আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
😢21

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো। নিশ্চয়ই কিয়ামতের কম্পন এক ভয়ানক ব্যাপার।’

[ সুরা আল-হাজ, ২২ : ১ ]
😢8
মনে রাখবেন ফুল ফুটবেই, কিন্তু সেটা একরাতে না। দিনের পর দিন আপনাকে পানি দিয়েই যেতে হবে। অবশেষে এই ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন যে, আপনার দু’আর উত্তর আল্লাহ্র তৈরি প্রাকৃতিক নিয়মের কাঠামোর ভেতর থেকেই আসবে। এই কাঠামোর ভেতর যা ঘটে আল্লাহ্ সেটা নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই কাঠামোর মাধ্যমেই তিনি আপনার দু’আর উত্তর দেন। আবারো বলছি, অবশ্যই আলৌকিক ঘটনা, কারামাহ ঘটে, কিন্তু সেগুলো হলো নিয়মের ব্যতিক্রম।
.
একজন কুমারী নারী, যিনি সন্তানের জন্য দু’আ করছেন তিনি অলৌকিকভাবে মারিয়াম (আ) – এর মতো কুমারী অবস্থাতেই গর্ভবতী হয়ে পড়বেন, তার সম্ভাবনা খুবই কম! আবার একজন শতবর্ষী নারী, ইব্রাহীম [আঃ] – এর স্ত্রী সারাহ – এর মতো একশো বছর বয়সে গর্ভবতী হবেন সে সম্ভাবনাও কম। বরং দু’আ করার সময়ই আপনি জানেন, আপনি যখন সন্তান চেয়ে আল্লাহ-র কাছে দু’আ করছেন তখন সন্তান জন্মের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আপনার দু’আর উত্তর আসবে। বিয়ে – স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক – গর্ভধারণ এবং তারপরেই সন্তানপ্রসব। শেষ পর্যন্ত আপনার দু’আর উত্তর এসেছে, কিন্তু তা এসেছে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই। এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেটা শুধু আল্লাহ্ নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একমাত্র তিনিই আপনার দু’আর উত্তর দিয়েছেন এবং দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
ইউসুফ (আ) তাঁর শৈশবে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে আল্লাহ্ অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি ইউসুফ (আ) কে মিশরের উপর ক্ষমতাসীন করবেন এবং আল্লাহ্ তাঁর অঙ্গীকার পূর্ণ করেছিলেন। কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট ঘটনাবলী ও ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমেই “ক” বিন্দু থেকে “খ” বিন্দু তে যাওয়া সম্ভব হয়েছিলো।
.
প্রথমে ইউসুফের (আ) ভাইয়েরা তাদের সাথে তাঁকে নিয়ে গেলো – তাঁকে কুয়ায় নিক্ষেপ করা হলো – তাকে দাস হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হলো – তিনি অন্যান্য বন্দীদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করলেন – বাদশা তাঁর ব্যাখ্যা শুনে চমৎকৃত হলেন – এবং অতঃপর ইউসুফ (আ) মিশরের অর্থমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। শৈশবে তাঁর কাছে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করা হলো, কিন্তু সেটা হলো আপাতদৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। মিশরের আরেকটি গল্প দিয়ে শেষ করছি।
.
ষাটের দশকের শেষ দিকে যখন সাইদ কুতুব (রঃ) কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, সেই একই সময় তাঁর ভাই মুহাম্মাদ ও বোন হামিদা কুতুবও একই জেলে বন্দী ছিলেন। কিন্তু একই কারাগারে থাকা সত্ত্বেও তাঁদের একে অপরের সাথে দেখা করার কোনো উপায় ছিলো না। কারণ কারাকর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী এটা ছিল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শারাওয়ী জুমা আরেকটি আইন করেছিলেন যে, কোনো ইসলামপন্থী কয়েদীকে তাঁদের দর্শনার্থীর কাছ থেকে কোনো ফল বা খাবার নিতে দেওয়া হবে না। বেশ কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর মুহাম্মাদ কুতুব তাঁর বোনের সাথে দেখা করার সু্যোগ চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন।
শারাওয়ী জুমা উত্তর পাঠালো: “জীবিত বা মৃত কোনো অবস্থাতেই তুমি তোমার বোনকে দেখতে পাবে না”।
.
এক বছরের মতো পার হবার পর নতুন এক সরকার ক্ষমতায় এলো এবং ক্ষমতাসীন হওয়া মাত্র তাঁরা পূর্ববর্তী সরকারের সব সদস্যকে জেলে ছুঁড়ে দিলো। হঠাৎ করেই মুহাম্মাদ এবং হামিদা কুতুব আবিষ্কার করলেন তারা এখন মুক্ত। আর শারাওয়ী জুমা নিজেকে আবিষ্কার করলো চার দেওয়ালের মাঝে বন্দী। সেই একই কারাগারে।
.
এরই মাঝে একদিন তাঁর স্ত্রী এক ঝুড়ি ফল নিয়ে তাকে দেখতে আসলো। কারারক্ষী নিয়ম মতো তাঁর তল্লাশী করলো এবং ঝুড়ি ভর্তি ফলও দেখতে পেলো। কারারক্ষী জিজ্ঞেস করলো এই ফল কার জন্য? জবাবে মহিলা বললেন: “ আমার স্বামী শারাওয়ী জুমার জন্য”। মুচকি হেসে প্রহরী জবাব দিলো: “দুঃখিত, আমি নিয়ম মানতে বাধ্য। ফল হাতে প্রবেশ নিষেধ!”
এভাবে দু’আ কাজ করে। দু’আ কোন প্যানিক বাটন না যা মুহূর্তের মধ্যে অলৌকিক সমাধানের গ্যারান্টি দেবে। বরং এর জন্য প্রয়োজন সময় ও গভীরতা। এর জন্য দরকার অবিচলতা, অধ্যবসায়, ধৈর্য, পুনরাবৃত্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি।
.
সর্বোপরি এটি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার কেন্দ্রে আছে এই সত্যটিই যে, প্রতি দিনের প্রতিটি মুহূর্তে এই দুনিয়া এবং এর মাঝে সবকিছু ও সবার উপর আল্লাহ্-র আছে একচ্ছত্র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রন
👍14
কারণ এই পথে ভীড় একটু কম থাকে।
11
ইসলাম বিজয়ী হবেই, ইন শা আল্লাহ
12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কতটা অসহায় হলে মাটিতে পরে যাওয়া সামান্য আটা এভাবে কুড়িয়ে নিচ্ছে ফিলিস্তিনি যুবক। হয়তো বাসায় সন্তানদের মুখে দেয়ার মতো কিছুই নেই।
😢9👍1
আরেকজন ওমর প্রয়োজন:
ওমর রা. এর জামানায় এক মুসলিম বোনের হিজাব ধরে টান দেওয়ায় তার ইজ্জতের সম্মানে পুরো মুসলিম সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আহ আজ মুসলিম জাতি আমরা আমাদের আত্মমর্যাদা হারাতে বসেছি, চোখের সামনে আমাদের বোনদের ইজ্জত হরণ করা হচ্ছে, তাদের হিজাব খুলে নেওয়া হচ্ছে, আমাদের গায়রত এতটাই নিচে নেমে গেছে যে আফসোসের অনুভূতি পর্যন্ত হয় না।
মুহতারাম আতিক উল্লাহ মহসীন হাফি:
15
মেঘ সূর্যকে ঢেকে ফেলে, তার মানে কিন্তু এটা নয় যে— সূর্য আলো দেওয়া বন্ধ করে দেয়৷ সূর্য তো ঠিকই আলো দেয়।

তেমনিভাবে, পাপের কারণে আমাদের জীবনে অনেকসময় দুঃখ-কষ্ট নেমে আসে৷ তার মানে কিন্তু এটা নয় যে— সেসব পাপের কারণে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের ভালোবাসা বন্ধ করে দেন৷ তিনি তো ভালোবেসেই যান৷ আমাদের কাজ শুধু ‘পাপের মেঘ’টাকে সরিয়ে দেওয়া৷ তাহলে আল্লাহর ভালোবাসা আমাদের ছুঁতে পারবে।
13
আমি (মুহাম্মদ সা:) তোমাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। যিনি তোমাদেরকে আল্লাহর ইবাদতের হুকুম দেন এবং এও হুকুম দেন যে, তোমরা আল্লাহর সঙ্গে আর কাউকে শরীক করবে না।
বই-নবীয়ে রহমত ।।
11
মায়ের ভাষা রক্ষার লড়াই
কারো মুখের ভাষা কেও কেড়ে নিতে পারেনা। মানুষের কিছু সম্পদ আছে, যার অধিকারীর প্রতি হিংসা করা যায়, সেই সম্পদের কামনা করা যায়, তা নিজের অধিকারভুক্ত করার লালসা করা যায়; কিন্তু চুরি, ডাকাতি, আবদার, ক্রয়, ধার, ভাড়া এসবের কোনো পন্থায়ই তা মালিকের কাছ থেকে নেওয়া যায় না। যেমনঃ কণ্ঠ, ভাষা, মেধা, রুপ-লাবণ্য, স্বভাব ইত্যাদি।
রুপ-লাবণ্য এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া যায়। কণ্ঠনালি কেটে প্রতিস্থাপন করে কোনো লাভ হয় কি না চেষ্টা করে দেখা জেতে পারে; কিন্তু ভাষার ক্ষেত্রে এতটুকুও করা যায় না। অর্থাৎ, ভাষা কেড়ে নেওয়ার মতো কোনো বস্তু নয়। ভাষা এমন কোনো পদার্থ নয়, যার ব্যাপারে কেড়ে নেওয়া শব্দটি ব্যবহার করেছেন। যে সকল ভাষাবিদ ভাষার ক্ষেত্রে কেড়ে নেওয়া শব্দটি ব্যবহার করেছেন, তারা যদি এর যথাযথ কোনো রূপক অর্থ দাড় করাতে না পারেন, তাহলে এটা তাদের ভাষাজ্ঞানেরই দুর্বলতা।

এমন একটি বায়বীয় বিষয়কেও সুপ্রতিষ্ঠিত আকিদা-বিশ্বাসে পরিণত করা হয়েছে মূলত ক্ষমতার লড়াইকে বেগবান করতে। অফিস-আদালতে বাংলা বা উর্দু ভাষার প্রচলন না থাকলে আমরা বাংলা বা উর্দু ভুলে যাব, বিষয়টি এমন নয়। যদি এমন হতো, তাহলে ব্রিটিশদের ২০০ বছরের শাসনে আমরা সবাই বাংলা-উর্দু ভুলে বিনা পয়সায় ইংরেজিভাষী হয়ে যেতাম। লাখ লাখ টাকা খরচ করে ইংরেজি শেখার প্রয়োজন হতো না। সমস্যা ছিল চাকুরি ও ক্ষমতার। অফিস-আদালত বাংলা-উর্দু ভাষায় না হলে যাদের চাকরি পেতে সমস্যা হতো, ক্ষমতার মসনদে বসে ছড়ি ঘুরাতে সমস্যা হতো, তারাই মূলত ভাষার পক্ষে-বিপক্ষে লড়াইগুলো করেছে। মায়ের ভাষা রক্ষার মতো কোনো বিষয় সেখানে ছিল না। ক্ষমতার লড়াইকে একটি চটকদার শিরোনাম দিয়ে কিছু নিরীহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দুনিয়াপ্রাপ্তির লড়াইয়ের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে 'মায়ের ভাষা রক্ষার লড়াই'
.
বইঃ জান্নাতের সবুজ পাখি; পৃষ্ঠাঃ ২৮
টপিকঃ হিজবুশ শয়তানের বিভিন্ন রুপ
2
"কত দেশে আছে কতটা সৈনিক
মুক্তি সেনা যে কত
কোন দেশে আছে ভাষা সৈনিক
বাংলা ভাষার মতো"

-কবি মতিউর রহমান মল্লিক রাহিমাহুল্লাহ
6
12
ছাত্রশিবির একজন ছাত্রকে পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণ মুসলিম ও ব্যক্তিত্ব তৈরীতে সহায়তা করে।রাসূল (সাঃ)-কে আইডল হিসেবে গ্রহণ করে ও যুগ শ্রেষ্ঠ নৈতিক-চরিত্রবান রূপে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এরই সচিত্র ইতিহাস হলো- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির বনাম সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যবোধের তুলনামূলক পর্যাচালোনা করে শিক্ষার্থীরা গবেষণা করেছে।
21👍1
ভাষা সৈনিক গোলাম আযম রাহিমাহুল্লাহ
(একটি নাম একটি প্রেরণা)

-এস এম সানাউল্লাহ রাহিমাহুল্লাহ

ভাষাসৈনিক গোলাম আযম
স্মরণ করি আজ,
দেশের জন্য সারাজীবন
করে গেছো কাজ।
ভাষার জন্য করলে লড়াই
ডাকসু জিএস হয়ে,
দেশের জন্য কষ্ট অনেক
গেলে তুমি সয়ে।
দেশ-বিদেশে করলে লড়াই
দ্বীনকে ভালোবেসে,
দ্বীনের জন্য জীবন দিলে
জেলখানাতে শেষে।

গোলাম আযম নামটি আজ
ইতিহাসের পাতা,
নামের সাথে জড়িয়ে আছে
অসীম বীরগাথা।
আম জনতার ভালোবাসায়
সিক্ত মধুর নাম
দ্বীন কায়েমের বিপ্লবীদের
অনন্ত উদ্দাম।
এসোরে ভাই এগিয়ে যাই
তারই পথ ধরে,
শাহাদাতের জজবা লইয়া
চলি জীবন ভরে।
15
‘আল্লাহর হুকুম ছাড়া (কারো) কোনো বিপদ আসে না। যে আল্লাহকে বিশ্বাস করে তিনি তার অন্তরকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেন।’

[ সুরা আত-তাগাবুন, ৬৪ : ১১ ]
13
যে ব্যক্তি শরীয়তের বিপরীতে নিজের মত দিতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে, তার অন্তরে ঈমান স্থিত হয় না।
.
- ইবন তাইমিয়া (রাহিমাহুল্লাহ)
[দারউত তাআরুদ্ব: ১/১৭৮]
👍1
আরবির প্রতিটা বর্ণই ইবলিশদের গালে চপেটাঘাতের মতো লাগে। আলহামদুলিল্লাহ, জাযাকাল্লাহ, ইন শা আল্লাহ তো আস্ত আস্ত সব শব্দ...
কথা: আরিফ আজাদ
11
- ভোর ৫ টায় মৃ*ত্যু।
- সকাল ৬টায় জানিয়ে দেওয়া হবে মাইকে।
- ৮ টায় শেষ গোসল করানো হবে।
- ৯টায় তোমাকে নতুন কাপড়ে সাজানো হবে।
- যোহর নামাজ পরে তোমার আলিশান বাড়ি
থেকে বের করে নেওয়া হবে।
- ২টায় তোমার জানাযার নামাজ পড়ানো হবে।
- ২:৩০ তোমাকে মাটিতে দাফন করে দেওয়া হবে।
- মাটি দেওয়া শেষে কেউ তোমার জন‍্য দোয়া করবে।
- আর কেউ চলে আসবে।
- এইতো তোমার জিবনের শেষ আয়োজন!
তো কিসের এতো অহংকার হ্যাঁ?

ভুলে যাও তোমার সব রঙিন স্বপ্ন, ফিরে আসো রবের দিকে। তোমার শেষ ঠিকানা এই সাড়ে ৩ হাত মাটিই!

আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন-আমিন
😢16
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমাকে দাও সে ঈমান
আল্লাহ মেহেরবান
যে ঈমান ফাঁসির মঞ্চে অসংকোচে
গায় জীবনের গান ॥
কথা ও সুর: মতিউর রহমান মল্লিক
10
বিস্তারিত পড়তে চোখ রাখুন:

আলোর পথ
17👍1