যে জ্ঞান আজ তোমাকে পাপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে না, আবার আল্লাহর ইবাদতেও আগ্রহী করে তুলছে না, সে জ্ঞান আগামীকাল তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবে না।
.
- ইমাম গাযালী (রাহিমাহুল্লাহ)
[আইয়ুহাল ওয়ালাদ]
.
- ইমাম গাযালী (রাহিমাহুল্লাহ)
[আইয়ুহাল ওয়ালাদ]
😢12
আলোর পথ
বিস্তারিত পড়তে চোখ রাখুন: আলোর পথ
“ইস্তিগফার ও কালোজিরা”
মানসিক ও শারীরিক যাবতীয় সমস্যার দুই মহাঔষধ।
.
◾ইস্তিগফার:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- “যে ব্যক্তি বেশি পরিমাণে ইস্তেগফার করবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যে কোন অভাব ও সংকটের সময় তার জন্য রাস্তা খুলে দিবেন, যেকোন দুঃখ ও দুশ্চিন্তা দূর করে দিবেন এবং তার জন্য এমন রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা করে দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।” [১]
কুরআন থেকে- “আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল। তাহলে তিনি তোমাদের প্রতি মুষলধারে বৃষ্টি প্রেরণ করবেন। আর তিনি তোমাদেরকে সম্পদ ও সন্তানাদি বৃদ্ধি করে দেবেন। তিনি তোমাদের জন্য বিভিন্ন উদ্যান ও নদ-নদী সৃষ্টি করে দেবেন।” [২]
“হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অতঃপর তাঁর কাছে তাওবা কর। তিনি তোমাদের প্রতি মুষলধারে বৃষ্টি প্রেরণ করবেন। তোমাদের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেবেন। আর তোমরা অপরাধী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিও না।” [৩]
এভাবে কুরআন ও হাদিসে তাওবা ও ইস্তিগফারের অনেক ফায়দা ও উপকারের কথা বলা হয়েছে। তাই আল্লাহ তাআলার ক্ষমা, দয়া এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সব দিক থেকে তাঁর সাহায্য লাভ করার জন্য তাওবা ও ইস্তিগফারের বিকল্প নেই।
মোটকথা, তাওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখেরাতের জীবন সর্বাঙ্গীন সুন্দর ও সফল হয়। এর মাধ্যমে একজন মুমিন লাভ করে উভয় জাহানের সমৃদ্ধি। সর্বোপরি তাওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে মুমিন আল্লাহ তাআলার নিকটতম বান্দায় পরিণত হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের সগীরা-কবীরা গুনাহসহ সব ধরনের অন্যায়-অপরাধ ক্ষমা করেন। এবং আমাদেরকে সব ধরনের গুনাহ থেকে তাওবা করার তাওফীক দান করেন— আমীন, ইয়া রাব্বাল আলামীন।
তবে নিজেকে সবধরনের অশ্লীলতা, অপবিত্রতা থেকে পবিত্র থাকা চাই।
.
◾কালোজিরা:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- “তোমরা কালোজিরা নিজেদের জন্য ব্যবহারকে বাধ্যতামূলক করে নাও। কেননা মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগের নিরাময় এর মধ্যে রয়েছে।” [৪]
হযরত খালিদ ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন– আমরা (যু/দ্ধের অভিযানে) বের হলাম। আমাদের সঙ্গে ছিলেন গালিব ইবনু আবজার। তিনি পথে অসুস্থ হয়ে গেলেন। এরপর আমরা মদীনায় ফিরলাম তখনও তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁকে দেখাশুনা করতে আসেন ইবনু আবূ ‘আতীক।তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা এ কালো জিরা সাথে রেখ। এত্থেকে পাঁচটি কিংবা সাতটি দানা নিয়ে পিষে ফেলবে, তারপর তন্মধ্যে যাইতুনের কয়েক ফোঁটা তৈল ঢেলে দিয়ে তার নাকের এ দিক-ওদিকের ছিদ্র দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা করে প্রবিষ্ট করাবে।
কেননা, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ -কে বলতে শুনেছেনঃ– এই কালো জিরা ‘সাম’ ছাড়া সব রোগের ঔষধ। আমি বললামঃ ‘সাম’ কী? তিনি বললেনঃ মৃত্যু। [৫]
✓রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা- কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে যে কোন জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে।
✓রক্তের শর্করা কমায়- কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিক আয়ত্তে রাখতে সহায়তা করে।
✓রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন- কালোজিরা নিন্ম রক্তচাপকে বৃদ্ধি এবং উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাসের মাধ্যমে শরীরে রক্তচাপ এর স্বাভাবিক মাত্রা সুনিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
✓স্মরণ শক্তি উন্নয়ন- কালোজিরা মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
✓হাঁপানীঃ কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা সমাধনে সহায়তা করে।
✓চুল পড়া বন্ধ করে- কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুলপড়া বন্ধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
✓রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যাথা-কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
✓মায়ের দুধ বৃদ্ধি-কালোজিরা মায়েদের বুকের দুধের প্রবাহ এবং স্থায়ীত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
✓শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি-কালোজিরা শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে।
✓দেহের সাধারণ উন্নতি-নিয়মিত কালোজিরাসেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।
-------
তথ্যসূত্র:
[১] সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং: ১৫১৮
[২] সূরা নূহ, আয়াত: ১০-১২
[৩] সূরা হুদ, আয়াত: ৫২
[৪] সুনান আত তিরমিজী, হাদিস নং: ২০৪১
[৫] সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৬৮৭
মানসিক ও শারীরিক যাবতীয় সমস্যার দুই মহাঔষধ।
.
◾ইস্তিগফার:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- “যে ব্যক্তি বেশি পরিমাণে ইস্তেগফার করবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যে কোন অভাব ও সংকটের সময় তার জন্য রাস্তা খুলে দিবেন, যেকোন দুঃখ ও দুশ্চিন্তা দূর করে দিবেন এবং তার জন্য এমন রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা করে দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।” [১]
কুরআন থেকে- “আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল। তাহলে তিনি তোমাদের প্রতি মুষলধারে বৃষ্টি প্রেরণ করবেন। আর তিনি তোমাদেরকে সম্পদ ও সন্তানাদি বৃদ্ধি করে দেবেন। তিনি তোমাদের জন্য বিভিন্ন উদ্যান ও নদ-নদী সৃষ্টি করে দেবেন।” [২]
“হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অতঃপর তাঁর কাছে তাওবা কর। তিনি তোমাদের প্রতি মুষলধারে বৃষ্টি প্রেরণ করবেন। তোমাদের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেবেন। আর তোমরা অপরাধী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিও না।” [৩]
এভাবে কুরআন ও হাদিসে তাওবা ও ইস্তিগফারের অনেক ফায়দা ও উপকারের কথা বলা হয়েছে। তাই আল্লাহ তাআলার ক্ষমা, দয়া এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সব দিক থেকে তাঁর সাহায্য লাভ করার জন্য তাওবা ও ইস্তিগফারের বিকল্প নেই।
মোটকথা, তাওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখেরাতের জীবন সর্বাঙ্গীন সুন্দর ও সফল হয়। এর মাধ্যমে একজন মুমিন লাভ করে উভয় জাহানের সমৃদ্ধি। সর্বোপরি তাওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে মুমিন আল্লাহ তাআলার নিকটতম বান্দায় পরিণত হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের সগীরা-কবীরা গুনাহসহ সব ধরনের অন্যায়-অপরাধ ক্ষমা করেন। এবং আমাদেরকে সব ধরনের গুনাহ থেকে তাওবা করার তাওফীক দান করেন— আমীন, ইয়া রাব্বাল আলামীন।
তবে নিজেকে সবধরনের অশ্লীলতা, অপবিত্রতা থেকে পবিত্র থাকা চাই।
.
◾কালোজিরা:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন- “তোমরা কালোজিরা নিজেদের জন্য ব্যবহারকে বাধ্যতামূলক করে নাও। কেননা মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগের নিরাময় এর মধ্যে রয়েছে।” [৪]
হযরত খালিদ ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন– আমরা (যু/দ্ধের অভিযানে) বের হলাম। আমাদের সঙ্গে ছিলেন গালিব ইবনু আবজার। তিনি পথে অসুস্থ হয়ে গেলেন। এরপর আমরা মদীনায় ফিরলাম তখনও তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁকে দেখাশুনা করতে আসেন ইবনু আবূ ‘আতীক।তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা এ কালো জিরা সাথে রেখ। এত্থেকে পাঁচটি কিংবা সাতটি দানা নিয়ে পিষে ফেলবে, তারপর তন্মধ্যে যাইতুনের কয়েক ফোঁটা তৈল ঢেলে দিয়ে তার নাকের এ দিক-ওদিকের ছিদ্র দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা করে প্রবিষ্ট করাবে।
কেননা, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ -কে বলতে শুনেছেনঃ– এই কালো জিরা ‘সাম’ ছাড়া সব রোগের ঔষধ। আমি বললামঃ ‘সাম’ কী? তিনি বললেনঃ মৃত্যু। [৫]
✓রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা- কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে যে কোন জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে।
✓রক্তের শর্করা কমায়- কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিক আয়ত্তে রাখতে সহায়তা করে।
✓রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন- কালোজিরা নিন্ম রক্তচাপকে বৃদ্ধি এবং উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাসের মাধ্যমে শরীরে রক্তচাপ এর স্বাভাবিক মাত্রা সুনিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
✓স্মরণ শক্তি উন্নয়ন- কালোজিরা মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
✓হাঁপানীঃ কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা সমাধনে সহায়তা করে।
✓চুল পড়া বন্ধ করে- কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুলপড়া বন্ধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
✓রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যাথা-কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
✓মায়ের দুধ বৃদ্ধি-কালোজিরা মায়েদের বুকের দুধের প্রবাহ এবং স্থায়ীত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
✓শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি-কালোজিরা শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে।
✓দেহের সাধারণ উন্নতি-নিয়মিত কালোজিরাসেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।
-------
তথ্যসূত্র:
[১] সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং: ১৫১৮
[২] সূরা নূহ, আয়াত: ১০-১২
[৩] সূরা হুদ, আয়াত: ৫২
[৪] সুনান আত তিরমিজী, হাদিস নং: ২০৪১
[৫] সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৬৮৭
▪️ইস্তিগফার এমন ঔষধ যার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
▪️ইস্তিগফার হলো গুনাহ্সমূহ ধ্বংসের হাতিয়ার।
▪️আপনি শুধুমাত্র চল্লিশ দিন পূর্ণ মনোযোগ, ইখলাস ও অধিক পরিমাণে তাওবাহ্-ইস্তিগফার নিয়মিত দৈনিক হাজার বার 'আমল করুন। দেখবেন তখন আপনার চিৎকার করে কান্না আসবে যে, জানা নেই অতীতে এই নি'মাত থেকে বঞ্চিত হয়ে কতো কিছুই না হারিয়েছি।
_
মুফতি মুহাম্মাদ খুবাইব (হাফিযাহুল্লাহ্)
▪️দুনইয়া ও আখিরাতের এমন কোনো প্রয়োজন ও মুসিবত নেই, ইস্তিগফার দ্বারা যার প্রতিকার হয় না।
▪️স্বপ্নের জগতে বাস্তবে যেতে চান?
ইস্তিগফারকে আবশ্যক করে নিন।
▪️ইস্তিগফার পিঁপড়ার শক্তিকে হাতির চেয়েও অধিকতর করে দেয়।
▪️ গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকার মাধ্যম হলো ইস্তিগফার।
▪️“এই পবিত্র কুরআন তোমাদের রোগও বলে দেয় এবং উক্ত রোগের চিকিৎসাও বলে দেয়। সুতরাং তোমাদের রোগ হলো গুনাহ্ আর তোমাদের চিকিৎসা হলো ইস্তিগফার।” –[কাতাদাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হ)]
▪️শক্তির রহস্য হচ্ছে ইস্তিগফার।
▪️সুকুন হচ্ছে অমূল্য, যা আসবে খাঁটি ইস্তিগফারের দ্বারা।
▪️সকল আঘাতের উপশম হলো ইস্তিগফার।
▪️আশ্চর্য তার জন্যে, যে ধ্বংস হয় অথচ তার সঙ্গেই রয়েছে মুক্তি।
আরয করা হলো— তা কি?
বললেন— ‘ইস্তিগফার’।
_
আলী ইবনে আবি ত্বালিব রাযিয়াল্লাহু 'আন্হ
▪️সর্বোত্তম দু'আ হচ্ছে ইস্তিগফার।
▪️ইস্তিগফারের দাবিই হচ্ছে তাক্বওয়া। যে ইস্তিগফারের হক্ব আদায় করে ইস্তিগফার করে তার তাক্বওয়ার দৌলত নসিব হয়ে যায়।
▪️এটাও গুনাহের একটি মন্দ প্রভাব যে, ইস্তিগফারের এতো বড়ো বড়ো উপকারিতা কুরআন-সুন্নাহ্তে পাঠ করেও মানুষ ইস্তিগফারকে অবলম্বন করে না।
_
মুফতি মুহাম্মাদ খুবাইব (হাফিযাহুল্লাহ্)
▪️ইস্তিগফার হচ্ছে এমন এক সিঁড়ি চড়া— যার উঁচুত্ব চিন্ত্য নয়। যতোই উপরে উঠা হয়, ততোই মর্যাদা বুলন্দ হয়।
▪️ইস্তিগফার হলো গুনাহ্সমূহ ধ্বংসের হাতিয়ার।
▪️আপনি শুধুমাত্র চল্লিশ দিন পূর্ণ মনোযোগ, ইখলাস ও অধিক পরিমাণে তাওবাহ্-ইস্তিগফার নিয়মিত দৈনিক হাজার বার 'আমল করুন। দেখবেন তখন আপনার চিৎকার করে কান্না আসবে যে, জানা নেই অতীতে এই নি'মাত থেকে বঞ্চিত হয়ে কতো কিছুই না হারিয়েছি।
_
মুফতি মুহাম্মাদ খুবাইব (হাফিযাহুল্লাহ্)
▪️দুনইয়া ও আখিরাতের এমন কোনো প্রয়োজন ও মুসিবত নেই, ইস্তিগফার দ্বারা যার প্রতিকার হয় না।
▪️স্বপ্নের জগতে বাস্তবে যেতে চান?
ইস্তিগফারকে আবশ্যক করে নিন।
▪️ইস্তিগফার পিঁপড়ার শক্তিকে হাতির চেয়েও অধিকতর করে দেয়।
▪️ গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকার মাধ্যম হলো ইস্তিগফার।
▪️“এই পবিত্র কুরআন তোমাদের রোগও বলে দেয় এবং উক্ত রোগের চিকিৎসাও বলে দেয়। সুতরাং তোমাদের রোগ হলো গুনাহ্ আর তোমাদের চিকিৎসা হলো ইস্তিগফার।” –[কাতাদাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হ)]
▪️শক্তির রহস্য হচ্ছে ইস্তিগফার।
▪️সুকুন হচ্ছে অমূল্য, যা আসবে খাঁটি ইস্তিগফারের দ্বারা।
▪️সকল আঘাতের উপশম হলো ইস্তিগফার।
▪️আশ্চর্য তার জন্যে, যে ধ্বংস হয় অথচ তার সঙ্গেই রয়েছে মুক্তি।
আরয করা হলো— তা কি?
বললেন— ‘ইস্তিগফার’।
_
আলী ইবনে আবি ত্বালিব রাযিয়াল্লাহু 'আন্হ
▪️সর্বোত্তম দু'আ হচ্ছে ইস্তিগফার।
▪️ইস্তিগফারের দাবিই হচ্ছে তাক্বওয়া। যে ইস্তিগফারের হক্ব আদায় করে ইস্তিগফার করে তার তাক্বওয়ার দৌলত নসিব হয়ে যায়।
▪️এটাও গুনাহের একটি মন্দ প্রভাব যে, ইস্তিগফারের এতো বড়ো বড়ো উপকারিতা কুরআন-সুন্নাহ্তে পাঠ করেও মানুষ ইস্তিগফারকে অবলম্বন করে না।
_
মুফতি মুহাম্মাদ খুবাইব (হাফিযাহুল্লাহ্)
▪️ইস্তিগফার হচ্ছে এমন এক সিঁড়ি চড়া— যার উঁচুত্ব চিন্ত্য নয়। যতোই উপরে উঠা হয়, ততোই মর্যাদা বুলন্দ হয়।
সুরা বনি ইসরাইলের নির্দেশনা: ১৪ টি
১. আল্লাহকে ছাড়া কারও ইবাদত করবে না।
২. পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।
৩. আত্মীয়- স্বজনদের অধিকার দেবে।
৪. দরিদ্র ও পথসন্তানদের অধিকার দেবে।
৫. অপচয় করবে না।
৬. কৃপণতাও করবে না।
৭. সন্তানদের হ*ত্যা করবে না।
৮. ব্যভিচারী হবে না।
৯. মানুষকে কখনোই হ*ত্যা করবে না।
১০. পিতৃমাতৃহীনদের সম্পদ কেড়ে নিও না।
১১. প্রতিশ্রুতি পূর্ণ কোরো।
১২. মাপে পূর্ণভাবে দেবে।
১৩. যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, তা অনুসন্ধান করো না।
১৪. অহংকার করো না।
১. আল্লাহকে ছাড়া কারও ইবাদত করবে না।
২. পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।
৩. আত্মীয়- স্বজনদের অধিকার দেবে।
৪. দরিদ্র ও পথসন্তানদের অধিকার দেবে।
৫. অপচয় করবে না।
৬. কৃপণতাও করবে না।
৭. সন্তানদের হ*ত্যা করবে না।
৮. ব্যভিচারী হবে না।
৯. মানুষকে কখনোই হ*ত্যা করবে না।
১০. পিতৃমাতৃহীনদের সম্পদ কেড়ে নিও না।
১১. প্রতিশ্রুতি পূর্ণ কোরো।
১২. মাপে পূর্ণভাবে দেবে।
১৩. যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, তা অনুসন্ধান করো না।
১৪. অহংকার করো না।
❤11
"বিপ্লব হলো দাবানলের মত। এর পথে যা আসবে সবকিছুকেই এটা পুড়িয়ে দেয়।
বিপ্লবে যুক্ত থাকা মানুষরা সিস্টেমের অংশ হয় না। তারা সিস্টেমকে পরিবর্তন করে, ধ্বংস করে।"
.
- ম্যালকম এক্স (মালিক আল-শাবাজ)
বিপ্লবে যুক্ত থাকা মানুষরা সিস্টেমের অংশ হয় না। তারা সিস্টেমকে পরিবর্তন করে, ধ্বংস করে।"
.
- ম্যালকম এক্স (মালিক আল-শাবাজ)
❤12
নিয়ামত যেভাবে হারিয়ে যায়..
বান্দা কোনো গুনাহ করলে আল্লাহর দেওয়া একটা নিয়ামত তার থেকে সরে যায়। সে তাওবাহ করে ফিরে এলে সেই নিয়ামত বা সে রকমই একটা নিয়ামত আবার ফিরে পায়। আর যদি গুনাহর উপর অটল থাকে, তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে পায় না।
এভাবে গুনাহগুলো একের পর এক নিয়ামত সরাতে থাকে, এক পর্যায়ে সব নিয়ামত তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
সুত্র: ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)
[ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্টা: ২৭১]
বান্দা কোনো গুনাহ করলে আল্লাহর দেওয়া একটা নিয়ামত তার থেকে সরে যায়। সে তাওবাহ করে ফিরে এলে সেই নিয়ামত বা সে রকমই একটা নিয়ামত আবার ফিরে পায়। আর যদি গুনাহর উপর অটল থাকে, তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে পায় না।
এভাবে গুনাহগুলো একের পর এক নিয়ামত সরাতে থাকে, এক পর্যায়ে সব নিয়ামত তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
সুত্র: ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ)
[ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্টা: ২৭১]
👍4
খতনা নিয়ে ফেতনা সৃষ্টির পায়তারা করতে চাচ্ছে একটি মহল।
গত ২০ফেব্রুয়ারী, মঙ্গলবার রাতে আহনাফ তাহমিদ নামে ১০ বছর বয়সী একটি শিশু খতনা করাতে গিয়ে মারা গেছে। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই ‘ফুল অ্যানেসথেসিয়া’ দেয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। দেড় মাস আগে খতনা করাতে গিয়ে আয়ান আহমেদ নামে আরো একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল এবং তার পরিবারও একই অভিযোগ করেছিল। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে খতনা করাতে গিয়ে আট বছরের শিশুর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার সংবাদ পাওয়া গেছে।
খতনাকেন্দ্রিক এসব মৃত্যু পরিকল্পিত, নাকি নিছক দুর্ঘটনা, তা জানা না গেলেও মর্মান্তিক ঘটনাদুটিকে কেন্দ্র করে মিডিয়ার অপপ্রচার পরিকল্পিতই মনে হচ্ছে। বিবিসিসহ কয়েকটি মিডিয়া এবং কতক ইসলামেবিদ্বেষী গোষ্ঠী একে নেতিবাচকভাবেই উপস্থাপন করছে। এর সাথে হাদীস অস্বীকারকারী আবু সাইদ খানও হাওয়া দিচ্ছে। অথচ ল্যাবএইডে ভুল চিকিৎসায় তাগড়া যুবককে মেরে ফেলার ঘটনা নিয়ে মিডিয়ার কোনো মাতামাতি নেই।
যতদূর জানি, ইসলামসহ আসমানী ধর্মানুসারী সকল জাতির মধ্যে খতনার প্রচলন আছে। শুধু সনাতনী ও বৌদ্ধদের মধ্যে এর প্রচলন নেই। আরবদের মধ্যে জন্মের সাথে সাখে খতনা সেরে ফেলার রেওয়াজ আছে। বাংলাদেশে কোনো ধরনের অ্যানেসথেসিয়া দেয়া ছাড়াই যুগ যুগ ধরে /উসতা বা হাজামরা (যিনি খতনা করান) খতনার কাজ করে সচারুরূপে করে আসছে। এতে কোনো মৃত্যুর কথা কখনো শোনা যায়নি। কিন্তু গত কয়েক দশকে অতিরিক্ত সতর্কতাবসত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে সার্জারির মাধ্যমে খতনা করানোর চল বেশ বেড়ে গেছে। এসব ডাক্তারগণ অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে খতনা করাচ্ছেন। এর আগে কখনো এমন মৃত্যুসংবাদ শোনা গেলেও পরপর খতনাকেন্দ্রিক দুটি দুর্ঘটনা জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। অপপ্রচারের মাধ্যমে খতনার ব্যাপারে শিশুদের মধ্যেও আতঙ্ক ও ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদেশে এবং পাশের দেশের সনাতনীরা যেহেতু খতনা করে না, তারা এর সুযোগ নিচ্ছে এবং খতনাহীনতাকে মহিয়ান করে তোলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এসব বাচ্চাদের অন্য সমস্যা ছিল, এমতাবস্থাবস্থায় এনেসথেসিয়া বিপজ্জনক হয়ে ওঠেছিল। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, মিডিয়া এসব মৃত্যুর জন্য বারবার খতনাকে ফোকাস করছে কেন? এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বৈ কিছু নয়।
এমনিতেই এদেশের ইসলামী তাহযীব তামাদ্দুনকে হিন্দুয়ানী কালচার দ্বারা চেপে ধরার অপেচেষ্টা চলছে, এর সাথে খতনাকেন্দ্রিক অপমৃত্যুর কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
হাজার হাজার বছর থেকে সারাবিশ্বে খতনাপ্রথা চলে আসছে। এর উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। ইসলামে এটি শিঅার বা মুসলমানের প্রতীকরূপে স্বীকৃত। এটাকে হিন্দুয়ানি কালচারে বলিদানের ষড়যন্ত্র যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।
২৩।০২।২৪ - সাইফুদ্দিন গাযী
গত ২০ফেব্রুয়ারী, মঙ্গলবার রাতে আহনাফ তাহমিদ নামে ১০ বছর বয়সী একটি শিশু খতনা করাতে গিয়ে মারা গেছে। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই ‘ফুল অ্যানেসথেসিয়া’ দেয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। দেড় মাস আগে খতনা করাতে গিয়ে আয়ান আহমেদ নামে আরো একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল এবং তার পরিবারও একই অভিযোগ করেছিল। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে খতনা করাতে গিয়ে আট বছরের শিশুর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার সংবাদ পাওয়া গেছে।
খতনাকেন্দ্রিক এসব মৃত্যু পরিকল্পিত, নাকি নিছক দুর্ঘটনা, তা জানা না গেলেও মর্মান্তিক ঘটনাদুটিকে কেন্দ্র করে মিডিয়ার অপপ্রচার পরিকল্পিতই মনে হচ্ছে। বিবিসিসহ কয়েকটি মিডিয়া এবং কতক ইসলামেবিদ্বেষী গোষ্ঠী একে নেতিবাচকভাবেই উপস্থাপন করছে। এর সাথে হাদীস অস্বীকারকারী আবু সাইদ খানও হাওয়া দিচ্ছে। অথচ ল্যাবএইডে ভুল চিকিৎসায় তাগড়া যুবককে মেরে ফেলার ঘটনা নিয়ে মিডিয়ার কোনো মাতামাতি নেই।
যতদূর জানি, ইসলামসহ আসমানী ধর্মানুসারী সকল জাতির মধ্যে খতনার প্রচলন আছে। শুধু সনাতনী ও বৌদ্ধদের মধ্যে এর প্রচলন নেই। আরবদের মধ্যে জন্মের সাথে সাখে খতনা সেরে ফেলার রেওয়াজ আছে। বাংলাদেশে কোনো ধরনের অ্যানেসথেসিয়া দেয়া ছাড়াই যুগ যুগ ধরে /উসতা বা হাজামরা (যিনি খতনা করান) খতনার কাজ করে সচারুরূপে করে আসছে। এতে কোনো মৃত্যুর কথা কখনো শোনা যায়নি। কিন্তু গত কয়েক দশকে অতিরিক্ত সতর্কতাবসত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে সার্জারির মাধ্যমে খতনা করানোর চল বেশ বেড়ে গেছে। এসব ডাক্তারগণ অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে খতনা করাচ্ছেন। এর আগে কখনো এমন মৃত্যুসংবাদ শোনা গেলেও পরপর খতনাকেন্দ্রিক দুটি দুর্ঘটনা জনমনে সন্দেহ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। অপপ্রচারের মাধ্যমে খতনার ব্যাপারে শিশুদের মধ্যেও আতঙ্ক ও ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদেশে এবং পাশের দেশের সনাতনীরা যেহেতু খতনা করে না, তারা এর সুযোগ নিচ্ছে এবং খতনাহীনতাকে মহিয়ান করে তোলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এসব বাচ্চাদের অন্য সমস্যা ছিল, এমতাবস্থাবস্থায় এনেসথেসিয়া বিপজ্জনক হয়ে ওঠেছিল। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, মিডিয়া এসব মৃত্যুর জন্য বারবার খতনাকে ফোকাস করছে কেন? এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বৈ কিছু নয়।
এমনিতেই এদেশের ইসলামী তাহযীব তামাদ্দুনকে হিন্দুয়ানী কালচার দ্বারা চেপে ধরার অপেচেষ্টা চলছে, এর সাথে খতনাকেন্দ্রিক অপমৃত্যুর কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
হাজার হাজার বছর থেকে সারাবিশ্বে খতনাপ্রথা চলে আসছে। এর উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। ইসলামে এটি শিঅার বা মুসলমানের প্রতীকরূপে স্বীকৃত। এটাকে হিন্দুয়ানি কালচারে বলিদানের ষড়যন্ত্র যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।
২৩।০২।২৪ - সাইফুদ্দিন গাযী
👍9
আলোর পথ
Photo
নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু জননেতা আ আন ম শামসুল ইসলাম ভাইয়ের অসাধারণ কিছু পরামর্শঃ
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যাক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না, ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে, ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যায় জিকির-আজকার করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষ করে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক।(আমিন)
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যাক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না, ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে, ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যায় জিকির-আজকার করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষ করে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক।(আমিন)
❤14
"যারা ঈমান এনেছে তারা লড়াই করে আল্লাহর রাস্তায়, আর যারা কুফরী করেছে তারা লড়াই করে তাগূতের পথে।সুতরাং, তোমরা লড়াই করো শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে।নিশ্চয় শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল।"
[সূরা আন নিসা,আয়াত ৭৬]
[সূরা আন নিসা,আয়াত ৭৬]
❤9
শুয়াইব ইবনুল হাবহাব বলেন, আবুল ‘আলিয়া আমাদের বাড়িতে এলে বলতেন, “আপনারা আমাদের জন্য কষ্ট করতে যাবেন না। ঘরের খাবারই আমাদেরকে খাওয়াবেন।”
.
[আল-মা‘রিফা ওয়াত-তারীখ: ৩/২৪]
.
[আল-মা‘রিফা ওয়াত-তারীখ: ৩/২৪]
শবে বরাত বা মধ্য-শা'বানের রজনীতে যা করা যাবে না-
-মসজিদে মাইক বাজিয়ে বয়ান, দুআ-দুরুদ, যিকির ইত্যাদি
-দলবদ্ধভাবে কবরস্থানে গমন৷ (তবে একা গেলে সমস্যা নেই৷)
-মসজিদ বা স্থাপনায় আলোকসজ্জা
-সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ ব্যতিক্রমী নিয়মে নামায আদায় করা
-এ রাতকে ভাগ্য রজনী মনে করা
-এ রাতকে শবে কদরের সমপর্যায়ের মনে করা
-শিরনি-হালোয়ার আয়োজন
শবে বরাতে যা করবেন-
-আল্লাহ তাআলার কাছে কৃত গোনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন৷
-অপর মুসলিমের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করবেন৷
-একাকী বেশি বেশি নেক আমল (পেছনের জীবনের কাযা নামায, নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির-আযকার) করবেন৷
-আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবেন৷
-দান-সাদাকা করবেন৷
~মুফতি জিয়াউর রহমান হাফিঃ
-মসজিদে মাইক বাজিয়ে বয়ান, দুআ-দুরুদ, যিকির ইত্যাদি
-দলবদ্ধভাবে কবরস্থানে গমন৷ (তবে একা গেলে সমস্যা নেই৷)
-মসজিদ বা স্থাপনায় আলোকসজ্জা
-সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ ব্যতিক্রমী নিয়মে নামায আদায় করা
-এ রাতকে ভাগ্য রজনী মনে করা
-এ রাতকে শবে কদরের সমপর্যায়ের মনে করা
-শিরনি-হালোয়ার আয়োজন
শবে বরাতে যা করবেন-
-আল্লাহ তাআলার কাছে কৃত গোনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন৷
-অপর মুসলিমের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করবেন৷
-একাকী বেশি বেশি নেক আমল (পেছনের জীবনের কাযা নামায, নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির-আযকার) করবেন৷
-আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবেন৷
-দান-সাদাকা করবেন৷
~মুফতি জিয়াউর রহমান হাফিঃ
❤17👍1
সামনে থাকা যেকোন ব্যাক্তি যেন আমাদের কথার দ্বারাই বুঝতে পারে তার সামনে থাকা ব্যাক্তিটি মুসলিম। সকলেই এই কথাগুলো আমলে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ হলে সালাম ও মুসাফাহ করবেন।
• কেমন আছেন?
- আলহামদুলিল্লাহ
• কেউ উপকার করলে বলবেন,
- জাযাকাল্লাহ
• ভালো কাজ করতে চাইলে বলবেন,
- ইন-শা-আল্লাহ
• দুঃখিত বদলে বলবেন,
- আফওয়ান
• বিস্ময়কর কিছু দেখলে বলবেন,
- সুবহানাল্লাহ
• সুন্দর কিছু দেখলে বলবেন,
- মাসাআল্লাহ
• বিদায়ের সময় বলবেন,
- ফি আমানিল্লাহ
সকলেই আমল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ হলে সালাম ও মুসাফাহ করবেন।
• কেমন আছেন?
- আলহামদুলিল্লাহ
• কেউ উপকার করলে বলবেন,
- জাযাকাল্লাহ
• ভালো কাজ করতে চাইলে বলবেন,
- ইন-শা-আল্লাহ
• দুঃখিত বদলে বলবেন,
- আফওয়ান
• বিস্ময়কর কিছু দেখলে বলবেন,
- সুবহানাল্লাহ
• সুন্দর কিছু দেখলে বলবেন,
- মাসাআল্লাহ
• বিদায়ের সময় বলবেন,
- ফি আমানিল্লাহ
সকলেই আমল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
❤18
মসজিদে বিয়ে করা ভালো, কিন্তু এটা আবার সবাইকে জানানোর দরকার কী, যদি একটু পরে ফেসবুকে বউয়ের ছবি ফেসবুকে ঢেলে দেন?
মানে হলো, মসজিদে বিয়ে করছে, এটা বলে মানুষের কাছে ফেরেশতা সাজার চেষ্টা করে।
লুঙ্গি খুলে পাগড়ি বাঁধার মতো আরকি।
মানে হলো, মসজিদে বিয়ে করছে, এটা বলে মানুষের কাছে ফেরেশতা সাজার চেষ্টা করে।
লুঙ্গি খুলে পাগড়ি বাঁধার মতো আরকি।
🔥7