আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
গাজা জিহাদের ১৩৫ তম দিনে নতুন ড্রোন চালিয়েছে মুজাহিদরা।
15
বেশি বেশি দান সদকা করুন কেননা

আব্বাস (রা.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন সবার চেয়ে বেশী দানশীল।
বই- আর রাহীকুল মাখতুম: পৃষ্ঠা ৬০৪
রিভার্টেড নওমুসলিম দম্পতি মামলার আপডেট...

আজ বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, -১ চট্টগ্রাম এর আদালতে মামলাটির শুনানি হয়।
শুনানিকালে আমরা প্রায় ৫০ এর বেশি আইনজীবী আসামি ও ভিকটিম পক্ষে অংশ নিই।
বাদী পক্ষেও অনেক আইনজীবী অবস্থান নেয়।

প্রথমে আদালতে উভয়পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে তর্ক বিতর্ক হৈ-হুল্লোড় হলেও আদালতের হস্তক্ষেপে ১মে আমরা আসামি পক্ষে জামিন শুনানির সাবমিশন দিই।
আদালতকে আমরা বুঝানোর চেষ্টা করি দালিলিক প্রমাণাদি দিয়ে, ভিকটিম একজন প্রাপ্ত-বয়স্ক এবং সে বুঝে জেনে শুনে ধর্মগ্রহণ করেন।
তার (ভিকটিমের) দেওয়া জবানবন্দি মতে তাকে আসামি অপহরণ করেনি,কিংবা জোরপূর্বক কেউ ধর্মান্তরিত বা বিয়ে করেনি।যা আসামি গত বৃহস্পতিবার ম্যাজিস্ট্রেট সম্মুখে জবানবন্দি দেয়।
আমরা এই জবানবন্দি আদালতের নজরে নিয়ে আসি।

অতঃপর সার্বিক তথ্য ও দালিলিক বিষয় বিবেচনা করে আসামির জামিন প্রার্থনা করি।এই অবস্থায় ভিকটিম নিজেও কাঠগড়ায় অবস্থান করে।ভিকটিমকে জিজ্ঞেস করতে বলি,আদালত পরক্ষনেই বাদী পক্ষের ও রাষ্ট্র পক্ষের জবানবন্দি শ্রবণ করে আমাদের বেইল প্রেয়ার নামঞ্জুর করেন।
তাদের একটি দরখাস্ত ছিল ভিকটিমের বয়স নির্ধারণের জন্য মেডিক্যাল ভেরিফাই রিপোর্ট চাওয়া হয়। আদালত এই দরখাস্ত টি আমলি আদালতে আগামীকাল সোমবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করে।

এমতাবস্থায় বাইরে সাধারণ উৎসুক জনতার মধ্যে একটা তীব্র প্রতিক্রিয়া হৈ-হুল্লোড় সৃষ্টি হয়,এজলাস বিচারকের দৃষ্টিগোচর হলে  আদালত হস্তক্ষেপ করে স্পেশাল ফোর্স এসে তাদের সরিয়ে দেয়। পরক্ষণে আমরা আইনজীবীরা বের হয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিই।
আদালতের এই আদেশে আমরা সংক্ষুব্ধ হয়েছি।
যেহেতু ভিকটিম বলেছে তাকে কেউ অপহরণ করেনি,সে স্বেচ্ছায় আসামিকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে দীর্ঘদিন ধরে।

আমরা সবকিছু মিলিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
আগামীকাল শুনানিতে আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।
মজলুমের পক্ষে আমরা আছি,আমরা ছিলাম, আমরা থাকবো ইনশাআল্লাহ।
- এডভোকেট সাজিদ আব্দুল্লাহ সাইফ
11👍1
ঈমানদার ও কুফুরির মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত ত্যাগ করা।
(তিরমিজি: ইফা-২৬২১)
#Hadith
7
আল্লাহ তাআলা পুরুষদের নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি নারীদেরকেও দৃষ্টি সংবরণের আদেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন—

‘আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে।’ (সুরা আন-নুর: ৩১)

🌸ইবনে কাসীর এ এ আয়াতের তাফসীর এ এসেছে: হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি এবং হযরত মায়মূনা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট ছিলেন এমন সময় হযরত ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) তথায় আগমন করেন। এটা ছিল পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পরের ঘটনা। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁদেরকে বললেনঃ “তোমরা পর্দা কর।” তাঁরা বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! উনি তো অন্ধ লোক। তিনি আমাদেরকে। দেখতেও পাবেন না এবং চিনতেও পারবেন না।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তোমরা তো অন্ধ নও যে তাকে দেখতে পাবে না?” (এ হাদীসটি ইমাম আবু দাউদ (রঃ) ও ইমাম তিরমিযী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

তবে কোন কোন আলেম বলেন যে, কাম-দৃষ্টি ছাড়া তাকানো হারাম নয়। তাদের দলীল হলো ঐ হাদীসটি যাতে রয়েছে যে, ঈদের দিন হাবশী লোকেরা অস্ত্রের খেলা দেখাচ্ছিল। ঐ সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ)-কে তার পিছনে দাঁড় করিয়ে দেন। তিনি তাদের খেলা দেখছিলেন এবং মনভরে দেখার পর ক্লান্ত হয়ে চলে আসেন।

🍀বোনদের নজর হিফাজত এর গুরত্ব বুঝতে পারছি ত?
👍1
আর কত কাল ঘুমিয়ে থাকবে তুমি মুসলমান?
হে যুবক তোমার কি হয়েছে যে তুমি জিহাদের জন্য বের হচ্ছো না!
কিসে ভয় তোমার!
তুমি কি মনে কর মরবে না!
😢6
9👍1
পশ্চিমা মিডিয়া আমাদের শিখিয়েছে দাড়ি পাগড়ী ওয়ালা মানুষগুলো সন্ত্রাসী।

বাস্তবে দেখা গেলো কোট টাই পরা ভদ্রবেশী লোকগুলো বেশী মানুষ হত্যা করছে। সন্ত্রাসী কারা?
👍3
❝জীবনে কতকিছুই না চাই, চেয়ে থাকি। কিন্তু মহান রব'কে কখনো অপন করে পেতে চাই না। অথচ তিনি আপন হলে, দুনিয়ার সব নিজের হয়ে যেত। অপূর্ণতা বলে কিছু থাকত না।❞
বইঃ আজ ছুটি নিক দুঃখরা
12
এখন এস এস সি দাখিল পরীক্ষা চলছে। এ সময়ে আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম মাওলানা হোসাইন আহমেদ রাহিমাহুল্লাহ কে। আমার স্মরণ আছে, আমি যখন দাখিল পরীক্ষা দিয়ে বের হতাম, আমার শ্রদ্ধেয় আব্বার চোখে পানি দেখতাম!! আমি যতক্ষণ পরীক্ষার হলে থাকতাম আব্বা ততক্ষণ দোয়া-দরুদ আর মসজিদে নামাজ পড়ে কাটিয়ে দিতেন।
আমাদের প্রত্যেককেই বড় করার পেছনে সকলের বাবা-মায়ের রয়েছে অনেক পরিশ্রম, ভালোবাসা ও দোয়া।
দুনিয়ার এই শ্রেষ্ঠ নেয়ামত মা-বাবা আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছেন।
যারা আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন, যারা জীবিত আছেন তাদের খেদমত করার মাধ্যমে জান্নাত হাসিলের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবার তাওফিক দান করুন।
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
(হে আমাদের) পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি দয়া কর; যেভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ২৪)

- Dr. Rezaul Karim
8👍1
😢21

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো। নিশ্চয়ই কিয়ামতের কম্পন এক ভয়ানক ব্যাপার।’

[ সুরা আল-হাজ, ২২ : ১ ]
😢8
মনে রাখবেন ফুল ফুটবেই, কিন্তু সেটা একরাতে না। দিনের পর দিন আপনাকে পানি দিয়েই যেতে হবে। অবশেষে এই ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন যে, আপনার দু’আর উত্তর আল্লাহ্র তৈরি প্রাকৃতিক নিয়মের কাঠামোর ভেতর থেকেই আসবে। এই কাঠামোর ভেতর যা ঘটে আল্লাহ্ সেটা নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই কাঠামোর মাধ্যমেই তিনি আপনার দু’আর উত্তর দেন। আবারো বলছি, অবশ্যই আলৌকিক ঘটনা, কারামাহ ঘটে, কিন্তু সেগুলো হলো নিয়মের ব্যতিক্রম।
.
একজন কুমারী নারী, যিনি সন্তানের জন্য দু’আ করছেন তিনি অলৌকিকভাবে মারিয়াম (আ) – এর মতো কুমারী অবস্থাতেই গর্ভবতী হয়ে পড়বেন, তার সম্ভাবনা খুবই কম! আবার একজন শতবর্ষী নারী, ইব্রাহীম [আঃ] – এর স্ত্রী সারাহ – এর মতো একশো বছর বয়সে গর্ভবতী হবেন সে সম্ভাবনাও কম। বরং দু’আ করার সময়ই আপনি জানেন, আপনি যখন সন্তান চেয়ে আল্লাহ-র কাছে দু’আ করছেন তখন সন্তান জন্মের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আপনার দু’আর উত্তর আসবে। বিয়ে – স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক – গর্ভধারণ এবং তারপরেই সন্তানপ্রসব। শেষ পর্যন্ত আপনার দু’আর উত্তর এসেছে, কিন্তু তা এসেছে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই। এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেটা শুধু আল্লাহ্ নিয়ন্ত্রণ করেন এবং এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একমাত্র তিনিই আপনার দু’আর উত্তর দিয়েছেন এবং দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
ইউসুফ (আ) তাঁর শৈশবে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে আল্লাহ্ অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি ইউসুফ (আ) কে মিশরের উপর ক্ষমতাসীন করবেন এবং আল্লাহ্ তাঁর অঙ্গীকার পূর্ণ করেছিলেন। কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট ঘটনাবলী ও ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমেই “ক” বিন্দু থেকে “খ” বিন্দু তে যাওয়া সম্ভব হয়েছিলো।
.
প্রথমে ইউসুফের (আ) ভাইয়েরা তাদের সাথে তাঁকে নিয়ে গেলো – তাঁকে কুয়ায় নিক্ষেপ করা হলো – তাকে দাস হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হলো – তিনি অন্যান্য বন্দীদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা করলেন – বাদশা তাঁর ব্যাখ্যা শুনে চমৎকৃত হলেন – এবং অতঃপর ইউসুফ (আ) মিশরের অর্থমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। শৈশবে তাঁর কাছে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করা হলো, কিন্তু সেটা হলো আপাতদৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। মিশরের আরেকটি গল্প দিয়ে শেষ করছি।
.
ষাটের দশকের শেষ দিকে যখন সাইদ কুতুব (রঃ) কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, সেই একই সময় তাঁর ভাই মুহাম্মাদ ও বোন হামিদা কুতুবও একই জেলে বন্দী ছিলেন। কিন্তু একই কারাগারে থাকা সত্ত্বেও তাঁদের একে অপরের সাথে দেখা করার কোনো উপায় ছিলো না। কারণ কারাকর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী এটা ছিল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শারাওয়ী জুমা আরেকটি আইন করেছিলেন যে, কোনো ইসলামপন্থী কয়েদীকে তাঁদের দর্শনার্থীর কাছ থেকে কোনো ফল বা খাবার নিতে দেওয়া হবে না। বেশ কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর মুহাম্মাদ কুতুব তাঁর বোনের সাথে দেখা করার সু্যোগ চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন।
শারাওয়ী জুমা উত্তর পাঠালো: “জীবিত বা মৃত কোনো অবস্থাতেই তুমি তোমার বোনকে দেখতে পাবে না”।
.
এক বছরের মতো পার হবার পর নতুন এক সরকার ক্ষমতায় এলো এবং ক্ষমতাসীন হওয়া মাত্র তাঁরা পূর্ববর্তী সরকারের সব সদস্যকে জেলে ছুঁড়ে দিলো। হঠাৎ করেই মুহাম্মাদ এবং হামিদা কুতুব আবিষ্কার করলেন তারা এখন মুক্ত। আর শারাওয়ী জুমা নিজেকে আবিষ্কার করলো চার দেওয়ালের মাঝে বন্দী। সেই একই কারাগারে।
.
এরই মাঝে একদিন তাঁর স্ত্রী এক ঝুড়ি ফল নিয়ে তাকে দেখতে আসলো। কারারক্ষী নিয়ম মতো তাঁর তল্লাশী করলো এবং ঝুড়ি ভর্তি ফলও দেখতে পেলো। কারারক্ষী জিজ্ঞেস করলো এই ফল কার জন্য? জবাবে মহিলা বললেন: “ আমার স্বামী শারাওয়ী জুমার জন্য”। মুচকি হেসে প্রহরী জবাব দিলো: “দুঃখিত, আমি নিয়ম মানতে বাধ্য। ফল হাতে প্রবেশ নিষেধ!”
এভাবে দু’আ কাজ করে। দু’আ কোন প্যানিক বাটন না যা মুহূর্তের মধ্যে অলৌকিক সমাধানের গ্যারান্টি দেবে। বরং এর জন্য প্রয়োজন সময় ও গভীরতা। এর জন্য দরকার অবিচলতা, অধ্যবসায়, ধৈর্য, পুনরাবৃত্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি।
.
সর্বোপরি এটি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার কেন্দ্রে আছে এই সত্যটিই যে, প্রতি দিনের প্রতিটি মুহূর্তে এই দুনিয়া এবং এর মাঝে সবকিছু ও সবার উপর আল্লাহ্-র আছে একচ্ছত্র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রন
👍14
কারণ এই পথে ভীড় একটু কম থাকে।
11
ইসলাম বিজয়ী হবেই, ইন শা আল্লাহ
12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কতটা অসহায় হলে মাটিতে পরে যাওয়া সামান্য আটা এভাবে কুড়িয়ে নিচ্ছে ফিলিস্তিনি যুবক। হয়তো বাসায় সন্তানদের মুখে দেয়ার মতো কিছুই নেই।
😢9👍1
আরেকজন ওমর প্রয়োজন:
ওমর রা. এর জামানায় এক মুসলিম বোনের হিজাব ধরে টান দেওয়ায় তার ইজ্জতের সম্মানে পুরো মুসলিম সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আহ আজ মুসলিম জাতি আমরা আমাদের আত্মমর্যাদা হারাতে বসেছি, চোখের সামনে আমাদের বোনদের ইজ্জত হরণ করা হচ্ছে, তাদের হিজাব খুলে নেওয়া হচ্ছে, আমাদের গায়রত এতটাই নিচে নেমে গেছে যে আফসোসের অনুভূতি পর্যন্ত হয় না।
মুহতারাম আতিক উল্লাহ মহসীন হাফি:
15
মেঘ সূর্যকে ঢেকে ফেলে, তার মানে কিন্তু এটা নয় যে— সূর্য আলো দেওয়া বন্ধ করে দেয়৷ সূর্য তো ঠিকই আলো দেয়।

তেমনিভাবে, পাপের কারণে আমাদের জীবনে অনেকসময় দুঃখ-কষ্ট নেমে আসে৷ তার মানে কিন্তু এটা নয় যে— সেসব পাপের কারণে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের ভালোবাসা বন্ধ করে দেন৷ তিনি তো ভালোবেসেই যান৷ আমাদের কাজ শুধু ‘পাপের মেঘ’টাকে সরিয়ে দেওয়া৷ তাহলে আল্লাহর ভালোবাসা আমাদের ছুঁতে পারবে।
13
আমি (মুহাম্মদ সা:) তোমাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। যিনি তোমাদেরকে আল্লাহর ইবাদতের হুকুম দেন এবং এও হুকুম দেন যে, তোমরা আল্লাহর সঙ্গে আর কাউকে শরীক করবে না।
বই-নবীয়ে রহমত ।।
11
মায়ের ভাষা রক্ষার লড়াই
কারো মুখের ভাষা কেও কেড়ে নিতে পারেনা। মানুষের কিছু সম্পদ আছে, যার অধিকারীর প্রতি হিংসা করা যায়, সেই সম্পদের কামনা করা যায়, তা নিজের অধিকারভুক্ত করার লালসা করা যায়; কিন্তু চুরি, ডাকাতি, আবদার, ক্রয়, ধার, ভাড়া এসবের কোনো পন্থায়ই তা মালিকের কাছ থেকে নেওয়া যায় না। যেমনঃ কণ্ঠ, ভাষা, মেধা, রুপ-লাবণ্য, স্বভাব ইত্যাদি।
রুপ-লাবণ্য এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া যায়। কণ্ঠনালি কেটে প্রতিস্থাপন করে কোনো লাভ হয় কি না চেষ্টা করে দেখা জেতে পারে; কিন্তু ভাষার ক্ষেত্রে এতটুকুও করা যায় না। অর্থাৎ, ভাষা কেড়ে নেওয়ার মতো কোনো বস্তু নয়। ভাষা এমন কোনো পদার্থ নয়, যার ব্যাপারে কেড়ে নেওয়া শব্দটি ব্যবহার করেছেন। যে সকল ভাষাবিদ ভাষার ক্ষেত্রে কেড়ে নেওয়া শব্দটি ব্যবহার করেছেন, তারা যদি এর যথাযথ কোনো রূপক অর্থ দাড় করাতে না পারেন, তাহলে এটা তাদের ভাষাজ্ঞানেরই দুর্বলতা।

এমন একটি বায়বীয় বিষয়কেও সুপ্রতিষ্ঠিত আকিদা-বিশ্বাসে পরিণত করা হয়েছে মূলত ক্ষমতার লড়াইকে বেগবান করতে। অফিস-আদালতে বাংলা বা উর্দু ভাষার প্রচলন না থাকলে আমরা বাংলা বা উর্দু ভুলে যাব, বিষয়টি এমন নয়। যদি এমন হতো, তাহলে ব্রিটিশদের ২০০ বছরের শাসনে আমরা সবাই বাংলা-উর্দু ভুলে বিনা পয়সায় ইংরেজিভাষী হয়ে যেতাম। লাখ লাখ টাকা খরচ করে ইংরেজি শেখার প্রয়োজন হতো না। সমস্যা ছিল চাকুরি ও ক্ষমতার। অফিস-আদালত বাংলা-উর্দু ভাষায় না হলে যাদের চাকরি পেতে সমস্যা হতো, ক্ষমতার মসনদে বসে ছড়ি ঘুরাতে সমস্যা হতো, তারাই মূলত ভাষার পক্ষে-বিপক্ষে লড়াইগুলো করেছে। মায়ের ভাষা রক্ষার মতো কোনো বিষয় সেখানে ছিল না। ক্ষমতার লড়াইকে একটি চটকদার শিরোনাম দিয়ে কিছু নিরীহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দুনিয়াপ্রাপ্তির লড়াইয়ের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে 'মায়ের ভাষা রক্ষার লড়াই'
.
বইঃ জান্নাতের সবুজ পাখি; পৃষ্ঠাঃ ২৮
টপিকঃ হিজবুশ শয়তানের বিভিন্ন রুপ
2