভিযোগ করেছিল। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে খতনা করা‌তে গি‌য়ে আট বছ‌রের শিশুর গোপনাঙ্গ কে‌টে ফেলার সংবাদ পাওয়া গে‌ছে।
খতনাকে‌ন্দ্রিক এসব মৃত‌্যু প‌রিক‌ল্পিত, না‌কি নিছক দুর্ঘটনা, তা জানা না গে‌লেও মর্মা‌ন্তিক ঘটনাদু‌টি‌কে কেন্দ্র ক‌রে মি‌ডিয়ার অপপ্রচার প‌রিক‌ল্পিতই ম‌নে হ‌চ্ছে। বি‌বি‌সিসহ ক‌য়েক‌টি মি‌ডিয়া এবং কতক ইসলাম‌ে‌বি‌দ্বেষী গোষ্ঠী একে নে‌তিবাচকভা‌বেই উপস্থাপন কর‌ছে। এর সা‌থে হাদীস অস্বীকারকারী আবু সাইদ খানও হাওয়া দি‌চ্ছে। অথচ ল‌্যাবএইডে ভুল চি‌কিৎসায় তাগড়া যুবক‌কে মে‌রে ফেলার ঘটনা নি‌য়ে মি‌ডিয়ার কো‌নো মাতামা‌তি নেই।

যতদূর জা‌নি, ইসলামসহ আসমানী ধর্মানুসারী সকল জা‌তির ম‌ধ্যে খতনার প্রচলন আছে। শুধু সনাতনী ও বৌদ্ধ‌দের ম‌ধ্যে এর প্রচলন নেই। আরব‌দের ম‌ধ্যে জ‌ন্মের সা‌থে সা‌খে খতনা সে‌রে ফেলার রেওয়াজ আছে। বাংলাদেশে কোনো ধরনের অ্যানেসথেসিয়া দেয়া ছাড়াই যুগ যুগ ধরে /উসতা বা হাজামরা (যিনি খতনা করান) খতনার কাজ করে সচারুরূ‌পে ক‌রে আসছে। এতে কো‌নো মৃত‌্যুর কথা কখ‌নো শোনা যায়‌নি। কিন্তু গত কয়েক দশকে অ‌তি‌রিক্ত সতর্কতাবসত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে সার্জারির মাধ্যমে খতনা করানোর চল বেশ বেড়ে গেছে। এসব ডাক্তারগণ অ্যানেসথেসিয়া ‌দি‌য়ে খতনা করা‌চ্ছেন। এর আগে কখ‌নো এমন মৃত‌্যুসংবাদ শোনা গে‌লেও পরপর খতনা‌কে‌ন্দ্রিক দু‌টি দুর্ঘটনা জনম‌নে স‌ন্দেহ ও উদ্বেগ সৃ‌ষ্টি কর‌ছে। অপপ্রচা‌রের মাধ‌্যমে খতনার ব‌্যাপা‌রে শিশু‌দের ম‌ধ্যেও আতঙ্ক ও ভয় ঢু‌কিয়ে দেওয়া হ‌চ্ছে। এদে‌শে এবং পা‌শের দে‌শের সনাতনীরা যে‌হেতু খতনা ক‌রে না, তারা এর সু‌যোগ নি‌চ্ছে এবং খতনাহীনতা‌কে ম‌হিয়ান ক‌রে তোলা হ‌চ্ছে। বলা হ‌চ্ছে, এসব বাচ্চাদের অন‌্য সমস‌্যা ছিল, এমতাবস্থাবস্থায় এনেস‌থে‌সিয়া বিপজ্জনক হ‌য়ে ও‌ঠে‌ছিল। কিন্তু প্রশ্ন জা‌গে, মি‌ডিয়া এসব মৃত‌্যুর জন‌্য বারবার খতনা‌কে ফোকাস কর‌ছে কেন? এটা উদ্দেশ‌্যপ্রণো‌দিত অপপ্রচার বৈ কিছু নয়।

এম‌নি‌তেই এদেশের ইসলামী তাহযীব তামাদ্দুন‌কে হিন্দুয়ানী কালচার দ্বারা চে‌পে ধরার অ‌পে‌চেষ্টা চল‌ছে, এর সা‌থে খতনা‌কে‌ন্দ্রিক অপমৃত‌্যুর কো‌নো সম্পর্ক আছে কি না, তা খ‌তি‌য়ে দেখা দরকার।
হাজার হাজার বছর থে‌কে সারা‌বি‌শ্বে খতনাপ্রথা চ‌লে আস‌ছে। এর উপকা‌রিতা বৈজ্ঞা‌নিকভা‌বে প্রমা‌ণিত। ইসলা‌মে এটি শিঅার বা মুসলমা‌নের প্রতীকরূ‌পে স্বীকৃত। এটা‌কে হিন্দুয়া‌নি কালচা‌রে ব‌লিদা‌নের ষড়যন্ত্র যে‌কোনো মূ‌ল্যে প্রতিহত কর‌তে হ‌বে।

২৩।০২।২৪ - সাইফুদ্দিন গাযী
👍9
আলোর পথ
Photo
নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু জননেতা আ আন ম শামসুল ইসলাম ভাইয়ের অসাধারণ কিছু পরামর্শঃ

১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।

২. দিনে ম্যাক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না, ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।

৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।

৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে, ওই কথা বলার দরকার নাই।

৫. সকাল সন্ধ্যায় জিকির-আজকার করুন।

৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।

৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।

৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।

৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।

১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।

১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।

১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।

১৩. বিশেষ করে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷

১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।

১৫. তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।

আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক।(আমিন)
14
“কাদিয়ানী একটি বড় ধরনের সমস্যা। সরকার সেই সমস্যা লালনকারী।”
-রাশেদুল ইসলাম
14
সময় ছোট হয়ে যাওয়ার পূর্বে কিয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবেনা। এক বছরকে একমাসের সমান মনে হবে। এক মাসকে এক সপ্তাহের সমান মনে হবে। এক সপ্তাহকে একদিনের মত মনে হবে এবং এক দিনকে এক ঘন্টার সমান মনে হবে।
মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিজী। ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুল জামে আস্ সাগীর, হাদীছ নং- ৭২৯৯।
😢16
"যারা ঈমান এনেছে তারা লড়াই করে আল্লাহর রাস্তায়, আর যারা কুফরী করেছে তারা লড়াই করে তাগূতের পথে।সুতরাং, তোমরা লড়াই করো শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে।নিশ্চয় শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল।"

[সূরা আন নিসা,আয়াত ৭৬]
9
শুয়াইব ইবনুল হাবহাব বলেন, আবুল ‘আলিয়া আমাদের বাড়িতে এলে বলতেন, “আপনারা আমাদের জন্য কষ্ট করতে যাবেন না। ঘরের খাবারই আমাদেরকে খাওয়াবেন।”
.
[আল-মা‘রিফা ওয়াত-তারীখ: ৩/২৪]
শবে বরাত বা মধ্য-শা'বানের রজনীতে যা করা যাবে না-

-মসজিদে মাইক বাজিয়ে বয়ান, দুআ-দুরুদ, যিকির ইত্যাদি
-দলবদ্ধভাবে কবরস্থানে গমন৷ (তবে একা গেলে সমস্যা নেই৷)
-মসজিদ বা স্থাপনায় আলোকসজ্জা
-সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ ব্যতিক্রমী নিয়মে নামায আদায় করা
-এ রাতকে ভাগ্য রজনী মনে করা
-এ রাতকে শবে কদরের সমপর্যায়ের মনে করা
-শিরনি-হালোয়ার আয়োজন

শবে বরাতে যা করবেন-

-আল্লাহ তাআলার কাছে কৃত গোনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন৷
-অপর মুসলিমের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করবেন৷
-একাকী বেশি বেশি নেক আমল (পেছনের জীবনের কাযা নামায, নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির-আযকার) করবেন৷
-আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবেন৷
-দান-সাদাকা করবেন৷

~মুফতি জিয়াউর রহমান হাফিঃ
17👍1
সামনে থাকা যেকোন ব্যাক্তি যেন আমাদের কথার দ্বারাই বুঝতে পারে তার সামনে থাকা ব্যাক্তিটি মুসলিম। সকলেই এই কথাগুলো আমলে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ হলে সালাম ও মুসাফাহ করবেন।
• কেমন আছেন?
- আলহামদুলিল্লাহ
• কেউ উপকার করলে বলবেন,
- জাযাকাল্লাহ
• ভালো কাজ করতে চাইলে বলবেন,
- ইন-শা-আল্লাহ
• দুঃখিত বদলে বলবেন,
- আফওয়ান
• বিস্ময়কর কিছু দেখলে বলবেন,
- সুবহানাল্লাহ
• সুন্দর কিছু দেখলে বলবেন,
- মাসাআল্লাহ
• বিদায়ের সময় বলবেন,
- ফি আমানিল্লাহ
সকলেই আমল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
18
মসজিদে বিয়ে করা ভালো, কিন্তু এটা আবার সবাইকে জানানোর দরকার কী, যদি একটু পরে ফেসবুকে বউয়ের ছবি ফেসবুকে ঢেলে দেন?

মানে হলো, মসজিদে বিয়ে করছে, এটা বলে মানুষের কাছে ফেরেশতা সাজার চেষ্টা করে।

লুঙ্গি খুলে পাগড়ি বাঁধার মতো আরকি।
🔥7
যারা বুঝার, ঠিকই বুঝে নিবে
13
শব অর্থ রাত, বরাত অর্থ মুক্তি।
শাবান মাসের এই বিশেষ দিনে আল্লাহ সৃষ্টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেন। এ রাতে কোনো বিদআত করা যাবেনা। আল্লাহর রাসুল ﷺ বিদআতিদের এবং এদের আশ্রয় কারী কে অভিশাপ দিয়েছেন। রাসুল ﷺ এই রাত উপলক্ষে হালুয়া, রুটি, ওয়াজ, দোয়ার আয়োজন মাসজিদে নববিতে করেননি। আল্লাহ এদিন মুশরিক এবং অন্যের বিষয়ে যার অন্তরে হিংসা আছে, এই দুই শ্রেণি ছাড়া অন্যদের সাধারনভাবে ক্ষমা করে দেন।
আপনি এদিন এশার নামাজের পরে বাসাই চলে যাবেন, ঘরে যতটুকু পারবেন ইবাদত করবেন, এরপরে ঘুমিয়ে যাবেন। তাহাজ্জুদে উঠবেন, তাহাজ্জুদ পড়বেন, ফজর পড়বেন। কিন্তু বিদআত করবেন না।
.
- জনৈক শাইখের লেকচারের সারাংশ
#LSM #Ramadan #PreRamadan
চুপ করে আছি বলেই!
ভেবোনা গায়ে শক্তি নেই
গর্জন দিলে তর্জনী তুলে
রুখার কারো সাধ্য নেই!
13
তিনিই আল্লাহ, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই;
দৃশ্য-অদৃশ্যের জ্ঞাতা; তিনিই পরম করুণাময়, দয়ালু।
সূরা আল-হাশরঃ ২২
7
20🔥2
ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন, আমাদের কাছে পৌঁছেছে যে, পাঁচ রাত্রিতে দোয়া কবুল হয়:
১. জুমার রাত্রি
২. ঈদুল আযহার রাত্রি
৩. ঈদুল ফিতরের রাত্রি
৪. রজব মাসের প্রথম রাত্রি
৫. লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান বা শবে বরাত।
(আল-উম্মু -১/২৬৪)

আজ রাতে সবাই সবাইকে দোয়াতে শরীক রাখি। আর সবার কাছে দুয়াপ্রার্থী।

جزاكم الله خيرا
19👍1