‘তিনি আপনাকে পেয়েছিলেন পথহারা অবস্থায়। তারপর তিনিই আপনাকে পথ দেখালেন’।
.
— সূরা আদ দোহা, ০৭
.
— সূরা আদ দোহা, ০৭
❤5
গাজও.য়ায়ে হিন্দের ভবিষ্যদ্বাণী কড়া নাড়ছে আপনার দুয়ারে...
.
রাসুল (ﷺ) বললেন, “আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।”
সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশ.রিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে।
.
.
ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা তিন ভাগে বিভক্ত থাকবে; এক ভাগ বিশাল মুশ.রিক বাহিনি দেখে ভয়ে পালিয়ে যাবে, তারাই হলো জাহান্নামী! আর এক ভাগ সবাই যুদ্ধে শহীদ হবেন। শেষ ভাগ আল্লাহর ওপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ করবেন।
.
রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!
তিনি আরো বলেছেন, ঐ সময় মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুক না কেন তারা যেন সেই যুদ্ধে শরিক হন।
.
রাসুল (ﷺ) বললেন, “আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।”
সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশ.রিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে।
.
যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবা.হিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশ.রিক সে.নাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক।
.
ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা তিন ভাগে বিভক্ত থাকবে; এক ভাগ বিশাল মুশ.রিক বাহিনি দেখে ভয়ে পালিয়ে যাবে, তারাই হলো জাহান্নামী! আর এক ভাগ সবাই যুদ্ধে শহীদ হবেন। শেষ ভাগ আল্লাহর ওপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ করবেন।
.
রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!
তিনি আরো বলেছেন, ঐ সময় মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুক না কেন তারা যেন সেই যুদ্ধে শরিক হন।
😢9
শাহজালালের (রহ.)“আল্লাহু আকবর” ধ্বনির শক্তি গৌর গোবিন্দের উত্তরসূরীরা ভুলে গেছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে যতটা সহজ ভাবছে সবকিছু ততটা সহজ না ইনশাআল্লাহ। আমরা তো তাঁদেরই উত্তরসূরি, যাদের আজানের শব্দেই বাতিলের মসনদ কেঁপে উঠতো!
🥰12
১৯৭১ সালে যুদ্ধ হয়েছিল মূলত?
Anonymous Poll
54%
ভারত-পাকিস্তান
26%
বাংলাদেশ-পাকিস্তান
13%
(১+২)
7%
একটিও নয়
আফগানিস্তান বিদেশীদের প্রেসক্রিপশনে চলবে না। বিদেশীদের বেধে দেয়া এজেন্ডায় আলোচনায় বসবে না। যদি স্বীকৃতি দেয়া হয় নতুন সরকারকে। যদি জাতিসংঘের মহাসচিবের সাথে সরাসরি কথা বলতে দেয়া হয়। তবেই কাতারে জাতিসংঘের সম্মেলনে যোগ দিবে আফগান সরকারের প্রতিনিধি। এমনটাই জানিয়েছে জবিউল্লাহ মুজাহিদ। এদিকে ব্রাজিলের বিপ্লবী প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভার গাজা নিয়ে সাহসী বক্তকে চটেছে দখলদার দেশটি। মেরুদন্ডহীন পশ্চিমা নেতারা যে সত্য উচ্চরণের সাহস পায় নি, তাই অকপটে উচ্চারণ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট সিলভা।
❤10
ঘুমানো হয়নি এখন? কিসের জন্য জেগে আছেন? কিছু পরিকল্পনা করছেন?
আজকের দিনটা ত শেষ। কাল আরেকটা দিন শুরু। এভাবে করে টুক করে জীবনটাই শেষ হয়ে যাবে৷ কিছুটা বছর হায়াত পেলে কখনো এরকম রাতে বার্ধ্যেকে পতিত হয়ে মনে হবে; জীবনটাই ত শেষ।
তওবা করে ঘুমাই, এতটা রাতে ঘুমুলে ফজর মিস হবে না? দেরি না করি ইন শা আল্লাহ।
আজকের দিনটা ত শেষ। কাল আরেকটা দিন শুরু। এভাবে করে টুক করে জীবনটাই শেষ হয়ে যাবে৷ কিছুটা বছর হায়াত পেলে কখনো এরকম রাতে বার্ধ্যেকে পতিত হয়ে মনে হবে; জীবনটাই ত শেষ।
তওবা করে ঘুমাই, এতটা রাতে ঘুমুলে ফজর মিস হবে না? দেরি না করি ইন শা আল্লাহ।
❤9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
গাজা জিহাদের ১৩৫ তম দিনে নতুন ড্রোন চালিয়েছে মুজাহিদরা।
❤15
বেশি বেশি দান সদকা করুন কেননা
আব্বাস (রা.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন সবার চেয়ে বেশী দানশীল।
বই- আর রাহীকুল মাখতুম: পৃষ্ঠা ৬০৪
আব্বাস (রা.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন সবার চেয়ে বেশী দানশীল।
বই- আর রাহীকুল মাখতুম: পৃষ্ঠা ৬০৪
রিভার্টেড নওমুসলিম দম্পতি মামলার আপডেট...
আজ বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, -১ চট্টগ্রাম এর আদালতে মামলাটির শুনানি হয়।
শুনানিকালে আমরা প্রায় ৫০ এর বেশি আইনজীবী আসামি ও ভিকটিম পক্ষে অংশ নিই।
বাদী পক্ষেও অনেক আইনজীবী অবস্থান নেয়।
প্রথমে আদালতে উভয়পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে তর্ক বিতর্ক হৈ-হুল্লোড় হলেও আদালতের হস্তক্ষেপে ১মে আমরা আসামি পক্ষে জামিন শুনানির সাবমিশন দিই।
আদালতকে আমরা বুঝানোর চেষ্টা করি দালিলিক প্রমাণাদি দিয়ে, ভিকটিম একজন প্রাপ্ত-বয়স্ক এবং সে বুঝে জেনে শুনে ধর্মগ্রহণ করেন।
তার (ভিকটিমের) দেওয়া জবানবন্দি মতে তাকে আসামি অপহরণ করেনি,কিংবা জোরপূর্বক কেউ ধর্মান্তরিত বা বিয়ে করেনি।যা আসামি গত বৃহস্পতিবার ম্যাজিস্ট্রেট সম্মুখে জবানবন্দি দেয়।
আমরা এই জবানবন্দি আদালতের নজরে নিয়ে আসি।
অতঃপর সার্বিক তথ্য ও দালিলিক বিষয় বিবেচনা করে আসামির জামিন প্রার্থনা করি।এই অবস্থায় ভিকটিম নিজেও কাঠগড়ায় অবস্থান করে।ভিকটিমকে জিজ্ঞেস করতে বলি,আদালত পরক্ষনেই বাদী পক্ষের ও রাষ্ট্র পক্ষের জবানবন্দি শ্রবণ করে আমাদের বেইল প্রেয়ার নামঞ্জুর করেন।
তাদের একটি দরখাস্ত ছিল ভিকটিমের বয়স নির্ধারণের জন্য মেডিক্যাল ভেরিফাই রিপোর্ট চাওয়া হয়। আদালত এই দরখাস্ত টি আমলি আদালতে আগামীকাল সোমবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করে।
এমতাবস্থায় বাইরে সাধারণ উৎসুক জনতার মধ্যে একটা তীব্র প্রতিক্রিয়া হৈ-হুল্লোড় সৃষ্টি হয়,এজলাস বিচারকের দৃষ্টিগোচর হলে আদালত হস্তক্ষেপ করে স্পেশাল ফোর্স এসে তাদের সরিয়ে দেয়। পরক্ষণে আমরা আইনজীবীরা বের হয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিই।
আদালতের এই আদেশে আমরা সংক্ষুব্ধ হয়েছি।
যেহেতু ভিকটিম বলেছে তাকে কেউ অপহরণ করেনি,সে স্বেচ্ছায় আসামিকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে দীর্ঘদিন ধরে।
আমরা সবকিছু মিলিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
আগামীকাল শুনানিতে আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।
মজলুমের পক্ষে আমরা আছি,আমরা ছিলাম, আমরা থাকবো ইনশাআল্লাহ।
- এডভোকেট সাজিদ আব্দুল্লাহ সাইফ
আজ বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, -১ চট্টগ্রাম এর আদালতে মামলাটির শুনানি হয়।
শুনানিকালে আমরা প্রায় ৫০ এর বেশি আইনজীবী আসামি ও ভিকটিম পক্ষে অংশ নিই।
বাদী পক্ষেও অনেক আইনজীবী অবস্থান নেয়।
প্রথমে আদালতে উভয়পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে তর্ক বিতর্ক হৈ-হুল্লোড় হলেও আদালতের হস্তক্ষেপে ১মে আমরা আসামি পক্ষে জামিন শুনানির সাবমিশন দিই।
আদালতকে আমরা বুঝানোর চেষ্টা করি দালিলিক প্রমাণাদি দিয়ে, ভিকটিম একজন প্রাপ্ত-বয়স্ক এবং সে বুঝে জেনে শুনে ধর্মগ্রহণ করেন।
তার (ভিকটিমের) দেওয়া জবানবন্দি মতে তাকে আসামি অপহরণ করেনি,কিংবা জোরপূর্বক কেউ ধর্মান্তরিত বা বিয়ে করেনি।যা আসামি গত বৃহস্পতিবার ম্যাজিস্ট্রেট সম্মুখে জবানবন্দি দেয়।
আমরা এই জবানবন্দি আদালতের নজরে নিয়ে আসি।
অতঃপর সার্বিক তথ্য ও দালিলিক বিষয় বিবেচনা করে আসামির জামিন প্রার্থনা করি।এই অবস্থায় ভিকটিম নিজেও কাঠগড়ায় অবস্থান করে।ভিকটিমকে জিজ্ঞেস করতে বলি,আদালত পরক্ষনেই বাদী পক্ষের ও রাষ্ট্র পক্ষের জবানবন্দি শ্রবণ করে আমাদের বেইল প্রেয়ার নামঞ্জুর করেন।
তাদের একটি দরখাস্ত ছিল ভিকটিমের বয়স নির্ধারণের জন্য মেডিক্যাল ভেরিফাই রিপোর্ট চাওয়া হয়। আদালত এই দরখাস্ত টি আমলি আদালতে আগামীকাল সোমবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করে।
এমতাবস্থায় বাইরে সাধারণ উৎসুক জনতার মধ্যে একটা তীব্র প্রতিক্রিয়া হৈ-হুল্লোড় সৃষ্টি হয়,এজলাস বিচারকের দৃষ্টিগোচর হলে আদালত হস্তক্ষেপ করে স্পেশাল ফোর্স এসে তাদের সরিয়ে দেয়। পরক্ষণে আমরা আইনজীবীরা বের হয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিই।
আদালতের এই আদেশে আমরা সংক্ষুব্ধ হয়েছি।
যেহেতু ভিকটিম বলেছে তাকে কেউ অপহরণ করেনি,সে স্বেচ্ছায় আসামিকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে দীর্ঘদিন ধরে।
আমরা সবকিছু মিলিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
আগামীকাল শুনানিতে আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।
মজলুমের পক্ষে আমরা আছি,আমরা ছিলাম, আমরা থাকবো ইনশাআল্লাহ।
- এডভোকেট সাজিদ আব্দুল্লাহ সাইফ
❤11👍1
আল্লাহ তাআলা পুরুষদের নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি নারীদেরকেও দৃষ্টি সংবরণের আদেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন—
‘আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে।’ (সুরা আন-নুর: ৩১)
🌸ইবনে কাসীর এ এ আয়াতের তাফসীর এ এসেছে: হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি এবং হযরত মায়মূনা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট ছিলেন এমন সময় হযরত ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) তথায় আগমন করেন। এটা ছিল পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পরের ঘটনা। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁদেরকে বললেনঃ “তোমরা পর্দা কর।” তাঁরা বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! উনি তো অন্ধ লোক। তিনি আমাদেরকে। দেখতেও পাবেন না এবং চিনতেও পারবেন না।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তোমরা তো অন্ধ নও যে তাকে দেখতে পাবে না?” (এ হাদীসটি ইমাম আবু দাউদ (রঃ) ও ইমাম তিরমিযী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
তবে কোন কোন আলেম বলেন যে, কাম-দৃষ্টি ছাড়া তাকানো হারাম নয়। তাদের দলীল হলো ঐ হাদীসটি যাতে রয়েছে যে, ঈদের দিন হাবশী লোকেরা অস্ত্রের খেলা দেখাচ্ছিল। ঐ সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ)-কে তার পিছনে দাঁড় করিয়ে দেন। তিনি তাদের খেলা দেখছিলেন এবং মনভরে দেখার পর ক্লান্ত হয়ে চলে আসেন।
🍀বোনদের নজর হিফাজত এর গুরত্ব বুঝতে পারছি ত?
‘আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে।’ (সুরা আন-নুর: ৩১)
🌸ইবনে কাসীর এ এ আয়াতের তাফসীর এ এসেছে: হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি এবং হযরত মায়মূনা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট ছিলেন এমন সময় হযরত ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ) তথায় আগমন করেন। এটা ছিল পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পরের ঘটনা। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁদেরকে বললেনঃ “তোমরা পর্দা কর।” তাঁরা বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! উনি তো অন্ধ লোক। তিনি আমাদেরকে। দেখতেও পাবেন না এবং চিনতেও পারবেন না।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তোমরা তো অন্ধ নও যে তাকে দেখতে পাবে না?” (এ হাদীসটি ইমাম আবু দাউদ (রঃ) ও ইমাম তিরমিযী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
তবে কোন কোন আলেম বলেন যে, কাম-দৃষ্টি ছাড়া তাকানো হারাম নয়। তাদের দলীল হলো ঐ হাদীসটি যাতে রয়েছে যে, ঈদের দিন হাবশী লোকেরা অস্ত্রের খেলা দেখাচ্ছিল। ঐ সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ)-কে তার পিছনে দাঁড় করিয়ে দেন। তিনি তাদের খেলা দেখছিলেন এবং মনভরে দেখার পর ক্লান্ত হয়ে চলে আসেন।
🍀বোনদের নজর হিফাজত এর গুরত্ব বুঝতে পারছি ত?
👍1
আর কত কাল ঘুমিয়ে থাকবে তুমি মুসলমান?
হে যুবক তোমার কি হয়েছে যে তুমি জিহাদের জন্য বের হচ্ছো না!
কিসে ভয় তোমার!
তুমি কি মনে কর মরবে না!
হে যুবক তোমার কি হয়েছে যে তুমি জিহাদের জন্য বের হচ্ছো না!
কিসে ভয় তোমার!
তুমি কি মনে কর মরবে না!
😢6
এখন এস এস সি দাখিল পরীক্ষা চলছে। এ সময়ে আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম মাওলানা হোসাইন আহমেদ রাহিমাহুল্লাহ কে। আমার স্মরণ আছে, আমি যখন দাখিল পরীক্ষা দিয়ে বের হতাম, আমার শ্রদ্ধেয় আব্বার চোখে পানি দেখতাম!! আমি যতক্ষণ পরীক্ষার হলে থাকতাম আব্বা ততক্ষণ দোয়া-দরুদ আর মসজিদে নামাজ পড়ে কাটিয়ে দিতেন।
আমাদের প্রত্যেককেই বড় করার পেছনে সকলের বাবা-মায়ের রয়েছে অনেক পরিশ্রম, ভালোবাসা ও দোয়া।
দুনিয়ার এই শ্রেষ্ঠ নেয়ামত মা-বাবা আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছেন।
যারা আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন, যারা জীবিত আছেন তাদের খেদমত করার মাধ্যমে জান্নাত হাসিলের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবার তাওফিক দান করুন।
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
(হে আমাদের) পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি দয়া কর; যেভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ২৪)
- Dr. Rezaul Karim
আমাদের প্রত্যেককেই বড় করার পেছনে সকলের বাবা-মায়ের রয়েছে অনেক পরিশ্রম, ভালোবাসা ও দোয়া।
দুনিয়ার এই শ্রেষ্ঠ নেয়ামত মা-বাবা আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছেন।
যারা আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন, যারা জীবিত আছেন তাদের খেদমত করার মাধ্যমে জান্নাত হাসিলের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবার তাওফিক দান করুন।
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
(হে আমাদের) পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি দয়া কর; যেভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ২৪)
- Dr. Rezaul Karim
❤8👍1